Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    লে মিজারেবল – ভিক্টর হুগো

    ভিক্টর হুগো এক পাতা গল্প1486 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৪.০৪ ধীরে ধীরে বিষাদের ছায়া

    চতুর্থ পরিচ্ছেদ

    ১.

    ধীরে ধীরে বিষাদের ছায়া ঘন হয়ে উঠতে লাগল তাদের জীবনে। এই দুঃখ আর বিষাদের জন্য তাদের একমাত্র সান্ত্বনা আর আনন্দের উৎসস্থল ছিল গরিব-দুঃখীদের অন্ন ও বস্ত্রদান। কসেত্তে যখন জাঁ ভলজাঁ’র সঙ্গে গরিব-দুঃখীদের বস্তিতে গিয়ে খাদ্য, টাকা-পয়সা ও পোশাক-আশাক দান করত তখন সে-ও প্রচুর আনন্দ পেত। তাদের দু জনের মধ্যে যে অন্তরঙ্গতার উত্তাপটা চলে গিয়েছিল, এই সব জনসেবামূলক কাজের মধ্য দিয়ে সেই উত্তাপটা আবার ফিরে পেত তারা। কত দুস্থ লোককে সাহায্য দান করত তারা। কত গরিব ছেলেমেয়েদের মুখে হাসি ফুটিয়ে তুলঁত। এমনি এক সময়েই এপোনিনের কাছে চিঠি পেয়ে জনদ্ৰেত্তে’র বাড়িতে যায় তারা।

    জনদ্ৰেত্তে’র বাসায় সে রাতের ঘটনার পরদিন সকালে জাঁ ভলজাঁ বাঁ হাতে এক ক্ষত নিয়ে বাড়ি ফিরে আসে। তার হাতটা ফুলে যায়। তার খুব জ্বর হয়। সে এক মাস ধরে শয্যাগত হয়ে থাকে। কিন্তু কোনও ডাক্তার ডাকেনি। কসেত্তে তার সেবা করতে থাকে। কসেত্তে যেমন তার সেবা করে আনন্দ পায় ভলজাঁ তেমনি তার সেবা পেয়ে আগেকার সেই হারানো সুখ ফিরে পায়। কসেত্তে যখন পরম নিষ্ঠার সঙ্গে তার সেবা করত তখন সে তার দিকে তাকিয়ে থেকে মনে মনে বলে উঠত, আমার এই অসুখ, এই আঘাত। পরম উপকার করেছে আমার। আমি সত্যিই ভাগ্যবান।

    তার বাবা অসুস্থ থাকায় কসেত্তে তার বাবার কটেজেই সারাদিনের মধ্যে বেশির ভাগ সময় কাটাত। তার বাবার বিছানার পাশ বসে ভ্রমণের বই পড়ে আনন্দ পেত সে। যেন এক নবজন্ম লাভ করল ভলজাঁ। লুক্সেমবুর্গ বাগান, সেই অচেনা অদ্ভুত যুবক, কসেত্তে’র ভাবান্তর আগে যে সব কথা ভেবে কষ্ট পেত মনে, সে সব কথা মন থেকে সরে গেল তার। সে তখন মনে মনে বলতে লাগল, আমি বোকা, এসব আমার মনের কল্পনা মাত্র।

    নতুন সুখের মত্ততায় জনদ্ৰেত্তেই যে থেনার্দিয়ের এ নিয়ে আর বেশি ভাবল না সে। তা নিয়ে বেশি মনঃকষ্ট পেল না। তাদের কথা ভাবতে গেলে শুধু একটা দুঃখই হয়। তারা বড় দুরবস্থার মধ্যে আছে। তারা এখন জেলখানায় আছে। সুতরাং তারা এখন আর কারও কোনও ক্ষতি করতে পারবে না।

    কসেত্তে ব্যারিয়ের দু মেনের ঘটনার কথা উল্লেখ করেনি।

    কনভেন্টে থাকাকালে সিস্টার মেফতিলদে কসেত্তেকে কিছু গান শিখিয়েছিল। কসেত্তে এক একদিন সন্ধের সময় যখন ভলজাঁ’র কাছে তার কটেজে বসে থাকত তখন প্রাণ খুলে গান করে ভলজাঁকে প্রীত করত।

    আরও দেখুন
    বাংলা কবিতা
    গ্রন্থাগার
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা অডিওবুক
    PDF
    বইয়ের
    সেবা প্রকাশনীর বই
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    Books
    বই

    বসন্ত এল। বাগানটা ফুল আর কচি কিশলয়ে এমনভাবে ভরে উঠল যে তা দেখে আনন্দে আত্মহারা হয়ে একদিন কসেত্তেকে বলল, তুমি বাগানে মোটেই যাও না। আমি চাই তুমি সেখানে গিয়ে মাঝে মাঝে বেড়াও।

    কসেত্তে বলল, তা হলে আমি নিশ্চয় যাব সেখানে।

    তার বাবাকে খুশি করার জন্য একা একাই বাগানে বেড়াত কসেত্তে। রাস্তা থেকে গেট দিয়ে তাকে দেখে ফেলে এই ভয়ে ভলজাঁ বাগান দিয়ে বড় একটা যেত না।

    ভলজাঁ’র হাতের ক্ষতটা এক বিরাট পরিবর্তন এনেছিল দু জনের জীবনধারায়। কসেত্তে যখন দেখল ধীরে ধীরে সেরে উঠছে ভলজাঁ এবং ক্রমে সে মনে মনে হালকা হয়ে উঠছে তখন সে মনে এমন একটা তৃপ্তির অনুভূতি লাভ করছিল, যার কথা সে ভালোভাবে বুঝতেই পারছিল না। তখন মার্চ মাস। বসন্ত শেষ হয়ে আসছিল। শীত বিদায় নেবার সঙ্গে সঙ্গে তা আমাদের মনের অনেক দুঃখ নিয়ে যায়। দেখতে দেখতেই মার্চ গিয়ে এপ্রিল এল। গ্রীষ্মের সকালগুলো বড় মনোরম, শৈশবকালের মতোই আনন্দময়। এই সময় সকালবেলায় আকাশ, মেঘ, মাঠ, বন, গাছপালা, ফুল প্রভৃতি থেকে এমন এক মায়াময় আলোকরশ্মি ঝরে পড়ে, যা আমাদের অন্তরকে স্পর্শ না করে পারে না।

    আরও দেখুন
    বাংলা কমিকস
    বাংলা কুইজ গেম
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    অনলাইন বই
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    সেবা প্রকাশনী বই
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বিনামূল্যে বই
    Library
    সাহিত্য পর্যালোচনা

    কসেত্তে’র বয়স তখন কম থাকায় এপ্রিল মাসের এই ঐন্দ্রজালিক আবেদনে তার অন্তর ঠিকমতো সাড়া দিতে পারছিল না। কিন্তু সে ঠিক বুঝতে না পারলেও এ মাসের আলো তার মন থেকে ছায়াচ্ছন্ন বিষাদের অনেকখানি তার অগোচরেই অপসারিত করে ফেলেছিল, যেমন মধ্যাহ্নে উজ্জ্বল আলো গুহার অনেক অন্ধকার সরিয়ে দেয়। কসেত্তে’র মনে তখন সত্যিই কোনও দুঃখ ছিল না। সে তার মনের এই রূপান্তরের কথা ঠিক বুঝতে না পারলেও প্রায়দিন প্রাতরাশের পর যখন তার বাবাকে কিছুক্ষণের জন্য বাগানে বেড়াতে নিয়ে যেত এবং তার বাবার সঙ্গে পায়চারি করতে করতে তার বাবার ক্ষত হাতটায় হাত বোলাত তখন সে সত্যিই খুব আনন্দ পেত।

    তার এই আনন্দের আবেগটা তার গাল দুটোতে তার দেহের স্বাস্থ্য আর মনের সুখের উজ্জ্বলতার প্রতীক হয়ে ফুটে উঠত যখন ভলজাঁ তখন তা দেখে আনন্দের আবেগে আপ্লুত হয়ে উঠত। সে ভাবত, আমার ক্ষতটা সত্যিই আমাকে ভাগ্যবান করে তুলেছে। এ কথা ভাবতে গিয়ে সে থেনার্দিয়েরদের প্রতি কৃতজ্ঞতা অনুভব না করে পারত না।

    ভলজাঁ একেবারে সেরে উঠলে সন্ধের সময় সে একা একা আবার পথে পথে ঘুরে বেড়াত আগের মতো।

    আরও দেখুন
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    অনলাইন বই
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    বই পড়ুন
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    বাংলা সাহিত্য
    নতুন উপন্যাস

    কিন্তু প্যারিসের নৈশ নির্জন রাজপথে কেউ ঘুরে বেড়ালে কোনও ঘটনার সম্মুখীন হবে না কোনওদিন, এটা ভাবাই যায় না।

    .

    ২.

    একদিন সন্ধ্যাবেলায় দেখা গেল গাভ্রোশের সারাদিন কিছু খাওয়া হয়নি। আগের দিনও তার কিছু খাওয়া হয়নি। ক্রমেই সে ক্লান্ত ও দুর্বল হয়ে পড়ছিল। তাই সে ঠিক করল আজ রাতে যেখান থেকে তোক কিছু খাবার জোগাড় করতেই হবে। সালপ্রেত্রিয়ের পার হয়ে নির্জন পথ দিয়ে হেঁটে চলেছিল সে। সে পথে কোনও লোক দেখা না গেলেও সে ভাবল কোথাও কিছু পড়ে থাকলে দেখতে পাবে সে। হাঁটতে হাঁটতে সে বুঝল অস্টারলিৎস অঞ্চলে এসে পড়েছে।

    আগে একবার এই অঞ্চল দিয়ে বেড়াবার সময় গাভ্রোশে একটা পুরনো বাগান দেখেছিল। সেই বাগানে একজন বয়োপ্রবীণ লোক একজন মহিলার সঙ্গে প্রায়ই বেড়াত। সে দেখেছে সেই বাগানে একটা আপেলগাছ আছে আর একটা চালাঘর আছে। সেই চালাঘরেও হয়তো গাছ থেকে পেড়ে আপেল জমা করে রাখা হয়েছে। আপেল এক ভালো খাদ্য, প্রাণশক্তির উৎস। যে আপেল একদিন আদমের স্বর্গচ্যুতি ঘটিয়েছিল, সেই আপেলই আজ গাভ্রোশের প্রাণ বাঁচাতে পারে। বাগানটার বাইরে এক নির্জন গলিপথ আছে। সে অঞ্চলে বাড়িঘর বেশি না থাকায় বাগানের পাশে পথের ধারে আগাছার ঝোঁপঝাড় গজিয়ে উঠেছে।

    আরও দেখুন
    বাংলা কবিতা
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    বাংলা সাহিত্য
    গ্রন্থাগার
    বাংলা বই
    সাহিত্য পত্রিকা
    সেবা প্রকাশনীর বই
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    ই-বই ডাউনলোড

    গাভ্রোশে যখন বাগানটার কাছে গিয়ে পৌঁছল তখন প্রায় সন্ধে হয়ে গেছে। কিন্তু বাগানটার পাঁচিলের কাছে আসতেই সে বাগানের ভেতর মানুষের কণ্ঠস্বর শুনতে পেল। সে গেটের পাশ থেকে উঁকি মেরে দেখল বাগানের ভেতর একটা বড় পাথরের উপর একজন বুড়ো লোক বসে আছে, আর তার সামনে একজন বৃদ্ধা মহিলা দাঁড়িয়ে আছে। গাভ্রোশে সেইখানে থমকে দাঁড়িয়ে তাদের কথাবার্তা শুনতে লাগল।

    মহিলাটি বলল, মঁসিয়ে মেবুফ।

    গাভ্রোশে ভাবল, ‘মেবুফ’ নামটা কী খারাপ!

    বৃদ্ধ লোকটি কোনও উত্তর না দেওয়ায় বৃদ্ধা আবার ডাকল, মঁসিয়ে মেবুফ!

    এবার বৃদ্ধ মাটির দিকে তাকিয়ে বলল, কী বলছ মেরে প্লুতার্ক?

    গাভ্রোশে ভাবল মহিলাটির নাম তা হলে প্লুতার্ক।

    আরও দেখুন
    বুক শেল্ফ
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বই
    বইয়ের
    বাংলা কুইজ গেম
    পিডিএফ
    ই-বই ডাউনলোড
    গ্রন্থাগার সেবা
    বই পড়ুন
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ

    বৃদ্ধা মহিলাটি বলল, মঁসিয়ে মেবুফ, বাড়িওয়ালা ভাড়া চাইছে। কিসের ভাড়া?

    ওরা তিন কোয়ার্টারের ভাড়া পাবে আপনার কাছ থেকে।

    তা হলে আর তিন মাস পরে চার কোয়ার্টার পুরো হবে।

    ওরা বলছে আপনাকে বাড়ি থেকে বার করে দেওয়া হবে।

    তা হলে আমাদের চলে যেতে হবে।

    তাছাড়া কাঠের দোকানদার বলছিল কাঠের বাকি দাম না মেটালে আর কাঠ দেবে না। কিন্তু জ্বালানিকাঠ না পেলে কী করে আগুন জ্বালাব শীতে?

    সূর্যের রোদ আছে।

    আরও দেখুন
    গ্রন্থাগার
    বাংলা কুইজ গেম
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    সাহিত্য পত্রিকা
    বই পড়ুন
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    নতুন উপন্যাস
    Library
    বইয়ের
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স

    মাংসের দোকানের মালিক বলছিল সে আর মাংস দেবে না।

    শুনে খুশি হলাম। মাংস আর আমার সহ্য হচ্ছে না। বড় গুরুপাক।

    কিন্তু কী খেয়ে আমরা বাঁচব?

    কেন, রুটি খেয়ে।

    কিন্তু রুটিওয়ালার সেই এক কথা। সে-ও আর ধারে রুটি দেবে না।

    ভালো।

    কিন্তু কী খেয়ে জীবন ধারণ করব আমরা?

    তা হলে কিছু আপেল খেয়ে থাকব।

    আরও দেখুন
    বাংলা লাইব্রেরী
    Library
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    বই পড়ুন
    বাংলা কমিকস
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    বাংলা ই-বই
    PDF
    সাহিত্য পর্যালোচনা

    কিন্তু মঁসিয়ে, এভাবে আমাদের টাকা ছাড়া চলতে পারে না।

    আমার টাকা নেই।

    বৃদ্ধা এবার বৃদ্ধ লোকটিকে সেইভাবে একা রেখে চলে গেল। বৃদ্ধ একা একা সেইখানে বসে ভাবতে লাগল। এদিকে গাভ্রোশেও তখন ভাবছিল। তখন অন্ধকার ঘন হয়ে উঠছিল বাগানে। গাভ্রোশে নিঃশব্দে চোরের মতো বাগানে ঢুকে মেবুফে’র পেছনের দিকে একটা ঝোঁপের ধারে এক জায়গায় তার শোবার জায়গা খুঁজছিল। হঠাৎ সে দেখল অন্ধকারে দুটো ছায়ামূর্তি বাগানের দিকে গলি থেকে এগিয়ে আসছে।

    সে দেখল দু জন লোকের মধ্যে প্রথম লোকটি বয়োপ্রবীণ। তাকে ভদ্রলোক বলেই মনে হয়। দ্বিতীয় লোকটির বয়স কম। সে একটা কোট আর টুপি পরেছিল। সে প্রথম লোকটিকে অনুসরণ করছিল। গাভ্রোশে দ্বিতীয় লোকটিকে চিনতে পারল, সে তপার্নেসি। গাভ্রোশে লুকিয়ে রইল এক জায়গায়। সে বুঝতে পারল মঁতপার্নেসি শিকারের খোঁজে বেরিয়েছে এবং প্রথম লোকটিকে তার শিকার হিসেবেই অনুসরণ করছে। তার প্রথম লোকটির প্রতি দয়া হল। কিন্তু কী করবে সে? তার মনে হল সে যদি বয়স্ক লোকটিকে উদ্ধার করতে যায় তা হলে দু জনকেই মঁতপার্নেসি খেয়ে ফেলবে, তাদের দুজনকেই ছুঁড়ে ফেলে দেবে।

    আরও দেখুন
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    অনলাইন বই
    সেবা প্রকাশনী বই
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    পিডিএফ
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা ভাষা
    বাংলা কুইজ গেম

    গাভ্রোশে যখন এই সব ভাবছিল তখন মঁতপার্নেসি প্রথম লোকটিকে আক্রমণ করল পেছন থেকে। যেন কোনও হিংস্র বাঘ একটা গাধার উপর ঝাঁপিয়ে পড়ল।

    গাভ্রোশে চিৎকার করে উঠল। কিন্তু দেখল প্রথম লোকটি মঁতপার্নেসিকে মাটিতে ফেলে দিয়ে তার বুকের উপর হাঁটু দিয়ে পাথরের মতো বসে পড়েছে।

    গাভ্রোশে এটা আশা করতে পারেনি। বয়স্ক লোকটি শুধু মঁতপার্নেসির আক্রমণকে প্রতিহত করতে পারেনি, মঁতপার্নেসিকে মাটিতে ফেলে দিয়ে তার উপর বসে পড়েছে। মঁতপার্নেসি নিস্পন্দ হয়ে পড়ে আছে যেন সে মরে গেছে। বয়স্ক লোকটি কোনও কথা বলল না। সে উঠে দাঁড়িয়ে মঁতপার্নেসিকে বলল, ওঠ।

    মঁতপার্নেসি উঠে দাঁড়াল। কিন্তু তখনও তাকে ধরে ছিল বয়স্ক লোকটি। মঁতপার্নেসি প্রচণ্ড রাগ আর লজ্জার সঙ্গে এমনভাবে তাকাচ্ছিল যেন মনে হবে একটা ভয়ঙ্কর নেকড়ে একটা সামান্য ভেড়ার দ্বারা নিগৃহীত হচ্ছে। ঘটনাটা অপ্রত্যাশিতভাবে উল্টে যাওয়ায় খুশি হয়েছিল গাভ্রোশে।

    আরও দেখুন
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    পিডিএফ
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    বিনামূল্যে বই
    বাংলা ইসলামিক বই
    ই-বুক রিডার
    বাংলা গল্প
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    বুক শেল্ফ
    সেবা প্রকাশনীর বই

    বয়োপ্রবীণ লোকটি মঁতপার্নেসিকে বলল, তোমার বয়স কত?

    আমার বয়স উনিশ।

    তুমি স্বাস্থ্যবান এবং বলবান। কেন তুমি কাজ করো না?

    আমার ভালো লাগে না।

    তুমি কী করো?

    আমি ভবঘুরে হয়ে ঘুরে বেড়াই।

    বাজে কথা বলো না। তোমাকে কোনও সাহায্য করতে পারি? তুমি কী হতে চাও?

    চোর।

    আরও দেখুন
    ই-বই ডাউনলোড
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    বই
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    সেবা প্রকাশনী বই
    বাংলা লাইব্রেরী
    পিডিএফ
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা

    তার পর দু জনেই চুপ হয়ে গেল। বয়স্ক লোকটি কী ভাবতে লাগল। সে তখনও মঁতপার্নেসিকে ধরে ছিল। মঁতপার্নেসি নিজেকে ছাড়াবার জন্য হাত-পা ছুঁড়ছিল। অন্ধকার ঘন হয়ে ছিল তাদের চারদিকে। বয়স্ক লোকটি মঁতপার্নেসিকে সেইভাবে ধরে এক বক্তৃতা দিয়ে চলল। সে বলতে লাগল, আলস্যই তোমার জীবনকে মাটি করে দিয়েছে। তুমি বলছ তুমি ভবঘুরে। কিন্তু তোমাকে খেটে খেতেই হবে। জীবনের পথ তোমায় পরিবর্তন করতে হবে। তুমি সদ্ভাবে জীবনযাপন করতে চাও না। পরিশ্রম করতে চাও না। পরিশ্রমসহকারে কাজ করে জীবিকার্জন করাই মানুষের ধর্ম। তুমি যদি কাজ করে জীবিকা অর্জন না করে তা হলে তোমাকে নিগ্রোদের মতো ক্রীতদাস হতে হবে। তোমাকে হয় মাঠে লাঙল দিয়ে জমি চাষ করতে হবে অথবা নৌকার দাঁড় বাইতে হবে অথবা জ্বলন্ত চুল্লির সামনে দাঁড়িয়ে লোহা পেটাতে হবে। কাজ না করে চুরি করে জীবিকা জোগাড় করতে হলেও তোমাকে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রচুর পরিশ্রম করতে হবে। দড়ির সাহায্যে জানালা দিয়ে কোনও বাড়িতে ওঠানামা করতে হবে অথবা ঘরের দরজার তালা ভাঙতে হবে। তার জন্য যন্ত্রপাতি জোগাড় করতে হবে। চুরি করার জন্য যত কলাকৌশলই দেখাও না কেন, তার পুরস্কার হচ্ছে জেলে যাওয়া। এটাই তোমার ভবিষ্যৎ। আলস্য আর সস্তা আনন্দের জীবন ফাঁদের মতো তোমার জীবনকে গ্রাস করবে। তুমি বিনাশ্রমে ভালো খাবার, পানীয় আর নরম বিছানা চাও, কিন্তু তার পরিবর্তে পাবে শুধু কালো শক্ত রুটি, জল আর কাঠের তক্তা। তাছাড়া অনেক সময় বনে-জঙ্গলে তোমাকে জন্তু-জানোয়ারের মতো লুকিয়ে লুকিয়ে পালিয়ে বেড়াতে হবে। নিজের ওপর একটু দয়া করো ছোকরা। তুমি ভুল পথে যাচ্ছ। এইভাবে কুড়ি থেকে জীবন শুরু করে দেখতে দেখতে তোমার বয়স বার্ধক্যে উপনীত হবে। তোমার মাথার চুল পেকে যাবে। অপরাধমূলক কাজ হল সবচেয়ে কঠোর শ্রমের কাজ। আমার কথা শোন। সৎ জীবনযাপন তার থেকে অনেক ভালো। ঠিক আছে, তুমি আমার কাছ থেকে কী চাইছিলে? টাকার থলে? এই নাও?

    আরও দেখুন
    বাংলা ইসলামিক বই
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    গ্রন্থাগার সেবা
    বাংলা উপন্যাস
    বইয়ের
    সেবা প্রকাশনী বই
    পিডিএফ
    বইয়ের
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    বাংলা বই

    লোকটি তার টাকার থলেটা পকেট থেকে বার করে পার্নেসির হাতে দিতেই সে সেটা কত ভারী তা পরীক্ষা করে দেখে তার কোটের পকেটে ভরে দিল। তার মনে হল সে যেন সেটা চুরি করে নিয়েছে।

    এরপর লোকটি শান্তভাবে তার পথে চলে গেল। এই বয়স্ক লোকটি কে তা বুঝতে আশা করি পাঠকদের কষ্ট হবে না।

    মঁতপার্নেসি তার পথের দিকে একদৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকার পর বলল, বৃদ্ধ বাঁচাল। গাভ্রোশে একটু দূরে একটা ঝোঁপের আড়ালে দাঁড়িয়ে সবকিছু দেখছিল। সে বুঝল মঁসিয়ে মেবুফ এখনও হয়তো সেই পাথরটার উপর বসে ঝিমোতে ঝিমোতে ঘুমিয়ে পড়েছে। মঁতপার্নেসি তখনও আচ্ছন্নের মতো সেখানে দাঁড়িয়ে গভীরভাবে কী ভাবছিল। গাভ্রোশে ধীর পায়ে মঁতপার্নেসির পেছনে এসে তার টেলকোটের পকেট থেকে টাকার থলেটা তুলে নিল। মঁতপার্নেসি তা টের পেল না।

    এবার গাভ্রোশে মেবুফ যেখানে পাথরটার উপর বসে ঘুমোচ্ছিল সেখানে চলে গেল। সে তার সামনে পায়ের কাছে টাকার থলেটা ফেলে দিয়ে নিঃশব্দে পালিয়ে গেল।

    থলেটা মেবুফে’র পায়ের উপর পড়তেই জেগে উঠল সে। থলেটা কুড়িয়ে নিয়ে সে সেটা খুলে দেখল তার মধ্যে ছটা নেপোলিয়ঁ বা স্বর্ণমুদ্রা আছে।

    আনন্দের উত্তেজনায় কাঁপতে কাঁপতে মেবুফ সেগুলো মেরে প্লুতার্কের হাতে দিয়ে বলল, এই থলেটা নিশ্চয় স্বর্গ থেকে পড়েছে। এটা ঈশ্বরের দান।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleটয়লার্স অভ দ্য সী – ভিক্টর হুগো
    Next Article কেন আমি নাস্তিক – ভগৎ সিং

    Related Articles

    ভিক্টর হুগো

    টয়লার্স অভ দ্য সী – ভিক্টর হুগো

    November 6, 2025
    ভিক্টর হুগো

    দ্য ম্যান হু লাফস – ভিক্টর হুগো

    November 6, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }