Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    লে মিজারেবল – ভিক্টর হুগো

    ভিক্টর হুগো এক পাতা গল্প1486 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৪.০৯ বিপ্লবের মধ্যে কী আছে

    নবম পরিচ্ছেদ

    ১.

    ৫ জুন ১৮৩২

    বিপ্লবের মধ্যে কী আছে? একদিক দিয়ে সব আছে, আবার কিছুই নেই। বিপ্লব হল এক বিশাল অগ্নিকাণ্ডের অকস্মাৎ প্রজ্বলন, এক অনিয়ন্ত্রিত অসংযত শক্তির ইতস্তত বিক্ষিপ্ত ক্রিয়া, এক প্রবল ঝড়ের মত্ততা। এ ঝড় চিন্তাশীলদের মাথা, স্বপ্নালু মানুষদের মন, আর গরিব-দুঃখীদের আত্মাগুলোকে প্রবলভাবে নাড়িয়ে দেয়। প্রজ্বলিত করে দেয় তাদের ধূমায়িত আবেগগুলোকে। যত সব-অন্যায়-অবিচারকে ন্যায়ে পরিণত করার জন্য যেন মানুষ চিৎকার করে।

    এই বিপ্লব কোথায় নিয়ে যায় মানুষকে?

    বিপ্লব মানুষকে নিয়ে যায় রাষ্ট্র আর আইনের বিরুদ্ধে, সমাজের মুষ্টিমেয় মানুষের সম্পদ আর অহঙ্কারের বিরুদ্ধে।

    প্রতিহত আত্মপ্রত্যয়, উত্তপ্ত ক্রোধাবেগ, অবদমিত হিংসাবৃত্তি, অপ্রদর্শিত বীরত্ববোধ, অন্তরের অন্ধ উত্তাপ, পরিবর্তনের প্রতি কৌতূহল ও প্রবণতা, অপ্রত্যাশিতের প্রতি এক উগ্র আগ্রহ, দীর্ঘসঞ্চিত হতাশা, ভাগ্যের নিষ্ঠুর বিধান সম্বন্ধে এক আত্মম্ভরী বিশ্বাস, অলস স্বপ্ন, অবরুদ্ধ উচ্চাভিলাষ, এক বিক্ষুব্ধ অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে মুক্তির পথ রচনার এক আশান্বিত প্রয়াস এইগুলো হল বিপ্লবের উপাদান। যারা অলস, অকর্মণ্য, যাদের কোনও আত্মবিশ্বাস বা কোনও আদর্শে বিশ্বাস নেই, যারা শ্রমের থেকে ভাগ্যের ওপর বেশি নির্ভর করে, যাদের নিজস্ব কোনও ঘরবাড়ি নেই এবং আকাশে ভাসমান মেঘেদের মতো ঘুরে বেড়ায়, তারা সবাই বিপ্লবে যোগদান করে। রাষ্ট্র, ব্যক্তিজীবন ও ভাগ্যের বিরুদ্ধে যারা এক ক্রুদ্ধ বিদ্বেষ পোষণ করে অন্তরে তারাও আকৃষ্ট হয় বিপ্লবের প্রতি। বিপ্লব হচ্ছে সামাজিক আবহাওয়ার মধ্যে গড়ে ওঠা এক ধরনের ঘূর্ণিবায়ু–যা সব কিছুকেই চূর্ণ-বিচূর্ণ করে উড়িয়ে দিতে চায়, সবল ও দুর্বল সবাইকে আঘাত করতে চায়। সে ঘূর্ণিবায়ু যেন একদল মানুষকে উড়িয়ে নিয়ে গিয়ে তাদের দিয়ে আর একদলকে ধ্বংস করতে চায়। বিপ্লবের ঘূর্ণিবায়ু বিপ্লবীদের এক অসাধারণ ও রহস্যময় শক্তি দান করে, তাদের সকলকে এক ধ্বংসের যন্ত্র ও অস্ত্র হিসেবে প্রয়োগ করে। বিপ্লব সামান্য এক ছোট্ট পাথরখণ্ডকে কামানের গোলায় পরিণত করে, সামান্য এক শ্রমিককে সেনাপতিতে রূপান্তরিত করে। বুর্জোয়াদের ঐক্যবদ্ধ করে তোলে।

    বিপ্লবের কতকগুলি ভালো দিকও আছে। বিপ্লব যদি দুর্বল হয়, যদি কোনও রাষ্ট্রের সরকারকে উচ্ছেদ করতে না পারে তা হলে সে বিপ্লব সরকারের হাতকে শক্তিশালী করে তোলে, পুলিশের পেশিকে শক্ত করে আর সেনাবাহিনীর নির্ভরযোগ্যতা যাচাই করে। বিপ্লব যেন বলবৃদ্ধিকারী এক ব্যায়াম। কোনও মানুষ যেমন গাত্রমর্দনের পর চাঙ্গা হয়ে ওঠে তেমনি বিপ্লবের পর রাষ্ট্রশক্তি পুনরুজ্জীবিত হয়ে ওঠে।

    আরও দেখুন
    বিনামূল্যে বই
    পিডিএফ
    গ্রন্থাগার
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা কুইজ গেম
    Books
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা লাইব্রেরী
    উপন্যাস সংগ্রহ

    কিন্তু তিরিশ বছর আগে বিপ্লব সম্বন্ধে মানুষের ধারণা অন্যরকম ছিল। ১৮৩১ সালের জুলাই বিপ্লবে যে দাঙ্গা-হাঙ্গামা হয়, তা সে বিপ্লবের পবিত্রতাকে নষ্ট করে দেয়। জনগণের মনের অবরুদ্ধ আবেগ মুক্তি পায় এ বিপ্লবে। এ বিপ্লব প্রথমে এনে দেয় মুক্তিচেতনা; কিন্তু হাঙ্গামার পর তা ভয়াবহ হয়ে ওঠে মানুষের কাছে। বিপ্লবের অশুভ দিকগুলো প্রকট হয়ে ওঠে। প্রথমত হাঙ্গামা মারামারির ফলে দোকানপাট বন্ধ থাকে, চারদিকে আতঙ্ক ছড়ায়। ব্যবসা-বাণিজ্য বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলে আর্থিক অনটনে দেউলে হয়ে পড়ে মানুষ। ধনীরা আতঙ্কিত হয়ে উঠে টাকা মূলধনে খাটাতে চায় না, জনগণও সঞ্চয় করতে পারে না। ফলে মূলধনে টান পড়ে, শিল্পের অবনতি ঘটে। সর্বত্র নিরাপত্তাবোধের এক ব্যাপক অভাব দেখা যায়। বিভিন্ন শহরে প্রতিবিপ্লবী শক্তি মাথা তুলে ওঠে। তাছাড়া প্রচুর আর্থিক ক্ষয়-ক্ষতি হয়। হিসাব করে দেখা যায় বিপ্লবের প্রথম তিন দিনে একশো কুড়ি মিলিয়ন ফ্ৰাঁ ক্ষতি হয় ফ্রান্সে। কোনও নৌযুদ্ধে কোনও দেশের বিপর্যস্ত নৌবাহিনীর ষাটটি যুদ্ধজাহাজ বিধ্বস্ত হলে এই পরিমাণ ক্ষতি হয়।

    তবে রাজপথে বিপ্লবজনিত হাঙ্গামা হয় যখন, যখন জনগণ রাস্তার মুখগুলো বন্ধ করে দিয়ে সেনাবাহিনীর সঙ্গে লড়াই করে তখন তা যুদ্ধের মতো দেখতে লাগে। সেনাবাহিনী গৃহযুদ্ধের সময় বড় সংকটে পড়ে। দেশের লোকের বিরুদ্ধেই অস্ত্র ধারণ করতে হয় তাদের। এই হাঙ্গামা একদিকে যেমন জনগণের দুঃসাহস বাড়িয়ে দেয় তেমনি বুর্জোয়াদের সাহস ও মনোবল কেড়ে নেয়।

    আরও দেখুন
    সেবা প্রকাশনীর বই
    বাংলা কবিতা
    ই-বুক রিডার
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    বিনামূল্যে বই
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    বাংলা শিশু সাহিত্য

    কিন্তু এই রক্তপাতের কী প্রয়োজন ছিল? এই রক্তপাত দেশের অগ্রগতিকে ব্যাহত করে দেশের ভবিষ্যৎকে অন্ধকার করে দেয়। দেশের সৎ ও সুন্দরমনা লোকদের জীবনকে অশান্ত করে তোলে। মোট কথা, এ বিপ্লব বিপর্যয়ের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

    এতক্ষণ আমরা বিপ্লবের ফলের কথা বললাম। এবার তার কারণ সম্বন্ধে কিছু বলব।

    .

    ২.

    ১৮৩২ সালের ঘটনাবলিকে ঐতিহাসিকরা কিভাবে বিচার করবেন? এ ঘটনাবলিকে বিপ্লব না বিদ্রোহ না গণবিক্ষোভ, কী অ্যাখ্যা দেওয়া যাবে? বাইরে থেকে দেখে এ ঘটনাকে দাঙ্গা-হাঙ্গামা বলে মনে না করে লোকে তাকে বিপ্লব হিসেবেই শ্রদ্ধা করতে থাকে। অনেকে বলতে থাকে এ ঘটনাবলি ১৮৩০ সালের শেষ প্রতিধ্বনি। অত্যুপ্ত মস্তিষ্কে কল্পনাগুলো একবার উত্তপ্ত হলে তাড়াতাড়ি ঠাণ্ডা হতে চায় না। বিপ্লব কখনও অকস্মাৎ শেষ হয়ে যায় না। অনেক ভাঙাগড়া ও উত্থানপতনের পর সে বিপ্লব প্রতিষ্ঠা লাভ করে।

    ১৮৩২ সালের বসন্তকালে কলেরা মহামারীরূপে দেখা দেয়। তিন মাস ধরে এই মহামারী গোটা শহরজুড়ে তাণ্ডব চালিয়ে বহু লোকের প্রাণ সংহার করলেও এবং বহু লোকের মনোবল ভেঙে দিলেও এক বিরাট গণবিক্ষোভের জন্য যেন প্রস্তুত হয়ে ছিল প্যারিস নগরী। এ সমগ্র নগরী অগ্নিগর্ভ এক দাহ্য বস্তুর মতো শুধু এক ফুলিঙ্গের অপেক্ষায় স্তব্ধ হয়ে ছিল। এই বছরের জন্য জুন মাসে জেনারেল ল্যামার্কের মৃত্যুই হল। সেই স্ফুলিঙ্গ। ল্যাৰ্মাক ছিলেন খ্যাতিমান এক কাজের লোক। তিনি সম্রাট নেপোলিয়নের অধীনে যুদ্ধক্ষেত্রে সেনানায়ক হিসেবে এবং রাজতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার যুগে আইনসভার। সদস্য হিসেবে যোগ্যতার পরিচয় দেন। তিনি ছিলেন যেমন বাগ্মী তেমনি সাহসী বীর। একদিন সেনানায়ক হিসেবে যিনি প্রভুত্বের সঙ্গে আদেশ দান করতেন আজ তিনিই জনগণের স্বাধীনতার প্রবক্তারূপে তাদের দাবি তুলে ধরেন। সমরকুশলী ল্যামার্ক ছিলেন অপরাজেয় বীর; সেনাপতি হিসেবে স্বয়ং নেপোলিয়নের পরেই তার স্থান ছিল। ওয়াটারলু যুদ্ধে পরাজয়ের জন্য মর্মাহত হন তিনি। অথচ সম্রাট নেপোলিয়নের পতনের পর দেশে রাজতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর জনগণের অধিকার এবং স্বাধীনতার জন্য সচেষ্ট হয়ে ওঠেন তিনি। তাই তার মৃত্যুর দিনে সমগ্র জাতি শোকাহত হয়ে ওঠে। এই শোক থেকে জ্বলে ওঠে বিদ্রোহের আগুন।

    আরও দেখুন
    বাংলা সাহিত্য
    বাংলা ই-বুক রিডার
    ই-বুক রিডার
    বাংলা বই
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    বিনামূল্যে বই
    অনলাইন বুক
    বাংলা অডিওবুক

    ৫ জুন সারাদিন ধরে চলে রোদ-বৃষ্টির খেলা। পূর্ণ সামরিক মর্যাদাসহকারে বিরাট সমারোহে জেনারেল ল্যামার্কের শবযাত্রা গোটা শহর পরিভ্রমণ করে। সরকার থেকে অনেক নিরাপত্তারও ব্যবস্থা নেওয়া হয়। দুটি পদাতিক বাহিনী ও দশ হাজার জাতীয় রক্ষীবাহিনীর সদস্য তরবারি হাতে শবানুগমন করছিল। শবাধার বহন করে নিয়ে যাচ্ছিল একদল যুবক। শববাহীদের পেছনেই ছিল অবসরপ্রাপ্ত সামরিক অফিসারদের এক মিছিল। তাদের সকলের হাতে ছিল লরেল গাছের একটি করে ছোট ডাল। সবশেষে ছিল ছাত্র আর জনতা। জনতা বিভিন্ন দলে বিভক্ত ছিল এবং প্রতিটি দলে একজন করে নেতা ছিল। একজন লোক দুটি পিস্তল হাতে সব দল দেখাশোনা করছিল। জনতার মধ্যে শৃঙ্খলা ছিল। পথের দু ধারে সব বাড়ির বারান্দা, ছাদ, জানালা ও গাছগুলো লোকের ভিড়ে ভর্তি ছিল। তবে জনতার মধ্যে প্রতিটি লোকের হাতে লাঠি, তরবারি প্রভৃতি অস্ত্র ছিল। এই সশস্ত্র জনতার মিছিল দেখে দর্শকরা আতঙ্কিত হয়ে উঠেছিল।

    আগে হতে বিক্ষোভের আভাস পেয়ে সরকারি কর্তৃপক্ষও প্রস্তুত ছিল। প্লেস লুই পঞ্চদশ নামে এক জায়গায় অশ্বারোহী বাহিনীর চারটি দল শবযাত্রা অনুসরণ করতে থাকে। অশ্বারোহী সৈন্যদের প্রত্যেকের হাতে গুলিভরা বন্দুক ছিল। সংকেত পাওয়া মাত্র গুলি করার জন্য প্রস্তুত ছিল তারা। সেনাবাহিনীর বাকি দলগুলোও সেনানিবাসে সজাগ ছিল। শহরে মোট সৈন্যসংখ্যা ছিল চব্বিশ হাজার। এ ছাড়া শহরের বাইরেও সেনাবাহিনীর কয়েকটি দল প্রস্তুত হয়ে ছিল। তাদের সংখ্যা ছিল তিরিশ হাজার।

    আরও দেখুন
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা ই-বুক রিডার
    ই-বই ডাউনলোড
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    বাংলা বই
    বাংলা লাইব্রেরী
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    বাংলা উপন্যাস
    বাংলা গল্প

    জনতার মিছিলের মধ্যে নানারকম গুজব ছড়িয়ে পড়ছিল। কয়েকজন লোক বলে বন্দুক কারখানার দু জন কর্মী জনতাকে ঢুকতে দেবার জন্য গেট খুলে রাখবে। লোকগুলোর পরিচয় কেউ জানতে পারেনি। জনতার মধ্যে অনেকের মুখ দেখে বোঝা যাচ্ছিল তারা লুটপাট করার জন্য প্রস্তুত হয়ে ছিল এবং তারা দুষ্ট প্রকৃতির লোক।

    শবযাত্রা বুর্ভোদ হয়ে বাস্তিলের দিকে এগিয়ে যাচ্ছিল। মাঝে মাঝে বৃষ্টি এলেও জনতার ভিড় কমেনি কিছুমাত্র। পথে ছোটখাটো কয়েকটি ঘটনাও ঘটে। ভেঁসোম কোলামের কাছে শব্যাত্রাটি আসতেই একটি বাড়ির বারান্দায় দাঁড়িয়ে থাকা রাজতন্ত্রী একজন ডিউককে লক্ষ্য করে পাথর ছোড়ে জনতার একটি অংশ। একটি পতাকা হতে জুলাই রাজতন্ত্রের প্রতীকস্বরূপ মুরগিটিকে ছিঁড়ে ফেলে পতাকাটি পা দিয়ে মাড়িয়ে দেওয়া হয়। পোর্তে সেন্ট মার্তিনে একজন পুলিশ সার্জেন্টকে তরবারি দিয়ে আঘাত করা হয়। এক পলিটেকনিক স্কুলের ছাত্ররা মিছিলে এসে যোগদান করার সঙ্গে সঙ্গে প্রজাতন্ত্র দীর্ঘজীবী হোক’ ধ্বনি দিয়ে তাদের অভ্যর্থনা জানানো হয়। প্লেস দ্য লা বাস্তিলে বিরাট এক দর্শকল মিছিলে যোগদান করে।

    শবযাত্রা এবার বাস্তিল পার হয়ে ক্যানেলের ধার দিয়ে গিয়ে একটা ছোট সেতু পার হয়ে পঁত দ্য অস্টারলিস দুর্গের সামনের মাঠে এসে থমকে দাঁড়ায়। সেই মাঠ থেকে শুরু করে জনতার মিছিল কোয়ে বুদো, বুলভার্দ, বাস্তিল ও সেন্ট মার্কিন পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। এবার শবাধারের চারদিকে একটি ব্যুহ রচনা করে জনতাকে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়। লাফায়েত্তে শেষবারের মতো ল্যামার্ককে বিদায় দিয়ে এক সংক্ষিপ্ত ভাষণ দেন। তার ভাষণ শেষ হবার সঙ্গে সঙ্গে কালো পোশাকপরা লাল পতাকা হাতে এক অশ্বারোহী সৈনিক শবাধারের কাছে এসে তাদের সেনাপতিকে কী বলতেই সেনাপতি শবযাত্রা ছেড়ে সঙ্গে সঙ্গে চলে যায়। বুলভার্দ বুর্দো থেকে অস্টারলিস পর্যন্ত বিস্তৃত জনতার ভিড় থেকে গর্জনশীল সমুদ্রতরঙ্গের মতো এক বিক্ষুব্ধ ধ্বনি উত্তাল হয়ে উঠল। শবাধারবাহী যুবকেরা ল্যামার্কের কফিন লাফায়েত্তের জন্য গাড়ি থেকে নামানোর পর আবার সেটি গাড়ির উপর তুলে দিল।

    আরও দেখুন
    নতুন উপন্যাস
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    ই-বুক রিডার
    গ্রন্থাগার সেবা
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা লাইব্রেরী
    বাংলা ই-বই
    বাংলা কবিতা
    বাংলা কমিকস

    এমন সময় আর এক অশ্বারোহী বাহিনী এসে সেতুর মুখটা বন্ধ করে দেয়। তারা শুধু সরে গিয়ে লাফায়েত্তের গাড়িটা থামার জন্য পথ করে দেয়। অশ্বারোহী বাহিনী আর জনগণ মুখোমুখি হয়। মেয়েরা মিছিল থেকে পালিয়ে যেতে থাকে ভয়ে।

    তখন কিসের থেকে ঘটনার সূত্রপাত হয় তা কেউ ঠিক করতে পারবে না। যখন দুটো বিশাল মেঘ মুখোমুখি জমা হয় তখন অন্ধকার হয়ে ওঠে চারদিক। কোনও প্রত্যক্ষদর্শী বলে আর্সেনান থেকে বিল বাজিয়ে গুলি করার আদেশ দেওয়া হয় সেনাবাহিনীকে। আবার অনেকে বলে একটি যুবক নাকি এক সৈনিককে ছোরা দিয়ে আক্রমণ করে প্রথমে আর সেই থেকে ঘটনার সূত্রপাত হয়।

    সহসা তিনটি গুলি বর্ষিত হয়। প্রথম গুলিটিতে শোনেল নামে সেনাবাহিনীর এক অফিসার মারা যায়, দ্বিতীয়টিতে কাছাকাছি একটি বাড়ির জানালা বন্ধ করার সময় এক বৃদ্ধা মারা যায় আর তৃতীয়টি একজন সামরিক অফিসারের ব্যাজে লাগে। এইভাবে ঘটনার সূত্রপাত হয়। তখন সেতুর ওদিক থেকে আর এক সেনাবাহিনী এগিয়ে আসতে থাকে। জনতা সৈন্য ও পুলিশবাহিনীর উপর ইট-পাথর ছুঁড়তে থাকে আর পুলিশ ও সৈন্যরা গুলিবর্ষণ করতে থাকে। মুহূর্তের মধ্যে শহরের অন্য সব জায়গাতেও হাঙ্গামা ছড়িয়ে পড়তে থাকে।

    .

    ৩.

    কোনও গণ অভ্যুত্থানের প্রথম ঢেউয়ের মতো এমন আশ্চর্যজনক ঘটনা আর কিছু হতে পারে না। সব জায়গায় একই সঙ্গে ছড়িয়ে পড়ে সে ঢেউ। মনে হয় সে ঢেউ যেন ফুটপাত থেকে বেরিয়ে এল অথবা আকাশ থেকে পড়ল। কোথাও দেখা যায় শৃঙ্খলাবদ্ধ অভিযান, আবার কোথাও-বা দেখা যায় স্বতঃস্ফূর্ত গণবিক্ষোভের চরম বিশৃঙ্খলা। অনেক সময় দেখা যায় হঠাৎ কোথা থেকে এক নবাগত এসে বিক্ষুব্ধ জনতাকে নেতৃত্ব দিয়ে খুশিমতো যেদিকে সেদিকে টেনে নিয়ে যেতে লাগল। তখন দোকানপাট সব বন্ধ হয়ে যায়। পথচারীরা ছুটে পালাতে থাকে এস্ত পদক্ষেপে। রাস্তার ধারে যে কোনও রুদ্ধ দরজায় ধাক্কা দিতে থাকে তার মধ্যে আশ্রয় নেবার জন্য।

    জুলাই বিপ্লব শুরু হওয়ার মিনিট পনেরো’র মধ্যেই এই ধরনের ঘটনা ঘটতে থাকে। বেততানেরি অঞ্চলে এক কাফেতে কুড়িজনের এক যুবকদল ঢুকে কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনরঙা একটা পতাকা নিয়ে বেরিয়ে এল। তাতে লেখা ছিল ‘প্রজাতন্ত্র অথবা মৃত্যু। তিনজন সশস্ত্র লোক তাদের সামনে এসে নেতৃত্ব দিচ্ছিল। তাদের একজনের হাতে একটা বন্দুক, একজনের হাতে একটা তরবারি আর একজনের হাতে একটা বর্শা ছিল। বুলভার্দ সেন্ট মার্তিনে এক অস্ত্র কারখানা লুট হয়। র‍্যু বোবুর্গে ও আগে দুই জায়গায় মোট তিনটি বন্দুকের, দোকানও লুণ্ঠিত হয়। ফলে কিছুক্ষণের মধ্যে জনতার হাতে ২৩০টি বন্দুক, চৌষট্টিটি তরবারি ও তেষট্টিটি পিস্তল আসে। এ ছাড়া আরও কিছু আগ্নেয়াস্ত্র তুলে দেওয়া হয় জনতার হাতে। অনেক যুবক বাড়িতে বাড়িতে কার্তুজ তৈরি করতে শুরু করে দেয়। র‍্যু দ্য পেরিতে বাড়ি নির্মাণরত এক রাজমিস্ত্রি বন্দুকের গুলি লেগে মারা যায়। রাস্তার আলোর কাঁচগুলো ভেঙে ফেলা হয়, অনেক গাছ উপড়ে ফেলা হয় ও আসবাবপত্র টেনে বার করে আনা হয়। এই সব কিছু দিয়ে পথের মোড়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলা হয়। ব্যারাক থেকে সৈন্যরা বেরিয়ে এসে রাজপথে মার্চ করে যেতে লাগল। জাতীয় রক্ষীবাহিনীগুলোও পথে পথে মার্চ করে যেতে লাগল।

    আরও দেখুন
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    অনলাইন বই
    বাংলা ভাষা
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    সেবা প্রকাশনী বই
    বাংলা ই-বই
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    বাংলা কমিকস
    PDF
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ

    এদিকে বিভিন্ন ছাত্রাবাস থেকে ছাত্ররাও বেরিয়ে আসতে লাগল একযোগে। বিক্ষুব্ধ জনতা এক একটি বাড়িকে খালি করে দুর্গের মতো ব্যবহার করতে লাগল। আগে যে জনতা ইট-পাথর ছুঁড়ে লড়াই করত এখন তারা বন্দুক নিয়ে লড়াই করতে লাগল। সন্ধে ছটার সময় প্যাসেজ দ্যু’র সামনে সেনাবাহিনী ও বিপ্লবী জনতার রীতিমতো লড়াই চলতে লাগল।

    কোনও কোনও সেনারা কুণ্ঠাবোধ করছিল। তারা ভাবছিল ১৮৩০ সালের জুলাই বিপ্লবে যে সব সেনাবাহিনী নিরপেক্ষতা অবলম্বন করে লড়াই থেকে বিরত থাকে তারা বিপ্লবের পর পুরস্কৃত হয়। এই কুণ্ঠার জন্য তাদের মনোবল ভেঙে যায়। সরকার পক্ষের সৈন্যবাহিনী পরিচালনার ভার ছিল দু জন সেনাপতির হাতে। তাদের নাম হল জেনারেল লোবাউ আর জেনারেল বোগদ। এদের দু জনের মধ্যে লোবাউ ছিল পদমর্যাদার দিক থেকে বড়। সেনাবাহিনী জাতীয় রক্ষীবাহিনী আর পুলিশবাহিনীর সঙ্গে একযোগে রাস্তায় মার্চ করে এগিয়ে এসে বিপ্লবীদের ঘাঁটিগুলো পরিদর্শন করছিল।

    যুদ্ধের মন্ত্রী মার্শাল সুলত একজন বড় যোদ্ধা ছিলেন এবং তিনি অস্টারলিৎস যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। কিন্তু সারা শহরজুড়ে এই ব্যাপক গণবিক্ষোভ দেখে ভয় পেয়ে যান।

    .

    ৪.

    গত দু বছরের মধ্যে একাধিক গণঅভ্যুত্থান দেখেছে প্যারিস। তাই বিপ্লবের সময় অন্যান্য জেলা বা প্রদেশের থেকে সবচেয়ে নির্বিকার থাকে প্যারিস। বিপ্লবের ব্যাপারে তার পূর্বঅভিজ্ঞতা থাকার ফলে পথে সেনাবাহিনীর সঙ্গে বিপ্লবী জনতার লড়াই দেখেও প্যারিসের লোকরা বলে, এ হাঙ্গামা হচ্ছে, এমন কিছু না। দোকানপাট সাধারণত খোলাই থাকে, তবে কোনও দোকানদার যখন দেখে হাঙ্গামার স্রোত সেদিকে এগিয়ে আসছে তখন দোকান বন্ধ করে চলে যায়। একজন দর্শক আর একজনকে নির্বিকারভাবে বলে, সেন্ট মার্তিনে গোলমাল হচ্ছে। অনেকে আবার হাঙ্গামার অনতিদূরে দাঁড়িয়ে হাসাহাসি ও গল্পগুজব করে। ১৮৩১ সালে রাজপথে এক জায়গায় যখন একটা বিয়ের শোভাযাত্রা যাচ্ছিল তখন দু পক্ষই গুলিবর্ষণ থামিয়ে পথ করে দেয়। ১৮২৯ সালে ১২ মে তারিখে র‍্যু সেন্ট মার্তিনে যখন একজন বৃদ্ধ মদের বোতলভরা একটা হাতে-টানা গাড়িকে নিয়ে যাচ্ছিল তখন সে সরকারি ও বিপ্লবীদের মাঝখান দিয়ে যাবার সময় দাঁড়িয়ে তার গাড়ি থেকে মদের বোতলগুলো নিয়ে দু পক্ষের যোদ্ধাদের মধ্যে ভাগ করে দেয়। এটাই হল প্যারিসের গণঅভ্যুত্থানের বৈশিষ্ট্য, যা অন্য কোনও রাজধানীতে পাওয়া যায় না। প্যারিস একই সঙ্গে ভলতেয়ার আর নেপোলিয়নের শহর।

    কিন্তু ১৮৩২ সালের জুন মাসে ভিন্ন ব্যাপার দেখা গেল। সমগ্র প্যারিস শহর ভীষণভাবে সন্ত্রস্ত হয়ে উঠল। এমনকি যে সব অঞ্চলে কোনও হাঙ্গামা বা লড়াই হয়নি, সেই সব অঞ্চলের লোকরাও ঘরের জানালা ও দোকানপাট বন্ধ করে রাখত। সাহসী লোকেরা অবশ্য যন্ত্রের খোঁজে বেরিয়ে পড়ে। দু একজন পথচারী রাস্তা দিয়ে চলে যায়। চারদিকে নানারকম গুজব ছড়াতে লাগল। শোনা গেল বিপ্লবীরা ব্যাঙ্ক দ্য ফ্রান্স দখল করে নিয়েছে। সাহসী লোকরা সবাই অস্ত্র জোগাড় করে লড়াইয়ে নেমে পড়ল। যারা ভীরু কাপুরুষ তারা লুকিয়ে পড়ল। লোবাউ ও বোগ এক পরিকল্পনা করল –সেনাবাহিনীর চারটি দল চারদিক থেকে বিপ্লবীদের মূল ঘাঁটি আক্রমণ করবে। সে চারটি দিক হলো, বাস্তিল, পোর্তে সেন্ট মার্তিন, প্লেস দ্য গ্রেভয়ার আর লে হ্যালে। কিন্তু সেনাবাহিনীকে প্যারিস শহর ছেড়ে শ্যাম্প দ্য মার্সে চলে যেতে হবে। শহরে কখন কী হবে তা কেউ বলতে পারে না। মার্শাল সুত-এর কুণ্ঠাটা ক্রমশ অস্বস্তিকর হয়ে উঠল। কেন তিনি বিপ্লবীদের ঘাঁটিগুলোকে অবিলম্বে আক্রমণ করলেন না? তিনি হতবুদ্ধি হয়ে পড়লেন।

    আরও দেখুন
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    সেবা প্রকাশনীর বই
    বাংলা কমিকস
    পিডিএফ
    PDF
    নতুন উপন্যাস
    বাংলা ই-বই
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    সেবা প্রকাশনী বই

    সেদিন সন্ধ্যায় শহরের কোনও থিয়েটার খুলল না। পুলিশপাহারা বেড়ে গেল পথে পথে। পুলিশ সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার করতে লাগল। পথচারীদের আটক করে তাদের কাছে অস্ত্র আছে কি না দেখতে লাগল। রাত্রি নটার মধ্যেই আটশো লোককে গ্রেপ্তার করা হল। সমস্ত জেলখানা, বিশেষ করে কনসাজারি জেলখানাটা একেবারে ভরে গেল। অনেক জেলখানায় বন্দি বিপ্লবীদের উঠোনে ফাঁকা জায়গায় রাখা হল। ঘরে রাখা সম্ভব হল না তাদের।

    বাড়িতে মা ও স্ত্রীরা তাদের লোকদের জন্য অপেক্ষা করতে লাগল ভয়ে ভয়ে। কে কখন বাড়ি ফিরবে তার ঠিক নেই। সেনাবাহিনীর বিভিন্ন দল রাস্তার মোড়ে মোড়ে দাঁড়িয়ে পড়ল। তারা চিৎকার করে বলতে লাগল, ‘সবাই বাড়ি চলে যাও।’ লোকে তাড়াতাড়ি করে তাদের আপন আপন বাড়ির দরজা-জানালা সব বন্ধ করে দিল। কখন গুলিবর্ষণ শুরু হবে তার জন্য স্বাসরুদ্ধ হৃদয়ে অপেক্ষা করতে লাগল। দেখতে দেখতে গোটা প্যারিস শহরটা বিপ্লবের লাল আগুনের আঁচে রাঙা হয়ে উঠল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleটয়লার্স অভ দ্য সী – ভিক্টর হুগো
    Next Article কেন আমি নাস্তিক – ভগৎ সিং

    Related Articles

    ভিক্টর হুগো

    টয়লার্স অভ দ্য সী – ভিক্টর হুগো

    November 6, 2025
    ভিক্টর হুগো

    দ্য ম্যান হু লাফস – ভিক্টর হুগো

    November 6, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }