Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    লে মিজারেবল – ভিক্টর হুগো

    ভিক্টর হুগো এক পাতা গল্প1486 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৪.১৪ অন্তরে যে দারুণ বিপ্লব চলছিল

    চতুর্দশ পরিচ্ছেদ

    ১.

    জাঁ ভলজাঁর অন্তরে তখন যে দারুণ বিপ্লব চলছিল তার তুলঁনায় প্যারিস শহরের গণবিপ্লব কিছু নয়। তার ভবিষ্যৎ এবং তার বিবেক দুটোই ছায়াচ্ছন্ন হয়ে পড়ে। এক গভীর সন্ত্রাসের রাজত্ব চলতে থাকে তার অন্তরে। তার মনে হচ্ছিল হতাশার এক অতলান্তিক খাদের উপরে আলো আর অন্ধকারের দুটো দেবদূত এক ভয়ঙ্কর লড়াইয়ে মত্ত হয়ে উঠেছে।

    ৫ জুন রাত্রিতে যখন ভলজাঁ র‍্যু প্লামেতের বাড়ি ছেড়ে হঠাৎ চলে আসে তখন কসেত্তে প্রতিবাদ করেছিল। জীবনে হয়তো এই প্রথম তার বাবার কাছে প্রতিবাদ জানায় সে। কিন্তু সে প্রতিবাদ টেকেনি। কারণ বেনামি চিঠিটা পেয়ে ভলজাঁ ভয়ে বিমূঢ় হয়ে পড়ে। সে ভাবতে থাকে হয়তো বা পুলিশ তার ঠিকানা জেনে ফেলেছে এবং তাকে ধরার চেষ্টা করছে। ভলজাঁ তাই পোশাক-আশাক ও দু-একটি জিনিসপত্র ছাড়া বেশি কিছু আনেনি, কারণ তা হলে মালবাহকের দরকার হত এবং মালবাহকরা তাদের ঠিকানা বদলের সাক্ষী হত। তাই একটা ঘোড়ার গাড়ি ভাড়া করে তাড়াহুড়ো করে র‍্যু বেবিলনের পথ দিয়ে চলে আসে এখানে।

    লা হোমি আর্মে জায়গাটার পরিবেশটা ছিল অনেক শান্ত এবং নির্জন। আসল শহর থেকে দূরে একটা সরু গলির দু ধারে পুরনো আমলের কতকগুলি বাড়ি; কারও সঙ্গে কারও কোনও সম্পর্ক নেই। ওদের বাসটা ছিল তিনতলায়। মোট তিনখানা ঘর। সবচেয়ে ছোট ঘরটার গাঁয়ে ছিল রান্নাঘর। ছোট ঘরটাতে তুসাঁ থাকবে। পাশাপাশি দুটো ঘরের একটাতে থাকবে ভলজাঁ আর একটাতে কসেত্তে। বাড়িটার পেছন দিকে একটা ফাঁকা উঠোন ছিল।

    সেদিন রাত্রিতে ওরা বাসায় পৌঁছনোর পর নীরবে শুতে চলে গেল। এ বাসায় আসার সঙ্গে সঙ্গে অনেকখানি আশ্বস্ত ও শান্ত হয়ে উঠল ভলজাঁ’র মনটা। তার ভয়ের অনেকটা কেটে গেল। রাত্রিতে ভালো ঘুম হল তার।

    পরদিন সকালে কসেত্তে তার ঘরে একাই প্রাতরাশ খেল। তুসাঁকে বলল, তার মাথা ধরেছে। ভলজাঁ যখন তার ঘরে প্রাতরাশ খাচ্ছিল তখন তুসাঁ একসময় বলল, শহরে দারুণ গোলমাল হচ্ছে। কিন্তু সে কথায় বিশেষ কান দিল না ভলজাঁ। তার মনটা আগের থেকে অনেক শান্ত আর স্বচ্ছ হয়ে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে সে কসেত্তে’র কথাটা ভাবতে লাগল। তার মাথা ধরার ব্যাপারটা এমন কিছু ভাববার কথা নয়। ওটা-দু-এক দিনের মধ্যেই ঠিক হয়ে যাবে। সে ভাবছিল তার ভবিষ্যতের কথা। কিন্তু ব্যাপারটা তার কাছে খুব সহজ বলে মনে হল না। কসেত্তে সারাজীবন তার কাছেই থাকবে, তাদের এই সুখের দ্বৈত জীবনে বিচ্ছেদের কোনও অবকাশ নেই। তাছাড়া সে এই ভেবে নিশ্চিন্ত হল যে সে র‍্যু প্লমেতের বাড়ি ছেড়ে বিনা বাধায় এখানে আসতে পেরেছে, কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। এটাই যথেষ্ট তার কাছে। তবে ফান্সের অবস্থা এখন ভালো নয়, লন্ডনে গিয়ে মাসকতক কাটিয়ে আসবে। কসেত্তে তার কাছে থাকলে পৃথিবীর যে কোনও দেশে যে কোনও দূরতম জায়গায় সে স্বচ্ছন্দে যেতে বা থাকতে পারবে।

    এইসব ভাবতে ভাবতে ঘরের মধ্যে পায়চারি করে বেড়াতে লাগল ভলজাঁ। সহসা আয়নায় কসেত্তে’র নোটবইটা প্রতিফলিত দেখল সে। বইটার একটা পাতা খোলা ছিল। তাতে কসেত্তে’র নিজের হাতে মেরিয়াসকে লেখা সেই ছোট্ট চিঠির প্রতিলিপিটা ছিল। তাতে লেখা আছে, প্রিয়তম, বাবা জেদ ধরেছেন আজই আমাদের এ বাসা ছেড়ে চলে যেতে হবে। আজই রাত্রে আমরা যাচ্ছি র‍্যু দ্য লা হোমি আর্মের বাড়িতে। এক সপ্তার মধ্যেই আমরা ইংল্যান্ড চলে যাব। কসেত্তে। ৪ জুন।

    স্তম্ভিত হয়ে গেল ভলজাঁ।

    কসেত্তে এখানে আসার পর নোটবইটা আয়নার কাছ থেকে তুলে রাখতে ভুলে গেছে। প্রথমে বিশ্বাস করতে মন চায়নি ভলজাঁ’র। পরে যখন এ বিষয়ে নিঃসন্দেহ হল সে তখন কাঁপতে কাঁপতে পাশে আর্মচেয়ারটায় বসে পড়ল। বুকের ভেতরটা জ্বলতে লাগল তার। সে ভাবল আর কোনও উপায় নেই, জগতের সব আলো, সব আশা চিরদিনের মতো মিলিয়ে গেল নিশ্চিহ্নভাবে। তার বিক্ষুব্ধ আত্মা সেই হতাশার নিবিড় নিরস্ত্র অন্ধকারে নিষ্ফল আক্রোশে গর্জন করতে লাগল। সে বেশ বুঝতে পারল কসেত্তে নিশ্চয় তার প্রেমিককে লিখেছে।

    জীবনে এর আগে বহু দুঃখ ভোগ করেছে ভলজাঁ। এমন কোনও চূড়ান্ত দুর্ভাগ্যের প্রান্তসীমা নেই যেখানে বাধ্য হয়ে পা দিতে হয়নি তাকে, সমাজের এমন কোনও অবজ্ঞা, অপমান ও লাঞ্ছনা নেই, যা তাকে সহ্য করতে হয়নি। একে একে জীবনের সব স্বাধীনতা, সব সুখ, সব সম্মান বিসর্জন দিয়ে এক নীরব আত্মসমর্পণের সঙ্গে সব কিছু মেনে নিয়ে ধীরে ধীরে এক চরম আত্মনিগ্রহ ও ত্যাগের পথে ঠেলে দিয়েছে নিজেকে শহীদের মতো। দুর্ভাগ্য ও প্রতিকূল অবস্থার সঙ্গে সংগ্রাম করে তার বিবেক তার অন্তরাত্মাটাকে এক সুরক্ষিত দুর্গে পরিণত করে অপরাজেয় হয়ে ওঠে। কিন্তু এখন কেউ তাকে দেখলে বুঝতে পারবে তার সেই অন্তরাত্মার দুর্গটা ধসে যেতে বসেছে। তার অপ্রতিহত বিবেক এক প্রতিহত বেদনার বিহ্বলতায় ভেঙে পড়েছে।

    ভলজাঁ এখন বুঝল দুর্ভাগ্যের শত পীড়নের যন্ত্রণা থেকে আজকের এ পীড়নের যন্ত্রণা সবচেয়ে ভয়াবহ, সবচেয়ে মারাত্মক। জীবনের সবচেয়ে প্রিয়বস্তুকে হারানো সবচেয়ে বড় ক্ষতি। একথা ঠিক যে তার মতো এক নিঃস্ব বয়োপ্রবীণ মানুষ কসেত্তেকে কন্যার মতো ভালোবাসে। কিন্তু তার আপন অন্তরের সীমাহীন শূন্যতা তার সেই পিতৃসুলভ ভালোবাসাকে এক সর্বাত্মক সর্বগ্রাসী ভালোবাসায় পরিণত করে। কসেত্তে একাধারে তার কাছে হয়ে ওঠে তার কন্যা, মাতা এবং ভগিনী। যেহেতু তার স্ত্রী বা কোনও প্রণয়িনী ছিল না, তার মনের অগোচরেই এক অন্ধ বিশুদ্ধতায় সব ভালোবাসার আবেগ মিলে মিশে এক হয়ে যায়।

    কসেত্তে’র সঙ্গে ভলজাঁ’র সম্পর্কটা যদি আমরা বিশ্লেষণ করি তা হলে দেখব বয়সের অনতিক্রম্য ব্যবধানে আত্মিক মিলনও সম্ভব ছিল না। তবু ভাগ্যের অমোঘ বিধান এই দুটি জীবনকে পরস্পরের কাছে এনে দেয়। কসেত্তে’র প্রতি পিতৃসুলভ ভালোবাসা সত্ত্বেও একাধারে সে তার কাছে হয়ে ওঠে তার পিতা, মাতা, তার ভ্রাতা এবং স্বামী। সে হয়ে ওঠে এমনই এক আশ্চর্য পিতা যার মধ্যে ছিল মায়ের স্নেহ এবং বিশ্বস্ত প্রেমিকের সর্বাত্মক ভালোবাসা। কসেত্তে এইভাবে হয়ে ওঠে তার জীবনের একমাত্র আলো, একমাত্র আশ্রয়স্থল, তার পরিবার, দেশ, সমাজ এবং স্বর্গ।

    ভলজাঁ তাই যখন দেখল তার সেই জীবনের একমাত্র আলো তার চোখের সামনে নিবে যাচ্ছে চিরতরে, তার একমাত্র আশ্রয়স্থল অদৃশ্য হয়ে যাচ্ছে, স্বর্গীয় সুখ উবে যাচ্ছে, কসেত্তে জল বা কুয়াশার মতো তার আঙুলের ভেতর দিয়ে গলে যাচ্ছে, যখন দেখল অন্য একজন কসেত্তে’র অন্তরকে অধিকার করে ফেলেছে, তখন সে ভাবল কসেত্তে নিশ্চয় তাকে ছেড়ে চলে যাবে, তখন তার বেদনা দুঃসহ হয়ে উঠল। তখন তার অন্তরের সুগভীর শূন্যতা থেকে এক বৈপ্লবিক ঝঞ্ঝা এসে তার অস্তিত্বের ভিত্তিভূমিটাকে কাঁপিয়ে দিয়ে ওলটপালট করে দিল তার জীবনের সব কিছু। মানুষ সহ্যের সব সীমা যখন পার হয়ে যায় তখন তার জীবনের প্রতিষ্ঠিত অন্তবৃত্তি, বুদ্ধি ও বোধি সব অন্তর্হিত হয়ে যায় একে একে।

    ভলজাঁ’র অন্তরের মধ্যে যখন এই ধরনের এক তুমুল আলোড়ন চলছিল তখন বাইরেটা কিন্তু অদ্ভুতভাবে শান্ত ছিল। কিন্তু মানুষের যে প্রশান্তি প্রাণহীন প্রতিমূর্তির এক হিমশীতল স্তব্ধতায় জমাট বেঁধে থাকে, সে প্রশান্তি সত্যিই বড় ভয়ঙ্কর। ভলজাঁ তার ভাগ্যবিড়ম্বিত এই অবস্থার কথা ভাবতে ভাবতে দেখল এক বিরাট খাড়াই পাহাড়ের নিচে এক গভীর অতলান্তিক খাদের অন্ধকার। কিন্তু এখন আর সে সেই পাহাড়ের উপর দাঁড়িয়ে নেই, কে যেন তার অজানিতে অকস্মাৎ সে খাদের অন্ধকার গভীরে ফেলে দিয়েছে তাকে। তার মনে হল বাইরে পৃথিবীর আকাশে তখন সূর্য কিরণ দিতে থাকলেও তার জীবনের আলো নিবে গেছে।

    মেরিয়াসের নামটা সে না জানলেও মুহূর্তমধ্যে লুক্সেমবুর্গ বাগানে দেখা তার চেহারাটা ভেসে উঠল তার মনের পটে। নারীলোলুপ সেই যুবক, অলস নির্বোধ এক অপদার্থ প্রেমিক এবং প্রতারক যে পিতার সাক্ষাতে তার কন্যার পানে প্রেমের দৃষ্টিতে তাকাতে কুণ্ঠাবোধ করে না।

    যখন সে বুঝল এই যুবকটাই তাদের সব বিপত্তির মূলে তখন তার যে বিষাক্ত ঘৃণাটা তার সারা অন্তরজোড়া অখণ্ড প্রেমবোধের তাড়নায় অবলুপ্ত হয়ে যায় সেই ঘৃণার অবাঞ্ছিত প্রেতটা আবার যেন উঠে আসে কোথা থেকে।

    দুঃখ থেকেই আসে দুর্বলতা, কমে যায় বাঁচার আকাঙ্ক্ষা। মানুষের যৌবনকালে দুঃখ ও হতাশা বিপজ্জনক হলেও বার্ধক্যের মতো তত ক্ষতিকর নয়। যৌবনে যত দুঃখ যত হতাশার আঘাতই আসুক না কেন, তখন দেহের রক্ত থাকে উত্তপ্ত, প্রাণশক্তি থাকে অক্ষত, তখন এক কৃষ্ণাভ সৌন্দর্যে দীপ্ত কেশরাশির দ্বারা মণ্ডিত তার উদ্ধত মাথাটি জ্বলন্ত মশালের মতো জীবনের অমিত তেজে জ্বলতে থাকে, তখন তার মনে হয় এক বিরাট বিশ্ব বিস্তৃত হয়ে আছে তার সামনে। আছে কত প্রেম কত সৌন্দর্য, কত আশা আর হাসি গানের উজ্জ্বলতা। কিন্তু বার্ধক্যে জীবনসায়াহ্নে এসে মানুষ যখন আকাশে মুখ তুলে নক্ষত্রালোকের মধ্যে আসন্ন মৃত্যুর হাতছানি দেখতে পায়, যখন তার প্রাণশক্তি স্তিমিত হয়ে আসে, যখন সে তার চারদিকে কোনও আশা, কোনও আলো দেখতে পায় না, তখন কী নিয়ে বাঁচবে সে?

    ভলজাঁ বসে বসে এইসব ভাবছিল তার ঘরে। তখন হঠাৎ সা ঢুকল সে ঘরে। তাকে দেখে ভলজাঁ বলল, তুমি যে বলছিলে কোথায় গোলমাল হচ্ছে, সেটা কোথায়?

    তুঁসা বলল, সেন্ট মেরির কাছে।

    কয়েক মুহূর্তের মধ্যে ভলজাঁ ঘর থেকে নীরবে বেরিয়ে গিয়ে বাড়ির নিচে রাস্তার ধারে একটা পাথরের উপর খালি মাথায় কান খাড়া করে কী শোনার অপেক্ষায় বসে রইল।

    .

    ২.

    কিন্তু কতক্ষণ সেভাবে বসেছিল সে? তার চিন্তার অবিরাম অবিচ্ছিন্ন জোয়ার-ভাটার কি কোনও ছেদ পড়েনি? সে কি একেবারে ভেঙে পড়েছিল অথবা তার অন্তরের মধ্যে আবার নতুন করে সোজা হয়ে দাঁড়াবার কোনও শক্ত ভিত্তিভূমি খুঁজে পেয়েছিল?

    তখন রাস্তাটা ছিল একেবারে জনশূন্য। যে দু-একজন পথচারী এস্ত পায়ে তাড়াতাড়ি চলে যাচ্ছিল তারা যদি ভলজাঁ’র দিকে তাকিয়ে একবার দেখত তা হলে তাদের মনে হত ভলজাঁ কোনও জীবিত মানুষ নয়, মানুষের এক মর্মরমূর্তি। স্থির হয়ে সেই পাথরের উপর বসে ছিল ভলজাঁ। হঠাৎ একঝাঁক গুলির শব্দ পেয়ে চমকে উঠল সে। হয়তো র‍্যু শাঁড্রেরি’র ব্যারিকেডটাকে আক্রমণ করল সেনাদল।

    হঠাৎ কার পদশব্দে মুখ তুলে তাকাল ভলজাঁ। রাস্তার আলোয় সে দেখল একটি প্রাণচঞ্চল ছেলে চারদিকের বাড়িগুলোর দিকে তাকাতে তাকাতে একটা বাড়ির নম্বর খোঁজ করছে। নম্বরটা না পেয়ে সে আপন মনে বলে উঠল, এবার রাস্তার বাতিগুলো ভাঙি। ছেলেটা ছিল গাভ্রোশে।

    কোনওদিকে নজর দেবার মতো মনের অবস্থা তখন ভলজাঁর ছিল না। কিন্তু ছেলেটির উদ্ধত ও প্রাণঞ্চল ভাব দেখে তার প্রতি দুর্বার বেগে আকৃষ্ট হল সে। সে বলল, কী চাইছ হে ছোকরা?

    গাভ্রোশে বলল, কী চাইছি? আমি ক্ষুধার্ত! তুমি ছোকরা।

    ভলজাঁ তার পকেটে হাত দিয়ে দেখল পাঁচ ফ্রাঁ আছে। গাভ্রোশে একটা পাথর কুড়িয়ে লাইটপোস্টের বাতি লক্ষ্য করে ছুঁড়ল। তার শব্দে পাশের বাড়ির লোকগুলো জেগে উঠে বলে উঠল, এ যে দেখছি ‘৯৩ সালের সেই বিপ্লব আবার শুরু হল।

    গাভ্রোশে বলল, এ রাস্তায় দেখছি এখনও সব আলোগুলো জ্বলছে। এটা কিন্তু ঠিক নয়। এখানে কোনও শৃঙ্খলা নেই। আমি ওই বাতিগুলো সব ভেঙে দেব।

    ভলজাঁ এবার উঠে গাভ্রোশের দিকে এগিয়ে গেল। আপন মনে বলল, “আহা বেচারা, ছেলেটা আধপেটা খেয়ে আছে।

    এই বলে সে পাঁচ ফ্রা’র মুদ্রাটা গাভ্রোশের হাতে দিয়ে দিল।

    গাভ্রোশে আশ্চর্য হয়ে মুদ্রাটা নিল। এ মুদ্রা সে কোনওদিন হাতে পায়নি জীবনে। সে খুশি হল প্রথমে, কিন্তু পরক্ষণেই সে বলল, ধন্যবাদ মালিক, কিন্তু এতে আমি ভুলব। না, আমি বাতিগুলো ভাঙবই। ও টাকায় আমার দরকার নেই।

    ভলজাঁ বলল, তোমার মা আছে?

    তোমার থেকে আমার বেশি মা আছে।

    তা হলে এটা রেখে দাও, তাকে দেবে।

    এ কথায় বিগলিত হল গাভ্রোশের অন্তরটা। তাছাড়া লোকটার মাথায় টুপি না থাকায় সে আরও নরম হল। সে বলল, তা হলে তুমি এটা নিতে বলছ? কিন্তু এটা দিয়ে তুমি কিন্তু আমার বাতিভাঙা বন্ধ করতে পারবে না।

    যত খুশি বাতি ভাঙতে পার তুমি।

    গাভ্রোশে মুদ্রাটা পকেটে রেখে বলল, ঠিক বলেছ, আচ্ছা, তুমি এই রাস্তাতেই থাক?

    হ্যাঁ, কেন?

    আচ্ছা সাত নম্বর বাড়িটা আমায় দেখিয়ে দিতে পার?

    কিন্তু ও বাড়িটা কেন তুমি খুঁজছ?

    গাভ্রোশে হাত দিয়ে মাথার চুল ধরে ইতস্তত করতে লাগল।

    কী মনে হতে ভলজাঁ বলল, তুমি কি একটা চিঠি এনেছ? আমি চিঠিটার জন্যই অপেক্ষা করছি।

    গাভ্রোশে বলল, তুমি? তুমি তো মেয়েমানুষ নও। চিঠিটা লেখা হয়েছে ম্যাদময়জেল কসেত্তেকে।

    ভলজাঁ বলল, আমি তাকে দিয়ে দেব। তার জন্যই আমি এখানে আছি। আমাকে দিতে পার।

    মনে রেখো, আমি ব্যারিকেড থেকে আসছি। অস্থায়ী সরকারের পক্ষ থেকে এক গোপনীয় সংবাদ বহন করে এনেছি।

    হ্যাঁ, আমাকে দিয়ে দাও চিঠিটা।

    কিন্তু ভেব না, এটা সামান্য একটা চিঠিমাত্র। এটি একটি মেয়েকে লেখা। আমরা বিপ্লবী হলেও মেয়েদের শ্রদ্ধা করি। যারা মেয়েদের হাঁস, নেকড়ের মতো তাড়া করে বেড়ায় আমরা তাদের মতো নই। তোমাকে দেখে অবশ্য ভদ্রলোক বলেই মনে হচ্ছে।

    চিঠিটা দিয়ে দাও।

    গাভ্রোশে ভলজাঁ’র হাতে চিঠিটা দিয়ে বলল, ম্যাদময়জেল কসেত্তেকে তাড়াতাড়ি দিয়ে দেবে চিঠিটা।

    ভলজাঁ বলল, একটা কথা, আমি কি এর উত্তর সেন্ট মেরিতে পৌঁছে দিতে পারি?

    না, আমি আসছি শীভ্রারির ব্যারিকেড থেকে। শুভরাত্রি নাগরিক।

    অন্ধকারের মধ্যে তীরবেগে ছুটতে ছুটতে অদৃশ্য হয়ে গেল গাভ্রোশে। কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যে আর একটা রাস্তার বাতি ভাঙার শব্দে চমকে উঠল আশপাশের বাড়িগুলোর বাসিন্দারা।

    .

    ৩.

    মেরিয়াসের লেখা চিঠিটা নিয়ে তার নিজের ঘরে চলে গেল ভলজাঁ। দেখল পাশের ঘরে কসেত্তে ও তুস ঘুমোচ্ছে। তার হাত দুটো কাঁপছিল। কম্পিত হাতে বাতি জ্বালিয়ে টেবিলের ধারে একটা চেয়ারে বসল সে। তার পর খুলে ফেলল চিঠিটা।

    যখন আমাদের অন্তর এক প্রবল আবেগে বিচলিত থাকে তখন কোনও চিঠি পড়তে গিয়ে সবটা পড়ার ধৈর্য থাকে না আমাদের। তখন চিঠিটার প্রথম কিছুটা পড়েই আমাদের দৃষ্টি লাফ দিয়ে চলে যায় শেষাংশে। ভলজাঁ’র তাই হল। চিঠিখানার শেষের একটা লাইন দৃষ্টি আকর্ষণ করল তার। সেই লাইনটা পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই অপ্রত্যাশিত এক আনন্দের আবেগে আত্মহারা হয়ে উঠল ভলজাঁ। লাইনটা হল, আমি মরব… যখন তুমি এ চিঠি পড়বে তখন আমার অশরীরী আত্মা তোমার কাছে চলে যাবে।

    যে ব্যক্তি তার জীবনের সব সুখকে বিঘ্নিত করে তুলেছিল, যাকে সে সবচেয়ে বেশি ঘৃণা করত, তাকে সরাবার জন্য কিছুই করতে হল না ভলজাঁকে। সে স্বেচ্ছায় মৃত্যুবরণ করতে চলেছে। এর থেকে সুখসংবাদ আর কী হতে পারে? তবে যতদূর তার মনে হয় তার মৃত্যু এখনও ঘটেনি। কারণ সেনাবাহিনী ব্যারিকেডটা ঠিকভাবে আক্রমণ করবে আগামীকাল সকালে। সেটা কোনও কথা নয়। সে যখন বিপ্লবে যোগ দিয়েছে তখন আজ হোক কাল হোক মরতে তাকে হবেই। এতক্ষণে নিজেকে সম্পূর্ণরূপে নিরাপদ মনে হল ভলজাঁ’র, কসেত্তেকে পুরোপুরিভাবে পাবার পথে আর কোনও প্রতিদ্বন্দ্বী বা অন্তরায় থাকবে না। তবে এই চিঠিটা তাকে গোপনে রেখে দিতে হবে। কসেত্তে যেন এ ব্যাপারে কিছু জানতে না পারে। কী সুখের কথা!

    নিজেকে এভাবে আশ্বস্ত করলেও কিসের একটা বিষাদ আবার বুক চেপে বসল তার। হঠাৎ সে নিচের তলায় গিয়ে দারোয়ানকে জাগাল। তার পর জাতীয় রক্ষীবাহিনীর পোশাক পরে গুলিভরা বন্দুক নিয়ে সেই রাতেই বেরিয়ে পড়ল ভলজাঁ। লে হ্যালের দিকে এগিয়ে চলল সে।

    .

    ৪.

    এদিকে বাতি ভাঙতে ভাঙতে ভিয়েলে হদ্রিয়েত্তে অঞ্চলে এসে পড়ল গাভ্রোশে। তার পর একটা গান গাইতে শুরু করে দিল। সে নাচতে নাচতে গান করছিল। হাওয়ায় উড়তে থাকা ছেঁড়া কাপড়ের মতো তার মুখের ওপর নানারকম বিকৃত ভাব খেলে যাচ্ছিল।

    হঠাৎ রাস্তার ধারে কী একটা জিনিস দেখতে পেয়ে থমকে দাঁড়াল গাভ্রোশে। সে দেখল, রাস্তার ধারে একটা ঠেলাগাড়ি নামানো রয়েছে আর একটা চাষি লোক গাড়িটার উপর পা তুলে দিয়ে ঘুমোচ্ছ। গাভ্রোশে ভাবল ওই ঠেলাগাড়িটা ব্যারিকেডের কাজে লাগবে। এই ভেবে সে লোকটার পা দুটো আস্তে করে ধরে সরিয়ে গাড়িটা সরিয়ে আনল। তার পর পকেট থেকে কাগজ-পেনসিল বার করে তাতে লিখল, ফরাসি প্রজাতন্ত্র। একটি ঠেলাগাড়ি অধিগ্রহণ করা হল। (স্বাক্ষর) গাভ্রোশে।

    এই রসিদটা ঘুমন্ত চাষিটার পকেটে ঢুকিয়ে রেখে গাড়িটা ঠেলতে ঠেলতে নিয়ে চলে গেল গাভ্রোশে। ইম্প্রিমিয়ের রয়ালে এক সেনাবাহিনীর ঘাঁটি ছিল। সেখানে জাতীয় রক্ষীবাহিনীও ছিল। গাভ্রোশে তা খেয়াল করেনি। তাই সে একের পর এক করে রাস্তায় বাতি ভেঙেছে, তার পর গান গেয়েছে; এইভাবে এ অঞ্চলের সব বাসিন্দাদের সন্ত্রস্ত করে তুলেছে। প্রহরারত সৈনিকরা অনেকক্ষণ থেকে এই সব কিছু লক্ষ করে তার জন্য ওত পেতে বসে ছিল।

    আনমনে গাড়িটা ঘর্ঘর শব্দে ঠেলে নিয়ে যেতে যেতে পাহারাদার সৈনিকদের সামনে এসে পড়ল গাভ্রোশে। কোনও অবস্থাতেই হতবুদ্ধি হয়ে পড়ে না গাভ্রোশে। সে সৈনিকদের সরাসরি বলল, এ যে দেখছি স্বয়ং কর্তৃপক্ষ! ভালো তো?

    সার্জেন্ট বলল, কোথায় যাচ্ছ পাজি বদমাশ কোথাকার?

    গাল্লোশে বলল, নাগরিক, আমি তো তোমাদের বুর্জোয়া বলিনি, কেন আমাকে গালাগালি করছ?

    কোথায় যাচ্ছ ভাঁড় কোথাকার?

    মঁসিয়ে, গতকাল তোমার যে বুদ্ধি মাথায় ছিল সে বুদ্ধি আজ গেল কোথায়?

    আমি জিজ্ঞাসা করছি, তুমি কোথায় যাচ্ছ?

    তুমি বেশ ভদ্রভাবেই কথা বলছ। টাকার দরকার থাকলে মাথার চুলটা বিক্রি করতে পার।

    কোথায় যাচ্ছ? কোন কাজে যাচ্ছ পাজি কোথাকার?

    তোমার কথাটা বড় কুৎসিত। মদ খাবার আগে মুখটা ধুয়ে ফেলবে।

    কোথায় যাচ্ছ তা বলবে কি বলবে না?

    হে আমার শ্রদ্ধেয় সেনাপতি, আমার প্রভু, আমার স্ত্রীর প্রসবযন্ত্রণা ওঠার জন্য ডাক্তার ডাকতে যাচ্ছি।

    সার্জেন্ট তার অধীনস্থ সৈনিকদের হুকুম দিল, গুলি চালাও।

    সার্জেন্ট উপর দিকে বন্দুক তুলে একটা ফাঁকা আওয়াজ করতেই অন্য সৈনিকরাও ব্যস্ত হয়ে গুলি করতে লাগল। তখন গাভ্রোশে ঠেলাগাড়িটা ফেলে কৌশলে পালিয়ে গেল। তীরবেগে অন্ধকারে ছুটে বহু দূরে গিয়ে একটা জায়গায় একটা পাথরের উপর বসে পড়ল।

    কিছুক্ষণের মধ্যেই গাভ্রোশের হুঁশ হল, সে তাদের ব্যারিকেডের ঘাঁটি থেকে অনেক দূরে চলে এসেছে। এখনি তাকে ফিরে যেতে হবে। তাই সে আবার একটা গান ধরে গাইতে গাইতে ছুটতে লাগল।

    এদিকে প্রহরারত সৈনিকরা ঠেলাগাড়িটা দখল করে তার মালিকের খোঁজ করে ধরে তাকে। পরে সেই চাষির বিচার হয় সামরিক আদালতে এবং বিপ্লবীদের সাহায্যকারী হিসেবে তার মৃত্যুদণ্ড হয়।

    গাভ্রোশের সেই অভিযানটা ইম্প্রিমিয়ের রয়ালে সামরিক ঘাঁটির উপর নৈশ আক্রমণ হিসেবে আজও সে অঞ্চলের লোকের মুখে মুখে ফেরে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleটয়লার্স অভ দ্য সী – ভিক্টর হুগো
    Next Article কেন আমি নাস্তিক – ভগৎ সিং

    Related Articles

    ভিক্টর হুগো

    টয়লার্স অভ দ্য সী – ভিক্টর হুগো

    November 6, 2025
    ভিক্টর হুগো

    দ্য ম্যান হু লাফস – ভিক্টর হুগো

    November 6, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }