Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    লে মিজারেবল – ভিক্টর হুগো

    ভিক্টর হুগো এক পাতা গল্প1486 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৫.৪ রাস্তা মেরামতকারী বুলাত্রিউলের কথা

    চতুর্থ পরিচ্ছেদ

    ১.

    মঁতফারমেল গাঁয়ের রাস্তা মেরামতকারী বুলাত্রিউলের কথা আমরা প্রথমদিকে আগেই বলেছি। তার পর কয়েক বছর কেটে গেলেও তার তখনও বিশ্বাস ছিল মঁতফারমেলের প্রান্তবর্তী সেই বনটায় গুপ্তধন আছে। সেই গুপ্তধনের মায়া সে তখনও ত্যাগ করতে পারেনি। তার আশা সে একদিন সে গুপ্তধর খুঁজে পাবেই। ইতোমধ্যে সে পকেট মারার কাজে মন দেয়।

    কিন্তু একদিন ধরা পড়ে যেতে যেতে কোনওরকমে বেঁচে গিয়ে সে তার জীবনের পথ পরিবর্তন করে সুবুদ্ধির পরিচয় দেয়। একদিন জনদ্ৰেত্তে অঞ্চলে একটা বাড়ির ছাদে কয়েকজন চোর-ডাকাতের সঙ্গে সে পলিশের হাতে ধরা পড়ে। কিন্তু সে তখন মাতাল অবস্থায় থাকার জন্য ছাড়া পায়, কারণ সে যে অসৎ উদ্দেশ্যে অপরাধের মনোভাব নিয়ে সেখানে ছিল, সে তখন মদের নেশার ঘোরে মাতাল অবস্থায় থাকার জন্য তা প্রমাণ হয়নি। এরপর থেকে সে গ্যাগনি থেকে ন্যাগনি পর্যন্ত যে রাস্তাটা চলে গেছে সেই রাস্তায় পাথর ভাঙার কাজে যোগদান করে। কারণ মদ খাওয়ার জন্য তার টাকার দরকার।

    একদিন সকালবেলায় সে তার কাজে যোগদান করার আগে মঁতফারমেল গায়ের শেষে সেই বনটায় চলে যায়। বনের মধ্যে যেতেই সে একটি অচেনা লোকের পিঠটা দেখতে পায়। তার মনে হল বছরকতক আগে সে যেন এই লোকটাকে দেখেছে এই বনে। বুলাত্রিউলের স্মৃতিশক্তি খুব প্রখর ছিল। তাই কথাটা মনে পড়ে গেল তার।

    দেখতে দেখতে লোকটা বনের মধ্যে অদৃশ্য হয়ে গেল কোথায়। বুলাত্রিউল তাই একটা গাছের উপর উঠে লক্ষ করতে লাগল লোকটা কোথায় যায়। লোকটা গাছের আড়ালে অদৃশ্য হয়ে গেলেও তার মনে হল লোকটা এক জায়গায় বসে কী কাজ করছে। তার মনে সন্দেহ জাগল।

    বুলাত্রিউল তখন ধৈর্য ধরতে না পেরে গাছ থেকে নেমে লোকটা যেদিকে চলে গেছে সেইদিকে ঝোঁপঝাড় ঠেলে এগিয়ে যেতে লাগল। কিন্তু লোকটা যেখানে ছিল বলে মনে হচ্ছিল তার সেখানে কোনওরকমে গিয়ে দেখল লোকটা সেখানে নেই। কতকগুলি পাথর আর জিঙ্ক প্লেট পড়ে রয়েছে সেখানে। পাথরখণ্ডগুলোর মধ্যে একটা গর্ত রয়েছে দেখল। কিন্তু সেটা পরীক্ষা করে দেখল বুলাত্রিউল, গর্তটা খালি।

    আরও দেখুন
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    বাংলা লাইব্রেরী
    বাংলা সাহিত্য
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    বাংলা বই
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা শিশু সাহিত্য

    বুলাত্রিউল হতাশ হয়ে বলে উঠল, পাজি বদমাশ কোথাকার!

    .

    ২.

    মঁসিয়ে গিলেনৰ্মাদের বাড়িতে আসার পর জ্বর হয় মেরিয়াসের। জ্বর বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রলাপ বকতে থাকে সে। জ্বরের ঘোরে বারবার কসেত্তে’র নাম করতে থাকে। তার দেহের কতকগুলি ক্ষত ভয়ের কারণ হয়ে উঠল। কারণ ডাক্তার ভাবল সেগুলো থেকে গ্যাংগ্রিন হয়ে যেতে পারে। আবহাওয়া যেদিন খারাপ থাকত সেদিন ডাক্তারের ভয় হত বেশি।

    ডাক্তার বলল, রোগী যেন কোনও অবস্থাতেই উত্তেজিত না হয়। তখনকার দিনে প্লাস্টারের ব্যবস্থা না থাকায় ক্ষতস্থান পোয়া ও ব্যান্ডেজ করা বিশেষ কষ্টকর ছিল। এইভাবে দিনের পর দিন যেতে থাকে। মেরিয়াস যতদিন অসুখের ঘোরে থাকে এবং তার অবস্থা আশঙ্কাজনক থাকে ততদিন মঁসিয়ে গিলেনৰ্মাদ নিদারুণ উদ্বেগে ম্রিয়মাণ হয়ে থাকেন। তাঁকে দেখে জীবিত না মৃত তা বোঝাই যায় না।

    আরও দেখুন
    সেবা প্রকাশনীর বই
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    বাংলা গল্প
    বইয়ের
    গ্রন্থাগার
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    Library
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    বাংলা ভাষা
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ

    দারোয়ান বলল, রোজ ভালো পোশাকপরা মাথায় সাদা চুলওয়ালা এক ভদ্রলোক বাড়ির গেট থেকে মেরিয়াসের খবর নিয়ে যায় আর ব্যান্ডেজের জন্য কতকগুলি কাপড় দিয়ে যায়।

    অবশেষে তিন মাস পর সেপ্টেম্বর মাসে একদিন ডাক্তার জানাল, মেরিয়াসের বিপদ সম্পূর্ণ কেটে গেছে। তবে তার ক্ষতস্থানগুলো সম্পূর্ণরূপে সারিয়ে তোলার জন্য আরও ছ মাস তাকে বিশ্রাম নিতে হবে, কোনও চলাফেরা করা যাবে না। এই বিশ্রামটা ভালোই হল মেরিয়াসের পক্ষে। কারণ তা হলে বিপ্লবী হিসেবে তার ধরপাকড়ের কোনও ভয় থাকবে না। ফ্রান্সে কোনও বিপ্লবের পর ছ মাস কেটে গেলে বিপ্লবীদের শাস্তিদানের কথা। সরকারের আর মনে থাকে না। তাছাড়া কোনও গণবিপ্লবে অংশগ্রহণকারী সব লোককে শাস্তি দেওয়া সম্ভব নয়। যদিও পুলিশের বড়কর্তা পিসকে সব ডাক্তারের ওপর আদেশ জারি করেছিলেন কোনও আহত বিপ্লবী তাঁদের কাছে চিকিৎসা করতে এলেই তারা যেন সরকারকে জানিয়ে দেন, তবু ডাক্তাররা সে কথা মানত না এবং সেদিক দিয়ে। মেরিয়াসের কোনও বিপদ ছিল না।

    মেরিয়াসের যতদিন জ্ঞান হয়নি, তার অবস্থা ছিল আশঙ্কাজনক, ততদিন মঁসিয়ে গিলেনৰ্মাদের মনে শান্তি ছিল না। তিনিও অনেক কষ্ট করেন। সেবার লোকের কোনও অভাব না থাকলেও তিনি ইচ্ছা করে অনেকদিন রাত জাগতেন। রোগীর সব বিষয়ে তদারক করতেন। কিন্তু মেরিয়াসের অবস্থা বিপদ থেকে মুক্ত হবার সঙ্গে সঙ্গে আনন্দে উল্লসিত হয়ে উঠলেন তিনি। ডাক্তারের মুখ থেকে কথাটা শোনার সঙ্গে সঙ্গে তিনি। আনন্দের আবেগে বাস্ককে তিন লুই বকশিশ দিলেন। সে রাত্রিতে তিনি তাঁর ঘরে আপন মনে নাচগান করলেন। তার পর নতজানু হয়ে প্রার্থনা করতে লাগলেন। বাস্ক এটা দরজার ফাঁক দিয়ে স্বচক্ষে দেখেছিল। অথচ তিনি এর আগে কোনওদিন ঈশ্বরে বিশ্বাস করেননি।

    আরও দেখুন
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    বাংলা গল্প
    বই
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা কমিকস
    বাংলা ইসলামিক বই
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই

    মেরিয়াসের অবস্থা যত ভালোর দিকে যেতে থাকে মঁসিয়ে গিলেনৰ্মাদও তেমনি শিশুর মতো আনন্দোচ্ছল হয়ে ওঠেন। একদিন তিনি পাশের বাড়ির এক সুন্দরী মহিলাকে একটা ফুলের তোড়া পাঠিয়ে দেন। তাতে তার স্বামী রেগে যায়। এমনকি তিনি একদিন নিকোলেত্তেকে তার কোলে বসাবার চেষ্টা করেন। মেরিয়াসকে তিনি মঁসিয়ে লে ব্যারন বলে ডাকতে থাকেন এবং একদিন ‘প্রজাতন্ত্র দীর্ঘজীবী হোক’ বলে ধ্বনি দিয়ে ওঠেন। তার চোখ-মুখ উজ্জ্বল হয়ে ওঠে এবং বার্ধক্যের মাঝেও যেন অকাল যৌবনের অভ্যাগম হয়। তিনি এমন ভাব দেখাতে থাকেন যাতে মনে হত মেরিয়াসই বাড়ির সর্বময় কর্তা।

    এদিকে মেরিয়াসের মনে একমাত্র কসেত্তে’র চিন্তা ছাড়া আর কোনও চিন্তা ছিল না। কে তাকে উদ্ধার করে এখানে নিয়ে আসে, তা সে জানে না। কারণ সে তখন সম্পূর্ণ অচৈতন্য ছিল। এখানকার লোকরা বলে দু জন অচেনা লোক তাকে একটা গাড়িতে করে এ বাড়িতে নিয়ে আসে। ব্যারিকেডে জ্ঞান হারিয়ে ফেলার পর কী ঘটেছিল বা কারা ছিল সে বিষয়ে অস্পষ্ট একটা ছবি ভেসে ওঠে তার মনে। এপোনিনে, গাভ্রোশে, মেবুফ, থেনার্দিয়ের, আর তার বন্ধুদের কিছু কিছু কথা মনে পড়ে তার।

    আরও দেখুন
    বই পড়ুন
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    ই-বুক রিডার
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    বাংলা লাইব্রেরী
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    সেবা প্রকাশনী বই

    তার মাতামহ যতই তার জন্য উচ্ছ্বসিত বা উল্লসিত হোন না কেন, তার সে উচ্ছ্বাসে বা উল্লাসে মেরিয়াস কোনও সময় সাড়া দিত না। একটা হিমশীতল ঔদাসীন্যে আচ্ছন্ন। করে রাখত সে তার মনটাকে। সে তার মাতামহকে ‘দাদু’ বলেও ডাকত না, মঁসিয়ে বলে ডাকত। সে মনে মনে সংকল্প করে বসেছিল, কসেত্তেকে সে খুঁজে বার করবেই এবং তাকে পাবার জন্য দাবি জানাবে সে তার মাতামহের কাছে। কিন্তু তিনি আগের মতো এ বিষয়ে অনমনীয় কঠোর থাকলে সে তার ক্ষতগুলো থেকে সব ব্যান্ডেজ তুলে দেবে এবং তার খাওয়া বন্ধ করবে। মনটা তাই আগে থেকে সে শক্ত করে রাখে।

    একদিন সকালে মেরিয়াসের ঘরে খবরের কাগজ পড়তে পড়তে ১৭৯৩ সালের ফরাসি বিপ্লবে যে কনভেনশন গঠিত হয় সেই কনভেনশন এবং দাঁতন, সেন্ট জাস্ট, রোবোসপিয়ার প্রমুখ বিপ্লবী নেতাদের নাম করেন গিলেনৰ্মাদ। তা শুনে মেরিয়াস বলে ওঠে, ১৭৯৩ সালের বিপ্লবী নেতারা সত্যিই বীরপুরুষ ছিলেন।

    মঁসিয়ে গিলেনৰ্মাদ তখন আর কোনও কথা বলেননি। আপোসহীন রাজতন্ত্রী মঁসিয়ে গিলেনৰ্মাদের এই অর্থপূর্ণ নীরবতার মাঝে এক অবদমিত ক্রোধের আভাস পেয়েছিল মেরিয়াস।

    আরও দেখুন
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    সেবা প্রকাশনীর বই
    বাংলা ই-বই
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    বাংলা ই-বুক রিডার
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    অনলাইন বই
    Books

    .

    ৩.

    একদিন যখন ম্যাদময়জেল গিলেনৰ্মাদ মেরিয়াসের ঘর পরিষ্কার করছিল তখন মঁসিয়ে গিলেনৰ্মাদ মেরিয়াসের উপর ঝুঁকে পড়ে বললেন, আমি যদি তুমি হতাম তা হলে মাছ খেয়ে মাংস খেতাম বেশি। কারণ মাংসই তাড়াতাড়ি সারিয়ে তোলে মানুষকে।

    মেরিয়াসের দেহে তখন শক্তি ফিরে এসেছিল। সে বিছানার উপর উঠে বসত। সে তার মাতামহের দিকে তাকিয়ে আক্রমণের ভঙ্গিতে বলল, আপনাকে একটা কথা বলার আছে।

    কী কথা?

    আমি বিয়ে করতে চাই।

    আরও দেখুন
    Library
    বিনামূল্যে বই
    বাংলা ই-বুক রিডার
    ই-বুক রিডার
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    গ্রন্থাগার
    ই-বই ডাউনলোড
    বাংলা বই
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    অনলাইন বই

    মঁসিয়ে গিলেনৰ্মাদ হাসতে হাসতে বললেন, অবশ্যই, এটা এমন আর কী কথা!

    ‘অবশ্যই’ মানে কী আপনি বলতে চাইছেন?

    মানেটা খুবই সহজ! তুমি তাকে পাবে।

    এক মধুর বিস্ময়ের আবেগে কাঁপতে লাগল মেরিয়াস।

    মঁসিয়ে গিলেনৰ্মাদ আবার বলতে লাগলেন, তুমি তাকে অবশ্যই পাবে। আমি খোঁজখবর নিয়ে জেনেছি, সে তোমাকে সত্যিই ভালোবাসে। মেয়েটি সুন্দরী এবং ভদ্র। সে রোজ তোমার খবর নেয়। তুমি আহত হওয়ার পর থেকে সে তোমার জন্য কান্নাকাটি করে দিন কাটায়। সে সাত নম্বর র‍্যু দ্য লা হোমি আর্মেতে থাকে। তুমি ভেবেছিলে কথাটা তুলঁলে আমার সঙ্গে যুদ্ধ বাধবে এবং একটা পাগলা ষাড়ের শিং ধরে তাকে বশ করতে হবে। আমি এত বোকা নই। আমি সব ঠিক করে রেখেছি। মেয়েটি তোমাকে এত ভালোবাসে যে তোমার মৃত্যু ঘটলে সে-ও মারা যেত। তখন আমাদের মোট তিনজনের জন্য তিনটে কফিনের দরকার হত। আমি তাকে তোমার বিছানার পাশে আনিনি, কারণ সেটা ভালো দেখায় না। কিন্তু জেনে রেখ, কসেত্তে তোমার এবং আমি তাকে তোমার হাতে তুলে দেবই। তোমরা বিয়ে করে সুখী হও–এটাই আমি চাই।

    আরও দেখুন
    বাংলা উপন্যাস
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    সেবা প্রকাশনীর বই
    সেবা প্রকাশনী বই
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    বই পড়ুন

    এই কথা বলেই মেরিয়াসের মাথাটা বুকের উপর জড়িয়ে ধরলেন মঁসিয়ে গিলেনৰ্মাদ। ওরা দু জনেই কাঁদতে লাগল।

    মেরিয়াস ডাকল, দাদু!

    মঁসিয়ে গিলেনৰ্মাদ বললেন, তা হলে তুমি আমাকে সত্যিই ভালোবাস? তুই আমাকে অবশেষে দাদু বলে ডাকলি?

    এর পরম সুখের আবেশে দু জনেই বিভোর হয়ে উঠল।

    খুব আস্তে মাথাটা সরিয়ে নিয়ে মেরিয়াস শান্ত কণ্ঠে বলল, দাদু, এখন আমি ভালোই আছি। আমি একবার তার সঙ্গে দেখা করতে যাব।

    অবশ্যই যাবে। কালই যাবে।

    আজ নয় কেন?

    আরও দেখুন
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা গল্প
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    বইয়ের
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    বই পড়ুন
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    বিনামূল্যে বই
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    বাংলা বই

    ঠিক আছে, আজই যাবে। তুমি তিনবার আমাকে দাদু বলেছ, তোমার আবেদন মঞ্জুর হয়ে গেছে। আঁদ্রে শেনিয়েরের কবিতার এখানেই শেষ, যে আঁদ্রে শেনিয়েরের মাথাটা ‘৯৩ সালের বীর বিপ্লবীরা কেটে ফেলে।

    কথাটা বলে ফেলেই ভুল করেছেন ভেবে শুধরে নিয়ে বলতে লাগলেন, না না, তারা সত্যিই বীর ছিল। তবে আঁদ্রে শেনিয়েরকে কোনও কারণে মানতে পারেনি বলে তাকে ফাঁসি দেয়।

    এই বলে ঘর থেকে তাড়াতাড়ি বেরিয়ে গেলেন মঁসিয়ে গিলেনৰ্মাদ। মেরিয়াস তখন কসেত্তে’র কথাটা একমনে ভাবতে থাকায় তার দাদুর কথাটা ভালো করে শোনেনি বা

    সে কথায় কিছু মনে করেনি।

    মঁসিয়ে গিলেনৰ্মাদ ঘর থেকে বেরিয়েই বাস্ককে দেখতে পেয়ে তার জামার কলার ধরে বললেন, এই শয়তানটাই তাঁকে খুন করেছে?

    আরও দেখুন
    সেবা প্রকাশনী বই
    বাংলা কমিকস
    বিনামূল্যে বই
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা ই-বই
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বইয়ের
    পিডিএফ
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার

    বাস্ক ভয়ে ভয়ে বলল, কাকে খুন করেছে?

    আঁদ্রে শেনিয়েরকে।

    বাস্ক বলল, নিশ্চয় মঁসিয়ে।

    .

    ৪.

    কসেত্তে আর মেরিয়াস আবার মিলিত হল দু জনে। মেরিয়াসকে যেতে হল না। খবর দিয়ে কসেত্তেকে আনানো হল মেরিয়াসের কাছে মঁসিয়ে গিলেনৰ্মাদের বাড়িতে। সঙ্গে জাঁ ভলজাঁ মঁসিয়ে ফশেলেভেন্ত নাম ধারণ করে এল।

    কসেত্তে মেরিয়াসের ঘরে ঢুকতেই বাড়ির সব লোক, সব চাকরবাকর এসে ভিড় করল তার চারদিকে। কসেত্তে যেন, স্বর্গসুখ উপভোগ করতে লাগল। কসেত্তে’র চেহারাটাকে যেন এক আলোর জ্যোতি ঘিরে ছিল। মঁসিয়ে গিলেনৰ্মাদ কসেত্তেকে দেখেই বলে উঠলেন, চমৎকার। এতদিন পর মেরিয়াসকে দেখতে পেয়ে এক পরম সুখে যেন অভিভূত হয়ে পড়েছিল কসেত্তে। দু হাত দিয়ে মেরিয়াসকে জড়িয়ে ধরতে ইচ্ছা করছিল কিন্তু ঘরে অনেক লোক থাকায় তা পারছিল না।

    আরও দেখুন
    বুক শেল্ফ
    বাংলা কমিকস
    ই-বুক রিডার
    বাংলা গল্প
    অনলাইন বই
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা উপন্যাস
    বাংলা কবিতা
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    অনলাইন গ্রন্থাগার

    কসেত্তে’র পেছনে দাঁড়িয়ে ছিল মঁসিয়ে ফশেলেভেন্ত নামে জাঁ ভলজাঁ। তার পরনে ছিল সুন্দর কালো পোশাক। তার বগলে ছিল সবুজ কাগজে মোড়া একটা বড় প্যাকেট।

    নিকোলেত্তে নিচু গলায় বলল, ওই প্যাকেটে বই আছে?

    মঁসিয়ে গিলেনৰ্মাদ তার উত্তরে বললেন, বিদ্বান লোকদের বগলে বই থাকে সব সময়।

    এবার মাথাটা নত করে গলা উঁচু করে বলতে লাগলেন মঁসিয়ে গিলেনৰ্মাদ, মঁসিয়ে ফশেলেভেন্ত! আমি আমার কন্যার পুত্র ব্যারন মেরিয়াস পঁতমার্সির পক্ষ থেকে বিবাহের জন্য আপনার কন্যার পাণি প্রার্থনা করছি।

    মানুষের নামের আদি অক্ষরটা মনোযোগ দিয়ে না শুনে বিকৃত করে উচ্চারণ করাটা মঁসিয়ে গিলেনৰ্মাদের এক অভিজাতসুলভ অভ্যাস।

    নীরবে মাথা নত করল মঁসিয়ে ফশেলেভেন্ত।

    আরও দেখুন
    PDF
    বাংলা ইসলামিক বই
    পিডিএফ
    বই
    বুক শেল্ফ
    Books
    বাংলা লাইব্রেরী
    ই-বই ডাউনলোড
    বাংলা বই
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ

    মঁসিয়ে গিলেনৰ্মাদ বললেন, তা হলে তো সব ঠিক হয়ে গেল।

    এরপর মেরিয়াস আর কসেত্তে’র কাঁধের উপর দুটো হাত রেখে বললেন, এবার তোমরা অবাধে ভালোবাসতে পার পরস্পরকে।

    একথা আর দু বার বলার প্রয়োজন ছিল না। কসেত্তেই প্রথমে কথা শুরু করল। মেরিয়াসের বিছানার পাশে দাঁড়িয়ে ছিল সে। আর সেই বিছানার পাশে দাঁড়িয়ে কসেত্তে বলতে লাগল, তোমার সঙ্গে যে আবার দেখা হবে একথা ভাবতেই পারিনি। কেন তুমি যুদ্ধ করতে গিয়েছিলে? কী ভয়ঙ্কর ব্যাপার! চার মাস আমার কিভাবে যে কটেছে তুমি তার কী জানবে? আমার প্রায়ই মনে হত আমি যেন আর বেঁচে নেই। আমি তো তোমার কোনও ক্ষতি করিনি। তবু তুমি যুদ্ধে গিয়ে নিষ্ঠুরের মতো কাজ করেছ? যা হোক, এবারকার মতো ক্ষমা করলাম। ভবিষ্যতে আর যেন কখনও এ কাজ কর না। চার মাস ধরে শুধু চোখের জল ফেলেছি। তার পর যখন এখানে আসার জন্য আমাকে খবর দেওয়া হল তখন আমার মনে হল আনন্দের আবেগে আতিশয্যে আমি বোধ হয় মারা যাব। আমি ভালো করে সাজগোজ করিনি।… তুমি কোনও কথা বলছ না কেন? আমিই শুধু বকে চলেছি। আমরা লা হোমির বাড়িতেই আছি। তোমার দাদু তো ভালোই লোক না, উঠে দাঁড়াবার চেষ্টা কর না, এতে খারাপ হতে পারে। আজ আমার কী সুখ! এখন আমাদের বাড়িটাতে কিন্তু বাগান নেই।

    মেরিয়াস শুধু প্রেমিক হিসেবে অতি সাধারণ একটা কথা বলল, হে আমার দেবদূত!

    কথাটা বলে ঘরে অনেক লোক থাকায় চুপ করে গেল। তারা শুধু পরস্পরের হাত ধরল।

    মঁসিয়ে গিলেনৰ্মাদ ঘরে উপস্থিত লোকদের বললেন, তোমরা গোলমাল কর না, ওরা তা হলে কথা বলতে পারবে না।

    এরপর কসেত্তে ও মেরিয়াসের উপর ঝুঁকে বললেন, সহজভাবে কথা বলে যাও তোমরা, ভয় কর না।

    ম্যাদময়জেল গিলেনৰ্মাদ সাতান্ন বছর বয়সে বিস্ময়ের সঙ্গে যেন এক সফল প্রেমের বিজয়গৌরব দেখছিল। তার সে দৃষ্টির মধ্যে কোনও ঈর্ষা বা আঘাতের চিহ্ন ছিল না।

    তার বাবা একবার একসময় তাকে নিচু গলায় বললেন, এরকম ঘটবে আমি তোমাকে আগেই বলেছিলাম… পরের প্রেমের সুখ নিজের চোখে প্রত্যক্ষ করতে হবে।

    এবার মেরিয়াস ও কসেত্তে’র সঙ্গে ঠাট্টা করতে লাগলেন মঁসিয়ে গিলেনৰ্মাদ। বললেন, মেরিয়াস, তুই একটা পাজি বদমাশ ছেলে, ছবির মতো সুন্দর মুখওয়ালা এই মেয়েটা একা তোর হবে! আমার বয়স যদি এর থেকে আর পনেরো বছরের কম হত তা হলে আমি এই মেয়েটার জন্য তোর সঙ্গে ডুয়েল লড়তাম! হে সুন্দরী তরুণী, আমিও তোমার প্রেমে পড়েছি। বিয়েটা খুব ভালো করেই দিতে হবে। আমাদের এ অঞ্চলেও একটা চার্চ আছে। কিন্তু তোমাদের বিয়েটা দেওয়া হবে সেন্ট পল চার্চে। জেসুটদের দ্বারা নির্মিত ওই চার্চ আরও অনেক ভালো। সেন্ট লুই গির্জার কারুকার্য আরও অনেক ভালো। সেখানে তোমরা যাবে বিয়ে হবার পর। হে তরুণী, এখন বিবাহিত হয়ে সুখী ও সন্তানবতী হও। নারীদের এটাই ধর্ম, আচ্ছা মেরিয়াস, তোমার একজন ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিল না?

    মেরিয়াস বলল, হ্যাঁ ছিল। তার নাম কুরফেরাক।

    সে এখন কোথায়?

    সে মারা গেছে।

    মঁসিয়ে গিলেনৰ্মাদ এতক্ষণে কসেত্তেকে বসতে বললেন। এতক্ষণ সে দাঁড়িয়ে ছিল। তার পর আবার বলতে লাগলেন, কসেত্তে এত সুন্দরী যে তাকে একাধারে তরুণী ও সম্ভ্রান্ত মহিলা বলে মনে হচ্ছে। যাই হোক, এবার কাজের কথায় আসা যাক। আমার বিষয়সম্পত্তি যা কিছু আছে তার আয়-উপস্বত্ব সব বার্ষিক বৃত্তি হিসেবে ধার্য করা আছে। আমার মৃত্যুর পর কী করবে তোমরা?

    এমন সময় মঁসিয়ে ফশেলেভেন্তের কণ্ঠস্বর শোনা গেল। সে বলল, ম্যাদময়জেল ইউফ্রেসি ফশেলেভেন্তের ছয় লক্ষ ট্র্য আছে।

    জাঁ ভলজাঁ এতক্ষণ চুপ করে সব কথা শুনে যাচ্ছিল আর প্রেমিকদের কথা ভাবছিল তন্ময় হয়ে।

    মঁসিয়ে গিলেনৰ্মাদ বললেন, ম্যাদময়জেল ইউফ্রেসি কে?

    কসেত্তে বলল, আমি মঁসিয়ে।

    মঁসিয়ে গিলেনৰ্মাদ আশ্চর্য হয়ে বললেন, ছয় লক্ষ ফ্রাঁ!

    ভলজাঁ বলল, ছয় লক্ষ থেকে কিছু কম।

    এই বলে সে তার বগল থেকে কাগজে মোড়া প্যাকেটটা বার করে ম্যাদময়জেল গিলেনৰ্মাদের কাছে জমা দিয়ে সেটা গুনতে বলল। সেই প্যাকেটটা ব্যাংকনোটে ভর্তি ছিল। এক হাজার ফ্রা’র নোটই বেশি, কিছু একশো ফ্র’র নোটও ছিল।

    মঁসিয়ে গিলেনৰ্মাদ তাঁর মেয়েকে লক্ষ্য করে বলতে লাগলেন, তা হলে তো সব ব্যাপার চুকেই গেল। পাজি বদমাশ মেরিয়াস তার স্বপ্নের পুরীতে এক রাজকন্যাকে পেয়ে গেছে। একটা যুবক ছাত্র সে এমন একটি মেয়েকে পেয়ে গেল যার আছে ছয় লক্ষ ফ্রাঁ।

    ম্যাদময়জেল গিলেনৰ্মাদ বলল, পাঁচ লক্ষ চুরাশি হাজার মানেই ছয় লক্ষ।

    এই সব টাকার হিসাবের দিকে মন না দিয়ে মেরিয়াস ও কসেত্তে অপলক চোখে তাকিয়ে রইল পরস্পরের দিকে।

    .

    ৫.

    পাঠকদের হয়তো মনে আছে শ্যাম্প ম্যাথিউকে নিয়ে যে ঘটনা ঘটে যায় তার পর ধরা পড়ার ভয়ে ভলজাঁ লাফায়েত্তে ব্যাংক থেকে তার ছয় লক্ষ তিরিশ হাজার ফ্রাঁ তুলে সেই সব ব্যাংকনোটগুলো মঁতফারমেল বনের মাঝে এক জায়গায় পুঁতে রেখে আসে। তার পর যখন যেখানেই থাকত সে দরকারমতো টাকা সেখান থেকে নিয়ে আসত। তার থেকে এতদিন খরচ চালাবার পর সে মাত্র পাঁচশো ফ্রাঁ তার কাছে রেখে বাকি টাকা সে কসেক্তের যৌতুকস্বরূপ মেরিয়াসের মাতামহের হাতে তুলে দিল।

    এদিকে বিয়ের প্রস্তুতি চলতে থাকে। তখন ডিসেম্বর মাস চলছিল। ডাক্তারের সঙ্গে আলোচনা করায় ডাক্তার পরামর্শ দেয় ফেব্রুয়ারি মাসে বিয়েটা হোক।

    বিয়ের ব্যাপারটা ঠিক হয়ে যাওয়ায় প্রেমিকরা সুখে দিন কাটাতে লাগল সমস্ত দুশ্চিন্তা হতে মুক্ত হয়ে। মঁসিয়ে গিলেনৰ্মাদেরও সুখের পরিমাণ কম ছিল না। তিনি প্রায়ই ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধরে কসেত্তে’র কথা ভাবতেন।

    তিনি একদিন বললেন, আমি এমন সুন্দরী, শান্ত ও আনন্দদায়িনী মেয়ে জীবনে কখনও দেখিনি। বৎস মেরিয়াস, তুমি একজন ব্যারন এবং ধনী। ওকালতি করে বৃথা সময় নষ্ট কর না।

    মেরিয়াস একদিন কসেত্তেকে বলল, দাদুর কথা সব বুঝতে পারছ?

    কসেত্তে বলল, না। আমি শুধু অনুভব করছি ঈশ্বরের সদয় দৃষ্টি আমাদের ওপর আছে।

    এদিকে জাঁ ভলজাঁ নিজে একদিন মেয়র থাকায় কসেত্তে’র সামাজিক মর্যাদা ও জন্মপরিচয় সম্বন্ধে সব ব্যবস্থা করে ফেলল। সে দেখাল দুই ফশেলেভেন্ত ভ্রাতা পেতিত পিকপাসের কনভেন্টে একসময় মালীর কাজ করত। কসেত্তে হচ্ছে তার বড় ভাই-এর মেয়ে এবং বড় ভাই মারা যাওয়ার পর কসেত্তে’র অভিভাবক হয়ে ওঠে সে। কসেত্তের নাম ইউফ্রেসি ফশেলেভেন্ত। এই মর্মে সে কাগজপত্রও সব ঠিক করে ফেলল। কনভেন্টের কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে সাক্ষী আছে।

    যৌতুকের সব টাকা এক ট্রাস্টির মাধ্যমে কসেত্তে’র নামে রাখা হল। তার বিয়ে হয়ে যাওয়ার পর সে টাকা সে পাবে। উত্তরাধিকারসূত্রে সে মোট পায় পাঁচ লক্ষ চুরানব্বই হাজার ফ্রাঁ, তার থেকে দশ হাজার ফ্রাঁ তার শিক্ষাবাবদ খরচ হয়।

    কসেত্তে যদিও বুঝল, যে ফশেলেভেন্তকে সে এতদিন তার বাবা বলে জেনে এসেছে সে তার পিতা নয়, পিতৃব্য, তথাপি সে তাকে বাবা বলেই ডেকে যেতে লাগল। যদিও তার অতীতজীবন ও জন্মবৃত্তান্ত নিয়ে এক রহস্য তাকে তখনও ঘিরে ছিল তথাপি সে রহস্য নিয়ে আর সে মাথা ঘামাল না, কারণ সে তার মেরিয়াসকে পেয়ে গেছে।

    মঁসিয়ে গিলেনৰ্মাদকে তার ভালোই লাগে। তিনি নিত্যনতুন ভালো ভালো পোশাক উপহার দেন।

    মঁসিয়ে গিলেনৰ্মাদের বাড়িতে তখন রোজ উৎসবের হাওয়া বইছিল। তিনি আসন্ন বিয়ে উপলক্ষে উৎসব আর জাঁকজমকের কথা বলতেন বারবার, আর সেই সব কথা ভাবতেন।

    তিনি একদিন মেরিয়াসকে বললেন, ভালোবাসা ব্যাপারটা খুবই ভালো। কিন্তু তার সঙ্গে আরও কিছু চাই। প্রেমের সুখের সঙ্গে চাই ঐশ্বর্য আর প্রাচুর্য। এ ব্যাপারে কিছু অমিতব্যয়িতা, কিছু আতিশয্য থাকবেই। কিন্তু উনিশ শতকের লোক উৎসব বা আনন্দ করতে জানে না। তারা জানে না ঐশ্বর্য ও প্রাচুর্যহীন প্রেমের আনন্দ বা সুখ হচ্ছে মাখনহীন রুটির মতো। তা কোনও রকমে গলাধঃকরণ হয়, কিন্তু তা তৃপ্তির সঙ্গে খাওয়া হয় না, তা দিয়ে ভোজসভার অনুষ্ঠান হয় না। উৎসবের মধ্যে কিছু ঐশ্বর্য ও প্রাচুর্যের প্রকাশ থাকবে। থাকবে আতিশয্য। কিন্তু আজকের লোকেরা সে আতিশয্যকে বুর্জোয়া ভাবধারা বলে তাকে এড়িয়ে চলে, কারণ তারা বেশি মিতব্যয়ী সাজতে চায়। কিন্তু তারা জানে না হেলেনের রূপসৌন্দর্যের সঙ্গে তার পোশাকের জাঁকজমক না থাকলে ট্রয়যুদ্ধ হত না। আজ হোমার বেঁচে থাকলে কসেত্তেকে নিয়ে তিনি ইলিয়াড মহাকাব্য লিখতেন এবং সে মহাকাব্যে আমি হতাম বৃদ্ধ বিজ্ঞ নেস্টার। আজ জাতির জীবন থেকে জাকজমক চলে গেছে। বিপ্লবের পর থেকে আজকের লোকেরা পাতলুন পরে। তারা মনে করে তাদের ভালো দেখায়, কিন্তু তাতে তাদের খারাপই দেখায়। তাদের নাচগানের মধ্যে কোনও অনাবিল আনন্দ নেই! নাচগানের মধ্যেও তারা নীতিশিক্ষা চায় কোনও না কোনও। চার্চে বিয়ের প্রথাগত অনুষ্ঠান গুরুগম্ভীর হোক, তাতে ক্ষতি নেই। কিন্তু সেই অনুষ্ঠানের পর উৎসব হবে জাঁকজমকপূর্ণ। কোনও কার্পণ্য সেখানে চলবে না। উৎসবের দিন গাছে গাছে বেহালা বাজবে, আকাশ থাকবে রুপালি আর নীল, পরীর মতো নগ্ন মেয়েরা নাচবে।

    ম্যাদময়জেল গিলেনৰ্মাদ তার স্বভাবসুলভ ঔদাসীন্যের সঙ্গে এই সব কিছু প্রত্যক্ষ করে যেত। বিপ্লব এবং ব্যারিকেডের যুদ্ধে যোগদান, মৃতের মতো মেরিয়াসের বাড়িতে ফিরে আসা, তার প্রেম, তার বিয়ের ব্যাপার এবং যৌতুকস্বরূপ ধনসম্পদ লাভ–এই সব ঘটনা অভিভূত করে তোলে তাকে। ফলে সে নিজেকে আরও গুটিয়ে নিয়ে আরও বেশি করে ঈশ্বরচিন্তা আর উপাসনার মধ্যে ডুবে যায়। সে বেশি করে মালা জপ করতে থাকে।

    মেয়ের এই ক্রমবর্ধমান ঔদাসীন্য দেখে মঁসিয়ে গিলেনৰ্মাদ একদিন বললেন, সর্দি হলে মানুষ যেমন কোনও গন্ধ অনুভব করতে পারে না, তোমারও তাই অবস্থা হয়েছে।

    টাকার ব্যাপারে ম্যাদময়জেল গিলেনৰ্মাদের একটা দায়িত্ব ছিল। তার বাবার বেশি টাকা নেই। কিন্তু তার মায়ের দিক থেকে উত্তরাধিকারসূত্রে সে ধনী। মেরিয়াস যদি বিনা যৌতুকে এক গরিব ঘরে মেয়েকে বিয়ে করত তা হলে তাদের ভবিষ্যতের কথা ভাবতে হত। কিন্তু মেরিয়াস এ বিয়েতে অনেক টাকা পাওয়ায় সে ভাবনা আর ভাবতে হবে না তাকে। সে টাকায় তাদের জীবন ভালোভাবেই কেটে যাবে।

    ঠিক হল, বিয়ের পর মেরিয়াস কসেত্তেকে নিয়ে তার মাতামহের বাড়িতেই থাকবে। মঁসিয়ে গিলেনৰ্মাদ বললেন, তাঁর শোবার ঘর হবে মেরিয়াসদের শোবার ঘর। আর তার লাইব্রেরি হবে ওকালতির অফিসঘর। চঁসিয়ে গিলেনৰ্মাদ বললেন, তাঁর শোবার ঘরে নবদম্পতিরা শুলে তিনি নবযৌবন লাভ করতেন তাদের মতো। তার ঘরে তাদের মধুচিন্দ্রমা হবে, এটা কত বড় সুখের কথা তার পক্ষে।

    কসেত্তে রোজ মঁসিয়ে ফশেলেভেন্তকে সঙ্গে করে মঁসিয়ে গিলেনৰ্মাদের বাড়িতে আসত। ম্যাদময়জেল গিলেনৰ্মাদ একদিন বলল, মেয়ে পুরুষের কাছে রোজ আসবে এটা দেখতে খারাপ লাগে। কিন্তু মেরিয়াসের পক্ষে এখন বেশি চলাফেরা করা উচিত নয়, তার জন্য কসেত্তেকে আসতে হত। তাছাড়া মঁসিয়ে গিলেনৰ্মাদ কসেত্তে’র উপস্থিতি এবং সাহচর্য পছন্দ করতেন এবং তাদের রোজ তাঁর বাড়িতে আসার জন্য পীড়াপীড়ি করতেন বলে না এসে পারত না তারা।

    যেন এক গোপন চুক্তি অনুসারে মেরিয়াস আর মঁসিয়ে ফশেলেভেন্ত কেউ কারও সঙ্গে কোনও কথা বলত না। মাঝে মাঝে মেরিয়াস রাজনীতি নিয়ে দু-একটা কথা বলত। দেখত তাঁর সঙ্গে মঁসিয়ে ফশেলেভেন্তের মতের মিল হচ্ছে এবং সে অল্প দু-চার কথায় উত্তর দিচ্ছে। একদিন মেরিয়াস বলল, রাষ্ট্রের সকলের জন্য অবাধ শিক্ষার ব্যবস্থা করা দরকার। ফশেলেভেন্ত একথা মেনে নিল। মেরিয়াস দেখল ফশেলেভেন্তের ভালো ভাষাজ্ঞান ও চিন্তাশক্তি আছে এবং সে ভালো কথা বলতে বা আলোচনা করতে পারে।

    কিন্তু এই লোককেই সে সেদিন ব্যারিকেডে দেখেছিল কি না, তা ঠিকমতো স্মরণ করতে পারে না মেরিয়াস। মঁসিয়ে ফশেলেভেন্ত তার কাছে আসার সঙ্গে সঙ্গে তাকে কেন্দ্র করে ব্যারিকেডে সেদিনকার সেই যুদ্ধের কথা মনে পড়ে। মঁসিয়ে মেবুফ, এপোনিনে ও গাভ্রোশের মৃত্যুর কথা একে একে মনে পড়ে তার। কিন্তু সে গুলির আঘাতে অচৈতন্য হয়ে পড়ার পর থেকে আর কোনও কথা মনে নেই তার। কিছু জানতেও পারেনি। এঁজোলরাস, কুরফেরাক, কমবেফারে, জাঁ প্রুভেয়ার প্রভৃতি তার বন্ধুরা কি সব মারা গেছে? যদি তারা বেঁচে থাকে তা হলে আজ তারা কোথায় গেল? আজ সে ধনী, তার আর আগেকার সেই দুরবস্থা নেই। সে তার বহু আকাঙ্ক্ষিত প্রেমিকার সঙ্গে পরিণীত হতে চলেছে। তবু তার বন্ধুদের কথা ভেবে দুঃখ হয়। আজ তার পাশে কসেত্তে না থাকলে, কসেক্তের প্রেমচেতনা তাকে আচ্ছন্ন করে না থাকলে সে দুঃখ ভুলতে পারত না সে কিছুতেই।

    তার বিছানায় কসেত্তের পাশে যখন বসে থাকে ফশেলেভেন্ত, মেরিয়াস তখন তার পানে বরাবর তাকিয়েও বুঝতে পারত না, এই লোক আর সেদিন ব্যারিকেডে দেখা সেই লোক এক কি না। কথাটা একদিন তোলে মেরিয়াস। ফশেলেভেন্তকে জিজ্ঞাসা করে, আচ্ছা শাঁব্রেরি’র সেই ব্যারিকেডের কথাটা মনে আছে আপনার?

    ফশেলেভেন্ত আশ্চর্য হয়ে প্রশ্ন করল, কোন শাঁব্রেরি? আমি তো তার কিছুই জানি না।

    এরপর চুপ করে গেল মেরিয়াস। বুঝল, সেই মানুষ আর এই মানুষ এক নয়, দু জনের মধ্যে এক বিরাট পার্থক্য আছে। সে মানুষটি দেখতে অনেকটা এর মতো হলেও দু জনে এক নয়।

    .

    ৬.

    প্রেমাবেগে মত্ত হয়ে থাকলেও কয়েকটা চিন্তার পীড়ন থেকে মনটাকে মুক্ত করতে পারল না মেরিয়াস। মনে মনে সংকল্প করে বসল সে, বিয়ের আগে দুটি লোককে কৃতজ্ঞতাবোধ ও মানবতার খাতিরে খুঁজে বার করতেই হবে। তাদের একজন হল থেনার্দিয়ের, যে তার বাবা ব্যারন পঁতমার্সিকে বাঁচিয়েছিল। তার প্রতি সে তার যথাকর্তব্য পালন করতে পারেনি। আর একজন হল যে তাকে ব্যারিকেডের যুদ্ধক্ষেত্র থেকে অচৈতন্য অবস্থায় এ বাড়িতে উদ্ধার করে নিয়ে এসেছে। তার প্রতিও তার একটা কর্তব্য আছে। তার প্রাণরক্ষার জন্য তাকে কৃতজ্ঞতা জানাতেও পারেনি সে। এই দুটি কর্তব্য পালন না করে নতুন জীবনে প্রবেশ করলে সে জীবনে বিপর্যয় নেমে আসতে পারে।

    থেনার্দিয়ের একটা আস্ত শয়তান, একটা পাকা দুবৃত্ত–এ কথা সত্যি হলেও সে যে তার বাবাকে ওয়াটারলুর যুদ্ধক্ষেত্র থেকে উদ্ধার করে এবং তার প্রাণ বাঁচায় এ বিষয়ে তার কোনও সন্দেহ নেই। সে তাই লোক পাঠিয়ে তার খোঁজ নেবার অনেক চেষ্টা করল। কিন্তু কেউ থেনার্দিয়েরের বর্তমান ঠিকানা সংগ্রহ করতে পারল না। শুধু জানা গেল থেনার্দিয়ের জেল থেকে পালিয়ে এসেছে। তার স্ত্রী জেলের মধ্যেই মারা গেছে। তার বড় মেয়ে এপোনিনে মারা গেছে, তার বড় ছেলে গাভ্রাশে মারা গেছে। আজেলমা তার বাবার কাছে আছে। তার বাকি দুটি ছেলে নিরুদ্দেশ! কোথায় তারা আছে, তা কেউ জানে না।

    থেনার্দিয়েরের স্ত্রী মারা গেছে, বুলাত্রিউল ছাড়া পেয়েছে, ক্লাকেসাস, কুঁজ প্রভৃতি দুবৃত্তেরা জেল থেকে পালিয়ে যাওয়ায় গর্বোর মামলাটা খারিজ করে দেওয়া হয়। এছাড়া থেনার্দিয়ের সম্বন্ধে আর কিছু জানা যায়নি।

    আর যে লোকটি মেরিয়াসকে ব্যারিকেড থেকে বাড়িতে দিয়ে যায় তার সম্বন্ধেও খোঁজ নিয়ে বিশেষ কিছু জানতে পারেনি মেরিয়াস। যে ঘোড়ার গাড়িটি তাকে এখানে নিয়ে আসে তার খোঁজ পেয়েছিল অনেক চেষ্টার পর। কিন্তু চালক বলে, সেদিন সে একজন পুলিশ অফিসারের আদেশে অনেকক্ষণ ধরে সেন নদীর ধারে অপেক্ষা করেছিল। সন্ধ্যার দিকে শহরের বড় ঢাকা নর্দমাটা যেখানে নদীর কাছে এসে শেষ হয়েছে, সেই গেটের মুখে একজন লোক সহসা মৃতবৎ একটি আহত লোককে তুলে নিয়ে আসে। পুলিশ অফিসার তাকে দেখে গ্রেফতার করে এবং আমার গাড়িতে করে আহত লোকটিকে এই বাড়িতে দিয়ে যায়। তার পর আমাকে র‍্যু হোমি অঞ্চলে যেতে বলে। আমি তখন র‍্যু দে আর্কিডের গলির মুখে গাড়ি থামাই এবং তারা দু জন গলিপথে ঢুকে সেই পথ দিয়ে চলে যায়। এরপর আর আমি কিছু জানি না।

    মেরিয়াস ভাবতে লাগল, কোনও পুলিশ নিশ্চয় তাকে ব্যারিকেড থেকে নদীর ধারে তুলে আনেনি। কোনও একজন লোক নিশ্চয় তাকে বয়ে এনেছে এবং সে নিশ্চয় ঢাকা নর্দমার ভেতর দিয়ে তাকে বয়ে আনে। এটা তার আত্মত্যাগের আশ্চর্য দৃষ্টান্ত। আজ সে তার সেই উদ্ধারকর্তা ও পরিত্রাতাকে খুঁজে বার করতে চায়, অথচ কোনও খোঁজ পাচ্ছে না। গাড়ির চালক বলে, পুলিশ তাকে সেদিন গ্রেপ্তার করে। সেই সূত্র ধরে স্থানীয় থানায় গিয়ে সে খোঁজ নেয়। কিন্তু পুলিশ বলে সেদিন কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। হলে তার রেকর্ড থাকত। পুলিশ বলল, গাড়িচালক কথা বানিয়ে বলেছে।

    ক্রমে রহস্যটা ঘোরালো হয়ে উঠল মেরিয়াসের মনে। তার উদ্ধারকর্তা সেই লোকটিকে হয়তো বিপ্লবী হিসেবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, কিন্তু সে গেল কোথায়? তাকে যে গ্রেপ্তার করেছিল সেই পুলিশই-বা গেল কোথায়? তবে কি গ্রেপ্তার এড়াবার জন্য আসামি পুলিশকে ঘুষ দিয়ে বশীভূত করে পালিয়ে গেছে? কিন্তু মেরিয়াসের সঙ্গে দেখা করবে না কেন, যাকে বাঁচাবার জন্য এত বিপদের ঝুঁকি নিয়ে এ কাজ করেছে সে বেঁচে রইল কি না, তার খবর নিল না কেন? বাস্ক আর নিকোলেত্তে এ সব কিছুই দেখেনি। একমাত্র বাড়ির দারোয়ান বাতি হাতে মেরিয়াসের উদ্ধারকর্তা সেই লোকটিকে দেখেছিল। কিন্তু তার মুখ তখন এমন কাদা ও রক্তমাখা ছিল যে তাকে দেখলে এখন হয়তো চিনতেই পারবে না।

    একদিন সন্ধেয় মেরিয়াস সেত্তে আর ভলজাঁ’র সামনে তার উদ্ধারকর্তা সম্বন্ধে এই রহস্যের কথাটা তোলে। কিন্তু ভলজাঁ’র ঔদাসীন্য দেখে মেরিয়াস রেগে গেল। রাগতভাবে সে বলতে লাগল, জানেন মঁসিয়ে, সে কী করেছে আমার জন্য? স্বর্গ থেকে সে যেন দেবদূতের মতো এসে পড়ে। সে তার নিজের জীবন বিপন্ন করে আমায় যুদ্ধের জায়গা থেকে তুলে নিয়ে ঢাকা নর্দমার মধ্যে ঢুকে মাটির তলায় সুড়ঙ্গপথ দিয়ে আড়াই মাইল পথ কাদা-জলের মধ্যে হেঁটে আমাকে বাইরে আনে। বাইরে আসার পরেই সে গ্রেপ্তার হয়। এত কিছু করেছিল সে শুধু একজন মুমূর্ষ লোককে বাঁচাবার জন্য। কোনও পুরস্কার সে পায়নি, বা চায়নি। আজ আমি যদি তাকে খুঁজে পাই তা হলে তার জন্য আমি আমার জীবন পর্যন্ত দিতে পারি। হায়, কসেত্তে’র ওই টাকা যদি আমার হত।

    ভলজাঁ বাধা দিয়ে বলল, ওটা তোমারই টাকা।

    মেরিয়াস বলল, আমি তাকে খুঁজে বার করার জন্য ওই সব টাকা খরচ করব।

    জাঁ ভলজাঁ চুপ করে রইল। কোনও কথাই বলল না।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleটয়লার্স অভ দ্য সী – ভিক্টর হুগো
    Next Article কেন আমি নাস্তিক – ভগৎ সিং

    Related Articles

    ভিক্টর হুগো

    টয়লার্স অভ দ্য সী – ভিক্টর হুগো

    November 6, 2025
    ভিক্টর হুগো

    দ্য ম্যান হু লাফস – ভিক্টর হুগো

    November 6, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }