Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    লে মিজারেবল – ভিক্টর হুগো

    ভিক্টর হুগো এক পাতা গল্প1486 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৫.৬ বিয়ের পরদিন সকালে

    ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ

    ১.

    বিয়ের পরদিন সকালে সব বাড়িই কেমন যেন ফাঁকা ফাঁকা লাগে। নবদম্পতি দেরি করে ওঠে। বাড়িতে লোকজন দেরি করে আসে। বেলা বারোটার পর বাস্ক যখন ঘরের ভেতর কাজ করছিল হঠাৎ সে দরজায় মৃদু করাঘাত শুনতে পেল। দরজা খুলে দেখল, মঁসিয়ে ফশেলেভেস্ত দাঁড়িয়ে আছে বাইরে।

    বাস্ক ব্যস্ত হয়ে বলল, আজ আমাদের উঠতে দেরি হয়ে গেছে মঁসিয়ে।

    তোমাদের মালিক উঠেছেন?

    কোন মালিক–পুরনো না নতুন?

    মঁসিয়ে পঁতমার্সি।

    আপনার হাতটা কেমন আছে?

    ভালো।

    আপনি বসুন, আমি মঁসিয়ে লে ব্যারন পঁতমার্সিকে ডেকে দিচ্ছি।

    সেকালের গৃহভৃত্যরা তাদের মালিকদের উপাধি ও সামাজিক মর্যাদা সম্বন্ধে খুব সচেতন ছিল। কারণ ওই উপাধিতে তারাও গৌরবান্বিত বোধ করত নিজেদের। একদিন এই উপাধির জন্য মঁসিয়ে গিলেনৰ্মাদ কত ঝগড়া করেন মেরিয়াসের সঙ্গে। অথচ মেরিয়াস যখন উপাধি সম্বন্ধে উদাসীন একেবারে, তখন মঁসিয়ে গিলেনৰ্মাদই মেরিয়াসের এই উপাধির ব্যাপারে বেশি আগ্রহান্বিত।

    বাস্ক ঘর থেকে যখন বেরিয়ে যাচ্ছিল মেরিয়াসকে ডাকার জন্য, জাঁ ভলজাঁ তখন তাকে। সাবধান করে দিল, আমার কথা বলবে না। বলবে কে একজন গোপনে দেখা করতে চায়।

    বাস্ক চলে গেলে ভলজাঁ একা বসে রইল স্তব্ধ হয়ে। গতরাতে একেবারে ঘুম না হওয়ায় তার মুখ-চোখ ম্লান আর রোগা রোগা দেখাচ্ছিল। তার কালো কোটটাকেও পাটভাঙা আর ময়লা দেখাচ্ছিল। মেঝের উপর কাঁপতে থাকা একফালি সূর্যরশ্মির দিকে মাথা নিচু করে তাকিয়ে ছিল ভলজাঁ।

    আরও দেখুন
    পিডিএফ
    বাংলা কবিতা
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    বাংলা গল্প
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা সাহিত্য কোর্স

    এমন সময় দরজা ঠেলে ঘরে ঢুকল মেরিয়াস। গতরাতে তারও ঘুম হয়নি। ভলকে দেখেই সে আশ্চর্য হয়ে বলে উঠল, বাবা আপনি! বাস্ক তো বলেনি। তবে আপনি হয়তো একটু আগে এসে পড়েছেন, এখন মাত্র সাড়ে বারোটা, কসেত্তে এখনও ওঠেনি।

    বিয়ের আগে ভলজাঁ সম্বন্ধে একটা রহস্য বরাবর দানা বেঁধে ছিল মেরিয়াসের মনে। তাই সে প্রাণ খুলে কথা বলতে পারত না তার সঙ্গে। কিন্তু এখন প্রেমের আবেগে আগেকার সেই ভাবটা দূর হয়ে যায়। মঁসিয়ে ফশেলেভেন্ত যখন কসেত্তে’র বাবা তখন। বিয়ের পর থেকে সে তারও বাবা। তাই ভলজাঁকে বাবা বলেই ডাকল সে।

    মেরিয়াস আবেগের সঙ্গে বলতে লাগল, আপনাকে দেখে খুব খুশি হয়েছি। কাল হঠাৎ আপনি চলে যাওয়ায় আমরা সকলেই আপনার কথা বলাবলি করছিলাম। আপনার হাতটা ভালো আছে তো? কসেত্তে আপনার কথা বলছিল। সে আপনাকে খুব ভালোবাসে। আপনার হয়তো মনে আছে এ বাড়িতে আপনার জন্য একটা ঘরের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ঘরটা আমাদের ঘরের পাশে এবং তার পাশেই বাগান। বসন্তকালের রাত্রিতে আপনি নাইটিঙ্গেল পাখির গান শুনতে পাবেন। দিনের বেলায় কসেত্তে কত কথা বলবে। সে আপনার বই ও জিনিসপত্র গুছিয়ে রাখবে। র‍্যু হোমির বাড়িতে একা একা থাকার কোনও দরকার নেই। আপনি আজই চলে আসবেন। কসেতে চায়, আপনি এখানেই থাকুন আমাদের কাছে। বিকালে আপনি যেমন লুক্সেমবুর্গ বাগানে কসেত্তেকে নিয়ে বেড়াতে যেতেন তেমনি এখানেও তাকে নিয়ে বেড়াতে যাবেন। আমাদের সুখে আপনিও অংশগ্রহণ করবেন বাবা। হ্যাঁ, আর আপনি আমাদের সঙ্গে লাঞ্চ খেয়ে যাবেন।

    আরও দেখুন
    বাংলা বই
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    বিনামূল্যে বই
    বাংলা ইসলামিক বই
    নতুন উপন্যাস
    Books
    বাংলা উপন্যাস
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বুক শেল্ফ
    বই পড়ুন

    সব কিছু চুপ করে শুনে এতক্ষণে কথা বলল ভলজাঁ। সে বলল, আমার একটা কথা বলার আছে মঁসিয়ে। আমি একজন পলাতক কয়েদি।

    কথাটা মেরিয়াসের কানে গেলেও সে তার মানে বুঝতে পারেনি। সে বিহ্বল হয়ে হাঁ করে তাকিয়ে দাঁড়িয়ে রইল। ভলজাঁ’র পানে তাকিয়ে দেখল, তার মুখখানা খুবই বিব্রত এবং ম্লান।

    ভলজাঁ সহসা তার হাতের বাঁধনটা সরিয়ে হাতটা মেরিয়াসের দিকে বাড়িয়ে দেখিয়ে বলল, আমার হাতে কিছুই হয়নি। আমি তোমাদের বিয়ের ভোজসভা থেকে দূরে থাকার জন্যই হাতভাঙার কথা বলেছিলাম। তাছাড়া পরে যদি কোনও বিপত্তি দেখা দেয় এই ভয়ে আমি তোমাদের বিয়ের কাগজপত্রে সই করিনি।

    মেরিয়াস বলল, কিন্তু এ সবের অর্থ কী?

    ভলজাঁ বলল, অর্থ এই যে আমি সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত ছিলাম। আমার উনিশ বছরের কারাদণ্ড হয়। প্রথমে চৌর্যবৃত্তির অপরাধে, পরে জেল থেকে পালানোর জন্য। বর্তমানে আমি পলাতক কয়েদি।

    আরও দেখুন
    বিনামূল্যে বই
    Books
    বাংলা সাহিত্য
    বাংলা কমিকস
    বইয়ের
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    বইয়ের
    বাংলা অডিওবুক
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা লাইব্রেরী

    মেরিয়াস ভয়ে সঙ্কুচিত হয়ে একথা অবিশ্বাস করতে পারল না। কিন্তু সে একথা মেনে নিয়ে বলল, ঠিক আছে, আপনি সব কথা বলুন। আচ্ছা, আপনি কি সত্যিই কসেত্তে’র পিতা?

    ভলজাঁ খাড়া হয়ে বসে যথেষ্ট আত্মমর্যাদাসূচক গাম্ভীর্যের সঙ্গে বলল, আমার কোনও কথা আইন-আদালতে গ্রাহ্য না হলেও এ বিষয়ে আমার কথা বিশ্বাস করতে পার তুমি। আমি কসেত্তে’র পিতা নই এবং তার সঙ্গে আমার কোনও আত্মীয়তা নেই। আমার নাম ফশেলেভেন্ত নয়। আমার নাম জাঁ ভলজাঁ। আমি ফেবারোল গাঁয়ের এক চাষি পরিবারের। ছেলে। সেখানে আমি প্রথমজীবনে গাছকাটার কাজ করতাম।

    মেরিয়াস বলল, এ কথার প্রমাণ?

    আমার কথাই আমার প্রমাণ।

    মেরিয়াস ভলজাঁ’র পানে তাকিয়ে দেখল তার চোখেমুখে হিমশীতল এক বিষাদঘন প্রশান্তি বিরাজ করছিল তার মাঝে এক প্রস্তরকঠিন নিষ্ঠা আর সততা স্পষ্ট ফুটে উঠেছিল। তার সে মুখ থেকে কোনও মিথ্যা বেরিয়ে আসতে পারে না।

    আরও দেখুন
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    বাংলা কমিকস
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    ই-বুক রিডার
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বইয়ের
    সেবা প্রকাশনীর বই
    সাহিত্য পত্রিকা
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ

    ভলজাঁ বলল, যদি বল কসেত্তে’র সঙ্গে আমার তা হলে সম্পর্ক কী, তা হলে বলব, দশ বছর আগেও আমি তার অস্তিত্বের কথা জানতাম না। আজ থেকে নয় বছর আগে তার সঙ্গে আমার দেখা হয়। সে তখন খুবই ছোট। পিতৃমাতৃহীন অনাথ শিশুর প্রতি কোনও বয়স্ক লোকের পিতৃসুলভ স্নেহমমতা জাগা স্বাভাবিক। আমারও তাই হয়েছিল। আমার অন্তঃকরণ বলে একটা জিনিস ছিল এবং আমি আমার সেই অন্তরের সব স্নেহমমতা উজাড় করে ঢেলে দিয়েছিলাম তাকে। তখন তার সে স্নেহমমতার দরকার ছিল। আমার এ কাজ ভালো বা তুচ্ছ যা-ই বল আমি তখন তা করেছিলাম। তাকে সব দিক দিয়ে রক্ষা করেছিলাম আমি। এখন সে বিবাহিত, এখন তার প্রতি আমার আর কোনও দায়দায়িত্ব নেই। এখন তার ও আমার পথ সম্পূর্ণ পৃথক। যে টাকা আমি তোমাদের দিয়েছি ওটা এক ট্রাস্টের সম্পত্তি ছিল তার নামে। কী করে সেটা আমার হাতে এল সেকথা এখন নিষ্প্রয়োজন। আমি তা এতদিন সযত্নে রক্ষা করে এসেছি। আমি আমার নিজের জন্য তোমাকে সব কথা বললাম, আমার আসল নাম বললাম।

    মেরিয়াস তখন একেবারে হতবুদ্ধি হয়ে পড়েছিল। মদের নেশায় যেন মাতাল হয়ে পড়েছিল সে। তার মনে হল ভলজাঁ যেন তাকে এক গুরুতর আঘাত দিয়েছে এইসব অবাঞ্ছিত কথা বলে।

    আরও দেখুন
    বাংলা কুইজ গেম
    বাংলা সাহিত্য
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা কবিতা
    নতুন উপন্যাস
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    বাংলা ইসলামিক বই

    সে বলল, এসব কথা আপনার মনের মধ্যে না রেখে আপনি আমাকে বলতে গেলেন। কেন? কে আপনাকে বাধ্য করেছে এ সব কথা বলতে? আপনাকে কেউ ধরতে আসেনি। আপনার নামে কোনও পরোয়ানা বার হয়নি। অবশ্য আপনার কোনও ব্যক্তিগত কারণ থাকতে পারে একথা বলার। কিন্তু কী সে কারণ? আমার মনে হয় আরও কিছু গোপনীয় কথা আছে। আপনি সে কথা খুলে বলুন।

    ভলজাঁ বলল, তার শুধু একটা কারণ আছে এবং সেই অদ্ভুত কারণ হল আমার সততা। আমি আমার অন্তরের কাছে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ছিলাম এ বিষয়ে। আমি সে প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করতে পারতাম, আমি দূরে চলে যেতে পারতাম কোনও কথা না বলে। কিন্তু আমার অন্তরটা পড়ে থাকত এখানে। তাই যাবার আগে অন্তরটাকেও ছিনিয়ে নিয়ে যেতে চাই। তোমরা হয়তো বলবে আমি কত বোকা! কেন, আমিও তো এখানেই থাকতে পারি। এখানে তোমরা ঘর দিয়েছ থাকতে, এখানে কসেত্তে’র ভালোবাসা আছে। তোমার দাদু আমাকে সাদর অভ্যর্থনা জানিয়েছিলেন। এই সুখী পরিবারের একজন হয়ে আমি সুখে থাকতে পারতাম।

    ভলজাঁ’র মুখের ভাবটা বদলে গেল হঠাৎ। সে তার কণ্ঠটাকে ঝাঁঝালো করে বলতে লাগল, আমার কোনও পরিবার নেই, আমি তোমাদের পরিবারের কেউ নই। আমি মানবসমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন বহিষ্কৃত এক কয়েদিমাত্র। আমার আর কেউ কোথাও নেই, কখনও ছিল না। এক একসময় মনে হয় আমার মা-বাবাও হয়তো ছিল না। আমার শুধু জীবনে একজনই ছিল, সে এখন পর হয়ে গেছে, সে এখন বিবাহিত। আমি তার জন্যই। এতদিন আমার আসল নাম গোপন করে তোমাদের ঠকিয়ে এসেছি। এখন সে কাজ আমার হয়ে গেছে। তাই সারারাত আমি নিজের মনের সঙ্গে যুদ্ধ করে তোমাকে সব কথা খুলে বলতে এসেছি। একথা না বলে আমি হয়তো সুখ পেতাম, কিন্তু মনে শান্তি পেতাম না। সারাজীবন আমাকে তা হলে মিথ্যা আর প্রতারণার সঙ্গে বেঁচে থাকতে হত। আমার খাওয়া, শোয়া, বসা, আমার হাসি, কথাবার্তা–সব কিছুর মধ্যে থাকত মিথ্যা। আর প্রতারণা। তোমাদের মাঝখানে থেকে তোমাদের সঙ্গে কথা বলতে বলতে আমার কেবলই মনে হত, আমার আসল পরিচয় জানলে তোমরা আমাকে তাড়িয়ে দিতে। তোমাদের ঝি-চাকরেরা পর্যন্ত সে পরিচয় পেলে ভয়ে শিউরে উঠত। যে জন্ম থেকে সারাজীবন অবহেলিত, অবজ্ঞাত–তার আবার সুখ কিসের?

    আরও দেখুন
    বাংলা বই
    ই-বই ডাউনলোড
    গ্রন্থাগার
    বুক শেল্ফ
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    বাংলা উপন্যাস
    বাংলা লাইব্রেরী
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    ই-বুক রিডার

    ভলকে কোনও বাধা দিল না মেরিয়াস। বাধা দেওয়া বৃথা, কারণ আবেগে পরিপূর্ণ হয়ে উঠেছে তার অন্তর। সে আবার আবেগের সঙ্গে বলতে লাগল, তোমরা হয়তো বলতে পার, এখন আমাকে কেউ ধরেনি বা ধরা পড়ার বিপদও নেই। কিন্তু বাইরের কেউ না ধরলেও আমার বিবেক, আমার কর্তব্যবোধের হাতে আমি ধরা পড়ে গিয়েছি। আমার আত্মাই আমাকে প্রতিনিয়ত অনুসরণ করছে পেছন থেকে। এই কর্তব্যবোধ, এই বিবেক বড় সাংঘাতিক জিনিস, তাদের বিধান অমোঘ নির্মম। তারা মানুষকে শাস্তি দেয়, আবার পুরস্কারও দেয়। তারা যদি আমাকে নরকে নিক্ষেপ করে তা হলে সেখানে গিয়েও আমি ঈশ্বরকে দেখতে পাব, স্বর্গসুখ অনুভব করব। আমার অন্তর ভেঙে গেলেও মনে শান্তি পাব।

    ভলজাঁ’র কণ্ঠটা আবার বদলে গেল। মর্মস্পশী কণ্ঠে সে আবার বলতে লাগল, এ কথা সব বলার পর আজ নিজেকে সম্মানিত মনে হচ্ছে আমার। নিজেকে ছোট না করে অপরের কাছ থেকে শ্রদ্ধা বা সম্মান পেতে পারি না আমি। এক অপরাধী কয়েদির বিবেক এত তীক্ষ্ণ কেন হল–এটাকে অনেকের বৈপরীত্য বলে মনে হতে পারে।

    একটু চুপ থেকে আবার বলতে লাগল ভলজাঁ। বলল, যদি কোনও মানুষের মাথায় এই ধরনের কলঙ্কের কালিমা নেমে আসে তা হলে অপর কারও মাথায় তাকে না জানিয়ে সে কালিমা সঞ্চারিত করে দেবার কোনও অধিকার নেই তার। যেমন প্লেগরোগগ্রস্ত কোনও রোগীর অপরের মধ্যে সে রোগ সংক্রমিত করে দেবার কোনও অধিকার নেই। আমি চাষি ঘরের ছেলে হলেও কিছুটা লেখাপড়া শিখেছি। আমার বিবেক আছে, বুদ্ধি আছে। দেখছ তো, আমি কথাবার্তাও ভালো বলতে পারি। আমি নিজে শত কষ্ট পাব সে ভালো, কিন্তু কোনও সৎ ও ভদ্র মানুষকে ঠকাতে পারব না। কখনই না। একদিন আমি বাঁচার জন্য একটা পাউরুটি চুরি করেছিলাম, কিন্তু আজ আমি বেঁচে থাকার জন্য একজনের নাম চুরি করতে পারি না। যদিও সে নামটা আমি তার একটা উপকার করার জন্য ফশেলেভেন্ত নামে একটা লোকই দিয়েছিল। কিন্তু সে নাম ব্যবহার করার কোনও অধিকার নেই আমার।

    আরও দেখুন
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    সেবা প্রকাশনীর বই
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    অনলাইন বুক
    বাংলা উপন্যাস
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বইয়ের
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    Library

    মেরিয়াস বলল, কিন্তু শুধু বেঁচে থাকার জন্য ও নাম ধার করার কোনও প্রয়োজন নেই আপনার।

    ভলজাঁ বলল, কিন্তু এর মনে কী তা আমি জানি।

    এরপর কিছুক্ষণ দু জনেই চুপচাপ রয়ে গেল। ভলজাঁ ঘরময় পায়চারি করে বেড়াতে লাগল আর মেরিয়াস টেবিলের উপর হাতে মাথা রেখে ভাবতে লাগল। দু জনে মগ্ন হয়ে রইল আপন আপন চিন্তায়।

    পায়চারি করে বেড়াতে বেড়াতে এক সময় দেয়ালে টাঙানো আয়নার উপর নিজের প্রতিফলনটা একবার দেখে বলল, এখন আমি অনেকটা স্বস্তিবোধ করছি।

    এই কথা বলে আবার পায়চারি করতে লাগল ভলজাঁ। সে যখন দেখল মেরিয়াস তারই পানে তাকিয়ে রয়েছে, তখন আবার বলতে লাগল, মনে কর, আমি তোমাদের কিছুই বলিনি, আমি তোমাদের সঙ্গেই এ বাড়িতে একসঙ্গে বাস করেছি, তোমাদেরই একজন হয়ে তোমাদের সুখে সুখী হয়ে মঁসিয়ে ফশেলেভেন্তরূপে সম্মানিত জীবন যাপন করছি। মনে কর তোমাদের সঙ্গে কোথাও বেড়াতে বেরিয়েছি, হাসাহাসি ও গল্প করছি, এমন সময় কেউ আমাকে জাঁ ভলজাঁ নামে ডেকে ফেলল অথবা কোনও পুলিশ এসে আমার কাঁধের উপর হাত রাখল এবং আমাকে ধরে নিয়ে গেল। তখন তুমি কী করবে?

    আরও দেখুন
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    অনলাইন বই
    সেবা প্রকাশনী বই
    ই-বই ডাউনলোড
    PDF
    বাংলা ভাষা
    সেবা প্রকাশনীর বই
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বইয়ের
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই

    মেরিয়াস কিছুই বলতে পারল না। তার কিছুই বলার নেই এ বিষয়ে।

    ভলজাঁ বলল, এবার তা হলে বুঝতে পারছ কেন আমি এসব কথা না বলে থাকতে পারলাম না। কিন্তু কিছু মনে কর না। তোমরা সুখী হও, সুখে থাক। আমার মতো একজন সমাজ-বহির্ভূত লোক কিভাবে তার কর্তব্য পালন করে, তা নিয়ে তোমাদের মাথা ঘামাবার কোনও প্রয়োজন নেই।

    মেরিয়াস এগিয়ে গিয়ে ভলজাঁ’র একটা হাত ধরল। কিন্তু সে হাত মর্মরপ্রস্তরের মতো শক্ত আর হিমশীতল।

    মেরিয়াস বলল, আমার দাদুর অনেক বন্ধুবান্ধব আছে, আমি আপনাকে খালাস করে দেব।

    ভলজাঁ তার হাতটা ছাড়িয়ে বলল, তার আর দরকার হবে না। আমি মরে গিয়েছি বলে সবাই জানে, এটাই যথেষ্ট। আমি আমার কর্তব্য করে যাব। আমার বিবেকই আমায় মুক্তি দিতে পারে।

    এমন সময় ঘরের দরজাটা আধখানা খুলে গেল এবং কসেত্তে তার ভেতর মুখটা বাড়িয়ে দিল। তার সুন্দর চুলগুলো তখন আলুথালু অবস্থায় ছিল এবং তার চোখ দুটো ঘুমে ভারী হয়ে ছিল। পাখি যেমন তার বাসার ভেতর থেকে মুখ বার করে দেখে তেমনি কসেত্তে মুখটা বাড়িয়ে তার স্বামী ও ভলজাঁর দিকে তাকিয়ে হাসতে হাসতে বলল, তোমরা হয়তো রাজনীতি নিয়ে আলোচনা করছ। কী অবান্তর ব্যাপার, তোমরা আমার সঙ্গে কথা বলতে পারতে!

    আরও দেখুন
    বাংলা ভাষা
    বুক শেল্ফ
    সেবা প্রকাশনীর বই
    Library
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    বাংলা কমিকস
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    নতুন উপন্যাস
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য

    ভলজাঁ চমকে উঠল। মেরিয়াস বিব্রত হয়ে আমতা আমতা করে বলল, কসেত্তে–।

    তারা দু জনেই নিজেদের অপরাধী ভাবল।

    কসেত্তে তার উজ্জ্বল চোখ দুটো দিয়ে তখনও তাদের দিকে তাকিয়ে ছিল। সে বলতে লাগল, আমি তোমাদের ধরে ফেলেছি। দরজা খুলেই আমি তোমাদের বিবেক এবং কর্তব্য সম্বন্ধে কিছু কিছু কথা শুনে ফেলেছি। ওসব রাজনীতির কথায় আমার কোনও দরকার নেই। বিয়ের পরদিন কেউ রাজনীতি নিয়ে আলোচনা করে না।

    মেরিয়াস বলল, তুমি ভুল করছ, আমার ব্যবসা সংক্রান্ত কথা বলছিলাম। কিভাবে টাকাটা খাটানো যায় আমরা বলছিলাম তারই কথা।

    কসেত্তে ঘরের ভেতর ঢুকে বলল, এই কথা? আমি তা হলে তো তোমাদের সে কথায় যোগদান করতে পারি।

    কসেত্তে এমন সাদা জমকালো গাউন পরেছিল যাতে তার ঘাড় থেকে পা পর্যন্ত ঢাকা ছিল। সে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজেকে দেখতে দেখতে বলল, আমি তোমাদের পাশে বসছি। খাবার প্রস্তুত হতে এখনও আধঘণ্টা দেরি আছে। তোমরা যা খুশি আলোচনা করতে পার। আমি তোমাদের বাধা দেব না। আমি খুব ভালো মেয়ে।

    আরও দেখুন
    বাংলা গল্প
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা লাইব্রেরী
    সেবা প্রকাশনী বই
    সেবা প্রকাশনীর বই
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    ই-বুক রিডার
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা কবিতা

    মেরিয়াস তাকে হাত দিয়ে জড়িয়ে ধরে বলল, আমরা ব্যবসার ব্যাপারে কথা বলছিলাম। এ সব অঙ্কের ব্যাপার তোমার ভালো লাগবে না।

    কসেত্তে বলল, না, ভালো লাগবে। তোমার নেকটাইটা কত সুন্দর মেরিয়াস! তোমাকে খুব চটপটে দেখাচ্ছে।

    মেরিয়াস বলল, না, তোমার ভালো লাগবে না।

    আমি তা বুঝতে না পারলেও শুনে যাব। তোমাদের দু জনের কাছে আমি থাকতে চাই। তোমাদের কণ্ঠস্বরটাই যথেষ্ট আমার কাছে।

    প্রিয়তমা কসেত্তে, সেটা অসম্ভব।

    অসম্ভব!

    হ্যাঁ।

    আরও দেখুন
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    বই পড়ুন
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    বুক শেল্ফ
    গ্রন্থাগার সেবা
    সেবা প্রকাশনীর বই
    বাংলা কমিকস
    সেবা প্রকাশনী বই
    বাংলা কুইজ গেম
    Library

    কসেত্তে বলল, ঠিক আছে, আমি তোমাদের কতকগুলি মজার খবর দিই। যেমন ধর, দাদু এখনও ঘুমোচ্ছেন, মাসিমা চার্চের প্রার্থনা সভায় গেছেন। নিকোলেত্তে ঝাড়দার ডাকতে গেছে। নিকোলেত্তে তুস’র তোতলামির জন্য তাকে ক্ষেপাচ্ছিল বলে তাদের দু জনের এরই মধ্যে ঝগড়া হয়ে গেছে। এসব কথা তোমরা জানতে না। প্রিয়তম মেরিয়াস, আমাকে এখানে থাকতে দাও।

    প্রিয়তমা কসেত্তে, আমি শপথ করে বলছি, আমাদের দুজনকে এখন নির্জনে থাকতে হবে।

    কিন্তু আমি নিশ্চয় বাইরের লোক নই।

    ভলজাঁ এতক্ষণ কোনও কথা বলেনি। কসেত্তে এবার তার দিকে ঘুরে বলল, বাবা, তুমি আমাকে এসে চুম্বন কর। তুমি কী ধরনের বাবা? দেখছ না, আমার স্বামী আমাকে তাড়িয়ে দিচ্ছে।

    ভলজাঁ তার কাছে যেতেই কসেত্তে তার কপালটা বাড়িয়ে দিল এবং ভলজাঁ তার উপর চুম্বন করল। কসেত্তে বলল, তোমার মুখখানা এমন ম্লান দেখাচ্ছে কেন বাবা? তোমার হাতটায় কি এখনও ব্যথা করছে?

    না।

    তোমার মনে কি কোনও অশান্তি আছে?

    না।

    তা হলে আমার কপালটায় আবার চুম্বন করে হাস।

    ভলজাঁ আবার তার কপালে চুম্বন করে এক ভুতুড়ে হাসি হাসল।

    কসেত্তে বলল, এবার তা হলে তুমি আমার পক্ষ অবলম্বন করে ওকে বক। ওকে বল, আমি এখানে থাকতে পারি। তুমি ভাবছ আমি খুব দুষ্টু। কিন্তু ব্যবসা, টাকা লগ্নি–এসব ব্যাপার এমন কী কঠিন? পুরুষরা সব ব্যাপারকেই ঘোরালো ও জটিল করে তোলে অকারণে। আমি এখানে থাকব। আজ আমাকে খুব সুন্দর দেখাচ্ছে। তাই না মেরিয়াস?

    এই বলে সে মেরিয়াসের পানে মদির দৃষ্টিতে তাকাতে যেন অগ্নিস্ফুলিঙ্গ খেলে গেল তার চোখে। মেরিয়াস উঠে দাঁড়িয়ে তাকে আলিঙ্গন করল। ভলজাঁ’র উপস্থিতির কথা যেন ভুলে গেল।

    কসেত্তে এবার বিজয়িনীর হাসি হেসে বলল, তা হলে আমি থাকছি।

    মেরিয়াস বলল, না প্রিয়তমা। একটা ব্যাপার আজ আমাদের ঠিক করতেই হবে।

    তবু নয়?

    আমি বলছি সেটা অসম্ভব।

    ঠিক আছে, আমি যাই। বাবা, তুমি কিন্তু আমায় সমর্থন করলে না। তোমরা দু জনেই অত্যাচারী, নিষ্ঠুর। আমি দাদুর কাছে গিয়ে অভিযোগ করব। তোমরা যদি ভাব আবার আমি কিছুক্ষণের মধ্যেই ফিরে আসব তা হলে ভুল করবে। আমি আর আসব না তোমাদের কাছে, তোমাদেরই যেতে হবে আমার কাছে। আমি যাচ্ছি।

    যেতে যেতে দরজাটা বন্ধ করার সময় উঁকি মেরে বলল, আমি কিন্তু তোমাদের দু জনের ওপরেই খুব রেগে গিয়েছি।

    দরজাটা বন্ধ হয়ে গেলে ঘরখানা আবার অন্ধকার হয়ে উঠল। মেরিয়াস হতাশ হয়ে বলল, হায়, বেচারা কসেত্তে! সে যখন শুনবে…।

    সে কথা শুনে ভলজাঁ’র সমস্ত শরীর কেঁপে উঠল। সে পাগলের মতো মেরিয়াসের দিকে তাকিয়ে বলল, তা তো বটেই। সবার সব কথা সহ্য করার শক্তি থাকে না। আমার অনুরোধ, তুমি কথা দাও, ওকে একথা বলবে না। তুমি নিজে জানলেই হবে। কয়েদি, সশ্রম কারাদণ্ড–এসব কথা শুনলে সে ভয়ে অভিভূত হয়ে পড়বে।

    ভলজাঁ একটা আর্মচেয়ারে বসে তার হাতে মুখ ঢাকল। সে কোনও কথা বলল না। কিন্তু তার কান্নার মৃদু শব্দ শোনা যাচ্ছিল। ভলজাঁ চেয়ারে গা এলিয়ে দিয়ে মড়ার মতো শুয়ে পড়ল। চোখ দুটো বন্ধ করে বলে উঠল, এর থেকে মৃত্যু ভালো ছিল।

    মেরিয়াস বলল, ভাববেন না। আমি আপনার কথা গোপন রেখে দেব। তার কণ্ঠ থেকে বোঝা গেল ভলজাঁ আর তার মধ্যে নতুন অবস্থার জটিল পরিপ্রেক্ষিতে যে ব্যবধান গড়ে উঠেছে সে বিষয়ে সে সচেতন পূর্ণমাত্রায়।

    মেরিয়াস বলল, ট্রাস্টের টাকাটা আপনি যে বিশ্বস্ততার সঙ্গে আমাদের হাতে তুলে দিয়েছেন তার জন্য আপনাকে পুরস্কার দেওয়া উচিত। আপনি কোনও কুণ্ঠা বা দ্বিধা না করে সে পুরস্কারের টাকাটা কত হওয়া উচিত তা বলে ফেলুন।

    ভলজাঁ শুধু শান্তকণ্ঠে বলল, ধন্যবাদ মঁসিয়ে। সব কিছু ঠিক হয়ে গেল, শুধু একটা জিনিস বাকি রয়ে গেল।

    কী সে জিনিস?

    তুমি হচ্ছ এখন মালিক। তুমি কি মনে কর কসেত্তের সঙ্গে আমার আর দেখা হওয়া উচিত নয়?

    মেরিয়াস নীরসভাবে বলল, আমার মনে হয় সেটাই ভালো হবে।

    ভলজাঁ বলল, তা হলে আমি আর দেখা করব না।

    এই বলে সে উঠে দরজার দিকে চলে গেল।

    কিন্তু যাবার জন্য দরজাটা একটু খুলেই আবার মেরিয়াসের কাছে ফিরে এল ভলজাঁ। তার মুখখানা শুধু ম্লান নয়, মৃতের মতো সাদা ফ্যাকাশে দেখাচ্ছিল। তার চোখে কোনও জল ছিল না। তার পরিবর্তে যেন আগুন ছিল সে চোখে। কিন্তু কণ্ঠটা আশ্চর্য রকমের শান্ত ছিল।

    সে বলল, মঁসিয়ে, মাঝে মাঝে এসে কসেত্তেকে দেখে যাবার অনুমতি দাও আমাকে। মাঝে মাঝে দেখে যাবার অনুমতি পাব বলেই আমি এসব কথা বলেছি তোমাকে তোমার সম্মানের খাতিরে! তা না হলে কিছু না বলেই ঘরে চলে যেতাম। আজ নয় বছর ধরে সে আমার কাছে আছে। প্রথমে গর্বোর ব্যারাকবাড়িটাতে, তার পর কনভেন্টে, তার পর র‍্যু প্লমেতের বাড়িতে, অবশেষে লা হোমিতে। এই নয় বছরের মধ্যে বেশিদিনের জন্য আমরা কেউ কারও কাছছাড়া হইনি। এখন হঠাৎ দেখাসাক্ষাৎ বন্ধ হয়ে গেলে আমার পক্ষে বেঁচে থাকা সত্যিই কঠিন হবে। তবে আমাকে অনুমতি দাও, আমি মাঝে মাঝে এসে নিচের ঘরে এসে তার সঙ্গে দেখা করে যাব। আমি খুব বেশি আসব না এবং বেশিক্ষণ থাকব না। তাছাড়া আমি একেবারে না এলে অনেকে কথা বলতে পারে। আমি বরং সন্ধ্যার দিকে অন্ধকার হয়ে উঠলে আসব।

    মেরিয়াস বলল, আপনি রোজ সন্ধ্যায় আসবেন।

    ভলজাঁ খুশি হয়ে বলল, মঁসিয়ে, সত্যিই তোমার অসীম দয়া।

    তারা করমর্দন করল। ভলজাঁ বিদায় নিল। মেরিয়াস ভলকে দরজার কাছ পর্যন্ত এগিয়ে দিল।

    আপন মনে ভাবতে লাগল মেরিয়াস। কসেত্তে’র পিতা হিসেবে পরিচিত মঁসিয়ে ফশেলেভেন্তু নামে যে লোকটিকে দেখে সব সময় তার মনে হত লোকটি যেন কী একটা গোপন রহস্য চেপে রেখে দিয়েছে তার অন্তরের মধ্যে, যার সঙ্গে প্রাণ খুলে মেশার কোনও উৎসাহ পেত না সে, আজ তার কারণটা নিশ্চিতরূপে জানতে পারল সে। কিন্তু আজ তার সুখের দিনে তার সেই গোপন রহস্যটা জানতে পারাটা সুখী কপোতের বাসায় একটা কাকড়াবিছে দেখতে পাওয়ার মতোই এক অবাঞ্ছিত ঘটনা বলে মনে হল। এখন থেকে তার ও কসেত্তে’র জীবনের সব সুখ কি ওই লোকটার ওপরে নির্ভর করবে এবং তাদের বৈবাহিক বন্ধনের একটা শর্ত হিসেবেই কি মেনে নিতে হবে তাকে? সত্যিই কি সে এক জেলপলাতক কয়েদি?

    কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে সে আবার একথাও ভাবতে লাগল যে এ বিষয়ে তারও একটা দোষ আছে। তার কি বাস্তব বুদ্ধি-বিবেচনা সব লোপ পেয়েছিল এবং সে কি ইচ্ছা করেই তার চোখ দুটো বন্ধ করে রেখেছিল? এটা সে অস্বীকার করতে পারে না যে তার প্রকৃতিটাই কল্পনাপ্রবণ এবং প্রেমাবেগের বশবর্তী হয়ে সে কসেত্তে’র প্রতি ভালোবাসার গভীরে ডুবে যাওয়ার আগে তার বাস্তব জীবন সম্বন্ধে কোনও খোঁজখবর নেয়নি। র‍্যু প্লামেতের বাগানে ছয়টি সপ্তাহ ধরে সে যখন কসেত্তে’র সঙ্গে নিবিড় প্রেমালাপে মত্ত হয়ে ছিল তখন সে একটি দিনের জন্য গর্বের বাড়িতে দেখা সেই নাটকীয় ঘটনার কথাটার একবারও উল্লেখ করেনি কসেত্তে’র কাছে। থোর্দিয়েরদের সম্বন্ধেও কোনও কথা বলেনি তাকে। ছয়টি সপ্তাহ একটা স্বপ্নের মতো কেটে যায়। তখন ভালোবাসার কথা ছাড়া আর কোনও কথাই মনে পড়েনি।

    আবার ভাবল কসেত্তেকে সে সব কথা বললেই-বা কী হত? জাঁ ভলজাঁ সম্বন্ধে যে কথা সে জানতে পেরেছিল সে কথা কসেত্তেকে বললেই-বা কী হত? তাতে কসেত্তে’র প্রতি তার মনোভাবের কোনও পরিবর্তন হত? তার প্রতি দুর্বার প্রেমাবেগকে কি সে ঠেকিয়ে রাখতে পারত? মোটেই না। সুতরাং এ বিষয়ে অনুশোচনা বা দুঃখ করার কোনও কারণ নেই। অন্ধভাবে যে পথ সে অনুসরণ করেছিল, খোলা চোখে সে সেই একই পথ ধরে চলত। যে প্রেম তাকে অন্ধ করে দেয় সেই প্রেমই তাকে নিয়ে যায় স্বর্গসুখের এক ঐন্দ্রজালিক রাজ্যে।

    জাঁ ভলজাঁ নামে ওই লোকটার প্রতি যে হিমশীতল ঔদাসীন্য তার কাছ থেকে তাকে দূরে ঠেলে রেখেছিল আজ সেই ঔদাসীন্যটা এক অব্যক্ত ভীতি, করুণা এবং বিস্ময়ের এক মিশ্র অনুভূতিতে পরিণত হল। যে লোক চোর, জেলপলাতক কয়েদি সেই লোকই ছয় লক্ষ ঐ তাদের হাতে তুলে দিয়েছে। সে টাকার কথা কেউ জানত না। সে টাকাটা সে নিজের জন্য রেখে দিতে পারত। কিন্তু তা না করে সে টাকা সব সে দিয়ে দিয়েছে। তাদেরই সুখের জন্য। সে তাদের পরিবারে নিরাপদে ও সুখে বাস করতে পারত কাউকে কোনও কথা না বলে, কিন্তু সে লোভ সংযত করে তার গোপন সব কথা বলে দিয়েছে। এটা তার নিশ্চয় নিষ্ঠা, সততা ও মহত্ত্বের পরিচায়ক। কোনও নীচাশয় হীন প্রকৃতির মানুষের মধ্যে এই ধরনের সততা দেখা যায় না। সে আর যা-ই হোক, তার বিবেক এবং নীতি আছে। একদিন সে যত খারাপই থাক, পরে নিশ্চয় তার জীবনের মধ্যে একটা আমূল পরিবর্তন আসে। আর এই পরিবর্তনই তার মধ্যে নিয়ে আসে নিষ্ঠা আর সততা। এ বিষয়ে সন্দেহের কোনও অবকাশ নেই। মঁসিয়ে ফশেলেভেন্তের মধ্যে তবু এক রহস্যময় অবিশ্বস্ত আর ঔদ্ধতের ভাব ছিল, কিন্তু জাঁ ভলক্স অন্য মানুষ; সে যেন সততা এবং বিশ্বস্ততার মূর্ত প্রতীক।

    ভলজাঁর দোষগুলোকে চিরে চিরে নিক্তিতে চাপিয়ে ওজন করে দেখতে লাগল মেরিয়াস। জনদ্ৰেত্তের ঘরের জানালা দিয়ে পুলিশ দেখে পালায় সে। অবশ্য তার একটা কারণ ছিল, সে পলাতক কয়েদি। কিন্তু সে ব্যারিকেড়ে যায় কেন? সেখানে সে যুদ্ধে কোনও সক্রিয় অংশগ্রহণ করেনি। তবে কি জেভার্তের ওপর তার প্রতিশোধ নেবার জন্যই সেখানে গিয়ে অপেক্ষা করছিল সে? এ বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই যে সে জেতার্তকে সরিয়ে নিয়ে গিয়ে খুন করে।

    তবে একটা প্রশ্ন অমীমাংসিত রয়ে গেল মেরিয়াসের মনে। অনেক ভেবেও তার কোনও উত্তর খুঁজে পেল না। কসেত্তে’র মতো মেয়ে কিভাবে ভলজাঁ’র সংস্পর্শে এল এবং কী করেই-বা দীর্ঘ নয় বছর তারা রইল এক সঙ্গে নিয়তির কোন নিষ্ঠুর চক্রান্ত বা ঈশ্বরের কোন অদ্ভুত খেয়ালের ফলে এক দেবদূত এসে দানবের সঙ্গে হাত মিলিয়ে রইল এতদিন তা বুঝে উঠতে পারল না সে। এমন সাক্ষাৎ-অপরাধ আর সাক্ষাৎ-নির্দোষিতার সহাবস্থান বড় একটা দেখা যায় না। একটি মেষশাবক ঘটনাক্রমে এসে পড়ল এক নেকড়ের গুহায় আর নেকড়ে সেই মেষশাবকটিকে ভালোবেসে নয় বছর ধরে তার অস্তিত্ব রক্ষা করে এল এক অভূতপূর্ব বিশ্বস্ততার সঙ্গে। আর সেই অসম ভালোবাসার আশ্চর্য এক ছায়ায় কসেত্তে’র বাল্য, কৈশোর এবং প্রথমযৌবন লালিত হল। এ ব্যাপারটা সত্যিই রহস্যময় বলে মনে হল মেরিয়াসের। তার মাথাটা ঘুরতে লাগল।

    বাইবেলের জেনেসিসে আবেল আর কেন এই দুই ধরনের মানুষের কথা আছে। উচ্চ এবং নীচ প্রকৃতির দুটি মানুষ। কিন্তু ভলজাঁর মতো নীচ প্রকৃতির মানুষ কসেত্তে’র। মতো নিষ্পাপ সরল প্রকৃতির মেয়েকে মানুষ করল। এক অন্ধকারের জীব যেন একটি নক্ষত্রকে লালন করে আকাশে তার আবির্ভাবকে সম্ভূত করে তুলেছে। ঈশ্বর যেন কসেত্তেকে মানুষ করার জন্যই ভলজাঁকে নিযুক্ত করেছিলেন। সেটা কি ভলজাঁ’র দোষ?

    মেরিয়াস ভাবল, যাই হোক, কসেত্তে আজ তার। সে তাকে ভালোবাসে। ভলজাঁ’র ব্যক্তিগত ব্যাপারে তার কোনও প্রয়োজন নেই। ভলজাঁ নিজেই বলেছে কসেত্তে’র সঙ্গে কোনও আত্মীয়তা নেই। সে এতদিন কসেত্তেকে মানুষ করেছে ঠিক, কিন্তু কসেত্তের জীবনে তার আর কোনও ভূমিকা নেই, কোনও প্রয়োজন নেই তার। কসেত্তে আজ তার স্বামী আর প্রণয়ীকে পেয়ে ভলজাঁকে ফেলে রেখে পাখা মেলে যেন সুদূর স্বর্গরাজ্যে উড়ে চলে গেছে।

    ভলজাঁকে নিয়ে মেরিয়াস যা-ই ভাবুক না কেন, যা-ই চিন্তা করুন না কেন, ঘুরে-ফিরে সে একটা অবাঞ্ছিত জায়গায় এসে পৌঁছচ্ছিল। তার কেবলি মনে হচ্ছিল যাই হোক ভলজাঁ সমাজপরিত্যক্ত এমনই এক ভয়ঙ্কর মানুষ যে মানবসমাজের সব স্তরগুলো একে একে অতিক্রম করে অধঃপতনের শেষ প্রান্তে নেমে গেছে। মেরিয়াস গণতন্ত্রবাদী হলেও সে আইন আর সমাজের পক্ষপাতী ছিল। তার মনে হল আইনের দিক থেকে সামাজিক কোনও অধিকার ভলজাঁ’র প্রাপ্য নয়। মেরিয়াস মুখে প্রগতির কথা বললেও তখনও পুরোপুরি প্রগতিবাদী হয়ে উঠতে পারেনি। ঈশ্বরের বিধান এবং মানুষের বিধান, আইন এবং ন্যায় ও নীতি–এই দুই-এর মধ্যে পার্থক্য নির্ণয়ের কোনও ক্ষমতা ছিল না তার। তার মনে হল ভলজাঁর মতো লোকের পক্ষে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ভোগের বিধানই উপযুক্ত শাস্তি। তাকে ঘৃণ্য জীব বলে মনে হচ্ছিল তার।

    জনদ্ৰেত্তে, ব্যারিকেড, জেভার্ত প্রভৃতি বিষয়ে কোনও প্রশ্ন ভলজাঁকে করেনি মেরিয়াস। করলে কী উত্তর দিত তা বলা যায় না। আসল কথা প্রেমাবেগের আতিশয্যবশত কোনও বিষয়ের গভীরে দৃষ্টি দিয়ে সত্যাসত্য যাচাই করার মতো মনের অবস্থা তার তখন ছিল না। এই সব প্রশ্ন যদি সে করত তা হলে তার উত্তর কসেত্তের নিরীহ নির্দোষ জীবনের উপর কোনও অশুভ আলোকপাত করত কি না, তা কে জানে? মেরিয়াস তাই ভয় পেয়ে এ প্রশ্ন তুলঁতে সাহস পায়নি ভলজাঁর সামনে। অনেক সময় এসব ব্যাপারে ঘাটাঘাটি করতে গিয়ে অনেক পবিত্র ও শুচিশুভ্র জীবন কলঙ্কের কালিমায় লিপ্ত হয়ে উঠতে পারে। সে শুধু কসেত্তেকে চায়। তাকে আঁকড়ে ধরে ভলজাঁর দিকে চোখ বন্ধ করে থাকতে চায়।

    কিন্তু সবশেষে একটা কথা ভাবতে গিয়ে অনুশোচনার বেদনায় মোহ্যমান হয়ে উঠল মেরিয়াস। সে নিজে ভলজাঁ’র সঙ্গে কোনও সম্বন্ধ না রাখলেও কসেত্তের সঙ্গে তার সম্পর্কটা ঠিকই থাকবে, কসেত্তে’র সঙ্গে রোজ তার দেখা হবে এবং সে নিজেই তার অনুমতি দান করেছে। সে এখন আক্ষেপ করতে লাগল, ভলজাঁর প্রতি আরও কঠোর হওয়ায় উচিত ছিল তার, তাকে বাড়ি থেকে চিরদিনের মতো তাড়িয়ে দেওয়া উচিত ছিল। আবেগের বশবর্তী হয়ে আবেগের স্রোতে ভাসতে ভাসতে ঠিকমতো বিচার সে করতে পারেনি। নিজের ওপর নিজেরই রাগ হতে রাগল তার।

    কিন্তু এখন সে কী করবে? সে যখন আসার ব্যাপারে ভলজাঁকে অনুমতি দিয়েছে তখন আর কোনও কথা নেই। সে যখন প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ভলজাঁকে, সে যত খারাপ লোকই হোক, সে প্রতিশ্রুতি তার রক্ষা করে চলা উচিত। তাছাড়া কসেত্তে’র প্রতিও তো তার একটা কর্তব্য আছে।

    এই চিন্তার একটা ছায়াম্নান প্রভাব মেরিয়াসের মুখচোখের ওপর ফুটে উঠলেও সে কৌশলে কসেত্তেকে অন্য কথা বলে এড়িয়ে গেল। সে কৌশলে কসেত্তেকে কয়েকটা প্রশ্ন করে জানল সুদূর শৈশবকাল থেকে আজ পর্যন্ত ভলজাঁ যতদিন তার সঙ্গে ছিল সে। তাকে নিজের মেয়ের মতোই ভালোবাসত। তার ব্যবহার ছিল খুবই সম্মানজনক। তাদের সম্পর্ক ছিল খুবই পবিত্র।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleটয়লার্স অভ দ্য সী – ভিক্টর হুগো
    Next Article কেন আমি নাস্তিক – ভগৎ সিং

    Related Articles

    ভিক্টর হুগো

    টয়লার্স অভ দ্য সী – ভিক্টর হুগো

    November 6, 2025
    ভিক্টর হুগো

    দ্য ম্যান হু লাফস – ভিক্টর হুগো

    November 6, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }