Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    লে মিজারেবল – ভিক্টর হুগো

    ভিক্টর হুগো এক পাতা গল্প1486 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১.৬ কারখানার হাসপাতালে

    ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ

    মঁসিয়ে ম্যাদলেন ফাঁতিনেকে কারখানার হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে ভর্তি করে নার্সদের দেখাশোনা করতে বলল। তার গায়ে তখন দারুণ জ্বর এবং রাত্রিতে প্রলাপ বকতে লাগল জ্বরের ঘোরে। পরে সে ঘুমিয়ে পড়ল।

    পরদিন দুপুরে তার ঘুম ভাঙলে সে বুঝতে পারল তার বিছানার পাশে কার নিশ্বাসের শব্দ শোনা যাচ্ছে। মশারিটা একটু তুলে দেখল মঁসিয়ে ম্যাদলেন তার মাথার দিকের দেয়ালের উপর একটি ক্রুশবিদ্ধ যিশুর মূর্তির তলায় দাঁড়িয়ে বেদনার্ত দৃষ্টিতে সেই মূর্তির দিকে তাকিয়ে আছে।

    এখন ফাঁতিনের চোখে মঁসিয়ে ম্যাদলেন একেবারে বদলে গেছে। তার মনে হচ্ছিল ম্যালেনের গোটা চেহারাটা এক স্বর্গীয় জ্যোতিতে জ্যোতির্ময় হয়ে উঠেছে। তার ঠোঁট দুটো কাঁপছিল। ফাঁতিনে কোনও বাধা সৃষ্টি না করে ম্যালেনের দিকে নীরবে তাকিয়ে রইল। অবশেষে সে ভয়ে ভয়ে জিজ্ঞাসা করল, আপনি কী করছেন?

    ম্যাদলেন সেইখানে প্রায় এক ঘণ্টা ধরে দাঁড়িয়েছিল। ফাঁতিনের ঘুম ভাঙার জন্য অপেক্ষা করছিল সে। ফাঁতিনের ঘুম ভেঙেছে দেখে তার হাতটা ধরে নাড়ি টিপে বলল, এখন কেমন আছ?

    ফাঁতিনে বলল, এখন ভালো বোধ করছি। আমার ঘুম ভালো হয়েছে। আমার মনে হয় আমি ভালো হয়ে গেছি। মারাত্মক কিছু হয়নি।

    ম্যাদলেন এবার ফাঁতিনের প্রশ্নটার জবাব দিয়ে বলল, আমি তোমার জন্য প্রার্থনা করছিলাম।

    গতকাল রাত থেকে আজকের সারা সকাল ফাঁতিনে সম্বন্ধে সব খবরাখবর সগ্রহ করেছে। তার সকরুণ জীবনকাহিনীর সব জেনেছে। সে বলল, তুমি বড় কষ্ট ভোগ করেছ মেয়ে। তবে আর কোনও কষ্ট তোমার থাকবে না। সব ক্ষতি পূরণ হয়ে যাবে। এইভাবে যে দুঃখভোগের মধ্য দিয়ে মানুষ সেন্ট হয় তার জন্য অপরকে দোষ দিয়ে লাভ নেই। যে নরকযন্ত্রণা তুমি ভোগ করেছ সে নরকই স্বর্গের দ্বারপথ। সেই নরকের মধ্য দিয়ে তোমাকে স্বর্গে যেতে হবে।

    ম্যাদলেন দীর্ঘশ্বাস ফেলল। ফাঁতিনে তার দিকে তাকিয়ে মৃদু হাসল।

    গতরাত্রিতেই জেতার্ত একটা চিঠি নিয়ে সকাল হতেই ডাকঘরে যায় চিঠিটা ফেলতে। চিঠিটা প্যারিসের পুলিশ বিভাগের সচিবের কাছে লেখা। পুলিশ ফাঁড়িতে গতকাল যে ঘটনা ঘটেছে তা শহরে জানাজানি হয়ে যায়। তাই সে ডাকঘরে চিঠি ফেলতে গেলে ডাকঘরের লোকরা ভাবল সে পদত্যাগপত্র পাঠাচ্ছে।

    আরও দেখুন
    বাংলা বই
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    বাংলা উপন্যাস
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    সেবা প্রকাশনী বই
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা ভাষা
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা কুইজ গেম

    মঁসিয়ে ম্যাদলেন থেনার্দিয়েরকে একখানি চিঠি দিল। সে তিনশো ফ্ৰাঁ পাঠিয়েছে। চিঠিতে লিখে দিল একশো ফ্রাঁ ঋণের টাকা কেটে নিয়ে বাকি টাকায় সে ফাঁতিনের মেয়েকে দিয়ে যাবে মন্ত্রিউলে।

    সে চিঠি পেয়ে থেনার্দিয়ের আশ্চর্য হয়ে গেল। সে বলল, হা ভগবান! মেয়েটাকে এখন পাঠানো চলবে না। এ যে দেখছি সোনার খনি। বুঝতে পেরেছি কী হয়েছে। মনে হয় কোনও ধনী লোক ওর মার প্রেমে পড়েছে।

    থেনার্দিয়ের চিঠির জবাবে মোট পাঁচশো ফ্রাঁ দাবি জানাল। লিখল, ডাক্তার দেখাতে ও তার রোগ সারাতে অনেক খরচ হয়েছে। আসলে ওর মেয়েদের ডাক্তারখরচের সব বিলগুলোর কথা উল্লেখ করল। শেষে তিনশো ফ্রাঁ পেয়েছে সেটাও জানাল।

    ম্যাদলেন আরও তিনশো ফ্ৰাঁ পাঠিয়ে কসেত্তেকে তাড়াতাড়ি পাঠাতে লিখে দিল।

    থেনার্দিয়ের তা পেয়ে বলল, বয়ে গেছে আমাদের পাঠাতে।

    আরও দেখুন
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা সাহিত্য
    নতুন উপন্যাস
    বাংলা বই
    গ্রন্থাগার সেবা
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    সাহিত্য পর্যালোচনা

    এদিকে ফাঁতিনে তখনও হাসপাতালেই ছিল। তার রোগ সারেনি। হাসপাতালের নার্সরা প্রথমে ঘৃণার চোখে দেখত তিনেকে। এইসব অধঃপতিত মেয়েকে তারা ভালো চোখে দেখে না। কিন্তু ফাঁতিনের স্র স্বভাব এবং ভদ্র আচরণ দেখে নার্সরা সন্তুষ্ট হল। তাছাড়া তারা যখন দেখল ফাঁতিনে এক সন্তানের জননী তখন তাদের মমতা হল তার ওপর। জ্বরের ঘোরে প্রলাপ বকার সময় ফাঁতিনে একবার বলে, আমি পাপ করেছি ঠিক, কিন্তু আমার সন্তান আমার কাছে এলে বুঝব ঈশ্বর আমাকে ক্ষমা করেছে। আমি নোংরা

    জীবনযাপন করার জন্যই তাকে কাছে রাখতে পারিনি। আমি তার জন্যই, তার ব্যয়ভার। বহনের জন্যই কুপথে নেমেছি। সে এখানে এলে বুঝব ঈশ্বরের আশীর্বাদ আমি পেয়েছি। তার নিষ্পাপ মুখ দেখে আমি জোর পাব মনে। আমার জীবনে কী ঘটেছে না ঘটেছে তার কিছুই জানে না সে। দেবদূতের মতো সরল নিষ্পাপ সে। তার বয়সে আমাদেরও দেবদূতের মতো পাখা ছিল।

    দিনে দুবার করে ম্যাদলেন হাসপাতালে এসে দেখা করত ফাঁতিনের সঙ্গে। সে দেখতে এলেই ফাঁতিনে জিজ্ঞাসা করত, কসেত্তে কখন আসবে?

    আরও দেখুন
    বইয়ের
    বাংলা অডিওবুক
    অনলাইন বুক
    বাংলা ই-বুক রিডার
    Library
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    বাংলা বই
    বাংলা উপন্যাস
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন

    ম্যাদলেন বলত, সম্ভবত কাল। যে কোনও সময়েই সে এসে পড়তে পারে।

    এ কথা শুনে ফাঁতিনের মুখটা উজ্জ্বল হয়ে উঠত।

    কিন্তু ফাঁতিনের অবস্থা মোটেই ভালোর দিকে যাচ্ছিল না। বরং দু এক সপ্তা যেতেই তার অবস্থা খারপের দিকে যেতে লাগল। তার ঘাড়ের উপর লাগানো একমুঠো বরফের হিম তার অস্থিমজ্জার ভেতরে ঢুকে দীর্ঘদিনের সঞ্চিত পুরনো সব রোগ ঠেলে এনেছে। অধ্যাপক লেনেক অনেক করে রোগ নির্ণয় করে চিকিৎসা করতে লাগলেন।

    রোগ পরীক্ষা হলে ম্যালেন ডাক্তারকে জিজ্ঞাসা করল, কেমন দেখলেন?

    ডাক্তার বলল, তার কি কোনও সন্তান আছে?

    ম্যাদলেন বলল, তার একটি কন্যাসন্তান আছে।

    তা হলে যত তাড়াতাড়ি পারেন তাকে এখানে আনার ব্যবস্থা করুন।

    আরও দেখুন
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    বাংলা উপন্যাস
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    Books
    বইয়ের
    অনলাইন বুক
    Library
    বুক শেল্ফ
    বই পড়ুন

    ম্যাদলেন ভয় পেয়ে গেল। কিন্তু ফাঁতিনে তাকে ডাক্তার কী বলল তা জিজ্ঞাসা করায় সে বলল, ডাক্তার জোর করে হেসে বলল, তোমার মেয়ে তোমার কাছে এলেই রোগ সেরে যাবে।

    ফাঁতিনে বলল, ডাক্তার ঠিকই বলেছেন। থেনার্দিয়েররা কেন এখনও কসেত্তেকে রেখে দিয়েছ? কবে সে ঠিক এসে যাবে? তা হলে আমি খুব সুখী হব।

    কিন্তু থেনার্দিয়েররা যত সব আজেবাজে কারণ দেখিয়ে আটকে রেখে দিয়েছিল কসেত্তেকে। তারা লিখল, এখনও ছোটখাটো অনেক দেনা আছে, তার হিসাব তারা তৈরি করছে। তাছাড়া অসুখের পর সে এখন পথ হাঁটতে পারবে না এই শীতকালে।

    ম্যাদলেন আবার একটা চিঠি লিখল ফাঁতিনের কথামতো। তার পর চিঠিটার শেষে ফাঁতিনের সইটা করিয়ে নিল।

    কিন্তু ইতোমধ্যে এক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ঘটে গেল। আমরা আমাদের জীবনের রহস্যময় উপাদানগুলোকে নাড়াচাড়া করে জীবনকে যেভাবেই গড়ে তুলতে চাই না। কেন, ভাগ্যের কুটিল বিধান সব ওলটপালট করে দেয়।

    আরও দেখুন
    সেবা প্রকাশনী বই
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    Books
    বিনামূল্যে বই
    গ্রন্থাগার সেবা
    বাংলা সাহিত্য
    বাংলা ভাষা
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী

    .

    ২

    সেদিন সকালে তার অফিসে বসে কতকগুলি জরুরি কাজ সেরে নিচ্ছিল ম্যাদলেন। যদি তাকে মঁতফারমেলে যেতে হয় তার জন্য কাজগুলো সেরে রাখছিল। এমন সময় তাকে জানানো হল ইন্সপেক্টর জেতার্ত তার সঙ্গে দেখা করতে চাইছে। জেভার্তের নামটা তার ভালো লাগল না। সেদিনের সেই ঘটনার পর থেকে জেভার্তের সঙ্গে দেখা হয়নি তার। জেভাৰ্তও তাকে এড়িয়ে চলে।

    ম্যাদলেন বলল, তাকে নিয়ে এস এখানে।

    বলার সঙ্গে সঙ্গে জেতার্ত ঢুকে পড়ল ঘরে।

    ম্যাদলেন তার টেবিলে বসে রইল হাতে কলম নিয়ে। কতকগুলি আইনভঙ্গের রিপোর্ট পড়ছিল সে। সে নীরসভাবে বসতে বলল জেতার্তকে।

    আরও দেখুন
    বুক শেল্ফ
    বাংলা কুইজ গেম
    বাংলা ইসলামিক বই
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    সাহিত্য পত্রিকা
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা লাইব্রেরী
    বই
    বইয়ের
    নতুন উপন্যাস

    জেভাৰ্ত শ্রদ্ধার সঙ্গে ম্যাদলেনকে নমস্কার জানিয়ে ম্যালেনের সামনে ধীরে ধীরে এগিয়ে গেল।

    জেভাৰ্তকে আগে যারা দেখেছে, যারা তার চরিত্রের কথা জানে তারা এখন তাকে দেখলে অবাক হয়ে যাবে অপার বিস্ময়ে। ম্যালেনের প্রতি তার সেই দীর্ঘসঞ্চিত গোপন বিতৃষ্ণা আর নেই। জেভার্তের কঠোর, নিষ্ঠুর, অনমনীয় স্বরূপের সঙ্গে পরিচিত যে কোনও লোক তাকে এখন দেখলে বুঝতে পারবে সে একটা বড় রকমের আত্মিক সংকটে ভুগছে। এখন যেন তার গোটা আত্মাটাই ফুটে উঠেছে তার চোখে-মুখে। সব আবেগপ্রবণ লোকের মতো জেভার্তেরও খুব তাড়াতাড়ি মনের ভাবের পরিবর্তন হয়। তখন তার আচরণটা সত্যিই রহস্যময় মনে হচ্ছিল। সে এমনভাবে ম্যাদলেনকে অভিবাদন জানাল যে ভাবের মধ্যে বিন্দুমাত্র ক্রোধ বা বিতৃষ্ণা ছিল না। সে ম্যালেনের সামনে থেকে কয়েক পা দূরে সামরিক কায়দায় ধৈর্য ধরে সমভরে দাঁড়িয়ে রইল। টুপিটা হাতে নিয়ে নম্র নীরব আত্মসমর্পণের ভঙ্গিতে সে দাঁড়িয়ে ছিল। তাকে দেখে মনে হচ্ছিল যেন একজন সৈনিক তার ঊর্ধ্বতন অফিসারের সামনে দাঁড়িয়ে আছে, আবার একই সঙ্গে মনে হচ্ছিল কোনও অপরাধী আসামি যেন দাঁড়িয়ে আছে তার বিচারকের সামনে। কখন দয়া করে মেয়র তার দিকে তাকাবে তার জন্য নীরবে অপেক্ষা করছে সে। তার পাথরের মতো কঠিন মুখখানায় একমাত্র এক ব্যাপ্ত বিষাদ ছাড়া অতীতের আর কোনও আবেগানুভূতির চিহ্নমাত্র নেই। তার সমস্ত চেহারাটার মধ্যে তখন ফুটে উঠেছিল এক উদ্ধত আনুগত্য আর পরাভূত বীরত্বের এক মিশ্রিত ভাব।

    আরও দেখুন
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা সাহিত্য
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা লাইব্রেরী
    PDF
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    বাংলা কমিকস
    Books

    অবশেষে হাত থেকে কলমটা নামিয়ে ম্যাদলেন প্রশ্ন করল, কী বলবে জেভার্ত? জেভাৰ্ত একমুহূর্ত কী ভেবে নিয়ে বিষাদগম্ভীর কণ্ঠে বলল, এক দারুণ শৃঙ্খলাভঙ্গের ঘটনা ঘটে গেছে মঁসিয়ে।

    কী ধরনের শৃঙখলভঙ্গ?

    নিম্নপদস্থ এক সরকারি কর্মচারী একজন ম্যাজিস্ট্রেটের প্রতি দারুণ অশ্রদ্ধার ভাব দেখিয়েছে এবং তাকে অপমান করেছে। আমি কর্তব্যের খাতিরে আপনাকে জানাতে এসেছি।

    ম্যাদলেন প্রশ্ন করল, দোষী কে?

    জেভার্ত বলল, আমি নিজে।

    তুমি?

    হ্যাঁ।

    আরও দেখুন
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    গ্রন্থাগার
    বই পড়ুন
    বইয়ের
    বই
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা লাইব্রেরী
    বিনামূল্যে বই
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা কবিতা

    সেই ম্যাজিস্ট্রেট কে যার প্রতি অসদাচরণ করা হয়েছে?

    আপনিই সেই ম্যাজিস্ট্রেট, মঁসিয়ে মেয়র।

    চমকে উঠল ম্যাদলেন। চোখ দুটো নামিয়ে বলে চলল জেভাৰ্ত, আমি আপনার কাছে অনুরোধ জানাতে এসেছি আপনি কর্তৃপক্ষের কাছে আমাকে বরখাস্ত করার জন্য সুপারিশ করুন।

    ম্যাদলেন মুখ তুলে কী বলতে যাচ্ছিল। কিন্তু জেভার্ত তাকে বলার সুযোগ না দিয়েই বলতে লাগল, আপনি হয়তো বলতে পারেন আমি তো পদত্যাগ করতে পারি। কিন্তু সেটা যথেষ্ট হবে না। পদত্যাগ করাটা সম্মানের ব্যাপার। কিন্তু অপরাধ করেছি এবং তার জন্য আমার শাস্তি পাওয়া উচিত। আমাকে বরখাস্ত করা উচিত।

    একটু থেমে আবার বলতে লাগল জেতার্ত, মঁসিয়ে মেয়র, দিনকতক আগে আপনি আমার প্রতি অন্যায় আচরণ করেছিলেন। এবার ন্যায়সঙ্গত আচরণ করুন।

    আরও দেখুন
    বাংলা গল্প
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    বুক শেল্ফ
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    বাংলা ইসলামিক বই
    বাংলা কুইজ গেম

    ম্যাদলেন বলল, কিন্তু কী বলছ তুমি আমি তো বুঝতেই পারছি না। তুমি কিভাবে আমাকে অপমান করেছ? কী অপরাধ করেছ তুমি? আমার কী ক্ষতি করেছ? তুমি বলছ তুমি চাকরি থেকে–

    জেভার্ত বলল, হ্যাঁ বরখাস্ত।

    ঠিক আছে বরখাস্ত, কিন্তু কেন?

    আমি বুঝিয়ে বলছি।

    জেভাৰ্ত একটা স্বস্তির নিশ্বাস ফেলে আবেগহীন কণ্ঠে বলতে লাগল, আমি সেই মেয়েটির ব্যাপারে আপনার ওপর এমন প্রচণ্ডভাবে রেগে গিয়েছিলাম যে ছয় সপ্তাহ আগে আমি আপনার নামে নিন্দাবাদ করেছি।

    তুমি আমার নামে নিন্দা করেছ?

    হ্যাঁ, প্যারিসে পুলিশ বিভাগের প্রধান সচিবের কাছে।

    আরও দেখুন
    অনলাইন বই
    বাংলা ভাষা
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    Library
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    সেবা প্রকাশনী বই
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    গ্রন্থাগার
    গ্রন্থাগার সেবা
    সাহিত্য পত্রিকা

    মঁসিয়ে ম্যাদলেন জেভার্তের মতো হাসত না। কিন্তু এবার সে জেভার্তের কথা শুনে হো হো শব্দে হেসে উঠল।

    একজন মেয়র একজন পুলিশের কাজে হস্তক্ষেপ করেছে, এই নিন্দা করেছ?

    না, আপনি একজন ভূতপূর্ব কয়েদি, এই বলে।

    ম্যালেনের মুখের ভাবটা সহসা বদলে গেল। জেভার্ত তখন মাটির দিকে তাকিয়ে বলে চলল, আমি তাই বিশ্বাস করতাম। এ ধারণা আমার অনেক দিন ধরে ছিল। আপনার সঙ্গে মুখের কিছু মিল, ফেবারোলে আপনি যে খোঁজখবর নিয়েছিলেন তার ব্যাপারটা, ফকেলেভেন্তের গাড়ি ভোলার সময় আপনি যে দৈহিক শক্তির পরিচয় দিয়েছিলেন সেটা, আপনার অভ্রান্ত লক্ষ্যভেদ, কিছুটা খোঁড়ানোর ভাব… এগুলো এমন কিছু না। তবু আমি সন্দেহ করতাম আপনিই জাঁ ভলজাঁ।

    কী নাম বললে?

    আরও দেখুন
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    বাংলা ই-বই
    বইয়ের
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    সেবা প্রকাশনী বই
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    PDF
    বুক শেল্ফ
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই

    জাঁ ভলজাঁ। আজ হতে কুড়ি বছর আগে আমি যখন তুলো’র জেলে এক প্রহরীর কাজ করতাম তখন সে সেই জেলের কয়েদি ছিল। জেল থেকে মুক্তি পাওয়ার পর সে এক বিশপের বাড়িতে চুরি করে এবং রাস্তার উপর একটি ছোট ছেলের টাকা চুরি করে। তাকে আবার ধরার চেষ্টা হয়েছিল, কিন্তু সে পালিয়ে যায়। তার পর আট বছর তার কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি। আমি বিশ্বাস করেছিলাম… যাই হোক, রাগের মাথায় আমি প্যারিসে কর্তৃপক্ষের কাছে আপনার বিরুদ্ধে অভিযোগ করি।

    ম্যাদলেন টেবিলের উপর কাগজগুলো আবার দেখতে লাগল। তার পর বলল, তারা কী বলল?

    জেভার্ত বলল, তারা বলল, আমি পাগল।

    আর কী বলল?

    বলল, তারা ঠিক।

    তুমি এটা বুঝতে পেরেছ জেনে খুশি হলাম।

    তারাই ঠিক কারণ আসল জাঁ ভলজাঁ ধরা পড়েছে।

    ম্যালেনের হাত থেকে একটা কাগজ পড়ে গেল। সে জেভার্তের দিকে কড়াভাবে তাকিয়ে বলল, তা বটে।

    জেভার্ত বলল, ব্যাপারটা হল এই। এইলি লে–হত-~~ ক্লোশে গাঁয়ে শ্যাম্পম্যাথিউ নামে একটা লোক ছিল। সে ছিল এক গরিব নিরাশয়। সে এত গরিব ছিল যে কিভাবে জীবন ধারণ করত সেটা ছিল সকলের বিস্ময়ের বস্তু। গত শরঙ্কালে সে একবার কিছু আপেল চুরি করার জন্য গ্রেপ্তার হয়। তার স্পষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়। সে পাঁচিলে উঠে গাছের কিছু ডাল ভাঙে। কিছু আপেলও তার হাতে পাওয়া যায়। তাকে জেল-হাজতে নিয়ে যাওয়া হয়। সামান্য একটা ঘটনা বলে সেটা এমন কিছু গুরুত্বপূর্ণ ছিল না। কিন্তু ঘটনাটা সহসা এক অপ্রত্যাশিত মোড় নেয়। সে যে জেলে হাজতবাস করছিল সেটা তখন মেরামত হওয়ার জন্য তাকে অ্যারোসের জেলে পাঠানো হয়। সেই জেলে একজন পুরনো কয়েদি ছিল। তার নাম ছিল ব্রিভেত। সে খুব বিশ্বাসী ছিল, কারণ তার আচরণ ভালো ছিল। সে শ্যাম্পম্যাথিউকে দেখার সঙ্গে সঙ্গে বলে ওঠে, আমি ওকে চিনি। ও হচ্ছে এক পুরনো কয়েদি। তুল জেলে আমরা একসঙ্গে কুড়ি বছর ছিলাম। ওর নাম হচ্ছে জাঁ ভলজাঁ।

    শ্যাম্পম্যাথিউ অবশ্য একথা অস্বীকার করে। সে বলে জাঁ ভলজাঁ’র নাম সে কখনও শোনেনি। কিন্তু এ ব্যাপারে তদন্ত করা হয়। তদন্ত করে দেখা যায় তিরিশ বছর আগে শ্যাম্পম্যাথিউ বিভিন্ন অঞ্চলে বিশেষ করে ফেবারোল গাঁয়ে গাছ কাটার কাজ করে বেড়াত। মাঝখানে ছিল অনেকদিনের ফাঁক। কিন্তু পরে এই অভার্নে ও প্যারিসে খোঁজখবর নেওয়া হয়। ম্যাথিউ বলে, ও চাকা মেরামত আর চাকা তৈরির কাজ করত। আর ওর একটা মেয়ে ছিল যে বেড়ার কাজ করত। পরে সে ঘুরতে ঘুরতে ফেবারোলে চলে আসে। কিন্তু চুরির দায়ে জেলে যাওয়ার আগে জাঁ ভলজাঁ কী করত? সে ফেবারোলে গাছ কাটার কাজ করত। কিন্তু এইটাই সব নয়। ভল’র খ্রিস্টীয় নাম ছিল আঁ আর তার মা’র কুমারীজীবনের নাম ছিল ম্যাথিউ। মনে হয় সে জেল থেকে বেরিয়ে এসে তার আসল নামটা গোপন করে তার নিজের ও মা’র নাম দুটো মিলিয়ে নিজেকে জাঁ ম্যাথিউ নামে চালাতে থাকে। আর এটাই স্বাভাবিক। অভার্নে অঞ্চলে জাকে শা বলে আর তাই থেকে লোকের মুখে মুখে শ্যাম্প হয়। এইভাবে তার নাম শ্যাম্পম্যাথিউ হয়ে দাঁড়ায়। আমার কথাটা আশা করি বুঝতে পেরেছেন? ফেবারোলে আরও তদন্ত করা হয়। কিন্তু সেখানে জাঁ ভলজাঁদের পরিবারের কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি। এটা এমন কিছু অস্বাভাবিক ব্যাপার নয়। এই ধরনের পরিবারের লোকেরা এক জায়গায় কখনও থাকে না। তিরিশ বছর পরে ফেবারোল গাঁয়ের কোনও লোক জাঁ ভলজাঁদের কথা স্মরণ করতে পারল না। তার পর তুলতে তদন্ত করা হয়। সেখানে আরও দু জন কয়েদি পাওয়া যায় যারা তাকে চিনত। এই দু জন কয়েদির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়। তারা হল কোশেপেত আর শেনিলদিউ। তাদের দুজনকেই অ্যারাস জেলে আনা হয় এবং তারা দু জনেই ব্রিভেতের কথাকে সমর্থন করে এবং বলে তথাকথিত শ্যাম্পম্যাথিউই হল জাঁ ভলজাঁ। দু জনেরই বয়স চুয়ান্ন, এক বয়স, এক চেহারা, দেহের গঠন এক, এককথায় সেই মানুষ। ঘটনাটা ঘটে সেদিন, যেদিন আমি আপনার বিরুদ্ধে চিঠিটা পাঠাই। তারা আমাকে চিঠির উত্তরে জানায় আসল জাঁ ভলজাঁ অ্যারাসে জেলে ভরা আছে। এইটাতেই আমি আরও আঘাত পাই। অ্যারাসে গিয়ে ব্যাপারটা নিজের চোখে দেখে আসার জন্য অনুমতি দেওয়া হয় আমাকে।

    ম্যাদলেন বলল, তার পর?

    জেভার্ত তেমনি গম্ভীরভাবে বলল, সত্য সত্য মঁসিয়ে মেয়র। আমি স্বীকার করতে বাধ্য হচ্ছি সেই শ্যাম্পম্যাথিউ নামে লোকটাই আসল জাঁ ভলজাঁ। আমিও লোকটাকে চিনতে পারি।

    ম্যাদলেন নিচু গলায় বলল, এ বিষয়ে তুমি নিশ্চিত?

    জেভাৰ্ত তার কথার নিশ্চয়তা বোঝাবার জন্য এক নীরস হাসি হেসে বলল, হ্যাঁ, এ বিষয়ে নিশ্চিত আমি। জাঁ ভলকে দেখার পর আমিও এই কথা ভাবছি যে আমি কী করে এত বড় একটা ভুল ধারণাকে পোষণ করলাম এতদিন। আমি আপনার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি মঁসিয়ে মেয়র। আমাকে মার্জনা করুন।

    মাত্র কয়েক সপ্তা আগে যে তাকে তার নিম্নতন কর্মচারীদের সামনে অপমান করেছে, তার কাছে ক্ষমাপ্রার্থনা করতে গিয়ে তার মধ্যে একই সঙ্গে সরলতা আর আত্মমর্যাদাবোধের মিশ্রণে এক ভাব ফুটে ওঠে তার চোখে-মুখে।

    ম্যাদলেন হঠাৎ প্রশ্ন করে বসল, কিন্তু লোকটা কী বলে?

    জেভার্ত বলল, দেখুন মঁসিয়ে মেয়র, অপরাধটা ওর পক্ষে সত্যিই গুরুতর যদি সত্যিই ভলজাঁ হয়। কারণ ও একজন জেল-ফেরত কয়েদি। পাঁচিল ডিঙিয়ে আপেল চুরি করা কোনও ছেলে বা প্রাপ্তবয়স্ক লোকের পক্ষে এমন কিছু গুরুতর অপরাধ নয়, কিন্তু কোনও এক জেল-ফেরত কয়েদির পক্ষে একটা গুরুতর অপরাধ। পাঁচিল ডিঙিয়ে চুরি করতে যাওয়ার অপরাধ, তাতে আবার জেল-ফেরত কয়েদি–এর বিচার ম্যাজিস্ট্রেট করবে না, করবে বিশেষ একদল বিচারক এবং এর শাস্তি কয়েকদিনের জেল নয়, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। তার ওপর আছে একটি ছেলের টাকা চুরির অভিযোগ, অবশ্য ছেলেটাকে যদি পাওয়া যায়। লোকটা যদি ভলজাঁ হয় তা হলে তার অবস্থা সত্যিই শোচনীয়। কিন্তু লোকটা এমন চতুর যে তাতে আমার আরও সন্দেহ হয়। ভলজাঁ’র নামটা শুনে সে এমনভাবে তাকাতে লাগল যেন সে কিছুই জানে না। সে বলল, আমার নাম শ্যাম্পম্যাথিউ, এ ছাড়া আমি আর কিছুই জানি না। লোকটা সত্যিই চালাক। কিন্তু চালাকি করে কিছু হবে না। জোর সাক্ষী আছে। চার-চারজন সাক্ষী তাকে চেনে। অ্যারাসে তার বিচার হবে এবং আমাকেও সাক্ষ্য দিতে হবে।

    ম্যাদলেন টেবিলের উপর রাখা কাগজগুলো আবার দেখতে লাগল। দেখে মনে হচ্ছিল তার মনে অনেক চিন্তা আছে। সে ইন্সপেক্টারের দিকে তাকিয়ে বলল, ধন্যবাদ জেতার্ত। এত সব খুঁটিনাটি শোনার আমার কোনও আগ্রহ নেই। তাছাড়া আমাদের প্রত্যেকেরই আপন আপন কাজ আছে। বুলোপিয়েদ নামে একমহিলা গাড়িচালক পিয়ের শেষনেলভের বিরুদ্ধে নালিশ করেছে, তাকে আর তার মেয়েকে আর একটু হলে চাপা দিত। চালক হিসেবে লোকটা হঠকারী, তাকে একটা উচিত শিক্ষা দিতে হবে। আরও অনেক অভিযোগ আছে। সেগুলো তদন্ত করে দেখতে হবে। এগুলো সব পুলিশ আইন ভঙ্গ করার ব্যাপার। তোমাকে আমি অনেক কাজ দেব। তবে তুমি তো অ্যারাসে যাবে। বোধ হয় এক সপ্তা থাকবে, না।

    জেভার্ত বলল, তার আগেই চলে আসব আমি। আমি আজ রাতের গাড়িতেই যাচ্ছি।

    ম্যাদলেন বলল, সেখানে ক’দিন লাগবে?

    একদিনের বেশি নয়। আগামী কালই সন্ধের মধ্যে রায় বার হবে। তবে আমাকে এতক্ষণ থাকতে হবে না। আমি সাক্ষ্য দিয়েই চলে আসব।

    ম্যাদলেন বলল, ঠিক আছে।

    এরপর ইশারায় তাকে যেতে বলল। কিন্তু তবু গেল না জেভার্ত। সে বলল, মাপ। করবেন, একটা জিনিস আমি আপনাকে মনে করিয়ে দিতে চাই মঁসিয়ে মেয়র।

    কিসের কথা?

    আমাকে বরখাস্ত করতে হবে।

    ম্যাদলেন উঠে দাঁড়াল। সে বলল, জেভাৰ্ত, তুমি একজন সম্মানিত ব্যক্তি এবং আমি তোমাকে শ্রদ্ধা করি। তুমি তোমার অপরাধটাকে বাড়িয়ে বলছ। অপরাধের ব্যাপারটা আমার সঙ্গে জড়িত। তোমাকে উপরে উঠতে হবে জেতার্ত, নিচে নামতে হবে না। আমি চাই তুমি এই পদে যেমন আছ তেমনি বহাল থাক।

    জেভার্ত স্থির স্বচ্ছ দৃষ্টিতে ম্যালেনের দিকে তাকাল। তার সেই দৃষ্টির স্বচ্ছতার। মধ্যে যে একটুখানি সংকীর্ণ বিবেক ফুটে উঠেছিল তা একই সঙ্গে ঋজু এবং কঠোর বলে মনে হচ্ছিল। সে শান্ত কণ্ঠে বলল, মঁসিয়ে মেয়র, আমি আপনার একথা মেনে নিতে পারলাম না।

    ম্যাদলেন বলল, আমি আবার বলছি, তোমার এ অপরাধের ব্যাপারটা আমার সঙ্গে জড়িত।

    কিন্তু জেভার্ত নিজস্ব চিন্তার ধারাটাকে আঁকড়ে ধরে থেকে বলে যেতে লাগল, আপনি যে বাড়িয়ে বলার কথা বললেন সেটা ঠিক নয়, আমি কিছুই বাড়িয়ে বলিনি। কিন্তু ব্যাপারটা একবার ভেবে দেখুন। আমি আপনাকে অন্যায়ভাবে সন্দেহ করেছি, এটা এমন কিছু অন্যায় নয়, যদিও আমাদের ঊর্ধ্বতন অফিসারদের বিরুদ্ধে এই ধরনের সন্দেহ পোষণ করার কথাটা ভেবে দেখা উচিত। কিন্তু আপনি একজন শ্রদ্ধেয় ব্যক্তি, মেয়র, ম্যাজিস্ট্রেট। প্রচণ্ড ক্রোধ এবং প্রতিশোধবাসনার বশবর্তী হয়ে আমি আপনাকে জেলফেরত কয়েদি হিসেবে বিনা প্রমাণে অভিযুক্ত করেছি। এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার। অমি নিজে একজন কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধি হয়ে আপনার মতো একজন সরকারের পদস্থ প্রতিনিধিকে হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করেছি। আমার অধীনস্থ কোনও কর্মচারী যদি আমার প্রতি এমন অন্যায় আচরণ করত তা হলে আমি বলতাম সে তার পদের অযোগ্য এবং তাকে আমি অবশ্যই বরখাস্ত করতাম। আর একটা কথা মঁসিয়ে মেয়র। আমি খুব রুক্ষ ও রূঢ় প্রকৃতির লোক ছিলাম। আমি অপরের প্রতি অত্যন্ত রূঢ় ও নিষ্ঠুর ব্যবহার করেছি। তখন হয়তো তার প্রয়োজন ছিল। কিন্তু এখন যখন আমি নিজে অন্যায় করেছি, এখন আমার নিজের ওপর আমার অবশ্যই কঠোর ও রূঢ় হওয়া উচিত। তা না হলে আমার অতীতের সব কাজ, সব আচরণ ঘোরতর অন্যায় হিসেবে বিবেচিত হবে। আমি যেমন এর আগে আর পাঁচজন অন্যায়কারীকে শাস্তি হতে অব্যাহতি দিইনি তেমনি আজ আমাকে নিজেকেও শাস্তি হতে অব্যাহতি দেওয়া কখনই উচিত নয়। তা হলে সেটা এক জঘন্য অপরাধ হবে এবং যারা আমাকে শুয়োর বলে গালাগালি করে তাদের আচরণ ন্যায়সঙ্গত হিসেবে গণ্য হবে। আপনি অনেককে মার্জনা করেছেন এবং তা দেখে আমার খুব রাগ হয়েছে। কিন্তু আপনার মার্জনা আমি চাইনি। আমার মতে যে নারী শহরের একজন বিশিষ্ট শ্রদ্ধাভাজন নাগরিককে অপমানিত করেছিল সবার সামনে তাকে মার্জনা করা যেমন অন্যায়, তেমনি যে পুলিশ অফিসার মেয়রকে লোকচক্ষে হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করেছিল তাকে মার্জনা করাটাও অন্যায়। এই ধরনের মার্জনা সমাজের নৈতিক মানকে অবনত করে। দয়ালু হওয়া সহজ, কিন্তু ন্যায়পরায়ণ হওয়া কঠিন। আমি যা সন্দেহ করেছিলাম আপনি যদি তা-ই হতেন তা হলে আমি আপনার প্রতি কোনও দয়া দেখাতাম না মঁসিয়ে মেয়র। অপরের প্রতি আমি যে ব্যবহার করি, নিজের প্রতিও আমার সেই ব্যবহার করা উচিত। যেহেতু আমি অন্যায় করেছি, অপরাধ করেছি, আমাকে বরখাস্ত ও কর্মচ্যুত করা উচিত। আমার হাত-পা আছে, আমি মাঠে চাষের কাজ পারি এবং সেটা আমার পক্ষে খুব একটা কষ্টকর হবে না। সরকারি কর্মের ক্ষেত্রে আমি এক আদর্শ সৃষ্টি করতে চাই মঁসিয়ে মেয়র। আমার অনুরোধ, আপনি ইন্সপেক্টর জেতার্তকে বরখাস্ত করার ব্যবস্থা করুন।

    জেতার্ত তার কথাগুলো এমন এক উচ্চস্তরের নম্রতা আর উগ্র আত্মপ্রত্যয়ের সঙ্গে বলল যে তার অন্তর্নিহিত সততা বাইরে প্রকটিত হয়ে এক অদ্ভুত মহত্ত্বে পরিণত হল।

    ম্যাদলেন বলল, ঠিক আছে। ব্যাপারটা পরে ভেবে দেখতে হবে।

    এই বলে সে করমর্দনের জন্য জেভার্তের দিকে হাতটা বাড়াতেই পিছিয়ে গেল জেভাৰ্ত। কড়াভাবে বলল, এ হতেই পারে না। একজন ম্যাজিস্ট্রেট কখনও একজন পুলিশের লোকের সঙ্গে করমর্দন করে না। আমি পুলিশ অফিসারের ক্ষমতা ও পদমর্যাদাকে কলুষিত করেছি। আমাকে আর অফিসার বলা উচিত নয়।

    মাথাটা নত করে অভিবাদন জানিয়ে ঘর থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় ঘুরে দাঁড়িয়ে জেভার্ত বলল, ঠিক আছে মঁসিয়ে মেয়র, আমার প্রার্থনা মঞ্জুর না হওয়া পর্যন্ত আমি কাজ করে যাব।

    জেভার্ত চলে গেল। মঁসিয়ে ম্যাদলেন চিন্তান্বিতভাবে দাঁড়িয়ে বারান্দার উপর তার দৃঢ় পদক্ষেপের ক্রমবিলীয়মান শব্দগুলো শুনতে লাগল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleটয়লার্স অভ দ্য সী – ভিক্টর হুগো
    Next Article কেন আমি নাস্তিক – ভগৎ সিং

    Related Articles

    ভিক্টর হুগো

    টয়লার্স অভ দ্য সী – ভিক্টর হুগো

    November 6, 2025
    ভিক্টর হুগো

    দ্য ম্যান হু লাফস – ভিক্টর হুগো

    November 6, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }