Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    লোটাকম্বল – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প1632 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ২.৩৮ God, like a gardener

    God, like a gardener, sows people as they are
    leaving them to grow without interfering here on earth.

    এমন ফাঁপরেও মানুষ পড়ে! বৃদ্ধ পণ্ডিতের অদ্ভুত এক আকর্ষণী শক্তি। বলতেও পারছি না, আমাকে যেতে হবে। আমার জন্যে সবাই অপেক্ষা করে বসে আছেন। দানাপানি পড়েনি পেটে। ঘরের কোথাও বোধহয় চাঁপাফুল আছে। ভুরভুর করে গন্ধ বেরোচ্ছে। বৃদ্ধ আমার সামনে বসলেন। একটা চৌকি টেনে নিয়ে হাতদুটো তার ওপর রাখলেন। আশি বছরের তুলনায় বেশ ভালই স্বাস্থ্য। চামড়ায় সামান্য কুঞ্চন।

    বৃদ্ধ প্রশ্ন করলেন, একটা গন্ধ পাচ্ছ?

    আজ্ঞে হ্যাঁ, চাপাফুলের।

    ত্রিসীমানায় কোথাও চম্পক নেই। রহস্যটা আজও আমার কাছে পরিষ্কার নয়, তবে এইসময় একটা স্বর্ণগোধিকা আসে বাগানে। তার শরীর থেকে এই গন্ধ বেরোয় কি না জানি না। তোমার জানা আছে?

    আজ্ঞে না। আমি তো কলকাতার ছেলে।

    ও, তার মানে সর্ব বিষয়ে অজ্ঞ। তোমরা তো দাসত্ব করার জন্যে জন্মাও। তুমি দাস হয়েছ?

    আজ্ঞে হ্যাঁ। একটা চাকরি করি।

    ঘোড়া হয়েছ?

    আজ্ঞে প্রশ্নটা সবিশেষ বোধগম্য হল না।

    মানে লাগাম চড়িয়ে কোনও রমণী পৃষ্ঠদেশে আরোহণ করেছে?

    আজ্ঞে না, বিবাহ এখনও করিনি।

    আর দেরি নেই এইবার হয়ে যাবে। শোনো, যে কারণে তোমাকে বসালুম, আমি নৈয়ায়িক, তোমাকে আমি বুঝিয়ে দেব কেন পৃথিবী শয়তানের! হিরণ্যকশিপুর নাম শুনেছ?

    আজ্ঞে হ্যাঁ।

    আর কিছু জানো?

    অসুর ছিলেন।

    সুর-অসুরের প্রশ্ন ছাড়ো। এই পৃথিবীরই এক সম্রাট ছিলেন। কার সন্তান? না মহাঋষি কশ্যপের সন্তান। বোঝে ঠ্যালা। ঋষিরও কাম আছে। তিনি আবার দুই স্ত্রী রেখেছিলেন দিতি আর অদিতি। আমরা এক বিবাহতেই ভয়ে মরি। ছেলেপুলে বেশি হলে লজ্জা পাই। এইবার কী হল? দিতি একদিন ভরসন্ধ্যাবেলা কশ্যপের কাছে এসে হাজির। পূজা-পাঠ-প্রার্থনার জন্যে নয়। সন্ধ্যার প্রদীপ দিতে বা শাঁখ বাজাতেও নয়। তিনি স্বামীকে বললেন, এসো আমাতে উপগত হও। আমি একটি বলবান পুত্র চাই। মহর্ষিও তেমনি, সন্ধ্যাহ্নিক ভুলে সেই কালবেলাতেই মেতে গেলেন কামকলায়। বলতে পারলেন না, সন্ধ্যা উত্তীর্ণ হোক, জপাহ্নিক সমাধা হোক, রাত্রি গভীর হোক, তারপর না হয় দেখা যাবে। শাস্ত্রের নির্দেশই আছে, প্রাতে দ্বিপ্রহরে সায়াহ্নে মিলিত হওয়া উচিত নয়। সন্ধ্যায় নিতান্ত সাধারণ মানুষও ক্ষণকালের জন্যে ঈশ্বর চিন্তা করে। যেমন ঋষি তার তেমন পত্নী। কশ্যপ জানতেন কামজ সন্তান সুসন্তান হতে পারে না। তিনি যে সময়ের, সেই সময় হল ভারতের আধ্যাত্মিক উন্মেষের কাল। বেদ, বেদান্ত, উপনিষদ তৈরি হচ্ছে ঋষিদের তপোবনে। প্রজনন কামক্রিয়া নয়, এক মহাযজ্ঞানুষ্ঠান। যোষারূপ অগ্নিতে বীৰ্যাহুতি। ছান্দোগ্য উপনিষদ বলছেন যোষাবাব গৌতম! অগ্নিঃ। তস্মিন্ এতস্মিন্ অগ্নৌ দেবা রেতো জুহুতি তস্যা আহুতেঃ গর্ভঃ সম্ভবতি। বুঝলে কিছু? সংস্কৃতর চর্চা তো উঠেই গেল দেশ থেকে। সায়েবরা সেবা দিয়ে বাঁচিয়ে রেখেছিলেন, দিশি সায়েবরা এসে সোজা গলায় ঠ্যাং তুলে দিলে। পাতলুন পরা বড় সায়েবের দল। দেশটা তেনাদের বাতকর্মে দুর্গন্ধময়। তুমি অমন ছটফট করছ কেন বাবাজি? প্রকৃতির ডাক?

    আজ্ঞে না, আমার তো এখনও আহারাদি হয়নি।

    সে তো আমারও হয়নি। আমার তো স্বপাক। তুমি ব্রাহ্মণ? আমার তো তাই মনে হয়।

    আজ্ঞে যথার্থই।

    তবে? ব্রাহ্মণের জীবনধারণের বিধি কী? আমি কীভাবে বললুম তুমি ব্রাহ্মণ? তোমার শরীরে কোথাও লেখা আছে? না, আছে তোমার সূক্ষ্ম শরীরে। আমি সেই সূক্ষ্মের বর্ণ দেখতে পাচ্ছি ব্রাহ্মণানাং সিতো বর্ণঃ ক্ষত্রিয়ানাং চ লোহিতঃ। বৈশ্যানাং পীতকশ্চৈব শূদ্রাণাম অসিতস্তথা ॥ পদ্মপুরাণে একথা বলা হয়েছে। মানুষের ভেতরের বর্ণ দেখা যায়, তোমরা ইংরিজিতে যাকে বললো টাইপ। ব্রাহ্মণের বর্ণ শুক্ল, ক্ষত্রিয়ের লোহিত, বৈশ্যের পীত, শূদ্রের কৃষ্ণ। শুক্ল মানে শ্বেত, মানে সাদা, অর্থাৎ ব্রাহ্মণ হবে সাত্ত্বিক। খাওয়া হল না খাওয়া হল না বলে ছটফট করছ। একদিন আহার না হলে মহাভারত অশুদ্ধ হয়ে যাবে! এক তো নিজেকে পতিত করে ফেলেছ শবৃত্তি নিয়ে। শবৃত্তির অর্থ বুঝলে?

    আজ্ঞে না। তবে ওই ধরনেরই একটা শব্দের অর্থ কুকুর।

    কাছাকাছি গেছ। শব্দটার অর্থ দাসত্ব। ব্রাহ্মণের দাসত্ব করা উচিত নয়। মনুর নির্দেশ, নিজের জীবনযাত্রার প্রয়োজন এরূপভাবে সংকীর্ণ করবে যেন কোনওদিন না শবৃত্তির আশ্রয় নিতে হয়। সংস্কৃত শুনলে ভয়ংকর উত্তেজিত হয়ে পড়ছ, তোমার মুখ দেখেই বুঝতে পারছি, তবু আমি বলব যাতে তোমার কান তৈরি হয় ঋতামৃতাভ্যাং জীবেৎ তু, মৃতেন প্রমৃতেন বা/ সত্যান্তাখ্যয়া বাপি ন খুবৃত্ত্যা কদাচন ॥ ব্রাহ্মণ ঋত ও অমৃত দ্বারা, মৃত ও প্রমৃত দ্বারা, সত্য ও অনৃতদ্বারা জীবিকা অর্জন করবেন, কদাচ শবৃত্তি করবেন না। এইবার আমার পিসবাবু পড়েছেন বিপদে। শ্লোকে বহু শব্দ, যার অর্থ তিনি জানেন না। তাকিয়ে আছেন বোকার মতো। ঋতের অর্থ কী? শিলোঞ্ছবৃত্তি। সেটা কী? কৃষকেরা ফসল কেটে নিয়ে যাবার পর ক্ষেত্রে যে শস্যকণা পড়ে থাকে তা সংগ্রহ করে জীবনধারণ। অমৃতের অর্থ অ্যঞা, অর্থাৎ কারও কাছে কখনও কিছু না চাওয়া, মৃতের অর্থ ভিক্ষাচর্য। প্রমৃতের অর্থ কৃষিকর্ম আর সত্যানৃতের অর্থ বাণিজ্য! তুমি এই সবকটি করতে পারো; কিন্তু শবৃত্তি কখনও নয়।

    সাহস করে বললুম, যদি অনুমতি করেন তা হলে আমি এইবার নিজকর্মে যাই।

    আজ্ঞে না, তোমার এখনও ছুটি হয়নি। বলরাম এখনও তোমাকে ছুটি দেয়নি অবোধ। এই প্রসঙ্গের শেষ কথাটি তোমাকে বলা হয়নি। সেটি মহাভারতের বনপর্বে আছে। মানুষের জীবনের কাম্য কী? সুখ। সুখের লাগিয়া এ ঘর বাঁধিনু/অনলে পুড়িয়া গেল/অমিয়া-সাগরে সিনান করিতে/সকলি গরল ভেল।/সখি কি মোর করমে লেখি/শীতল বলিয়া ও চাঁদ সেবি/ভানুর কিরণ দেখি। /উচল বলিয়া অচলে চড়িতে/পড়িনু অগাধ জলে/লছিমী চাহিতে দারিদ্র বেঢ়ল/মাণিক হারানু হেলে ॥ জ্ঞানদাসের পদ। সবই সুখের লাগি। সুখ কোথায়? সুখ মহাভারতের বনপর্বে। যুধিষ্ঠির বলছেন ধর্মকে, পঞ্চমেহহনি ষষ্ঠে, বা শাকং পচতি স্বেগৃহে/অনৃণী চাপ্রবাসী চ স বারিচর মোদতে ।। হে জলচর যক্ষ! যে ব্যক্তি পঞ্চম বা ষষ্ঠ দিনে নিজের গৃহে বসে শাকান্নও পাক করে অথচ সে ঋণী ও প্রবাসী নয়, সে-ই সুখী। অতএব তুমি কী খাওয়ার জন্যে ব্যস্ত হচ্ছ! শবৃত্তির জন্যে তোমাকে তো প্রবাসী হতে হবে।

    অবাক হয়ে চেয়ে রইলুম পণ্ডিতমশাইয়ের শীর্ণ কিন্তু উজ্জ্বল মুখের দিকে, আপনি কেমন করে জানলেন?

    বৃদ্ধ রহস্যের হাসি হেসে বললেন, সৎ, সাত্ত্বিক, শাস্ত্রসম্মত জীবনযাপন করলে মানুষের মধ্যে একটা শক্তি জাগ্রত হয়! তার প্রমাণ তুমি এইমাত্র পেলে।

    আজ্ঞে আমি এইবার আসি হলে। এইবার আমাকে খুঁজতে বেরোবে। বিশ্বাস করুন আমি প্রায় সবই বুঝতে পেরেছি।

    তুমি কিছুই যে বোঝোনি তোমার আচরণই তার প্রমাণ। তুমি শুধু জীবিকার দাস নও তুমি সময়ের দাস, পরিবেশের দাস, ঘটনার দাস। তোমার অবস্থা খোটায় বাঁধা গোরুর মতো। তোমাকে অমূল্য কিছু সম্পদ দিতে চাইছি, তুমি নিতে পারছ না। তোমার ভেতরে আধ্যাত্মিক একটা আকাঙ্ক্ষা জেগেছিল না?

    আজ্ঞে হ্যাঁ।

    কোথায় গেল?

    মনে হয় চাপা পড়ে গেছে।

    তোমার কিন্তু সংস্কার ছিল। কু-চিন্তা আসে? কদাচারে অভ্যস্ত?

    আজ্ঞে না।

    তা হলে তো তুমি মহাপুরুষ হে! বৃদ্ধ হাহা করে ব্যঙ্গের হাসি হাসলেন। হাসি থেমে গেল। মুখ ভয়াবহ আকার ধারণ করল। চোখ রক্তবর্ণ। হিরণ্যকশিপুর মতো হুংকার ছাড়লেন, অনৃতভাষী। কুচিন্তা আর অবিরত বীর্যক্ষয় ছাড়া কারও এমন মলিন চেহারা হয় না। তোমার। স্মৃতি-মেধা-ধৃতি-পুষ্টি, সবই সছিদ্র পাত্রের জলের মতো বেরিয়ে যাচ্ছে। তুমি পাপাচারী।

    আজ্ঞে, বিশ্বাস করুন আমার অসুখ করেছিল।

    করেছিল কী? করে আছে। সেই অসুখ সারাতে হবে যুক্তি তর্ক বুদ্ধি দিয়ে। সংকল্প দিয়ে, শ্রম দিয়ে।

    বিশ্বাস করুন, আমি খুব চেষ্টা করছি।

    কোথায় বসে? জ্বরের রোগী বসে আছ আচারের ঘরে!

    আমাকে একজন বলেছেন ডন-বৈঠক মারতে। হাজার ডন, হাজার বৈঠক। তা হলে কুচিন্তা কুভাব কেটে যাবে।

    ঠিক, ঠিক বলেছেন। এ তো স্বামী প্রণবানন্দজি মহারাজের দাওয়াই। তা তোমার যা শরীর, পঞ্চাশে উঠতেই হার্টফেল করবে।

    একটা কথা বলব? আমার পিতা আপনার চেয়েও ক্রোধী। আমি এখন যাই। ওদিকটা সামলে আবার আসব।

    শোনো, যা দিয়ে শুরু সেটা শেষ না হলে যাবে কী করে! পৃথিবী শয়তানের এইটাই তো ছিল আমাদের প্রমেয়। বললেই তো হল না, প্রমাণ করতে হবে। ধরো আমি বললুম আকাশ নীল। তুমি দেখলে। দেখে বললে, আজ্ঞে হ্ৰা, আকাশ নীল। বিজ্ঞানী এসে বললেন, তোমরা দু’জনেই ভুল। করলে, আকাশ কালো, অজস্র ধূলিকণায় সূর্যকিরণ প্রতিফলিত হয়ে নীল দেখায়। বিজ্ঞানের প্রমাণ গবেষণাগারে। মতের প্রমাণ ন্যায়শাস্ত্রে, যুক্তিতে। আমি যদি বলি, মানুষ দেবতা নয় দানব, আমাকে যুক্তি দিয়ে প্রমাণ করতে হবে। সবার আগে নির্দেশ করতে হবে সংজ্ঞা। দানবের সংজ্ঞা কী? দেবতার সংজ্ঞা কী? আর দেব ও দানবের মাঝে মানবেরই বা সংজ্ঞা কী? দিতি যখন শয্যা ছেড়ে চলে যাচ্ছেন কশ্যপ তখন বললেন, তোমার চিত্ত অপবিত্র, তুমি কামাতুরা, তোমার দুই অধম পুত্র হবে, তারা হবে অসুর। তিনি যখন অসুর বলছেন, তখন অসুরের একটা সংজ্ঞা আছে। যেমন ধরো। আম। আমের সংজ্ঞা নির্দেশে বিচার্য কী কী? প্রথম আকার, আকৃতি, বর্ণ। দ্বিতীয়, তার অভ্যন্তর, তৃতীয়, তার স্বাদ। চতুর্থ বৃক্ষ। এখন তুমি যদি বলো আমের স্বাদ মিষ্টি, তা হলে হল না। আম ভীষণ মিষ্টিও হতে পারে, ভীষণ টকও হতে পারে। তোমাকে বলতে হবে অম্লমধুর। এইবার এসো জননী বৃক্ষে। আবৃক্ষসকল একইরকম দেখতে হলেও ফল মিষ্ট হতে পারে, অশ্লও হতে পারে, অতঃপর উপমা স্থানান্তর। বৃক্ষ থেকে মানবে। মানব যোনি থেকে দেবতা আবির্ভূত হতে পারে অসুরেরও জন্ম হতে পারে। যেমন, কশ্যপের দুই স্ত্রী, দিতি ও অদিতি। অদিতির পুত্ররা হলেন দেবতা, দিতির পুত্ররা হলেন দানব। সুতরাং আমের সংজ্ঞা নির্ধারণে বৃক্ষের যে ভূমিকা, দেব-দানবের সংজ্ঞা নির্ধারণে যোনিরও সেই ভূমিকা। অতএব ওটি গৌণ। আমাদের বিচার থেকে উৎসকে সরিয়ে রেখে আর একটি বিচার আনব যা ওই বিচার থেকেই উৎপন্ন, সেটি হল বীজ ও মৃত্তিকা। বীজ ও মৃত্তিকাকে ভেঙে আনব উপাদান ও পরিবেশ। পরিবেশকে ভাঙো, খনিজ উপাদান, জলবায়ু। বীজকে ভাঙো, অর্থাৎ বীজের সংস্কার। এখানে একটা ব্যতিক্রম চিহ্নিত করি। এক, ল্যাংড়ার বীজে ল্যাংড়াই হবে। দুই, হিরণ্যকশিপুর বীজে অসুরই হবে। প্রশ্ন, হিরণ্যকশিপুর প্রহ্লাদ হল কেন, কশ্যপের কেন হিরণ্যকশিপু হল? দ্বিতীয় প্রশ্ন, বীজ কি তা হলে মৃত্তিকার গুণে গুণান্বিত! অনুসন্ধান, ল্যাংড়ার কি গুণভেদ হয়? হয়। উত্তরপ্রদেশের ল্যাংড়া অতিশয় সুস্বাদু, আঁটি পাতলা, আঁশ নেই। পশ্চিমবাংলায় সামান্য আঁশ আছে, আঁটি বড়, স্বাদে অম্লমধুর। সিদ্ধান্ত, কশ্যপের বীজ, মূল বীজ, দিতির যোনি ভাল নয়, হিরণ্যকশিপু ও হিরণ্যাক্ষের জন্ম। হিরণ্যকশিপুর স্ত্রী কয়াধুর যোনি ভাল ছিল। তাই কশ্যপের বীজ হিরণ্যকশিপু বাহিত হয়ে কয়াধুর গর্ভে দেবোপম প্রহ্লাদের জন্মের কারণ। অতএব মৃত্তিকাই নিয়ামক। অর্থাৎ পৃথিবী হল অধঃপতনের স্থান। পতিত জায়গা। প্রমাণ…।

    আমি মৃত্তিকা ছেড়ে উঠেই পড়েছি। বিদ্যুৎগতিতে দরজার বাইরে থেকে জুতোজাড়া তুলে। নিয়ে দে ছুট। কোন দিকে দৌড়োচ্ছি খেয়াল নেই। একটা কালভার্টের ওপর এসে জুতো গলাবার ফুরসত হল। ওরে সর্বনাশ, কী পাল্লায় পড়েছিলুম! এক সাঁওতাল রমণী পাশ দিয়ে চলেছে। খোঁপায়। একটা কাঠি গোঁজা। এক থোকা সাদা ফুল। বয়স তেমন বেশি নয়। তবু সাহস করে জিজ্ঞেস করলুম, দোকানবাজার কোন দিকে বলতে পারেন ভাই! বেশ সাহসের দরকার হল। শুনেছি, সাঁওতাল যুবতীদের সঙ্গে কথা বললেই বন থেকে তির ছুটে আসে। মেয়েটি চিৎকার করল না, বরং হেসে জবাব দিল, সে-ও ওই দিকেই যাচ্ছে। তাকে অনুসরণ করলেই বাজার। আমি ভয়ে ভয়ে একটু পেছিয়ে গেলুম। ভয়ংকর শক্তিশালী চেহারা। পালিশ করা শরীর। উঁচু, নিচু, বর্তুল, যাবতীয় জ্যামিতির ছড়াছড়ি। অসহনীয়। কিছুক্ষণ অনুসরণের পর মনে হল, মন মহাভারত হয়ে যাচ্ছে। পণ্ডিতমশাইয়ের আর কী? তিনকাল গিয়ে এককালে ঠেকেছে। এখন তিনি দিবসের অষ্টমভাগে। শাকান্ন খাবেন। যুবকের মন কী বুঝবেন! এই যে আমি পশ্চাৎগামী আর ওই যে বনবালা পুরোগামী, ষাট বছর আগের পণ্ডিতমশাই হলে কী করতেন? এখন তো তার চর্পট-পঞ্জরিকা অবস্থা–অঙ্গং গলিতং পলিতং মুণ্ডং, দশনবিহীনং জাতং তুণ্ডম। এখন তো ভজ গোবিন্দং হবেই। হরিশঙ্কর বলেন, নিরামিষাশী কেন, না দাঁত আর পারমিট করছে না হাড় চিবোনো।

    হঠাৎ পেছনে হইচই, ওই তো, ওই তো যাচ্ছে।

    হরিশঙ্করের গলা, পাতাল প্রবেশ করেছিল।

    থেমে পড়ে পেছন ফিরে তাকালুম। তিনজন হন্তদন্ত হয়ে আসছেন, পিতা হরিশঙ্কর, ছোটদাদু, মোহনবাবু। তিনজনে এসে পড়লেন। হরিশঙ্কর বললেন, কী কায়দায় অদৃশ্য হয়েছিলে! গ্রামাঞ্চলে ভুলভুলাইয়া বলে একটা ভূত আছে, তুমি কি সেইরকম কোনও ভূতের পাল্লায় পড়েছিলে? তুমি জানো সবাই তোমার অপেক্ষায় থাকবে না খেয়ে। কবে যে তুমি একটু মানুষ হবে! মাছ ধরছিলে, না পাখি দেখছিলে?

    আজ্ঞে, ওসব কিছু নয়, আমাকে বলরাম পণ্ডিতমশাই ধরেছিলেন।

    মোহনদা বললেন, সর্বনাশ, তুমি ছাড়া পেলে কী করে! মহাপণ্ডিত, তবে ইদানীং মাথার গোলমাল দেখা দিয়েছে।

    আমাকে ওই চতুম্পাঠীর ভেতরে নিয়ে গিয়ে বোঝাবার চেষ্টা করছিলেন, পৃথিবীটা শয়তানের, ভগবানের নয়। তারপর একসময় আমি ছুটে পালিয়ে এসেছি।

    হরিশঙ্কর ভয়ংকর উল্লসিত হয়ে বললেন, তাই নাকি? এমন এক পণ্ডিত আছেন এখানে? আমার মতের সমর্থক। তা হলে এক রাউন্ড বসে যাই। এমন সুযোগ আর পাব না। আমি প্রথমে অস্বীকার করব। শুরু হবে তর্ক। কতকাল পরে আবার তর্কযুদ্ধ। প্রতিজ্ঞা, হেতু, উদাহরণ, উপনয়, নিগমন। ন্যায়শাস্ত্রের লন্ডভন্ড। চলো চলো, যাই। এমন সুযোগ আর পাব না।

    ছোটদাদুও লাফিয়ে উঠলেন, চল চল, দুই চৈতন্যের লড়াই দেখি।

    মোহনবাবু করুণ মুখে বললেন, একেবারে অবেলা হয়ে গেছে, যা হয় কিছু সেবা করে নিন আগে। পিত্তি পড়ে যাচ্ছে। বিমলা বসে আছে পথ চেয়ে। তা ছাড়া দুর্ভাবনা, ছেলেটা দামোদরেই চলে গেল কি না!

    হরিশঙ্কর বললেন, তা হলে একবার দর্শন করে যাই। অন্তত জানিয়ে যাই, আমরা আসছি, একঘণ্টার মধ্যে।

    আমি বললুম, পণ্ডিতমশাই মোহনবাবুর খুব প্রশংসা করছিলেন। তা তিনি নিজেও অভুক্ত। পণ্ডিতমশাইকে নিমন্ত্রণ করে নিয়ে গেলে হয় না?

    মোহনবাবু বললেন, তিনি স্বপাক ছাড়া খান না। আর এক যদি তার মা বেঁধে দেন। চলুন তাঁকে আমরা বলে চলে যাই।

    ছোটদাদু বললেন, আর কি আমরা সময় পাব! আমাদের তো যেতে হবে।

    মোহনবাবু বললেন, আজ আর যাওয়া হবে না। কাল সকালে বেরোবেন। দূরের পথ। পৌঁছোতে অনেক রাত হয়ে যাবে।

    আমরা সদলে চতুম্পাঠীতে প্রবেশ করলুম। জানতুম প্রথম থেকেই হরিশঙ্কর মুগ্ধ বিমুগ্ধ হতে হতে একেবারেই সমাহিত অবস্থায় চলে যাবেন। এত গাছ, ফুল, প্রজাপতি, কঞ্চির বেড়া, মৌচাক, ভ্রমর। আহা ওহো করছেন আর ছোটদাদু তাকে ঠেলছেন, চল, চল এগিয়ে চল এগিয়ে চল।

    অবশেষে পণ্ডিতমশাইকে পাওয়া গেল পেছনের বারান্দায়। ইটের মাঝখানে কাঠ জ্বেলেছেন। যত না আগুন তার চেয়ে বেশি ধোঁয়া। মাটির হাঁড়িতে ভাত ফুটছে। আস্ত একটা বেগুন জলচর প্রাণীর মতো হাবুডুবু খাচ্ছে। পণ্ডিতমশাই একপাশে বেশ আরামে বসে শাক বাছছেন। এতই তন্ময় আমাদের উপস্থিতি টের পেলেন না। নিজের ভাবেই মৃদু মৃদু হাসছেন। হঠাৎ বললেন, যাবে যাও। কে তোমাকে ধরে রেখেছে?

    মোহনবাবু যেই ডেকেছেন, পণ্ডিতমশাই, অমনি চমকে উঠেছেন, কার সঙ্গে কথা বলছেন?

    আরে একটু আগে একটি ছেলে এসেছিল, সে নাকি তোমার ওখানেই অতিথি হয়েছে, তাকে দেখতে ঠিক আমার সেই বড় ছেলেটার মতো, সেই যে গো জয়রাম, টাইফয়েডে মারা গেল, ছেলেটা ছুটে পালাল। অনেকদিন পরে তার সঙ্গে বেশ একটু শাস্ত্র আলোচনা হচ্ছিল, যেমন হত জয়রামের সঙ্গে, আহা বেচারার বোধহয় খুব খিদে পেয়েছিল, বুঝলে মোহন!

    পণ্ডিতমশাই, সে আবার এসেছে। সঙ্গে তার পিতা আর মহাসাধক দাদু এসেছেন।

    পণ্ডিতমশাই তাড়াতাড়ি উঠে দাঁড়ালেন। তাঁর কোল থেকে কিছু শাকপাতা ঝরে পড়ল। তিনি আকুল হয়ে বলতে লাগলেন, কোথায় আমার জয়রাম কোথায়, কোথায় আমার রাম!

    রাম রাম বলতে বলতে বৃদ্ধ অঝোরে কেঁদে ফেললেন। বৃদ্ধের চুল সাদা, বৃদ্ধের ভুরু সাদা, সাদা চোখের পাতা। দু’গাল বেয়ে জলের ধারা নেমেছে। ঠোঁটদুটো তিরতির করে কাঁপছে, আর মাঝে মাঝে শব্দ বেরোচ্ছে, রাম, জয়রাম।

    তিনি কাঁপতে কাঁপতে একপাশে হেলে পড়ছিলেন, ছোটদাদু এসে বুকে জড়িয়ে ধরলেন। তারপর ধীরে ধীরে বললেন, যো জিসকো শরণ লিয়ে সো রাখে/উসিকো লাজ/উলট জলমে মছলি চলে/বহি যায় গজরাজ। পণ্ডিতমশাই কার কথা?

    প্রশ্ন? আর যায় কোথায়, পণ্ডিতমশাই কিছুটা ধাতস্থ হয়ে বললেন, মহামান্য, এ তো তুলসীদাস!

    ছোটদাদু বললেন, তবে? অর্থ যথা পদধুলি হোয়, যৌবন নদী কর বেগ/মানুখ জলখে বিন্দু হোয়, জীবন ফেন করি লেখ ॥ এর অর্থ কী পণ্ডিতমশাই?

    ছোটদাদুর আলিঙ্গনমুক্ত পণ্ডিতমশাই বললেন, ধন পদরজের ন্যায় অতি তুচ্ছ, যৌবনদশা বেগবৎ চঞ্চল, নরগণের শরীর জলবিন্দু সদৃশ; অতএব ক্ষণভঙ্গুর দেহের জন্য আপাতত সুখকর সংসারসুখে কেন মুগ্ধ, মোক্ষলাভের নিমিত্ত ধর্মোপার্জনই কর্তব্য।

    তবে আপনি এমন বিচলিত হচ্ছেন কেন?

    মহাশয়, মানুষের ধর্মই হল বিচলিত হওয়া। কারণ মনই মানুষের কর্তা। আমার আমি যতদিন এই দেহকে ঘিরে আছে, ততদিনই আমার দুঃখ, সুখ, জরা, ব্যাধি। তেষু বিনষ্টেষু সসু স্বয়ং বিনশ্যতি। ধর্ম হল দুর্বল মানুষের হাতিয়ার। ঈশ্বর হলেন জ্বরের রোগীর কপালের জলপটি। রোগারোগ্য হয় না, সাময়িক উপশম হয় মাত্র। আপনাদের তত্ত্বকথা অনুলেপন মাত্র। আমি ভক্ত নই। আমি বিচারশীল এক মানব। ইহলোকাৎ পরো নান্যঃস্বর্গোহস্তি নরকা ন চ। ইহলোকের পর। স্বর্গও নেই, নরকও নেই মহামান্য। সবই এইখানে। ভস্মীভূতস্য দেহস্য পুনরাগমনং কুতঃ। আমার দুঃখ-বেদনা-অনুশোচনার কোনও প্রলেপ নেই। সহ্যই আমার শক্তি।

    হরিশঙ্কর সঙ্গে সঙ্গে এগিয়ে এসে করমর্দন করতে করতে বললেন, এই তো চাই, এই তো চাই। এতদিনে একজন বীর মানব খুঁজে পেয়েছি। এঁর শিষ্যত্ব গ্রহণ করা চলে।

    পণ্ডিতমশাই বললেন, অনুমান সঠিক, আপনি আমার জয়রামের পিতা।

    আজ্ঞে, জন্মদাতা।

    উপযুক্ত উত্তর। আপনি অতিশয় জ্ঞানী। আর ইনি এক বিশ্বাসী সাধক। মাতৃ উপাসক। মানবের পাঁচটি পিতা, পঞ্চপিতা, জন্মদাতা ভয়ত্রাতা কন্যাদাতা বিদ্যাদাতা অথবা দীক্ষাদাতা ও অন্নদাতা।

    মোহনবাবু আমার কানে কানে বললেন, হয়ে গেল। আজ সাড়ে সর্বনাশ। তিন জ্ঞানী একত্র হয়েছেন।

    পণ্ডিতমশাই আবার শুরু করলেন, জগৎকারণের মূল হল অহংকার। অহংকার দু’রকম, জীবের অহংকার, মানবের সমবেত অহংকার। সমবেত অহংকার সভ্যতার চাকা। আর যে-শক্তিতে পশু লেজ নাড়ে, সেই শক্তিই ব্যক্তির অহংকার। তর্জনগর্জন আস্ফালনাদি ইত্যাকার লাঙ্গুল সঞ্চালনাদি কর্ম, উপনিষদোক্ত, উত্তিষ্ঠত জাগ্রত। অহংকারশূন্য মানব কর্তিতলাল বৃহন্নলাবৎ।

    হরিশঙ্করের চোখমুখ উজ্জ্বল। সার-পাওয়া লতার মতো। তিনি উচ্ছ্বাস প্রকাশ করলেন, শাবাশ, শাবাশ।

    এমন সময় ভাতের ফেন উথলাল। মোহনবাবু বললেন, পণ্ডিতমশাই অন্ন প্রস্তুত। আপনি আহারাদি সেরে নিন, আমরা আবার আসছি।

    হরিশঙ্কর বললেন, শাক আপনি কীভাবে প্রস্তুত করবেন?

    অতি সহজ। পাত্রে জল, জলে কিঞ্চিৎ হলুদ, কালো জিরা ও লবণ। তাইতে শাক ছেড়ে দোব। সুসিদ্ধ হলে নামিয়ে নোব। অতিশয় সুস্বাদু।

    ছোটদাদু জিজ্ঞেস করলেন, এই আপনার দিবসের আহার? রাত্রিকালে?

    আমি একাহারী!

    শরীর দুর্বল হয়ে পড়বে না?

    মহাশয়, মেধাই আমার বৃত্তি। শরীর নয়। আমার কায়িক-শ্রম নেই বললেই চলে। আমার কোনও ক্ষয় নেই। কোনও দুশ্চিন্তা নেই। একেবারে গণিতের নিয়মে শরীর চলছে।

    গণিত! গণিত হরিশঙ্করের ঈশ্বর। মেধা হরিশঙ্করের ইষ্ট। তিনি লাফিয়ে উঠলেন, এই তো চাই। গণিত আপনার জীবন। আপনি সিদ্ধ মহাপুরুষ!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112 113 114 115 116 117 118 119 120 121 122 123 124
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleফাঁস – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    Next Article মধুর এক প্রেমকাহিনি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    গুহা – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    হর-পার্বতী সংবাদ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    সাজাহানের জতুগৃহ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    শ্রীকৃষ্ণের শেষ কটা দিন – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    মনুষ্যক্লেশ নিবারণী সমিতি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    মধুর এক প্রেমকাহিনি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }