Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    লোটাকম্বল – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প1632 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ২.৩৯ He that looks not before

    He that looks not before, finds himself behind

    শিশুকে যেভাবে ভুলিয়ে শান্ত করে তার আকর্ষণের ক্ষেত্র থেকে বাড়ি নিয়ে যাওয়া হয়, মোহনবাবু ঠিক সেইভাবে হরিশঙ্কর ও ছোটদাদুকে নিয়ে এলেন। বিমলাদি দাওয়ায় বসে আছেন আপনার ভাবে বিভোর হয়ে। পিন্টু লাল মেঝের ওপর উপুড় হয়ে শুয়ে, দু’হাতের ভরে চিবুক রেখে গভীর মনোযোগে কী একটা বই পড়ছে। পেছনের পা দুটো হাঁটুর কাছ থেকে মুড়ে ওপরে তোলা।

    আমাদের ফিরতে দেখে বিমলাদি তাড়াতাড়ি উঠে এগিয়ে এসে বললেন, আপনাদের ভারী দেরি হয়ে গেল আজ। কত বেলা হয়ে গেছে!

    ছোটদাদু বললেন, কিচ্ছু ভাবিসনি মা, আমরা সব চারটের পার্টি। সকাল সকাল খায় রোগীরা।

    পিন্টু অদ্ভুত কায়দায় গড়িয়ে মেঝে থেকে ঝপ করে উঠে বললে, ছোটমামা, তুমিও ছোট ছেলের মতো হারিয়ে যাও! হারিয়ে গেলে কী করতে হয় জানো? মামার নাম বলবে, আর বাড়ির ঠিকানা। তোমার মামা আছে তো?

    বিমলাদির দিকে তাকাতেই করুণ মুখে একঝলক হাসি এনে বললেন, ছেলের পাকাঁপাকা কথা শোনো।

    ব্যাপারটা খুবই দুঃখের। বাবার পরিচয়ে পরিচিত হবার উপায় নেই। মামার পরিচয়ই সব। শিশু জানে না তার জীবনের দুর্ভাগ্যটা কোথায়! যখন জানবে তখন সে একটা বেদনারই উত্তরাধিকারী হবে। পুরো ইতিহাস আমার জানা হবে না। তবে যদি ধর্মের কারণে বিচ্ছেদ হয়ে থাকে, তা হলে বিমলাদির কাছে আমার নিরুচ্চার প্রশ্ন, সংসার করতে গিয়েছিলেন কেন? এমন সুন্দর এক শিশুর জীবন কেন নষ্ট করলেন! পণ্ডিতমশাই ঠিক, পৃথিবী শয়তানের। এখানে ভগবানও সময় সময় শয়তানের রূপ ধরেন। না কি শয়তান ধরেন ভগবানের রূপ!

    আমরা লাইন দিয়ে খেতে বসেছি। এমন সময় মোহনদার এক পরিচিত এসে জানিয়ে গেলেন, দামোদর ভয়াবহ চেহারা ধারণ করেছে। জল বাড়তে বাড়তে একেবারে টইটম্বুর। যে-কোনও সময় কূল ছাপিয়ে যাবে।

    হরিশঙ্কর সঙ্গে সঙ্গে ভীষণ আগ্রহে বললেন, তার মানে বন্যা! বন্যা হলে আমি কিন্তু থেকে যাব! দুর্ভিক্ষ দেখেছি, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ দেখেছি, দাঙ্গা দেখেছি, ভূমিকম্প দেখেছি, মহামারী দেখেছি। দুটো জিনিস দেখা হয়নি, আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত আর বন্যা।

    মোহনদা বললেন, সে ভারী সুন্দর! কোনওরকমে বেঁচে গেলে অভিজ্ঞতার মতো অভিজ্ঞতা। শুধু জল আর জল। সব সমান। এ পাড়া ও পাড়া নেই সব একাকার। গাছপালা সব ছোট ছোট, ঝোঁপের মতো। বাড়ির চালগুলো শুধু জেগে আছে। সেই চালে বসে আছি আমি। শুধু আমি একা নই, আমার সঙ্গে গোরু আছে, ছাগল আছে, হাঁস-মুরগি আছে, সাপ আছে। ঘরে ঘরে মানুষ নেই, শুধু জল কলকল করছে। এরই মধ্যে ঘর ভাঙবে। ঝুপ করে দেয়াল ধসে পড়ে চালাটা ভাসতে ভাসতে চলে যাবে। না খাদ্য, না জল। এরই মাঝে আসবে নৌকো, হয় সেনাবাহিনীর না হয় মিশনের। অনেক দিন না-খাওয়ার পর খাওয়া, মরতে মরতে বেঁচে ওঠার কী আনন্দ। মরে না গেলে একটা অভিজ্ঞতা। বিহারে খুব বৃষ্টি হচ্ছে, বন্যা হলেও হতে পারে। আপনাদের ভাগ্যে থাকলে দেখা হবে। বন্যা আমাদের গা সওয়া। হলেই হল।

    হরিশঙ্কর বললেন, একবার নদীর ধারটা ঘুরে এলে হয়!

    ছোটদাদু বললেন, তুই কোনওরকমে আগে খাওয়াটা শেষ কর। নতুন ধরনের অভিজ্ঞতা হবে তো! সে অভিজ্ঞতাটা খুব সুখের হবে না। আমার সাধারণ বুদ্ধি যা বলে। যতটা পারো পেটে নিয়ে নাও। এমনও হতে পারে সাতদিন কিছু জুটল না।

    বিমলাদি পরিবেশন করতে করতে বললেন, এখন বন্যা হবে না। আরও পরে হলেও হতে পারে। মাসখানেক পরে। এ জল আমাদের বাগান পর্যন্ত এসে সরে যাবে। বড়জোর এই উঠোনটা। ভরে যাবে। এ দাওয়া থেকে ও দাওয়া জল ভেঙে ভেঙে যেতে হবে।

    পিন্টু বলল, দেখবে কত মাছ আসবে। সাপ আসবে সুন্দর সুন্দর।

    ছোটদাদু বললেন, অপূর্ব আহার হল। বিমলা মা আমার চমৎকার বেঁধেছে। এতসব করলে কখন?

    মোহনদা বললেন, বিমলা ভীষণ ভাল রাঁধে। ওর রান্নার জন্যেই আমার খদ্দের। মানুষকে খাইয়ে আনন্দ পায়।

    পিতা হরিশঙ্করের কানে কানে বললুম, কিছু তো কেনা হল না! উপহার!

    হরিশঙ্কর চুপিচুপি বললেন, ব্যবস্থা হয়েছে একটা।

    আমি আরও ফিসফিস করে বললুম, কী ব্যবস্থা?

    ছোটমামার পকেটে একটা সোনার মাদুলি ছিল তারা মায়ের চরণের ফুল ভরা। এর চেয়ে ভাল জিনিস আর কী হতে পারে! ধর্মের সংসার, বেশ মানিয়ে গেছে।

    ছোটদাদু ভীষণ পান ভালবাসেন। দাওয়ায় মাদুর বিছিয়ে বসেছেন। পেছনে পরিষ্কার ওয়াড়ে-ঢাকা বেঁটে মোটা তাকিয়া, সামনে পানের ডিবেতে সাজা পান। পাশে গোল ছোট্ট ডিবেতে চুন। আর একটা কৌটোয় জরদা। ছোটদাদু চারপাশ আলো করে বসে আছেন। হরিশঙ্কর কবি হয়ে গেছেন। গাছ, আকাশ, নদী, পাখি। সামনেই বাঁশঝাড়। হরিশঙ্কর বাঁশঝাড় ভীষণ ভালবাসেন। কচি, মসৃণ, তেলা বাঁশ তার কাছে কবিতার মতো সুন্দর।

    হরিশঙ্কর বললেন, একটাই অভাব। একটা ছোট পাহাড় থাকলে বেশ হত।

    ছোটদাদু বললেন, বাকি জীবনটা এখানে কাটালে কেমন হয়? আমাদের তো কোথাও কোনও বন্ধন নেই। বড় শান্তির জায়গা। একটা পঞ্চমুণ্ডীর আসন পেতে বসে পড়ো কাজের কাজে।

    হরিশঙ্কর বললেন, বসতে হলে হিমালয়ের কোলেই বসা ভাল।

    হিমালয় হল শিবের, বিষ্ণুর। তারার সাধনা গরম ছাড়া হয় না। কঁকুরে মাটি, জলের অভাব, ফোঁসকা পড়ানো ভীষণ গরম, একটা বেলগাছ, পাশেই মহাশ্মশান, হোমের আগুন, তবেই না তার। আবির্ভাব! বীরভূম, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া এই হল পীঠস্থান। চল না, আমার সঙ্গে একদিন শ্মশানে বসবি।

    হরিশঙ্কর বললেন, শ্মশান করেছি হৃদি, শ্মশানবাসিনী শ্যামা, নাচবি সেথা নিরবধি। আমি আর শ্মশানে গিয়ে কী করব? আমার জীবনটাই তো শ্মশান। প্রহরে প্রহরে স্মৃতির শৃগালের হুক্কাহুয়া। হরি বাঁচ, আরও বাঁচ। প্রতিদিন মরে মরে বাঁচ। মৃত্যুর হায়না রবীন্দ্রনাথের মতোই আমার জীবন নিয়ে খেলা করেছে। তার সেই অপূর্ব গান নিজেকে গেয়ে শোনাই, গরব মম হরেছ, প্রভু, দিয়েছ বহু লাজ/কেমনে মুখ সমুখে তব তুলিব আমি আজ। মুখুজ্যেমশাই, এর দাদু প্রেমিকের একটা গান। গাইতেন। গেঁথে আছে আমার মনে। সুরটাও ছিল অসাধারণ, পরজবাহার। মন দিয়ে শোন, তুই তো গান লিখিস। বিশাল বিশ্বফলকে আঁকিছু প্রতিপলকে/সীমা করি লোকালোকে, মহামোহ রাগ সারে ॥ আশারূপ মহাহ্রদে পড়ে যায় ধরিতে চাঁদে/কেহ কাঁদে মনের খেদে, মত্ত কেহ অহংকারে/ কেহ আনন্দে মগন পেয়ে তনয়-রতন/কেহ অশ্রু বিসর্জন করে মৃত সুত হেরে ॥ কল্পনা-পাদপতলে বসেছে কেউ কুতূহলে। কেহ ভাসে সকল ফেলে অকালে কাল-স্রোতনীরে/এ আকৃতির এমনি রীতি অসত্যে সত্য প্রতীতি। দেখ, আমি নাস্তিক। দেবদেবীতে আমার বিশ্বাস নেই। জীবন হল যাপনের জিনিস। যেমন কম্বল। গায়ে দাও। ছাতা মাথায় দাও। জুতো পায়ে দাও। মানুষ হল বদ্ধ উন্মাদ। একটা মাছি তৈরি করার ক্ষমতা নেই, ডজন ডজন দেবতা তৈরি করে বসে আছে। আমি নিৎসের মতোই মাঝে মাঝে প্রশ্ন করি নিজেকে, মানুষ ভগবানের মারাত্মক ভুল, না ভগবান মানুষের মারাত্মক ভুল। বিশ্বাস মানুষের মনে ঢোকানো যায় না, বিশ্বাস মানুষের মনে তৈরি হয়। ফুলের মতো ফুটে ওঠে। ঘাসের মতো অনায়াসে গজায়।

    হরিশঙ্কর অনেকক্ষণ চুপ করে থেকে বললেন, কেন অকারণে এত বকছি! প্রত্যেকেই প্রত্যেকের পথে হাঁটবে। পথের শেষে খুঁজে পাবে বেঁচে থাকার উপলব্ধি। এত যুক্তিতর্কের কী প্রয়োজন! কুকুরের লেজ বাঁকা, বাঁকাই থাকবে। ঘোড়ার লেজ সোজা ঝুলে থাকবে চামরের মতো। শত চেষ্টাতেও তার পরিবর্তন হবে না। বাজে না বকে, যাই দেখে আসি প্রকৃতির খেলা। দামোদরের জল কত দূর এল! পথে উঠে পড়েছে কি না?

    মোহনদা বললেন, পণ্ডিতমশাইয়ের টোলে যাবেন না? বললেন যে, খুব তর্ক হবে!

    হরিশঙ্কর উদাস মুখে বললেন, কী হবে অহংকারের কাঠি-নৃত্য করে? যুগ বদলে গেছে। শ্রীচৈতন্যের প্রেমের যুগ, শঙ্করের মেধার যুগ, বুদ্ধের বিচারের যুগ, প্রসাদের ভক্তির যুগ শেষ হয়ে গেছে। এখন চলেছে শিশ্নোদরের যুগ। খাও-দাও শুয়ে পড়ো কাঁথা মুড়ি দিয়ে।

    ঘোটদাদু বললেন, বিকেলটা তো কাটাতে হবে! পণ্ডিতমশাইয়ের আশ্রমটা ভারী সুন্দর। তর্ক না হোক দুদণ্ড বসা তো যাবে।

    হরিশঙ্কর কী ভাবলেন, চুপ করে রইলেন কিছুক্ষণ, তারপর বললেন, আজই আমাদের চলে যাওয়া উচিত ছিল। একটা কাজের জন্যে আমরা অনেকটা সময় খরচ করে ফেললুম।

    ছোটদাদু বললেন, আমরা কি আর করলুম! যাঁর ইচ্ছায় জগৎ-সংসার চলছে, তিনিই করাচ্ছেন।

    মোহনদা বললেন, আপনারা যে-দিকটায় যাবেন, সেদিকে বিশাল একটা জঙ্গল পড়বে। দুর্গাপুর হওয়ার পর, যত ডাকাত ছিল সব চলে এসেছে ওই তল্লাটে। কী দরকার, রাত্তিরবেলা ঝুঁকি নিয়ে! কাল সকালে যাবেন। একটা রাতের তো ব্যাপার। আপনারা মহাপুরুষ। একদিনের জন্যে আপনাদের একটু সঙ্গ করি। সকালে বলেছিলেন, লুচি-কুমড়োর ছক্কা খাবেন, রাতে সেইটাই হবে মহামায়ার ভোগ। একটু পুজো হবে, আরতি হবে। আমাদের দুঃখের জীবনে আর কী আছে! একটা আশা নিয়ে বেঁচে থাকি।

    ছোটদাদু বললেন, মহামায়া?

    মোহনদা বললেন, সে এক কাহিনি! সেবার বন্যা হয়ে গেল জোর। জল নেমে গেল। আমরা নেমে এলুম ডাঙা থেকে। ভিজে ভিজে তিন জ্বর। বাড়িঘর মাটি ভরতি। কোনওরকমে একটুখানি পরিষ্কার করে পড়ে আছি একপাশে। চোখ খুলতে পারছি না, পাশ ফিরতে পারছি না। রাত প্রায় ভোর হয়ে এসেছে। সে আমার স্বপ্ন, না আপনারা যাকে দর্শন বলেন, তা-ই বুঝতে পারলুম না। কুচকুচে কালো এক দেবীমূর্তি। আমার মাথার শিয়রে দাঁড়িয়ে বলছেন, হাত ধর। ডান হাতটা বাড়িয়ে দিলুম। ভোরবেলা ঘুম ভাঙল। দেখি হাতের পাশে বালিমাটির ওপর ছোট্ট এক দেবীমূর্তি শুয়ে আছেন। পণ্ডিতমশাই দেখে বললেন, মহামায়া। সেই থেকে সংসারে বেশ যেন একটা আঁট এসেছে। মনটা আর আগের মতো টলে না। সহ্য করার শক্তি অনেক বেড়ে গেছে। পুজো আমি। শিখিনি। যা পারি তা-ই করি নিজের মতো করে।

    ছোটদাদু বললেন, এসব কথা কারওকে কোনওদিন বলবে না। চেপে রাখবে নিজের ভেতর। চারপাশে কত অবিশ্বাসী আছে, তোমার সহজ সরল বিশ্বাস ভেঙে দেবে।

    মোহনদা বললেন, আপনারা মহাপুরুষ, তাই আপনাদেরই বললুম।

    কৃপা দয়া এইসব অযাচিত আসে। হয়তো পূর্বজন্মের কর্মফল। ছোটদাদু বললেন।

    হরিশঙ্কর বললেন, ওই একটা জিনিস আমি মানি, কর্মফল।

    এক খিলি পান মুখে ফেলে ছোটদাদু বললেন, কেন মানো? তুমি কি পুনর্জন্মে বিশ্বাস করো?

    হরিশঙ্কর বললেন, কর্মফল হল চাষবাসের ব্যাপার, এগ্রিকালচার, সেই কারণেই মানি। বীজ যেমন বুনবে সেইরকম ফসল তুলবে। যেমন কর্ম তেমন ফল। এ জন্মে না পেলে পরের জন্মে সেইটাই হবে তোমার ভাগ্য, ডেস্টিনি। তুমি বুঝতেই পারবে না কোথা দিয়ে কী হয়ে যাবে!

    ছোটদাদু বেশ আঁকিয়ে বসলেন। তাকিয়াটা টেনে নিলেন কোলে। মজলিশি মানুষ। দুঃখ, সুখ কোনও কিছুই তাকে স্পর্শ করতে পারে না। জ্ঞাতি শত্রুর অভাব নেই। তারা যা-তা অপবাদ রটায়। ভণ্ড বলে। বিষয়সম্পত্তির ভাগবাটোয়ারা নিয়ে অশান্তি করে। ছোটদাদু গ্রাহ্যই করেন না। কী সব ঘেউ ঘেউ করছে, কান না দিলেই হল। তুলসীদাসের মতো, হস্তী চলে বাজারমে কুত্তা ভুখে। হাজার/সাধুনকে দুর্ভাব নহি যও নিন্দে সংসার ॥ সবসময় একটা ডোন্ট কেয়ার ভাব। মানিকজোড় বলে। হরিশঙ্কর আর ছোটদাদু সেই মানিকজোড়।

    তাকিয়াটা কোলে টেনে নিয়ে ছোটদাদু বললেন, সেই গল্পটা শোনো। গভীর বন। মাঝরাত। এক তান্ত্রিক জবরদস্ত আয়োজন করে শবসাধনায় বসেছেন এক গাছতলায়। কারণবারি, ফুল, ছোলাভাজা। শব জাগলে তাকে ভোলাভাজা খাওয়াতে হবে। শবকে স্নান করিয়ে সাধক তার বুকে চেপে বসে খুব জপ করছেন। ওদিকে গাছের ডালে একজন উঠে বসে আছে। সে পথিক। রাত হয়ে গেছে দেখে বাঘের ভয়ে ডালে উঠে বসে আছে। শবসাধনায় সাধক অনেক বিভীষিকা দেখে। সাহস করে বসে থাকতে হয়। সাহস থাকলে সিদ্ধি, ভয় পেলেই মৃত্যু। শবই ঘাড় মটকে দেবে। সাধক সেই বিভীষিকা দেখতে শুরু করেছেন। ভয়ে এমন অবস্থা, ভাবছেন নেমে পড়ে দৌড় লাগাবেন কি না! এমন সময় কোথা থেকে বিশাল এক বাঘ এসে তন্ত্রসাধকের ঘাড় কামড়ে ধরে তুলে নিয়ে চলে গেল। পথিক বসে আছে গাছের ডালে। সে সব দেখছে। নীচে শুয়ে আছে শব। পূজার উপকরণ। প্রস্তুত। সে তখন আস্তে আস্তে নেমে এল গাছ থেকে। খুব ইচ্ছে হল, দেখাই যাক না, বসে কী হয়। আচমন করে বসে গেল শবের ওপর। একটু জপ করতে করতেই মায়ের দর্শন। সামনেই মা ভগবতী। তিনি বললেন, আমি তোমার ওপর প্রসন্ন হয়েছি, তুমি বর নাও। মা’র পাদপদ্মে প্রণত হয়ে সে বললে,, একটা কথা জিজ্ঞেস করি, তোমার কাণ্ড দেখে অবাক হয়েছি! যে-সাধক এত খেটে, এত আয়োজন করে, এতদিন ধরে তোমার সাধনা করছিল, তাকে তোমার দয়া হল না! আর আমি কিছু জানি না, শুনি না, সাধনহীন, ভজনহীন, জ্ঞানহীন, ভক্তিহীন, আমার ওপর এত কৃপা হল মা? ভগবতী হাসতে হাসতে বললেন, বাছা! তোমার জন্মান্তরের কথা স্মরণ নেই, তুমি জন্ম জন্ম আমার তপস্যা করেছিলে, সেই সাধনবলে তুমি বসতেনা-বসতেই আমার দর্শন পেলে। এখন বলল, কী বর তুমি চাও? এই হল কর্মফল। একটা বোকা, নিরেট, গাধামাকা লোক সিংহাসনে বসে। সবাইকে হুকুম করছে, আর বুদ্ধিমান বিচক্ষণ জ্ঞানী গুণী মানুষ হা অন্ন হা অন্ন করে পরের দাসত্ব করছে। বাংলায় একটা সুন্দর প্রবাদ আছে, কপালগুণে ঘি-ভাত, কপাল দোষে কী ভাত।

    মোহনদা বললেন, আমার অবস্থাটাই দেখুন না। কোন ঘরের ছেলে আজ কোথায় নেমে কী কাজ করছি!

    হরিশঙ্কর একটু অসন্তুষ্ট হয়ে বললেন, তাতে কী হয়েছে? সৎপথে সত্তাবে উপার্জন করার জন্যে যে-কোনও জীবিকাই গ্রহণ করা যায়। এতে অসম্মানের কিছু নেই।

    মোহনদা বললেন, না, আমি বলছি ভাগ্যের কথা। মানে আমার ভাগ্যটা চিরকালই তেমন সুবিধের নয়। আমার জীবনে কিছুই তেমন হতে চায় না। কত লোকের কত কী হয়!

    শোনো, ভাগ্যে বিশ্বাস করো শুধু শব্দটা পালটে নাও। ভাগ্যের জায়গায় বসাও কর্ম। যত খাটবে ততই তোমার বরাত ফিরবে। আমিও ভাগ্য বিশ্বাস করি। যত খাঁটি ততই আমার ভাগ্য ফিরে যায়। খাটলে খাঁটিয়া, আরও খাটলে খাট, আরও খাটলে সিংহাসন।

    মোহনদা বললেন, আমিও তো কম খাঁটি না!

    হরিশঙ্করের স্প্রিংয়ের মতো লাফিয়ে ওঠা দেখে ছোটদাদু ভয় পেয়ে গেলেন, কী হল?

    হরিশঙ্কর কোনও কথা না বলে সোজা চলে গেলেন দাওয়ার উত্তরপ্রান্তে। সেখানে দাঁড়িয়ে মোহনদাকে ডাকলেন। মোহনদা বেশ থেবড়ে বসেছিলেন দেয়ালে পিঠ দিয়ে। ভয়ে ভয়ে উঠে দাঁড়িয়ে আমাদের দিকে তাকাতে তাকাতে এগিয়ে গেলেন। হরিশঙ্কর মোহনদার কাঁধে হাত রেখে বললেন, এটা কী?

    ছোটদাদু বললেন, দেখে এসো তো, ওখানে মোহনের কোন ভাগ্য খেলা করছে? সৌভাগ্য না। দুর্ভাগ্য! খোলার চাল। বাঁশের বাতা। বাঁশের খোটা বেয়ে পুরু হয়ে উইপোকা নেমেছে। যেন উইয়ের নদী। মূলধারা থেকে শাখা-প্রশাখা খেলে গেছে। কিছু শুড় আবার হিলহিলিয়ে মাথা তুলেছে, অশুভ অঙ্গুলি-সংকেতের মতো। দেখলেই গা শিউরে ওঠে।

    হরিশঙ্কর বললেন, এটা কী মোহন?

    মোহনদা চমকে উঠলেন, এ তো উই ধরেছে।

    এটা উই নয় মোহন, এ তোমার আলস্য। আর এই আলস্যই তোমার ভাগ্য তৈরি করছে। আরও দেখবে?

    হরিশঙ্কর মোহনকে নিয়ে তরতরিয়ে আরও কিছুটা উত্তরে এগিয়ে গিয়ে বললেন, ওপরে তাকাও।

    মোহন ওপরে তাকালেন, ভাল করে দেখে বললেন, ঘুণপোকা ধরেছে।

    এরপর কী হবে? একদিন আচমকা ভেঙে পড়বে। ওই বাচ্চা ছেলেটাই এখানে বেশি খেলা করে। পড়লে তার মাথাতেই পড়বে। সেটা ভাগ্য? না তোমার আলস্য?

    মোহন মুখ কাচুমাচু করে বললেন, আজ্ঞে বাঁশ তো, ঘুণ আর উইপোকা ধরে ধরে আনে!

    একটা টুল নিয়ে এসো।

    টুল কী করবে?

    তোমাকে যা বলছি তাই করো।

    হরিশঙ্কর আমাকে বললেন, বিমলাকে ডেকে আনে।

    আমি জানি পিতা হরিশঙ্কর কী করতে চাইছেন! উেঁকি স্বর্গে গেলেও ধান ভানে। বিমলাদি বাড়ির পেছন দিকে বাসন মাজছিলেন। পিঠে ছড়িয়ে আছে এলো চুল। গুনগুন করে গান গাইছেন আর একটা লোহার কড়া শালপাতা ছাই দিয়ে ঘসঘস করে ঘষছেন। ঝকঝকে হয়ে গেছে, তবুও ঘষে যাচ্ছেন।

    বিমলাদি!

    চমকে ফিরে তাকালেন, বলল ভাই। জল খাবে বুঝি?

    আজ্ঞে না, বাবা আপনাকে একবার ডাকছেন।

    বিমলাদি বললেন, আমার হাতে একটু জল ঢেলে দেবে ভাই?

    সামনেই বালতি আর মগ। ফরসা গোল গোল হাতদুটো সামনে এগিয়ে দিলেন। সাবধানে জল ঢালতে লাগলুম। আমার পেছনেই একটা চালতা গাছ। ছায়া ছড়িয়ে আছে। একটা দোয়েল বেলা শেষের গান গাইছে। একটু পরেই উজ্জ্বল একটা দিনের মৃত্যু হবে। সেই দুঃখ পাখির ঠোঁটে গান হয়ে ঝরছে।

    বিমলাদি বেশবাস ঠিক করে হরিশঙ্করের সামনে গিয়ে দাঁড়ালেন, কাকাবাবু!

    আমাকে একটা খুন্তি এনে দাও। কেরোসিন তেল আছে?

    বিমলাদি একটু অবাক হয়ে বললেন, ঘি-ও আছে।

    এইবার হরিশঙ্করের অবাক হবার পালা। তিনি বললেন, ঘি কী হরে মা?

    রাতে লুচি খাবেন তো!

    তুমি কি ভাবলে কেরোসিন তেল দিয়ে লুচি ভাজব বলে খুন্তি চাইছি?

    আমি ঠিক ধরতে পারছি না কাকাবাবু।

    তোমাকে ধরতে হবে না, যা চাইছি নিয়ে এসো। সময় নষ্ট কোরো না।

    মোহনদা বীর হনুমানের মতো একটা টুল মাথায় করে এলেন কোথা থেকে। মালকোচা মারা ধুতি। টুলটা বেশ বড় আর ভারী। হরিশঙ্করের সামনে নামিয়ে রেখে হাঁপাতে লাগলেন। যে-টুল দু’হাতে তুলেও মোহনদা কাপছিলেন, সেই টুল হরিশঙ্কর এক হাতে অক্লেশে তুলে ঠিকমতো জায়গায় নিয়ে গেলেন। এই হলেন হরিশঙ্কর! কখন যে কোন শক্তি প্রকাশ পাবে! কখনও মেধা, কখনও দেহ! কখনও সূক্ষ্ম দেহ-বোধ। একেবারে পূর্ণমানব।

    মোহনদা বললেন, এক হাতে তুললেন কী করে! আমি যে দু’হাতে ধরেও কেঁপেছি।

    হরিশঙ্কর বললেন, তোমার ব্লাড সুগার হয়েছে মোহন। তাই ক্রমশই দুর্বল হয়ে পড়ছ। তোমার চিকিৎসার প্রয়োজন হয়ে পড়েছে। অঙ্কটা কী দাঁড়াচ্ছে জানো, আলস্য থেকে সুগার, সুগার থেকে আলস্য, আলস্য থেকে উই আর ঘুণ, ভাগ্যের কাঠামো বিধ্বস্ত।

    হরিশঙ্কর টক করে টুলে উঠে পড়লেন। বিমলাদি বললেন, সাবধান সাবধান, টুলে উঠছেন কেন? হরিশঙ্কর কোনওরকম উত্তর দেওয়ার প্রয়োজন বোধ করলেন না। খুন্তি দিয়ে উইপোকা চাঁচতে শুরু করলেন। চাবড়া চাবড়া উইমাটি ঝরে ঝরে পড়ছে। মোটা মোটা সাদা সাদা উইপোকা।

    বিমলাদি বললেন, আপনি নেমে আসুন কাকাবাবু, আমি করছি।

    নীচের দিক থেকে হরিশঙ্করের মুখ অন্যরকম দেখাচ্ছে। স্পার্টানদের মতো। কাজ করতে করতেই বললেন, দীক্ষা দেওয়ার মতো তোমাদের লজ্জা দিয়ে যাই। ঘণ্টার-পর-ঘণ্টা ঠাকুরঘরে বসে ভগবানের পায়ে ফুল চড়ালে, ভগবান এসে তোমার এইসব কাজ কোনওদিন করে দেবেন না।– ওই দিকটা একটু কম করে এই দিকটা একটু বেশি করে করো। বাড়িতে কোদাল আছে?

    মোহনদা বললেন, আজ্ঞে আছে। একজোড়া আছে।

    রেডি করে রাখো। এরপরই লাগবে।

    হঠাৎ হরিশঙ্কর টুল থেকে টুক করে নেমে এলেন। নেমে এসে বললেন, মোহন, এইবার তুমি ওঠো। তোমার কাজ তোমাকেই করতে হবে। ঠিক আমি যেভাবে চাচছিলুম তুমিও সেইভাবে চাচো। আমি ততক্ষণ একটা নুটি তৈরি করি, কেরোসিন লাগাতে হবে। বিমলা, বেশ মোটা দেখে একটা কাঠি জোগাড় করে আনেনা।

    মোহনদা বললেন, কাকাবাবু, আমাকে যে দোকানে যেতে হবে!

    এক ঘণ্টা পরে যাবে। বিকেলের দিকে তেমন খদ্দের হয় না, তুমি না বললেও আমি জানি।

    মোহনদা থমথমে মুখে টুলে উঠে পড়লেন। ছোটদাদু বসে বসে হাসছেন। আমি কাছে যেতেই বললেন, তোমার বাবা একটা চরিত্র! কেমন নজর দেখলে! বসে বসেই লক্ষ করেছে। মোহনের আজ দফারফা।

    ছেলেবেলায় রবিবার হলেই আমার ভয় করত। খাটতে খাটতে শেষবেলায় মনে হত আমি একটা গাধা।

    কেরোসিনের তীব্র গন্ধ ছড়িয়ে পড়ল। হঠাৎ হরিশঙ্কর আমাকে ডাকলেন, কেমিস্ট্রির ছাত্র তো! বলতে পারো বিমলার রান্নাঘরের ভেতর দিকের চালের বাঁশে কী আছে?

    প্রথমে মনে হল বলি, টিকটিকি, গিরগিটি, হেলে সাপ। তারপরেই মনে হল ওটা কেমিস্ট্রি নয়। ঝট করে মাথায় এসে গেল, বললুম, কোলটার।

    কেউ কিছু পারলে ঐশ্বরিক আনন্দে হরিশঙ্করের মুখ উজ্জ্বল হয়ে ওঠে। মোটা টাকার লটারি পেলেও তার এত আনন্দ হবে না। আমার উত্তর শুনে তিনি ছেলেমানুষের মতো চিৎকার করে উঠলেন, গুড, ভেরি গুড। যাও, তুমি আর বিমলা গিয়ে কিছুটা কালেক্ট করে আনেনা।

    মুখ ফসকে বেরিয়ে গেল, কীভাবে?

    মাথা খাটাও মাথা। নেসেসিটি ইজ দি মাদার অফ ইনভেনশন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112 113 114 115 116 117 118 119 120 121 122 123 124
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleফাঁস – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    Next Article মধুর এক প্রেমকাহিনি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    গুহা – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    হর-পার্বতী সংবাদ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    সাজাহানের জতুগৃহ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    শ্রীকৃষ্ণের শেষ কটা দিন – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    মনুষ্যক্লেশ নিবারণী সমিতি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    মধুর এক প্রেমকাহিনি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }