Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    লোটাকম্বল – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প1632 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১.২২ যে হও সে হও প্রভু

    যে হও সে হও প্রভু
    তুমি তো সোয়ামি
    যত কাল দেহ তোমার
    তত কাল আমি ॥

    বুকে ছলাত করে একটা শব্দ হল। বুকের শব্দ কানে আসে না। ধরা পড়ে ডাক্তারের বুক-দেখা যন্ত্রে। বলতে হয় তাই বললুম। উপন্যাসে পড়েছি, এইরকম পরিস্থিতিতে বুক ছলাত করে ওঠে। কনক বসে আছে আবছা অন্ধকারে গালে হাত দিয়ে, পায়ের ওপর পা তুলে। সে এক দৃশ্য। কেন জানি না, রঘুবংশের সেই স্বয়ংবর সভার কথা মনে পড়ে গেল। কোথা থেকে একচিলতে আলো এসে কনকের আঙুলে পড়েছে। আমি মাথা ঘোরালেই আঙুলের পাথর ঝিলিক মেরে উঠেছে। এ আংটি তো কনকের আঙুলে আগে দেখিনি। নিশ্চয় প্রতাপ রায় কোনও এক রাতে সোহাগ করে পরিয়ে দিয়েছে। পরাবেই। পরাবার মুরোদ রাখে রায়মহাশয়। আমার মতো ফেকলু নয়। আবার আমার কথা আসছে কেন? আমি কনকের আঙুলে আংটি পরাতে যাব কোন আনন্দে। আমার আবার অত মাতন কীসের! পাগলা দাশু। তবে কনককে অসাধারণ দেখাচ্ছে। রঘুবংশ ছাড়া অন্য কোথাও এর তুলনা নেই,

    বজ্রাংশু-গর্ভাঙ্গুলি রন্ধ্রমেকং ব্যাপারায়মাস করং কিরীটে ॥

    কালিদাস লিখেছেন, কোন রাজা আবার, যথাস্থানে স্থাপিত থাকা সত্ত্বেও যেন কিঞ্চিৎ স্থানচ্যুত হইয়াছে,–এমনই ভাব দেখাইয়া স্বহস্তে মস্তকের রত্নময় কিরীটটি তুলিয়া ঠিক করিয়া বসাইতে লাগিলেন। কিরীটখচিত উজ্জ্বল হীরকখণ্ডর প্রভায় তাহার অঙ্গুলির রসমূহ পরিপূর্ণ হইল।

    প্রবীরবাবু বললেন, তোমাকে ডাকছেন?

    আজ্ঞে হ্যাঁ।

    বাব্বা বলো কী! ভদ্রমহিলা কে?

    আমার মেসোমশাইয়ের মেয়ে।

    উঃ। তোমাদের কত কী যে আছে। আমার শালা, আমি ছাড়া আর কেউ নেই। যাও যাও, শুনে এসো।

    কনকের পাশে একটা চেয়ার খালি পড়ে আছে। বসা উচিত হবে কি না ভাবছি, কনক চাপাস্বরে বললে, বোসোনা।

    তুমি কি সিনেমা করতে এসেছ, কনক?

    আমার একটা হাত মুঠোয় ধরে কনক বললে, আমায় ভুলে গেছ?

    ভুলে যাব কেন? ভোলা কি অত সহজ। মানুষ কোনও কিছুই ভুলতে পারে না। মনের অতলে স্মৃতি হয়ে তলিয়ে থাকে। সুযোগ পেলেই ঠেলেঠুলে ওঠে।

    আমার হাতে কনকের মুঠোর চাপ কখনও জোর হচ্ছে, কখনও আলগা হচ্ছে। মেয়েছেলের ভালবাসায় আমার আর বিশ্বাস নেই, ঘেন্না ধরে গেছে। এবার আমি ঈশ্বরকে ভালবাসব। একতরফা ভালবাসা। দেনাপাওনার ব্যাপার নেই। প্রীত প্রীত সত্ কোই কহত, কঠিন তাসু কি রীত। আদি অন্ত নিব নাহি, বালকি সি ভীত ॥ প্রেম, প্রেম! প্রেম তো বালির বাঁধ। আজ আছ, কাল নেই। সাচ্চা প্রেম ঈশ্বরে। আমি ঈশ্বরকেই ভালবাসব। আমার হাত খামচালে কী হবে কনক। আমি যে জেগে উঠেছি। মোহনিদ্রা ভেঙে গেছে। দুনিয়ার হালচাল এই বোকাটা বুঝে ফেলেছে।

    হম যাকো চিন্তন করে মোহি মানত নহি।
    সো চাহভ জন অন্যকো সো নহি মানত তাহি ॥
    হমকো চিন্তত হয় অরু নারী।
    ধিক্ হৈ কাম ধিকধিক নর-নারী ॥

    আমি যার জন্য অধীর, তার মনে বাসা বেঁধে বসে আছে অন্য পাখি। সে পাখি আবার এ ডালে। বসে, উড়ে যায় অন্য বাগিচায়। পরস্ত্রী আর পরপুরুষ, এ ওকে, ও তাকে, বিশ্বাসঘাতকের দল। ধিক কামনা, ধিক বাসনা, নারীকে ধিক, আমাকে ধিক।

    কানের কাছে মুখ এনে কনক ফিসফিস করে বলল, কী, তোমার অভিমান হয়েছে?

    কী জানি, কনকের কথা বলার ধরনে কী ছিল, গলা যেন বুজে এল আবেগে। উত্তর দেবার ক্ষমতাই নেই তো উত্তর দেব কী! আশেপাশে সাংঘাতিক সাংঘাতিক সব লোক ঘোরাফেরা করছে। ফোঁপাতে ফোঁপাতে বলব নাকি, কেন, কেন তুমি চলে গেলে? হাতের তাস অত সহজে দেখাতে নেই।

    কনক বললে, বুঝেছি, তোমার অভিমান হয়েছে।

    আলোর বৃত্তে দাঁড়িয়ে বেঁটেমতো কে একজন হেঁকে বললেন, সাইলেন্স, সাইলেন্স। স্টার্ট ক্যামেরা, স্টার্ট সাউন্ড।

    কনকের হাতের মুঠোয় আমার শির-বেরকরা শীর্ণ আঙুল ধরাই রইল। কথা বন্ধ হয়ে গেল। আলোর বৃত্তে তাকিয়ায় ঠেসান দিয়ে বসেছেন সেই বিখ্যাত অভিনেতা, ছবি বিশ্বাস। এরই মধ্যে কখন গেরুয়া পরে ফেলেছেন। মেকআপে চেহারা একেবারে বদলে গেছে। ঘাড়ে নেমেছে কাঁচাপাকা চুলের বাবরি। ঠোঁটের ওপর পাকানো গোঁফ। এই জিনিসকেই ইংরেজিতে বলে, হ্যান্ডল বার মুশট্যাশ। জমিদারবাবু বসেছেন ফরাশে। সামনে বোতল আর গ্লাস। পাশেই উঁচিয়ে আছে আলবোলা। নলটা সামনে পড়ে আছে বাঘের ন্যাজের মতো। সেই বেঁটে মানুষটি ঘুড়ি ওড়াবার কায়দায় একপাশে পঁড়িয়ে, দুটো হাত নীচে থেকে ওপর দিয়ে তুলে ছেড়ে দিলেন। সংকেত জানালেন, শুরু। ঝলঝলে প্যান্ট পরা এক ভদ্রলোক ছবিবাবুর মুখের সামনে দুটো কাঠের টুকরো ধরলেন। কালো রং করা। খড়ি দিয়ে কী সব লেখা। চিৎকার করে বললেন, শট থ্রি, টেক ওয়ান। কাঠদুটো দুহাতে ফাঁক করে ঠাস করে ঠুকে দিয়ে, গুঁড়ি মেরে সরে এলেন।

    শুরু হল ছবিবাবুর খেলা। নিমেষে তার চেহারা পালটে গেল। চোখমুখ দেখলেই মনে হবে, কতক্ষণ যেন বসে বসে মদ্যপান করে বেশ একটু নেশাগ্রস্ত হয়েছেন। একেই বলে বড় অভিনেতা। বাস্তব থেকে কল্পজগতে যেতে পারেন চোখের পলকে। শূন্য দৃষ্টিতে এধার-ওধার তাকালেন। বোতল থেকে গেলাসে লাল জল ঢাললেন। অদ্ভুত কায়দায় সুদৃশ্য গেলাসটি ঠোঁটের ফাঁকে তুলে ধরে ছোট্ট একটি চুমুক মারলেন। হাত সামান্য কাঁপছে। এইবার গেলাসটিকে চোখের সামনে তুলে ধরে বলতে লাগলেন,

    জীবন, জীবন! মহাশূন্যে নক্ষত্রের হাহাকার! উল্কা, উল্কা! জ্বলে যাও, পুড়ে যাও। নীলাদ্রিশেখর, মৃত্যুর আর কত দেরি। সবাই তো চলে গেল, একী, আমি একা! এই জলসাঘরে আমি একা! ডান দিকে ঘাড় ঘুরিয়ে বললেন, কোই হ্যায়? বাঁ দিকে ঘাড় ঘুরিয়ে হাঁকলেন, কোই হ্যায়?

    মহা উল্লাসে পাশ থেকে কে একজন চিৎকার করে উঠলেন, ওকে, ওকে, স্টপ। ছবিবাবু। গেলাসটি সহজ হাতে সামনে নামিয়ে রেখে তাকিয়ায় কাত হয়ে মৃদু মৃদু হাসতে লাগলেন। সেই বেঁটে ভদ্রলোক নাচতে নাচতে এগিয়ে এসে বলতে লাগলেন, ছবিদা, ফাটিয়ে দিয়েছেন। লা জবাব। লা জবাব।

    কনকের ওপাশের চেয়ারে অন্ধকারে কে যেন এসে বসলেন। কনকের মুঠো থেকে আমার আঙুল খুলে এল। বন্ধনের এই হল ধর্ম, কখন যে খুলে পড়ে! এই আকর্ষণ, এই বিকর্ষণ। কে এসে। বসলেন, দেখার চেষ্টা করতে গিয়ে চমকে উঠলুম। প্রতাপ রায়। একেবারে সাহেবি পোশাক। চোখে ছাইছাই রঙের গগলস। ও, প্রতাপ রায় আসায় কনক আমার হাত ছেড়ে দিলে! বেশ ভাই বেশ, শাবাশ! লা জবাব। মেয়েরা বুঝি এইভাবেই ক্ষমতাশালী পুরুষের কাছে নিজেকে বিকিয়ে দেয়। যে হও সে হও প্রভু তুমি তো সোয়ামি/যত কাল দেহ তোমার তত কাল আমি।

    প্রতাপ রায় কনকের কানে কানে ফিসফিস করে কী যেন বললেন। তেমন বোঝা গেল না, শুধু কানে এল, ‘জয়টা হোপলেস, জয়টা হোপলেস।নক ফিসফিস করে বললে, পিন্টু, পিন্টু।

    আড়চোখে দেখছি, প্রতাপ রায় কনকের পাশ থেকে আমাকে একবার উঁকি মেরে দেখে নিলেন। সোজা হয়ে বসে বললেন, কী ভাগনে, কেমন আছ?

    ভাল আছি। আপনি? (দেখতেই পাচ্ছি বেশ মজায় আছেন, তবু আমড়াগাছি।)

    চলছে একরকম, বড় ঝামেলায় আছি। (তাই নাকি? রসে হাবুডুবু রসগোল্লার একটাই ঝামেলা, রসিকে খেয়ে ফেলে।)

    কী ঝামেলা?

    সে তুমি বুঝবে না। তোমার বোঝার বয়স হয়নি। বিষয়সম্পত্তি। মামলা মোকর্দমা। তোমার বাবা কেমন আছেন?

    ভাল।

    ভাল থাকলেই ভাল।

    কনকের দিকে ঝুঁকে পড়ে বললেন, জয়ের সঙ্গে আজ আমার একচোট হয়ে যাবে।

    কনক বললে, শুধু শুধু মানুষের সঙ্গে ঝগড়া করবেন না। আপনার সব ভাল, একটাই খারাপ। বড় তাড়াতাড়ি রেগে যান। ওটা ঠিক নয়।

    কী বলছ তুমি? পুরুষমানুষের রাগই হল ভূষণ। জড়োয়ার গয়না।

    সাইলেন্স, সাইলেন্স।

    আবার সেই নির্দেশ ভেসে এল। আড়চোখে দেখছি, কনকের হাতের মুঠোয় এখন প্রতাপ রায়ের হীরকভূষিত আঙুল। ধ্যাততেরিকা, মেয়েছেলের নিকুচি করেছে। আমার অবশ্য রাগ বা অভিমান করার কোনও মানে হয় না। কনক আমার কে। সম্পর্কে বোন। দূর সম্পর্কের বোন। এমন কিছু প্রেমের সম্পর্ক নয়। বাতাসে নিজেই অট্টালিকা তৈরি করছি, নিজেই ভেঙে ফেলছি। ওঃ মন কী জিনিস! চেয়ার ঠেলে ধীরে ধীরে উঠে দাঁড়াতে গেলুম, পেছন থেকে কে একজন মাথায় গাঁট্টা মেরে বসিয়ে দিলে। ও মনে ছিল না, সামনে ছায়াছবি তৈরি হচ্ছে। কায়াকে ছায়া করে সেলুলয়েডে চ্যাপটা করে ধরা হচ্ছে। শব্দ করা চলবে না। গাঁট্টা খেয়ে গোটাকতক কবিতার লাইন মনে পড়ে গেল, চলে মুসাফির গাহি/এ জীবনে তার ব্যথা আছে শুধু, ব্যথার দোসর নাহি!/নয়ন ভরিয়া আছে আঁখিজল কেহ নাই মুছাবার,/হৃদয় ভরিয়া কথার কাকলি, কেহ নাই শুনিবার।

    শট ফোর, টেক ওয়ান। খটাস করে কাঠের শব্দ।

    ছবিবাবু আবার অন্যরকম হয়ে গেছেন। সেই মাতাল জমিদার। কোই হ্যায়? কে আছে? শশী, শশী। ফতুয়া পরা একটা লোক, খাটো ধুতি পরে, কাঁপতে কাঁপতে সামনে এসে দাঁড়াল, হুজুর।

    কাট, কাট। পরিচালক নৃত্য করতে করতে এগিয়ে এলেন।

    এই আমার সুযোগ। চেয়ার ঠেলে উঠে, প্রবীরবাবু যেখানে ছিলেন সেই দিকে এগিয়ে গেলুম। ধনী ব্যক্তিদের পাশাপাশি বেশিক্ষণ থাকা উচিত নয়। বড় উত্তাপ, বড় অস্বস্তি। আমার প্রবীরবাবুই ভাল। মাতুলও কেমন যেন অস্বস্তিকর। বেশ একটু ধনগর্ব আছে।

    আবছা অন্ধকারে প্রবীরবাবুকে প্রথমে খুঁজে পাচ্ছিলুম না। বেশ ভয় পেয়ে গিয়েছিলুম। মাতুল দলবল সহ কোথায় যে অদৃশ্য হয়েছেন। কার ভেতর ঢুকে বসে আছেন, কে জানে? প্রবীরবাবুই ফিসফিস করে ডেকে জানান দিলেন। ছোট একটা প্যাকিং বাক্সের ওপর চুপ করে বসে আছেন।

    এত নিচু, মাটির প্রায় কাছাকাছি, তাই চোখে পড়েননি।

    প্রবীরবাবু বললেন, চলো, বাইরে যাবে?

    হ্যাঁ হ্যাঁ চলুন, এখানে হাপিয়ে উঠেছি।

    দু’জনে সেই কল্পজগৎ থেকে বাইরের জগতে মুক্তি পেয়ে যেন প্রাণে বাঁচলুম। রোদের আলোয় চোখ ঝাঁঝিয়ে যাচ্ছে। জিজ্ঞেস করলুম, মামা কোথায় বলুন তো?

    প্রবীরবাবু বললেন, অদ্ভুত ছেলে, আমাদের ফেলে কোথায় যে চলে গেল। ভীষণ জলতেষ্টা পেয়েছে। চলো না, বাইরে গিয়ে দেখি, কোনও দোকানটোকান পাওয়া যায় নাকি!

    উনি যদি হঠাৎ আবার খোঁজ করেন?

    তাও তো বটে। তা হলে তুমি থাকো, আমি যাই।

    আমি যাই মানে?

    আমি চলে যাই। এ জগৎটা আর আমার ভাল লাগছে না। এ যেন সব সঁাড়ে বসা টিয়া। রাধেকৃষ্ণ বলো পাখি, কৃষ্ণ কথা বলো। এখানে আমার কিছু করার নেই। বুঝলে ভাগনে। এ হল গিলটি সোনার জগৎ। আর জয়! জয়কে আমি চিনি। কল্পলোকের মানুষ। ওর কথায় যে নাচবে তার ভরাডুবি হবে। যখন যা নিয়ে মাতবে তখন একেবারে চূড়ান্ত করে ছেড়ে দেবে। তারপরে নেতিয়ে পড়বে। ভোরের ফুলের মতো। ফুটল যখন, বাগান মাত, তারপরেই ন্যাতা। তুমি এখানে ঘুরেফিরে বেড়াও। খেয়াল হলে ডেকে পাঠাবে। ঘুরে ঘুরে ভুইতারা দেখো।

    আমারও আর ভাল লাগছে না। চলুন পালাই।

    তা হলে তো কোনও কথাই নেই। তোমাকে আমার বাড়িতে নিয়ে যাব। আমার বোন বড় সুন্দর গান গায়। কিন্তু আগেই বলে রাখছি, আমরা বড়লোক নই। ভাঙাচোরা বাড়ি। অন্ধকার। তেমন বাতাস খেলে না।

    প্রবীরমামা, আমরাও বড়লোক নই। যাবার আগে মামাকে কোনওভাবে জানিয়ে যেতে পারলে শান্তি পাওয়া যেত।

    দাঁড়াও, ওই দেখো দামুবাবু আসছে।

    দৈত্য দামু চাবি ঘঘারাতে ঘোরাতে, শিস দিতে দিতে আসছেন। প্রবীরবাবু বললেন, এই যে স্যার, শুনছেন?

    দামুবাবু থেমে পড়ে, ভুরু কুঁচকে, টেরিয়ে তাকালেন। আর্টের চাহুনি। বলুন।

    আজ্ঞে, জয়বাবুর সঙ্গে একবার দেখা করতে চাই।

    কেন? আর কোনও একা নেওয়া হবে না।

    আমরা একা নই। আমি জয়ের বন্ধু, আর এ হল ভাগনে।

    সিনেমা লাইনে অনেক ভাগনে-ভাগনি ঘোরে। ও কায়দায় সুবিধে হবে না।

    আরে কী আশ্চর্য, আচ্ছা বেহেড মানুষ, আমরা তো একসঙ্গে জয়ের গাড়িতে এলুম, আপনি এরই মধ্যে ভুলে গেলেন। ব্রাহ্মী শাক খান।

    আরে খুব লম্বা চওড়া বাত বলছ ছোকরা। গলা টিপে তোমার দুধ বের করে দেব।

    প্রবীরবাবু বললেন, তা তুমি পারো। তোমার যা চেহারা। আমি তো ছারপোকা।

    তবে, শালা অত ফুটুনি কীসের?

    তোমার শ্যালক হবার ইচ্ছে নেই গো ভীম ভবানী। আমার ভগিনী তো তোমার কোলের শিশু।

    টেম্পার যা চড়েছে থামাতে না পারলে প্রবীরমামা ছাতু। কিছু না, দামুবাবু একবার ওপর দিয়ে গড়িয়ে গেলেই রোড রোলারের কাজ হবে। আমি খুব আদুরে গলায় বললুম, দামুমামা, আমার মামা সত্যিই মামা। তাঁকে বলবেন, আমরা চলে গেছি।

    কথাটায় বেশ কাজ হল। এতগুলো মামা একসঙ্গে ছেড়েছি। অনেকটা ‘রবিমামা দেয় হামা গায়ে রাঙা জামা ঐ’র মতো। সবেতেই মা। মা দিয়ে মাত।

    দামুবাবু নরম হয়ে বললেন, তোমাকে প্রথম থেকেই আমার চেনাচেনা মনে হচ্ছে।

    আজ্ঞে তা তো হবেই। আমার আর মামার মুখ প্রায় একই রকম।

    আই সি, আই সি। তা গুরুজি তো এইমাত্র বেরিয়ে গেলেন।

    প্রবীরবাবু আঁতকে উঠলেন, অ্যাঁ, কোথায় বেরোলেন?

    টাকার খোঁজে। সিক্স পাওনাদার ঘুরঘুর করে ঘুরছে, হ্যান্ডসরা সব বসে আছে, আগাম টাকা না। দিলে কেউ পা করবে না। যে-বন্ধুর টাকা দেবার কথা ছিল, সে বলছে, সিনেমা করবে না। এ সব

    ভেতরের কথা। বাইরে যেন লিক না করে। মালুম!

    হাঁ মালুম, কিন্তু গেল কোথায়?

    এক মহারাজের বাড়ি। টাকা না পান, কিছু মার্বেল পাথর তো পাবেন। একটা মেঝেতে ছবি দশ হাত এগোবে। লাঃ লা ট্রালা, ট্রালা। দামুবাবু গুরুজির রেস্ত ফুরিয়ে যাবার আনন্দে গান গাইতে গাইতে এগিয়ে চললেন।

    প্রবীরবাবু বললেন, তোমায় বলেছিলুম না, জয় বড় বিচিত্র চরিত্রের ছেলে। শিল্পী, তাই লোকে। বলে আত্মভোলা, তা না হলে বলত স্বার্থপর। সময়ে ও সবকিছু ভুলে যেতে পারে, স্ত্রী, পুত্র,

    পরিবার, এমনকী নিজের মঙ্গল অমঙ্গল।

    প্রবীরমামা, আমরা তা হলে এখন কী করব?

    এ জগৎ থেকে পালিয়ে চলো। এ আমাদের জায়গা নয়। নাম-পাগলদের আখড়া। চলো তোমাকে আমাদের বাড়িতে নিয়ে যাই। মুখ দেখে মনে হচ্ছে তোমার খুব খিদে পেয়েছে।

    তা পেয়েছে।

    আমার পকেটে পয়সা থাকলে তোমাকে দোকানে খাওয়াতুম। না না খাওয়াতুম না। দোকানে খাওয়া খুব খারাপ। বাইরে খাওয়া উচিত নয়। শরীর খারাপ হয়। আমাদের বাড়িতে চলো।

    উনি যদি ফিরে এসে আমাদের খোঁজ করেন।

    তুমিও যেমন! তোমার মামাকে তোমার চেয়ে আমি ভাল চিনি। চলে এসো, চলে এসো।

    ডান দিকে একটা খড়ের গাদায় আগুন লাগিয়ে কোমরে গামছা বাঁধা একদল লোক আগুন আগুন বলে চিৎকার করছে। নকল দাড়িগোঁফ লাগানো এক ভদ্রলোক নাচতে নাচতে বলছেন, সব জ্বলে যাক, পুড়ে যাক, শ্মশান হয়ে যাক। আহা তোমার কী রূপ, আহা তোমার কী রূপ, লকলক করছে, লকলক করছে।

    এ আবার কী ব্যাপার!

    প্রবীরবাবু বললেন, শুটিং হচ্ছে শুটিং।

    আগুন লাগলে এইভাবে কেউ নাচে।

    বাস্তবে না নাচলেও সিনেমায় নাচতে হয়।

    একটা ঠ্যালাগাড়ির ওপর ক্যামেরা। খড়খড় করে ফিল্ম ঘোরার আওয়াজ হচ্ছে। দু’জন মানুষ গাড়িটাকে ধীরে ধীরে ঠেলে নিয়ে চলেছেন। আগুনের হলকায় উত্যক্ত হয়ে একগাদা পাখি গাছের ডালে ডালে উড়ছে আর ডাকছে।

    আমরা রাস্তায় এসে পড়লুম। চারপাশে বড় বড় গাছ। রাস্তাটা বেশ ছায়াছায়া, নির্জন। হাঁটতে হাঁটতে আমরা ট্রাম ডিপোর কাছে চলে এলুম। প্রবীরবাবু বীরের মতো হাঁটছেন। গুনগুন গাইছেন, মুক্তির মন্দির সোপান তলে, কত প্রাণ হল বলিদান।

    আবার আমরা সকালবেলার সেই দুধ পড়ে যাবার জায়গায় চলে এলুম। ইতিমধ্যে সময় সরে গেছে। দীর্ঘ ছায়া নেমেছে। চারপাশের জেল্লা অনেক কমে গেছে। বড় রাস্তা ছেড়ে আমরা একটা ছোট রাস্তায় পড়েছি। হঠাৎ মনে হল, আমি কী কারণে বোকার মতো প্রবীরবাবুর বাড়ি চলেছি। চেনা নেই, জানা নেই। ভদ্রলোক শিল্পী, দু’-একটা ছবি দেখা যাবে। একসময় আমার খুব শিল্পী হবার ইচ্ছে ছিল। আর্ট কলেজে ভরতি হবার জন্যে পাগল হয়েছিলুম। পিতা বলেছিলেন, তোমাকে বড়লোকি নেশায় পেয়েছে। গরিবের ঘোড়া রোগ। না খেয়ে মরার ফিকির।

    প্রবীরবাবু থমকে দাঁড়িয়ে পড়ে পেছন ফিরে তাকালেন, কী হে, পেছিয়ে পড়লে কেন?

    পা চালিয়ে পাশাপাশি আসতেই আমার কাঁধে হাত রাখলেন পরম বন্ধুর মতো। রাস্তা ক্রমশই দু’পাশে চেপে আসছে। ক্রমশই যেন কলকাতার জঠরে প্রবেশ করছি। আলো-বাতাস কমে আসছে। এই শহরে মানুষ কীভাবেই না বাস করে। প্রবীরবাবু জিজ্ঞেস করলেন, কী, খুব কষ্ট হচ্ছে?

    আজ্ঞে না, আমার হাঁটা অভ্যাস আছে।

    হ্যাঁ, পুরুষমানুষ, সবরকম অভ্যাস রাখবে। জীবন তা হলে দেখবে, তোমার কাছে হেরে গেছে। যত ব্যথা পাই, তত গান গাই, গাঁথি যে সুরের মালা, ওগো সুন্দর নয়নে তোমার নীল কাজলের মায়া। শরীরটাকে একেবারে পাথরের মতো লোহার মতো করে ফেলবে। কোনও কিছুর প্রত্যাশা রাখবে না। দুঃখ পেলে হেসে উঠবে, সুখ দেখলে সরে আসবে। শূন্য সংখ্যাটার কিছু নেই, একেবারেই শূন্য, অথচ সবচেয়ে প্রয়োজনীয়। শূন্য না হলে দর্শক হবে না, শতক হবে না, সহস্র হবে, অযুত, নিযুত কিছুই হবে না। আমি সেই শূন্য রে ভাই। মহাশূন্যে ভাসছে জগৎ, ঘুরছে তারা, ঘুরছে চন্দ্র, শূন্য আছে সৃষ্টি আছে, গোলেমালে মাল রয়েছে, গোল ছেড়ে মাল বেছে নে।

    এই গলির মধ্যেও ছোট্ট একটা মুদিখানা মতো রয়েছে। প্রবীরবাবু থমকে দাঁড়িয়ে পড়ে বললেন, দাঁড়াও দু’পাতা চা কিনে নিই। বাড়িতে আছে কি না কে জানে? চা না খেলে আচ্ছা ঠিক জমবে না।

    প্রবীরবাবু যে-চা কিনলেন, আমি জানি সে চা খাওয়া ভীষণ শক্ত। কেমন একটা বুনো বুনো গন্ধ বেরোয়। আবার আমার কাঁধে হাত রেখে হাঁটা শুরু হল। রাস্তা বর্শার ফলার মতো ক্রমশই তীক্ষ্ণ হয়ে উঠছে। অবশেষে আমরা একটা ভাঙাভাঙা দরজার সামনে এসে দাঁড়ালুম। আমালাগা ইটের দোতলা হুমড়ি খেয়ে রাস্তায় নেমে আসতে চাইছে। বাড়িটা এমনই বসে গেছে। ওপর দিকে তাকালেই দোতলার জানলা। খয়া খয়া কাঠের পিঞ্জর। সারা বাড়িটার যেন যক্ষ্মা হয়েছে। সারা দিন রাত নীরবে কেশে চলেছে।

    দরজায় বিরাট বড় একটা কড়া। নিজের ভারে হেলে পড়েছে। কোনদিন উপড়ে চলে আসবে। প্রায় অসংলগ্ন সেই কড়া ধরে প্রবীরবাবু ঠকাস ঠাস করে তিনবার শব্দ করলেন। এ কড়া তেমন মুখরা স্ত্রীর মতো বাজে না, উদাসী বৃদ্ধার মতো হরি দিন তো গেল’র সুরে জরাজীর্ণ বিদায়ী ব্যথায় বাজে থেমে থেমে।

    প্রবীরবাবু ডাকলেন, ঊষা, ঊষা।

    সেই ডাক চারপাশের নোনা-লাগা বাড়িতে ধাক্কা খেয়ে ধ্বনিতে, প্রতিধ্বনিতে চারপাশে ছড়িয়ে পড়ল। বহু ওপরে এক টুকরো আকাশে আলোর পাখনা উড়ছে। হড়াস, একটা শব্দ হল। দরজার হুড়কো সরল। ইনিই কি ঊষা! প্রথমে নজরেই প্রেমে পড়ে যাবার মতো অবস্থা। কদর্য প্রেম নয়, শুদ্ধ, সাত্ত্বিক প্রেম। ঊষা না হয়ে, আমার মায়ের তুলসী নামটা যদি এঁকে দেওয়া যেত! অবশ্যই আমার পিতৃদেবের অনুমতি নিয়ে।

    প্রবীরবাবু একগাল হেসে বললেন, দেখ ঊষা, কাকে এনেছি!

    প্রবীরবাবু এখনও আমার কাঁধে হাত রেখে পঁড়িয়ে আছেন। আমরা যেন দুই মানিকজোড় মাঝরাতে মাল খেয়ে বাড়ি ফিরছি। কর্পোরেশনের হেলথ অফিসার আমাদের পরিদর্শন করছেন। প্রবীরবাবুকে আমার আর মামা বলতে ইচ্ছে করছে না, দাদা বলতে ইচ্ছে করছে।

    ঊষাদেবীর ঘাড়ের কাছে এলো খোঁপা। আয়তন দেখলেই বোঝা যায়, খুলে দিলেই পাহাড়ি নদীর মতো কোমর ছাপিয়ে লাফিয়ে পড়বে। সাদা শাড়ি, চওড়া নীল পাড়। হালকা নীল ব্লাউজ। দেহ আর মুখের গড়ন দেখার মতো। এ যেন নালন্দা আবিষ্কার। কোনারকের মন্দির থেকে অপরাহু বেলায় নেমে এসেছেন অপরূপা। কলকাতা ছুঁড়লে এমনি সব বিস্ময় কত যে পাওয়া যেতে পারে, কেউ জানে না।

    প্রবীরবাবু কাঁধ থেকে হাত নামিয়ে বললেন, আমার একমাত্র বোন ঊষা। পৃথিবীতে আমার আর কেউ নেই। আমি আর ঊষা। ঊষী, এ হল আমার বাল্যবন্ধু জয়নারায়ণের ভাগনে। ছেলেটা বড় ভাল, ঠিক তোর মতো।

    আগে তোমরা ভেতরে এসো তো। রাস্তায় দাঁড়িয়ে কী করছ?

    প্রবীরবাবু ঢুকতে ঢুকতে বললেন, ঊষী, আমাদের খুব খিদে পেয়েছে, জল-তেষ্টা, চা-তেষ্টা সব একসঙ্গে পেয়েছে। এই নে চা।

    এঃ দাদা, তুমি এই চা নিয়ে এলে। এ চা খেতে পারবে না তোমার–কী নাম? নামটা তো জানা হল না।

    প্রবীরবাবু বললেন, তোমার নাম?

    পিন্টু।

    বাঃ, ফাসক্লাস নাম। খুব পারবে, খুব পারবে, ও তো আর বর্ধমানের মহারাজার বাড়িতে আসেনি। আমরা যখন খেতে পারি, ও-ও পারবে।

    বাড়ির নীচের তলাটা একেবারেই জখম হয়ে গেছে। আহত অন্ধকার যুদ্ধক্ষেত্রে পরাজিত সৈনিকের মতো তালগোল পাকিয়ে পড়ে আছে। ভাঙা উঠোন থেকে একটা নড়বড়ে কাঠের সিঁড়ি দোতলায় উঠে গেছে। বারান্দায় ঝলঝল করছে কাঠের রেলিং। কিচ কিচ করে কোথায় একগাদা পাখি ডাকছে।

    দোতলায় উঠতেই প্রাণটা ভরে গেল। দেবালয়ের মতো পরিষ্কার, পরিচ্ছন্ন। ভারী মিষ্টি একটা গন্ধ। নাকে এল। ধূপ হতে পারে। বারান্দার শেষকোণে মাঝারি আকারের একটা তারের খাঁচা। খাঁচায় গোটা দশেক ছোট ছোট রঙিন পাখি, উড়ছে, দোল খাচ্ছে। এদেরই বোধহয় ক্যানারি বলে। একটা ফুটফুটে সাদা খরগোশ, থেবড়ে বসে আছে আপন মনে। মাঝে মাঝে মুখ তুলে পাখি দেখছে।

    ঊষা বললেন, তুমি জুতোটা এইখানে খুলে রাখো। দাদা, তোমরা ঘরে গিয়ে বোসো।

    ঘরে খাটফাট কিছুই নেই। অনাবশ্যক কোনও ফার্নিচার নেই। একপাশে সুন্দর একটা মাদুর সমান করে পাতা। তার ওপর ঝকঝকে একটা জলচৌকি। পাশেই নকশা করা ফুলদানিতে ছোট বড় অসংখ্য তুলি। গোটাকতক পরিষ্কার প্যালেট। দেয়ালে স্মরি সারি ছবি ঝুলছে, জল রং, তেল রং। আর একপাশে, আর একটা ছোট মাদুর। তার ওপর একটা হারমোনিয়ম, পাশেই একটা তানপুরা ঝুলছে। ঘরের আর এক কোণে বেশ বড় আকারের ফুলদানিতে রজনীগন্ধার গুচ্ছ গোঁজা। ফুলের গন্ধ সারাঘরে প্রজাপতির মতো ভাসছে।

    প্রবীরবাবু প্রথমেই পাঞ্জাবিটা খুলে ফেললেন। একটা দেখার মতো স্বাস্থ্য। দু-চারবার হাতের গুলি ভেঁজে নিয়ে আমাকে বললেন, তুমি ব্যায়াম করো?

    আজ্ঞে না, আমার বাবা করেন।

    হা হা করে ঘর-ফাটানো হাসি হেসে বললেন, এ যে দেখি সতীর পুণ্যে পতির পুণ্য। ওসব চালাকি চলবে না, বোজ ব্যায়াম করবে।

    আমার বাবার ব্যায়ামে খুব বিশ্বাস। উনি বলেন, যখনই দেখবে শরীর ম্যাজম্যাজ করছে, মন ঝিমিয়ে পড়ছে, তখনই মারবে পঁচিশটা ডন, পঞ্চাশটা বৈঠক।

    ঠিক বলেন, ঠিক বলেন। আমি ওঁকেই আমার গুরু করব। জীবনে গুরু চাই পিন্টু, গুরু চাই। সাধন করনা চাহি রে মনুয়া, ভজন করনা চাই। উষী-ই, কোথায় গেলি রে!

    প্রবীরবাবু নাচতে নাচতে ঘর থেকে বেরিয়ে গেলেন। তখনও গান চলছে, সাধন করনা চাহি রে মনুয়া। জলরঙে আঁকা একটা নিসর্গ দৃশ্য তখন থেকেই বড় টানছে। অমন একটা জায়গায় এখুনি যদি দৌড়ে চলে যাওয়া যেত।

    প্রবীরবাবু ওপাশ থেকে ডাকলেন, পিন্টু, চলে আয়।

    ডাকটা বড় ভাল লাগল। হঠাৎ যেন খুব কাছাকাছি করে নিলেন। উঁচু ডালে ফল ঝুলছে। কোনওরকমে সেই ফলের নাগাল পেয়ে গেলে যেমন আনন্দ হয়, সেইরকম একটা আনন্দের অনুভূতি হল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112 113 114 115 116 117 118 119 120 121 122 123 124
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleফাঁস – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    Next Article মধুর এক প্রেমকাহিনি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    গুহা – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    হর-পার্বতী সংবাদ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    সাজাহানের জতুগৃহ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    শ্রীকৃষ্ণের শেষ কটা দিন – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    মনুষ্যক্লেশ নিবারণী সমিতি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    মধুর এক প্রেমকাহিনি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }