Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    লোটাকম্বল – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প1632 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১.৩৩ অধরের তাম্বুল বয়ানে লেগেছে

    অধরের তাম্বুল বয়ানে লেগেছে ঘুমে ঢুলুঢুলু আঁখি

    সিঁড়ি ভেঙে যিনি উঠে আসছেন, তাঁকে আগে আমি কখনও দেখিনি। গোলগাল, আদুরে আদুরে চেহারা। টকটকে গায়ের রং। ডান গালে বেশ বড় লাল একটি আঁচিল। কেঁকড়া চুল, একমাথা, বাতাসে এলোমেলো। গিলে করা মিহি পাঞ্জাবি। এত মিহি নয় যে গেঞ্জি দেখা যায়। দুধের মতো ধবধবে সাদা। কালোপাড় ধুতি। পায়ে কালো ভেলভেটের চটি। গৌরবর্ণ পায়ে কালো চটি বড় আচ্ছা মানিয়েছে। কপালে সিঁদুরের ফোঁটা, মুখের লাল আভার সঙ্গে প্রতিযোগিতায় নেমেছে।

    আর পেছনে যিনি উঠছেন? দেখেই বুকের ভেতর ধড়াস করে উঠল। ইনিই সেই বর্ষারাতের ছবি। জীবন্ত হয়ে উঠে আসছেন? সিল্কের শাড়িতে বসন্তের পুষ্পিত উদ্যান। পাখি নেই তবু পাখি ডাকছে। ঈশ্বর কী যে একটা জিনিস তৈরি করে ফেলেছেন। নাকে আবার হিরের নাকছাবি। কানে ঝাড়লণ্ঠন। ননির হাতে মিছরির ছিলে-কাটা কয়েক সার চুড়ি। গলায় সোনার ইঁদুর-দাত, সৃষ্টিকর্তার তৃপ্তির হাসির মতো হারে মূৰ্হিত। সেই হারের গতি উপত্যকা বেয়ে পর্বতচূড়ার দিকে চলে গেছে। সিঁড়ি বেয়ে উঠছেন যেন মোলায়েম একটি ছন্দ! প্রতি পদক্ষেপে সিঁড়ির ধাপ রোমাঞ্চিত হচ্ছে। দু’পাশের দেয়াল যেন বলছে দেখো, দেখো। মানুষের পা কেমন করে এমন নিটোল হয়! নিতম্ব কেমন করে এমন দুঃসাহসী হয়ে ওঠে। মানুষের মুখে দেবতা কীভাবে এমন করে হাসেন, শরীর কেমন করে এমন কবিতা হয়, হাত কেমন করে এমন মৃণালকাণ্ডের মতো মহাপ্রভুকে স্মরণ করিয়ে দেয়।

    আমাকে আর রিসিভ করতে হল না। আমি হাঁ করা গঙ্গারামের মতো সিঁড়ির মাথায় বাক্যহারা হয়ে দাঁড়িয়ে রইলুম। মন বলতে লাগল, পালা ব্যাটা, বড় সুন্দরী, মনে গেঁথে গেলে, বঁড়শি-বেঁধা মাছের মতো অবস্থা হবে। পায়ে পক্ষাঘাত। পালাব কী, পা জমে গেছে। দুটো পাথরের স্তম্ভ।

    হাঁ-করা আমার সামনে দাঁড়িয়ে, সেই সুগৌর গিরিগোপাল বালামচালের মতো মিহি গলায়, মুখ থেকে বিরিয়ানির আতরের সুবাস ছড়াতে ছড়াতে বললেন, বাবা কোথায়?

    প্রশ্ন শুনে, শরীরের সাময়িক পঙ্গুভাব কেটে গেল। হঠাৎ মনে হল অতিশয় চাঙ্গা হয়ে উঠেছি। বললুম, বাবার এক্সপেরিমেন্ট ফেল করেছে। রং মেখে হতাশ হয়ে বসে আছেন।

    অ্যাঁ বলো কী? হরি, ঘাবড়ানি, ফেলিয়োর ইজ দি পিলার অফ সাকসেস!

    গলা যতটা তুলেছিলেন ঠিক ততটা নামিয়ে বললেন, রং নিয়ে কী করছে?

    এ প্রশ্নের উত্তর আমাকে আর দিতে হল না। পিতৃদেব এসে গেছেন। দেবতার মতোই দেখাচ্ছে। একেবারে লালবাবা। হাতে সেইসব ভজঘট। ছিপি, কাঁচের টিউব, রবারের নল। বিশ্বকর্মা শেকড় সমভিব্যাহারে উঠে এলেন।

    ভদ্রলোক হাসতে হাসতে বললেন, একেবারে ফ্রেশ ফ্রম গার্ডেন, কাশ্মীরি আপেলের মতো চেহারা। অ্যাঁ, তোকে ঠিক ড্যানি কে, বাস্টার কিটনের মতো দেখাচ্ছে যে রে!

    মেয়েটি টুক করে পিতার চরণে প্রণাম নিবেদন করলেন। এসো মা এসো মা বলে চিবুক ছুঁতেই ব্যাপারটি বেশ মনোরম হল। অধরের তাম্বুল যেন শ্রীরাধিকার বয়ানে লেগেছে। পিতার হাতের লাল রঙে চিবুক লাল, গালের একাংশ লাল।

    ভদ্রলোক বললেন, গিয়েছিলুম দক্ষিণেশ্বরে মেয়েকে নিয়ে। আঃ, দর্শন করে মন ভরে গেল। আহা মায়ের কী রূপ। নে মা, প্রসাদটা কোথাও রাখ। তা বুঝলি হরি, হঠাৎ তুই যেন টানলি। মনে হল, যাই একবার বিজ্ঞানীকে দেখে যাই। তা ভাই, তোমার হাতে এই জলকলমি, শাপলা, শালুকের মতো বস্তুগুলি কী?

    আর বলিস কেন পঙ্কজ, কমপ্লিট ফেলিয়োর, টোটাল ডেস্ট্রাকশন, লস অফ মানি, মেটিরিয়েল, ম্যান পাওয়ার। খাওয়াদাওয়া?

    মন যা বলছে বলব?

    ইয়েস।

    ভয়ে না নির্ভয়ে।

    নির্ভয়ে।

    এইখানেই হয়ে যাক।

    হয়ে যাক।

    একটা প্রস্তাব। আমি রাঁধব। এবং মাংস রাঁধব।

    পাবে কোথায়?

    এই যে আমার হাতে। হ্যাঁ হ্যাঁ, তুই কি আমায় এতই মূর্খ ভাবিস?

    ত্যাদোটা নয়।

    নিজেদের রসিকতায় নিজেরাই হইহই করে হেসে উঠলেন। মরা ডালে যেন ফুল ফুটছে। কড়িকাঠের ঘুলঘুলিতে চড়াইছানা চমকে জেগে চিচি করছে।

    তা হলে, পঙ্কজবাবু টেবিলে চাপড় মেরে বললেন, লেগে পড়া যাক। বুড়ি?

    মেয়ে প্রসাদের ঠোঙা হাতে এক পাশে দাঁড়িয়ে ছিল। সামনে এসে বললে, বলো বাবা?

    নাও মা, লেগে পড়ো। তোমার এই রাজবেশটি ছাড়ো। প্রসাদটা রাখো না, মা।

    রাখার জায়গাটা যে কেউ দেখিয়ে দিচ্ছেন না আমাকে।

    আহা, তুমি নিজে দেখে নাও।

    অলরাইট।

    অপর্ণা আপনজনের মতো সহজ ভঙ্গিতে ভেতরে চলে গেল। পিতা বললেন, যাও যাও, তুমি সাহায্য করো। কোথায় কী আছে দেখিয়ে দাও।

    পঙ্কজবাবু বললেন, তোর ছেলেটিকে বেশ দেখতে হয়েছে, হরি। মায়ের মুখটি একেবারে কেটে বসানো। খালি গায়ে সের দশেক মাংস লাগাতে পারলে একেবারে মাউন্টব্যাটেনের মতো দেখতে হত।

    কী আশ্চর্য মিল, পঙ্কজ। একবার ভেবে দেখেছিস?

    ওই মুখের মিলের কথা বলছিস!

    তোর মেয়ের মুখের সঙ্গে পিন্টুর মায়ের মুখ।

    উঃ, একেবারে সেন্টপারসেন্ট। সেন্টপারসেন্ট মিল। পৃথিবী জুড়ে কী যে সব হতে থাকে। কোথা থেকে কী যে হয়ে যায়। আমার তো মাঝে মাঝে রাতে ঘুম হয় না। ভাবতে ভাবতেই রাত কেটে যায়। দেখ হরি, সব মানুষই দার্শনিক। যার যার নিজের মতো। একটু চা হবে না!

    চা হবে না মানে! চা-ই তো আমাদের জীবন। একশো ফোঁটা রক্তে পঞ্চাশ ফোঁটা চা।

    পঙ্কজবাবু অট্টহাসি হেসে বললেন, রাক্ষসের প্রাণ যেমন ভোমরায়, তোর আর আমার জীবন তেমনি চায়ের পাতায়। বুঝলি হরি, বড় দুঃখ হয় রে!

    কীসের দুঃখ বল! তোর কীসের দুঃখ।

    দেখ, তোর বউ মারা গেল, মানে বউঠান মারা গেলেন, তুই সংসারে বড় একা, আমার কিন্তু সবাই আছে, একেবারে পরিপূর্ণ সংসার। আমার সব থাকবে, তোর কিছু থাকবে না, এরকম কেন হবে? খোদার এ কী বিচার! তোর কথা ভাবলেই আমার ভীষণ লজ্জা করে। তুই যোগী, আমি ভোগী। আমি কত ক্ষুদ্র, তুই কত বিশাল।

    দেখ পঙ্কজ, আমিও তোর কথা ভীষণ চিন্তা করি। আর যখনই চিন্তা করি, মনে ভীষণ বল পেয়ে যাই, ভাবি পঙ্কজ আমার পাশে আছে। সত্যি কথা বলতে কী, তুই আমার ভায়ের মতো।

    শুধু ভাই নয়, বল যমজ ভাই। একটু চা হলে মন্দ হয় না, কী বল?

    অফ কোর্স। চা ছাড়া জীবন অচল।

    বাট ওয়ান থিং, চা কে করবে?

    কেন আমি।

    না, তুই নয়, করবে বুড়ি।

    তোর মেয়ের কটা নাম?

    আমি বাপু বুড়ি বলেই ডাকি। তোর মেয়ে নেই বুঝবি না। মেয়েই হল বুড়ো বাপের একমাত্র ভরসা। কী শাসন! সবসময় আগলে আগলে রাখে।

    ভেতরের বারান্দায় অদ্ভুত এক দৃশ্য। দুটি মেয়ে দু’জনের দিকে তাকিয়ে থমকে দাঁড়িয়ে আছে। মুকু আর অপর্ণা। কারুর মুখে কোনও কথা নেই। বেড়াল যেন বেড়াল দেখেছে। এই অস্বস্তিকর অবস্থা থেকে দু’জনকে মুক্তি দেবার জন্যে পরিচয়টা আমাকেই করাতে হল, ইনি আমার মেসোমশাইয়ের মেয়ে, নাম মুকুলিকা, আমরা ছোট্ট করে ডাকি মুকু। মুকু, এঁর নাম অপর্ণা, আমার বাবার বন্ধুর মেয়ে।

    দু’জনেরই খুব সহবত। হাত তুলে নমস্কার বিনিময় হল।

    পেছনের সিঁড়ি দিয়ে কাকিমা গুটিগুটি উঠে এসেছেন। পানের মতো মুখ ঘামতেলে চকচক করছে। আমার পাশে এসে ফিসফিস করে জিজ্ঞেস করলেন, কে গো?

    ফিসফিস উত্তর, বাবার বন্ধুর মেয়ে।

    কী নাম?

    অপর্ণা।

    একটা চোখ ছোট করে কাকিমা বললেন, খুব সাবধান, তোমার উপযুক্ত ফাঁদ।

    অপর্ণা কাকিমার দিকে তাকাতেই, কাকিমা বললেন, বেশ মেয়েটি।

    মেয়েটির দিকে এগিয়ে গিয়ে কাকিমা চুলের বিনুনি নাড়তে নাড়তে বললেন, বাঃ, কী সুন্দর চুল! নাকটা নেড়ে দিয়ে বললেন, টিকোলো নাক। চোখদুটো দেখে বললেন, প্রতিমার মতো চোখ, ভুরু দেখে বললেন, ধনুকের মতো ভুরু, সবশেষে বললেন, গড়নটি কী সুন্দর! ভগবান তোমাকে। একেবারে ঢেলে দিয়েছেন।

    কাকিমা যত প্রশংসা করছেন, অপর্ণা ততই কুঁচকে যাচ্ছে। কাকিমা বললেন, তুমি যার হাতে পড়বে তার রাজার ভাগ্য।

    অপর্ণা অতি কষ্টে বললে, আপনি?

    আমি পিন্টুর কাকিমা।

    অপর্ণা প্রণাম করতে গেল। কাকিমা দু’হাত ধরে বুকের কাছে টেনে এনে বললেন, আমি ব্রাহ্মণ নই, মা।

    পিতা আর পঙ্কজবাবুর গলা পাওয়া গেল। কাকিমা তাড়াতাড়ি ঘোমটা টেনে নীচের সিঁড়ির দিকে এগিয়ে গেলেন।

    পিতা বললেন, একী অপর্ণা, তুমি এখনও ডাঙা পাওনি, জলেই পড়ে আছ? কই হে অবতার?

    আজ্ঞে বলুন।

    যাও দেরাজ খুলে দাও। পছন্দ করে একটা শাড়ি বেছে নাও। একেবারে নতুন শাড়িও আছে। এর মা পরার সময় পায়নি। জীবনটা তো খুব ছোট ছিল। লজ্জা কোরো না, লজ্জা কোরো না। এ তোমার নিজের বাড়ি।

    পঙ্কজবাবু বললেন, তুই জানিস না বুড়ি, আমরা দু’জনে হরিহর আত্মা। কত রাত এ বাড়িতে কাটিয়ে গেছি। হরি, তোর মনে আছে, সেই মহিষাদল রাজস্টেটের গাইয়ে অগস্তিমশাইকে। আঃ, কী গানই গাইতেন! এ বাড়িতে বহুকাল কোনও আসর বসেনি। জীবনটা কী হয়ে গেল!

    আর জীবন? এই তো জীবন। যেতে যেতে সবই চলে যায়। যে শেষে যায় তার বড় জ্বালা। সব দোরতাড়া দিয়ে চাবি বন্ধ করে, বারেবারে পেছন ফিরে তাকাতে তাকাতে যাওয়া।

    অগস্তিমশাই এখন কোথায়?

    জানি না রে। আছেন না গেছেন তাও জানি না। শিল্পীরা বেশিদিন বাঁচেন না।

    না না বেঁচে আছেন। বয়েস খুব বেশি নয়।

    পঙ্কজবাবু হঠাৎ মুকুকে দেখলেন, মেয়েটি কে?

    মেজদার ভায়েরাভাইয়ের মেয়ে, এখানে এসেছিল পরীক্ষা দিতে। ভেরি স্যাড, ভেরি স্যাড।

    স্যাড কেন?

    এর বড় বোনটি নিরুদ্দিষ্টা হয়েছে।

    সেকী? তল্লাশ চলছে?

    কিছু বাকি নেই, তোলপাড় চলছে।

    আঃ, এইজন্যই সংসার করতে নেই। একটানা-একটা অশান্তি পেছনে ফেউয়ের মতো লেগে থাকবেই। একটু চা হলে মন্দ হত না, কী বল হরি?

    অফকোর্স!

    কাকিমা সিঁড়ির বাঁকে দাঁড়িয়ে নিচু গলায় বললেন, আমি করে দোব বটঠাকুর? আমার উনুনে আঁচ গনগন করছে।

    পিতা চমকে ফিরে তাকালেন, অ্যাঁ, তুমি, আচ্ছা করবে করো। সেই ভাল চা-টা নিয়ে যাও।

    পঙ্কজবাবু বললেন, ইনি?

    আমার বাল্যবন্ধুর স্ত্রী। নীচেটা নো-ম্যানস ল্যান্ড হয়ে ছিল, তাই থাকতে দিয়েছি। স্বামীটি গুণী, সুন্দর তবলার হাত, তবে স্বভাবটি তেমন সুবিধের নয়। উড়োপাখি।

    সংসার কী জিনিস, হরি! দুটো পাখি কখনও এক ডালে বসতে পারে না। তোর বাগানের গাছগুলো বেশ বড় হয়েছে। বয়েস কীভাবে বাড়ছে, হরি?

    শশিকলার মতো।

    পঙ্কজবাবু আবার হইহই করে হেসে উঠলেন, দারুণ বলেছিস। তার মানে অমাবস্যা আসছে। ওটা কী গাছ রে? ওই যে কোণের দিকে। বিউটিফুল হলদে হলদে পাতা।

    ও, ওটা হল রিঠে গাছ। কী হল তোমরা এখনও পঁড়িয়ে? যাও দেরাজটা খুলে দাও।

    আজ্ঞে, ইনি গেলে তবেই তো খুলব?

    পঙ্কজবাবু আবার হোহো করে হাসলেন, বুড়ি, তোর কী রেসপেক্ট! ইনি৷ দুর, বোকা ছেলে। ইনি কী? ইনি? শাড়ি পরেছে বলে এত সম্মান! তুমি বলো, তুমি।

    দেরাজে থরে থরে সাজানো মায়ের স্মৃতি। বেনারসি, সিল্ক, ব্লাউজ, সোয়েটার, সোনা বাঁধানো পাশচিরুনি। ব্রহ্মদেশের বাঁশের তৈরি কারুকাজ করা গোল চৌকো বাক্স। সবই ছিল মায়ের। আর এক মা, আমার পাশে দাঁড়িয়ে অবাক হয়ে দেখছে। ঘরে একটা আলোআঁধারের খেলা চলেছে। দেরাজ থেকে কেমন একটা গন্ধ বেরোচ্ছে। স্মৃতির একটা সুন্দর মন-কেমন-করানো গন্ধ আছে।

    অপর্ণা দেখার জন্যে মাথা সামনে নোয়াল। ওর শরীর থেকে কেমন একটা উত্তাপ বেরোচ্ছে, ফুলের গন্ধ। দেরাজের ভেতরটা ঠান্ডা। একগুচ্ছ চুল কপালের ওপর দুলছে। দু’কানে ঝুলে থাকা দুটো দুল, আর পারি না, আর পারি না, ছন্দে দুলছে। নাকের নাকছাবি মাঝে মাঝে শিউরে উঠছে। পরনের সিল্কের শাড়ি নানা ষড়যন্ত্রে খিসখিস শব্দ করছে। আমার মন বলছে, চেয়ে দেখ, তোর জীবনসঙ্গিনী হতেও পারে, শুধু তুমি ঘাড়টি একটু কাত করবে, মুখে একটু লাজুক লাজুক হাসি টেনে আনবে। ব্যবধান মাত্র এক হাত।

    বুকের ভেতর এমন চেঁকিপড়ার শব্দ হচ্ছে কেন? কণ্ঠতালু কেন শুকিয়ে আসছে?

    তোর ঘোর লেগেছে। পৃথিবীতে এইরকমই হয়। এটা টপকাতে পারলেই মুক্তি। বড় শক্ত কাজ হে৷ এ যে বিশালাক্ষীর দ।

    কাকিমা তখন সৌন্দর্য দেখাচ্ছিলেন, নাক চোখ মুখ গড়ন রং। আমি গড়ন দেখছি। মাথায় আমার মতোই লম্বা। কিন্তু কী সুন্দর! মেয়েটির খুব জীবন আছে। সেই বলে না, এ অনেক দূর যাবে, এই মেয়েটিও আরও অনেক বাড়বে। সবে তো মুকুলিকা! ফুল হয়ে ফুটবে যেদিন! সিল্কের শাড়ি শরীর বেয়ে পায়ের গোড়ালি পর্যন্ত নেমে গেছে। কোথাও ক্ষীণ হয়েছে, কোথাও গুরু। নদীর মতো। স্থানে স্থানে শীর্ণ, স্ফীত। মানুষ মারার কল তৈরি করেছেন ঈশ্বর। ফাঁদ পেতেছেন বিশ্বজুড়ে।

    এক একটা শাড়িতে আলতো আঙুল বুলোত বুলোতে অপর্ণা বলছে, কী সুন্দর! কী সুন্দর! এসব আর দেখাই যায় না। সব আপনার মায়ের!

    মেয়েটির গলাও কী সুন্দর। মৃদু বাতাসে যেন ঝাড়লণ্ঠনের কাঁচ দুলছে।

    আজ্ঞে হ্যাঁ, সবই ছিল আমার মায়ের।

    আমাকে আপনি বলছেন কেন?

    বোকার মতো হাসলুম। চিরকালই আমি একটু বোকাবোকা। আমার পেটে খিদে, মুখে লাজ। বোকা বদমাশ।

    আমাকে তুমিই বলবেন। ওমা! এটা কী? ছোট ছোট ঘন্টা লাগানো ভেলভেটের সেই হাতপাখাটা অপর্ণা খুঁজে পেয়েছে। কোন দেশে তৈরি তা জানি না। তবে বড় সুন্দর জিনিস। নাড়লে বহু দূর থেকে ভেসে আসা প্যাগোডার ঘণ্টার শব্দ ঘুম পাড়িয়ে দিতে চায়।

    পাখা রেখে অপর্ণা বললে, উনি বললেন বটে, এসব শাড়ি আমি পরতে পারব না। সে যুগের দামি দামি শাড়ি পরলে নষ্ট হয়ে যাবে। আমার পরার অধিকার জন্মায়নি।

    দাঁড়ান, আমি তলার ড্রয়ারটা খুলি। অনেক আটপৌরে আছে। একটু সরুন।

    অপর্ণা একপাশে সরে গেল। হাঁটু গেড়ে বসে নীচের ড্রয়ারটা টেনে খুললুম। আমার ডান পাশ দিয়ে রমণীয় বৃক্ষের মতো উঠে গেছে রমণী-শরীর। যেন বসে আছি গাছের ছায়ায়। মাথার কাছে ঝুলে আছে পাতার মতো আঁচল। ব্ৰহ্মতালু ছুঁয়ে ছুঁয়ে যাচ্ছে।

    ফিকে গোলাপি রঙের একটা শাড়ি তুলে নিয়ে অপর্ণার হাতে দিয়ে বললুম, এইটা আপনি পরুন। একেবারে নতুন।

    শাড়িটা হাতে নিয়ে অপর্ণা বললে, আশ্চর্য সুতো। কত বছরের পুরনো, এখনও ঠিক আছে। তবে পরে বসতে গেলে ফেঁসে না যায়।

    ফেঁসে যাবার কথায় ঘাড় তুলে, আড়চোখে অপর্ণাকে একবার দেখে নিলুম। সেদিন ঘর মোছার সময় বসতে গিয়ে আমার অন্তর্বাস ফেঁসেছিল। বসার সময় কোথায় চাপ পড়ে আমি জানি। একযুগ আগের শাড়ি, ফঁসতেও পারে। অপর্ণার আয়তন আর ওজন দুটোই আমার চেয়ে বেশি।

    দরজার ওপাশ থেকে মুকু বললে, আমার একটা শাড়ি পরবে ভাই? কাঁচা পরিষ্কার।

    হ্যাঁ, সেই ভাল।

    মায়ের গোলাপি শাড়ি আবার স্মৃতির ভাণ্ডারে ফিরে এল। আমারও মন চাইছিল না। যাক, মেয়েতে মেয়েতে এবার বোঝাঁপড়া থোক।

    পুবের বারান্দায় বসে, দুই বন্ধুর চা চলছে। রকমসকম দেখে মনে হচ্ছে, এঁরা দু’জনেই ঘড়িটড়ির ধার ধারেন না। চা শেষ হবে। মাংস বাছা হবে, ধোয়া হবে। মশলা পেষা হবে। তারপর কষা হবে, সেদ্ধ হবে। ভাত চাপবে। আজ বরাতে লাঞ্চ নেই। একেবারে সেই ডিনার?

    ওপাশের ঘরে অপর্ণার চিৎকার শোনা গেল, ও মা গো, এটা কী রে বাবা? পিতা বললেন, দেখো দেখো, কী হল?

    মুকু মৃদু গলায় বলছে, কী হল ভাই, দরজাটা খোলো না!

    অপর্ণা তিড়বিড় করে বললে, মেঝেতে মালসার মতো কী একটা চলে বেড়াচ্ছে!

    উত্তরের ঘরে দরজা দিয়ে অপর্ণা শাড়ি ছাড়ছিল। বুঝেছি, ভয়ের বস্তুটি কী। বলাইবাবু। বড় রসিক মানুষ। সাহস দেবার জন্যে বললুম, ভয় নেই আপনার, ওটা একটা কচ্ছপ। আমাদের পোষা।

    ও মা, কচ্ছপ? কচ্ছপ আবার কেউ পোষে? কামড়াবে না?

    ও কামড়ায় না, ভারী ভাল ছেলে।

    ঘরের ভেতর দুদ্দাড় করে একটা শব্দ হল। বলাইবাবু অপর্ণা দেবীকে নাচ শেখাচ্ছেন। খটাস করে খিল খুলে উত্তরের ঘর থেকে অপর্ণা প্রায় ছুটে বেরিয়ে এল। মুকুর দেওয়া শাড়িটা কোনওরকমে গায়ে জড়িয়েছে। ছাড়া সিল্কের শাড়ি মেঝেতে ফুলে ফেঁপে পড়ে আছে। বলাইবাবু বেশ আরাম করে তার ওপরে চেপে বসেছেন। বলা যায় না,হঠাৎ যদি টেস্ট করে দেখার ইচ্ছে হয়। মুভুটি মাঝে মাঝে বেরিয়ে আসছে।

    শাড়িটাকে উদ্ধার করে এনে অপর্ণার হাতে দিলুম। এইসব মন-চঞ্চল করা কাজই তো আমাকে করতে হবে। এর নাম পরীক্ষা।

    শাড়িটা হাতে করে নিয়ে অপর্ণা বললে, ইস, ছি ছি, আপনাকে তুলে আনতে হল? কী লজ্জা? কচ্ছপ পুষেছেন কেন? কচ্ছপ কেউ পোষে! কামড়ালে, মেঘ না ডাকলে ছাড়বে না।

    বাজে কথা। কচ্ছপ নিরীহ প্রাণী। কখনও কামড়ায় না।

    শাড়ি পরার ধরনে অপর্ণাকে আশ্রমবালিকার মতো দেখতে হয়েছে। বড় বড় চোখে আমার দিকে অবাক হয়ে তাকিয়ে রইল। না, আর এখানে থাকা উচিত নয়। মুকু যেভাবে তাকাচ্ছে! অপর্ণা একটু এলোমলো হয়ে আছে। ঠিক ততটাই এলোমেলো, যতটায় যুবকের মতিভ্রম হতে পারে। আমাকে চরিত্রহীন ভাবছে। চরিত্র আবার কাঁচের গেলাসের মতো। কখন যে ঠুন করে ভেঙে যায়, কোন আঘাতে!

    মেসোমশাই গম্ভীর গলায় মেয়েকে ডাকলেন, মুকু।

    আসি বাবা, বলে মুকু প্রায় দৌড়ে চলে গেল। অপর্ণা ফিসফিস করে জিজ্ঞেস করল, কে, কে?

    মেসোমশাই। মুকুর বাবা।

    মেসোমশাইয়ের গলা শোনা গেল। মেয়েকে বলছেন, বড় গোলমাল হচ্ছে। কীসের এই উৎসব! তুমি দরজাটা ভেজিয়ে দাও। আমার জ্বর আসছে। একটু শুয়ে পড়ি।

    মেয়ে বললে, চলো বাবা, আমরা ফিরে যাই। এখানে পড়ে থাকার কোনও মানে হয় না। যা করার ওখানে বসেই করা যাবে।

    হ্যাঁ, আমিও তাই ভাবছি। শুধু শুধু এঁদের কষ্ট দিয়ে লাভ কী?

    মুকু দরজাটা ভেজিয়ে দিল। অপর্ণা অপরাধীর মতো মুখ করে বললে, আমি কি খুব জোরে চিৎকার করে ফেলেছি?

    না না। খুব আস্তে কথাও ওঁর এখন অসহ্য লাগে। বুঝতেই পারছেন, মনের অবস্থা খুব খারাপ।

    আমরা খুব বাজে দিনে এসে পড়েছি। বাবা যখন কোনও কিছু নিয়ে মেতে ওঠেন, তখন যেন

    সামলানোই দায়। যাই বলে আসি, অত হইচই করছ কেন?

    না না। অপর্ণার হাতটা প্রায় চেপেই ধরেছিলুম, খুব জোর সামলে নিয়েছি। একেই বলে সংযম!

    অপর্ণা বললে, মেসোমশাইয়ের জ্বর আসছে বলছেন, ওঁকে কিছু খাইয়ে দিলে হত না? এঁদের রান্না হতে তো সেই বিকেল পাঁচটা। যেমন আমার বাবা, তেমনি কাকাবাবু!

    আমার বাবার জীবনে তো কোনও আনন্দ নেই। শুধুই কর্তব্য। আজ আপনার বাবাকে পেয়ে তবু একটু মেতে উঠেছেন। এ মাতন তত বেশিক্ষণ থাকবে না। ম্যালেরিয়ার মতো, এই ছাড়ে, এই আসে। কী হবে বলে! সব আয়োজন এখুনি থেমে যাবে!

    মুকুকে তা হলে ডাকুন না। মেসোমশাইকে যা হোক কিছু খাইয়ে দিক।

    মুকুকে আমি ডাকতে পারব না, আপনি ডাকুন। আমার সঙ্গে কথা বলে না।

    কেন, ঝগড়া হয়েছে?

    না, ঝগড়া নয়। বড়লোকের মেয়ে। বেশ একটু গরব আছে।

    কই, আমি তো তেমন কিছু বুঝলুম না। আচ্ছা, দাঁড়ান দেখছি।

    অপর্ণা ভেজানো দরজা ঠেলে খুলতে খুলতে ডাকল, মুকু, মুকু। ঘরে একটা পা রেখেছে। মেসোমশাই চিৎকার করে উঠলেন, কে, কনক এলি, কনক? কনক?

    বড় হৃদয়বিদারক দৃশ্য। মুখ দেখলেই বোঝা যায়, মেসোমশাইয়ের বেশ জ্বর এসেছে। চোখদুটো ঘোর লাল। কনক, কনক করে, দু’হাত সামনে বাড়িয়ে এগিয়ে আসছেন। অপর্ণা এক পা এক পা করে পিছু হটছে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112 113 114 115 116 117 118 119 120 121 122 123 124
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleফাঁস – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    Next Article মধুর এক প্রেমকাহিনি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    গুহা – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    হর-পার্বতী সংবাদ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    সাজাহানের জতুগৃহ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    শ্রীকৃষ্ণের শেষ কটা দিন – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    মনুষ্যক্লেশ নিবারণী সমিতি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    মধুর এক প্রেমকাহিনি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }