Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    লোটাকম্বল – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প1632 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১.৪৯ সামনে যখন যাবি ওরে

    সামনে যখন যাবি ওরে থাকনা পিছন পিছে পড়ে

    আসুন, আসুন, বিষ্ণুবাবু আসুন।

    বিক্রেতা মাতুলের খাতির করার ধরন দেখে মনে হচ্ছে ইনি একজন ক্রেতা। পরনে ঝলঝলে ট্রাউজার, দু’পকেটঅলা বুশশার্ট। পকেটদুটো কাগজপত্রে ঠাসা। একটা পকেটে উঁকি মারছে সোনালি সিগারেট কেস। আর এক পকেটে লেদার পার্স। ভদ্রলোকের বেশ গোদা চেহারা। ভুড়ি-ওলটানো গামলার মতো বুশশার্টকে সামনের দিকে ঠেলে রেখেছে। চৌকাঠের ওপর দিয়ে ঘরে একটা পা ফেললেন, বেশ কম্পন অনুভব করা গেল। কাপডিশ চিন করে উঠল।

    অ, আসর বসে গেছে!

    আমার বলতে ইচ্ছে করল, আ, বসেছে। মুখে এসেও আটকে গেল। ভদ্রলোকের অবয়ব থেকে। ঐশ্বর্যের বদ গন্ধ বেরোচ্ছে। যা ধান্যেশ্বরীর গন্ধকেও হার মানায়, এমন বদবিটকেলে! আমরা সবাই মেঝেতে গালচের ওপর বসে আছি, তিনি দুম করে সোফায় গিয়ে বসলেন। সোফা সেই শরীরের ভারে নাচতে লাগল।

    পিতার চোখ অনুসরণ করছে প্রতিটি গতিবিধি, ভাবভঙ্গি। বেশ বুঝতে পারছি, মনে মনে বারকতক ভালগার বলা হয়ে গেছে। ভদ্রলোকের নীচের ঠোঁট অসম্ভব পুরু। দুধে ভেজানো কালো পাউরুটির মতো। আমার মনে হয়, ইনি খাবার সময় হুসহাস শব্দ করেন। ঢেউ করে ঢেঁকুর তোলেন। খেয়ে উঠে সঁত খোঁচান, দাঁতের ফাঁক থেকে খাদ্যাংশ বের করার জন্যে এক ধরনের চুসুক চুসুক শব্দ করেন। খাট কাঁপয়ে দুম করে পাশ ফেরেন এবং পাশবালিশ ব্যবহার করেন। নিঃসন্দেহে ইনি একজন মদমত্ত পুরুষ। ঘামে অবশ্যই দুর্গন্ধ আছে। পিতা একদিন নিশ্চয়ই বলবেন, ওয়েলদি ফ্রগ। সর্ব অঙ্গে টাকার পিটুইটারি গ্ল্যান্ড।

    সোফাকে আর একবার নাচিয়ে বললেন, স্প্রিং ঠিক আছে তো! একটু দেবে দেবে গেছে মনে হচ্ছে।

    মাতুল বললেন, না না, একেবারে নতুনের মতোই আছে। আমার কাছে জিনিসপত্র খুব যত্নেই থাকে। তা ছাড়া বাড়িতে ছোট ছেলেপুলে নেই।

    অ।

    পায়ের ওপর পা তুলে বারকতক নাচিয়ে নিলেন। বাহাদুর এসে এক প্লেট শিঙাড়া আর এক কাপ চা ধরে দিয়ে গেল। ভদ্রলোক হাত বাড়িয়ে শিঙাড়ার প্লেট নিতে নিতে বললেন, এসব আবার কেন, এসব আবার কেন। দু’আঙুলে একটা শিঙাড়া ধরে কামড় মেরেই হা হা করতে লাগলেন। গরম লেগেছে। মুখ দিয়ে যেন ড্রাগনের নিশ্বাস বেরোচ্ছে। কতটা গরম ঠিক আন্দাজ করতে পারেননি। কোনওরকমে গলা দিয়ে নামালেন। মুখ দেখে মনে হচ্ছে, বেশ কাবু হয়ে পড়েছেন। মা যেমন গরম-লেগে-যাওয়া সন্তানকে দুলিয়ে দুলিয়ে হাওয়া খাইয়ে শান্ত করার চেষ্টা করেন, ভদ্রলোক তেমনি আধ-খাওয়া শিঙাড়াটিকে হাওয়া খাওয়াতে লাগলেন। একটু সামলে নিয়ে বললেন, গান থামল কেন? চলুক না চলুক। একটু ভৈরবী-টেরবি।

    মাতুলের ভুরুর কাছটা কুঁচকে গেল। আমি জানি এই ধরনের কথা তিনি সহ্য করতে পারেন না। ভেতরে ভেতরে তেতে উঠছেন। ফেটে পড়লেন বলে। মাতামহের হাতের মুঠো খুলছে, বন্ধ হচ্ছে। এইসব ক্ষেত্রে সাধারণত তার যা বলার ইচ্ছে হয়, তা হল, ধুর মড়া! খুব কষ্টে নিজেকে সংযত রেখেছেন।

    এতক্ষণে পিতা মুখ খুললেন, জয়, ইনিই কি তোমার সেই সোফার ক্রেতা?

    আজ্ঞে হ্যাঁ।

    পেমেন্ট করেছেন?

    আজ্ঞে হ্যাঁ।

    কত?

    হাজার।

    ভদ্রলোক ফড়াস করে চায়ে চুমুক মেরে বললেন, এখন মনে হচ্ছে দামটা একটু বেশি হয়ে গেছে। সাতশো-টাতশো হলেই ভাল হত। আবার একটা দোর্দণ্ড চুমুক।

    পিতা কুমিরের চামড়ার সেই বাক্সটি খুলে, একটা দশ টাকার নোটের কড়কড়ে বান্ডিল হাতে তুলে নিলেন। বান্ডিলটা ভদ্রলোকের দিকে ছুঁড়ে দিয়ে বললেন, হিয়ার ইউ আর।

    নোটের বান্ডিল সোফায় পড়ে অল্প একটু নেচে উঠল। ভদ্রলোক কাপ নামিয়ে ভুরু কুঁচকে বললেন, এর মানে?

    পিতা বললেন, ভেরি সিম্পল। হাজার আছে কি না দেখে নিন, তারপর যেমন এসেছিলেন তেমনি চলে যান।

    কেন কেন, সোফা বিক্রি হবে না?

    না।

    তার মানে? আপনি কে?

    জানার প্রয়োজন নেই। চা খাওয়া হয়েছে? আচ্ছা, তা হলে আসুন।

    পিতা হাত জোড় করে মুখে অদ্ভুত এক হাসি ভাঙলেন। ভদ্রলোক বললেন, সেকী! মেয়ের বিয়ে, জামাইকে সোফাসেট দোব, সব ঠিক।

    বেশ তো নতুন কিনে দিন, কত আর পড়বে, এই ধরনের জিনিস হাজার তিনেকে হয়ে যাবে, তবে, বাঘছালের কভার হবে না।

    অ্যাঁ, এটা বাঘছাল নাকি?

    বসে আছেন, বুঝতে পারছেন না!

    বাঘছাল! সোফায় বাঘছালের কভার। এর দাম তো তা হলে দশ বারো হাজারও হতে পারে।

    অবশ্যই পারে।

    তা হলে?

    তা হলে টাকাটা তুলে নিয়ে দয়া করে আসুন।

    কে যে আপনি? কোথা থেকে যে উড়ে এসে জুড়ে বসলেন!

    মাতামহ দুম করে গালচের ওপর একটা চাপড় মেরে জানিয়ে দিলেন, আর বেশিক্ষণ সহ্য করব না। এইবার লেগে যাবে ধুন্ধুমার। মাতুল বললেন, কাকে কী বলছেন? জানেন ইনি কে?

    ভদ্রলোক বললেন, আমার জানার দরকার নেই। বিক্রির সময় উনি কি ছিলেন?

    মাতামহ বললেন, হরিশঙ্কর, আর তো সহ্য করা যাচ্ছে না। তোমার রাগ হচ্ছে না?

    রাগের বদলে দুঃখ হচ্ছে। এই ভদ্রলোকের কী অবস্থা দেখেছেন, লোভে একেবারে জরোজরো। দিগ্বিদিক-জ্ঞানশূন্য। শিকার ফসকে গেলে সব পশুরই এক অবস্থা হয়।

    ভদ্রলোক এবার উঠে দাঁড়ালেন। ঘরে একটা ঝাড়লণ্ঠন ঝুলছিল, সেই দিকে তাকিয়ে বললেন, এটা কী হবে?

    পিতা বললেন, ওটা যেমন ঝুলছে, ঝুলবে, আলো দেবে।

    অ। আর কিছু বিক্রি হবে, টি-সেট শরবত সেট?

    মাতামহ বললেন, হ্যাঁগো, এ যে একের পর এক ফ্যাচাং বার করছে।

    মাতুল বললেন, না, আর কিছু বিক্রি হবে না।

    অ, হঠাৎ তা হলে অবস্থার উন্নতি হয়ে গেল!

    সোফার কভারে আদরের হাত বুলিয়ে বললেন, সত্যি বাঘের ছাল?

    মাতামহ বললেন, সন্দেহ থাকলে চিড়িয়াখানায় গিয়ে বাঘের গায়ে একবার হাত বুলিয়ে এসো না বাপু।

    ভদ্রলোক দু’পা ফাঁক করে অসভ্য অহংকারীর মতো দাঁড়িয়ে, সোনার সিগারেট কেস থেকে সিগারেট বের করতে করতে বললেন, আর এক হাজার বাড়িয়ে দোব? কড়কড়ে হাজার।

    মাতামহ বললেন, একী গো! এ যে আমাদের সামনে সিগারেট ফোঁকার তালে আছে।

    মাতামহ গালচে ছেড়ে উঠতে যাচ্ছিলেন, পিতা হাত ধরে টেনে বসালেন, যাবেন কোথায়? পয়সা আর শূকরের বিষ্ঠা, দুটোরই একরকম গন্ধ, একটু সহ্য আপনাকে করতেই হবে। পালাবেন কোথায়?

    ভদ্রলোক বাঁকা চোখে তাকিয়ে কিছু একটা বলতে যাচ্ছিলেন, মাতুল হাত ধরে ঘরের বাইরে নিয়ে গেলেন। আর তখনই দেখলুম, লোকটির ঘাড়ে এক ধ্যাবড়া পাউডার।

    মাতামহ বললেন, বুঝলে হরিশঙ্কর, আমাদের বাবুর অদ্ভুত একটা ক্ষমতা আছে।

    কী ক্ষমতা?

    ভূত ধরার। এই মড়াকে কোত্থেকে ধরে নিয়ে এল বলো তো! সারাজীবন শুধু ভূত ভোজন আর ভূতের নৃত্য!

    কী করবে বলুন? আজকাল ভূত যে খুব জন্মাচ্ছে।

    ঘরের বাইরে ভদ্রলোকের চড়া গলা শোনা গেল, মাল তো পেলুমই না, উলটে ঠ্যালাভাড়াটাই আমার লস।

    পিতা উঠে বাইরে গেলেন। মাতামহ বললেন, আরে ওকে ধরো ধরো, চড়চাপড় মেরে দিতে পারে। বড় রাগী মানুষ।

    বারান্দার রেলিং-এ কনুই রেখে ভদ্রলোক সিগারেট ফুঁকছেন। পিতা নাকে রুমাল চাপা দিয়ে ধোঁয়ার প্রকোপ বাঁচাতে বাঁচাতে জিজ্ঞেস করলেন, মহাশয়ের ঠ্যালাভাড়া কত?

    দশ।

    পিতা বুকপকেটে হাত দিলেন। দরজার সামনে মাতামহ। তিনি বললেন, দশ কী হে! কোথায় যাবে? বেশি বলছে হরিশঙ্কর। ঝট করে দিয়ে দিয়ো না, একটু দরদস্তুর করা ভাল।

    ভদ্রলোক বললেন, কতটা যেতে হবে জানেন?

    কতটা? যতটাই হোক, তুমি যে লরির ভাড়া বলছ। পাঁচ দিয়ে ছেড়ে দাও, হরিশঙ্কর। পাঁচের বেশি হতেই পারে না।

    ভদ্রলোক বললেন, এই লোড নিয়ে কেউ পাঁচ টাকায় যাবে না।

    না যায় না যাবে, থাক আমার মাল পড়ে।

    পিতা বললেন, আপনি চুপ করুন। এই ক্লাসের সঙ্গে আজকাল আর তর্ক চলে না। যা চাইবে তাই দিতে হবে। দেশ যে স্বাধীন হয়েছে।

    ভদ্রলোক সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে বললেন, কোন ক্লাস?

    এই ঠ্যালাঅলা, রিকশাঅলা, রেলওয়ে পোর্টার।

    অ। তাই বলুন। আমি ভাবলুম, আমাকে বলছেন বুঝি।

    না, আপনাকে বলব কেন? এই নিন আপনার দশ টাকা।

    ভদ্রলোকের প্রকৃতই কোনও চক্ষুলজ্জা নেই। হাত বাড়িয়ে টাকা নিয়ে পকেটে পুরলেন।

    মাতামহ বললেন, বাবু এখনও হাল ছাড়েননি, জপাবার চেষ্টা চলছে।

    পিতা মাতামহের হাত ধরে ঘরে টেনে আনলেন। ঢুকতে ঢুকতে বললেন, আমাদের ছুটি। এখন আমাদের আর কিছু করার নেই। বেশ একটা পরিবেশ তৈরি হচ্ছিল, কোথা থেকে এসে সব ওলটপালট করে দিয়ে গেল।

    মাতুল ঘরে এলেন। ভদ্রলোক বিদায় নিয়েছেন। ঘরে ঢুকে মাতুল মৃদু হাসলেন। অপরাধীর হাসি।

    মাতামহ জিজ্ঞেস করলেন, কোথা থেকে তুমি এসব জিনিস আমদানি করো? যেমন সিন্ধুঘোটকের মতো চেহারা!

    এর বাবা মস্ত বড়লোক ছিলেন। ছেলেটা কেমন যেন একটু বখে গেছে।

    ছেলে আর বোলো না। দামড়া বলাই ভাল।

    পিতা বললেন, ওইরকমই হয়! বাপ বড় হলে ছেলে খারাপ হয়। বিদ্যাসাগরের ছেলে পানাপুকুর।

    মাতুল প্রসঙ্গে ফিরে এলেন, এসব আপনি কী করছেন? আমি কিছুই বুঝতে পারছি না।

    বুঝলে না? একে বলে শেষের সময় হাল ধরা। মেরামতির কাজ।

    এমন তো কেউ করে না।

    কেউ কেউ করে। করে বলেই সংসার অচল হয় না। কেউ-না-কেউ ঘড়িতে দম দেয় তাই সময় চলে, কাঁটা ঘোরে। এ বাড়ির যা গেছে তা গেছে। আর নতুন করে কিছু যাবে না।

    আমাকে তো যেতেই হবে।

    তুমি যাবে, অবশ্যই যাবে। স্থির পুরুষের কাছে ভাগ্য ফিরে আসে না। যে-জলে স্রোত নেই, সে জলে কচুরিপানা, ঝাঁজির দঁক তৈরি হয়। তুমি বউমা দু’জনেই যাবে। বউমা তোমার সঙ্গে না থাকলে তুমি ভেসে যাবে। সব নৌকোরই নোঙর থাকা চাই। এ বাড়ি দেখবে বাহাদুর। মাইনে আমি দোব। আমরা মাঝে মাঝে এসে দেখাশোনা করে যাব।

    মাতামহের দিকে তাকিয়ে বললেন, হঠাৎ এইসময় মাথায় হিমালয় চাপল! এই তো গত বছর, না আগের বছর ঘুরে এলেন।

    পদ্মাসনে মাথা নিচু করে বসে ছিলেন তিনি। প্রশ্ন শুনে মৃদু মৃদু হাসতে লাগলেন, মাথা দোলাচ্ছেন, আর মেঝেতে আঙুল ঠুকছেন।

    পিতা বললেন, কী? উত্তর দিন।

    মাতামহ মুখ তুললেন। সারামুখে অদ্ভুত এক ধরনের বিষণ্ণ হাসি। বললেন, উত্তর চাও হরিশঙ্কর, উত্তর? নৌকো আর নোঙরের কথা বললে না? কোনও কোনও নৌকোর নোঙর না থাকাই ভাল হরিশঙ্কর। তাদের যে ভেড়ার মতো ঘাট নেই। বাণিজ্য করার মতো হাট নেই। সে নৌকো কেবল ভেসেই চলে, ভেসেই চলে। ভাসতে ভাসতে একদিন সাগরে।

    বড় অভিমান জমেছে মনে? কীসের অভিমান? প্রসাদের গান করেন, সব অভিমান মায়ের দিকে ঠেলে দিতে পারেন না?

    তুমি পারো হরিশঙ্কর? কোনও মানুষ পারে?

    পিতা নীরব হয়ে গেলেন। একটা বয়েসে সব মানুষের চোখেই কেমন এক ধরনের দৃষ্টি আসে, মরা আগুনের মতো। সে দৃষ্টি জগতের কোনও কিছুকেই যেন স্পর্শ করতে চায় না। এখানে নেই, ওখানে নেই, কোথায় যে আছে ধরা যায় না। মেঘলা আকাশের মতো নিষ্প্রভ। মাতামহের চোখদুটি বেশ আয়ত। সেই আয়ত দুটি চোখে যেন একজোড়া গাংচিল উড়ছে। সমুদ্রের দূর দিকচক্রবালে তারা ডানা মেলে চক্কর খেয়ে চলেছে।

    পিতা উঠে পড়লেন। ঘরের এ পাশ থেকে ও পাশে দু’বার ঘুরে এলেন। কল্পনায় অতীতকে ফিরিয়ে আনতে চাইছেন। দশ বছর আগে, বিশ বছর আগে, তিরিশ বছর আগে, যেখানে যা ছিল সেই সব বসাতে চাইছেন, জহুরি যেমন জড়োয়ার গহনায় চিমটে দিয়ে লাল নীল সবুজ পাথর সেট করার চেষ্টা করেন।

    ঘরের মাঝখানে দাঁড়িয়ে বললেন, আমি যাই। যা ছিল তা আর নেই। যা আছে তাও হয়তো থাকবে না। যা যাবেই তা যাবেই, ব্যর্থ চেষ্টা, তবু চেষ্টা। মন যখন চাইছে, তখন ঘুরে আসুন একবার হরিদ্বার। তবে পনেরো দিনের মধ্যে ফিরতে হবে। সব ব্যাপারে জীবনদর্শন, মৃত্যু, লক্ষ রকমের প্যানপ্যানানি টেনে আনা এক ধরনের কল্পবিলাস। আমাদের অলস জীবনেই এসব প্রশ্রয় পায়, ইয়োরোপের মানুষ পাত্তা দেয় না। জয়, তোমার সেই খাটটা কত টাকায় বিক্রি করলে?

    এখনও দাম পাইনি। দুপুরে তারা আসবেন দেখতে।

    এলে বোলো, খাট বিক্রি হবেনা। বিষয় সম্পত্তি বিক্রি করার অভ্যাস বড় খারাপ। আমি সহ্য করতে পারি না। তোমার টাকাপয়সার অবস্থা কীরকম? নতুন জায়গায় গিয়ে ক’দিন সামলাতে পারবে?

    শ’পাঁচেক আছে।

    আরও শ’পাঁচেক রাখো।

    পিতা মাতুলের দিকে পাঁচখানা একশো টাকার নোট এগিয়ে দিলেন। মাতুল ইতস্তত করছেন।

    নাও ধরো। জীবনে একটু বাস্তববুদ্ধি আনার চেষ্টা করা। পুরুষ হবে পুরুষের মতো। মেয়েরা হবে মেয়েদের মতো। নাও নাও, আমার সময়ের অনেক দাম।

    মাতুল হাত পেতে নোট পাঁচখানা নিয়ে মাথায় ঠেকালেন। পিতা বললেন, সেন্টিমেন্টাল হয়ে সিন ক্রিয়েট কোরো না।

    দরজার বাইরে আসতেই মাতামহ বললেন, হরিশঙ্কর, তুমি একবার আমার ঘরে আসবে? তোমার সঙ্গে একান্তে আমার দু-একটা কথা আছে।

    হ্যাঁ, কেন যাব না?

    মাতামহ আমার মাথার পেছন দিকে হাত রেখে বললেন, সুদের সুদ তুমিও আসতে পারো।

    নারকেল গাছের তলায় মাতামহের কুটির। ঠিক যেন বৈরাগীর আশ্রম। এই ঘরে আমাদের দু’জনের কত গানের আসর বসেছে। বেসুরো, বেতালা। পেছনের দিকের ওই জানলায় এসে রাস্তার ছেলেরা কুকুর ডেকেছে, বেড়াল ডেকেছে।

    আমরা ঘরে ঢোকার সঙ্গে সঙ্গে মাতামহ দরজা ভেজিয়ে দিলেন। ঘরটি বেশ নিভৃত হয়ে উঠল। চৌকির ওপর কম্বল-মোড়া বিছানা গোল করে গোটানো। দেয়ালে মা জগদম্বা রোজ যেমন হাসেন তেমনই হাসছেন। পুণ্যবান হয়তো সে হাসির খলখল শব্দ শুনতে পাবেন।

    মাতামহ বললেন, তোমাকে আমি দুটো জিনিস দেখাব হরিশঙ্কর। প্রথমে, তুমি আমাকে দেখো।

    আপনাকে আর নতুন করে কী দেখব বলুন!

    হরিশঙ্কর, আমার একটা কিছু হয়েছে, বুঝলে।

    বৈরাগ্য!

    সে তো মনে। আমি বলছি দেহে। দেখবে তুমি? এই দেখো।

    মাতামহ ডান পা-টা সামনে বাড়িয়ে দিলেন। পায়ের পাতা ফুলে তপতপ করছে। একটু নয়, বেশ ফুলেছে। পিতা বললেন, একী? এ যে বেশ ফুলেছে! দেখি।

    পিতা নিচু হয়ে পায়ের পাতার একটা জায়গা আঙুল দিয়ে টিপে আঙুলটা তুলে নিলেন। জায়গাটা দেবেই রইল। জিজ্ঞেস করলেন, কতদিন হল এইরকম হয়েছে?

    কদিন ধরেই অল্প অল্প ফুলছিল। আজ দিন তিনেক হল ভীষণ ফুলেছে।

    দুটো পাতাই?

    হ্যাঁ দুটোই, এই দেখো না।

    এর সঙ্গে আর কোনও অসুবিধে আছে?

    আছে। প্রস্রাব তেমন ভাল হচ্ছে না। চলাফেরা করলে হাঁপ ধরছে, মাথা ঘুরছে।

    খিদে?

    একেবারে নেই। খেলেই গা গুলোচ্ছে। বমিবমি লাগছে। ওই দেখো না, অনেকদিন আলুর চপ খাইনি, সকালে গোটা চারেক গরম চপ এনেছিলুম, আধখানা খেয়ে ফেলে রেখেছি। ওপরে গরম শিঙাড়া দিলে মুখে রুচল না। চা অত ভালবাসতুম, চা-ও আর ভাল লাগে না। এক চুমুক খাই আর ফেলে দিই। আমার কী হল বলো তো?

    পিতা চৌকির একধারে বসে বললেন, হুঁ। আজই, এখুনি হগ ডাক্তারের কাছে যেতে হবে, না হয় কল দিতে হবে। ফেলে রাখা যাবে না।

    তুমি এক পুরিয়া হোমিওপ্যাথি দাও না আগে। তোমার ওষুধে আমার ভীষণ কাজ হয়।

    শুনুন, আমি ঠেকা দিতে পারি, পারিবারিক চিকিৎসা পর্যন্ত আমার জ্ঞান। ওর ওপর বিশেষ ভরসা। করা যায় না।

    আমি হরিশঙ্কর অ্যালোপেথিতে যেতে চাই না। ভীষণ খরচ।

    খরচের কথা কে আপনাকে ভাবতে বলেছে? সে ভাবনা আমার। আপনি জামাকাপড় পরে নিন।

    এ বেলা থাক, ও বেলা হবে।

    কথা একদম বাড়াবেন না। যা বলব তাই শুনতে হবে।

    আচ্ছা, সে আমি পরছি। তোমার অবাধ্য হবার সাহস আমার নেই। তার আগে তোমাকে আর একটা জিনিস দেখাই। বড় মূল্যবান!

    মাতামহ সেই সিন্দুকটি খুললেন। কতকাল আগের কোন পূর্বপুরুষের জিনিস কে জানে! একসময় অনেক কারুকাজ ছিল। কাঠের দুটো চোখ বসানো। বয়েসে চোখের দৃষ্টি ম্লান হয়ে গেছে। ডালা-খোলা সিন্দুকের সামনে মাতামহ ঝুঁকে পড়লেন। দু’হাত ক্রমশ নীচের দিকে নেমে চলেছে। এত কী জিনিস আছে।

    একেবারে তলা থেকে কাপড়ের বাক্সের মতো একটা জিনিস বেরোল। সেটি নিয়ে তিনি চৌকিতে এসে বসলেন। সুতোর ফস খুলতে খুলতে বললেন, বড় পবিত্র জিনিস হরিশঙ্কর, তুমি কুমারী পুজোর কথা শুনেছ?

    শুনেছি, দেখিনি কোনওদিন।

    তুলসীর বয়েস তখন সাত কি আট।

    মাতামহ কথা বন্ধ করে বাক্সর ঢাকা খুললেন। অদ্ভুত এক ধরনের গন্ধ বেরোল। প্রাচীন কালেরও একটা গন্ধ আছে। সময়ের সুবাস। মাতামহ বললেন, এটা একটা বেনারসি। এর বুননে বুননে সোনা আর রুপোর সুতোর কেরামতি! জমি আর আঁচলা খুললে তোমাদের তাক লেগে যাবে। জমিদার প্রসন্ন। চৌধুরীর বাড়িতে খুব বড় পুজো হত।

    কোথায়?

    বলাগড়ে। সেইখানে তুলসীকে কুমারী করেছিল। সে এক দৃশ্য, হরিশঙ্কর। তুলসীর সেই রূপ! বেনারসি পরেছে। গায়ে গহনার সাজ, এলো চুল, ফুলের মালা, মটুক, রাজরাজেশ্বরীর মতো সিংহাসনে বসেছে, ধূপ আর ধুনোর ধোঁয়া। তুমি দেখো হরিশঙ্কর, পৃথিবীতে মানুষের চেয়ে একটা বেনারসির পরমায়ু কত বেশি। তুলসী কোথায় চলে গেল! তুলসী! যাবার আগে তোমাকেই দিয়ে যাই, বড় পবিত্র জিনিস। যে-সংসারে থাকবে, সে সংসারের মঙ্গল।

    আয় আয়, প্রণাম কর।

    কাছে এগিয়ে গেলুম। একজনের না-থাকাটা যত দূরে সরে যাচ্ছে, তার রেখে যাওয়া জিনিসের মূল্য তত বেড়ে যাচ্ছে। তুমি ছিলে এই তো তার প্রমাণ। এই ঘরে, ও ঘরে, এ বাড়িতে, ও বাড়িতে, দুটি পা চলে বেড়াত, একটি শরীর নিশ্বাস নিত, দুটি চোখ দেখত, হাসি খেলত ঠোঁটে, কণ্ঠস্বর ভেসে বেড়াত। সেই বলাগড় জানি না কোথায়। যাইনি কোনওদিন। গ্রামের পথে ধুলো উড়ছে। শরতের শিশির পড়ে আছে ভোরের ঘাসে। শিউলি ঝরে, এখনও ঝরে। জমিদার প্রসন্ন চৌধুরী, কে তিনি? অষ্টমীর দ্বিপ্রহর, একটি মেয়ে এই বেনারসি পরে সিংহাসনে বসে আছে, জলচৌকিতে রুপোর থালার ওপর তার দুটি পায়ে কী ফুল? জবা, পদ্ম, টগর, শিউলি। হোমের আগুন, ধূপের ধোঁয়া, ধুনো, গুগগুল, চন্দন। কপালে ঘাম, ঠোঁটে মুক্তোর বিন্দুর মতো ঘাম। আমার মা। পৃথিবী আরও সাত বছর, দশ বছর পাক খেল মহাশূন্যে। কে জানত তখন তিনিই আমার মা হবেন। তারপর খেলা না ফুরাতে খেলাঘর ভেঙে যায়। কেউ যদি এইসময় ওই রবীন্দ্রসংগীতটি একটু শোনাতে পারতেন:

    ওই-রে তর দিল খুলে
    তোর বোঝা কে নেবে তুলে।
    সামনে যখন যাবি ওরে,
    থাক না পিছন পিছে পড়ে—

    পিতা বললেন, মনটা বড় খারাপ করে দিলেন।

    শোনো হরিশঙ্কর, এ খারাপে বড় আনন্দ আছে। তোমাকে বলি, আনন্দে তেমন আনন্দ নেই। থাকার চেয়েনা-থাকাটা আরও বেশি থাকা। তুমি কত লেখাপড়া জানা মানুষ, তোমাকে আমি কী বলব? আমার কাছে আর একটা জিনিস আছে, দেখবে? সেটা কিন্তু তোমাকে আমি দিতে পারব না।

    মাতামহ আবার উঠে গেলেন সিন্দুকের কাছে। তলার দিকে হাত চালালেন। একটা বড় খাম বেরিয়ে এল। তার মধ্যে অজস্র টুকরো টুকরো কাগজ। বেছে বেছে ভাঁজ করা একটা কাগজ তুলে নিলেন। দোক্তার পাতার মতো রং হয়ে গেছে। ভাঁজে ভাঁজে ফাট ধরেছে।

    এটা কী বলো তো? তুলসীর চিঠি। বিয়ের পর বাপের কাছে তার প্রথম চিঠি। সেই তোমরা জামতাড়ায় চেঞ্জে গিয়েছিলে, সেইখান থেকে লিখছে। দেখো, তোমার সম্পর্কে কী লিখেছে!

    ‘তোমার জামাই একটু রাগী হলে কী হবে, মনটা আকাশের মতো, কিছুই লেগে থাকে না। সিল্কের কাপড়ের মতো মসৃণ, তবে ঘষা লাগলেই গরম হয়ে ওঠে। তুমি কিছু ভেবো না, আমার চারদিকেই সুখ।‘

    জানতে তুমি! এসব তুমি জানতে? কত বড় ক্যারেক্টার সার্টিফিকেট!বলো একবার!হাতের লেখাটা দেখো, ছোট্ট ছোট্ট, মুক্তোর দানার মতো। ছিল কালো, হয়ে গেছে বাদামি। হ্যাঁগো, অদৃশ্য হয়ে যাবে না তো?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112 113 114 115 116 117 118 119 120 121 122 123 124
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleফাঁস – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    Next Article মধুর এক প্রেমকাহিনি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    গুহা – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    হর-পার্বতী সংবাদ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    সাজাহানের জতুগৃহ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    শ্রীকৃষ্ণের শেষ কটা দিন – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    মনুষ্যক্লেশ নিবারণী সমিতি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    মধুর এক প্রেমকাহিনি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }