Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    লোটাকম্বল – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প1632 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১.৫৫ হেসে নাও এ দুদিন বই তো নয়

    হেসে নাও এ দুদিন বই তো নয়;
    কার কি জানি কখন সন্ধে হয়।

    খামটার দিকে তাকিয়ে অনেকক্ষণ বসে রইলাম। খুলব কি খুলব না। কত অল্প সময়ের মধ্যে মানুষের মনের গতি পালটে যায়। হঠাৎ দেহমুখী হয়ে উঠেছিল। আকার, আকৃতি, কণ্ঠস্বর, মহিলাদের অন্তর্বাস, অলংকারের শব্দ, শ্বাসপ্রশ্বাস, স্পর্শ যেন মধুর মতো মন-মাছিকে টেনে নিত। নিজেকে মনে হত প্রবৃত্তির অতলে এক বৃহৎ অক্টোপাস। সবকটা শুড় দিয়ে আষ্টেপৃষ্ঠে আঁকড়ে ধরার চেষ্টা। মনের ম্যালেরিয়া হঠাৎ কোন কুইনিনে ছেড়ে গেল! ছেড়েছে, না আবার কেঁপে কেঁপে আসবে!

    পিতৃদেব ঠিকই বলতেন, ঈশ্বরটিশ্বর জানি না বাপু, সার কথা হল নিজের ওপর নিজের কর্তৃত্ব। দূরে বসে নিজেকে দেখো। যেই বেচাল দেখবে উঠে এসে কান ধরে মারো দুই থাপ্পড়। নিজের। শাসনে নিজেকে না রাখতে পারলে সব অনুশাসনই কাগজের ওপর কালো কালির হরফ।

    আজ এই ঊষাকালে প্রথম বুঝলুম, এর চেয়ে সত্য আর কিছু নেই। কী আমি গুরু গুরু করে বাইরে ঘুরে মরছি। মন না রাঙায়ে কাপড় রাঙালে কী হবে যোগী! মন্দিরে তোর নেইকো মাধব শাক কুঁকে গোল করলি পোদো। মাধবকে আগে বসাতে হবে। যার পিতা এমন তার কি অমন হওয়া সাজে! সবাই বলে আমগাছে আমই হয়, আমড়া হয় না। তা হলে! তা হলে, এসব আমি কী ভাবি। কেন আমি ওসব করি! কী পাওয়া যায় ওতে! জীবনের পথ কোন মহাশিখরের দিকে চলে গেছে। অমৃতের পথ। আত্মোপলব্ধির পথ।

    It rises through the mortal’s hemisphere
    Till borne by runners of the day and dusk.
    It enters the occult Eternal Light
    And clambers whitening to the invisible Throne.

    নাঃ, আর নাচের পুতুলের মতো নাচব না। এ একটা সুতো ধরে টানবে হাতটা নেচে উঠবে। ও টানবে নেচে উঠবে পা। সবকটা সুতো ধরে তালে তালে টানবে, কাঠের পুতুল কোমর-উঁচু মঞ্চে ঘুরে ঘুরে নাচবে। আর না। এই মুহূর্তে আমার মনে পড়ছে সেই অসাধারণ দুটি লাইন,

    The conscious Doll is pushed
    a hundred ways
    And feels the push but not
    the hands that drive.

    গোটাকতক হাত আমি দেখতে পেয়েছি। একটা হাত হল এই খাম। এই হাতে একটি সুতো ধরা আছে। নাচালেই নাচতে হবে। দর্শকশূন্য মঞ্চে নিঃসঙ্গ নৃত্য। বাহবা বলে কেউ তালিও বাজাবে না। বেড়াল যেমন ইঁদুর মেরে দু’হাত দূরে বসে থাকে, আমারও সেই অবস্থা। বহু দূরে একটি হাত সুতো ধরে বসে আছে। আমার সামনে পড়ে আছে টোপ। নির্বুদ্ধি মাছ মাঝে মাঝেই হাঁ করছে। গিলেছে কি মরেছে!

    সময় আর বেশি নেই। মন বলছে, ওহে! লগন যে বয়ে যায়। খুলে ফেলল। দেখো কী রহস্য আছে! তোমার জন্যে একটা আংটি আছে। শ্যামদেশের টুকটুকে লাল রুবি বসানো খুব সুন্দর একটি আংটি। যুবতীর নিবেদিত প্রেম। দীর্ঘ একটি চিঠিও আছে। সেই চিঠিতে তুমি হয়তো একটি পরিবারের অনেক গোপন কথা জানতে পারবে। জানতে পাবে একটি মেয়ের হঠাৎ নিরুদ্দেশের কাহিনি। হয়তো অনুসন্ধানের কিছু সূত্রও পেয়ে যেতে পারো। তাতে আমার লাভ? আমি কি গোয়েন্দা? আচ্ছা এই লেফাফায় যদি একটি দীর্ঘ পত্র থাকে, যে-পত্রের ছত্রে ছত্রে মুকু নামক একটি মেয়ের আবেগ উষ্ণ ভালবাসা থাকবেই এমন কোনও কথা নেই, যদি থাকে তা হলে আমার কী হবে? মনে বেশ একটা দোলা লাগবে। কিছুদিন বেশ কেটে যাবে আবার এক নতুন নেশার ঘোরে। চিঠির উত্তরে চিঠি। তার উত্তরে চিঠি। চলতে থাকবে উত্তর-প্রত্যুত্তরের খেলা। তারপর যা হয়, মন্থর হয়ে আসবে আদানপ্রদান। যোগাযোগের অক্ষর-সেতু স্তবকে স্তবকে খুলে পড়ে যাবে সময়ের স্রোতে। স্মৃতি ছাড়া কিছুই আর থাকবে না। আমি তো আর কিং আর্থার নই যে ঘোড়ার পিঠে চেপে ট্রালা ট্রালা করে উদ্ধার করতে ছুটব আমার লেডি-ইন-ডিস্ট্রেসকে। কনক আমার দুর্বলতা। মুকু আমার পরিচিতা। কনকের জন্যে আমি অনেক দূর যেতে প্রস্তুত ছিলুম। সেও একতরফা। কনক আমার জন্যে এক পা-ও যেতে প্রস্তুত ছিল না। সে কথা এখন স্পষ্ট। থাকলে এতদিনে আমাকে অন্তত একটা চিঠি দিত। একটা পোস্টকার্ড, গোটা দুয়েক লাইন। এ বাড়ি থেকে সেই জমিদারপুত্রের বাড়িতে অত সহজে চলে যেত না। স্টুডিয়োতে যেদিন দেখা হল সেদিন মনে হল প্রতাপবাবুকে সে মেনে নিয়েছে। হাবভাবে তেমন কোনও বিদ্রোহ নেই। ওই স্বার্থপর মেসোমশাইয়ের মেয়েরা খুব উদার হবে, ভাবাটাই অন্যায়। ফল তোমার পরিচয়? বৃক্ষে। ওই আইনজীবী ভদ্রলোক আর তার দ্বিতীয় কন্যাটির পাশে পঙ্কজবাবু আর অপর্ণা। মন! তুমি কী বলে? আকাশ আর পাতাল। ফাঁদে যদি পড়তে চাও, কোন ফাঁদ! আর প্রশ্ন নয়। কোনও দেই আর এ শর্মা ধরা দেবে না। সংসারী মানুষ শেষটায় এমন ন্যাতাজোবড়া হয়ে যায়। মৃত্যু, অসুখ, উপেক্ষা, উদ্বেগ, অর্থাভাব, অভিমান। সার সার চৌরাশীটি নরকের কুণ্ড, তাহাতে ডুবায়ে ধরি পাতকীর মুণ্ড। ডাঙশ যমদূতকে আর মারতে হয় না, পরিবার পরিজনেই মেরে শেষ করে দেয়। তুমি বীর্যবান হও, মোহশূন্য হও। চোখকান বুজিয়ে যৌবনটি পার করে দাও।

    শ্রীশ্রীসদগুরুর সঙ্গে ব্রহ্মচারীজির জীবনের আর একটি ঘটনার কথা মনে পড়ল। পরমাসুন্দরী পূর্ণযৌবনা ব্রাহ্মণকন্যা কাদোক্কাদো স্বরে বলছেন, ‘ভেতরে অসহ্য জ্বালা আর আমি সহ্য করতে পারি না, তোমাকে মনে পড়লেই আমার বিষম অবস্থা উপস্থিত হয়। ভোগের লালসায় অস্থির হয়ে পড়ি। আমার এই কামনার পরিতৃপ্তি কর।’

    ব্রহ্মচারী বললেন, এক সময় তোমার উপরেও আমার ভয়ানক লোভ ছিল। গুরুদেব তা এখন শান্ত করেছেন। ব্রহ্মচর্য গ্রহণ করেছি। চিরকালের জন্যে ওসব কাজে বঞ্চিত হয়েছি। যুবতী বললেন, তা হলে আমার এই ভাব যাতে নষ্ট হয়ে যায়, তার উপায় বলে দাও, আমি আর এ যন্ত্রণা সহ্য করতে পারি না।

    ব্রহ্মচারী বললেন, তুমি নিশ্চিন্ত হও, নিশ্চয়ই আমি তোমার শান্তির ব্যবস্থা করব।’

    শোনো মন, মন দিয়ে শোনো, ওই লেফাফাটি ধরার আগে কুম্ভীপাক কাকে বলে আর একবার শুনে নাও। সেই যুবতী সময় পেলেই ব্রহ্মচারীর কাছে এসে বসতেন, ধর্মকথা সদুপদেশ শুনতেন, আর থেকে থেকেই কাতরভাবে বলতেন, অসহ্য জ্বালা, অসহ্য জ্বালা। যা হয় একটা কিছু করো। তুমি হলে কী করতে মন! এখন যা করছ তাই করতে। ব্রহ্মচারী কী করলেন শোনো।

    যদিও কামোন্মত্তা কামিনীর কমনীয় অঙ্গস্পর্শে দেবদুর্লভ ব্রহ্মচর্যের অতুলনীয় অমৃতফল ইতিপূর্বেই আমি হারাইয়াছিলাম, তথাপি বর্তমানে গুরুর কৃপায় কামশূন্য অচঞ্চল অবস্থায় অতিরিক্ত গর্বিত থাকাতে, আমি ভাবিলাম শুনিয়াছি বিশুদ্ধ নির্মল হৃদয়ে, নির্বিকার কামশূন্য অবস্থায়, কোনও ব্যক্তি প্রকৃতির রতিমন্দিরে মহাশক্তির পূজা করিলে, তাহাতে কামিনীর কামের উপশম হয়, এবং উপাসকেরও প্রকৃত অবস্থার পরীক্ষা হয়। ভাল আমি তাহাই করি না কেন? যুবতীর অঙ্গস্পর্শ করিতেই আমার নিষেধ, কিন্তু দূর হইতে পূজা করিতে দোষ কি?

    তারপর! মাঘ মাসের কোনও এক পবিত্র তিথিতে!

    সুযোগ এসে গেল। এই অনুচ্ছেদটি যতবার পড়ি গায়ে কাঁটা দিয়ে ওঠে।

    ‘জনপ্রাণীশূন্য কোন এক নিভৃত স্থানে অবিলম্বে আমরা পৌঁছিলাম। পরে আসনে উপবেশনপূর্বক কামিনীকে কিঞ্চিৎ অন্তরে অবস্থান করিতে বলিলাম।’

    পূজারির সামনে যজ্ঞবেদি, যজ্ঞের কাঠ, ঘি, বেলপাতা, অতসী, জবা, অপরাজিতা, ধূপ, ধুনো, চন্দন। সময় দিবা দ্বিপ্রহর। শ্রীশ্রীচণ্ডীর কিছু অংশ পাঠ করলেন, গায়ত্রী জপ করলেন। যজ্ঞাগ্নি জ্বলে উঠল।

    ‘কামিনী আমার ইঙ্গিতানুসারে প্রহৃষ্ট অন্তরে অমনি উলঙ্গিনী হইয়া দাঁড়াইলেন। তখন দেবীর অভীপ্সিতা অতসী, অপরাজিতা, জবা, বিদল অঞ্জলি পুরিয়া মস্তকে ধারণ করিলাম। পরে চণ্ডীর যা দেবী সর্বভূতেষু মাতৃরূপেণ সংস্থিতা, ইত্যাদি মন্ত্র উচ্চৈঃস্বরে পঠনান্তর পুনঃপুনঃ নমস্কার করিয়া, সঙ্গে সঙ্গে রমণীর নখাগ্র হইতে কেশাগ্র পর্যন্ত, প্রতি অঙ্গ প্রত্যঙ্গ স্থিরভাবে মনোযোগ পূর্বক নিরীক্ষণ করিতে লাগিলাম। আশ্চর্য দেখিলাম– অকস্মাৎ উহার নাভিস্তর হইতে উরুদ্বয়ের মধ্যদেশ পর্যন্ত, গোলাকৃতি নিবিড় কালো ছায়ায় একেবারে আবৃত হইয়া পড়িল; মধ্যাহ্নে প্রশস্ত সূর্যালোকে চতুর্দিক আলোকিত। আচম্বিতে গৌরাঙ্গীর অঙ্গবিশেষে মহাকালীর আবির্ভাব হইল। বহুক্ষণ বারংবার দৃষ্টি করিয়াও, ঘন কৃষ্ণবর্ণের অন্তরালে দীপ্তিময়ী কাল বিজলীর ঝিকিমিকি ব্যতীত আর কিছুই দেখিলাম না। অসম্ভব দৃশ্য দেখিয়া আমার সর্বাঙ্গ রোমাঞ্চিত হইল।’

    কিন্তু তারপর কী হল!

    ‘অবাক হইয়া তাকাইয়া রহিলাম। তখন দেখিলাম, রমণীর গৌর মুখমণ্ডল রক্তিমাভ হইয়া ওষ্ঠাধর ঈষৎ কম্পিত হইতেছে; কুঞ্চিত নয়নে দৃষ্টিসঞ্চালন পূর্বক মনোহারিণী শোভা ধারণ করিয়াছেন। উহার পানে তাকাইয়া আমি মুগ্ধ হইয়া পড়িলাম। উঁহার চঞ্চল কটাক্ষে, তড়িৎ বেগে আমার ভিতরে কামোত্তেজনার সঞ্চার হইল।‘

    None can reach heaven who has not passed through hell.

    ব্রহ্মচারীজি গুরু শ্রীশ্রীবিজয়কৃষ্ণ গোস্বামীকে জিজ্ঞেস করছেন, রিপুর উত্তেজনা ক্রমশই যে বাড়ছে। যতই সাধন ভজন করছি ততই বাড়ছে।

    গোস্বামীজি বলছেন, ‘ও রকম হয় নির্বাণের পূর্বে প্রদীপের মতো। আমার যখন ওইরকম হত, আমি কয়েক ঘড়া জল অমনি মাথায় ঢেলে দিতাম; কখনও বা ঊর্ধ্বশ্বাসে দৌড়ায়ে হয়রান হলেই বুসে পড়তাম।’

    একই ব্যাপার, এই লেফাফা-রমণীকে উলঙ্গ করলেই মনোহারিণী কটাক্ষে চিত্তচাঞ্চল্য। অভ্যন্তরে মুকু। কনকও থাকতে পারে। মেসোমশাইয়ের জীবনাতিরিক্ত জীবনের ইঙ্গিত থাকাও স্বাভাবিক। জল ঢালতে না পারি জলে ঢেলে দিতে পারি। বিসর্জনের এই তো প্রকৃষ্ট সময়। ঊষাকালেই তো যত মহৎ কাজ হয়। রাতের আততায়ী যাকে মেরে রেখে যায় তাকেও খুঁজে পাওয়া যায়।

    বেরি দি পাস্ট। অতীতকে কবরখানায় ভরে দাও। খামটা হাতে নিয়ে নীচে নেমে গেলুম। গাছপালার বৃত্তের মধ্যে ইদারা সদৃশ আমাদের সেই বিশাল কুয়ো। যার মাঝামাঝি জায়গায় একটি সুড়ঙ্গের মুখ। যার ভেতর থেকে বলাইবাবুর অভ্যুত্থান। কুয়োর ভেতর এখনও রাতের অন্ধকার থিরথির করছে। মহাকাল যেন মুখব্যাদান করে রয়েছে। ব্রহ্মচারীজি, যা দেবী সর্বভূতেষু, বলে কামোত্তেজিতা কামিনীর অঙ্গে অতসী পুষ্প ছুঁড়ে মেরেছিলেন, আমি উত্তেজক লেফাফাটি মনের জোরে টুক করে ছেড়ে দিলুম। সেকেন্ড কয়েক সময়, জল স্পর্শ করার মৃদু শব্দ, যেন কোনও রঙিন পাখির ডানার আলতো শব্দ। মনে হল গলায় একটা পাথর বাঁধা ছিল। খুলে পড়ে গেল। জীবনের একটা চাপা অধ্যায় থেকে মুক্তি। বৃত্তে ঘুরছিলুম, আজ সেই বৃত্তের মুখ খুলে গেল। পাতার আড়ালে একজোড়া পাখি শুকশারীর গলায় যেন কথা বলছে। কী করলে, কী করলে!

    সত্যিই, এ আমি কী করলুম! বহুতল বাড়ির ছাদ থেকে লাফ মেরে, বাতাসের মধ্যে দিয়ে পড়তে পড়তে আত্মহত্যাকারীর মনের যে অবস্থা হয়, আমার এখন ঠিক সেই অবস্থা। এ আমার কী ধরনের হঠকারিতা। আমি কি সর্বত্যাগী সন্ন্যাসী! আমি এক ভোগী যুবক। দীর্ঘ ভোগের পথ আমার সামনে। রমণীয় রমণী, সুস্বাদু খাদ্য, সুন্দর উপাধান, বিলাসের সামগ্রী, বংশ বিস্তারের অবাধ স্বাধীনতা। কেউ তো বলেননি, ওহে তোমাকে বুদ্ধ হতে হবে, মহাবীর হতে হবে, চৈতন্য হতে হবে। নির্দেশ তো, তুমিই মানব হও। কাগজের কী দাম? একটু সেন্টিমেন্ট। তৎক্ষণ থেকে ওঠা আবেগের তৎক্ষণ-বিলয়। কিন্তু আংটিটা! নিক্তির ওজনে যার দাম!

    মানুষের লোভ! নির্লোভ নিষ্কাম হওয়া মুখের কথা নাকি! আংটির চিন্তায় মন একেবারে হাঁচড়পাঁচড় করে উঠল। এইরকম ছেলেকেই বলে সেন্টিমেন্টাল ফুল। ভাবার আগেই কাজ করে বসে। ঈশপস ফেবসের সেই দাড়িঅলা ছাগল। লাফাবার আগে তাকিয়ে দেখার প্রয়োজন বোধ করে না।

    সরসর করে পাতকোর বালতি নামিয়ে দিলুম। লেফাফা উদ্ধারের শেষ চেষ্টা। যদি তোলা যায়! বালতি ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে এদিকে-ওদিকে নানাভাবে চেষ্টা করলুম। কোথায় কী! কূপের শীতল জলে সমাধি। সব রহস্যের অবসান। জল সমেত বালতি তুলছি, পেছনে কাকিমা এসে দাঁড়ালেন, কী, মুখ ধোয়া হল! আমার হাতে একটু জল ঢেলে দাও তো।

    হাতময় কয়লার কালি। উনুনে মনে হয় আগুন দিয়ে এলেন। ওপরদিকে তাকালুম। নীল আকাশে আমাদের বাড়ির সেই বিখ্যাত চিমনি দিয়ে ধোঁয়া ফুঁসছে। ভোরের বাতাসে ধোঁয়ার রেখা এঁকেবেঁকে যাচ্ছে। কাকিমা নিচু হতেই কাঁধ থেকে আঁচলটা সামনে লুটিয়ে পড়ল। কাকিমা বললেন, তুলে পিঠের দিকে পেঁচিয়ে দাও তো।

    আবার সেই রমণীয় রমণীয়তা। ঠাকুর বলতেন কাজলের ঘরে থাকলে গায়ে কালি লাগবেই। আমি যতই অন্য কিছু ভাবার চেষ্টা করি না কেন সেই ভাবনা আসবেই। যে বাঘ একবার মানুষের রক্তের স্বাদ পেয়েছে সে বাঘকে গুলি না-খাওয়া পর্যন্ত মানুষখেকো হয়ে ঘুরতে হবেই।

    আঁচলের কেরামতি শেষ করে দু’হাতে জল ঢেলে দিয়ে ওপরে যাবার জন্যে সবে পা বাড়িয়েছি, কাকিমা এই যাঃ বলে কেমন যেন আতঙ্কিত হয়ে উঠলেন। কিছু একটা পড়ে যাবার টুকুস টুকুস শব্দ হল।

    কী হল বলে ঘুরে তাকাতেই দেখলুম, দু’টুকরো সাদা মতো কী মেঝেতে পড়ে আছে।

    ইস, এ কী হল পিন্টু! এতদিনের শাখা বেড়ে গেল আজ।

    কী করে হল?

    পাতকোর পাড়ে হাত রেখেছি, খেয়াল ছিল না। অসাবধানে চাপ পড়ে গেছে। ভীষণ অলক্ষণ। কেন ভেঙে গেল বলো তো!

    কতদিনের পুরনো জিনিস! এতে অলক্ষণের কী আছে!

    মেয়েদের ব্যাপার, ওসব তুমি বুঝবে না। তোমার সঙ্গে দক্ষিণেশ্বরে গিয়ে একজোড়া শাঁখা পরে আসব। আর বাবার নামে পুজো দোব। সকালে যাবে, না বিকেলে?

    সকালে তো অফিস!

    একদিন আমার জন্যে না হয় কামাই করলে।

    সে খুব অন্যায় হবে।

    অপর্ণা বললে কী করতে?

    একই উত্তর দিতুম। কাজ আগে।

    ওরে আমার কাজি রে! যাও ওপরে যাও। চট করে গা ধুয়ে নিই। এরপর আজ আর দম ফেলার সময় পাব না।

    আমার সামনে গা ধোওয়া যাবে না?

    সাতসকালে দুষ্টু দুষ্টু কথা বোলো না।

    মাতামহ মশারির ভেতর শিশুর মতো নিদ্রাচ্ছন্ন। পিতার টেবিলে এখনও পাংশু বাতি জ্বলছে। টেবিলে মাথা রেখে নিদ্রাতুর। চারপাশে ছড়ানো বই। কোনওটা উপুড়, কোনওটা চিত। সবই হোমিওপ্যাথির বই। সারারাত এই নিয়েই কেটেছে। ভোরের দিকে টেবিলে মাথা রেখেছেন ক্লান্ত বীর। হাত বাড়িয়ে আলোটা নিবিয়ে দিলুম।

    সুইচের শব্দ হতেই পিতা মাথা তুললেন। বললেন, সুপ্রভাত।

    আজ্ঞে হ্যাঁ, সুপ্রভাত।

    কী বুঝছ?

    কীসের?

    ওয়ান ডোজ, শেষরাতে জ্বর ছেড়ে গেল। এখন কেমন শান্ত হয়ে ঘুমোচ্ছেন!

    কী করে হল?

    মিরাকল। সিম্পলি মিরাকল। এ আমার চ্যালেঞ্জ। একটু চায়ের ব্যবস্থা করতে পারো! ওই মহিলাকে আর খাঁটিয়ো না। কাল সারারাত বেচারা চোখের পাতা এক করতে পারেনি।

    যাচ্ছি, চা করে আনছি।

    চা অবশ্য আমাকে আর করতে হল না। কেটলির খুটখাট শুনেই কাকিমা সব ফেলে ছুটে এলেন। হাত থেকে কেড়ে নিতে নিতে বললেন, থাক, খুব হয়েছে। যার কাজ তার সাজে অন্যের মাথায় লাঠি বাজে। গালে একটা ঠোনা মেরে দিলেন। সবে স্নান করে এসেছেন। হাত দুটো কী ঠান্ডা! মহিলার প্রাণে যেন নতুন জীবনের জোয়ার এসেছে। সুখ জিনিসটা কত ক্ষণস্থায়ী! কাকিমাকে দেখলে আমার আতঙ্ক হয়। ডাক্তার যখন জেনে ফেলেন রুগির রোগ ক্রমশই মৃত্যুর পরোয়ানা নিয়ে প্রাণকেন্দ্রের দিকে এগিয়ে চলেছে, তখন তিনি দেখেন আর মনে মনে বলতে থাকেন, হেসে নাও, এ দু’দিন বই তো নয়। নেবার আগে প্রদীপ একবার তেড়ে জ্বলে ওঠে।

    চা পর্ব চলেছে। ক্রুশেন সল্টের শিশি নেমে এসেছে টেবিলে। চামচেটা ভারী অদ্ভুত। বাইচ খেলার নৌকোর পাড়ের মতো আকৃতি। ছোট্ট এতটুকু। চিমটে পরিমাণ ওষুধ তোলার ক্ষমতা নিয়ে জন্মেছে। বেশিও না কমও না। ডিশে দু’চামচ ওষুধ ফেলে প্রথম চুমুক চা-টি পিতৃদেব স্বাস্থ্যসম্মত। করে তুললেন।

    ডিশের চায়ে চুমুক মেরে মুখে যে কুঞ্চন উঠেছিল, দূরে কিছু একটা দেখেই সেইটাই হাসিতে রূপান্তরিত হল। মাতামহ বিছানায় উঠে বসেছেন। পিতা চেয়ার ঠেলে এগোতে এগোতে বললেন, কী, কেমন বোধ করছেন?

    ভোরের প্রথম ফোঁটা ফুলের মতো।

    ঠিক বলছেন?

    কোনও ভুল নেই। শরীর সম্পূর্ণ সুস্থ। এবার তা হলে অনুমতি দাও।

    কীসের অনুমতি?

    একবার ঘুরে আসি হরিদ্বার, লছমনঝোলা, হৃষীকেশ।

    আপনি শিশুর মতো বায়নাদার হয়ে উঠেছেন। তারা কেবল খাব খাব করে, আপনি কেবল যাব যাব করছেন। আপনাকে আমি জলধর সেনের হিমালয় দিচ্ছি, বসে বসে পড়ুন। মানুষকে অত বঞ্চিত করতে চান কেন?

    বঞ্চিত?

    তা ছাড়া আবার কী? আমাদের একটু সেবার সুযোগ দিন।

    সেবা!

    মাতামহ খলখল করে হেসে উঠলেন। হাসি থামিয়ে বললেন, কত বছর বয়েসে আমাদের স্ত্রীবিয়োগ হয়েছে বলো তো হরিশঙ্কর?

    তা ঠিক, আমাদের স্ত্রীভাগ্য দু’জনেরই খুব খারাপ।

    আমার ছেলেটাকে তো তুমিই মানুষ করলে!

    ও কথা বলবেন না। ডোন্ট ফ্যান মাই ইগো। মানুষ হবে বলেই মানুষ হয়েছে। কেউ কাউকে মানুষ করতে পারে না।

    অতসব আমি জানি না বাপু। আমি যদ্দিন বাঁচব তদ্দিন বলে যাব। তোমার গুণগান করে যাব।

    আপনি না ঈশ্বরবিশ্বাসী?

    ঈশ্বরবিশ্বাসী বলেই কোনও কোনও মানুষে ঈশ্বরদর্শন করি।

    এই তো সারের সার উপলব্ধি। যে-ঈশ্বর আমার ভেতর সেই একই ঈশ্বর আপনার ভেতরেও। আপনার সেবা মানে ঈশ্বরের সেবা।

    হরিশঙ্কর, সারাজীবন যে আমি বড় অবহেলা পেয়ে এসেছি। তাই ভেতরটা কেমন যেন কলসিতে রাখা সিল্কের কাপড়ের মতো কুঁকড়েমুকড়ে গেছে।

    বিউটিফুল, বিউটিফুল। বড় সুন্দর উপমা। আমিও তা হলে বলি, ভালবাসার জলের ছিটে আর সেবার ইস্ত্রি দিয়ে আপনার রেশমের মতো সেই মনকে আমরা মোলায়েম করে দোব, মসৃণ করে দোব। বমিবমি ভাব আছে গেছে।

    সে তো এখন বোঝা যাবে না, ব্রোঝা যাবে কিছু মুখে পড়লে।

    আপনার ওষুধ এখন আমার হাতের মুঠোয়। পথ্যের ব্যবস্থাও করে ফেলেছি। আচ্ছা এই যে আপনি পালাই পালাই করছেন, কালকের মতো বিদেশ বিভুঁইয়ে হঠাৎ জ্বর এলে কী করতেন?

    গাছতলায় কম্বল মুড়ি দিয়ে বসে জগদম্বার নাম জপ করতুম।

    তা হলেই সব হত। হ্যাঁ, কে কোথায় গেলে! মুখ ধুয়ে নিন। খুব লাইট চা আর বিস্কুট খান। তারপর সব ব্যবস্থা করছি। আচ্ছা, জয়কে কি একটা টেলিগ্রাম করা দরকার?

    না না, ওকে আর বিরক্ত কোরো না। সত্যি কথা বলব তোমাকে, বিয়ের পর অধিকাংশ ছেলেই। কেমন যেন হাতছাড়া হয়ে যায়!

    আঃ, সে তো একটু যাবেই। নান ক্যান হেল্প। বিবাহ একটা রেসপন্সিবিলিটি। ঘরের মধ্যে ঘর।

    রাতভোরে পাখি ডাকলে যেমন নতুন দিন আসার আনন্দে মন ভরে যায়, মাতামহর উঠে দাঁড়ানোর আনন্দও অনেকটা সেইরকম। নিবতে নিবতে আবার শিখা জ্বলে উঠেছে।

    পিতা বললেন, আমি আজ বাজারে যাচ্ছি। আজকের বাজারে বেশ ঝামেলা আছে। চারামাছ চাই, বরফ চাই, মুড়ি চাই।

    বরফ কী করবেন?

    সাংঘাতিক একটা টোটকা আবিষ্কার করে ফেলেছি। এক গেলাস জলে এক মুঠো মুড়ি ফেলে, চারপাশে বরফ দিয়ে ঘণ্টাখানেক ফেলে রাখো। তারপর সেই শীতল মুড়ির জল বারেবারে চুমুকে চুমুকে খাওয়াও।

    কাল জ্বর হল আজ বরফজল, যদি অন্যরকম কিছু হয়ে যায়!

    কী হতে পারে?

    যদি নিমোনিয়া হয়, কি ব্রঙ্কাইটিস হয়, তা হলে কী হবে?

    তারও ওষুধ আছে। নাও তুমি গোটাকতক ব্যাগ নাও, আর দেরি না করাই ভাল। জ্যান্ত চারামাছ এরপর বাজার থেকে উঠে যাবে।

    সকালের বাজারের সে কী শোভা! বেঁচে থাকার আনন্দে চারপাশ টগবগ করছে। বেগুনের বেগুনি, শাকের সবুজ, মাছের রুপোলি তবক, ঠেলাঠেলি, ধাক্কাধাক্কি। বাজার শেষ করে বরফের ডিপোয় গিয়ে মন বড় মিইয়ে গেল। ছোট্ট একটা গহ্বরে থান থান বরফ কাঠের গুঁড়োর বিছানায় শুয়ে আছে। ঘষা কাঁচের মতো চেহারা। আগুন নয়, তবু ধোঁয়া উঠছে। মৃত্যুর শীতল মুখগহ্বর থেকে যেন চিতার ধোঁয়া বেরোচ্ছে হিলহিল করে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112 113 114 115 116 117 118 119 120 121 122 123 124
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleফাঁস – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    Next Article মধুর এক প্রেমকাহিনি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    গুহা – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    হর-পার্বতী সংবাদ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    সাজাহানের জতুগৃহ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    শ্রীকৃষ্ণের শেষ কটা দিন – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    মনুষ্যক্লেশ নিবারণী সমিতি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    মধুর এক প্রেমকাহিনি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }