Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    লোটাকম্বল – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প1632 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১.৫৬ সুখের কথা বোলো না আর

    সুখের কথা বোলো না আর
    বুঝেছি সুখ কেবল ফাঁকি
    দুঃখে আছি, আছি ভাল
    দুঃখেই আমি ভাল থাকি।

    ম্যানেজিং ডিরেক্টারের ঘরে ডাক পড়ল। আমার ওপর চায়ের ঘাট থেকে কেফিন নিষ্কাশনের ভার পড়েছে। ফ্লাস্কে চায়ের ঘট আর সলভেন্ট ভিজছে। কাজটা খুব একটা দুরূহ নয়, তবে বিপজ্জনক। আগুন আর দাহ্য পদার্থ নিয়ে খেলা। একটু অসাবধান হলেই অগ্নিকাণ্ড। ডাকছেন যখন, যে-অবস্থাতেই থাকি যেতে হবে।

    ঘরে ঢুকতেই বললেন, তোমাকে অনেকদিন দেখিনি। কী হয়েছে তোমার? এত বিমর্ষ কেন?

    আজ্ঞে, আমার দাদু ভীষণ অসুস্থ। মামা কলকাতা ছেড়ে বিদেশে চলে গেছেন।

    কোন মামা? যিনি সিনেমা তুলছিলেন?

    আজ্ঞে হ্যাঁ।

    বোসো। সংসারের ঘোলা জলে সকলকেই ভাই হাবুডুবু খেতে হবে। কাল ঊষা একটা গান গাইছিল। ভারী সুন্দর! সবটা মনে নেই। যে কটা লাইন মনে আছে:

    এসেছ যখন ভবে
    থাকার মাশুল দিতে হবে।
    কত ডুববে উঠবে জীবন তরী
    চঞ্চলতা এনো নাকো ।।

    আজ্ঞে, পুরো গানটাই আমি জানি।

    তাই নাকি! তুমি গান জানো?

    অল্পস্বল্প চর্চা ছিল। বাবা এসরাজ বাজান। মামা গাইয়ে। এ গানটা আমি ঊষাদির কাছেই শিখেছি।

    তাই নাকি? আচ্ছা প্রথম লাইনটা সুরে শোনাতে পারো?

    আজ্ঞে হ্যাঁ। রোগ জানুক আর দেহ জানুক/মন তুমি আনন্দে থেকো/দেহাতীত হয়ে সদাই/আনন্দময়ীরে ডেকো ।।

    যতদূর সম্ভব মোলায়েম করে প্রথম চারটে লাইন শুনিয়ে দিলুম। সংগীত এমন জিনিস, এম ডির চোখ ছলছল করছে। তিনি চেয়ার ছেড়ে আমার কাছে এগিয়ে এসে পিঠে হাত রাখলেন। তসরের পাঞ্জাবির ঢোলা হাতা পিঠের কাছে খসখস করছে।

    তুমি তো বড় গুণী ছেলে হে!

    আজ্ঞে না, এমন কী আর গুণ? গান অল্পবিস্তর সব বাঙালির ছেলেই গাইতে পারে।

    হে, তোমার অনেক গুণ। নিজের গুণ নিজে বোঝা যায় না। তোমাকে একদিন আমাদের বাড়িতে যেতে হবে। বেশ নির্জনে একপাশে বসে তোমার গান শুনব।

    এম ডি নিজের চেয়ারে বসতে বসতে বললেন, বুঝলে, ঊষা মেয়েটি বড় ভাল। দেবী। এসব মেয়ে ক্ষণজন্মা। লাখে এক। ওর কাছাকাছি এলে মানুষের ধর্মভাব হয়। নতুন দিগন্ত খুলে যায়। কত কী যে শেখার আছে ওর কাছে! পৃথিবীটা বড় অদ্ভুত জায়গা, পলাশ। ছেড়ে চলে যেতে হবে এই যা দুঃখ। আর কি আসা হবে? আচ্ছা, তুমি ওই গানটা জানো, তোমার দ্বারে কেন আসি ভুলে যে যাই।

    ঠিক সুরে পারি না, তবে মাঝে মাঝে গাইবার চেষ্টা করি।

    আহা, কী লেখা। দিনের শেষে ঘরে এসে লজ্জা যে পাই। বাসনা সব বাঁধন যেন কুঁড়ির গায়ে। নাঃ আমার দ্বারা আর ব্যাবসাট্যাবসা হবে না। যত দিন যাচ্ছে তত রোমান্টিক হয়ে যাচ্ছি।

    সে তো ভালই। শুষ্কং কাষ্ঠং না হওয়াই ভাল।

    আর কি আমার সে বয়েস আছে, পলাশ! আমাদের ওই বৈদ্যুতিক চালুনি যন্ত্রটা কোনওদিন দেখেছ!

    না স্যার।

    আবার সেই বাঙালের মতো স্যার বলছ? ওই সম্বোধনে দূরত্ব বেড়ে যায়। হ্যাঁ যা বলছিলুম, যন্ত্রটা বড় মজার! প্রথমে এক পাশে কাত হয়ে কিছু জিনিস তুলে নিয়ে নাচাতে নাচাতে আর এক পাশে কাত হচ্ছে। একেবারে সঙ্গে সঙ্গে বড় দানার জিনিস গড়িয়ে পড়ে যাচ্ছে। থাকছে ছোট দানা। যন্ত্র তখন সেইগুলোকে নাচাচ্ছে। একেবারে পৃথিবীর কায়দা। এক প্রান্তে প্রবেশ, আর এক প্রান্তে প্রস্থান, মধ্যে নাচানাচি। আমরা সেই বৃদ্ধের দল, নাচতে নাচতে লাফাতে লাফাতে নির্গমন-পথের দিকে চলেছি। দিন এলে রাতের প্রদীপ ম্লান হবেই। কোনওদিন দাবার চাল দেওয়া দেখেছ?

    আজ্ঞে না।

    বড় মজার দৃশ্য! ছক থেকে মুন্ডু ধরে দাবাড়ু একটি খুঁটি অল্প একটু তুলে এক পাশে কাত করে ধরে আছেন। চাল ভাবছেন। এগোতে গিয়ে পেছিয়ে আসছেন। খুঁটির যাবার সময় হয়েছে। ঘরে স্থির হয়ে বসা আর চলবে না। খেলোয়াড়ের দ্বিধায় যাব কি যাব না ভঙ্গিতে ঘর ছুঁয়ে আছে। ঠিক আমার অবস্থা, একটা পা উঠে পড়েছে। আর একটা পা উঠল বলে। ডালে বসে থাকতে থাকতে পাখির ওড়া দেখেছ?

    আজ্ঞে না।

    কী দেখেছ তুমি! এবার দেরাদুনে গিয়ে, পাশেই ফরেস্ট, এইসব খুব ভাল করে লক্ষ করবে। পাখি যখন ডাল থেকে উড়তে চায় তখন তার চোখদুটো দেখবে উদাস হয়ে যায়। ডানাদুটো বারকতক খুলব কি খুলব না করে, তারপর কীসের তাগিদে ঝপ করে উড়ে চলে যায়। আচ্ছা যে কারণে তোমাকে ডেকেছি, গেট রেডি ফর দেরাদুন। তোমার শীতের ভাল পোশাক আছে?

    আজ্ঞে না, করাতে হবে।

    আজকালের মধ্যে অর্ডার দিয়ে দাও। শীত আসছে। ওখানে ভীষণ ঠান্ডা পড়ে।

    আজ্ঞে হ্যাঁ।

    কী করাবে?

    একটা গলাবন্ধ কোট।

    শুধু ওপরের দিকটা ভাবলেই হবে না, তলার দিকটাও ভাবো। আমরা কী বলি? শীত করে, শীত পায়। তার মানে? করে মানে হাতে, পায় মানে পায়ের পাতায়। একটা গরম সুট করাও। টাকা চাই?

    আজ্ঞে না।

    না কেন?

    আছে। দরকার হলে বলব।

    না, তোমাকে আমি উপহার দোব। এই এমপ্লয়ার-এমপ্লয়ি সম্পর্কটা ভাঙতে হবে। ওপন্ আপ মাই ডিয়ার বয়, ওপন আপ। আমি আমাদের ট্রাভেল এজেন্টকে বলে দিচ্ছি, সামনের সপ্তাহে তোমাদের জন্যে দুন এক্সপ্রেসে টিকিট বুক করুক। শুক্রবার ভাল বার। রবিবার সকালে পৌঁছে যাবে। এখনও যথেষ্ট সময় আছে, তাড়াহুড়োর কিছু নেই।

    আমি তা হলে এখন আসি। একটা কাজ চাপিয়ে এসেছি।

    হ্যাঁ যাও। তিনটের সময় তোমাকে নিয়ে আমি টেলারের কাছে যাব। সেইভাবে নিজেকে ফ্রি করে নিয়ো।

    দুটো ব্লকের মাঝখানের ঝোলা বারান্দা দিয়ে আসতে আসতে আমার একটা কথাই কেবল মনে হচ্ছিল, সওদাগরি অফিসের ওপরঅলারা কর্মচারীদের সঙ্গে সাধারণত খুব একটা ভাল ব্যবহার করেন না। আমার বরাতে এ কী জুটছে! ঈশ্বরেরও তা হলে করুণা হয়। একসঙ্গে সব দিক শুকিয়ে দেন না। নীলকণ্ঠের গানের মতো, এক কূল নদী ভাঙে নিরবধি আবার অন্য কূলে তমকূলে সাজায়। বহু দূরে কোথায় কে জানে, তিনি বসে আছেন রত্নখচিত সিংহাসনে। তার জানলায় সোনার গরাদ। আয়ত দুটি চোখ পড়ে আছে জীবজগতের দিকে। সবই দেখছেন। দেখেছেন, জীবনের ভাণ্ডার থেকে এ ছেলেটা তো কিছু পায়নি। যা ধরতে গেছে, সবই পালিয়েছে হাত ফসকে। একে কিছু দেওয়া যাক। একটু স্নেহ, দুটো ভাল কথা। যা পাওয়া যায়! যা আসে, আসুক সেই অপার করুণাময়ের হাত গলে। যা চাই তা যখন পাই না, যা পাই তা মেনে নেওয়াই ভাল।

    ল্যাবরেটরিতে ঘণ্টা দুয়েক চুটিয়ে কাজ করার পর জিনিসটা বাগে এসে গেল। কার ভেতর যে কী অদৃশ্য হয়ে থাকে। চা-বাগানের মেঝে ঝট দেওয়া আবর্জনার মধ্যে কী ঐশ্বর্য! বিকার থেকে সলভেন্ট উড়ে চলে গেছে, পড়ে আছে ধবধবে সাদা মিহি গুঁড়ো, যার নাম কেফিন। দামি একটি ওষুধ। আজ আমার দিনটা খুব ভাল। পিতার এক পুরিয়া চায়নায় মাতামহ আরোগ্যের পথে। এম ডি-কে গান শুনিয়ে খুশি করে দিয়েছি। বিকেলে যাব সুটের মাপ দিতে। চলেছি হিমালয়ের কোলে দেরাদুনে বসবাস করতে। মনে হয় পদোন্নতিও হবে। কেমিস্ট্রিতে হাত পেকেছে। তার হালফিল। প্রমাণ চোখের সামনে, বিকারে। প্রসেসটা কমার্শিয়ালাইজ করতে পারলে, টি-ওয়েস্ট থেকে কেফিন বের করে প্রতিষ্ঠান অনেক টাকা লাভ করবে। আর আমাকে পায় কে! আজ আবার জিমূতবাবু মাংসের কোরমা চাপিয়েছেন। সুগন্ধে সব পাগল হয়ে যাচ্ছেন। আর মিনিট পনেরো পরেই তিনি আসছেন নতুন ভাড়ে সি সি শব্দ ছাড়তে ছাড়তে।

    মৃগ যেমন কস্তৃরীর গন্ধে পাগল হয়ে যায়, আমিও তেমনি নিজের অহমিকায় বিভোর। ঘুরতে ঘুরতে ওপরে উঠছি, আবার একটু নীচে নামছি। নিজেই নিজের গলায় বিজয়মাল্য পরাচ্ছি। কাঁধের পাশ থেকে কে বললেন, আপনাকে ডাকছেন।

    এম ডি-র পিয়োন। কী ব্যাপার, এর মধ্যে তিনটে বেজে গেল? কই না তো, সবে একটা পনেরো। ভাব আর ভাবনার মাকড়সার জাল থেকে নিজেকে বের করে আনলুম। ঝুলবারান্দা দিয়ে যেতে যেতে নাকে নানারকম গন্ধ এসে লাগল। নীচের ফ্যাক্টরিতে সাবান তৈরি হচ্ছে। সুঁই ফুলের গন্ধ ভাসছে বাতাসে। হঠাৎ অপর্ণার কথা মনে পড়ে গেল। এমন একটা ব্লাউজ পরেছে, গায়ের রঙের সঙ্গে জামার রং মিলে গেছে। বুকের কাছে ছিলে কাটা সোনার হার দুষ্টু ছেলের মতো চিকমিক করে হাসছে। শরীরের ভেতর কোথাও কোনও একটা কিছু মুচড়ে উঠল। ঝিরঝিরে বৃষ্টি আর ভিজেভিজে বাতাসের মতো সুখের অনুভূতিতে শরীর যেন অবশ হতে চাইছে।

    এম ডি মৃদু হেসেই মুখ গম্ভীর করলেন। আমাকে বললেন, বোসা।

    বসলুম। টেবিল আর সকালের মতো খালি নেই। কাগজপত্রে ভরে উঠেছে। স্যাম্পল-ভরতি শিশি সারি সারি একপাশে। নীচের সিন্থেটিক ল্যাবরেটরি থেকে ওপরে উঠে এসেছে। এম ডি স্থির চোখে আমার দিকে কিছুক্ষণ তাকিয়ে থেকে বললেন, ঠিক আছ? স্থির আছ তো?

    আজ্ঞে হ্যাঁ।

    নিজের ওপর নিজের কন্ট্রোল আছে?

    আজ্ঞে হ্যাঁ।

    তা হলে, তুমি এখুনি একবার মেডিকেল কলেজে চলে যাও। আমি গাড়ি দিচ্ছি।

    মেডিকেল কলেজে কেন?

    তুমি এমার্জেন্সিতে যাবে। সেখানে তুমি পঙ্কজকে পাবে। হরিশঙ্করের অফিসের আরও কয়েকজনকে পাবে।

    সেখানে তাঁরা কী করছেন?

    একদম উতলা হবে না। লাগাম টেনে রাখো। হরির মাইনর একটা অ্যাকসিডেন্ট হয়েছে। ভয়ের কিছু নেই।

    হঠাৎ মনে হল আমি মহাশূন্যে উৎক্ষিপ্ত হয়েছি। প্যারাচুটের দড়ি না খুললে প্যারাট্রুপারের মনের অবস্থা যেমন হয়, আমার মনের অবস্থাও সেইরকম হয়ে গেল। আকাশ বেয়ে হুড়মুড় করে। নেমে চলেছি নীচের দিকে। এরই মধ্যে শুনতে পেলুম এম ডি বলছেন, বুঝতে পেরেছি। তোমাকে একা ছাড়া ঠিক হবে না। চলো আমিও তোমার সঙ্গে যাই। অনেকদিন আমার ওল্ড ফ্রেন্ডকে দেখিনি। বহুবার বলেছি, আয় চলে আয়, আমার পাশে এসে দাঁড়া। পশ্চিমবাংলার মাটিতে আচার্য রায়ের স্বপ্ন সফল করি। বোম্বাই আমাদের কান কেটে দিচ্ছে। শুনবে? কারুর কথা শুনবে? ভগবান একটা ষাঁড় তৈরি করতে গিয়ে হরিশঙ্কর করে ফেলেছেন। নিজের মাথার দাম নিজেই বুঝল না। নাও চলো। গেট আপ।

    এম ডি কী করছেন, কী বলছেন, দেখেও দেখছি না, শুনেও শুনছি না। কেমন যেন ভোরের কুয়াশার ভেতর বসে আছি। শীতের সকালে ময়দানের ছবির মতো।

    ধীরে ধীরে গাড়িতে এসে বসলুম। এম ডি আমার পাশে বসলেন। একটু আগে সাফল্যের স্বপ্নে বিভোর হয়ে ছিলুম। ভবিষ্যৎ উড়ে আসছিল বার্ডস অফ প্যারাডাইসের মতো রঙিন পাখা মেলে। আশঙ্কায় মন আর কোনও কাজ করছে না। স্থির হয়ে গেছে। দু’পাশ দিয়ে দৃশ্য ছুটে চলেছে। দেখেও দেখছি না।

    এম ডি একবার শুধু বললেন, ঘটনার ওপর মানুষের কোনও নিয়ন্ত্রণ নেই, পলাশ। যখন যা ঘটার তখন তা ঘটবেই। আমরা শুধু দর্শক। তুমি অত মুষড়ে পোড় না। তুমিই না সকালে আমাকে গেয়ে শোনালে, কত ডুববে উঠবে জীবন তরী। চঞ্চলতা এনো নাকো। এই তো তার হাতেনাতে পরীক্ষা।

    মানুষ কী মন নিয়ে ফাঁসির মঞ্চের দিকে যায় আমার জানা নেই। আমার এই মুহূর্তের মনের। অবস্থা দেখে হয়তো কিছুটা অনুমান করা যায়।

    মেডিকেল কলেজের বিশাল চত্বরে গাড়ি এসে ঢুকল। এপাশে-ওপাশে এক-একটা ব্লক ইটের দৈত্যের মতো মাথা তুলে দাঁড়িয়ে আছে। অদ্ভুত নিচু একটা সিঁড়ি দু’পাশ দিয়ে একটা চাপা বারান্দা মতো জায়গায় উঠে গেছে। বড় বড় অক্ষরে লেখা, ব্লাডব্যাঙ্ক। পাশেই এমার্জেন্সি। সামনেই পঁড়িয়ে আছেন পঙ্কজবাবু। আমাদেরই অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে, অথচ আমাদের দেখতে পাচ্ছেন না। এম ডি সামনে গিয়ে দাঁড়াতেই চমকে উঠলেন

    এ কী? আপনি? না, না তুমি।

    হ্যাঁ, আমি। ছেলেটাকে একা ছাড়ি কী করে? ভীষণ নার্ভাস হয়ে পড়েছে। কী অবস্থা? মারাত্মক কিছু?

    তেমন মারাত্মক নয়। তবে হতে পারত। ভগবান বাঁচিয়ে দিয়েছেন। তেমন হলে চোখদুটো যেত।

    ও তো একজন নামকরা পাকা কেমিস্ট। কী করে কী হল?

    আর বোলো না, এক জুনিয়ারের কীর্তি। কীসে কী হয় ধারণাই নেই। একোয়ারিজিয়া দিয়ে কী একটা করছিল, ফ্লেম কন্ট্রোল করতে পারেনি। এক টেস্টটিউব মাল ছিটকে বুকে এসে পড়েছে। গেঞ্জিতে সোক করে, খুলে ফেলতে ফেলতেই ড্যামেজ হ্যাঁজ বিন ডান।

    ডাক্তার অ্যাটেন্ড করেছেন?

    হ্যাঁ, সঙ্গে সঙ্গে। ভাগ্য ভাল, এমার্জেন্সিতে আজ তড়িৎ আছে।

    তড়িৎ! আমাদের সেই তড়িৎ! যে বলত সাধু হয়ে সংসার ত্যাগ করব!

    এখনও সেই ভাবই আছে। সুযোগ খুঁজছে। সংসারে একমাত্র বন্ধন মা। বুড়ি গেলে ওকে ধরে রাখা শক্ত।

    চলো তা হলে, আমাদের বীর সৈনিককে এবার দেখে আসি। আজ ছাড়বে, না রেখে দেবে?

    পড়েছে তড়িতের হাতে। সহজে নিষ্কৃতি পাবে বলে মনে হয় না।

    যেতে যেতে পঙ্কজবাবু বললেন, ঘাবড়াবার কিছু নেই। স্কিনটা সামান্য পুড়ে গেছে। দিন পনেরোর মধ্যেই ঠিক হয়ে গেছে দেখবে। শুনলুম, তোমার মাতামহ ভীষণ অসুস্থ।

    আজ্ঞে হ্যাঁ, বেশ ভালই অসুস্থ।

    হরি সেইসব কথাই বলছিল, এমন সময় ওই কেয়ারলেস কেমিস্ট, সবই মানুষের নিয়তি! কার যে কখন কী হয়!

    এমার্জেন্সিতে ঢুকতেই মাথা ঘুরে গেল। দিন আর কতটাই বা গড়িয়েছে, এর মধ্যেই আশেপাশে কত কী ঘটে গেছে! ফুটফুটে ডলপুতুলের মতো একটি মেয়ে বাবার সাইকেলের পেছনে বসে ইস্কুলে যাচ্ছিল। স্পোকের মধ্যে পা ঢুকে চুলের বিনুনির মতো পাকিয়ে গেছে। মেয়েটির পিতা হায় হায় করছেন, এ আমি কী করলুম, এ আমি কী করলুম।

    খুড়ো ভাইপোর মাথায় শাবল ঝেড়ে দিয়েছে। মাথা একেবারে ফুটিফাটা হয়ে গেছে। পাশেই ছেলেটির মা দাঁড়িয়ে আছেন। বোধহয় ছেলেকে জড়িয়ে ধরে এনেছিলেন। রক্তে থানধুতি ভেসে গেছে। সঙ্গে একজন পুরুষ রয়েছেন। ভালমানুষ স্কুল শিক্ষকের মতো নিরীহ চেহারা।

    কোনও এক কারখানার কর্মী এসেছেন। মেশিনে হাত ঢুকে ডান হাতের তিনটে আঙুল কেটে ঝুলে পড়েছে। সঙ্গীসাথীরা রক্ত দিতে হবে রক্ত দিতে হবে বলে চিৎকার করছেন।

    এক তরুণী শেষরাতে বিষ খেয়ে বসে আছে। পেট থেকে পাম্প করে বিষ বের করার আয়োজ চলছে। মেয়েটির সাংঘাতিক চেহারার শাশুড়ি মাকে শাসাচ্ছেন, কী মেয়ের জন্ম দিয়েছিলেন। কুলটা। নিজে মরছে মরুক, আমার সোনারচাঁদ ছেলেটাকে জেল খাটাবার মতলব!

    ডাক্তার আর সাদা পোশাক পরা সিস্টাররা ছুটোছুটি করছেন। সকলকে সামলাবার চেষ্টা করছেন। ছিন্নভিন্ন এক-একটি প্রাণী ওটিতে যাচ্ছেন। কারুর হাত যাবে, পা যাবে, কেউ সেলাইফেঁড়াই হয়ে বেরিয়ে আসবে। কারুর চোখ হয়তো আর খুলবেই না। কাঁদতে কাঁদতে এসে হাসতে হাসতে চলে যাবেন।

    কেমন যেন দিশাহারা হয়ে যাবার মতো অবস্থা। এই কুরুক্ষেত্রের কোথাও আমার পিতৃদেব নেই। তিনি বসে আছেন ভেতরের একটি বিশেষ ঘরে। উর্ধ্বাঙ্গ অনাবৃত। পদ্মাসনে যেন ধ্যানে বসেছেন। বুকে হলদে মলমের প্রলেপ। ডানা মেলে হলুদ রঙের একটি হাঁস যেন উড়ে চলেছে। সুন্দর চেহারার অবাঙালি একজন সিস্টার তার পরিচর্যায় ব্যস্ত। কিছুদূরে বসে আছেন ডাক্তারবাবু। তিনি নানারকম নির্দেশ দিচ্ছেন।

    আমাদের দেখে পিতৃদেব উঠে দাঁড়াতে গেলেন। সিস্টার মৃদু ধমক দিলেন, ডোন্ট মুভ, ডোন্ট মুভ। আই হ্যাভ নট ফিনিল্ড ইয়েট।

    ইঞ্জেকশনের সিরিঞ্জে ডিসটিল্ড ওয়াটার ভরতে ভরতে তিনি আমাদের দিকে ভুরু তুলে তাকালেন।

    প্রথমে কথা বললেন এম ডি, কী রে, চিনতে পারিস?

    পিতা দু’হাত তুলে বললেন, হ্যালো, মাই ওল্ড ফ্রেন্ড!

    হাত তোলার ফলে বুকে বোধহয় টান পড়ল। যন্ত্রণার অভিব্যক্তি মুখে ফুটে উঠতে গিয়েও উঠল না। হাসির তলায় চাপা পড়ে গেল। একেই বলে পুরুষমানুষ। উত্তরাধিকার সূত্রে সিকির সিকি গুণও যদি পেতুম।

    ইঞ্জেকশনের শিশির রবার ছ্যাঁদা করে জল ভরতে ভরতে সিস্টার বললেন, ইয়োর রেস্টলেসনেস উইল বি কস্টলি ফর মি। মাইন্ড ইট।

    পিতা বললেন, আই অ্যাম সরি।

    ডাক্তারবাবু উঠে দাঁড়ালেন। এ যেন কলেজ রিইউনিয়ন। চার বন্ধুর সঙ্গমে আমি এক উত্তরপুরুষ হাঁ করে দাঁড়িয়ে আছি। ওপাশে দন্তুর জীবনের আক্রমণে শতছিন্ন প্রাণের আর্তনাদ, ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে জীবনমৃত্যুর সাপে নেউলে খেলা, এদিকে অতীতে বর্তমানে মহামিলন।

    এম ডি বললেন, তড়িৎ, দাড়িটাড়ি রেখে কী হয়েছিস! র‍্যাসপুটিনের মতো চেহারা করেছিস।

    ডাক্তার বললেন, তোর চেহারার মধ্যে একটা মুখ্যমন্ত্রী-মুখ্যমন্ত্রী ভাব এসেছে রে। পশ্চিমবাংলার নাম্বার ওয়ান শিল্পপতি।

    পিতা বললেন, বুকে জড়িয়ে ধরতে ইচ্ছে করছে। উপায় নেই। থাইমলের দাগ লেগে যাবে।

    সিস্টার পুট করে ওপর বাহুতে উঁচ ফুটিয়ে দিলেন। হাসিমুখে বললেন, নড়িবেন না, উঁচ ভাঙিলে বন্ধুগণ কিছুই করিতে পারিবেন না।

    এতক্ষণ লক্ষ করিনি, পিতৃদেবের ডান চোখের ঠিক নীচে একটা পোড়া দাগ। একোয়ারিজিয়া সাংঘাতিক বস্তু। সোনা গলে যায়। মানুষ তো গলবেই। ওই জায়গাটার দিকে ডাক্তারদের এখনও চোখ পড়েনি।

    ডাক্তারবাবু বললেন, একটু চা হোক।

    তিনজনে সমস্বরে বললেন, হয়ে যাক। হয়ে যাক।

    ওয়ার্ডবয় ছুটলেন চা আনতে। মানুষের বুক বড় নরম জায়গা, সেখানে গরম হাইড্রোক্লোরিক আর নাইট্রিকের মিশ্রণ কী ক্ষতি করতে পারে ডাক্তার না হলেও আমার জানা আছে। শুধুমাত্র অসম্ভব মনের জোরে মানুষটি স্থির হয়ে বসে আছেন। ছাত্রজীবনের বন্ধুদের সঙ্গে মাপা রসিকতা করে যাচ্ছেন।

    চা শেষ করে ডাক্তারবাবু বললেন, নাও চলো, তোমাকে ভি আই পি কেবিনে পুরে দিয়ে আসি। আমাদের সেবাযত্নে দিনকতক থাকো।

    তার মানে? তুমি আমাকে হাসপাতালে ভরে রাখবে? আমার দুঃস্বপ্নেও এমন সম্ভাবনা দেখিনি। এমন আহামরি কিছু হয়নি যে হাসপাতালে পড়ে থাকতে হবে।

    এম ডি বললেন, বার্নকেসে সেবাযত্নের প্রয়োজন। টোয়েন্টি ফোর আওয়ারস্ সাফারিং। তুমিও কেমিস্ট্রি আমিও কেমিস্ট্রি। কীসে কী হয় ভালই জানিস। গোঁয়ারতুমি করিসনি।

    আমার থাকার উপায় নেই।

    পঙ্কজবাবু বললেন, ছেলের কথা ভাবছিস?

    শুধু ছেলে কেন? শ্বশুরমশাই অসুস্থ। আমার ভরসায় এখানে আছেন।

    পঙ্কজবাবু বললেন, তোমার বাড়ির দায়িত্ব আমি নিচ্ছি।

    পিতা চেয়ার থেকে পা নামিয়ে জুতো খুঁজতে লাগলেন। তার মানে জুতো পরেই দৌড় মারবেন। কারুর ক্ষমতা নেই ধরে রাখে।

    ডাক্তারবাবু উঠে এসে বললেন, হরি, নাউ আয় অ্যাম সিরিয়াস। এখন আর আমি তোর বন্ধু নই, ডাক্তার। জীবন নিয়ে খেলতে গিয়ে মৃত্যুকে প্রশ্রয় দেওয়া চলে না। আমরা মৃত্যুর শত্রু। গেট আপ। তোমার ব্যাপারটাকে খুব সামান্য ভেবো না। পোড়ার ডিগ্রি আছে জানো! এটা তোমার কেমিস্ট্রি নয়। গেট আপ।

    অসহায় মুখে পিতা উঠে দাঁড়ালেন। আমার দিকে তাকিয়ে বললেন, কিছুদিনের জন্যে নন প্লেয়িং ক্যাপ্টেন হয়ে গেলুম। সামলাতে পারবে তো?

    সেই সতীমার হাসি শুনতে পেলুম। গঙ্গার ঘাট ভেঙে ভেঙে উঠছেন আর বলছেন, ওই দেখ তোর পথ। ফণীমনসার ঝোঁপের পাশ দিয়ে চলে গেছে অন্ধকারের দিগন্তে। জীবনের কাছ থেকে কিছু আশা করিসনি।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112 113 114 115 116 117 118 119 120 121 122 123 124
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleফাঁস – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    Next Article মধুর এক প্রেমকাহিনি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    গুহা – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    হর-পার্বতী সংবাদ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    সাজাহানের জতুগৃহ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    শ্রীকৃষ্ণের শেষ কটা দিন – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    মনুষ্যক্লেশ নিবারণী সমিতি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    মধুর এক প্রেমকাহিনি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }