Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    লোটাকম্বল – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প1632 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১.৫৮ In the great crisis of life

    In the great crisis of life when existence itself is
    threatened the soul attains transcendent
    powers.

    মানুষের জীবনে ভাল আর খারাপ একই সঙ্গে আসে। কালো আর আলো। আকাশে যখন মেঘের খেলা তখন বিশাল প্রান্তরে আলোছায়ার অদ্ভুত খেলা চলে। ছায়ার পেছন পেছন তাড়া করে আসে আলো। আলোর পেছন পেছন ছুটে চলে ছায়া।

    লেটারবক্সে পাশাপাশি দুটি চিঠি শুয়ে ছিল। কবে এসেছিল কে জানে! রোজ লেটারবক্স দেখার অভ্যাস এ বাড়ির কারুরই নেই। চিঠি লেখাতেও আলস্য, চিঠি দেখাতেও আলস্য। চিঠি আদানপ্রদানের পরিসরও খুব কম। আমাদের আত্মীয়স্বজনেরা কে যে কোথায় আছেন আজও জানা হল না। আমাদের বংশের ডালপালা মনে হয় খুবই কম। নেই বললেই চলে? শাখাপত্রশূন্য একটি বৃক্ষকাণ্ড, একটি মাত্র লিকলিকে ডাল মেলে ঊষর প্রান্তরে এক ঠ্যাঙে দাঁড়িয়ে আছে।

    চিঠি দুটির একটি খাম, আর একটি পোস্টকার্ড। দুটিই আমার নামে। আমার সেই মানুষ নামক জ্ঞানগর্ভ, এখান থেকে ওখান থেকে মারা প্রবন্ধটি একটি নামকরা মাসিকপত্রে পাঠিয়েছিলুম। পত্রিকাটি বৃহৎ একটি ধর্মীয় সংস্থার। সন্ন্যাসী সম্পাদক লিখছেন,

    মান্যবরেষু,

    আপনার প্রবন্ধটি মনোনীত হয়েছে? দু-একটি জায়গা কিঞ্চিৎ অস্পষ্ট থাকায় আপনাকে দেখা করার অনুরোধ জানাচ্ছি। যে-কোনও দিন সকাল এগারোটার মধ্যে অথবা বিকেলে তিনটে থেকে ছ’টার মধ্যে দেখা করা যেতে পারে। ইতি সম্পাদক, নির্মলানন্দ।

    সংক্ষিপ্ত চিঠি; কিন্তু মাথা ঘুরিয়ে দেবার পক্ষে যথেষ্ট। পৃথিবী যে ঘুরছে এই প্রথম টের পেলুম। নিজের ভেতর নিজে লাফাচ্ছে। চারপাশ থেকে স্বপ্ন ঘিরে আসছে। সাংঘাতিক সেই প্রবন্ধ অবশেষে ছাপা হবে। জ্বলজ্বল করে উঠবে আমার নাম। নিজের হাতে নিজেই একবার হাত বুলোলুম। পাঁচটা আঙুল, একটা মাথা, সমবেত হয়ে পাতার পর পাতা অক্ষর সাজিয়েছে। ছত্রে ছত্রে মানুষ নামক জন্তুর শ্রাদ্ধ। ভাব এসে গেল। চোখ ছলছল করছে। ঠোঁটে-ধরা পাত্র যেন শেষ মুহূর্তে হড়কে না। যায়! যদি না যায় তা হলে বাকি জীবন আমি হোমাপাখির মতো মহাশূন্যের ঊর্ধ্বলোকে লাট খেয়ে বেড়াব। পৃথিবীর মাস্তুলে আর পা ঠেকাব না। শেলির স্কাইলার্কের মতো দর্শনের গান গেয়ে ঊর্ধ্বে আরও উর্ধ্বে উঠে যাব। উপায় থাকলে আজই ছুটে যেতুম। এখনও এগারোটা বাজেনি। উপায় নেই। কাকিমা খাবার তৈরি করছেন। আজ তিনি আমার সঙ্গে হাসপাতালে যাবেনই। বাহাদুর এসেছে। মাতামহ তাকে ঘাটশিলার বাড়ির গল্প শোনাচ্ছেন। সুবর্ণরেখার স্বপ্ন দেখছেন। তিনিও যাবার বায়না ধরেছিলেন। ছেলেমানুষের মতো ভুলিয়ে রেখেছি।

    খামের চিঠিটা কার বুঝতে পারছি না। হাতের লেখা চেনাচেনা মনে হচ্ছে। খামটা সাবধানে খুলতেই মুকুর চিঠি বেরিয়ে পড়ল। দীর্ঘ দু’পাতা। মুক্তোর মতো ছোট ছোট হাতের লেখা। পুঁতির কিংখাবের মতো ঠাসবুনোনে সাজানো।

    এবার বুক কাঁপল অন্যভাবে। আর কেন? আবার কেন? আর আমার সময় নেই। পথ ঘুরে গেছে। মতির গতি অন্যরকম হয়ে গেছে। পিতা সেদিন পাপের কথা বলছিলেন। চমকে উঠেছিলুম। কার পাপে কী হয়ে গেল কে জানে! পিতৃদেব সব ব্যাপারেই একটু হুড়ম দুড়ুম করলেও সাবধানী মানুষ। সবরকমের রিফ্লেকস অটুট আছে। তবু একটা দুর্ঘটনা ঘটে গেল। কেন ঘটল? কেন কাল। রাতে বিশ্রী একটা স্বপ্ন দেখলুম? গরদের শাড়ি পরে মা এসেছেন, মাথার সামনে। ভোরের ফিকে আলোয় চারপাশ গোলাপি। আমি যেন শুয়ে আছি আমাদের খোলা ছাদে। আমি শুয়ে শুয়ে মাথার দিকে তাকিয়ে বললুম, মা, তুমি? মা ঠোঁটের উপর একটা আঙুল রাখলেন। মুখে ফুটে উঠল সেই বিখ্যাত হাসি। যে-হাসিতে গালে টোল পড়ত। মা বললেন, খোকা, তোর বাবাকে যদি নিয়ে যাই তোর খুব অসুবিধে হবে? আমি ধড়মড় করে উঠে বসে বললুম, সে কী বলছ মা? মা বললেন, তুই তো বড় হয়েছিস। আমার যে বড় একা লাগছে! আমি ভীষণ জোরে না বলে উঠলুম। অনেকটা ধমকের সুরে। মা যেন আমার শত্রু। এত জোরে না বললুম যে ঘুম ভেঙে গেল। তখনও ভোর হয়নি। রাত তিনটে। ঘর অন্ধকার। ঘড়ি যেন অশরীরীর ভয়ে ঠকঠক করছে। মনে এমন একটা ভয় হল! পাশবালিশটাকে মা বলে আঁকড়ে ধরলুম। মনে হল জাহাজ-ভাঙা নিঃসঙ্গ নাবিক অন্ধকার আকাশের তলায় উত্তাল সমুদ্রে মোচার খোলার মতো ভেসে চলেছে। মৃত্যু সুনিশ্চিত। যতক্ষণ ভেসে থাকা যায়।

    যতই দেখব না ভাবি, মুকুর চিঠির দিকে চোখ চলে যাচ্ছে। ‘প্রিয় পলাশ’। পলাশ কারুর প্রিয় নয়। কেন অশান্তি করছ মুকু? ‘তোমাকে একটা সুখবর দিই।’ কার সুখবর? তোমার না আমার! আমার সব খবরই কুখবর। কবর খোঁড়ার খবর। ‘আমি অনার্সে ফার্স্টক্লাস নিয়ে পাশ করেছি।’ ও তাই তো! কয়েকদিন হল তোমার রেজাল্ট বেরিয়েছে। আমার নীরব অভিনন্দন গ্রহণ করো। এম এ পড়ার জন্যে আমি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভরতি হব ঠিক করেছি। কই তুমি তো আমার চিঠির উত্তর দিলে না! তোমাকে লিখতে আমার ভীষণ লজ্জা করছে। জানি না, তুমি আমাকে কী ভাবছ? মেয়েরা কোনও একজনের কাছে কিছু যে বলতে চায়। সেই একজন যে কে, তা কি বলা যায়? মানুষেই তো স্বপ্ন দেখে? স্বপ্নও তো বাস্তব হয়? বলো হয় না? অপর্ণাকে আমার কিন্তু একেবারেই ভাল লাগেনি। বড় কাঁচা মেয়ে। কাঠের বন্দুকের মতো সারাজীবন কাঁধে বয়েই বেড়াতে হবে। কেন তা জানি না। সেসব কথা তোমার কাছেই গোপন রেখো। ওপর দেখে মানুষ চেনা বড় শক্ত। সম্পর্কের খাতিরে সারাজীবন আমাদের অভিনয় করে যেতে হয়। মেয়েদের অভিধানে বিদ্রোহ শব্দটি নেই। লেখাপড়া শিখে আমরা স্বামীর ঘর করতে চলে যাই। এক কারাগার থেকে আর এক কারাগারে। ভারত স্বাধীন হলেও আমরা স্বাধীন নই। তুমি কি হোমচৌধুরির খোঁজ করেছিলে?

    সে আবার কী? এ যেন গোটা চারেক কিস্তি বাদ দিয়ে ধারাবাহিক উপন্যাস পড়া। কিছুই বুঝতে পারছি না। হোমচৌধুরিটা আবার কে? মুকুর রেখে যাওয়া কাগজপত্র সব গভীর কুয়োর জলে। সলিল সমাধি হয়ে গেছে। জানার আর উপায় নেই। সব পারিবারিক গুপ্ত কথা লোপাট।

    বিকট শব্দে মোটরবাইক বাড়ির সামনে এসে দাঁড়াল। কে আসতে পারেন! ইলেকট্রিক সাপ্লাইয়ের ইন্সপেক্টর! না কি পিতার কোনও বন্ধু? মোটরবাইক-অলা বন্ধু তো কেউ নেই। মুকুর চিঠিটা সব আর পড়া গেল না। খামে ঢুকিয়ে রাখলুম। জানলা দিয়ে উঁকি মারতেই বুকটা ধড়াস করে উঠল। একজন পুলিশ অফিসার বাড়ির দিকে তাকিয়ে পঁড়িয়ে আছেন। চোখাচোখি হয়ে গেল। হাত নেড়ে নীচে ডাকলেন।

    হঠাৎ পুলিশ কেন? কী আবার হল? কিছুই তো বুঝতে পারছি না। সিঁড়ি বেয়ে নীচে নামতে নামতে মনে মনে খতিয়ে দেখার চেষ্টা করলুম, না জেনে নিজেকে কোনও অপরাধে জড়িয়ে ফেলেছি কি না! একটা কথা ভেবে বুকটা আবার ধড়াস করে উঠল, ভদ্রলোক হাসপাতাল থেকে কোনও খারাপ সংবাদ আনেননি তো! ভাবামাত্রই ভীষণ শীত করতে লাগল।

    পুলিশ অফিসার রাস্তার ওপাশ থেকে এপাশে চলে এসেছেন। একেবারে সদরের সামনে। হাতে একটা সুটকেস। রাগীরাগী চেহারার বাইকটা ওপাশে রাস্তার ধার ঘেঁষে দাঁড়িয়ে আছে। ভদ্রলোককে ‘কী বলছেন?’ বলতে গিয়ে মুখ দিয়ে কোনও কথা বেরোল না। এই প্রথম অনুভব করলুম, চোর আর পুলিশ দু’জনেই সমান। সামনে এসে দাঁড়ালে ভয়ে কণ্ঠরোধ হয়ে যায়।

    বিশাল আকৃতির মানুষটি বেশ মিষ্টি গলায় বললেন, প্রফুল্লবাবু নামে এ বাড়িতে কেউ থাকেন?

    মনে হল একটা ঘুষি খেলুম। নাকটা যেন থেবড়ে গেল। প্রথমে মনে হল বলি, না। তারপর ভাবলুম, মিথ্যে বললে জল আরও ঘোলা হয়ে যাবে। আমার তো কিছু জানার কথা নয়। আমি তো মর্গে কিছু দেখিনি। এই মুহূর্তে আমাকে অতি নিরীহ ভালমানুষের অভিনয় করতে হবে। বললুম, আজ্ঞে হ্যাঁ, থাকেন।

    তিনি এখন কোথায়?

    বেশ কিছুদিন হল বাইরে গেছেন।

    আপনি তাঁর কে হন?

    কেউ না। আমাদের বাড়ির নীচের তলায় তিনি থাকেন। নীচেটা খালি পড়ে ছিল।

    প্রফুল্লবাবুর নিজের কেউ আছেন?

    আজ্ঞে হ্যাঁ, স্ত্রী আছেন।

    আমি ভেতরে আসতে পারি?

    হ্যাঁ, আসুন না।

    আমি তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে দু-একটা কথা বলতে চাই।

    মনে হচ্ছে আমার পক্ষাঘাত হয়েছে। সারাশরীর অবশ। পা যেন চলছে না। অভিজ্ঞ চোখে আমার এই অস্বাভাবিক আচরণ ধরা না পড়ে যায়। আমি আগে আগে, জুতোর ভারী শব্দ তুলে পুলিশ অফিসার পেছন পেছন উঠছেন।

    দোতলায় উঠে এলুম কোনওরকমে। ভদ্রলোকের বিশাল চেহারায় ঘরের উচ্চতা কেমন যেন খাটো হয়ে গেল। আমাকে কিছু বলতে হল না। তিনি নিজেই চেয়ার টেনে বসে বললেন, তিনি। কোথায়?

    যেন তর সইছে না। কত তাড়াতাড়ি একটা মানুষকে গুঁড়ো করে ফেলা যায়, সুখের ডালিমকে দু’হাতে নিংড়ে রস ঝরানো যায়। চাপরাশ পরা এই মানুষটির জগতে কর্তব্য ছাড়া আর কোনও কিছুর অস্তিত্ব নেই।

    ধীরে বললুম, বসুন, ডেকে আনছি।

    ভেতরের ঘরে মাতামহ এখনও বাহাদুরের সঙ্গে বকবক করছেন। টের পাননি বাইরের ঘরে শমন এসে বসেছেন। গায়ে আইনের গন্ধ। মুখে মৃত্যুর শীতল হাসি। বৃদ্ধ সোনালি সুতো দিয়ে অতীতের জামদানি বুনে চলেছেন।

    রান্নাঘরে কাকিমা বসে আছেন। হাসপাতালে যাবেন, সাজগোজ সারা। সাদা শাড়ি পরেছেন। পিঠে লুটোচ্ছে আঁচল, লতাপাতার কাজ করা। চান করেছেন। গাটবাঁধা ভিজে চুল কোমর ছাপিয়ে মেঝে ছুঁয়েছে। পরিষ্কার মাজা মুখে সিদুরের গোল টিপ চকচক করছে। ঝকঝকে টিফিন কেরিয়ারে বাটির ওপর বাটি সাজিয়ে চলেছেন। আমার দিকে মুখ তুলে তাকিয়ে বললেন, বটঠাকুর যা যা ভালবাসেন সব আজ বেঁধেছি। কত কম সময়ের মধ্যে সব করে ফেললুম বলো!

    সবই শুনছি, কিছু বলতে পারছি না। কাকিমা আমার চোখের সামনে ভোরের কুয়াশার মতো ক্রমশ সাদা হয়ে যাচ্ছেন। আমি অতি কষ্টে বললুম, ওসব এখন থাক। আপনার সঙ্গে একজন দেখা করতে এসেছেন।

    বলেই মনে হল গাছের গুঁড়িতে কাঠুরিয়ার শেষ কোপ পড়ল। বিশাল একটি গাছ বনের মাথা কাঁপয়ে চারপাশে ভীষণ এক আলোড়ন তুলে আকাশ ছোঁয়ার আনন্দ ফেলে নেমে চলেছে মৃত্তিকার মৃত্যুর দিকে।

    আমাকে আবার কে ডাকবে?

    বাইরের ঘরে একবার আসুন।

    হাতটা কোনওরকমে ধুয়ে কাকিমা আমার পেছন পেছন আসছেন। এখনও জানেন না কে এসেছেন। দরজার কাছে এসে হাত চেপে ধরে বললেন, একী! পুলিশ! আমি তো কিছু করিনি।

    অফিসার চেয়ার ছেড়ে উঠে দাঁড়িয়ে বললেন, আসুন আসুন। কোনও ভয় নেই। পোশাক দেখে ভয় পাবেন না।

    কাকিমা ঘোমটা টেনে পায়ে পায়ে এগিয়ে গেলেন। অফিসার বললেন, বসুন, আপনাকে দু’-একটা জিনিস দেখিয়ে কয়েকটা প্রশ্ন করব।

    কাকিমা চেয়ারে আড়ষ্ট হয়ে বসলেন। আমি দূরে দাঁড়িয়ে ইতস্তত করছিলুম। অফিসার বললেন, আপনিও আসুন। তা হলে একটু সাহস পাবেন ইনি।

    অফিসার দু’হাঁটুর ওপর সুটকেস রেখে ডালা খুলে ফেললেন। খুলতে খুলতে বললেন, আপনার স্বামীর নাম প্রফুল্লচন্দ্র দাস?

    কাকিমা ঘাড় নাড়লেন।

    কতদিন হল বাইরে গেছেন?

    খুব মৃদু সুরে কাকিমা বললেন, অনেকদিন।

    কোথায় গেছেন?

    কোন এক রাজবাড়িতে তবলা বাজাতে।

    জায়গার নাম মনে আছে?

    না।

    কোনও চিঠিপত্র পেয়েছেন?

    না।

    এতদিন বাড়ি ছাড়া, চিঠিপত্র নেই, খোঁজখবর নেই, আপনি জানার চেষ্টা করেননি তিনি কোথায় আছেন কেমন আছেন?

    আমি কেবলই ভেবেছি, এই ফেরেন এই ফেরেন। আপনি কি তার কোনও খবর পেয়েছেন, কোথায় আছেন, কেমন আছেন?

    উত্তেজনায় কাকিমার মাথা থেকে আঁচল খুলে পড়েছে। অফিসার বললেন, উত্তেজিত হবেন না। আমার আরও প্রশ্ন আছে।

    চেয়ারের হাতল ধরে দাঁতে দাঁত চেপে কাকিমা কোনওরকমে বসে রইলেন। অফিসার সুটকেসের ডালার খাপ থেকে একটি ফটো বের করলেন, আচ্ছা দেখুন তো ইনিই কি আপনার স্বামী?

    ছবি দেখে কাকিমা নীরবে ঘাড় নাড়লেন। ভদ্রলোক ধীরে ধীরে খাদের দিকে নিয়ে চলেছেন। এ সেই ছবি। মর্গে শায়িত অবস্থায় তোলা। মুখ দেখে বুঝতে সামান্য সময় লেগেছিল। এইবার বুঝে ফেলেছেন। সিঙিমাছে কাটা মারলে মানুষ যেভাবে লাফিয়ে ওঠে, কাকিমার সারাশরীরে একটা। কঁপন বয়ে গেল। একেবারে শূন্য দৃষ্টিতে আমার দিকে তাকিয়ে ‘পিন্টু এ কী হল’ বলে আঁচলে চোখ ঢাকলেন।

    আমি ধীরে ধীরে শক্ত হয়ে উঠেছি। যা হবার তা তো হবেই। আর তো রোখা যাবে না। উল্কার বেগে ট্রেন ছুটে আসছে। লাইন ছেড়ে সরে যাবার আর সময় নেই। মাথা দিতেই হবে। ভদ্রলোক বোকার মতো ছবিটা কেন সবার আগে দেখাতে গেলেন! সুটকেসে আরও তো অনেক কিছু দেখাবার ছিল।

    কাকিমা ফোঁপাতে ফোঁপাতে বললেন, কী করে এমন হল! কোথায় তাকে রেখেছেন?

    অফিসার বললেন, স্থির হন, স্থির হন। এখনও আমার অনেক প্রশ্ন আছে।

    আর প্রশ্ন! অনেক প্রশ্ন প্রশ্নই থেকে যাবে। উত্তর আর পেতে হচ্ছে না। পাকা মানুষ, কী করে এমন কাঁচা কাজ করলেন? ভাবনার এই মুহূর্তটিতে মাতামহ ঘরে এলেন। অবাক হয়ে বললেন, একী, তোমাদের এসব কী হচ্ছে বউমা?

    কাকিমা কোনওরকমে উঠে দাঁড়িয়ে মাতামহের প্রশস্ত বুকে আছড়ে পড়লেন। বাঁধভাঙা কান্না শুরু হল। অফিসার জিজ্ঞেস করলেন, ইনি কে?

    আমার দাদু।

    কাকিমা ধীরে ধীরে নীচের দিকে নেমে আসছেন। মাতামহের পায়ের কাছে হাঁটু ভেঙে পড়ে গেলেন। কিছু বুঝতে না পেরে মাতামহ বললেন, কী ব্যাপার বলে তো? হরিশঙ্কর ঠিক আছে?

    আমি বললুম, আজ্ঞে হ্যাঁ।

    তবে বউমা এমন ভেঙে পড়ল?

    প্রফুল্লকাকা মারা গেছেন।

    অ্যাঁ, সেকী? কোথায় মারা গেছে?

    অফিসার উত্তর দিলেন, বসুন, সব বলছি। তার আগে কিছু কিছু জিনিস শনাক্ত করতে হবে। ওঁকে একবার দেখান তো, এই পাঞ্জাবিটা চিনতে পারেন কি না।

    আমি বললুম, আমি পারি। পাঞ্জাবিটা প্রফুল্লবাবুর।

    তবু একবার সামনে ধরুন না।

    পাঞ্জাবিটার দিকে কাকিমা ফিরেও তাকালেন না। তাকাবার মতো অবস্থাও নেই। কেমন যেন হয়ে গেছেন। অফিসার একটা বিড়ির কৌটো আর লাইটার বের করে বললেন, চিনতে পারেন?

    খুব পারি।

    সুটকেসে আরও অনেক কিছু রয়েছে। সেসব আর বের করলেন না। যা যা বের করেছিলেন সব ঢুকিয়ে ফেললেন। বেরিয়ে এল আরও গোটা তিনেক ফটো। ছবি তিনটে সুটকেসের ওপর পাশাপাশি ফেললেন। জিজ্ঞেস করলেন, এদের মধ্যে কেউ কখনও এ বাড়িতে এসেছিল?

    দু’জনকে চিনি না। তৃতীয়জনকে চিনি। সেই অষ্টাবক্র লোকটি, যে আমার ঘড়ি নিয়ে ভেগেছিল। একে চিনি বলতে গিয়েও বলা হল না। নিজেকে সামলে নিলুম। কী থেকে কী হয়ে যায়, বলা শক্ত। মনে হতে লাগল পুলিশের জাল ধীরে ধীরে আমার দিকেও এগিয়ে আসছে। এই মৃত্যুর খবর আমি যে অনেকদিন আগেই জেনেছি, অথচ বলিনি। অফিসার বললেন, কী হল, চেনেন? এসেছে কোনওদিন?

    না।

    ওঁকে একবার দেখান।

    কাকিমা হঠাৎ উঠে দাঁড়ালেন। পঁড়িয়ে বললেন, আমি যাব। শেষ দেখা একবার দেখব।

    অফিসার বললেন, কোথায় যাবেন? সব শেষ হয়ে গেছে। সে কি আজকের কথা! অনেক আগেই আপনাদের খোঁজখবর করা উচিত ছিল। মর্গে আনক্লেমড ডেডবডি কতদিন পড়ে থাকবে?

    মাতামহ বললেন, আপনাদের খোঁজ করা উচিত ছিল।

    খোঁজখবর করতে করতেই তো এসেছি।

    তাতে আমাদের কী লাভ হল?

    আপনাদের না হোক, আমাদের হল। কেসটা এখন সাজানো যাবে। তিনটেকে আমরা অ্যারেস্ট করেছি। খুনের উদ্দেশ্যটা তেমন ভাল করে বোঝা যাচ্ছে না। সব খুনেরই একটা উদ্দেশ্য থাকে, হয় নারী, না হয় টাকা, বিষয়সম্পত্তি। দেখা যাক কী করা যায়। ভদ্রমহিলাকে প্রস্তুত থাকতে বলবেন। দিন সাতেকের মধ্যেই কোর্টে ডাক পড়বে, তখন এইসব আর একবার শনাক্ত করতে হবে।

    মাতামহ জিজ্ঞেস করলেন, ডেডবডি আপনারা পুড়িয়ে ফেলেছেন?

    ভদ্রলোক সুটকেস হাতে উঠে দাঁড়াতে দাঁড়াতে বললেন, ডিসপোজড অফ। আচ্ছা আজ চলি, প্রয়োজন হলে আবার আসব।

    বাতাসে শব্দের ঘুসি মারতে মারতে মোটরবাইক দূর থেকে দূরে চলে গেল। ঘরের মাঝখানে কাকিমা উদভ্রান্তের মতো দাঁড়িয়ে। আজ বড় পবিত্র সাজে সেজেছিলেন। সব চুরমার হয়ে গেল। মোটরবাইকের শব্দটা যেন বুক থেকে উঠে দূরে মিলিয়ে গেল। মাতামহ চেয়ারে স্তম্ভিত। হঠাৎ নুয়ে-থাকা বাঁশের মতো ছিটকে উঠলেন। সোজা দাঁড়িয়ে হাহা করে হাসতে লাগলেন। ভয় হল, পাগল হয়ে গেলেন না তো! হাসি থেমে গেল। দেয়ালের দিকে তাকিয়ে বলতে লাগলেন, সবই বেটির খেলা, সবই বেটির খেলা। অভাগা যেদিকে চায় সাগর শুকায়ে যায়। সুখের সংসার জ্বলেপুড়ে যায়।

    কাকিমা বাহাদুরের পাশ দিয়ে ভেতরের ঘরের দিকে ছুটলেন। মাতামহ বললেন, এবার তা হলে কী হবে! এমন সুন্দর মেয়েটা বিধবা হয়ে গেল। তুমি একবার দেখো, কী করতে কী করে ফেলে।

    শোবার ঘরের আয়নার সামনে কাকিমা স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে আছেন। নিজের মুখোমুখি। সধবার সামনে বিধবা। প্রতিবিম্বের পাশে রাহুগ্রাসের মতো আমার মুখের কিছু অংশ ভাসছে। কাকিমা আঁচল দিয়ে কপালের টিপটা ঘষে তুলে ফেললেন। সিথির সিঁদুর তুলে ফেললেন ঘষে ঘষে। সেদিন দোরে ফেরিঅলা ডেকে শাঁখা পরেছিলেন। শাঁখাজোড়া নিজেই ভেঙে ফেললেন মটমট করে।

    আমি সবই দেখছি। কিছু করার নেই। হঠাৎ আয়নার দিক থেকে আমার দিকে মুখ ঘুরিয়ে বললেন, চলো, অনেক দেরি হয়ে গেছে। বটঠাকুর না খেয়ে আছেন।

    আচমকা আমি আবার একটা ধাক্কা খেলুম। মহিলা বলেন কী? এত মনের জোর! ইনি কি তা হলে সাধিকা? মায়া, মোহ, সংস্কার সবকিছু জয় করে বসে আছেন! চিনতে ভুল হয়েছিল। আমার মুখ ফসকে বেরিয়ে গেল, আপনি বলছেন কী?

    চোখের জল এখনও ভাল করে শুকোয়নি। ঠোঁটদুটো এখনও আবেগে কাঁপছে। পূর্ণ দৃষ্টিতে আমার দিকে একবার তাকিয়ে রান্নাঘরের দিকে চলে গেলেন ধীর পায়ে। এতই কর্তব্যবোধ যে এত বড় একটা শোক মিলিয়ে গেল, চাপা পড়ে গেল।

    নিচু হয়ে টিফিন কেরিয়ার হাতে তুলে নিলেন। খরখরে সিমেন্টের মেঝেতে টপটপ করে কয়েক ফোঁটা চোখের জল ঝরে পড়ল। দূরে চটকলের ভো বেজে উঠল। অদ্ভুত তার বুকখালি করা স্বর। পৃথিবীর সমস্ত মৃত্যুর জন্যে সমবেত এক আক্ষেপ বাঁশি হয়ে কেঁপে কেঁপে বাজছে। ঠাকুর বলতেন, সানাইয়ের সুরে সাধকের সমাধি হয়। এই বাঁশি শুনলে কী বলতেন!

    হাতে টিফিন কেরিয়ার। সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত চেহারা। কাকিমা আমার সামনে। চাপা গলায় বললেন, চলল।

    আপনি যাকেন কী করে? এই অবস্থায়।

    ভাল করে কথা বলতে পারছি না। এই প্রথম অনুভব করলুম মন এক। আমার মন, তোমার মন, অহংবোধে খণ্ড খণ্ড। আসলে মন একটাই, বৃহৎ মন। তা না হলে আমার মনে হবে কেন আমিও বিধবা হয়েছি! এই মহিলার শূন্যতা আমার মধ্যেও এসে গেছে।

    কাকিমা নিজের মুঠোয় আমার হাত চেপে ধরে বললেন, আর দেরি কোরো না। যার কাছে গেলে আমি শান্তি পাব তার কাছে আমাকে যেতেই হবে।

    মহিলাদের মন বোঝার ক্ষমতা আমার নেই। শুনেছি ঈশ্বরও জানেন না। দরজার আড়ালে দাঁড়িয়ে মাতামহ উঁকি মেরে মেরে দেখছেন। মাতামহ জগৎমাতাকে চেনেন, সাধারণ রমণীর ব্যাপারে তিনি বড়ই অজ্ঞ। কতকাল হয়ে গেল মাতামহী চলে গেছেন। তারপর থেকে তো একেবারেই নাঙ্গাবাবা। স্ত্রীবিয়োগে স্বামীর অবস্থা স্মৃতিতে গাঁথা থাকলেও থাকতে পারে, স্বামীবিয়োগে স্ত্রীর অবস্থা জানবেন কী করে! মঞ্চভীত অভিনেতার মতো উইংসের পাশ থেকে উঁকি মারছেন।

    ওঁর পাশ দিয়ে যাবার সময় ছেলেমানুষের মতো ভয়ে ভয়ে জিজ্ঞেস করলেন, কোথায় চললে তোমরা?

    হাসপাতালে।

    বউমাও!

    আজ্ঞে হ্যাঁ।

    তবু আমাকে কিছুতেই যেতে দেবে না। কী তোমাদের বিচার! হরিশঙ্কর কি শুধু তোমাদেরই? আমার কেউ নয়!

    আর একটু সুস্থ হলেই আপনাকে নিয়ে যাব।

    আর কত সুস্থ হব বলতে পারো? আমার বয়েসের মানুষ আর কত সুস্থ হবে? তোমরা মানুষের বয়েসটা ভুলে যাও।

    কাকিমা গড়গড় করে কলের পুতুলের মতো কোনও দিকে না তাকিয়ে এগিয়ে চলেছেন, সোজা সিঁড়ির দিকে। আর বেশি কথা বাড়াবার সময় নেই। ঠাস বাঁধাকপির মতো এতকালের অবস্থা হঠাৎ শুকনো ফুলের মতো ঝরতে শুরু করেছে। সবকিছু সামাল দেবার ব্যর্থ চেষ্টা করে আর লাভ নেই। সময়ের চলন সহজে বোঝা যায় না। আজ যেন বুঝছি। মুহূর্ত নিমেষে মিনিটের সাঁকো পার হয়ে ঘণ্টার দিকে তরতর করে ছুটে চলেছে। কী দুর্বার তার গতি! একটা জিনিস এতকাল চাপা ছিল, হঠাৎ বাঁধ ভেঙে কন্যার মতো ঝাঁপিয়ে পড়েছে।

    ট্যাক্সি চলেছে। পেছনের আসনে দু’জনের মাঝখানে টিফিন কেরিয়ার। এখনও গরম। কনুই লাগলে ছ্যাঁক করে উঠছে। দাঁতে দাঁত চেপে কাকিমা বসে আছেন। কোথায় গেল আনন্দ, কোথায় সেই বেশভূষা! সময় কী আশ্চর্য জিনিস! মুহূর্তের চৌকাঠ ডিঙোলে কে যে কোথায় গিয়ে পড়বে জানা নেই। একটু আগে কী ছিল, একটু পরে কী হল। কিন্তু আমি তো এতদিন এই মুহূর্তটাকে ধরে রেখেছিলুম। প্রায় সফলও হয়েছিলুম। অনেক আগেই যা হত তা হয়েছে অনেক পরে। সময়ও তা হলে চুরি করা যায়!

    দূরে মেডিকেল কলেজের হলদে বাড়ি। গাড়ি তো ঢুকছে। ভাবছি এবার কী হয়!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112 113 114 115 116 117 118 119 120 121 122 123 124
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleফাঁস – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    Next Article মধুর এক প্রেমকাহিনি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    গুহা – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    হর-পার্বতী সংবাদ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    সাজাহানের জতুগৃহ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    শ্রীকৃষ্ণের শেষ কটা দিন – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    মনুষ্যক্লেশ নিবারণী সমিতি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    মধুর এক প্রেমকাহিনি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }