Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    লোটাকম্বল – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প1632 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১.৭০ Tell me in what part of the wood

    Tell me in what part of the wood
    Do you want to flirt with me.

    ট্রেন ছেড়ে দিয়েছে। কবজির কাছটা এখনও জ্বালা করছে। ট্রেন ছাড়ার পূর্ব মুহূর্তে কাকিমা চেপে ধরেছিলেন। জলে ডোবার আগে মানুষ এইভাবে আঁকড়ে ধরে। এক ঝটকায় হাত ছাড়িয়ে নিতে হয়েছে। নয়তো চাকার তলায় চলে যাবার সম্ভাবনা ছিল। ট্রেনের পেছনের লাল আলোটি ডিসট্যান্ট সিগন্যালের কাছে এখনও ভাসছে। একটি মুখ দূর থেকে দূরে ক্রমশই আরও দূরে সরে যাচ্ছে। চেষ্টা করলেও যে-মুখটিকে আমি কোনও দিনই ভুলতে পারব না। আকাশের দিকে তাকালে ভেসে উঠবে। স্থির জলে ভাসবে। স্বপ্নে উঁকি মেরে যাবে। বিষণ্ণ আশাহত দুটি চোখ। ভেজাভেজা চোখের পাতা। বারেবারে কেঁপে-ওঠা পাতলা দুটি ঠোঁট।

    মুকু হাত ধরে টান মারল, তোমার দেখছি ঘোর লেগে গেছে! এমন ভাব করছ, কেউ যেন কখনও বিদেশ টিদেশ যায় না! মানুষে মানুষে যেন ছাড়াছাড়ি হয় না! আমি বলে কোথাকার মেয়ে সব ছেড়েছুঁড়ে এককথায় কোথায় চলে এলুম, একটুও মন খারাপ হল না আর তুমি পুরুষমানুষ প্ল্যাটফর্মে দাঁড়িয়ে ফোঁসফোঁস করছ! চলো।

    শূন্য প্লাটফর্ম কী অদ্ভুত দেখতে! একজোড়া লাইন পড়ে আছে। কিছু কাগজ, দু’-একটা ভাড়, তেল, কালি, রেল-রেল গন্ধ। বাক্স প্যাটরা বেডিং-এর ওপর গালে হাত দিয়ে বসে থাকা অপেক্ষমাণ। কিছু যাত্রী। সকলকেই যেতে হবে। আগে আর পরে। নীল পোশাক পরা দু’-একজন রেলকর্মী। গল্পরত দু’-একজন টিকিট চেকার। লোহার ঠ্যালাগাড়ি চেপে মালপত্র আসতে শুরু করছে। সতর্ক সময়নিষ্ঠ যাত্রীরা স্ত্রী-পুত্রের হাত ধরে আসছেন। কাঁধে জলের বোতল, হাতে ব্যাগ। লাল জামা পরা পোর্টারের মাথায় মোটঘাট। সায়েবি চেহারার পাঞ্জাবি যুবক। কাঁধে কাঁধ ঠেকিয়ে লাস্যময়ী যুবতী। প্ল্যাটফর্ম আবার জমজমাট হয়ে উঠছে। একটু পরেই দুন এক্সপ্রেস ছাড়বে। সুরেলা গলায় মহিলাকণ্ঠ বারেবারে বিভিন্ন ভাষায় সেই সংবাদই ঘোষণা করছে। জোড়া লাইন কোন সুদূরে চলে গেছে। কেবলই মনে হচ্ছে, আমিও এখুনি কোথাও চলে যাই। বারেবারে আসি, বারেবারে ফিরে যাই। আজ যদি না ফিরি কেমন হয়! স্বামী নির্মলানন্দ দেরাদুনে, আলমোড়ায়, মাদ্রাজে, যে-কোনও জায়গায় আমার স্থান করে দিতে পারেন। আমি একবার হ্যাঁ বললেই হয়। মুকু বললে, তুমি অমন হা করে লাইনের নিরুদ্দেশ যাত্রা দেখছ কেন? প্রাণ ছটফট করছে বুঝি?

    ধরেছ ঠিক।

    আমারও ওইরকম করে। মনে হয় চলে যাই। এক জায়গা থেকে আর এক জায়গায়। শুধু চলেই যাই। নাও চলো। কফি খেতে ইচ্ছে করছে। তোমার সঙ্গে অনেক কথা আছে।

    মুকু আমার শরীরের সঙ্গে লেপটে আছে। কেউ দেখলে ভাববে স্বামী-স্ত্রী। মুকু কি আমাকে জালে জড়াবার জন্যে তৈরি হয়েই এসেছে?

    রেলের ক্যান্টিনটি বেশ বড়। লোকজন রয়েছে, তবে বসার জায়গা পেতে অসুবিধে হল না। কোণের দিকে পাশাপাশি দুটি আসন। পাশের টেবিলে সৌম্য চেহারার এক প্রৌঢ় বসে আছেন। তাঁর উলটো দিকে বসে আছেন এক প্রৌঢ়া। কাঁচাপাকা চুল। হালকা রঙের সিল্কের শাড়ি। ধবধবে সাদা ব্লাউজ। রং আর স্বাস্থ্য যেন ফেটে পড়ছে। কপালের মাঝখানে লাল টিপ, ভোরের সূর্যের মতো ভাসছে। দু’জনেই কফির পেয়ালায় হালকা চুমুক মারছেন। মৃদু স্বরে নিজেদের মধ্যে কথা বলছেন। চারপাশে মৃদু একটি সুবাস ছড়িয়ে পড়ছে। আমি অবাক হয়ে দেখছি। সুখ যেন মানুষের চেহারা ধরে এই রেলের ক্যান্টিনে কফির কাপ নিয়ে বসেছে। পৃথিবীতে সব আছে। যা চাইব, তাই দেখতে পাব। পমেড-মাথা কাকিমার মামাশ্বশুর। মানী মানুষের কাছে যৌনবিজ্ঞান পাঠাবার মতো কদর্য চরিত্র। মাতামহের মতো গৃহী সাধক। মাতুলের মতো আত্মভোলা শিল্পী। পিতার মতো নিঃসঙ্গ সৈনিক। স্বামী নির্মলানন্দের মতো সর্বত্যাগী জ্ঞানী সাধক। আলোয় কালোয় বেশ সাজিয়েছ ভগবান!

    দু’হাতের তালুতে চিবুক ধরে মুকু বেশ বসেছে! যেন হাতের ফাঁকে পদ্ম ফুটেছে। অবাক হয়ে আমাকে দেখছে। চোখাচোখি হতেই মৃদু হাসল। চোখদুটো গভীর সরোবরের মতো কেঁপে উঠল। নাকের পাশের ছোট্ট নাকছাবি উৎসব রাতের চুমকির মতো ঝিলিক মেরে উঠল। বসন্ত নয়, তবু মনে হল মনের সব জানলা দরজা খুলে গেছে। দখিনা বাতাস বইছে। পাপিয়া বড় আকুল সুরে ডাকছে, পিউ কাহা! মরেছে, আমি প্রেমে পড়ে গেছি। মুকুর মুখের দিক থেকে চোখ ফেরাতে পারছি না। শুনেছি গভীর রাতে নির্জন পাহাড়ের ফাটল থেকে এক ধরনের রস বেরিয়ে আসে। যার নাম শিলাজতু। বড় দুর্লভ বস্তু। আমার মনের স্তরেও শিলাজতু জমছে ধীরে ধীরে। ধ্যাত, কী আমি সন্ন্যাস সন্ন্যাস করছি! জীবন্ত দেবী ছেড়ে মৃত ঈশ্বরের সন্ধানে মহামূল্য জীবন অপচয় করে ফেলছি। কে জানে আবার এই পৃথিবীতে আসা হবে কি না! শুদ্ধ কোনও পিতামাতার দৈহিক মিলনে, নির্জন কোনও প্রকোষ্ঠে, রজনীর গভীরে ছোট্ট একটি জ্বণের আকারে আবার এই জীবন কি ধরা পড়বে। বাইরে তখন শ্রাবণের ধারা, ভিজে বাতাস, সিক্ত পাতার আনন্দোচ্ছ্বাস। কেউ-ই কারও দিক থেকে চোখ ফেরাতে পারছি না। দুটি দৃষ্টি মাইলের পর মাইল কী সব অপ্রকাশিত কথা লিখে চলেছে ভাষাহীন ভাষায়। সুখেনের কথা, জবার কথা মনে পড়ছে। জবা মা হবে। আমার মা যেমন মা হয়েছিলেন! নরনারীর মিলন যদি পাপের হত, তা হলে শঙ্কর, বুদ্ধ, চৈতন্য, বিবেকানন্দ আসতেন। কী করে?

    আমার ডান হাত ধীরে ধীরে এগিয়ে গিয়ে মুকুর কবজি ধরে ফেলল। সারাশরীরে অদ্ভুত এক রোমাঞ্চ! আমার সমস্ত মন সেই স্পর্শে নিবেদিত। সবুজ ফসলের খেতে যেন সেচের জল কুলকুল। করে বয়ে চলেছে। লক্ষ করিনি, কখন ওয়েটার এসে পাশে দাঁড়িয়েছেন। এ জগৎ থেকে চলে গেছি কোন মায়ার জগতে! মানুষের এখনও রসবোধ আছে। ওয়েটার ভদ্রলোক কতক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে আমাদের দুজনের এই তন্ময়তা দেখছিলেন জানি না। চোখাচোখি হতেই মৃদু হেসে জিজ্ঞেস করলেন, কী খাবেন?

    বেশ খিদে পেয়েছে। মুকুকে জিজ্ঞেস করলুম, কী খাবে?

    যা হয় কিছু বলো না।

    মুকু ভদ্রলোককে সামনে থেকে সরাতে চাইছে। আমার সারাশরীরে আড়ামোড়া ভাঙার মতো অদ্ভুত এক অনুভূতি প্রবল হয়ে উঠছে। মন যেসব উপাদান আর উপাধানে সেজে উঠছে, তাতে এই মুহূর্তে নির্জন একটি ঘর পেলে ভাল হয়, একটি শয্যা থাকা চাই। বলশালী এক দৈত্যকে কোমর ধরে আটকাতে চাইছি। সে আমায় খানাখন্দের ওপর দিয়ে হিড়হিড় করে টেনে নিয়ে চলেছে।

    ও হ্যাঁ, ওমলেট আর কফি।

    ওয়েটার ধীরে ধীরে চলে গেলেন। টেবিলের ওপর ফেলে রাখা আমার হাতের আঙুল নিয়ে খেলতে খেলতে মুকু বললে, তুমি বেশ সুন্দর হয়েছ।

    তুমিও।

    সে তোমার চোখে। আয়না কিন্তু অন্য কথা বলে।

    একটু রোগা হয়ে সত্যিই তুমি সুন্দর হয়েছ। আমি চোখ ফেরাতে পারছি না।

    মুকু মাথা নিচু করল। কপালের সামনে থেকে মাথার পেছন অবধি সিঁথি চলে গেছে। স্বপ্ন দেখছি, আমি যেন রাজবেশে সিঁদুর পরাচ্ছি। দূর থেকে ভেসে আসছে সানাইয়ের শব্দ। রজনীগন্ধার সুবাস।

    পাশের টেবিলে প্রৌঢ় দম্পতি মৃদু গলায় নিজেদের মধ্যে আলাপ-আলোচনা করছেন। মাঝে মাঝেই কানে আসছে একটি অঞ্চলের নাম, আলমোড়া। স্বামী নির্মলানন্দ আমাকে আলমোড়া পাঠাতে চান। হিমালয়ের কাছাকাছি। আজ থেকে বেশি না, মাত্র তিরিশ বছর পরে আমি আর মুকু ওই আসনে বসতে পারি। সুখী আর সাত্ত্বিক চেহারা নিয়ে। এমন তো কিছু খারাপ নয়, বড় মধুর ভবিষ্যৎ!

    মুকু মুখ তুলে তাকাল। মন যদি চোখে আসে, চোখের চেহারা কীরকম হয়? যেমন দেখছি এই মুহূর্তে। মুকু বললে, তোমাকে একটা ছবি দেখাব?

    কার ছবি? তোমার?

    না। দেখাতে পারি একটা শর্তে। রাগ করা চলবে না।

    দেখাও।

    দু’প্লেট ওমলেট টেবিলে এসে নামল। মুকু মাথা নিচু করে কোলের ওপর রাখা হাতব্যাগে। ছবি খুঁজছে। ডান হাতের দু’গাছা চুড়ি, সংসারের শব্দে ঠুনুর ঠুনুর করছে। বড় একান্ত, বড় আপন, ভীষণ মায়ায় ভরা। গরম ওমলেটের অল্প অল্প ধোঁয়া মুকুর কোকড়া কোকড়া কালো– চুলের কাছে পাক খাচ্ছে। ব্যাগ থেকে হলদে রঙের একটা খাম তুলে মুকু টেবিলে আলগোছে। রাখল। উদাস দৃষ্টিতে কিছুক্ষণ তাকিয়ে রইল ওমলেটের দিকে। তাকাবার মতোই ভাজা হয়েছে। কাঁচা সোনার রং ছাড়ছে।

    কী আছে খামে?

    খুলে দেখো।

    খামটা খুলতেই হাফ সাইজের একটা ছবি বেরিয়ে এল। কনক! কনক আর সুদর্শন চেহারার এক যুবক পাশাপাশি। কাঁধে কাধ লেগে আছে। কতদিন পরে কনককে আবার দেখতে পেলুম! সেই উজ্জ্বল ধারালো মুখ। টানাটানা চোখ, বাঁশির মতো নাক।

    ছেলেটি কে মুকু?

    বুঝতে পারছ না?

    কী? সেই?

    হ্যাঁ সেই। আমার সন্দেহই ঠিক হল। সেই হোমচৌধুরী। যার কথা তোমাকে আমি চিঠিতে লিখেছিলুম।

    বিয়ে হয়ে গেছে?

    কী মনে হচ্ছে?

    কনক তা হলে বেঁচে আছে?

    বহাল তবিয়তে। আমার দিদি অত সহজে হার স্বীকার করার মেয়ে নয়।

    কোথায় আছে?

    জাহাজে।

    তার মানে?

    দিদির বর রেডিয়ো অফিসার। প্রচুর টাকা মাইনে। বিশ্ব-ঘোরা চাকরি। আজ এ বন্দরে, কাল ও বন্দরে। কী মজা! সারাপৃথিবী দেখে বেড়াবে।

    কাদের জাহাজ?

    পি. ও. লাইনার।

    কত টাকা মাইনে মুকু?

    দশ-বারো হাজার তো হবেই।

    মাসে?

    হ্যাঁ গো মাসে। পুরো মাইনেটাই সেভিংস, কারণ সবই তো ফ্রি।

    ঈর্ষায় সারাশরীর জ্বলে উঠল। কী করলুম জীবনে? ইডিয়টের মতো কল্পবিলাসে জীবনটা নষ্ট করে ফেললুম। সময় চলে গেছে। আর নতুন করে সুরে বাঁধতে চাইলেও বাঁধা যাবে না। যে বীজ বুনেছি সেই ফসলই তুলতে হবে। কেউ ফলায় জাফরান, কেউ খেসারি। যার যেমন বরাত।

    মুকু চামচে দিয়ে ওমলেট কাটছে। ডিশের সঙ্গে চামচে লেগে কড়াশ কড়াশ শব্দ হচ্ছে। আঁতে ঘা লাগছে। মুখ তুলে বলল, কী, মন খারাপ হয়ে গেল?

    না না, মন খারাপ হবে কেন?

    সত্যি বলো তো, দিদিকে তুমি ভালবেসেছিলে কি না?

    ভালবাসা অনেক উচ্চস্তরের জিনিস। বেসেছিলুম কি না জানি না, তবে ভাল লেগেছিল। বিয়ের কথা ভাবিনি।

    সে তুমি কোনও দিনই ভাবতে পারবে না। তুমি সপ্লিট পার্সোন্যালিটিতে ভুগছ। কেউ যদি তোমার দুটো সত্তাকে কোনওদিন জোর করে এক করে দিতে পারে, তবেই তুমি সুখী হবে। যে বোঝে সে বোঝে।

    তার মানে?

    তোমার মুখের কথা এক, তোমার মনের কথা আর এক। যে তোমার মুখের কথা শুনে চলে যাবে সে তোমার ওপর অবিচার করবে, তোমার ক্ষতি করবে। তোমাকে বাঁধতে হবে, যেমন করে মানুষ নদীকে বাঁধে।

    আমার সন্ন্যাস, আমার পরমার্থ!

    রাখো তোমার সন্ন্যাস, তোমার পরমার্থ। সন্ন্যাস কাকে বলে জানো?

    অ্যাঁ!

    সন্ন্যাস কাকে বলে জানো?

    সন্ন্যাস মানে ত্যাগ।

    কী ত্যাগ?

    কাম, ক্রোধ, লোভ, মোহ, মদ, মাৎসর্য।

    তা হলে মানুষের আর রইলটা কী? ধরো বাঘ যদি আলোচালের হবিষ্যি খায়, সিংহ যদি কলাপাতা চিবোয়, গন্ডার যদি জাবনা চিবোয়, তাতে বাঘত্ব, সিংহত্ব, গন্ডারত্ব বজায় থাকে?

    তোমার ব্যাখ্যায় সন্ন্যাস তা হলে কী?

    সৎ জীবন, কর্মময় জীবন।

    পাশের টেবিলের সেই প্রৌঢ় ভদ্রলোক আমার দৃষ্টি আকর্ষণ করে বললেন, আপনার রুমাল পড়ে গেছে।

    নিচু হয়ে রুমালটা তুলছি, প্রৌঢ়া বললেন, তোমাকে চেনাচেনা লাগছে। তুমি কি স্বামী নির্মলানন্দের কাছে যাও?

    আজ্ঞে হ্যাঁ।

    ঠিক ধরেছি। মুকুকে দেখিয়ে বললেন, এ তোমার কে হয়?

    উত্তর দিতে গিয়ে দু’বার ঢোক গিলতে হল, আমার বোন হয়।

    বাঃ, বেশ মেয়েটি। কী পড়ছ মা?

    মুকু মুখে ওমলেট তুলছিল, নামিয়ে রেখে বললে, এম এ।

    ভদ্রমহিলা চোখের ভঙ্গি করে বললেন, তাই নাকি? বাঃ এত কম বয়েসে এম এ করছ? প্রৌঢ় মানুষটিকে বললেন, হ্যাঁগা, একবার তাকিয়ে দেখো, আমাদের সুজয়ের সঙ্গে ভারী সুন্দর মানাত, তাই না?

    ভদ্রলোক সরাসরি মুকুর দিকে না তাকিয়ে আমার দিকে তাকিয়ে বললেন, তেঁকি স্বর্গে গেলেও ধান ভানে। বলে হাসতে লাগলেন আপন মনে, তৃপ্ত মানুষের মতো। দাঁতগুলি বড় সুন্দর। মুক্তোর মতো সারি সারি বসানো। হাসি থামিয়ে ভদ্রলোক ঘড়ি দেখলেন। তাড়াতাড়ি আসন থেকে উঠে বললেন, চলো চলো, সময় হয়ে গেছে। এখুনি ট্রেন ইন করবে।

    ভদ্রমহিলা মুকুর পাশ দিয়ে বেরিয়ে আসতে আসতে মুকুর মাথায় হাত রেখে বললেন, পবিত্র হও, পবিত্র হও। আমাকে বললেন, একদিন তোমার বোনকে স্বামীজির ওখানে নিয়ে এসো।

    দু’জনে আগে পরে বেরিয়ে গেলেন। মুকু ওমলেটের ডিশের পাশে টেবিলের ধারে মাথা ঠেকিয়ে ফুলে ফুলে হাসতে লাগল। ঘাড়ের কাছে এলিয়ে-থাকা খোঁপা দুলে দুলে উঠছে। চওড়া পিঠে ব্লাউজের ভি-অংশ হাসির দমকে হুক ছেড়ে খুলে যাবার মতো হচ্ছে। মায়াবী মেয়ে, মায়াবী রাত, পাপীর চোখ।

    ওয়েটার ভদ্রলোক দু’কাপ কফি এনে থমকে দাঁড়িয়ে পড়েছেন। কোথায় রাখবেন? মহাসমস্যা। বোঝা মুশকিল, মুকু হাসছে না কাঁদছে। জলের গেলাসদুটো একপাশে সরিয়ে কাপদুটোর জায়গা করে দিলুম। ভদ্রলোক সন্দেহের চোখে আমার দিকে তাকিয়ে, কফি রেখে চলে গেলেন।

    মুকু মাথা তুলল। জিজ্ঞেস করলুম, হাসছ কেন?

    গম্ভীর মুখে বললে, আমার বাজারটা একবার দেখলে?

    কথা শেষ করেই আবার হাসতে লাগল। মেয়েদের এই এক দোষ। শুরু করতে জানে, শেষ করতে জানে না। হাসলে হাসি থামে না। কাদলে কান্না থামে না। এইভাবে ফুলেফুলে হাসলে, আর পাঁচজন কী ভাববেন!

    হাসির ফাঁকে ফাঁকে বলতে লাগল, ভদ্রমহিলা আমাকে ছেলের বউ ঠিক করে ফেলেছেন, আমি এদিকে আর একজনের বউ হব বলে মনে মনে ঠিক করে ফেলেছি।

    কার?

    টেবিলের ওপর দিয়ে আমার দিকে হাত বাড়িয়ে সরু সরু আঙুল তুলে খিলখিল হেসে বললে, তোমার, তোমার।

    হাতের চারটে আঙুল সাপের ছোবলের মতো মুখের এখানে ওখানে লাগছে। হাতের চুড়ি দু’গাছা দুলছে, ঝিলিক মারছে। মুকু পরিবেশ ভুলে গেছে। চারপাশে এত লোকজন! পাগল হয়ে গেল নাকি? ফিসফিস করে বললুম, অ্যায় মুকু, কী হচ্ছে কী?

    দু’হাত মাথার ওপর তুলে খোঁপা ঠিক করতে করতে বললে, কী গো সন্ন্যাসী! দেখি, কে হারে কে জেতে? উনি বলে গেলেন, পবিত্র হও। আমি যে অপবিত্র হবার জন্যেই এসেছি।

    আবার হাসি।

    মুকু প্লিজ। তোমাকে আমার ভয় করছে। ওরকম করছ কেন?

    ভয় করছে? তুমি না পুরুষমানুষ? যে-মানুষ মাতৃগর্ভে জন্মেছে সে মানুষ কখনও পবিত্র হতে পারে না।

    কী বলছ তুমি? ড্যামেজিং কথাবার্তা!

    ভেবে দেখো। জীবনের সব মুহূর্ত একজায়গায় জড়ো করে করে, বেছে বেছে দেখো সাদা, কালো, হলদে, সবুজ। জীবন বহু বর্ণের মুহূর্তের মালা।

    মুকু কফিতে চুমুক চালাল। ফুড়ুত করে পাখি উড়ে যাবার মতো শব্দ হল। চোখ মুখ উত্তেজনায় জ্বলজ্বল করছে। ছোট্ট কপালের চারপাশে চুল ঝুলে পড়েছে। অসাধারণ দেখাচ্ছে। মানবীকে মনে হচ্ছে দেবী। মনের কী মতিভ্রম! একটু ভালবাসার কথা শুনেই কাছে যেতে ইচ্ছে করছে। মেয়েটা আমাকে ঠকাতে আসেনি তো?

    প্রশ্ন করলুম, হঠাৎ এই উদ্ভট খেয়াল চাপল কেন, আমাকে বিয়ে করবে?

    শুনবে তা হলে, তোমার জন্যে নয়, তোমার বাবার জন্যে।

    সে আবার কী?

    তোমার বাবাকে আমি ভালবাসি। অমন চরিত্র লাখে এক মেলে। উপায় থাকলে আমি তাকেই বিয়ে করতুম।

    মুকুর কথা শুনে ঠোঁটের কাছে ধরে থাকা কাপ হাত ফসকে পড়ে যাচ্ছিল। মেয়েটা বলে কী? সত্যিই পাগল হয়ে গেল নাকি?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112 113 114 115 116 117 118 119 120 121 122 123 124
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleফাঁস – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    Next Article মধুর এক প্রেমকাহিনি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    গুহা – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    হর-পার্বতী সংবাদ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    সাজাহানের জতুগৃহ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    শ্রীকৃষ্ণের শেষ কটা দিন – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    মনুষ্যক্লেশ নিবারণী সমিতি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    মধুর এক প্রেমকাহিনি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }