Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    লৌকিক এবং অলৌকিক গল্প – প্রফুল্ল রায়

    প্রফুল্ল রায় এক পাতা গল্প238 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অন্য ভারতবর্ষ

    অন্য ভারতবর্ষ

    আমার বন্ধু মহেশ চাপেকারের কথা আগেও লিখেছি। এবারও লিখছি।

    প্রায় ষাট বছর আগে কলকাতা থেকে দণ্ডকারণ্যে গিয়েছিলাম। মহেশ এসেছিল মুম্বই থেকে।

    তখন দণ্ডকারণ্যের নানা এলাকায় পাহাড় এবং সমতলের গভীর জঙ্গল কেটে জমি বের করে সেই সময়ের পূর্ব পাকিস্তান থেকে উৎখাত হয়ে আসা সর্বস্ব—হারানো মানুষদের জন্য ঘরবাড়ি বানিয়ে কলোনি বসানো হচ্ছিল। দেশ ছেড়ে চলে আসার পর দণ্ডকারণ্যই হবে তাদের নতুন আশ্রয়, নতুন দেশ।

    জমি—টমি দিয়ে পুনর্বাসনের জন্য ভারতবর্ষের যেখানে যেখানে উদ্বাস্তুদের পাঠানো হয়েছে, আমি প্রায় সব জায়গায় গেছি। কেন গিয়েছিলাম এই গল্পের সঙ্গে তার সম্পর্ক নেই।

    মহেশ ছিল মুম্বইয়ের একটা নামকরা ইংলিশ ডেইলির রোভিং রিপোর্টার। তার কাজ ছিল দেশের নানা জায়গায় ঘুরে তার পত্রিকার জন্য জরুরি সব খবর জোগাড় করা। তখন উদ্বাস্তুদের নিয়ে সারা দেশ তোলপাড়। দণ্ডকারণ্যে ছিন্নমূল মানুষদের পুনর্বাসনের খবরটা পেয়ে সে সেখানে চলে এসেছে।

    মহেশ এক আশ্চর্য মানুষ। তার মধ্যে এমন—একটা আপন—করা ব্যাপার আছে যে ওর সঙ্গে পরিচয় হওয়ার দু—এক ঘণ্টার ভেতরে আমরা বন্ধু হয়ে যাই।

    মধ্যপ্রদেশ (তখনও ভাগ হয়নি), ওড়িষা এবং অন্ধ্রের অনেকটা করে অংশ নিয়ে দণ্ডকারণ্যের বিস্তার। পুনর্বাসনের জন্য অন্ধ্রকে বাদ দিয়ে ওড়িশা আর মধ্যপ্রদেশের যে অংশ ঠিক করা হয়েছে তা প্রায় পশ্চিমবঙ্গের দ্বিগুণ। সরকারি এই পরিকল্পনাকে বলা হতো ডি এন কে প্রোজেক্ট, বা দণ্ডকারণ্য প্রোজেক্ট।

    কলোনিগুলো বসানো হচ্ছিল পঁচিশ—তিরিশ মাইল দূরে দূরে। পুনর্বাসন অফিস থেকে মহেশ আর আমাকে একটা গাড়ি আর ড্রাইভার দেওয়া হয়েছিল। সেই গাড়িতে রোজ মাইলের পর মাইল পাড়ি দিয়ে আমরা দণ্ডকারণ্যের উদ্বাস্তু কলোনিগুলোতে চলে যেতাম।

    একদিন কেশকাল পাহাড়ের কাছাকাছি চার—পাঁচটা কলোনিতে ঘোরাঘুরি করে অনেকটা সময় কেটে গেল। সন্ধে পার হয়ে গেছে।

    আমাদের যেতে হবে মানা ট্রানজিস্ট সেন্টারে। সেখান থেকে সাত—আট মাইল দূরে রায়পুর শহর।

    সেই সময় প্রায় রোজই কলকাতা থেকে মুম্বাই মেলের তিন—চারটে কামরা বোঝাই করে উদ্বাস্তুদের দণ্ডকারণ্যে পাঠানো হচ্ছিল। রায়পুর স্টেশনে তাদের নামিয়ে প্রথমে নিয়ে যাওয়া হত মানা ট্রানজিস্ট সেন্টারে। সেখানে একদিন রেখে পাঠিয়ে দেওয়া হত দণ্ডকারণ্যের নানা এলাকায়, উদ্বাস্তুদের জন্য নতুন নতুন উপনিবেশগুলিতে।

    একটা রাত সেখানে কাটিয়ে পরদিন সকালে আমরা কোরাপুটের পথ ধরব। ওড়িষার ওই অঞ্চলে যে কলোনিগুলো বসানো হচ্ছিল, আমার দেখা হয়নি। সেখানে না গেলে কি চলে?

    দণ্ডকারণ্য এক সৃষ্টিছাড়া জায়গা। সূর্য ডোবার সঙ্গে সঙ্গে ঝপ করে এখানে গাঢ় অন্ধকার নেমে আসে।

    একটা আঁকাবাঁকা, পাক খেতে খেতে যাওয়া পাহাড়ি রাস্তার ওপর দিয়ে চলেছি; সেটার দু—ধারে মাঝে মাঝেই খাদ। তার পর উঁচু উঁচু পাহাড়, ছোট ছোট টিলা আর আছে বিশাল বিশাল গাছ। এই ভর সন্ধেবেলায় সব কেমন যেন ছায়ামূর্তির মতো দেখাচ্ছে। যেখানে খাদ নেই, আমাদের রাস্তাটার গা থেকে সরু সরু অনেক রাস্তা বেরিয়ে গভীর জঙ্গল আর পাহাড়—টাহাড় ভেদ করে কোথায় কোন দিকে চলে গেছে, কে জানে।

    আমরা চলেছি তো চলেইছি। পাহাড়, খাদ, জঙ্গল শেষই হচ্ছে না। মনে হল একটা গোলকধাঁধায় ঢুকে পড়েছি।

    কেশকাল পাহাড়ের কাছাকাছি যেখান থেকে আমরা আসছি ওই এলাকাটা থেকে আধ ঘণ্টা ড্রাইভ করলে ন্যাশনাল হাইওয়ে। সেই রাস্তাটা প্রশস্ত, মসৃণ। দু—পাশে এত পাহাড় জঙ্গল নেই। প্রায় দু—ঘণ্টা হয়ে গেল, কোথায় জাতীয় সড়ক? তাহার দেখা নাই রে, তাহার দেখা নাই।

    খেয়াল ছিল না, এখন পূর্ণিমাপক্ষ। চাঁদ উঠে এল আকাশে। জ্যোৎস্নায় ভেসে যেতে লাগল দণ্ডকারণ্যের পাহাড়, জঙ্গল। দু—চারটে পাহাড়ি ঝরনাও চোখে পড়ছে।

    কিছুক্ষণ আগের সেই ঘন অন্ধকার আর নেই। চাঁদের আলোয় চারিদিকের সমস্ত কিছু স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

    আমি কয়েক মাস হল এখানে এসেছি। মহেশ এসেছে দিন কুড়ি আগে। ডি এন কে প্রোজেক্ট অর্থাৎ দণ্ডকারণ্য প্রোজেক্টের সব কলোনিতে না হলেও অনেকগুলোতে গেছি। মানা ট্রানজিট সেন্টার থেকে কতবার যে বহুদূরের কোরাপুট অবধি চষে বেড়িয়েছি, লেখাজোখা নেই। দণ্ডকারণ্যের অনেকটা এলাকাই আমার চেনা হয়ে গেছে। কিন্তু এখন যেখানে চলে এসেছি সেটা পুরোপুরি অচেনা।

    আমাদের ড্রাইভারটির বয়স বেশি নয়। পঁচিশ কি ছাব্বিশ। রায়পুরের ছেলে। কেশকাল থেকে মানায় আমাকে বহুবার নিয়ে গেছে। সে কি রাস্তা ভুল করে ফেলেছে?

    জিজ্ঞেস করলাম, ‘রঘুয়া, ঠিক পথে আমরা যাচ্ছি তো?’

    গাড়ির স্পিড কমিয়ে ঘাড় ফিরিয়ে তাকাল রঘুয়া। মুখচোখ দেখে মনে হয় বেশ ঘাবড়ে গেছে। বলল, ‘সাহাব, থোড়া কুছ গড়বড় হয়ে গেছে—’

    আমি অবাক!—’মানে?’

    ‘দণ্ডকারণ্য তো অনেক বড় ইলাকা। আমি আগে কখনও এখানে আসিনি। সামকো আন্ধেরায়, তখনও চান্দা ওঠেনি, হাইওয়ের দিকে না গিয়ে অন্য দিকে চলে এসেছি মনে হচ্ছে। বহোৎ ভুল হো গিয়া—’

    ‘হাইওয়েতে যেতে পারবে তো?’

    আকাশপাতাল হাতড়ে আমার প্রশ্নের উত্তরটা খুঁজে এনে ঢোঁক গিলতে গিলতে রঘুয়া বলল, ‘কোসিস তো জরুর করেগা, লেকিন—’

    ‘লেকিন কী?’

    ‘বহোৎ মুশকিল।’

    বলে কি ছোকরা! দণ্ডকারণ্যে শুধু নিরীহ প্রাণীরাই থাকে না, বিশাল এই বনভূমি মারাত্মক সব জন্তু—জানোয়ারদেরও আস্তানা। হাইওয়ের খোঁজ না পেলে আমরা কি জ্যান্ত ফিরে যেতে পারব?

    মহেশ বলল, ‘জানোয়ারেরা আমাদের নিয়ে ভোজের আসর বসিয়ে দেবে যে—’

    রঘুয়া বলল, ‘আমাকেও বাদ দেবে না সাহাব—’

    ‘তা হলে?’

    ‘বলেছি তো হাইওয়েতে যেতে কোসিস করব? অব রামজি ভরোসা—’ মুখ ফিরিয়ে গাড়ির স্পিড বাড়িয়ে দিল রঘুয়া।

    পাহাড় জঙ্গল ভেদ করে গাড়ি চলতে লাগল। কখনও এ রাস্তায়, কখনও ও রাস্তায়।

    মহেশ শুকনো গলায় বলল, ‘কার একটা কবিতায় যেন পড়েছিলাম লাস্ট রাইড টুগেদার। তোর আর আমার এটাই বোধহয় লাস্ট রাইড রে। শেষ যাত্রা।’

    আমি চুপ।

    আরও ঘণ্টাতিনেক পর একটা ছোট পাহাড়ের কাছে চলে এল আমাদের গাড়িটা। পাহাড়ের তলার দিক বেড় দিয়ে একটা রাস্তা নীচের দিকে চলে গেছে। আমরা যেখানে রয়েছি সেখান থেকে পাহাড়ের আড়াল থাকায় নীচে কী আছে দেখা যাচ্ছে না।

    রঘুয়া পাহাড়ের তলায় পাক খাওয়া রাস্তায় গাড়িটাকে নিয়ে এল। কিছুটা যেতেই পাহাড়ের আড়াল আর নেই। চোখে পড়ল বাঁ—পাশে অনেকটা নীচে অফুরান চাঁদের আলোয় একটা ছোট পাহাড়ি নদী কুল কুল আওয়াজ করে বয়ে চলেছে। তার পাশে সবুজ মখমলের মতো ঘাসের জমি। সেখানে একটি যুবক—বয়স চৌত্রিশ—পঁয়ত্রিশের বেশি হবে না, এবং একটি যুবতি, সাতাশ—আটাশের মতো বয়স, নিশ্চয়ই স্বামী—স্ত্রী বসে আছে। একটি সাত—আট বছররের ছেলে আর চার—পাঁচ বছরের মেয়ে ঘাসের জমি তোলপাড় করে বেড়াচ্ছে। বোঝাই যায় ওই দম্পতিরই ছেলেমেয়ে।

    পুরুষ আর তরুণীটি যেখানে বসে আছে তার ডান পাশে বড় বড় তিন—চারটে চটের ব্যাগ। একটা ধনুক আর সাত—আটটা তির এবং একটা বন্দুকও পড়ে আছে। যুবক যুবতির বাঁ পাশে একটু দূরে ইটের উনুনে বড় একটা হাঁড়িতে খুব সম্ভব ভাত ফুটছে। এই মাঝরাতে জনশূন্য নিঝুম নদীর ধারে ওরা কারা? দণ্ডকারণ্যে তো শুধু নিরীহ প্রাণী নেই, এখানকার গভীর জঙ্গলে অজস্র হিংস্র জন্তু—জানোয়ার। কিন্তু ওদের এতটুকু ভয়ডর আছে বলে মনে হয় না। পৃথিবীর থিকথিকে ভিড় আর হট্টগোল থেকে ছোট ছোট দুটো ছেলেমেয়েকে সঙ্গে করে ওরা যেন আনন্দভ্রমণে বেরিয়ে এখানে এসে বনভোজনটাও সেরে নেবার তোড়জোড় করছে।

    গাড়ির চালক রঘুয়া ঘাড় ফিরিয়ে বলল, ‘সাহাব, ওই যে নদী কিনারে আদমি আর আওরতটা বসে আছে, ওদের কাছে গেলে মনে হয় মানায় কীভাবে যাওয়া যায়, ওরা বলে দিতে পারে।’

    বাকি রাতটা পাহাড় আর জঙ্গলের গোলকধাঁধায় ঘুরে বেড়ানোর মানে হয় না। দেখাই যাক অচেনা এই যুবক—যুবতির কাছে মানায় যাবার পথের হদিস মেলে কিনা। বললাম, ‘চল, ওদের কাছে—’

    এদিকটায় পাহাড়ের ঢাল বেয়ে রাস্তা নেমে গেছে। রঘুয়া মুখ ফিরিয়ে স্পিড আরও কমিয়ে গাড়িটাকে নীচে নামিয়ে পাহাড়ি পথটা যেখানে শেষ হয়েছে সেখান থেকে বাঁ দিকে গাড়িটা ঘুরিয়ে নদীর ধারে ঘাসের জমিটার পাশে এসে থামাল।

    যুবক—যুবতি নদীর দিকে মুখ করে বসে গল্প করছিল। গাড়ির আওয়াজে চমকে উঠে ঘুরে আমাদের দেখতে পেয়ে পুরুষটি তার পাশের বন্দুকটা তুলে নিয়ে বিদ্যুৎগতিতে মারণাস্ত্রটা আমাদের দিকে তাক করে উঠে দাঁড়াল। তার সঙ্গিনীও ঠিক তারই মতো ধনুকে তির জুড়ে উঠে পড়েছে।

    আমরা তিনজন গাড়ি থেকে নেমে পড়েছিলাম। হাত তুলে দাঁড়িয়ে গেলাম। মহেশ বলল, ‘বন্দুক নামাও, ধনুক নামাও। আমাদের বুরা মতলব নেই। রাস্তা ভুল করে এদিকে চলে এসেছি।’

    ওরা দু’জন অনেকক্ষণ আমাদের দিকে তীক্ষ্ন দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইল। তারপর বন্দুক আর তিরধনুক নামিয়ে বলল, ‘আইয়ে—’

    ওদের সামনে গিয়ে দাঁড়ালাম। পুরুষটি জিজ্ঞেস করল, ‘আপনারা কারা?’

    নিজেদের পরিচয় এবং কোন উদ্দেশ্যে আমাদের দণ্ডকারণ্যে আসা, সব জানিয়ে দিয়ে বললাম, ‘তোমরা কারা?’

    ওদের নামটামও জানা গেল। পুরুষটি ধরমবীর, আর তার স্ত্রী লছমি। সেই ছোট ছেলেমেয়ে দু’টো খেলাটেলা ছেড়ে তাদের মা—বাবার গায়ের সঙ্গে লেপটে আমাদের দিকে অনন্ত কৌতূহলে তাকিয়ে ছিল। তাদের নামও জেনে গেলাম। গণুয়া আর সীতা।

    ধরমবীর জিজ্ঞেস করল, ‘আপনারা কোত্থেকে আসছিলেন আর কোথায় যাচ্ছিলেন?’

    জানিয়ে দিলাম কেশকাল পাহাড়ের দিক থেকে মানা যাচ্ছিলাম। সন্ধে নামার পর পথ হারিয়ে পাহাড়ে জঙ্গলে ঘুরপাক খেতে খেতে এখানে চলে এসেছি। বললাম, ‘কীভাবে, কোন দিকের রাস্তা ধরলে খুব তাড়াতাড়ি মানা চলে যেতে পারব, যদি বলে দাও—’

    ধরমবীর বলল, ‘সাহাব, আপনারা বিলকুল অন্য দিকে চলে এসেছেন। চান্দাকা রোশনি যদিও আছে তবু জঙ্গলের ভেতর দিয়ে যাওয়াটা ঠিক হবে না। আপনাদের সঙ্গে হাতিয়ার আছে?’

    ‘না। কেন?’

    আমরা তার দিকে তাকিয়ে থাকি।

    ‘আপনারা এখানে নয়া—নয়া এসেছেন। জঙ্গলে বহুৎ খতরনাক জানবর আছে। এক কাজ করুন সাহাব—’

    ‘কী করতে বলছ?’

    ধরমবীর বলল, ‘এখনও আধা রাত বাকি। আপনারা এখানেই থেকে যান। কাল সুবে সূরয উঠুক। তখন কোন পথে গেলে জলদি জলদি মানা পৌঁছে যাবেন, বুঝিয়ে দেব। দিনের আলোয় আসানিসে চলে যেতে পারবেন।’

    খুব অবাক হলাম।—’এখানে কোথায় থাকব?’

    ঘাসের জমিটা দেখিয়ে ধরমবীর বলল, ‘ওখানে। আপনাদের গাড়িতে তিন আদমি শুতে পারবেন না। ঘাসের জমিনে আমার ঘরবালী চাদর পেতে বিস্তারা করে দেবে। থোড়া কুছ তখলিফ হবে, তবু ভালো করে শুতে পারবেন। আইয়ে—’

    এভাবে রাত কাটানো ছাড়া আর কোনও উপায় নেই। ধরমবীর আর লছমি ড্রাইভার রঘুয়া, মহেশ আর আমাকে ঘাসের জমিতে নিয়ে বসিয়ে তারাও কাছাকাছি বসে পড়ল।

    আমাদের সম্বন্ধে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে প্রায় সমস্ত কিছুই জেনে নিয়েছে। কিন্তু ওদের নাম ছাড়া আর কিছুই জানা হয়নি। জিজ্ঞেস করলাম, ‘তোমাদের বাড়ি কোথায়?’

    ধরমবীর বলল, ‘রায়পুর টৌরন (টাউন)।’

    ‘চারদিকে জঙ্গল, পাহাড়, নদী—এত রাতে বাচ্চাদের নিয়ে কেন এখানে এসেছ?’

    ‘পেটের ধান্দায়—’

    ‘মানে?’

    ধরমবীর এবার যা বলল এমন আশ্চর্য এক কাহিনি, কেউ কখনও শুনেছে কি না আমার জানা নেই। প্রতি সপ্তাহে স্ত্রী—ছেলেমেয়ে নিয়ে সে এখানে আসে। কেননা, এখানকার জঙ্গলে, পাহাড়ে এবং নদীর ধারে এমন সব গাছ আছে যেগুলোর ছাল, পাতা, শিকড়—বাকড়, ফল ছাড়াও এমন লতা, গুল্ম এবং মাটির তলায় কন্দ রয়েছে যা দিয়ে কঠিন কঠিন রোগের কবিরাজি ওষুধ তৈরি হয়। ফি সপ্তাহে একবার এসে সেসব জোগাড় করে রায়পুরে ফিরে সেখানকার কবিরাজখানায় বিক্রি করে। সেই টাকাতেই তারা বেঁচে আছে।

    জিজ্ঞেস করি, ‘তুমি বলেছ এই জঙ্গলে অনেক ভয়ঙ্কর জন্তু আছে। বাচ্চাদের নিয়ে আসতে ভয় করে না?’

    ‘কীসের ডর সাহাব। এখানে না এলে নিজেরা বাঁচব কী করে, বাচ্চা দু’টোকেও বাঁচাব কী করে? আর খতরনাক জানোয়ার?’ পাশ থেকে সেই বন্দুক আর তির ধনুক তুলে ধরে ধরমবীর।

    বললাম, ‘এই হাতিয়ার দিয়ে বাঘের মতো জানোয়ারকে—’

    আমাকে শেষ করতে দিল না ধরমবীর।—’শের, উনকো দাদা নানা যো কোঈ আসুক, সিনা ফোঁড় দুঙ্গা—’হঠাৎ কী খেয়াল হতে ভীষণ ব্যস্ত হয়ে পড়ল।—’সাহাব, আপনারা তো সেই কখন থেকে জঙ্গলে জঙ্গলে চক্কর দিয়ে বেড়িয়েছেন। আপনাদের খানা—পিনা?’

    পাহাড়ে জঙ্গলে পথের ধারে কোথাও ছোটখাটো হোটেল, এমনকি চায়ের দোকানও চোখে পড়েনি। খাবার কোত্থেকে জুটবে! ঠিক করা ছিল মানা ট্রানজিট সেন্টারে গিয়ে রাতের আহারটা সেরে নেব। মানা বহুদুরের কোনো গ্রহের মতো, আমাদের ধরাছোঁয়ার বাইরে। সুতরাং আজকের রাতটা অনশনেই কাটুক। বললাম, ‘ও নিয়ে ভেবো না—’

    ‘তাই কখনও হয়! আপনারা আমাদের মেহমান—’স্ত্রীর দিকে তাকিয়ে বলল, ‘বসে আছিস যে, ওঠ, ওঠ। তুরন্ত—’

    স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে সেই ইটের উনুনটা, যার ওপর সিলভারের হাঁড়িতে ভাত ফুটছিল, সেখানে চলে গেল ধরমবীর। ভাত হয়ে গিয়েছিল, হাঁড়িটা নামিয়ে ফেন গেলে, লোহার কড়াইতে ডাল চাপিয়ে দিল লছমি। একটু দূরে ক্ষিপ্র হাতে নতুন একটা ইটের উনুন বানিয়ে সেটার ওপরে আবার চাল ধুয়ে বসিয়ে দিল ধরমবীর।

    এক ঘণ্টার মধ্যে খাবার প্রস্তুত। ঝকঝকে স্টেনলেস স্টিলের থালা বাটি ধুয়ে ভাত, আলুভাতে আর ডালের বাটি সাজিয়ে দিয়ে ধরমবীর আর লছমি হাতজোড় করে বলল, ‘সাহাব, আমরা গরিব আদমি। মেহেরবানি করকে—’বাকিটা শেষ করতে পারল না।

    বললাম, ‘তোমার বাচ্চাদের খেতে বসিয়ে দাও—’

    ‘হাঁ সাহাব—’

    নদীর স্বচ্ছ জলে হাত ধুয়ে এসে খেতে বসলাম। মোটা চালের ভাত, মসুর ডাল আর আলুভাতে। সামান্য এই ক’টি খাদ্যদ্রব্যের মধ্যে কী মেশানো ছিল আজও জানি না। শুধু মনে হয় দণ্ডকারণ্যে যাবার আগে এবং ফিরে আসার পর মস্ত মস্ত পাঁচতারা হোটেল আর কলকাতা মুম্বাই বা দিল্লির বিরাট বিরাট ধনীদের প্রাসাদের মতো বাড়িতে ভোজ খেয়েছি। কিন্তু সেদিনের সেই ডাল, ভাত আলুভাতেতে যে অমৃতের স্বাদ ছিল তেমনটা আর কোথাও পাইনি।

    আমাদের আর বাচ্চা দু’টোর খাওয়া হয়ে গেলে ধরমবীর আর লছমিও খেয়ে বাসনকোসন ধুয়ে একধারে রেখে একটা বড় ব্যাগ থেকে লম্বা চাদর আর তিনটে গোল গোল পুঁটলি বের করল। তারপর চাদরটা ঘাসের জমিতে টান টান করে পেতে দিয়ে, গোল পুঁটলি তিনটেকে হাতের চাপ দিয়ে দিয়ে যতটা সম্ভব ফ্ল্যাট করে বালিশের আকার দিয়ে চাদরটার ওপর পাশাপাশি রেখে দিল।

    ধরমবীর বলল, ‘সাহাব, এবার শুয়ে পড়ুন।’

    ‘তোমরা আর তোমাদের বাচ্চারা?’

    ‘বাচ্চা দুটোকে শুইয়ে দিচ্ছি—’চাদরের এক কোণে সামান্য ফাঁকা জায়গা রয়েছে। আঙুল বাড়িয়ে সেদিকটা দেখিয়ে, বাচ্চা দু’টোকে ডেকে সেখানে গিয়ে শুয়ে পড়তে বলল ধরমবীর।

    ‘আমাদের সবার তো শোওয়ার ব্যবস্থা হল। তোমরা দু’জন?’ আমি জানতে চাইলাম।

    ‘আমরা হাতিয়ার হাতে পাহারা দেব—’

    ‘মানে?’

    ‘ওই যে খতরনাক জানবর শের—’ ধরমবীর হাসল।

    মহেশ খুব ঘুমকাতুরে। সে শুয়ে পড়ল। একটু দূরে শুয়েছে রঘুয়া, তার ওপাশে গণুয়ারা। হাতে তিরধনুক আর বন্দুক হাতে আমাদের দুই পাহারাদার নদীর ধারে খোলা আকাশের নীচে ঘাসের জমিতে আশ্চর্য এক বিছানার দু—ধারে বসে পড়ল।

    আমি শুতে পারিনি। বসেই আছি। ধরমবীর বলল, ‘সাহাব, পাহাড় জঙ্গল ঘুরে আপনার বহুৎ তখলিফ হয়েছে। জেগে থাকবেন না। তবিয়ত খারাপ হবে—’

    ‘কিছু হবে না। তোমরা জেগে থাকবে আর আমি ঘুমাব তাই কখনও হয়? আমার জেগে থাকার অভ্যাস আছে—’

    ‘ঠিক হ্যায়, আপনার যেমন মর্জি—’ধরমবীর হাসল।—’সাহাব, আপনি তো কলকাত্তা রহেনবালা—’

    ‘হ্যাঁ—’

    ‘আমার জান—পহেচান রায়পুরের অনেকেই কলকাত্তায় থাকে। তাদের কাছে ওই শহরের কথা অনেক শুনেছি। কলকাত্তা আর মুম্বাইয়ের মতো শহর নাকি হয় না। আমার সেখানে খুব যেতে ইচ্ছা করে।’

    ‘বেশ তো, চলে এসো। ঠিকানা দিয়ে যাব। আমাদের বাড়িতে থাকবে।’

    ধরমবীরের মুখটা করুণ হয়ে গেল।—’গরিব আদমি। যাব যে এত্তে রুপাইয়া কঁহা মিলেগা?’

    ‘একবার কলকাতায় তো এসো। সব খরচ আমার।’

    মুখটা আলোয় ভরে যায় ধরমবীরের।—’আপনি তো ঠিকানা লিখে দেবেন। জরুর যায়েগা।’

    এরপর কলকাতায় কোথায় কী দেখার মতো আছে, একের পর এক বলে যাই। যত শোনে ততই অবাক হয় ধরমবীর আর লছমি। আমি বলছি, ওরা যেন তা শুনছে না, চোখের সামনে সব দেখতে পাচ্ছে।

    ওদের কাল্পনিক কলকাতা দর্শনের পর বলি, ‘তোমাদের নাম, রায়পুরে থাকো, জঙ্গল থেকে গাছের ছাল, শিকড়—বাকড় নিয়ে গিয়ে কবিরাজ খানায় বিক্রি করো—এর বেশি কিছু জানাওনি। তোমাদের আর কে কে আছে?’

    ‘কোঈ নেহী সাহাব। স্রিব হামলোগ চার আদমি অউর এক বুডঢী সাস। সে অকেলী গাঁয়ে থাকে। তাকে হর মাহিনা কুছ পাইসা পাঠাতে হয়। লছমি দিয়ে আসে।’

    এরপর রায়পুর শহরের সেখানকার লোকজন, দু—চারজন নেতার ভ্রষ্টাচার, রাজনৈতিক অশান্তি, জিনিসপত্রের দাম ক্রমশ বেড়ে যাওয়া ইত্যাদি নিয়ে একটানা বলে যাবার পর ধরমবীর জানায়, ‘সাহাব, আমি তো আনপড়। আমার ইচ্ছা, ছেলেমেয়ে দুটো লেখাপড়া শিখুক, ওদের ইস্কুলে—কলেজে পড়াই।’

    ‘নিশ্চয়ই পড়াবে। আজকাল লেখাপড়া না শিখলে চলে?’

    ‘লেকিন—’ধরমবীরের মুখটা শুকিয়ে গেল। ‘এত্তে রুপাইয়া কোথায় পাব?’

    এই যুবকটি কলকাতায় যাবার স্বপ্ন দেখে। সেই সঙ্গে ছেলেমেয়েকে স্কুল—কলেজে পড়িয়ে মানুষ করার স্বপ্নও। বললাম, ‘আমাকে চিঠি লিখো। আমার অনেক বন্ধু আছে। আমরা সবাই মিলে তোমাকে দরকার মতো টাকা পাঠিয়ে দেবো।’

    ‘নেত্রী সাহাব। আপনা কামাইয়ের পয়সায় ওদের পড়াব।’ খুব জোর দিয়েই বলল ধরমবীর।

    এই যুবকটি স্বপ্ন দেখে কিন্তু প্রবল আত্মসম্মান বোধ। আমি চুপ করে রইলাম।

    একটু পর কিছু খেয়াল হতে জিজ্ঞেস করি, ‘এই যে তুমি বন্দুক নিয়ে জঙ্গলে আসো, এই হাতিয়ারটার লাইসেন্স আছে?’

    ‘জঙ্গলে কি খালি হাতে ঢোকা যায়। কবিরাজখানা থেকে আমার নামে সরকারি লাইসেন্স করিয়ে দিয়েছে।’

    ‘ঠিক আছে।’

    কথায় কথায় ভোর হয়। পূব দিকের জঙ্গলের মাথা টপকে সূর্য উঠে আসে।

    শুধু সূর্যই নয়, যারা ঘুমোচ্ছিল, উঠে পড়েছে। সবাই নদী থেকে মুখ ধুয়ে এলাম।

    লছমি চটপট উনুন ধরিয়ে চা বানিয়ে আমাদের দিল। চা খেতে খেতে কীভাবে, কোন রাস্তা ধরে মানা যেতে হবে, রঘুয়াকে জলের মতো বুঝিয়ে দিল ধরমবীর।

    চা—পর্ব শেষ হলে মহেশ, রঘুয়া আর আমি উঠে পড়লাম।

    ধরমবীররাও উঠে দাঁড়িয়েছে। তাদের দিকে তাকিয়ে বললাম, ‘ধরমবীর, আমার একটা কথা রাখতে হবে।’

    ‘বোলিয়ে না—’ধরমবীর আমার দিকে তাকিয়ে রইল।

    পকেট থেকে তিনটে একশো টাকার নোট বের করে ধরমবীরের দিকে বাড়িয়ে দিলাম।—’এটা ধরো।’

    মহেশেও দু’টো একশো টাকার নোট বের করেছে।

    ধরমবীরের মুখটা থমথমে হয়ে গেল। গম্ভীর গলায় বলল, ‘সাহাব, আমরা বহুৎ বহুৎ গরীব। লেকিন মেহমানদারি করে পাইসা নিতে পারব না। মাফ কীজিয়ে—

    ‘এটা তোমাদের বাচ্ছাদের জন্যে—’

    ‘মাফ কীজিয়ে—’

    নোট ক’টা ধীরে ধীরে আমাদের পকেটে ফিরে গেল। ধরমবীর আর লছমির মাথায় একবার হাত রেখে, বাচ্চা দুটোকে আদর করে গাড়িতে উঠলাম।

    রঘুয়া স্টার্ট দিল। চোখের পলকে গাড়িটা সামনের মোড় ঘুরে ঢাল বেয়ে সেই পাহাড়ি রাস্তাটায় উঠে এল।

    খোলা জানলা দিয়ে পাহাড়ের তলায় সেই নদীর পাড়ের ঘাসের জমিটার দিকে তাকিয়ে আছি। সেখানে ধরমবীর আর লছমিও হাতজোড় করে আমাদের দিকে তাকিয়ে দাঁড়িয়ে আছে।

    গাড়ি আরেকটা মোড় ঘুরল। মুহূর্তে ধরমবীররা অদৃশ্য হয়ে গেল।

    সেদিন দণ্ডকারণ্যের অচেনা নিঝুম প্রান্তে এসে যেন অন্য এক ভারতবর্ষের দেখা পেলাম।

    এরপর কত বছর কেটে গেছে। ধরমবীরদের আজও ভুলিনি।

    __

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপাগল মামার চার ছেলে – প্রফুল্ল রায়
    Next Article সিন্ধুপারের পাখি – প্রফুল্ল রায়

    Related Articles

    প্রফুল্ল রায়

    আলোর ময়ুর – উপন্যাস – প্রফুল্ল রায়

    September 20, 2025
    প্রফুল্ল রায়

    কেয়াপাতার নৌকো – প্রফুল্ল রায়

    September 20, 2025
    প্রফুল্ল রায়

    শতধারায় বয়ে যায় – প্রফুল্ল রায়

    September 20, 2025
    প্রফুল্ল রায়

    উত্তাল সময়ের ইতিকথা – প্রফুল্ল রায়

    September 20, 2025
    প্রফুল্ল রায়

    গহনগোপন – প্রফুল্ল রায়

    September 20, 2025
    প্রফুল্ল রায়

    নিজেই নায়ক – প্রফুল্ল রায়ভ

    September 20, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }