Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    শক্তিপদ রাজগুরু সাহিত্যের সেরা গল্প

    শক্তিপদ রাজগুরু এক পাতা গল্প234 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অবসর

    ভুবনবাবু একটানা আটত্রিশ বছর ধরে স্যামরসন কোম্পানিতে কাজ করার পর আজ রিটায়ার করতে চলেছেন। দীর্ঘ আটত্রিশ বছর ধরে ভুবনবাবু ঠনঠনিয়ার দিকে একটা গলির একটা পুরনো বাড়ির একতলায় থেকেছেন। আর সেই অতীতের ইংরেজ শাসনের দিনগুলোকেও দেখেছেন কিছুটা। তখন ইংরেজের জমানা শেষ হয়ে আসছে। তবু প্রদীপ নেভবার আগে যেমন শেষবারের মতো প্রদীপ্ত হয়ে ওঠে, তেমন ইংরেজের জমানা শেষ হবার আগেও ইংরেজদের দাপট টিকেই ছিল।

    সে সময় ম্যাট্রিক পাশ করার পর দুবছর কলেজেও পড়েছেন ভুবনবাবু। তখন তরতাজা তরুণের দূর সম্পর্কের এক কাকা কাজ করতেন সেই সাহেবদের ফার্মে। ভুবনের বাবা আগেই মারা গেছেন। মা ভাইবোনদের নিয়ে কাকার সংসারে থাকতেন আশ্রিতের মতো। কাকাই সংসার টেনে এসেছে। আর তাই ভুবন বড় হতে কাকা-ই চেষ্টাচরিত্র করে ভুবনের একটা চাকরি করে দেন। তাতে কাকারও কিছুটা ভার কমে। তারপর কাকা তার নিজের অফিসের মেজবাবুকে বলে কয়ে ভুবনের জন্য একটা কাজের ব্যবস্থা করেন।

    ভুবনের মনে পড়ে সেই চাকরির প্রথম দিনের কথাগুলো। সেই সাহেবি আমলে কলকাতায় এত ভিড় ছিল না। পথঘাটও ছিল সাফসুতরো। পথে হকাররা গিজগিজ করত না, ভিড়ও ছিল না। সুন্দর সাজানো অফিস, বড় হলঘর। সারবন্দি বাবুরা কাজ করছে—সবাই চুপচাপ। একটানা খটাখট টাইপ মেশিনের শব্দ ওঠে। লোকজন অত্যন্ত সাবধানে মার্জিতভাবে চলাফেরা করছে যাতে জুতোর শব্দ না ওঠে।

    এমন সময় দেখা যায় লালমুখো এক সাহেবকে। সকলেই উঠে দাঁড়ায়। সাহেব গিয়ে ঢুকল ওর খাস কামরায়। ভুবনের কাকা বলে—ওই মিঃ হ্যাডারসন সাহেব।

    ভুবনও এই প্রথম একজন সাহেবকে এত কাছ থেকে দেখল।

    বড়বাবু বলে—কই হে শিবু। তোমার ভাইপোর দরখাস্তটা দাও। সাহেবের সই করিয়ে আনি।

    ভুবনের কাকা ভুবনের সই করা দরখাস্তটা দেয়। বলে—দেখুন কাজটা যাতে হয়।

    বড়বাবুও ভুবনের দিকে চেয়ে বলে—কী, মন দিয়ে কাজটা করবে তো?

    ভুবন ঘাড় নাড়ে। বড়বাবু উঠে বড় সাহেবের ঘরে যান। ভুবন তখন বসে দুর্গানাম জপ করছে। সেদিনই তার চাকরি হয়ে গেল। অবশ্য একবার সাহেবের ঘরে ডাকও পড়েছিল। ভুবন মাকালী-মাদুর্গার নাম জপ করতে-করতে ওর ঘরে গিয়ে হাতজোড় করে নমস্কার করে। সাহেব একবার তাকে আপাদমস্তক দেখে জিজ্ঞাসা করেন—ডু ইউ নো ইংলিশ?

    ভুবন ঘাড় নেড়ে সায় দেয়। সাহেব বলেন—গো।

    সেদিন থেকেই ভুবনবাবুর যাত্রা শুরু। তারপর কত বছর কেটে গেছে। কত জনস্রোতও বয়ে গেছে। ইতিহাসের বহু অধ্যায় পার হয়ে গেছে। দাঙ্গা-মন্বন্তর-দেশবিভাগ—ভারতের দীর্ঘ পরাধীনতার পর এসেছে স্বাধীনতা।

    ভুবন সেসব দিনের সাক্ষী। ইংরেজরা চলে যাবার পর এদেশের অবস্থাও দেখেছে সে। দেশের মধ্যে এসেছে পরিবর্তন। আর পরিবর্তন এসেছে ভুবনের জীবনেও। মা আজ নেই, ভাইরাও চাকরি করে অন্যত্র থাকে। তার বোনেদের বিয়ে-থা হয়ে গেছে, তাদেরও বাড়বাড়ন্ত সংসার। ভুবনের দিনও বদলেছে। তার ছেলেরাও বড় হয়েছে। দুই ছেলেই এখন চাকরি করে। বড় ছেলের বিয়ে দিয়েছে। মেয়ের বিয়ে ঠিক হয়ে গেছে। দীর্ঘ এতগুলো বছর পর তার জীবনেও এসেছে অনেক পূর্ণতা। এখন আর ঠনঠনিয়ার দু-কামরার ভাড়াবাড়িতে থাকে না।

    বরানগরের ওদিকে ভুবন নিজে বাড়ি করেছে আর সেখানেই থাকে সপরিবারে। সেখান থেকেই অফিসে যাতায়াত করেছে এতকাল। এবার তার ছুটি। ভুবন হিসাব করে দেখে যে, তার জীবন থেকে প্রায় আটত্রিশটা বছর কখন ওর অজান্তে পার হয়েছে। এখন ওই অফিসের কর্তৃত্ব আর সাহেবদের হাতে নেই। সেখানে অবাঙালি কোনো একটা গোষ্ঠী এই অফিস ব্যবসাপত্র চালাচ্ছে।

    আগের সেই পরিবেশ আর নেই। মাঝে মাঝেই কর্মচারী মালিকদের মধ্যে পাওনাগণ্ডা-বোনাস—এসব নিয়ে ঝামেলা বাধে। অফিস চত্বরে স্লোগান ধ্বনিত হয়। গোবিন্দবাবু ওদের সহকর্মী, বলেন,—ভুবনদা, মানে মানে চলে যেতে পারছ এই ভালো। যা অবস্থা চলছে তাতে কখন বলতে কখন কোম্পানিই না উঠে যায়।

    ভুবনকে আজ বিদায় সম্বর্ধনা জানানো হয় অফিসের স্টাফ রিক্রিয়েশন ক্লাব থেকে। ভুবনবাবু দীর্ঘদিন এই কোম্পানিতে সুনামের সঙ্গে কাজ করেছে। অধঃস্তন কেরানি থেকে অফিসের বড়বাবু হয়েছিল। এতদিনের চাকরিতে ছুটিছাটাও বিশেষ নেয়নি সে। আর হাজিরা ছিল ঘড়িবাঁধা। সব কাজই করত নিষ্ঠার সঙ্গে। কোম্পানির বর্তমান মালিকানা যাদের সেই অবাঙালি বাবুরা কাজের লোক বলে শ্রদ্ধা করত। অফিসের স্টাফদের হয়েই ভুবনবাবু কথা বলত মালিকদের সঙ্গে।

    কর্তারা ভুবনবাবুর কর্মনিষ্ঠা সততার মর্যাদা দিত। তাই আজ কর্তারাও বসেছে ওই বিদায় সভায়। ওই স্টাফেদেরই একজনের মেয়ে বিদায় সম্বর্ধনায় গান গায়, দু-চারজন সহকর্মী ভাষণ দেয়। সে যে একজন আদর্শ কর্মী এবং সুহৃদয় সহকর্মী তাও তারা ওই সভায় জানিয়ে দেয়। অফিসের এম. ডি. তাকে সম্বর্ধনা জানিয়ে প্রশংসাপত্র দিলেন। মালা-মিষ্টি-ঘড়ি-গীতা-লাঠি এবং একখানা শালও দেওয়া হয় তাকে। ভুবনবাবুকে তারা ঘটা করেই বিদায় জানাল। অর্থাৎ পাকাপাকিভাবে তারা তাকে জানিয়ে দেয় যে কাল থেকে সে অফিসের কেউ নয়। আজই তার পালা শেষ।

    কোম্পানির গাড়িতে করেই আজ বাড়ি ফিরলেন ভুবনবাবু ওই সব উপহার ফুল মালা নিয়ে। বিসর্জনের আগে বাদ্য-বাজনা বাজিয়ে ফুল মালায় সাজিয়ে প্রতিমাকে যেমন বিসর্জন দেওয়া হয় ঘটা করে, তেমন তারাও ভুবনবাবুকে বরানগরের বাড়িতে পৌঁছে দিয়ে যায়। যাবার আগে দু-একজন সহকর্মী অবশ্য বলেন—মাঝে মাঝে আসবেন দাদা, একেবারে ভুল যাবেন না।

    ভুবনের মনে পড়ে অতীতের কত কথা। এবার সে সব পরিণত হবে শুধুমাত্র স্মৃতিতে। সহকর্মীদের সঙ্গেও আর দেখা হবে না—সুখ দুঃখের সঙ্গীরা হারিয়ে যাবে। কিন্তু তাকে তো মেনে নিতেই হবে।

    ভুবনবাবু পরদিন সকালে উঠে যথারীতি গঙ্গার ধারে একটা চক্কর দিয়ে আসেন। সকালটা বেশ অন্যরকম লাগে তাঁর। তখনও শহরের বহু লোকের ঘুম ভাঙেনি। লোকজনের কলরবও শুরু হয়নি। এদিকে এখনও গাছগাছালি কিছু আছে। তাই পাখিদের কলরব এখনও শোনা যায়। গঙ্গার বুকে হালকা কুয়াশার আস্তরণ। দু-একটা নৌকা যেন কোনো নিরুদ্দেশের পথে হারিয়ে যায়।

    ক্রমশ দিনের আলো ফুটে ওঠে। গঙ্গার অন্য তীরে দেখা যায় বেলুড় রামকৃষ্ণ মিশনের মন্দির। কেমন একটা প্রশান্তির স্বাদ পান ভুবনবাবু। এতদিন চাকরির ঘানিতে সে বাঁধা ছিল। এখন মুক্ত। এতদিন তাঁর পরিচিত জগৎটাকে ভালো করে দেখা হয়নি। সেখানে থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে তিনি কাজের মধ্যে ডুবে ছিলেন। এবার সে-ও যাবে মঠের শান্ত পবিত্র পরিবেশে। হয়ত-বা কোনো তীর্থে যাবে, হরিদ্বারে।

    বেলা বাড়ে। পথে লোকজন গাড়ি রিক্সার ভিড় বাড়ছে। ব্যস্ত কেরানি বাবুরা থলি হাতে বাজারের পথে বেরিয়ে পড়েছে, কেউবা এরই মধ্যে বাজার সেরে ফিরছে। সেইসব মানুষগুলো ঘড়ির কাঁটার সঙ্গে তাল রেখে দৌড়চ্ছে। ভুবনবাবুও এখন সকালে ভ্রমণ সেরে ফেরার পথে বাজার সেরে ফেরেন। এখনও বাজারটা নিজে হাতেই করেন।

    বড়ছেলে ন-টার মধ্যে বের হয়ে যায়। ছোটছেলে সরকারি অফিসে কাজ করে। দশটায় তার ডিউটি শুরু। অবশ্য তখন সে স্নান করতে ঢোকে। ধীরে সুস্থে খেয়ে-দেয়ে বারোটার আগেই অফিসে হাজির হয়। তার ঘুম ভাঙে ন-টায়। তাই বাজারটা ভুবনবাবুকে করতে হয়। তাছাড়া বাজারের দাম যা বাড়ছে তাতে হিসাব করে বাজার না করলে খরচা বেড়ে যাবে। ছোট ছেলে এখন মাঝে মাঝে বাজারে যায়। তাই ভুবনবাবু একটু সময় পান। আজ তাই একটু বেলা করেই বাড়ি ফিরেছেন তিনি। অফিসের তাড়া নেই। এখন তাঁর ছুটির মেজাজ। গিন্নি বলে—এত দেরি হল ফিরতে?

    —আর তো অফিসের তাড়া নেই।

    ভুবনবাবুর বড় বউমা চা নিয়ে এসে বলে—ছোটন কোনো বন্ধুর বাড়ি গেছে।

    গিন্নি বলে—বাজার যেতে হবে। চা খেয়ে বাজারটা সেরে এসো।

    ভুবনবাবু থলি নিয়ে বাজারে যান। পথে তখন অফিস যাত্রীর ভিড় শুরু হয়েছে। লোকজন-গাড়ি-বাস-অটো সবই তখন গাদাগাদি ভিড় শুরু হয়েছে। পাশের গলির নবীনবাবু বাসের জন্য দাঁড়িয়ে হঠাৎ ভুবনকে দেখে বলে— কী হে, আজ অফিস যাবে না ভুবন?

    —অফিসের পাট চুকিয়ে দিয়েছি হে। কালই তো রিটায়ার করলাম।

    —বেঁচে গেছ হে।

    তারপরই নবীনবাবু চলন্ত বাস লক্ষ্য করে দৌড় শুরু করেন। কোনোরকমে বাসের হ্যান্ডেল ধরে ঝুলন্ত অবস্থায় লাফিয়ে পাদানিতে উঠে পড়েন, তারপরই হুস করে বেরিয়ে গেলেন। ভুবনের মনে হয় সত্যিই একটা দুর্বার যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেয়েছে সে। অফিসের বাবুদের বাজারে যে কিছু কদর আছে অন্যদের চেয়ে, সেটা আজ বুঝেছেন ভুবনবাবু। অন্যদিন সকালে প্রাতঃভ্রমণ সেরে বাজারে আসতেন, তখন বিক্রেতারা মাঠে আনাজপত্র নিয়ে বসে। বেশ টাটকা। তরতাজা সবজি আনাজপত্র। দরও বেশি—ফড়ে বেপারিরাও জানে ওরা শাঁসালো খদ্দের। তাই আদরযত্ন করে জিনিসপত্র দেয়। ভালো জিনিস।

    এখন অফিস বাবুদের ভিড় আর নেই। আনাজপত্র সবজির ভালোগুলো চলে গছে তাদের থলিতে। পড়ে আছে বাছাই করা বাতিল কিছু মাল। আর বাজারে এখন বাতিল কিছু মানুষ ওইসব বাতিল জিনিসপত্র হাতড়াচ্ছে। কোনোদিন এমন সময় বাজারে আসেননি ভুবনবাবু। আজ চমকে ওঠেন তিনি বুড়ো বাতিল মানুষের ভিড় দেখে। তারা রীতিমতো দরদস্তুর করে বেশ কম দামেই মাল কেনে। বেপারিরাও যেন জানে ওদের সামর্থ্যও সীমিত, তাই যেন দয়া করে কম দামে দিয়ে দেয় ওইসব মালপত্র। কে বলে—দাদু বলছেন যখন এত করে নিন—ঝিঙে দিচ্ছি পাঁচ টাকা কিলো, পটল ছ-টাকায় দিচ্ছি।

    অবশ্য এতদিন ভুবনবাবু এসব মাল সকালে বেশি দামেই কিনতেন। ভুবনবাবু বাজারে ঘুরে অন্যদের মতো সস্তা দরেই জিনিস খুঁজছে। এতদিন টাকার জন্য তত ভাবনা চিন্তা ছিল না। তাঁর ছেলেরাও সংসারে টাকা দেয়। ইলেকট্রিক বিল, ফোনের বিল ওরা ভাগাভাগি করে দেয়। ভুবনবাবু নিজেও যা পেত অফিস থেকে তাও নেহাত কম ছিল না। কিন্তু এখন তো আর মাসে মাসে সে টাকাটা পাওয়া যাবে না। গ্র্যাচুইটি প্রভিডেন্ট ফান্ডের টাকায় হাত দেওয়া যাবে না। ওর সুদ থেকেই তাঁদের বুড়োবুড়ির দিন চালাতে হবে। ছেলেদের বোঝা হয়ে থাকতে চান না ভুবনবাবু। তাছাড়া হরিদ্বার বৃন্দাবন ঘুরে আসার ইচ্ছাও আছে। টাকার দরকার, তাই আজ থেকেই ভুবনবাবু অন্যদের মতো সাবধান হতে চান। বেলায় মাছওয়ালারাও তাদের কাটা মাছগুলো বিক্রি করে ফেলতে চায়। কম দামে তারা দিয়ে দেয়। ভুবনবাবু আজ আগেকার সত্তর টাকার বাজার প্রায় পঞ্চান্ন টাকায় সেরে গলদঘর্ম হয়ে বাড়ি ফেরেন। গিন্নি, বউমাও তাঁর বাজার দেখে খুশি। আনাজপত্র-সবজি ও মাছ এনেছে বেশি-বেশি। মাছওয়ালা মাছের মাথা একটু কম দামেই দিয়েছে। বউমা বলে— বাবা, আপনার বাজার আর তাঁদের বাজার? যা বলি আনে না, বলে যা দাম। আপনি তো দারুণ বাজার করেছেন।

    গিন্নিও সায় দেয়।

    —ছেলেদের দিয়ে হবে না। তুমিই বেলায় বাজারে গিয়ে বেশি করে মাছ আনবে। বউমা ফ্রিজে রেখে দেবে। পরদিন সকালে রমেন-নীরেনকে দেব।

    ভুবনবাবু আগে বাজার সেরেই অফিসে যাবার জন্য স্নান করতে যেতেন। খেয়ে-দেয়ে ছুটতে হত অফিসে। আজ অফিস নেই। রান্নারও দেরি আছে। ছোট বউমা বলে—বাবা, চারটে মুড়ি আর চা দিই সঙ্গে আলুভাজা।

    ভুবনবাবুর জীবনযাত্রার রুটিনটাই যেন বদলে যেতে শুরু করেছে একদিনের মধ্যে। গিন্নি বলে—শুকনো মুড়ি দাও মা। বয়স হচ্ছে, আলু কম খাওয়া ভালো। ওর আবার সুগারের ধাত। হ্যাঁ, চায়ে আজ থেকে চিনিও খেও না।

    ভুবনবাবু বলেন—সে কি! চিনি আলু…

    —রিটায়ার করেছ ওসব বন্ধ। এখন সাবধানে থাকতে হবে।

    রিটায়ার করার পরদিন তাঁর জীবন থেকে সব মিষ্টতাকেও হারাতে হবে এটা ভাবেননি তিনি। অবশ্য ছোট বউমা বলে—মা, একেবারে ওসব বন্ধ করা ঠিক হবে না। কম করে দিচ্ছি।

    বেলা বাড়ছে, নাতি-নাতনিরাও স্কুলে। গিন্নি-বউমারাও সংসারের কাজে ব্যস্ত। ছেলেরাও অপিসে। দুপুরে খাওয়ার অভ্যাস নেই ভুবনবাবুর। সপ্তাহে একদিন ছিল তাঁর ছুটি। তাছাড়া অন্য সময় তিনি ছুটি বিশেষ নেননি। আজ বেলা যেন কাটতেই চায় না। খবরের কাগজের সব খবর মায় বিজ্ঞাপন অবধি পড়া হয়ে গেছে। খেতে বেলা হয়ে যায়। দুপুরবেলাটা যেন কাটতে চায় না। মনে পড়ে কর্মব্যস্ত শহরের কথা। এসময় ভুবনবাবুর মুখ তোলারও সময় থাকত না। ফাইলের পর ফাইল জমত টেবিলে। সব চিঠির উত্তর দেখে-শুনে সব কোটেশনের দর যাচাই করে সব ফাইল পাঠাতে হত বড় সাহেবের ঘরে। বিকেল গড়িয়ে যেত হাতের কাজ শেষ করতে।

    আজ বিছানায় তিনি বসে আছেন বেকার, তবু ঘুম আসে না। তখনও গিন্নি-বউমাদের দিবানিদ্রা চলছে। ওরা ঘুমোতে অভ্যস্ত। এর মধ্যে নাতি-নাতনিরা একে একে স্কুল থেকে ফিরছে। ভুবনবাবু বের হচ্ছেন। বিকেলের ছায়া নামছে। গঙ্গার ধারের গাছগাছালি ঘেরা মাঠে এদিক-ওদিকে বেশ কয়েকটা বেঞ্চও রয়েছে। বেশ কিছু বয়স্ক লোকজন এসে পড়েছে। বিকেলে কোনোদিন এখানে এসেছেন বলে মনে পড়ে না ভুবনবাবুর। সূর্য পশ্চিম আকাশে ঢলে পড়ছে। গঙ্গার বুকে আলো কমে আসছে। এখন গঙ্গার বুকে সিঁদুরের আভা ক্রমশ কালচে হচ্ছে। দু-একটা নৌকা অজানা লক্ষ্যে হারিয়ে গেল। ঘরে-ফেরা পাখিদের কলরব ওঠে। আকাশের অঙ্গনে দু-একটা করে ভীরু তারা ফুটে ওঠে। ওপারে মন্দির থেকে শঙ্খ ঘণ্টার সুর নদীর বিস্তারে কেঁপে কেঁপে ভেসে আসে। একটা দিন ফুরিয়ে গেল। ভুবনবাবুর খেয়াল হয় পার্কে লোকজনের ভিড় কমে এসেছে। তাঁকেও বাড়ি ফিরতে হবে। পায়ে পায়ে বাড়ির দিকে এগোতে থাকেন।

    অফিস থেকে বাড়ি ফিরতে দেরি হত। অফিস ছুটির পর জরুরি কাজ নিয়ে কর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করতে হয়। আজ সেসব নেই। সন্ধ্যার পরই বাড়ি ফেরেন ভুবনবাবু। সন্ধ্যাটা যেন তাঁর কাটতেই চায় না। নাতি-নাতনিরা পড়াশোনা নিয়ে ব্যস্ত। এসময় টিভিও খোলা যাবে না। এতদিন শুধু অফিস-চাকরি নিয়েই ব্যস্ত ছিলেন তিনি। পাড়ার লাইব্রেরিতে বয়স্কদের দু-পাঁচজন যায় এসময়। ওসব আসরেও কোনোদিন যাননি ভুবনবাবু। সন্ধ্যাটা তাই বিশ্রী লাগে তাঁর।

    ভুবনবাবু অবসর নেবার পরই কেমন যেন অসহায় বোধ করেন। মনে হয় ওই চলমান জীবন থেকে তিনি যেন ছিটকে পড়েছেন কোনো বাতিলের দলে। তাঁর কিছু করার নেই—সমাজে তাঁর দেবারও যেন কিছু নেই। এখন শুধু দিন গোনার পালা। তিনি দেখেছেন গঙ্গার ধারে পার্কে বসে থাকা ওই লাঠিতে ভর দিয়ে চলা বৃদ্ধদের। ওরা সবাই যেন এক একজন সমুদ্রের বুকে এক-একটা নির্জন দ্বীপ। ওদের চারপাশে জনসমুদ্র, ওরা স্থির স্থবির।

    নিজেকে ওইভাবে ভাবতে ভয় লাগে ভুবনবাবুর। সংসারের মধ্যে থেকেও তিনি যেন নিঃসঙ্গ। ভুবনবাবুর মনে হয়, তিনি কাজ করুন না করুন কালই খেয়ে-দেয়ে অফিসে যাবেন। তবু চেনা মুখ অনেক দেখতে পাবেন। তাদের সঙ্গে কথাবার্তাও হবে। এইভাবে একা চুপচাপ থাকা অসম্ভব।

    ভুবনবাবু সকালে উঠে প্রাতঃভ্রমণে বের হতে যাবেন গিন্নির আওয়াজ শুনে পিছনে চাইলেন। গিন্নি ওঁর হাতে দুধের ব্যাগটা ধরিয়ে দিয়ে বলে—সেই বের হচ্ছ, ফেরার পথে পাউরুটি এনো। দুধের ডিপো থেকে দুধ এনো। কার্ডগুলো নিয়ে যেও। যা ভুলো মন তোমার, না হলে দুধই দেবে না।

    সকালে গঙ্গার ধারে বেশ কয়েক পাক ঘুরে ফেরার পথে দুধের ডিপোর সামনে এসে দেখেন এর মধ্যে বিরাট লাইন পড়ে গেছে। দুধের ডিপোতে বিশেষ আসেননি। বাড়ির কাজের মেয়েটা কদিন ছুটি নিয়েছে তাই আসতে হয়েছে তাঁকে। দেখে মনে হয় দুধের ডিপোতে বোধ হয় ভোর থেকেই লাইন পড়ে আর সেই লাইন যেন নড়তে চায় না। লাইনটা এঁকেবেঁকে গেছে আর নড়ছে মৃদুমন্দ গতিতে। দুধের ডিপোতে প্রায় আধঘণ্টা কেটে গেল দুধ নিয়ে ফিরতে। ছোট বউমা চা আনে। ওদিকে গিন্নি বলে—চা খেয়ে বাজারটা সেরে এসো। বেশি বেলায় বাজারে গেলে সেই কুড়োনো মালপত্রই পাবে।

    ভুবনবাবু সকালের দিকে বাজারে যান। এখন বাবুদের বাজার চলছে। আনাজপত্র তাজাই মেলে। ভালো মাছও তখন রয়েছে। বেলায় বাজারে সেই বাতিল হতাশাময় মুখগুলো দেখা যাবে। ভুবনবাবু তাঁর চারিদিকে তরতাজা থাকা মুখগুলোকে দেখেন। বাজার থেকে ফিরে একটু বসেন ভুবনবাবু। বেলা দশটা বাজে। দুই ছেলেই বেরিয়ে গেছে। জলখাবার পর এবার বড় বউমা বলে—বাবা গোপালের মা তো ক’দিন ছুটে নিয়েছে, মন্টু আর নিন্টুকে স্কুলে পৌঁছে দিতে হবে। এদিকে রান্নার কাজ না হলে আমিই যেতাম। গিন্নি বলে— বউমা, তুমি আবার ওদের দুজনের স্কুলে কখন যাবে। ভুবনবাবুকে বলে—তোমার তো অফিস নেই ঘরে বসে কী করবে। তুমিই বরং রিক্সা করে ওদের দুজনের স্কুলে পৌঁছে দিয়ে এসো। সাবধানে যাবে দুটোই একেবারে বাঁদর।

    ভুবনবাবু সবে খবরের কাগজখানা নিয়ে বসেছিলেন। আগে খবরের কাগজ পড়ার সময়ও তাঁর হত না। ওই লোকের মুখেই খবর শুনতেন তিনি। এখন তারিয়ে তারিয়ে খবর কাগজটা পড়েন। এখন গিন্নির হুকুমে সে উপায়ও নেই। দুই দুরন্ত নাতিকে নিয়ে বের হতে হল ওদের স্কুলে পৌঁছে দেবার জন্য।

    রিক্সায় চলেছে মন্টু আর নিন্টু। আজ দাদুকে কাছে পেয়ে ইস্কুলের গল্প। ইস্কুলের আন্টির গল্প—অন্য বন্ধুদের গল্প দাদুকে বলতে থাকে। এসব জগতের খবর, ওই শিশুমনের স্বপ্ন জগতের সন্ধান আগে জানতেন না ভুবনবাবু। গুলি খেলার নিয়ম-কানুনও ছিল তাঁর অজানা। কোন দোকানে ভালো টুনি মার্বেল সস্তায় মেলে এ খবরও জানতেন না। তাঁর জগৎ ছিল ফাইল আর বড় সাহেবের জগৎ। ফুল, পাখি, রঙিন মার্বেল ভুবনবাবুর অজানা ছিল।

    মন্টু বলে—তোমাকে একদিন হরিয়াল, বুলবুলি পাখি দেখাতে নিয়ে যাব।

    নিন্টু বলে—আর রঙিন প্রজাপতিও।

    ওদের স্কুলে পৌঁছে দিয়ে ফিরছেন ভুবনবাবু। বেলা হয়ে গেছে, বাড়ি ফিরতে বেশ বেলা হয়ে যায়।

    গিন্নি বলে—এবার স্নান করে খেয়ে নিয়ে খবরের কাগজ পড়বে। ওঠো।

    দুপুর নামে। সকাল থেকে ভুবনবাবুর বেশ ঘোরাঘুরি করতে হয়েছে। বেলাও হয়েছে কখন টের পাননি। খাবার পর কেমন মিষ্টি আলস্যে তার শরীর ভেঙে আসে। ঘুম নামে চোখের পাতায়, অফিসের ঝামেলা নেই। তবু একটা বেলা কোনদিক দিয়ে কেটে গেল টেরও পান না। বিকেল নামছে। গিন্নির ডাকে উঠে বসেন ভুবনবাবু। গিন্নি বলে—কী আক্কেল গো তোমার। মন্টু-নিন্টুকে তো ও বেলায় ইস্কুলে দিয়ে এলে, ওদের আনতে হবে না? গোপালের মা নেই। বড় বউমা গেছে ওর মায়ের ওখানে। ছোট বউমাও নেই। কে আনবে ওদের?

    ভুবনবাবুর খেয়াল হয় ওদের আনতে হবে তাঁকেই। আর তো কেউ নেই। বের হয়ে পড়েন তিনি। বিকেল নামছে। পথে ঘাটে আবার লোকজনের ভিড় বাড়ছে। পসারের লোকজনও ভাতঘুম সেরে আবার দোকান খুলছে। চলমান জীবনের প্রবাহ শুরু হয়েছে। ভুবনবাবু এই চলমান জীবনের প্রবাহে সামিল হয়েছেন। স্কুল থেকে মন্টু-নিন্টুদের নিয়ে ফিরছেন। নিন্টু বলে—দাদু ওদিকটা ঘুরে চলো না।

    —তাই চলো দাদু। পার্কে এখন কত ছেলেমেয়ে খেলা করে। চলো।

    ভুবনবাবু ওদের গঙ্গার ধারে পার্কে নিয়ে আসেন। বিকেলের মিষ্টি রোদের আভা ম্লান হয়ে আছেন। গাছে গাছে ঘরে-ফেরা পাখিদের কলরব জাগে। মন্টু-নিন্টুরাও খেলায় মেতে গেছে। আকাশে-বাতাসে ভেসে ওঠে কচিকাচা গলার খুশির কলরব।

    ভুবনবাবুর কাছে পাখির ডাক—কচি কাচাদের কাকলিমুখর এই আলো-আঁধারের জগৎটা ছিল অচেনা। প্রজাপতির দল উড়ছে ফুলের মেলায়। কোনো শিশু টলমল পায়ে দৌড়চ্ছে সেই উড়ন্ত রঙিন প্রজাপতির দিকে। সন্ধ্যা নামছে। নদীর ওপারে বেলুড় মঠে আলোগুলো জ্বলে উঠেছে। গঙ্গার জলের ছলছল শব্দ শোনা যাচ্ছে। ভুবনবাবু নতুন এক জগৎকে আবিষ্কার করে। নিন্টু-মন্টুদের খেলা শেষ। ওদের নিয়ে ঘরে ফেরেন তিনি। নিন্টু বলে—আইসক্রিম খাওয়াবে না দাদু? বাড়িতে মা একদম খেতে দেয় না।

    মন্টুও আবদার করে—দাও না দাদু, বাড়িতে কেউ জানতে পারবে না।

    ভুবনবাবু আজ সব বিধি-নিষেধ ভেঙে তিনটে আইসক্রিম কেনেন। ওদের খুশিটা ভুবনের মনেও সংক্রামিত হচ্ছে। সন্ধ্যা হয়ে গেছে। সন্ধ্যায় একটু বিশ্রাম করে নিশ্চিন্তে খবরের কাগজটা পড়বেন তিনি। দেশের হালচাল সম্বন্ধে কিছু খবর রাখা দরকার। এসে পড়ে নিন্টু। হাতে বইখাতা। দুরন্ত মেয়েটা ভুবনবাবুর পাশে বসে বলে—দাদু, কাল স্কুলের টাস্কগুলো তৈরি করে নিয়ে যেতে হবে। মাকে বললাম, মা বলে, দাদুর কাছে নিয়ে যা। ট্রানস্লেশন গ্রামারগুলো একটু দেখিয়ে দাও না।

    মাথার একরাশ চুল ঝাঁকান দিয়ে সরিয়ে খাতাটা খুলে ধরে দাদুর সামনে।

    ভুবনবাবু বহুদিন পর আবার যেন স্কুল জীবনের সেই হারানো দিনগুলোতে ফিরে যান। নাউন-প্রোনাউন নিয়ে পড়েন। ভুবনবাবুর এখন আর সময় নেই। ভোর থেকে তাঁর কাজ শুরু হয়। একটার পর একটা কাজ। মাঝে মাঝে হাঁপিয়ে ওঠেন, ঘড়ি ধরে কাজ করতে করতে। বিকেলে নিন্টু-মন্টুদের নিয়ে পার্কে যান। সন্ধ্যার সময় গঙ্গার এপারের গাছগাছালি ঘেরা পার্কে বসে থাকেন। কচিকাচাদের খেলায় তিনিও সামিল হন। হারিয়ে যান পাখিদের কলরবে। নদীর ওপারে মন্দিরে যাবার কথা প্রথম দিনই ভেবেছিলেন তিনি। এখনও পর্যন্ত যাবার সময় হয়নি ওখানে।

    সংসার—এই নাতিরা—সবাই যেন দু’হাত বাড়িয়ে তাঁকে জড়িয়ে ধরে রেখেছে। সারাদিন ওদের নিয়েই কাজে-ঠাসা চাকরি থেকে অবসর নেবার পর ভুবনবাবু যেন আরও বড় এক বাঁধনে বাঁধা পড়ে গেছেন। দিনগুলো কোন দিকে কেটে যাচ্ছে তা জানতেও পারেন না। সংসার যেন তাঁকে আরও নিবিড়ভাবে একটা বাঁধনে বেঁধে রেখেছে। সংসারের মধ্যেই যেন নদীর ওপারের মন্দিরের প্রশান্তি তাঁকে স্পর্শ করেছে। তার জন্য ভুবনবাবুকে ওপারে যেতে হয়নি। এপারেই তার স্পর্শ পেয়েছেন।

    —

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমেঘে ঢাকা তারা – শক্তিপদ রাজগুরু
    Next Article বরদা সমগ্র – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    Related Articles

    শক্তিপদ রাজগুরু

    মেঘে ঢাকা তারা – শক্তিপদ রাজগুরু

    November 20, 2025
    শক্তিপদ রাজগুরু

    পটলা সমগ্র – শক্তিপদ রাজগুরু (দুই খণ্ড একত্রে)

    November 20, 2025
    শক্তিপদ রাজগুরু

    অমানুষ – শক্তিপদ রাজগুরু

    November 20, 2025
    শক্তিপদ রাজগুরু

    জীবন কাহিনি – শক্তিপদ রাজগুরু

    November 20, 2025
    শক্তিপদ রাজগুরু

    পরিক্রমা – শক্তিপদ রাজগুরু

    November 20, 2025
    শক্তিপদ রাজগুরু

    তিল থেকে তাল – শক্তিপদ রাজগুরু

    November 20, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }