Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    শব্দযাত্রা লেখক সংঘ – জুবায়ের আলম

    জুবায়ের আলম এক পাতা গল্প333 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    শব্দযাত্রা লেখক সংঘ – ৭

    একটা গোপন কথা ও একটা প্রকাশ্য অপচয়

    পুরনো পাঁচিলটা এমনিতেই শ্যাওলা ধরা। তারওপরে বৃষ্টি হয়ে আরো —পিচ্ছিল হয়ে গিয়েছে। ছায়ামূর্তিটা কয়েকবার হাচড়ে-পাছড়ে ওঠার চেষ্টা করছে। কিন্তু পাঁচিলের গোড়ায় জমা পানিতে বারবার পা পড়ায় ছপছপ করে শব্দ হচ্ছে। আশেপাশে কেউ নেই। এত রাতে কারো থাকার কথাও না। কুকুরগুলোও নেই। তারপরেও ছায়ামূর্তিটা বারবার এদিক ওদিক তাকাচ্ছে। কারণ মোড়ের পুলিশের ভ্যানটা যে এই বাড়িটার ওপরেই নজর রাখছে, জানে সে। ইলেকট্রিসিটি নেই। ইলেকট্রিসিটি আসা মাত্রই তাকে স্পষ্ট দেখা যাবে পাশের ল্যাম্পপোস্টের আলোতে। কাজেই যা করতে হবে খুব তাড়াতাড়ি।

    তৃতীয়বারের চেষ্টা সফল হল। ছায়ামূর্তিটা পাঁচিল টপকে বাড়ির ভেতরে ঢুকে পড়ল। ধপ করে ভোঁতা একটা শব্দ হল। আরেকবার এদিক ওদিক দেখে নিল। নাহ। গাঢ় অন্ধকারে কোন সাড়াশব্দ নেই। অনুমানের ওপরে ভর করে সামনে এগোতে লাগল সে। বামে পাঁচিলের গা ঘেঁষে গোলাপের চারা লাগানো টবের সারি। ডান দিকে সরু একটা গলিমতন চলে গিয়েছে বাড়িটার সামনের দিকে।

    বিদ্যুৎ চমকালো। ক্ষণিকের আলোতে নিশ্চিত হয়ে নিল, অনুমান ঠিকই আছে। কিন্তু বাড়ির সামনের দিকে যাওয়া যাবে না। পেছন দিক দিয়েই কোনরকমে ওপরে উঠতে হবে। পাইপ আছে। এই বৃষ্টির ভেতরে পিচ্ছিল পাইপ দিয়ে ওপরে ওঠা যাবে না। কিন্তু এছাড়া উপায় কি?

    উপায় একটা আছে। উত্তর দিকে একটা পুরনো আম গাছ আছে। ওটাতে কোনরকমে উঠতে পারলে তিনতলা পর্যন্ত ওঠা যাবে। বাকিটা পরে দেখা যাবে নাহয়।

    বিদ্যুতের ক্ষণিক আলোই আপাতত ভরসা। ভেজা আমগাছটার শরীর ভেজা এনাকোন্ডার শরীরের মতই ঠাণ্ডা আর পিচ্ছিল। এতটুকু পা হড়কালে মৃত্যু, আর কোন মতে বেঁচে গেলে পক্ষাঘাৎ অথবা শিবঘর। ছায়ামূর্তিটা অনন্যোপায় হয়ে উঠে পড়ল গাছটায়।

    বৃষ্টি থামার লক্ষন নেই।

    ধীরে ধীরে, খুব ধীরে ধীরে উঠছে ছায়ামূর্তিটা। অনেকক্ষণ ভিজে থাকার ফলে আঙুলগুলোর চামড়া কুঁচকে গিয়েছে, তাই ভালো গ্রিপ পাওয়া যাচ্ছে। শক্ত করে আঁকড়ে ধরে ধরে এগোচ্ছে সে।

    মাঝামাঝি জায়গায় গিয়ে হঠাৎ থেমে যেতে হল তাকে। সবগুলো ডালই খাড়া হয়ে ওপরে উঠে গিয়েছে। এই ডালগুলোতে চড়া প্রায় অসম্ভব। হাত দিয়ে ভর দিয়ে তাও একটু পরখ করে দেখল চড়া যায় কিনা।

    চড়া যায়, যদি কেউ আত্মহত্যা করতে চায়।

    ঠিক তখনই দুটো ঘটনা ঘটল, বিদ্যুৎ চমকে পুরো আকাশ আলোকিত হয়ে গেল আর সেই আলোতে পাশের দোতলার বারান্দা থেকে একটা নারী কণ্ঠ বলে উঠল, “সুকান্তদা! আপনি গাছে উঠে কি করছেন?”

    সুকান্ত চমকে উঠল। বরফের মত জমে গেল মুহূর্তের ভেতরে। নোভা দেখে ফেলেছে। এখন সে বাসার সবাইকে জানাবে। পুলিশ ডাকবে। গাছ থেকে লাফ দিয়ে পালানোর অবস্থায় নেই এখন। লাফ দিলেই মৃত্যু নয়ত পক্ষাঘাত। বাধ্য হয়ে চুপ করে গাছের ডাল ধরে বসে থাকল সে।

    নোভা কিছুই করল না। বরং যা করল, তা সুকান্তের অনুমানের বিপরীত। গলা নামিয়ে বলল, “সুকান্তদা, আস্তে আস্তে নেমে আসেন। ভয় পেয়েন না। আমি কাউকে জানাবো না। খুব আস্তে আস্তে নেমে আসেন। আমি গেট খুলে দিচ্ছি।”

    সুকান্ত আস্তে আস্তে নিচে নেমে এলো। আগের থেকেও বেশি সাবধানে। বাড়ির পেছনের লোহার গেটটা খোলার শব্দ হল। সুকান্ত দরজার কাছে দাঁড়াতেই দেখল, নোভা দাঁড়িয়ে আছে। “কি হল? আসেন?” বলল নোভা। সুকান্ত ভেতরে গেল।

    “আমি নিচের ঘরটা খুলে দিয়েছি। আপাতত বসেন। আর এই যে গামছা দিয়ে গা হাত পা মোছেন। একটা লুঙ্গি আর গেঞ্জি দেওয়া আছে। আমি আসছি। জরুরী কথা আছে।” বলল নোভা। মুখে গামছা বললেও বাড়িয়ে দিল একটা সবুজ তোয়ালে। সুকান্ত অন্ধকারে হাতড়ে হাতড়ে পাশের একটা ঘরে ঢুকল। টিম টিম করে একটা মোমবাতি জ্বলছে। দরজার কাছে দাঁড়িয়ে নোভা বলল, “শব্দ করবেন না।”

    সুকান্ত অন্ধকারে কাপড় ছেড়ে অন্ধকারেই লুঙ্গি আর গেঞ্জিটা পড়ল। হয়ত নোভার বাবার। মিনিট পাচেকের মধ্যেই নোভা নেমে আসলো। হাতে এক কাপ চা। আস্তে করে দরজাটা ভিড়িয়ে দিয়ে বলল, “বসেন। চা নেন। এবার বলেন তো, আপনি এত ঝুঁকি নিয়ে আবার এই বাড়িতে কেন আসলেন?” সুকান্ত কাঁপা হাতে চায়ের কাপটা নিল। এক চুমুক চা খেল। কিন্তু কিছুই বলল না। মেয়েটার জন্য মায়া লাগছে। খুব চেষ্টা করছে স্বাভাবিক থাকতে।

    “আপনি জানেন? আমাদের বাড়িতে চব্বিশ ঘণ্টা পুলিশ নজরদারি চলছে? আপনাকে দেখলেই একটা বিশ্রী ব্যাপার হবে?” নোভা ফিসফিস করে ঝাঁঝাল প্রশ্নটা করল।

    “জানি” সুকান্তের ছোট উত্তর।

    “তাহলে কেন এসেছেন?”

    “তার আগে তুই বল, তুই তো জানিস আমি খুনি, তাহলে আমাকে দেখে চেচিয়ে উঠলি না কেন?”

    “আমি জানি আপনি খুন করেননি।

    “করতেও তো পারি।”

    “ইয়ার্কি রাখেন। বলেন কেন এসেছেন?”

    “তার আগে বল, তুই এত রাতে বারান্দায় দাঁড়িয়ে করছিলি কী?”

    “আমার ইনসমনিয়া আছে। ঘুম আসে না। মাইগ্রেনের ব্যথা শুরু হওয়ার আগে এমন হয়। এখন আপনি আমার কথা উত্তর দেবেন?”

    “আমার কিছু জিনিস আছে ওপরের ঘরটায়। ওগুলো নিতে এসেছি। ওগুলো নিয়ে দূরে কোথাও হারিয়ে যাব রে। অনেক দূরে কোথাও।”

    “ওরা এত লোক রেখে আপনাকে কেন সন্দেহ করছে বলেন তো। আপনার কী মনে হয়?”

    “সুভাষদার, মানে যে লোকটা আমাকে, মানে আমার খুব কাছের একজন মানুষ, ওই মানুষটার খুন হওয়ার সময় আমি ওখানে ছিলাম। আমি খুনিকে ধাওয়া করি। হয়ত ওইখান থেকেই পুলিশ কোনভাবে আমাকে সন্দেহ টন্দেহ করেছে। আমি জানি না কেন পুলিশ আমাকে ধরার জন্য কুকুরের মত ছুটে বেড়াচ্ছে।”

    “গতকালকে পেপারওয়ালা এসে একটা খবর দিয়েছে, জরুরী খবর। “ “পেপারওয়ালা! মানে হকার? কি খবর?”

    “একজন আপনার সাথে দেখা করতে চায়। পেনড্রাইভ না কি যেন নিয়ে জরুরি কথা আছে নাকি।”

    সুকান্তের পুরো শরীর কেঁপে উঠল। পেনড্রাইভ! পেনড্রাইভ তো খুনির কাছে আছে! তাহলে সুভাষদার খুনিই কি তার সাথে যোগাযোগ করতে চাইছে? কিন্তু কেন? পেনড্রাইভটা ডিক্রিপ্ট করতে হবে? এই জন্য? নাকি অন্য কোন কারণ? নাকি এটা কোন চাল? তাকেও কি ফাঁদে ফেলে খুনি খুন করতে চায়?

    মুহূর্তের ভেতরে একগাদা কথা মাথায় আসল সুকান্তের। যদি সত্যিই কোন জরুরি খবর থাকে তো একটা হকার কেন এসে এটা জানাবে?

    “সুকান্তদা, বলেছে, যদি আপনি কখনও ফেরেন, তাহলে যেন আপনাকে বলি। পরশুদিন রথ যাত্রা। ওইদিন শাঁখারীবাজারে যতীন এন্ড কোং নামের দোকানের সামনে আপনাকে দেখা করতে বলেছে।”

    “আর কিছু বলেছে?”

    “বলেছে।”

    “কি?”

    “বলেছে, যদি না যান, ওরা ধরে নেবে, ধরে নেবে যে আমি আপনাকে পুরো ব্যাপারটা বলিনি। তাই তখন আমাকেও…”

    “তোকেও কি?”

    “ক্ষতি করে দেবে আমার। খুব বাজে রকমের একটা ক্ষতি করে দেবে।”

    “তুই ওদেরকে বলবি আমি আসিনি।”

    “সেটা কি বলব বলে ভাবিনি ভাবছেন? আমাদের এই বাড়ির চারপাশে সাতটা ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা লাগানো আছে। ওরাই লাগিয়েছে। দেখা যাচ্ছে না, কিন্তু ওরা বলেছে লাগিয়েছে। আমার জন্য হলেও আপনি ওদের সাথে দেখা করেন সুকান্তদা। আমার কিছু না করতে পারলেও বাবা আছে। বাবাকে যদি ওরা…”

    কথা শেষ করতে পারল না নোভা। সুকান্ত অন্ধকারে মাথা নাড়ল। নোভা বলল, “কি হল? বলেন? যাবেন?”

    সুকান্ত চায়ের শেষ চুমুকটা দিয়ে বলল, “যাব। তার আগে আমার জিনিসগুলো আমাকে নিতে হবে।” নীহারিকার একটা ছবি আছে ট্রাংকে। যদি আর কখনও আসা না হয়? নিয়ে যাওয়া উচিৎ। ওই একটাই মাত্র ছবি আছে নীহারিকার। ওই একটা মাত্র ছবি আছে যেটা দেখলে সুকান্ত বুঝতে পারে যে সে এখনও বেঁচে আছে।

    নোভা বলল, “সিঁড়িঘরের দরজা খুলে দিচ্ছি। আসেন।”

    সুকান্ত বলল, “ধন্যবাদ নোভা। আর আমি খুব দুঃখিত, যে তোদেরকে এর ভেতরে জড়িয়ে ফেললাম।”

    নোভা মাথা নেড়ে বলল, “সাবধানে থাকবেন সুকান্তদা। খুব সাবধানে থাকবেন।”

    কিন্তু মৃত্যুর ডাকের কাছে সব সাবধানতা মিথ্যা হয়ে যায়।

    ***

    থ্যচ থ্যাচথ্যাচ…

    বেলচার মরচে ধরা ফলাটা মাটি তুলছে। প্রণবের ভারি শরীর বৃষ্টিতে ভিজে একাকাকার। গায়ের শার্ট আর জুতো খুলে ফেলেছেন তিনি। মেদবহুল সাদা স্যান্ডো গেঞ্জি আর গ্যাবার্ডিনের প্যান্টটা ভিজে গায়ের সাথে লেপ্টে গিয়েছে। মাটি খোড়ার পূর্ব অভিজ্ঞতা নেই, কিন্তু ডিটেক্টিভ ব্রাঞ্চের ফিল্ড ওয়ার্কারদের এমন কিছু কাজ করতে হয় যা তারা স্বপ্নেও ভাবেনি।

    বৃষ্টি ধরে এসেছে কিছুটা। কিন্তু ঝড়ো বাতাস কমেনি, বরং বেড়েছে। মাটি ভেজা থাকায় খুব বেশি বেগ পেতে হচ্ছে না অবশ্য। আশেপাশে যেন এক অস্বস্তিকর নীরবতা। আর গাঢ় অন্ধকার। ফ্ল্যাশ লাইট জ্বলতে থাকা মোবাইলটা কোন রকমে মুখে ধরে আছেন প্রণব। মুখের লালায় সেটা পিচ্ছিল হয়ে গিয়েছে। চোয়ালে শুরু হয়েছে ব্যথা।

    আলোগুলো এগিয়ে আসছে বাঁশবনের ভেতর দিয়ে। বড় হয়ে। কি ওগুলো? আলেয়ার আলো? প্রণব জানেন না। এই মুহূর্তে সেটা না জানলেও চলবে।

    ঢক করে একটা শব্দ হল। বেলচাটা কোন কিছুর সাথে বিঁধেছে। বেলচা ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে প্রণব দুই হাতে মাটি সরানো শুরু করলেন। হাতে কাঠের মত কি যেন একটা বাঁধল। বাম হাতে লালা মাখানো মোবাইলটা ধরে ডান হাতে কফিনের ওপরকার মাটি সরাতে শুরু করলেন। গায়ের সমস্ত শক্তি দিয়ে কফিনটা খুলে ফেললেন। কড় কড় করে পচে যাওয়া কাঠ ফাটার শব্দ হল।

    হঠাৎ কাছেই খস খস করে একটা শব্দ হল। শেয়াল? হবে হয়ত, প্ৰণব ভাবলেন।

    মোবাইলের ফ্ল্যাশ লাইটের আলোটা কফিনের ভেতরে ফেললেন। পলিথিনে মোড়া সারি সারি বইয়ে কফিন ভর্তি। পুরনো বইয়ের গন্ধ নাকে এসে ধাক্কা দিল প্রণবের। সাথে ন্যাপথলিনের পুরনো গন্ধ। বইগুলো এমনভাবে রাখা আছে, ঠিক যেন কোন মৃতদেহ সংরক্ষন করা হয়েছে এই কফিনের ভেতরে। এর মধ্যে পাছাখানার ভূত বইটা কোনটা?

    এলোপাথাড়িভাবে বইগুলো বের করে ফেলতে লাগলেন। বেশিরভাগ বই-ই পেপারব্যাক। হার্ডকভার খুব কমই আছে। এক একটা বই বের করে ফ্ল্যাশ লাইটের আলোতে নাম দেখতে লাগলেন। বহু পুরনো পুরনো বই। ইবনে খালদুনের আল মুকাদ্দিমা, শাহনামা, জীবনান্দ দাসের রূপসী বাংলা। এছাড়া নাম শোনেননি কখনও এমন অনেক বই দেখলেন প্রণব। আর্যদের যৌনজীবন। পর্তুগীজদের দেবতারা। নীলচাষের কারিগরেরা। বেশিরভাগ বইয়েই ছাতা ধরে গিয়েছে। পৃষ্ঠাগুলো নরম নরম।

    কয়টা বাজে? মোবাইলের স্ক্রিনের আলো জ্বালিয়ে দেখার চেষ্টা করলেন তিনি। সন্ধ্যে সাতটা। কিন্তু চার্জ আর মাত্র বারো পার্সেন্ট আছে। এতক্ষণ ফ্ল্যাশ লাইটের আলো জ্বালিয়ে রাখার ফলে চার্জ ফুরিয়ে গিয়েছে অনেকখানি। এই আলোটুকু নিভে গেলে কৃষ্ণগহ্বরের ভেতরে পড়বেন তিনি।

    তাড়াতাড়ি আরো কয়েকটা বই বের করার পরে বইটা পাওয়া গেল। পাছাখানার ভূত। পৃষ্ঠাগুলো একেবারেই ত্যানার মত পাতলা হয়ে গিয়েছে। কভারে একটা ছোট ছেলের হাতে একটা বড়সড় ঝর্না কলম। খুব অস্পষ্ট।

    বইয়ের নিচে কিছু একটা আছে, চোখে পড়ল প্রণবের। শুকনো পাতা? খয়েরী রঙের? কি ওটা? কৌতূহলী হয়ে আরো কয়েকটা বই সরাতেই বের হয়ে আসল একটা মানুষের মৃতদেহ। মমি করা। শরীরের মাংসপেশী শুকিয়ে লেপ্টে গিয়েছে হাড়ের সাথে। যেন মৃতদেহটাকে শিকে ঝুলিয়ে ঝলসানো হয়েছে।

    প্রণবের সমস্ত ইন্দ্রিয় শন শন করে উঠল। পালাতে হবে। এখান থেকে পালাতে হবে।

    হাচড়ে-পাছড়ে নরম মাটির ওপর ভর দিয়ে কোনরকমে উপরে উঠলেন প্ৰণব।

    “যা খুঁজছিলি, পেয়েছিস?” ভরাট গলায় কে যেন জিজ্ঞাসা করল। আশেপাশে গাঢ় অন্ধকার। প্রণব কিছুই দেখতে পেলেন না। বইটা প্যান্টের পকেটে গুঁজে মুহূর্তের ভেতরে রিভলভার হাতে নিয়ে নিলেন। তাক করলেন অন্ধকারে। একটা মিষ্টি টোন দিয়ে মোবাইলটা বন্ধ হয়ে গেল। চার্জ শেষ ওটার।

    “কে? কে? ডিটেক্টিভ ব্রাঞ্চের ফিল্ড অফিসার প্রণব বলছি। নিজের পরিচয় দাও।” যথা সম্ভব শান্ত গলায় বললেন প্রণব।

    “আমি সাধু। সবাই সাধু ডাকাত বলে ডাকে। আমাকে না দেখতে পাওয়াটা সৌভাগ্যের, আর দেখতে পাওয়াটা দুর্ভাগ্যের ব্যাপার।” অন্ধকারের ভেতর থেকে গমগমে কণ্ঠে উত্তর আসলো।

    “হাত ওপরে তুলে সামনে আসো। আমাকে গুলি করতে বাধ্য করো না। আমি সরকারী কাজে এখানে এসেছি।” প্রণব এক পা এগিয়ে গেলেন। ঠাণ্ডা বাতাসে শীত লাগছে। কেঁপে উঠলেন। এই মুহূর্তে তিনি দ্বীপের কোথায় আছেন জানেন না। অন্ধকারে শত্রুর অবস্থান না জানা বিপদ, কিন্তু অন্ধকারে নিজের অবস্থান না জানা আরো বড় বিপদ। তিনি সেই ‘আরো বড় বিপদে’ পড়েছেন।

    “সরকার? কেমন সরকার? যে সরকার শুকনো মৌসুমে এসে ট্যাক্স আদায় করতে ছাড়ে না, লিজ দেওয়া জমির খাজনা আদায় করতে ছাড়ে না, আর ভরা মৌসুমে যখন তিস্তার বাঁধ খুলে দেওয়া হয়, আমরা ডুবে মরি, ফসল ডুবে যায়, দিনের পর দিন পানি বন্দী হয়ে থাকি, ঘরে চাল থাকে না, পেটে ভাত থাকে না, আমাদের ফলানো ধান থেকে হওয়া চালই আমাদেরকে চড়া দামে কিনতে হয়, তখন যে সরকার মুখ তুলেও চায় না, সেই সরকার? যেই সরকার স্থানীয় নির্বাচনের আগে ভোট ভিক্ষা চায়, আর ভোটের পরে তাদের পোষা কুকুরগুলো আমাদের দিকেই লেলিয়ে দেয়, সেই সরকার? হাওড়ে কোন সরকার নেই। হাওড়ে কোন প্রশাসন নেই। এখানে আমরাই প্রশাসন। এখানে ঈশ্বর নেই, এখানে ক্ষুধাই ঈশ্বর। যার ক্ষুধা বড়, তার ঈশ্বর তত বড়।” ভরাট কণ্ঠে কথাগুলো বলল সাধু ডাকাত।

    “আমাকে চলে যেতে দাও। সরকারের অনেক দায়বদ্ধতা থাকে, এতগুলো মানুষের প্রতি নিখুঁতভাবে দায়বদ্ধতা পালন করা মুখের কথা না। এই নিয়ে এখন তর্ক করতে চাচ্ছি না। চলে যেতে দাও না হলে আমাকে বাধ্য হয়ে ড্রাস্টিক ডিসিশান নিতে হবে। আমি প্রশাসনের কাজ করতে এসেছি, আমাকে আমার কাজ করতে দাও।” রিভলভারটা আরো শক্ত করে ধরতে ধরতে বললেন প্রণব।

    হঠাৎ হাততালির শব্দ। প্রণব ট্রিগার চাপার আগেই, সেকেন্ডেরও ভগ্নাংশে অন্ধকার চিরে একটা তীর এসে বিঁধল প্রণবের পিঠে। তীব্র ব্যথায় বাঁকা হয়ে গেলেন প্রণব। দুই হাতের ওপরে ভর করে মাটির ওপরে বসে পড়লেন। এই মুহূর্তে লড়াই করা মানে জীবন খোয়ানো। যেভাবেই হোক, তাকে বেঁচে ফিরতে হবে, আর এই বইটা আমানুল্লাহর হাতে দিতে হবে।

    “প্রশাসনের লোকেরা এখান থেকে বেঁচে ফিরে যেতে পারবে না। যে-ই এসেছে, তাকে জীবন্ত অবস্থায় চামড়া ছাড়িয়ে রোদে শুকিয়ে কবর দেওয়া হয়েছে। তোরা এসি রুমে বসে আইন বানাস, একবারও ভেবে দেখিস যে আইনগুলো বানান সেগুলো শুধু অপরাধীর জন্ম দেয়, অপরাধ কমায় না। অপরাধীকে শাস্তি দেওয়ার আগে একবারও কি তোরা অপরাধীকে নিজের ভুল বুঝতে দিস? দিস না। একটা অশিক্ষিত লোক মানুষ ঠকিয়ে ভোটে জিতে, তোদের ওই ধূসর বিল্ডিংটায় বসে শুধু ‘হাঁ’ আর ‘না’ বলে, ওরা আইনের কি বোঝে? অশিক্ষিতদের বানানো আইনে আমরা চলি না। তোদের আইন আর তোদের ধর্ম শুধু তোদেরকে ‘হাঁ’ আর ‘কবুল বলতে শিখিয়েছে। আর কিছুই শেখায়নি। আমার সাথে তোর দেখা হয়ে গেল, এটা তোর দুর্ভাগ্য।”

    খুব কাছেই পায়ের শব্দ শুনতে পেলেন প্রণব। এগিয়ে আসছে। রিভলভারটা শক্ত করে ধরে দাঁতে দাঁত চেপে গুলি ছুঁড়লেন। আরো একটা গুলি। পর পর দুটো গুলি। একজন না একজনকে তো ঘায়েল করতেই হবে।

    স্যাঁত করে আরো একটা তীর এসে বিঁধল প্রণবের বাম হাতে। বিষ পিঁপড়ার কামড়ের চেয়েও জ্বালাময় যন্ত্রণা! প্রণব দুই হাতের ওপরে ভর দিয়ে দাঁতে দাঁতে চেপে উঠে দাঁড়ালেন। আশেপাশে বড় বড় আলো চোখে পড়ল তার। একটু আগে যে আলোগুলো জোনাকীর আলো বলে মনে হচ্ছিল, আসলে সেগুলো টর্চের আলো। চারিদিক থেকে তাকে ঘিরে ফেলা হয়েছে।

    জীবনের শেষ সম্ভাবনাটুকু বুকে নিয়ে প্রণব দৌড় দিলেন। যে দৌড় তিনি কখনও দেননি। কোথায়, কোন দিকে? জানেন না। শুধু জানেন, দৌড়ালেই আজকের মত বেঁচে যেতে পারেন তিনি।

    গাছ, ঝোপঝাড় পেরিয়ে ছুটছেন। এড্রেনালিন তাকে বারবার বলছে, বাঁচতে হলে ছুটতে হবে। পেছনে সরসর করে শব্দ হচ্ছে। ধেয়ে আসছে মৃত্যু। মেদবহুল শরীরটা প্রতিনিয়ত বিদ্রোহ করছে। হাঁপিয়ে উঠেছেন তিনি এরই মধ্যে। পালাচ্ছেন, কিন্তু পালিয়ে কতদূর যাবেন? সাঁতার পারেন না।

    তাহলে? বিদ্ধ তীরে ক্ষততে যন্ত্রণায় তিনি কেঁপে কেঁপে উঠছেন। রক্তক্ষরণ হচ্ছে ভীষণ।

    এই দ্বীপে তিনি বন্দী।

    ঘন বাঁশ ঝাড়ের ভেতর দিয়ে অন্ধের মত ছুটছেন প্রণব। হঠাৎ একটা ছায়া তাকে জাপটে ধরল। দুজনেই পড়ে গেলেন মাটিতে। প্রণব আতঙ্কের বশে রিভলভারটা দিয়ে ছায়াটার মাথায় আঘাত করতে যাবেন ঠিক এই মুহূর্তে ছায়াটা বলে উঠল, “সাহেব সাহেব, আমি, আমি শশী মাঝি।”

    প্রণব জিজ্ঞাসা করলেন, “কোথায় ছিলে তুমি? শশী, বিপদ, সাধু ডাকাত…”

    শশী বলল, “চিন্তা নাই। আপনি আমার সাথে চলেন। আগে কাদা মেখে নেন সারা গায়ে। তারপর আমি দেখতেছি।”

    প্রণব গড়াগড়ি দিতে পারবেন না। পিঠে আর হাতে বড় বড় দুটো তীর বিঁধে আছে। শশী তীর দুটো বের করতে গেলে প্রণব না করলেন। তীর বের করলে রক্তক্ষরণ আরো বেশি হবে। শশী প্রণবকে কাদা মাখিয়ে দিলেন। তারপর প্রণব শশীর কাঁধে ভর দিয়ে এগোতে শুরু করলেন। দৌড়। জীবনের জন্য দৌড়। প্রণব একবার পকেটে হাত দিয়ে দেখে নিলেন বইটা আছে কিনা। হ্যাঁ আছে।

    বাঁশবাগানের শেষ মাথায় সেই জোনাকীর আলো। বড় বড় হয়ে ঠিক প্রণবদের দিকেই এগিয়ে আসছে। আরো বড় বড় হয়ে। প্রণবদের আর বুঝতে বাকি থাকল না, তারা ধরা পড়ে গিয়েছেন। ঘিরে ফেলা হয়েছে তাদেরকে।

    পকেট থেকে বইটা বের করে শশীর দিকে বাড়িয়ে দিলেন প্ৰণব, বললেন, “শশী, যেভাবেই হোক, যেভাবেই হোক তুমি এই বইটা সিলেটের সদর থানার ওসিকে দিবা। খুব ভালো হত যদি এসপিকে খবরটা দিতে। তারপর ঢাকায় ডিবির অফিসে পাঠানোর কথা বলবা। বলবা আমি পাঠাইছি। প্লিজ, যাও। আমি সকাল পর্যন্ত টিকে থাকার চেষ্টা করব। তুমি রাত্রের মধ্যে ফোর্স পাঠাতে বলবা। আমি এদেরকে দেখছি।” উত্তেজনায় গুছিয়ে কথাগুলো বলতে পারলেন না তিনি। হাঁপরের মত ওঠা নামা করছে বুকটা।

    শশী বইটা হাতে নিয়ে বলল, “আপনি এইখানে থাকলে মারা পড়বেন। আপনি সাধু ডাকাতরে চিনেন না। ওই আলোগুলা দেখছেন না? ডামোরি। ওইগুলা ডামোরি।”

    “ডামোরি না, ওগুলো মানুষ। আর ওগুলো টর্চের আলো। তুমি যাও। দেরি কর না। আমি রিভলভার ফায়ার করলেই তুমি ঝোপের মধ্যে লুকিয়ে পড়বা। ওরা আমার পেছনে ধাওয়া করলে তুমি নৌকার কাছে চলে যাবা।”

    শশী বাধ সাধল, “আপনাকে মেরে ফেলবে সাহেব। আপনি চেনেন না ওদের।”

    প্রণব খেঁকিয়ে উঠলেন, “যাও যাও তাড়াতাড়ি।”

    গান ফায়ার হল। ইচ্ছা করেই সাধু ডাকাতের দলের দৃষ্টি আকর্ষন করলেন প্রণব। শশী সাঁতার জানে। গরীব মানুষ, সে ভরসার দাম দেবে। সে পালাতে পারবে। অন্ধকারে যদি কোনরকমে লুকিয়ে সকাল পর্যন্তও থাকা যায়, তাহলেই তিনি বেঁচে যাবেন।

    খুব কাছেই সরসর শব্দ শুনলেন। শব্দটা ঠিক কোন দিক থেকে বোঝার আগেই পেটে এসে তৃতীয় তীরটা বিঁধল। প্রণব মাটিতে পড়ে গেলেন। হাতের রিভলভারটাতে এখনও তিনটা গুলি আছে। কাঁপা কাঁপা হাতে রিভলভারটা তুলে ধরলেন তিনি। ঠিক তখনই একটা ধারালো কুঠারের কোপ পড়ল প্রণবের হাতের কবজিতে। এক অমানুষিক চিৎকার বের হয়ে এলো গলা চিরে।

    “অনেক হয়েছে। মোয়াল্লেমের বাড়িতে এরে নিয়ে চল। ছাল ছাড়ানোর ব্যবস্থা করতে হবে। গায়ে চর্বি দেখছ! জনগণের টাকায় চর্বি বানিয়েছে।” সাধু ডাকাতের কণ্ঠ শোনা গেল। প্রণব মনে প্রাণে মৃত্যুকে ডাকতে শুরু করলেন। কিন্তু যে মৃত্যুকে ডাকে, তার প্রতি মৃত্যুর একটা অনীহা চলে আসে।

    মোয়াল্লেমের বাড়ি থেকে বেগম আখতারের গজলের সাথে সাথে এক নির্মম আর্তনাদ শোনা গেল। রাতের অন্ধকার চিরে সেই আর্তনাদ শুনতে পেল শশীও। সে তখন প্রায় পাড়ের কাছাকাছি।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅন্যমনস্ক – জুনায়েদ ইভান
    Next Article প্রায়শ্চিত্ত প্রকল্প – জুবায়ের আলম

    Related Articles

    জুবায়ের আলম

    প্রায়শ্চিত্ত প্রকল্প – জুবায়ের আলম

    August 14, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }