Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    শব্দযাত্রা লেখক সংঘ – জুবায়ের আলম

    জুবায়ের আলম এক পাতা গল্প333 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    শব্দযাত্রা লেখক সংঘ – ৮

    জয়েনুদ্দীন পুরাণ

    আমানুল্লাহর কেবিন।

    পড়ন্ত বিকেলের হলদে রোদ এসে পড়েছে টেবিলের ওপরে। আকাশ মেঘলামত হয়েছিল একটু আগে, বৃষ্টি হয়নি। বাইরে পুরো হলুদ হয়ে গিয়েছে। তারওপরে ভ্যপসা গরম। আমানুল্লাহর কেবিনটা অবশ্য শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত। শোঁ শোঁ করে দেড় টনের একটা এসি চলছে। বাইরের তাপমাত্রা পঁয়ত্রিশ হলেও ভেতরে বাইশ ডিগ্রী সেলসিয়াস। তারপরেও হাঁশফাঁশ করছেন তিনি। শান্তি পাচ্ছেন না। নিজের চেয়ার ছেড়ে থাইগ্লাসের টানা জানালার সামনে দাঁড়িয়ে আছেন। দৃষ্টি দূরের ভবনের ছায়াগুলোতে।

    হাতের এত কাছে জানোয়ারটাকে পেয়েও ধরা গেল না। এতগুলো পুলিশ, অথচ সামান্য একটা প্রেসের টাইপিস্টকে ধরতে পারল না? এরা কি খেয়ে চাকরি করতে এসেছে? এখন পর্যন্ত সেই জানোয়ারটার খোঁজ করতে পারল না কেউ। আরে! তুই যদি কোন অপরাধ না করে থাকিস, তো পালাচ্ছিস কেন? নিজের অবস্থান পরিষ্কার করে বল? সৌমেন ঘোষের কানে কথাটা পৌঁছেছে কিনা জানা যায়নি, তবে ঝড়ের আগে যে নিস্তব্ধতা নেমে আসে, সৌমেন ঘোষ সেই রকম নিস্তব্ধ হয়ে আছেন। এবার যদি ডাক পড়ে আমানুল্লাহর, তাহলে সেটা হবে খুব বড় ধরনের একটা দুঃসংবাদ।

    প্রণবের খোঁজ নেই। আজ প্রায় তিন দিন হয়ে গেল সে সিলেটে গিয়েছে। মোবাইল বন্ধ। হবিগঞ্জের সদর থানার ওসিকে বেশ কয়েকবার ট্রাই করেছেন তিনি। তিনি কোন হদিস টদিস দিতে পারেননি। তবে সিলেটের সদর থানার ওসি অবশ্য বলেছেন প্রণব নাকি হবিগঞ্জের ওদিকে গিয়েছেন। কিন্তু কোথায় গিয়েছেন, জানেন না। তিনি ফোর্স পাঠাচ্ছেন এনকুয়েরি করার জন্য। প্রণবের মত একজন অভিজ্ঞ এজেন্টকে নিয়ে চিন্তার কিছু নেই, তারপরেও চিন্তা হচ্ছে। চিন্তা বাড়ছে।

    ওদিকে তন্দ্রানীলা মেয়েটাকে নিয়েও ঝামেলার মধ্যে আছেন। ভালো একটা পাত্র দেখে বিয়ে দিয়ে দিতে চাচ্ছেন, সে রাজি না। তার মধ্যে আজকাল অনেকটা সময় বাইরে থাকে সে। কোথায় থাকে কি করে কিচ্ছু বলে না। স্টাডিতে তিনি অবশ্য ফিঙ্গার প্রিন্ট লক বসিয়েছেন। কিন্তু তারপরেও ভেতরে খুত খুত করে আমানুল্লাহর। রাতে বাড়ি ফেরেন, মেয়েটা একটা কথাও বলে না। রোবটের মত চলাফেরা। চিন্তা হওয়ার আরেকটা কারন, দিনদিন মেয়েটা যেমন অস্থির, তেমন মন মরা হয়ে যাচ্ছে। সেদিন ভীষণ কষ্টে মেয়েটাকে চড় মারা থেকে নিজেকে সংবরণ করেছেন। ডায়েরি পড়েছি বলে এমন করছ? কেন আমি তোমার বাবা না? তোমার ডায়েরি পড়ার অধিকার নেই আমার? আমি যদি তোমার অনুমতি না নিয়ে তোমার স্টাডিতে ঢুকতাম, তাহলে কেমন লাগত?

    হাতের সিগারেটটা হাতেই পুড়ে যাচ্ছে। এই বদঅভ্যাসটা কোনভাবেই পিছু ছাড়ছে না।

    “আসব?” দরজা খুলে জয়েনুদ্দীনের প্রশ্ন।

    “আসেন আসেন।” আমানুল্লাহ বললেন। নিজের চেয়ারে গিয়ে বসলেন, বললেন, “বসেন।” কালো রেক্সিনে মোড়া চেয়ার দুটোর একটা টেনে নিয়ে বসলেন জয়েনুদ্দীন। জয়েনুদ্দীন নামের এই লোকটাকে নিয়ে প্রথমে খুত খুত করত মনের ভেতরে। মনে হত, এই লোকটা কি কোনভাবে খুনের সাথে জড়িত? তারপরে শেষের দুটা খুনের সময় লোকটা আমানুল্লাহর সাথেই ছিলেন। একেবারে আমানুল্লাহর পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন। পেনড্রাইভটা পাওয়ার পরে অবশ্য সব ধোঁয়াশা কেটে গিয়েছে। এখন শুধু সুকান্তকে গ্রেপ্তার করতে হবে। তারপর বাকি ধোঁয়াশা কেটে যাবে। কেন সে ইমন মোস্তাফিজকে খুন করল। আর কেনই বা অপরেশ তাকে ইমন মোস্তাফিজের খুনের ইনভেস্টিগেশন করতে নিষেধ করছিলেন। সব খুনের পেছনেই নে ওই সুকান্তই জড়িত, এ বিষয়ে কোন সন্দেহ নেই।

    “কি খাবেন? কফি বলব?” আমানুল্লাহ জিজ্ঞাসা করলেন।

    “হ্যাঁ তা বলতে পারেন। ব্ল্যাক এন্ড নো সুগ্যার।”

    আমানুল্লাহ ইন্টারকমে দুইটা কফি আনতে বললেন। তারপর  জয়েনুদ্দীনের দিকে ঘুরে বসতে বসতে বললেন, “তারপর? কেমন আছেন?”

    “আছি ভালোই। স্টেডিয়ামের এদিকে এসেছিলাম, ভাবলাম দেখা করে যাই। আসলে, আমার মনে হয়, চুপচাপ বসে না থেকে সুকান্তের খোঁজে আমাদেরই বেরিয়ে পড়া উচিৎ। যতক্ষণ ও ধরা না পড়ছে, খুন কিন্তু হতেই থাকবে।”

    “তা একটা কথা বলেছেন। কিন্তু কথা হল যে, পুরো ঢাকা তো বটেই, ঢাকার আশেপাশের যতগুলো জায়গায় ও যেতে পারে, মোটামুটি সবগুলো জায়গাতেই এনকুয়েরি চলছে। কিন্তু ছেলেটা স্ট্রেঞ্জ, বুঝলেন? ওর ব্যাকগ্রাউন্ড ইনভেস্টিগেট করা হয়েছে। দুই দুইবার নাকি সুইসাইড করতে গিয়েছিল।”

    “কবেকার ঘটনা এটা?”

    “এক বছর আগে। ছেলেটা এভাবে খুন করছে কেন বলেন তো?”

    “আমার যতদূর মনে হচ্ছে, ক্ষোভ। ঘোস্ট রাইটিং করে সে টাকা পেয়েছে, কিন্তু সম্মান তো আর পায়নি। যশ-খ্যাতি কে না চায় বলেন? তাছাড়া আজকালকার লেখকরা তো যশ-খ্যাতি বলতে পাগল। ইয়াং ছেলে। লেখালেখি করেছে, টাকা পেয়েছে কিন্তু ফেম পায়নি। তাই হয়ত ও এমনটা করছে। হতাশা বুঝলেন।”

    “সুভাষকে তাহলে কেন মারল?”

    “ওই যে, ইমন মোস্তাফিজ পেনড্রাইভে ওর দুরভিসন্ধি ফাঁস করে দিতে সুভাষের কাছে দিয়েছিল, এইজন্য। পেনড্রাইভটা ও খুঁজেছিল। আর এইজন্যই সুভাষের সারা ঘর ছিল এলোমেলো। কিন্তু সে ওটা পায়নি। তার আগেই হয়ত অন্য কেউ চলে এসেছিল। সুকান্ত পালিয়েছে।”

    “অন্য কেউটা কে?

    “সেই সিএনজিওয়ালা। তার খোঁজ পাওয়া গেল?”

    “খোঁজ চলছে। আপনি এতো চমৎকার এনালাইসিস কিভাবে করেন আমাকে বলবেন? মানে, এই যে, এত চমৎকারভাবে সম্পূর্ন ক্রাইমটা সিকোয়েন্স বাই সিকোয়েন্স ব্যাখ্যা করেন, কীভাবে সম্ভব এটা?”

    “তেমন কিছু না। পুরোটাই অবজারভেশন। মন দিয়ে দেখা। আশেপাশের সবটা মন দিয়ে দেখা, আর নিজেকে খুনির জায়গায় কল্পনা করা। তারপর, সব থেকে খারাপ কি ঘটতে পারে আর খারাপ কি ঘটেছে সেটা দেখা, যেমন ধরেন কেউ ভিক্টিমের মাথায় আঘাত করে খুনটা করেছে, তাহলে আমি দেখার চেষ্টা করি, কেন সে মাথাতেই আঘাত করল? কেন ঘাড়ে বা পিঠে বা অন্য কোথাও আঘাত করল না? কিন্তু সত্যি বলতে কি জানেন, এই ছেলেটা আমাকে অনেক বিভ্রান্ত করে দিয়েছিল।”

    “কে? সুকান্ত?”

    “হ্যাঁ। আমি ওর মোটিভ এখনও বুঝতে পারিনি। যারা বীভৎসভাবে খুন করে, তারা আসলে অন্যদের মনে ভয় ঢুকিয়ে দিতে চায়। দেখাতে চায় যে তারা কতটা ভয়ানক। যেমন কংসচক্রের কয়েকটা খুনের কথা তো জানেনই। ওরা চেইন স’ দিয়ে কয়েকটা মানুষকে শরীরের মাঝ বরাবর কেটে দুইভাগ করে ফেলে রেখে গিয়েছিল কুষ্টিয়ার মিলপাড়া স্টেশনের ওয়েটিং রুমে। এগুলো আসলে ত্রাস সৃষ্টি করা। কিন্তু এই ছেলেটা, সে খুনগুলো করেছে এলোপাথাড়িভাবে, মানে, সে কোন ত্রাস সৃষ্টি করতে চায় না, কিন্তু তার ভেতরে কোথায় যেন একটা ক্ষোভ আছে। আর ক্ষোভটা কি সেটা তো বললামই। এই জন্যই কিন্তু ও কলম দিয়ে খুনগুলো করেছে।”

    “বুঝলাম। ওকে এরেস্ট করার পরপরই সেটা জানা যাবে। আচ্ছা, আমি তো শুনেছি, আপনি আগে প্যারাসাইকোলজির অধ্যাপক ছিলেন। কথাটা কি সত্যি?”

    “আরে নাহ। প্যারাসাইকোলজি দিয়ে দুনিয়া চলে? আপনিই বলেন, আপনি হিপনোটিজমে বিশ্বাস করবেন? আপনি টেলিপ্যাথিতে বিশ্বাস করবেন? প্রি-কগনিটিভ ভিশন আজকাল কেউ বিশ্বাস করে? তারপর ওই যে, কি সব বলে না, আগে থেকে মৃত্যু টের পাওয়া, পূর্ব জন্মের কথা মনে পড়া, এগুলো আসলে স্রেফ মিডিয়ার মাল মসলা ছাড়া আর কিছু না।

    “বিশ্বাস করে না এর মানে এই না যে সেগুলো একেবারে ফেলে দেওয়ার মত। হতে পারে সেগুলোরও আলাদা ব্যাপার-স্যাপার আছে।”

    কফি আসল। জয়েনুদ্দীন কফিতে চুমুক দিলেন। বললেন, “তা ঠিক আছে। কিন্তু সায়েন্স আজকাল নিজেই নিজের ভুল প্রমাণ করেছে। সায়েন্স দিয়ে এগুলো প্রমাণ করা যায় না, এগুলো বিশ্বাস। সরল মনের বিশ্বাস।”

    “তাহলে আপনি এই যে ক্রাইম সিন এনালাইসিস করে যে খুনির অনুমান করেন, এইটা কি?”

    “ওই যে বললাম, এনালাইসিস। বিচার বিশ্লেষণ।”

    “কীভাবে এত সূক্ষ্ম বিশ্লেষণ করা শিখলেন।”

    “আমার জন্ম হয়েছে পঞ্চগড়ের ওইদিকে। মা স্কুল মাস্টার ছিলেন। বাবা মারা গিয়েছিলেন আমার জন্মের আগে। শুনেছি তিনি কাঠ চেরাইয়ের কাজ করতেন। জলপাইগুড়িতে তার একটা কারখানা ছিল। তো আমি যেখানে জন্ম নেই সেটা ছিল আধা শহর আধা গ্রাম। সেখানকারই এক স্কুলে, মানে আমার মা যেই স্কুলে চাকরি করতেন সেই স্কুলে পড়াশোনার শুরু। কলেজে উঠে ফটিক নামের এক ছেলের সাথে আমার বেশ বন্ধুত্ব হয়ে যায়। ওর পাল্লায় পড়েই আমি বাজি ধরা শিখি। ফটিক আবার খুব ফুটবল খেলত।”

    “কী ধরা?”

    “বাজি ধরা।”

    “আচ্ছা। তারপর?”

    “আমাদের ওখানে শীতকালে সীমান্তের ওই দিকে, মানে তখন তো আর এরকম কাঁটাতার ছিল না, সত্তরের দশকের কথা বলছি, তখন দেশ কেবল স্বাধীন হয়েছে। তো, শীতের ওইদিকে ক্রিকেট ম্যাচ হত। ওখান থেকেই বাজি ধরা শুরু। এই বলটা কি হবে? চার, ছক্কা, সিঙ্গেল, আউট নাকি নো বল? ওই ক্রিকেটে যেরকম বাজি টাজি ধরা হয় আর কি। আমি, কীভাবে কীভাবে দু এক মাসের ভেতরেই তুখোড় বাজিকর হয়ে গেলাম বুঝলেন। দু তিন টাকা করে প্রতি ম্যাচেই জিততাম। একটা নেশার মতো হয়ে গেল।”

    “তারপর?”

    “ছোটবেলা থেকে অভাবে অভাবে বড় হয়েছি। মাকে তপ্ত রোদের ভেতরে হেঁটে হেঁটে বাড়ি ফিরতে দেখেছি। কিন্তু মুখ ফুটে কিছু চাইতে পারিনি। একটা ক্রিকেট ব্যাট চাইতে পারিনি। একটা সাইকেল চাইতে পারিনি। তো এই যে টাকাগুলো হাতে আসতে লাগল, আমি আমার সেই চাওয়াগুলো পূরণ করতে শুরু করলাম।”

    “কীভাবে?”

    “তখন ফুটবলের খুব পসার। আবাহনী, মোহামেডান তো ছিলই, তার ওপরে আঞ্চলিক লীগেও প্রচুর খেলা টেলা হত। কলেজ পার করে ওই ফুটবল খেলার ওপরে বাজি ধরতাম। শুক্রবারে ঢাকায় যে খেলাগুলো হত সেগুলো বিটিভিতে দেখাত, সেগুলোতে বাজি ধরতাম। আমার এনালাইজিং পাওয়ার ততদিনে বেশ পোক্ত হয়ে গিয়েছে। প্লেয়ার দেখেই বলে দিতে পারতাম, কে আজ কটা গোল করবে। কোন দল জিতবে। তো, হঠাৎ জলপাইগুড়ি থেকে কয়েকজন লোক এসে খুঁজতে…”

    ল্যান্ডলাইন বেজে উঠল। “এক সেকেন্ড” বলে আমানুল্লাহ জয়েনুদ্দীনকে থামিয়ে দিলেন। রিসিভার তুললেন।

    “স্যার, ফিল্ড এজেন্ট সাইদুর কথা বলবে। তিন নাম্বার লাইনে আছেন।”

    তিন প্রেস করে আমানুল্লাহ বললেন, “সাইদুর সাহেব বলেন।”

    “স্যার, ঢাকায় প্রাইভেট সিএনজির সংখ্যা ষোল হাজার। বেশিরভাগ‍ই নিউজ এজেন্সির। তবে একটা অদ্ভুত ব্যাপার হচ্ছে, ইমন মোস্তাফিজের একটা প্রাইভেট সিএনজি আছে।”

    “ওটা ট্র্যাক করেন। আর ইমন মোস্তাফিজের বাড়ির ওপরে টুয়েন্টিফোর সেভেন নজর রাখেন। আর খোঁজ করেন কোন নিউজ এজেন্সি সুভাষের ওপরে ব্যতিক্রমধর্মী কোন ধরনের নিউজ বের করার চেষ্টা করছে কিনা। আমার মনে হচ্ছে, কোন সাংবাদিক হয়ত ওখানে খুনের সময় উপস্থিত থাকতে পারে। কি হয় না হয় আমাকে জানাবেন।”

    “শিওর স্যার।”

    লাইনটা কেটে গেল। “তারপর?” রিসিভার রাখতে রাখতে বললেন আমানুল্লাহ।

    জয়েনুদ্দীন আবার শুরু করলেন, “তো জলপাইগুড়ি থেকে কয়েকজন লোক এসে খুঁজতে শুরু করল আমাকে। যেদিন খুঁজতে লাগল ঠিক তারপর দিন আবার এপার ওপার, মানে বাংলাদেশ ভারত সীমান্ত প্রীতি ম্যাচ। সীমান্তের ওইদিকে একটা মাঠে খেলা হবে। লোকগুলো আমার কাছে এসে আমার নামধাম জানল। ওরাও বাজিকর। ওরাও বাজি ধরবে। বাজির বিষয় ছিল, কোন প্লেয়ার সব থেকে বেশি গোল করবে। ওরা একটা অদ্ভুত শর্ত রাখল।”

    “কি শর্ত?”

    “যদি আমি জিতি, তাহলে আমি কোন প্রাইজ মানি পাব না। বদলে আমি যেন আজীবন মোটা অংকের টাকা রোজগার করতে পারি সেই ব্যবস্থা তারা করবে। আমাকে আর পেছনে তাকাতে হবে না। আর যদি হারি, তাহলে যে প্লেয়ারের ওপরে বাজি ধরছি, ওকে খুন করে ফেলা হবে। আমি বড় বিপদে পড়েছিলাম। লোভ আর ভয়, দুটোই আমাকে ঘিরে ধরেছিল। একদিকে ফটিক, আমার সব থেকে কাছের বন্ধু, তার মৃত্যুভয়, অন্যদিকে এই অভাবে জড়ানো জীবন থেকে মুক্তির স্বাদ। আমাকে জিততেই হত। আমি বাজি ধরলাম। ফটিকের ওপরেই বাজি ধরলাম। ও নিয়মিত প্লেয়ার না, তারপরেও ওর ওপরেই বাজি ধরলাম। কিন্তু…”

    জয়েনুদ্দীন ঘামতে শুরু করলেন। কপাল আর নাকের ডগায় বিন্দু বিন্দু ঘাম জমতে শুরু করল। গোল কাঁচের চশমাটা খুলে রাখলেন টেবিলের ওপরে। পুড়ে যাওয়া সিগারেটের ফিল্টারটা এশট্রেতে ফেলে আমানুল্লাহ জিজ্ঞাসা করলেন, “ফটিক হেরে গেল? ওকে খুন করা হল আর আসামী হলেন আপনি।”

    “ফটিক জিতে গেল। পুরো ম্যাচে বাংলাদেশ একাদশ গোল করল তিনটা। তিনটাই ফটিকের। আর ভারত একাদশ গোল করল একটা। তিন বাই একে বাংলাদেশ জিতে গেল। ফটিক প্রাইজমানি পেল। কিন্তু ওই লোকগুলো, মানে যারা জলপাইগুড়ি থেকে এসেছিল আর কি, ওরা বলল, ফটিকের সাথে আর কখনও দেখা করা যাবে না। সেই রাতেই আমরা সীমান্ত পেরিয়ে জলপাইগুড়ি রওনা হলাম। মায়ের সাথেও দেখা হল না।

    “তারপর?”

    “জলপাইগুড়ি গিয়ে জানতে পারি, লোকগুলো মাওবাদী। ত্রিপুরা মেঘালয়ে সেইসময় বিদ্রোহ ওরাই করছিল। ওদের তখন টাকার দরকার। তো ওরা বলল, শিলিগুড়ি, জলপাইগুড়ি, বিধাননগর, এইদিককার গ্রামগুলোতে ওরা মেলার আয়োজন করত। সেখানে হাউজি খেলার ব্যবস্থা থাকত। হাউজি বুঝেছেন তো?”

    “হুম, জুয়া।”

    “হুম, জুয়া। ওখানে প্রাইজমানি হিসাবে টাকা দেওয়া হত। কিন্তু টাকার চাইতেও অনেক বড় কিছু থাকত। জুয়ার গ্র্যান্ডপ্রাইজ থাকত এক সুন্দরী মহিলা। হাউজি বোর্ডের মাঝখানে বসানো হত স্বল্পবসনা সুন্দরী মহিলাকে। এই জুয়া খেলার পুরোটাই ছিল প্রতারণা। পুরোটাই ধাপ্পাবাজি। গ্রামের অশিক্ষিত লোকগুলো ওই সুন্দরী মহিলাকে পাওয়ার আশায় সারা রাত তাস খেলায় বাজি ধরত। পুরো ব্যাপারটা আমি নিয়ন্ত্রণ করতাম। আমি বুঝতে পারতাম, কার কাছে কোন তাস আছে, সেই তাস অনুযায়ী আমি আমার হাতে আরো তিন চারটা চোরা তাস লুকিয়ে রাখতাম। এভাবেই অশিক্ষিত লোকগুলো সারারাত বাজি ধরে যত টাকা জিতত, ততই ওই মহিলাকে পাওয়ার সম্ভাবনা বাড়ত। ভোর রাতের দিকে সব খুইয়ে তারা বাড়ি ফিরত। অবশ্য হ্যাঁ, ব্যাপারটা বিশ্বাসযোগ্য করার জন্য আমাদের নিজের কিছু লোক থাকত। ওদেরকে ইচ্ছা করেই জিতিয়ে দিতাম আমি। ওরা সেই মহিলাকে নিয়ে তাঁবুর ভেতরে ঢুকে যেত। সবাই বিশ্বাস করত, যে আসলেই ওই মহিলাকে পাওয়া যায়। কিন্তু এটা ছিল মরীচিকা।”

    “তারপর?”

    “তারপর, তারপর একদিন সেই ভদ্রমহিলা মারা গেলেন। মারা গেলেন মানে, অনেকেই বলল আত্মহত্যা, আবার অনেকেই বলল খুন। পুলিশ আসলো। আমার কাছে তখন অনেকগুলো টাকা। পুরো এক সপ্তাহের মেলার টাকা। আমার কাছে তখন দুটো পথ খোলা, এক, আমি টাকাগুলো নিয়ে পালিয়ে যেতে পারি, দুই, আমি টাকাগুলো নিয়ে দূরে চলে যেতে পারি। অনেক দূরে। জলপাইগুড়ির পাহাড়ি বনগুলোতে একবার হারিয়ে যেতে পারলে বাপের সাধ্য নেই ধরবে। কয়েকদিন গা ঢাকা দিয়ে আবার বাংলাদেশে ফিরে যাব- এরকমই উদ্দেশ্য ছিল।”

    আমানুল্লাহর ভ্রু কুঁচকে গেল। এতক্ষণ যে মনোযোগ দিয়ে তিনি জয়েনুদ্দীনের কথাগুলো শুনছিলেন সেই মনোযোগে ছেদ পড়ল। মাথায় আরেকটা বিষয় ঘুরপাক খাচ্ছে। খচ খচ করছে। কিছুতেই জয়েনুদ্দীনের কথায় আর মন বসছে না।

    “আমি চলে গেলাম। টাকাপয়সা, মানে তখনকার সময়ে প্রায় মনে করেন দুশো রুপি! ওই নিয়ে আমি জঙ্গলে হারিয়ে গেলাম। সাঁওতালদের একটা গ্রুপের সাথে মিশে গেলাম। ওরা আমাকে ‘গুদ্র বঙ্গা’ বলে ডাকত। গুদ্র বঙ্গা কি জানেন তো? ওই যে, সাঁওতালদের একটা বন দেবতা। বামন, দুই তিন ফিট উঁচু। গভীর বনের মধ্যে মৃত মানুষের ধন সম্পত্তি পাহারা দেয় অনেকটা ওদের মত। তো আমি ততদিনে মানুষকে অনেকখানি পড়তে শিখে গিয়েছি। মানুষের দুর্বল দিকগুলো আমি ততদিনে অনেক সহজে খুঁজে বের করতে শিখে ফেলেছি। আমি জ্ঞানটা কাজে লাগালাম। বনের ধারে, আসামের ওইদিকে ছোট ছোট গ্রাম ছিল। সেখানে হাত দেখা শুরু করলাম। হাত দেখতে আসা মানুষ এমনিতেই দুর্বল মনের অধিকারী হয়। তাদেরকে সহজেই পড়া যায়। তারা খুব সহজেই নিজের গোপন জায়গাগুলো প্রকাশ করে ফেলে। ভালোই টাকাপয়সা রোজগার হচ্ছিল। কিন্তু একদিন আমি ধরা পড়ে গেলাম। মাওবাদির একটা গ্রুপ আমাকে চিনে ফেলল। ঘিরে ফেলল চারদিক থেকে। আমাকে বাঁচাতে গিয়ে আমার দুইজন সাঁওতাল পুরুষের মৃত্যু হল। ওরা আমাকে ধরে আবার জলপাইগুড়ি ফিরিয়ে আনল।”

    “হুম।”

    “ওদের এরিয়া ভিত্তিক যে লিডার ছিল তাকে বলা হত ‘মাস্টার’। সেই মাস্টারের সাথে সেটাই আমার প্রথম পরিচয়। ওরা আমাকে বলল, তুই তো মানুষের মন পড়তে পারিস, ভবিষ্যত দেখতে পারিস? বল একটু পরে কাকে তোর সামনে আনা হবে? আমি বললাম, আমার মাকে। কীভাবে বুঝলাম বুঝতে পারলেন তো?”

    “না। বুঝতে চাচ্ছি না। তারপর কি হল বলেন।”

    “তারপর ওরা আমাকে কাঁচের দেয়াল দিয়ে দুভাগ করা একটা ঘরে আনল। সেই ঘরের একপাশে আমার মাকে চেয়ারের সাথে বেঁধে রাখা হয়েছে, আর আমাকে কাঁচের আরেকপাশে আনা হয়েছে। আমি অনেকদিন পরে আমার মাকে দেখলাম। চেয়ারে শুকনো কঙ্কালসার এক বৃদ্ধা বসে আছে। মাথায় শনের মত পাকা চুল। আমি এই মানুষটার অংশ, আর এই মানুষটাকেই আমি ফেলে এসেছি একা। আমার ভেতরটায় এক তীব্র অপরাধবোধ পাক খেতে শুরু করল। তারপরেও…”

    “তারপরেও কি?”

    “ওরা আমাকে বলল, তোমার মাকে আঘাত করা হবে। ঠিক কোথায় আঘাত করা হবে এটা যদি বলতে পারো তাহলে তোমার মাকে ছেড়ে দেওয়া হবে। আর তোমার ব্যপারে পুন:র্বিবেচনা করা হবে। একটা লোক বেল্ট হাতে নিয়ে আমার মায়ের চেয়ারের পাশে দাঁড়িয়ে আছে। লোকটা জানত না যে আমি তাকে আর আমার মাকে দেখছি। আমি প্রাণপণে লোকটাকে প্রেডিক্ট করার চেষ্টা করলাম। লোকটার প্রতিটা মুভমেন্ট। লোকটার চাহনি। আমার মনে হল, লোকটা হাতের বেল্টটা দিয়ে মায়ের বাম হাতে মারবে। কিন্তু আমি আমার মাকে প্রেডিক্ট করতে পারিনি। আমার মা একটা ভুল কাজ করে বসলেন। লোকটার মুখে থু থু ছিটিয়ে দিলেন। আর লোকটা…”

    “লোকটা আপনার মায়ের মুখে একটা চড় কষে দিল। এই তো?”

    “হুম।”

    “তারপর?”

    “তারপর সাথে সাথে আমার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা লোকটা মায়ের দিকে পিস্তল তাক করে ট্রিগার চেপে দিল। ঝন ঝন করে কাঁচ ভেঙে পড়ল। মা মারা গেলেন। মায়ের মৃত্যুর আগে আমি মাকে কিছুই বলতে পারলাম না। আমার মা, একা একা থেকে একা একাই চলে গেলেন, শুধু আমার পাপের কারণে। আমার ভুলের কারণে অনেকগুলো প্রাণ চলে গিয়েছিল।”

    আমানুল্লাহ বুকের ভেতরে থাকা চাপা একটা নিঃশ্বাস ফেললেন। জয়েনুদ্দীনের চোখে মুখে এক অদ্ভুত আবেগ দেখতে পেলেন। এই মানুষটাকে তিনি মানুষ বলে মনে করতেন না। মনে করতেন, এটা একটা যন্ত্র, যেটা খুব সহজেই খুনীকে সনাক্ত করতে সাহায্য করে। এর বেশি কিছু না। কিন্তু এই মানুষটা আজ আবেগের বশবর্তী হয়ে নিজের অন্ধকার অতীত তার সামনে খুলে ধরবেন, তিনি ভাবতে পারেননি।

    “কী করলেন তারপরে?”

    “তারপরে লোকটার সাথে ধস্তাধ্বস্তি শুরু হয়। আমার কাঁধে একটা গুলি লাগে। দ্বিতীয় লোকটার মাথা ঢুকে যায় দেয়ালে। সে অচেতন হয়ে পড়ে। আর পিস্তলধারী লোকটার এলোপাতাড়ি গুলিতে সে নিজেই আহত হয়। আমি কোনমতে বের হয়ে আসি ওদের সেই বাংকার থেকে। পালিয়ে আসি। সব ছেড়ে পালিয়ে আসি। সেই পাহাড়, সেই জলপাইগুড়ি, সেই ঝর্ণা, সাঁওতাল, আমার অতগুলো পাপের টাকা, সব ফেলে আমি বাংলাদেশে পালিয়ে আসি কোনরকমে। তখন স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন শুরু হয়েছে দেশে। অস্থির সময়। সেই অস্থির সময়েই আমি ঢাকায় চলে আসি। ঢাকায় অনেক মানুষ। মিশে যেতে সুবিধা হবে। হারিয়ে যেতে সুবিধা হবে। আমি ভিড়ের ভেতরে মিশে গেলাম। চানখাঁরপুলে একটা আতরের দোকানে পার্টটাইম হাত দেখা শুরু করলাম। তারপর কত দিন এখানে ওখানে ঘুরেছি। কিন্তু আর কখনও কোন অন্যায় করিনি। মানুষকে ম্যানিপুলেট করার চেষ্টা করিনি। পরে একদিন এক এজেন্ট, ওই যে প্রণবদা, উনিই আমার কাছে হাত দেখাতে আসলে আমি বললাম যে সে মঙ্গলবার মারা যাবে। সে বলল মানুষ কখন মারা যায় সেটা আপনি বুঝতে পারেন? আমি বললাম হ্যাঁ পারি। আসলে কি জানেন, আমাদের সব ভয় হচ্ছে ‘অনিশ্চয়তা’। মৃত্যু ভয় আরেক অনিশ্চয়তা। কখন মৃত্যু হবে, কীভাবে হবে, খুব কষ্ট পেয়ে মরতে হবে নাকি? এই যে ভয়। আবার ঈশ্বরকে ভয়। কারণ সেখানেও অনিশ্চয়তা। সে কি আসলেই আছে, নাকি নেই। থাকলে সে আমাকে কি শাস্তি দেবে? নাকি পুরষ্কার দেবে? এভাবে আমাদের সব ভয়ের মূল হচ্ছে অনিশ্চয়তা। পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস হয় কারণ আমরা অনিশ্চিত প্রশ্নকে ভয় পাই। কোন কিছুতে নিশ্চিত হয়ে গেলে মানুষ আর তাতে ভয় পায় না, তখন সেটা নিয়ে সে আফসোস করে। অতীত নিশ্চিত, তাই সেটা নিয়ে যত আফসোস। ভবিষ্যত অনিশ্চিত, সেটা নিয়ে যত ভয়, অনিশ্চয়তার ভয়।”

    “তো কি বললেন? কত দিন আগের ঘটনা?”

    “এইতো মাস খানেক আগে। সে-ই প্রথম আমাকে আপনাদের ফরেনসিক ডিপার্টমেন্টে অস্থায়ীভাবে কাজ করার অফার করল।”

    আমানুল্লাহ মাথা নাড়লেন। তারপর বললেন, “আমাকে বিশ্বাস করে নিজের অতীতের পাপের কথা স্বীকার করার জন্য ধন্যবাদ। আজকাল কাউকে ভরসা করতে পারি না জানেন? কেউ নিজের পাপের কথা স্বীকার করে নিজেকে মহৎ প্রমাণ করার জন্য, কেউ স্বীকার করে করুণা পাওয়ার জন্য, আর কেউ স্বীকার করে অন্যের মনে ভয় সৃষ্টি করার জন্য। আপনার ভেতরে কোনটাই আমি দেখিনি। আপনি কথা দেন, যদি আমি কখনও এই চেয়ারটাতে নাও থাকি, আপনি একইভাবে এই ডিপার্টমেন্টের মানুষগুলোকে সমানভাবে আপনার মেধা দিয়ে সাহায্য করে যাবেন। আমি খুব তাড়াতাড়িই আমাদের ব্রাঞ্চে একটা পাকাপোক্ত জায়গা করে দেওয়ার ব্যবস্থা করছি। মেধা আর অভিজ্ঞতার মূল্য সব সময়ই সবার থেকে বেশি।”

    জয়েনুদ্দীন নতমস্তকে মাথা নাড়ল। তার চোখে এমন কিছু একটা আছে যা তিনি এখন আমানুল্লাহকে দেখাতে চাচ্ছেন না।

    আমানুল্লাহ বললেন, “কিন্তু একটা বিষয় বুঝলাম না…….”

    মোবাইল বেজে উঠল। সাইদুর। আমানুল্লাহ কল রিসিভ করতেই সাইদুর বললেন, “স্যার, ইমন মোস্তাফিজের বাড়ির বেশ কয়েকটা কর্ণারে রেডিও ভয়েস ট্র্যাকিং ডিভাইস লাগানো হয়েছিল। সেখান থেকে মিস নীরুর কিছু কথা শোনা গিয়েছে। যেটা থেকে কিছু খুবই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানতে পেরেছি স্যার।”

    চেয়ারে সোজা হয়ে বসতে বসতে আমানুল্লাহ বললেন, “বল।”

    “কাল শাঁখারীবাজারে সুকান্ত আসবে। আর সেখানে ওকে খুন করার পাঁয়তারা করা হচ্ছে। আমি পুরো ক্লিপটা আপনাকে মেইল করছি স্যার।” সাইদুর বলল।

    “পাঠাও।”

    জয়েনুদ্দীন বললেন, “আজ তাহলে উঠি আমানুল্লাহ সাহেব, নাকি?”

    “বসেন বসেন, জরুরি ব্যাপার আছে।” আমানুল্লাহ ডেস্কটপের স্ক্রিনে চোখ রাখতে রাখতে বললেন। ক্লিং করে শব্দ হল।

    ওয়ান আনরিড মেইল। ক্লিক করলেন আমানুল্লাহ। মেইলের সাথে একটা ফাইল এটাচড করা। একটা দুই মিনিটের অডিও ক্লিপ। প্লে করা হল। একটা নারী আর একটা পুরুষ কণ্ঠের কথোপকথন। নারী কণ্ঠটা অবশ্যই নীরুর। পুরুষ কণ্ঠটা কার?

    “সুকান্তের কাছে পেনড্রাইভটা আছে। আমি জানি ও-ই সুভাষ নামের ওই লোকটাকে খুন করে পেনড্রাইভটা হাতিয়েছে। ওতে আমার বাবার গোপন ইনফরমেশন আছে। সুকান্তকে গুলি করে মারব আমি, আই সোয়্যার। আমার বাবাকে খুন করে পার পেয়ে যাবে ভেবেছে? পেনড্রাইভটা দিক বা না দিক, ওকে আমি মারবই।”

    “প্ল্যান কি ম্যাডাম?”

    “কাল দুপুর বারোটার দিকে শাঁখারীবাজারের বিষ্ণু মন্দীর থেকে তিনটা রথ বের হবে। সুকান্ত ঠিক দুপুর একটার দিকে যতীন এন্ড কোং এর সামনে এসে দাঁড়াবে।”

    “এতটা শিওর কিভাবে হচ্ছেন?”

    “আমি জানি ও আসবে। আসবেই। ও চাইবে না ওর জন্য বাচ্চা মেয়েটার কোন ক্ষতি হোক।”

    “আচ্ছা তারপর?”

    “তুমি ওর পাশে দাঁড়াবে। ওর কাছ থেকে পেনড্রাইভ চাইবে। ওকে বলবে, ওর ঠিক বুক বরাবর আমার স্নাইপার রাইফেলটা তাক করা আছে। পেনড্রাইভ দিলে বেঁচে যাবে, আর না দিলে ওখানেই ওকে শেষ করে দেওয়া হবে। ওর সাথে সর্বোচ্চ চার পাঁচ মিনিট কথা বলবা। তারপর ও পেনড্রাইভ দিক বা না দিক ব্যাপার না, তুমি ভিড়ের ভেতরে মিশে যাবা, বাকিটা আমি দেখব।”

    “ওকে ম্যাডাম।”

    “দ্যাট বাস্টার্ড উইল হ্যাভ টু সে গুডবাই।”

    অডিও ক্লিপটা শেষ হয়ে গেল।

    ভেতরে এক আদিম উত্তেজনাকে বশে আনতে আনতে আমানুল্লাহ একটা লম্বা নিঃশ্বাস ফেললেন। তারপর জয়েনুদ্দীনের দিকে তাকিয়ে বললেন, “প্রস্তুত হয়ে নেন। কালকেই আমাদের এই কেসের শেষ দিন।”

    এবং একটা ফাঁদ পাততে চাই

    রাত আটটা।

    পুলিশ হেডকোয়ার্টারের কনফারেন্স রুম। কবরের মত নিস্তব্ধ। কিন্তু ভেতরে ভেতরে এক নীরব ঝড় বয়ে যাচ্ছে। প্রায়ান্ধকার রুমটা প্রজেক্টরের আলোকিত পর্দার আলোতে কিছুটা আলোকিত হয়েছে। লালবাগ থানার ওসি, চকবাজার থানার ওসি, এন্টি টেরোরিজম এন্ড ক্রাইম ইউনিটের চীফ- সবাই মূর্তির মত বসে আছেন। এদের ভেতরে খুব বেমানান একজন বসে আছেন, জয়েনুদ্দীন। যার কোন পরিচয় নেই এই ব্রাঞ্চে। তারপরেও আমানুল্লাহ তাকে এই মিটিং-এ থাকতে বলেছেন। কেউ অবশ্য জয়েনুদ্দীনের ব্যপারে কৌতূহল দেখায়নি, জয়েনুদ্দীনও কারো সাথে আগ বাড়িয়ে কথা বলতে যাননি। মোটামুটি সবাই এসে গিয়েছেন।

    শুধু দুইজন এখনও এসে পৌঁছাননি।

    আরো দশ মিনিট পরে স্টেজের পাশের দরজাটা খুলে গেল। দুজন মানুষের ছায়া স্টেজের ওপরে উঠে দাঁড়ালো। একটা ছায়ার হাতে বেশ কিছু ফাইল। দুজনে নিচু গলায় কথা বলল। তারপর একজন নেমে এসে দর্শক সারির একেবারে সামনের সারিতে বসল। ইনি সৌমেন ঘোষ।

    আর অনেকগুলো ফাইল হাতে যে ছায়াটা স্টেজে দাঁড়িয়ে থাকল, সে এজেন্ট আমানুল্লাহ।

    “গুড ইভনিং” আমানুল্লাহ বললেন। ভূমিকা টপকে তিনি আসল কথায় গেলেন।

    “আপনারা নিশ্চয় জানেন যে সম্প্রতি ঢাকায় বেশ কয়েকজন প্রকাশক, লেখক আর সিনেমার ডিরেক্টর খুন হয়েছেন। সবগুলো খুনই একটা বিশেষ ধরণের কলম দিয়ে করা হয়েছে।” প্রজেক্টরের আলোকিত স্ক্রিনে একটা কলমের ছবি ভেসে উঠল। একটা ধারালো ফলা বসানো আছে নিবের জায়গায়।

    “এই কলমের ফলাটা ড্রিল মেশিনের মত ঘোরানো যায়। এই মার্ডার ওয়েপন দিয়ে বেশ কয়েকটা খুন হয়েছে। মার্ডার ওয়েপন পাওয়া গেলেও খুনিকে আমরা ধরতে পারিনি।”

    প্রজেক্টরের আলোকিত স্ক্রিনে একজন গোবেচারা যুবকের চেহারা ভেসে উঠল।

    “এই হল খুনি। নাম সুকান্ত বন্দ্যোপাধ্যায়। জন্ম চাঁদপুরে। বাবা রমাকান্ত বন্দ্যোপাধ্যায় নিখোঁজ। একবার জেলও খেটেছে। কেন খেটেছে তার কাগজপত্র পাওয়া যায়নি। দুইবার সুইসাইড এটেম্পটও করেছে। এর প্রেসের ডেস্ক থেকে উদ্ধার করা কলম আর মৃত ইমন মোস্তাফিজের পেনড্রাইভে রেখে যাওয়া তথ্যানুযায়ী আর কোন সন্দেহ থাকে না যে এই-ই খুনি। খুনের মোটিভ অবশ্য এখন পর্যন্ত জানা যায়নি। তবে ধারণা করা হচ্ছে, ছেলেটা যেহেতু ঘোস্ট রাইটার, তাই যশের মোহে আর হতাশার বশবর্তী হয়ে হয়ত সে এমন ঘটনা ঘটিয়েছে।”

    প্রজেক্টরের স্ক্রিনে ইমন মোস্তাফিজের সেই পেনড্রাইভ ওপেন করা হল। সেখানকার যাবতীয় তথ্য কিছুক্ষণ বিরতি দিয়ে স্ক্রল করে দেখানো হল। আমানুল্লাহ এবার লম্বা একটা নিঃশ্বাস নিলেন। আবছায়া দর্শকদের ওপরে চোখ বুলিয়ে নিয়ে বললেন, “যাই হোক, আমরা বেশ ইতিমধ্যে একবার সুকান্তকে ধরতে গিয়েও ধরতে পারিনি। কেন পারিনি সেটার কারণ দর্শিয়ে একটা রিপোর্টও আমি সম্মানিত সৌমেন স্যারের কাছে জমা দিয়েছি। কিন্তু এবার একটা চমৎকার সুযোগ এসেছে সুকান্তকে গ্রেপ্তার করার।”

    কিছুক্ষণ বিরতি নিয়ে হাতের ফাইলগুলো পাশের ডায়াসের ওপরে রাখলেন আমানুল্লাহ। তারপর বললেন, “বিশ্বস্ত সূত্রে জানতে পেরেছি যে আগামীকাল শাঁখারীবাজারে সে উপস্থিত হবে। দুপুর বারোটা থেকে একটার ভেতরে। আরো পরিষ্কার করে বলতে গেলে, ওকে ওখানে খুন করা হতে পারে। ওর বিপদ। ও যদি খুন হয়ে যায় তাহলে অনেক প্রশ্নের উত্তর জানা যাবে না। আমরা ওকে জীবিত ধরতে চাই। তাই আমি আপনাদের সাহায্য চাই ওকে গ্রেপ্তার করার জন্য।” ইচ্ছা করেই নীরুর ফোনালাপটা উহ্য রাখলেন তিনি।

    এই প্রথম দর্শক সারি থেকে কেউ কথা বলে উঠল, “কি ধরনের সাহায্য?” সবাই ঘাড় ঘুরিয়ে দেখল, সৌমেন ঘোষ কথাটা বলেছেন।

    “আমার পুরো প্ল্যানটা আমি বলছি। যতীন এন্ড কোং নামে একটা বাদ্যযন্ত্রের দোকান আছে শাঁখারীবাজারে। সেখানেই সুকান্ত আসবে। সুকান্ত এক ভদ্রলোকের সাথে দেখা করবে। আমরা সর্বোচ্চ চার পাঁচ মিনিট সময় পাব। এর মধ্যেই আমাদের সুকান্তকে ধরতে হবে। লোকটা বের হওয়ার সাথে সাথে কিন্তু সুকান্তকে মেরে ফেলার আগে। কেন মেরে ফেলবে সেটা জানা যায়নি। তবে, যতীন এন্ড কোং এর আশেপাশেই কোথাও একজন স্নাইপার অপেক্ষা করবে ওকে গুলি করার জন্য। তাই সাবধান থাকতে হবে।”

    এইটুকু বলে আমানুল্লাহ প্রজেক্টরে একটা ম্যাপ দেখিয়ে বললেন, “শ্রী শ্রী রক্ষাকালী মন্দির থেকে রথ বের হবে সকাল দশটায়। আমাদের পুরো টিম তিনটা ভাগে ভাগ হয়ে থাকবে। প্রথম দল আগে থেকেই যতীন এন্ড কোং-এর আশেপাশে থাকবে। দ্বিতীয় দলটা যতীন এন্ড কোং-এর চারটা দোকান পরেই লক্ষ্মী নারায়ন শাঁখা ভান্ডারের সামনে একটা পিকআপ নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকবে। এই যে এইখানটায়। ওটাই হবে আমাদের গেটওয়ে ভেহিক্যাল। ওটাতে করেই আমরা সুকান্তকে নিয়ে ঘি পল্লী দিয়ে বের হয়ে যাব। ঘি পল্লীর রাস্তাটা সেদিন মোটামুটি একটু হলেও ফাঁকা থাকবে। আর একটা টিম যতীন এন্ড কোং এর আশেপাশে যে চারটা সরু গলি আছে সেই গলির মুখে আলাদা আলাদাভাবে অবস্থান করবে, যাতে সুকান্ত পালিয়ে যেতে না পারে। আমার একার পক্ষে হাতে গোনা কয়েকজন এজেন্টকে নিয়ে কাজটা করা একটু রিস্কি হয়ে যায়।”

    “আপনি স্নাইপারের কথা বলছিলেন।” সৌমেন ঘোষ বললেন।

    “ও হ্যাঁ, যতীন এন্ড কোং এর আশেপাশে যতগুলো উঁচু বিল্ডিং আছে সবগুলো আমার এজেন্টরা সার্চ করবে। কিন্তু সত্যি কথা বলতে, যতক্ষণ পর্যন্ত না সুকান্ত যতীন এন্ড কোং-এ ঢুকছে, ততক্ষণ পর্যন্ত আমরা স্নাইপারকে এরেস্ট করতে পারব না। তাহলে পুরো প্ল্যানটা ভেস্তে যাবে। স্নাইপার যেই হোক, তাকে যদি এরেস্ট করতেই হয়, তাহলে সেটা সুকান্তকে এরেস্ট করার পরে। সুকান্ত ইজ আওয়ার মেজর প্রায়োরিটি।” আমানুল্লাহ বললেন।

    সৌমেন ঘোষ কেশে গলা পরিষ্কার করে নিলেন। তারপর পরিষ্কার গলায় বললেন, “মানে আপনি পুরো ট্রুপকে একটা স্নাইপিং টার্গেট প্র্যাক্টিস জোনের ভেতরে ফেলতে চাচ্ছেন এই তো?”

    কথাটা বুঝতে আমানুল্লাহর কিছুটা সময় লাগল। যখনই বুঝতে পারলেন, তখনই বললেন, “না না, আমি সেটা করতে চাচ্ছি না।”

    “তাহলে কি চাচ্ছেন? স্নাইপারটা যে সুকান্তকে বাদ দিয়ে আমাদের ট্রুপকে গুলি করবে না তার নিশ্চয়তা কি? নিশ্চয়তা আপনি দেবেন?”

    “স্যার, আমি যতদূর জানি, জীবন বাজি রেখে জনগনের সেবা করাটাই আমাদের কাজ। এই যে সুকান্ত, সে যতক্ষণ না গ্রেপ্তার হবে, ততক্ষণ মানুষ মরতেই থাকবে। মানুষ খুন হতেই থাকবে। এর জন্য এতটুকু ঝুঁকি তো আমাদের নেওয়া উচিৎ।”

    “এই মিশনে অনেকগুলো আনসার্টেইন পয়েন্ট আছে। প্রথমত, সুকান্ত ওখানে আসবে সেটার নিশ্চয়তা নেই। আছে? আমার অভিজ্ঞতা বলছে নেই। আর সুকান্তই যে খুনি তার স্ট্রং কোন এভিডেন্স আমি দেখতে পাচ্ছি না। দ্বিতীয়ত, সুকান্ত যতীন এন্ড কোং-এ এসে যে একটা অকারেন্স করবে না, একটা দুর্ঘটনা ঘটাবে না তার নিশ্চয়তা নেই। হঠাৎ করে একটা বম্ব ব্লাস্ট হলে আপনি কি করবেন অতগুলো মানুষের ভিড়ের ভেতরে? কাকে বাঁচাবেন? তৃতীয়ত, আমি যেটা একটু আগে বললাম, স্নাইপারের গুলিতে যদি আমাদের কেউ হতাহত হয় তখন?”

    “একটু রিস্ক তো থাকবেই স্যার। কিন্তু সুকান্তকে যদি আমরা গ্রেপ্তার করে ফেলি…”

    “আমি এই কাজটার জন্য কোন ইউনিট দিয়ে আপনাকে সাহায্য করতে পারব না আমানুল্লাহ সাহেব।”

    সৌমেন ঘোষ উঠে চলে গেলেন। বাকিরা নিজেদের ভেতরে নিচু গলায় কথা বলতে লাগল। আমানুল্লাহ পায়ের দিকে কিছুক্ষণ তাকিয়ে থাকলেন। সাজানো কথাগুলো আর সাজানো নেই। বন্দীশালা থেকে ছাড়া পাওয়া পলাতকের মত পালিয়ে গিয়েছে যেন। বেশ কিছুক্ষণ এভাবেই গেল। চাপা গুঞ্জনে।

    আমানুল্লাহ বললেন, “আপনাদের মতামত?”

    সৌমেন ঘোষ সবগুলো ব্রাঞ্চের মাথা। তার উঠে চলে যাওয়া মানে পরোক্ষভাবে বলে যাওয়া, তোমরাও উঠে চলে এস। একটা অদৃশ্য আদেশ। সেই আদেশ বাকিরা অক্ষরে অক্ষরে পালন করবে, স্বাভাবিক। সেটাই হল। সবাই উঠে চলে গেল। আমানুল্লাহ শুধু একজনকেই দর্শক সারিতে পেলেন, জয়েনুদ্দীনকে।

    জয়েনুদ্দীন উঠে আসলেন স্টেজে। আমানুল্লাহর কাঁধে হাত রেখে বললেন, “আমরা নিজেরাই এটা হ্যান্ডেল করতে পারব। চিন্তা করবেন না। যে কজন এজেন্ট আছে, তাদের সবাইকে ডেকে পাঠান। সুকান্তকে আমরাই ঠিক করে ফেলতে পারব। সৌমেন ঘোষের, আমি যতদূর জানি সামনে একটা পুলিশ প্রশাসন প্যানেল নির্বাচন। নির্বাচনে উনি চেয়ারম্যান পদে দাঁড়াচ্ছেন। ভবিষ্যতে যদি ডিআইজির পদটা পেয়ে যেতে পারেন এই আশা আর কি। তিনি কোন ব্রাঞ্চের কারো মনে কষ্ট দিতে চাচ্ছেন না ঠিক এই কারণেই। প্রমোশনের নির্বাচনে তাকে নির্বাচিত হতেই হবে। তাই হয়ত তিনি সরে আসলেন। ব্যাপার না।”

    আমানুল্লাহ অনেক কথা বলতে চেয়েছিলেন। কিছুই বললেন না। মাথা নেড়ে বললেন, “চলেন।”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅন্যমনস্ক – জুনায়েদ ইভান
    Next Article প্রায়শ্চিত্ত প্রকল্প – জুবায়ের আলম

    Related Articles

    জুবায়ের আলম

    প্রায়শ্চিত্ত প্রকল্প – জুবায়ের আলম

    August 14, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }