Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    শার্লক হোমস, প্রফেসর চ্যালেঞ্জার ও মঙ্গলগ্রহ – অদ্রীশ বর্ধন

    লেখক এক পাতা গল্প91 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    খাঁচায় মানুষ কেন

    ডোমনিথর্পি থেকে হোমস ফিরে আসার আগেই লন্ডন অঞ্চলে সাতটা চোঙা অবতীর্ণ হয়েছিল, খুব সম্ভব বেস্পতিবার মধ্যরাত্রে পৌঁছেছে অষ্টম সিলিন্ডার— আগের সাতটার কাছাকাছি তো বটেই। তার মানে আর বাকি রইল মাত্র দুটো। মোট দশটি চোঙার পঞ্চাশজন মঙ্গলগ্রহী একত্র হয়ে অস্ত্রশস্ত্র জড়ো করবার পর কী কাণ্ড শুরু হবে পৃথিবীর বুকে, ভাবতেই গা শিরশির করে উঠল শার্লক হোমসের মতো শক্ত ধাতের মানুষেরও। নীল বিদ্যুতের উত্তাপ আর কালো ধোঁয়ার ধ্বংসলীলা তো এর মধ্যেই সন্ত্রাস সৃষ্টি করেছে পৃথিবীর বুকে। এর পরেও যদি নয়া হাতিয়ারের আবির্ভাব ঘটে, তাহলে আর রক্ষা নেই।

    রেহাই পাওয়া যাবে যদি আততায়ীদের অস্ত্রের আর খাদ্যের ভাণ্ডার শূন্য হয়— মঙ্গলগ্রহের ঘাঁটি থেকে সরবরাহ না এসে পৌঁছায়।

    কিন্তু সে সম্ভাবনা আছে কী? এই হামলার কারণটা যদি সঠিকভাবে জানা যেত, ওদের উদ্দেশ্যটা যদি আঁচ করা যেত— তাহলে সব প্রশ্নেরই সদুত্তর পাওয়া যেত। দুপুর নাগাদ আড়মোড়া ভেঙে ঘুম থেকে উঠল হপকিন্স। শরীর ঝরঝরে। মাথাও সুস্থ। সমুদ্রতীরে যা কিছু দেখে এসেছে, তার আরও নিখুঁত বর্ণনাও দিতে পারছে।

    বললে, ‘মিস্টার হোমস, ওরা কিন্তু কালো ধোঁয়া দিয়ে ইচ্ছে করলেই সবাইকেই মারতে পারত। মারল না। শুধু যারা ওদের ক্ষতি করেছে, তাদের শেষ করে দিয়েছে। বাকি সবাইকে—’

    বলেই থেমে গেল হপকিন্স। চোখের তারায় ফুটে উঠল কুহেলি।

    হোমস বললে, ‘থামলে কেন?’

    ‘মিস্টার হোমস, বাকি সবাই তাড়া খেয়ে যখন এক জায়গায় জড়ো হয়ে বলির পাঁঠার মতো কাঁপছে, তখন তাদের মধ্যে থেকে কয়েকজনকে শুঁড়ে করে ধরে খাঁচায় পুরে রাখল।’

    ‘খাঁচায়!’

    ‘হ্যাঁ। চলন্ত বয়লারদের পিঠে বিরাট খাঁচার মধ্যে জ্যান্ত মানুষ অনেক দেখেছি। এই দেখেই সাইকেল চালিয়ে পালিয়ে এসেছিলাম। মিস্টার হোমস, ওরা মানুষ খাঁচায় রাখছে কেন?’

    গুম হয়ে রইল হোমস। তারপর বললে, ‘খাবার জন্যে নয় তো?’

    ‘খাবার জন্যে। মানুষ কি খাবার?’

    ‘মানুষের কাছে ইতর প্রাণীরা যেমন খাদ্য, ওদের কাছে মানুষের মতো ইতর প্রাণীরাও— তেমনি খাদ্য হতে পারে তো!’

    ‘আমরা কি জন্তু!’ হপকিন্স যেন বিলক্ষণ অপমানিত।

    ‘শাকসবজি অথবা ইটপাথরও তো নই— জ্যান্ত জীব। সুতরাং…’ বাকিটা আর মুখ ফুটে বলল না হোমস।

    রাতের অন্ধকারে শুকনো রুটি ছাড়া আর কিছু খুঁজে পায়নি হোমস, কিন্তু এখন দিনের আলোয় জ্যাম জেলি বিস্কুট পেল এন্তার। মিসেস হাডসন সব গুছিয়ে রেখে গেছে শার্লক হোমসের ফিরে আসার কথা ভেবে।

    সুতরাং খাওয়াটা মন্দ হল না। হালকা মদও পাওয়া গেল খাবার আলমারিতে। মনটা তরতাজা করে দুজনে বেরুল রাস্তায়। প্রথমে অবশ্য জানলা দিয়ে মুন্ডু গলিয়ে দেখে নিল রাস্তায় একশো ফুট লম্বা তালঢ্যাঙা মেটাল দানবরা ঘুরছে কি না। রাস্তার দু-পাশ খাঁ-খাঁ করছে দেখে পেরুল চৌকাঠ। নিস্তব্ধ পথ পেরিয়ে হাইড পার্কের মধ্যে দিয়ে গেল ফেনসিংটন গার্ডেনে। একটা লম্বা গাছের মগডাল পর্যন্ত উঠল হপকিন্স। নেমে এসে বললে, মাইল কয়েক দূরে প্রিমরোজ হিলে তিনটে যন্ত্রদানবকে দেখা যাচ্ছে।

    আবার শুরু হল পথ পরিক্রমা। কিছু দূরে একটা নালার পাড়ে এসে থমকে দাঁড়িয়ে গেল হোমস। অপলকে চেয়ে রইল নালার পানে।

    হপকিন্স দৃষ্টি অনুসরণ করে দেখল, অদ্ভুত লাল ফুলে ছেয়ে গেছে নালার জল। অনেকটা কচুরিপানার মতো গড়ন। কিন্তু রঙটা এই সবুজ পৃথিবীর পাতার মতো নয়— লাল।

    বিড়বিড় করে বললে হোমস, ‘রক্তরাঙা গ্রহের ফুল মনে হচ্ছে।’

    সভয়ে অদ্ভুত দর্শন ফুলগুলোর পানে চেয়ে থেকে হপকিন্সও বললে যন্ত্রচালিতের মতো, ‘তা-ই তো মনে হচ্ছে। লন্ডন শহর চষে ফেলেছি মিস্টার হোমস। এরকম বিকট ফুল তো কোথাও দেখিনি। তা ছাড়া রংটা…’

    ‘হ্যাঁ, লাল গ্রহ মঙ্গলের রংই বটে। হপকিন্স, মঙ্গলের প্রাণীরা নিজেদের গ্রহের ফুল ফল দিয়ে নতুন বাড়ি সাজাতে আরম্ভ করে দিয়েছে এরই মধ্যে।’

    ‘যেমন আমরা নতুন বাড়ি সাজাই।’

    ‘হ্যাঁ। কিন্তু…’ হেঁট হল হোমস। লাল ফুলের কাছে চোখ নিয়ে গিয়ে বললে, ‘কিছু পাতা বাদামি হয়ে এসেছে। ঝরে যাচ্ছে। প্রাণের চিহ্ন মুছে যাচ্ছে— এর মধ্যে! কেন, হপকিন্স, কেন?’

    বলতে বলতে লম্বা হাত বাড়িয়ে পটাং করে একটা বিবর্ণ পাতা ছিঁড়ে এনে চোখের সামনে মেলে ধরল হোমস। তারপর পকেট থেকে আতস কাচ বার করে খুঁটিয়ে দেখল পাতার শিরা-উপশিরা। শেষকালে আতস কাচ পকেটস্থ করে বললে চাপা উত্তেজনায়, ‘হপকিন্স আমার অনুমানই ঠিক। পাতাটার মৃত্যু হচ্ছে।’

    অবাক হয়ে হপকিন্স বললে, ‘কিন্তু এত উত্তেজিত হচ্ছেন কেন, মিস্টার হোমস? জন্মালে সবাই মরে—’

    ‘বাঃ, গীতার বাণী মুখস্ত করে ফেলেছ দেখছি। অমর কেউ নয়— ঠিক কথা। জন্মালে মরতেই হবে। কিন্তু হপকিন্স, এত তাড়াতাড়ি কেন? এই তো সেদিন মঙ্গলের প্রাণীরা নেমেছে পৃথিবীতে, সে গ্রহে যে গাছপালা আছে তাদের বীজও ছড়িয়েছে। কিন্তু এত তাড়াতাড়ি তাদের মৃত্যুর কারণটা কি কল্পনাও করতে পারছ না?’

    ঢোঁক গিলে হপকিন্স বললে, ‘আজ্ঞে না।’

    ‘ইডিয়ট,’ অসহিষ্ণু কণ্ঠে বলে হোমস, ‘দুই গ্রহের জল হাওয়া দু-রকম। ওখানে যা বাঁচে, এখানে তা মরে। ওখানকার পরিবেশ যাদের কাছে স্বাস্থ্যকর, এখানকার পরিবেশ তাদের কাছে অস্বাস্থ্যকর। হে হাঁদারাম হপকিন্স, এই কারণেই ওখানকার ফুল এখানে পটল তুলছে। কে জানে, কে জানে…’ প্রায় হাঁপাতে হাঁপাতে নিরুদ্ধনিশ্বাসে বললে হোমস, ‘কে জানে মৃত্যুর সমাপ্তি এবার অজেয় মঙ্গলগ্রহীদের কুপোকাত করবে কি না!’

    চোয়াল ঝুলে পড়ল হপকিন্সের। সত্যি সত্যিই ঝুলতে লাগল বুকের ওপর। হাঁ হয়ে গেল মুখটা। চিরটা কাল এমনিভাবে চোখ খোলা রেখে অনেক জটিল রহস্যের সহজ সমাধান দেখিয়ে পুলিশ এবং জনসাধারণের মুণ্ড ঘুরিয়ে দিয়েছে শার্লক হোমস। এবারও, ভিনগ্রহী দস্যুদের করাল আক্রমণেরও সমাপ্তি সূচনা কি ধ্বনিত হল সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ অপরাধ-বিজ্ঞানীর কণ্ঠে?

    স্তব্ধ হয়ে চেয়ে রইল হপকিন্স। চোয়ালটা অবশ্য ঝুলতে লাগল আগের মতোই।

    হোমস ততক্ষণে একটা পরিত্যক্ত দোকানে ঢুকে নোট বইয়ের পাতায় পাতায়, খসখস করে কী যেন লিখে চলেছে আপন মনে। একপৃষ্ঠা… দু-পৃষ্ঠা তিন পৃষ্ঠা। লেখা শেষ। পাতা ছিঁড়ে ভাঁজ করে হপকিন্সকে ডাকল হোমস।

    বললে, ‘হপকিন্স, একটা গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব তোমাকে দিচ্ছি। এই কাগজ ক-খানার মধ্যে যা লিখে দিলাম তা অতিশয় সামরিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বলে জানবে। মিলিটারি দপ্তর এই কাগজের লেখা তথ্যের ভিত্তিতে মঙ্গলগ্রহীদের বিরুদ্ধে রণনীতি নির্ধারণ করতে পারেন। মঙ্গলগ্রহীরা কী খায়, এখনও সঠিক জানা যায়নি। মানুষ খায় কি না, সেটা পরে প্রমাণিত হবে-খন। আপাতত তোমার খাদ্যের দরকার। এই দোকানে প্রচুর বিস্কুট আর টিনে খাবার আছে। পকেট ভরতি করে নিয়ে রওনা হও বার্মিংহামের দিকে।’

    টপ করে চোয়াল বন্ধ করে হপকিন্স। বললে, কাতর কণ্ঠে, ‘বার্মিংহাম!’

    ‘অত আঁতকে ওঠার কী আছে?’

    ‘একশো মাইলেরও বেশি পথ— হেঁটে যাব?’

    ‘লন্ডনের বাইরে একবার গিয়ে পড়লে পথেঘাটে ঘোড়া কি অন্য যানবাহন পেয়ে যাবে। সে ভাবনা তোমার। কিন্তু বার্মিংহাম তোমাকে যেতেই হবে— এই চিরকুট নিয়ে।’

    ‘আর আপনি? এই ভয়ংকরদের মধ্যে থাকবেন?’

    ‘হপকিন্স, থাকতে আমাকে হবেই। এদের মধ্যে থেকে এদেরই ত্রুটি অন্বেষণ করতে হবে— প্রাণ হাতে নিয়ে সেই কাজই করে যাব দেশের স্বার্থে— পৃথিবীর স্বার্থে।’

    এরপর তার কথা বলা চলে না। হপকিন্স প্যান্টের আর কোর্টের পকেটে বেশ কিছু টিনের খাবার ঠেসে নিয়ে শুকনো মুখে রওনা হল বার্মিংহাম অভিমুখে।

    শার্লক হোমস বেরোল রোদে। জনহীন লন্ডন শহরের পথেঘাটে অতি সন্তর্পণে চোরের মতো ঘুরতে লাগল নতুন সূত্রের আশায়।

    একটা সূত্র অবশ্য পাওয়া গেছে। মোক্ষম সূত্র।

    লাল ফুলেদের মৃত্যু। পৃথিবীর হাওয়ায় তাদের জন্মেই মরণের কোলে ঢলে পড়া। মঙ্গলের প্রাণ যখন পৃথিবীতে এসে নিষ্প্রাণ হয়ে যায় তখন…

    আচমকা সজাগ হল শার্লক হোমস। রাস্তার মোড়ে দেখা গেল একটি নরদেহ। হাতে উন্মুক্ত কৃপাণ। টলতে টলতে আসছে এইদিকেই।

    সাঁৎ করে পাশের মনোহারী দোকানে ঢুকে পড়ল হোমস। বিরাট দোকান। কাচের শো-কেসের পর শো-কেস। থরে থরে সাজানো টিনের খাবার, প্রসাধন দ্রব্য এবং বিবিধ সামগ্রী।

    ফুটপাথ থেকে পায়ে পায়ে পিছু হটে এসে এই দোকানের ভেতরেই এসে দাঁড়াল হোমস।

    কিন্তু উৎকর্ণ কর্ণরন্ধ্রে ভেসে এল দ্রুত ধাবমান পদশব্দ। কৃপাণ হাতে টলায়মান পুরুষটি ছুটে আসছে এইদিকেই। মুহূর্তের মধ্যে খোলা দরজার সামনে আবির্ভূত হল সে। কৃপাণ উঁচিয়ে বললে শ্লেষ্মা জড়িত ঘড়ঘড়ে গলায়, ‘শার্লক হোমস। এবার তোমাকে একা পেয়েছি…’

    আরও কয়েক পা পিছিয়ে গিয়ে সকৌতুকে বললে শার্লক হোমস, ‘মর্স হাডসন যে। আমি তো ভেবেছিলাম আমি একাই বুঝি রইলাম পড়ে পুরোনো এই শহরে। বড্ড একা লাগছিল। বাঁচলাম তোমাকে পেয়ে।’

    ‘বাঁচাচ্ছি, শয়তান কোথাকার।’ চৌকাঠ পেরিয়ে আরও দু-পা ভেতরে অগ্রসর হল হাডসন, ‘মার্থা হাডসন কোথায়?’

    দু-পা পিছিয়ে গিয়ে একটা টুলের পাশে দাঁড়িয়ে হোমস বললে, ‘মার্থা? মানে, মিসেস হাডসন? আমার ল্যান্ডলেডি?’

    ‘হ্যাঁ রে রাসকেল! আমার বিয়ে করা বউ। কোথায় সে?’

    ‘ব্রাদার হাডসন, ছ-জন নেপোলিয়নের মূর্তি নিয়ে যে কেলোর কীর্তি হয়েছিল, তোমার শ্রীঘর অনিবার্য ছিল সেই কেসে। এখনও দেখছি তোমার আক্কেল হয়নি। রাসকেল বলাটা কি ঠিক হচ্ছে?’

    ‘শয়তান! বল কোথায় রেখেছিস মার্থাকে? কাল থেকে দেখছি তোকে— সঙ্গে ছিল ওই ন্যাওটা হপকিন্সটা। আজ তোকে পেয়েছি একা, বল— কোথায় রেখেছিস মার্থাকে?’

    ‘হাডসন, মিসেস হাডসন তোমার বিয়ে করা বউ ঠিকই, কিন্তু ফেলে পালানো বউ। পুলিশের ভয়ে তুমি নিরপরাধিনী মেয়েটাকে অনাহারে রেখে গা-ঢাকা দিয়েছিলে, আমিই তাকে লন্ডনে এনে বাড়ি কিনে ল্যান্ডলেডি বানাই— বাড়ি ভাড়ার টাকায় যাতে সংসার চলে যায়, তাই ওপরতলাটা ভাড়াও নিই ওয়াটসনের সঙ্গে। কিন্তু কাকপক্ষী এই বদান্যতার কথা জানে না—’

    ‘আমি জানি, কুত্তার বাচ্চা। নিকুচি করেছে তোর বদান্যতার। বল কোথায় ফের লুকিয়েছিস মার্থাকে?’

    ‘খুব ভাল জায়গায়। যেখানে তোমার মতো নচ্ছার কেন— মঙ্গলগ্রহীদের ওই যন্ত্রদানবও পৌঁছোতে পারবে না।’

    ‘কোথায়?’

    ‘বলব না।’

    ‘না বললে মরবি।’

    ‘মরলেও ঠিকানা পাবে না।’

    ‘তবুও মর!’ বলেই ক্ষিপ্রবেগে ফিরে এসে হোমসের মাথা লক্ষ করে কৃপাণ চালাল হাডসন।

    হোমসও তৈরি ছিল। পলক ফেলার আগেই পাশের টুল হাতে উঠে এল এবং কৃপাণটা ঘ্যাঁচাৎ করে বসে গেল টুলের কাঠে।

    হাডসনের শ্লেষ্মা-ঝরা মুখের কাছ থেকে মুখটা সরিয়ে নিয়ে মোলায়েম গলায় হোমস বললে, ‘বড় সর্দি লেগেছে দেখছি।’

    এক হ্যাঁচকায় কৃপাণ ছাড়িয়ে নিয়ে আবার হোমসের মাথা লক্ষ করে কোপ মারল হাডসন। এবার কিন্তু পিচ্ছিল ভঙ্গিমায় একপাশে সরে গিয়ে হোমস শুধু বললে, ‘অত চেঁচিও না, মঙ্গলগ্রহের শান্ত্রীরা শুনতে পাবে।’

    হোমসের প্রখর কর্ণযন্ত্র আগেই যা শ্রবণ করেছিল এখন তা স্পষ্টই শোনা গেল কথা শেষ হতে না হতে। ঝনাৎ… ঝন… ঝন… ঝনাৎ… ঝন… ঝন।

    ধাতুতে ধাতু ঠুকে কারা যেন এগিয়ে আসছে এই দিকে।

    চাপা গলায় হোমস বললে, ‘নির্বোধ কোথাকার! কৃপাণ উঁচিয়ে বেপরোয়াভাবে ধেয়ে এসেছিলে যখন, তখনই তোমাকে দেখেছে ওরা। এখনও চেঁচাচ্ছ ষাঁড়ের মতো গাঁকগাঁক করে!…’

    ‘শাট আপ!’ গলার শির তুলে চেঁচিয়ে উঠে হোমসকে লক্ষ করে ছুটে এল হাডসন। বিদ্যুৎগতিতে হোমস একটা শো-কেস থেকে আরেকটা শো-কেসের আড়ালে সরে গেল বলেই রক্ষে, নইলে কচুকাটা হয়ে যেতে হত হাডসনের মুহুর্মুহু কৃপাণ চালনায়। কৃপাণ আঘাতে ঝনঝন করে গুঁড়িয়ে গেল একটা শো-কেস।

    ঝনাৎ ঝনাৎ ঝনাৎ শব্দটা স্তব্ধ হল দোকানের ঠিক সামনেই। বিশাল বয়লার সদৃশ যন্ত্ৰদেহ হেঁট হল দোকানের অভ্যন্তরের দৃশ্য ভালোভাবে দেখবার জন্যে। প্রায় সঙ্গে সঙ্গে অজগরের মতো একটা মোটা শুঁড় ধেয়ে এল ভেতরে।

    হাডসন অশ্লীল গালাগালি দিয়ে কৃপাণ চালাল সেই শুঁড় লক্ষ করে— ঠনাৎ শব্দে ধাতব শুঁড়ে কৃপাণ লেগেই হাত থেকে ঠিকরে গেল শূন্যে এবং চোখের পলক ফেলার আগেই শুঁড়টা ঠিক অজগরের মতোই হাডসনকে পেঁচিয়ে ধরে অবলীলাক্রমে তুলে নিল শূন্যে এবং শূন্যেই একবার দুলিয়ে নিয়ে বেরিয়ে গেল বাইরে।

    হাডসনের বিকৃত আর্তনাদ শোনবার জন্যে কিন্তু দাঁড়িয়ে রইল না হোমস। হাতের কাছে খাবারদাবার যা পেল ঝটপট পকেটে পুরে সাঁৎ করে বেরিয়ে গেল পেছনের দরজা দিয়ে। সেখান থেকে একটা সরু গলি দিয়ে পেছনের রাস্তায় যেতে যেতেই পেছন ফিরে দেখতে পেল শুঁড়টা দোকান থেকে শো-কেস ভেঙে টিনের খাবার লুঠ করে নিয়ে যাচ্ছে বাইরে। রাস্তায় বেরিয়ে আসতে না আসতেই প্রচণ্ড শব্দে ভেঙে পড়ল বাড়ির সামনের দিকটা। যন্ত্রদানবের ধাক্কা বোধহয় সইতে পারল না।

    হোমস তখন ঊর্ধ্বশ্বাসে দৌড়োচ্ছে। এ-রাস্তা সে-রাস্তা হয়ে দৌড়োতে দৌড়োতে শুনতে পেল হাডসনের বিকট আর্তনাদ আর ধাতব ঝনৎকার।

    দূরের মোড় ঘুরে অদৃশ্য হল একটা দানব দেহ। পিঠের খাঁচায় আকুলিবিকুলি করছে মর্স হাডসন। আর ডাকছে পরিত্রাহি স্বরে, ‘হোমস! হোমস! হোমস!’

    শুষ্ক কঠিন চোখে নিষ্পলকে চেয়ে রইল শার্লক হোমস।

    মানুষ নিয়ে কোথায় চলেছে মঙ্গলগ্রহী? ল্যাবরেটরিতে গিনিপিগের মতো কেটেকুটে এক্সপেরিমেন্টের জন্য? না রান্নাঘরে?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleতিতাস একটি নদীর নাম – অদ্বৈত মল্লবর্মণ
    Next Article প্রেত-প্রেয়সী – অদ্রীশ বর্ধন

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }