Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    শার্লক হোমস, প্রফেসর চ্যালেঞ্জার ও মঙ্গলগ্রহ – অদ্রীশ বর্ধন

    লেখক এক পাতা গল্প91 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    প্রফেসর চ্যালেঞ্জার বনাম মঙ্গলগ্রহী

    সেই রাতেই চম্পট দেবেন মুখে বললেও কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে লন্ডন ছেড়ে নড়লেন না প্রফেসর। রোজ নিজে গিয়ে ফুটপাতে দাঁড়িয়ে হকারের কাছ থেকে খবরের কাগজ কিনে পড়তেন, সারে জেলা থেকে— মঙ্গলগ্রহীদের মার খেয়ে ভিটেছাড়া হয়ে পালিয়ে আসা মানুষদের জেরা করতেন, কী কী হাতিয়ার আততায়ীরা ব্যবহার করছে, তার হিসেব নিতেন এবং আগন্তুকদের উদ্দেশ্যটা আঁচ করবার চেষ্টা করতেন। আর রোজ রাতে লক্ষ করতেন আকাশ থেকে তারা খসে পড়ার মতো একটি করে চোঙা এসে নামছে পৃথিবীতে। আর প্রতিদিন বার কয়েক টেলিফোন করতেন শার্লক হোমসকে। রিং বেজেই যেত, কেউ ধরত না। রেগেমেগে দড়াম করে রিসিভার ঝুলিয়ে রেখে ফের দাঁড়াতেন রাস্তায়।

    এইভাবেই একদিন রাস্তায় শুনলেন ড্রাইভার অস্টিনকে একটা লোক কী যেন বোঝাচ্ছে। অস্টিন রাজি হচ্ছে না।

    ভুরু কুঁচকে চেয়ে রইলেন চ্যালেঞ্জার, লোকটার সঙ্গে একটা এক ঘোড়ার চমৎকার গাড়ি। দুজনের বসার জায়গা আছে।

    দেখেই মতলবটা এল মাথায়।

    ‘অস্টিন!’ হাঁক দিলেন প্রফেসর। দৌড়ে এল অস্টিন।

    ‘কী বলেছে লোকটা?’

    ‘আজ্ঞে, ভলান্টিয়ার হতে বলছে।’

    ‘কীসের ভলান্টিয়ার?’

    ‘ট্রেন চালাতে হবে। ড্রাইভার পাওয়া যাচ্ছে না।’

    ‘চ্যালেঞ্জার জানতেন গুণধর অস্টিন অনেক কিছুই ড্রাইভ করতে জানে। তাই কথা না বাড়িয়ে বললেন, ‘যাও।’

    ‘যাব?’ অস্টিন যেন নিজের কানকে বিশ্বাস করতে পারল না।

    ‘হ্যাঁ, যাও দেশের কাজ করো। এ বাড়ির কাজের লোকদের দেশে পাঠিয়ে দাও। আর ওই লোকটাকে আমার কাছে পাঠিয়ে দাও।’

    অস্টিম ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে ডেকে নিয়ে এল গাড়ি আর ঘোড়ার মালিক অচেনা মানুষকে।

    ‘আপনার ড্রাইভার অস্টিনকে—’

    ‘আপনাদের দরকার? নিয়ে যান। বিনিময়ে আপনার ওই গাড়ি আর ঘোড়াটা রেখে যান। কত দাম?’

    ‘অ্যাঁ?’

    ‘কত দাম?’

    ‘আজ্ঞে… মানে…’

    ‘এই নিন দশ পাউন্ড। গাড়ি আর ঘোড়া আমার। আচ্ছা আসুন।’

    হতবাক লোকটাকে রাস্তায় দাঁড় করিয়ে রেখেই চ্যালেঞ্জার ছুটলেন বাড়ির ভেতরে, ‘জেসি! জেসি!’

    হন্তদন্ত হয়ে দৌড়ে এলেন প্রফেসর-জায়া। ছাদ কাঁপানো অমন ডাক শুনলে কেউ স্থির থাকতে পারে?

    ‘জেসি, জিনিসপত্র গুছিয়ে নাও। গয়না সব নেবে, কিছু খাবার আর জল। জলদি!’

    ‘কোথায় যাব?’

    ‘বাঁচতে,’ বলে আর কথা বাড়ালেন না প্রফেসর। ঝটপট নিজে বাইরের পোশাক পরে নিয়ে পকেটে গুঁজে নিলেন বেশ কিছু নোট আর মোহর। তারপর মালপত্র আর গিন্নিকে আগে তুলে দিলেন গাড়িতে। নিজে উঠে বসলেন গিন্নির পাশে। গাড়ি ছোটালেন পরমুহূর্তেই।

    দিন কয়েকের বিচিত্র অ্যাডভেঞ্চারের বিস্তারিত বর্ণনা দিয়ে পাতা ভরাতে আর চাই না। কোথাও পরিত্যক্ত দোকান থেকে খাবার সংগ্রহ করলেন, কোথাও বা তালা দেওয়া দরজা ভেঙে পরের বাড়িতে রাত কাটালেন, আবার কখনও স্রেফ খড়ের গাদাতেই কর্তাগিন্নি রাত কাটিয়ে দিলেন। এইভাবে পঞ্চাশটা মাইল পেরিয়ে পৌঁছোলেন সমুদ্রতীরে।

    গিয়ে দেখলেন, বিস্তর লোক জড়ো হয়েছে তাঁদের আগেই। খানকয়েক ছোটবড়ো জলপোতে বিপজ্জনকভাবে উঠছে যাত্রী। দূরে দাঁড়িয়ে একটা যুদ্ধজাহাজ, প্রহরারত।

    মুশকিলে পড়লেন চ্যালেঞ্জার। যে রকম গুঁতোগুঁতি চলছে, বউ নিয়ে ওঠা মুশকিল। পকেটে টাকা আছে, কিন্তু টাকা ছড়িয়েও কাজ তো হবে না। জায়গা তো নেই।

    হঠাৎ একটা চিৎকার শোনা গেল, ‘প্রফেসর চ্যালেঞ্জার, প্রফেসর চ্যালেঞ্জার।’

    ফিরে দাঁড়ালেন প্রফেসর। খর্বকায় এক ক্যাপ্টেন উর্ধ্বশ্বাসে দৌড়ে আসছে তাঁর পানে। কাছে এসেই বললে সোল্লাসে, ‘চিনতে পারছেন? আমি হ্যারিস। ক্যাপ্টেন হ্যারিস!’

    তীক্ষ্ণ চোখে হ্যারিসের আপাদমস্তক দেখে নিয়ে প্রফেসর বললেন, ‘বিলক্ষণ চিনেছি। এক বছর তিন মাস দু-দিন আগে—’

    ‘আপনি আমার বিরাট একটা উপকার করেছিলেন, সেদিন যদি—’

    ‘থাক সেকথা। নিজের জাহাজটা কোথায়?’

    ‘ওই তো!’ দূরে ভাসমান একটা সাদা স্টিমারের দিকে আঙুল তুলে দেখিয়ে প্রায় নাচতে নাচতে বললে খর্বকায় ক্যাপ্টেন, ‘দেখছেন-না স্টিম তুলছে। এখুনি রওনা হব। আপনি যাবেন? একটা জায়গা এখনও আছে— কতজনে এসে ঝুলোঝুলি করেছে। একজনের বেশি কাউকে তুলব না। ইনি আপনার সঙ্গে আছেন বুঝি? ইনিও যাবেন— জায়গা হয়ে যাবে। চলুন।’

    তড়বড়ে হ্যারিস স্তব্ধ হতেই প্রফেসর বললেন, ‘দক্ষিণা?’

    ‘আপনার কাছে দক্ষিণা?’

    বিশ পাউন্ড বার করে হ্যারিসের হাতে গুঁজে দিয়ে প্রফেসর বললেন কর্তৃত্বব্যঞ্জক স্বরে, ‘ইনি আমার স্ত্রী। নিতান্ত অবলা। এঁকে নিরাপদে প্যারিসে পৌঁছে দেওয়ার ভার তোমার। সেখানে আমার বন্ধু প্রফেসর পঁসির কাছে গেলেই উনি যা করবার করবেন।— জেসি, যাও ক্যাপ্টেন হ্যারিসের সঙ্গে।’

    ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে জেসি বললে, ‘জর্জ, তুমি?’

    ‘আমার কাজ এখানে— প্যারিসে নয়। তোমাকে নিরাপদ জায়গায় না পাঠানো পর্যন্ত শান্তি পাচ্ছিলাম না। যাও।’

    দ্বিরুক্তি করার সাহস হল না জেসির। কোনওদিনই হয়নি। দুর্দান্ত স্বামীর প্রতিটি সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছে বিনা প্রতিবাদে— তাতে মঙ্গলই হয়েছে, প্রফেসর কখনও ভুল করেন না— জেসি তা জানেন।

    চোখ মুছতে মুছতে গিয়ে উঠলেন চিমনিতে ধোঁয়াওঠা স্টিমারে। সঙ্গে সঙ্গে স্টিমার ছেড়ে গেল জেটি থেকে। অনেকক্ষণ নিষ্পলকে সেদিকে চেয়ে রইলেন প্রফেসর। একটু একটু করে দিগন্তে মিলিয়ে গেল সাদা স্টিমার। ঘুরে দাঁড়ালেন প্রফেসর। দেখলেন, ঘোড়া এবং গাড়ি উধাও। সেই সঙ্গে বাকি মালপত্র!

    চোর বদমাসের কাজ নিশ্চয়ই। আসবার পথেও তিনজন গুন্ডার হাতে পড়েছিলেন। দুজনকে লাথি মেরে শুইয়ে দিয়েছিলেন। তৃতীয়জন ছুরি নিয়ে তেড়ে আসতেই কবজি ধরে হাত খুলে দিয়ে ছুরি কেড়ে নিয়েছিলেন। তা-ই বুঝি তার তন্ময়তার সুযোগ নিয়ে নিঃশব্দে চুরি হয়ে গেল একমাত্র যান এবং বাহন— এই হট্টগোলের সময়ে যা অমূল্য।

    রাগে হাত মুঠো পাকিয়ে দাঁত কিড়মিড় করলেন প্রফেসর। ঘন ঝোপের মতো ভুরুর তলায় যেন স্ফুলিঙ্গ ছিটকে এল নীল চোখ থেকে। কিন্তু খামোকা রাগ করলে তো চলবে না— পঞ্চাশ মাইল পথ পেরিয়ে ফিরে যেতে হবে লন্ডনে।

    তার আগে রাতটা সমুদ্রতীরেই কাটানো দরকার। এদিক-ওদিক চাইলেন প্রফেসর। কিছুদূরে একটা টিলা। টিলার ওপর একটা প্রস্তর নিবাস। স্বাস্থ্যনিবাস নিশ্চয়। এখন দরজা জানলা বন্ধ।

    টিলায় উঠতে আরম্ভ করলেন প্রফেসর। সূর্য ক্রমশ চলছে পশ্চিমে। প্রস্তর নিবাসে যখন পৌঁছলেন, তখন সূর্য দিগন্ত প্রায় ছুঁয়েছে। নীচের ভিড়ও অনেক বেড়েছে। বেড়েছে চিৎকার চেঁচামেচি। জাহাজ কম, কিন্তু যাত্রী বেশি। কাতারে কাতারে আরও লোক আসছে। যতদূর দু-চোখ যায়, মানুষ ছাড়া কিছু নেই।

    অমানুষদের দেখা গেল ঠিক তখনই।

    আচমকা আতঙ্কে যেন ফেটে পড়ল পলাতক মানুষগুলো। পড়ি কি মরি করে দৌড়াতে লাগল সমুদ্রের তীর লক্ষ করে।

    প্রায় সঙ্গে সঙ্গে উলটো দিক থেকে ভেসে এল ঝনাৎকার। ঝন্‌ ঝন্‌ ঝনাৎ ঝনাৎ… ঝন্‌ ঝন্‌ ঝনাৎ ঝনাৎ!

    আসছে মেটাল মনস্টার! ধাতব দানব!

    অচিরেই বড় বড় গাছগুলোর মাথা ছাড়িয়ে দেখা গেল প্রায় একশো ফুট লম্বা অতিকায় অমানুষিকীকে। তিনটে সন্ধিযুক্ত ধাতুর ঠ্যাংয়ের ওপর অদ্ভুতভাবে ভারসাম্য বজায় রেখে প্রায় এক্সপ্রেস ট্রেনের গতিবেগে দৌড়ে আসছে মঙ্গলের অমঙ্গল। পিঠে বিরাট খাঁচায় ছটফট করছে নরদেহ! জীবন্ত খাদ্য।

    পরমুহূর্তেই হাহাকার শোনা গেল বাঁ দিক থেকে। চোখ ফিরোলেন প্রফেসর। সেদিকেও আবির্ভূত হয়েছে একটা মনস্টার— দৈত্য!

    আবার বুক চাপড়ানির মতো করুণ কান্নাকাটিতে আকাশ যেন বিদীর্ণ হয়ে গেল পেছন দিকে। আবার ফিরলেন প্রফেসর। সেদিকেও লম্বা লম্বা ঠ্যাং ফেলে পর্বতপ্রমাণ চলন্ত টুলের মতো এগিয়ে আসছে একটা দানব। তিনটে ঠ্যাংয়ের ওপর একটা ত্রিভুজের মতো ফ্রেমের মধ্যে খাড়া বয়লার সদৃশ ডিম্বাকার আধার— মঙ্গলের প্রাণীর ককপিট। অনেকগুলো ধাতুর শুঁড় কিলবিল করছে চারদিক থেকে। দুটো শুঁড় একটা বাক্সর মতো যন্ত্র ধরে রেখেছে সামনের দিকে।

    ‘নীল বিদ্যুতের যন্ত্র!’ আপন মনেই বললেন প্রফেসর।

    সমুদ্রতীরে তখন মড়াকান্না উঠেছে। আতঙ্কিত ধাবমানদের পদতলে যে কতজন পিষ্ট হয়ে যাচ্ছে, কেউ তা ফিরেও দেখছে না। সবাই ছুটছে জলের দিকে। কিন্তু কীসের ভরসায়? জলযানগুলো বেগতিক দেখে নোঙর তুলে সরে যেতে শুরু করেছে বারদরিয়ার দিকে।

    লক্ষ বৃংহিত ধ্বনিকে হার মানিয়ে দেওয়ার মতো স্টিম সাইরেন বাজিয়ে তিন দানব সটান ধেয়ে গেল জলের দিকেই। পলায়মান জলযানদের পথরোধ করাই যেন উদ্দেশ্য। কিন্তু জলের ধারে পৌঁছেই বিড়ম্বনায় পড়েছে মনে হল। মঙ্গলে এরকম সমুদ্র নেই। জলাতঙ্ক থাকা স্বাভাবিক। তা সত্ত্বেও দানব তিনটে বুক জলে নেমে গেল হুড়মুড় করে।

    আর ঠিক সেই সময়ে দেখা গেল ফুল স্পিডে তিন দানবের দিকে ধেয়ে আসছে দূরের যুদ্ধ জাহাজটা। আসছে শরীরী আতঙ্কের মতো। উদ্দেশ্য অতিশয় স্পষ্ট। নিরীহ জলযানদের রক্ষে করতেই হবে মঙ্গলের আতঙ্কদের খপ্পর থেকে।

    তাই গোধূলির রক্তাভায় দূর থেকেই দেখা গেল আগুনের ঝলক। পরক্ষণেই নির্ভুল লক্ষ্যে একটা বয়লার চুরমার হয়ে গেল গোলার ঘায়ে। হেলে পড়ল তিনটে ঠ্যাং। আবার শোনা গেল কামান নির্ঘোষ। আবার গোলা ধেয়ে এল দ্বিতীয় দানবটার দিকে— এবারও নির্ভুল লক্ষ্যে চূর্ণ হয়ে গেল দ্বিতীয় বয়লার। তাল তাল বাষ্প ঠেলে উঠল ভেতর থেকে— সেই সঙ্গে সবুজ ধোঁয়া।

    তৃতীয় দানবটা ততক্ষণে রণনীতি ধরে ফেলেছে। জাহাজ লক্ষ করে নীল বিদ্যুৎও নিক্ষেপ করেছে। কিন্তু হঠাৎ আক্রান্ত হওয়ার ফলে হতচকিত হওয়ার দরুনই বোধহয় লক্ষ্যভ্রষ্ট হল। যুদ্ধ জাহাজের পাশ দিয়ে নীল বিদ্যুৎ গিয়ে জল স্পর্শ করতেই ছ্যাঁক করে একতাল বাষ্প ঠিকরে গেল শূন্যে।

    তিনঠেঙে দানব কিন্তু আর দাঁড়াল না। পড়ি কি মরি করে জল থেকে উঠেই চম্পট দিল জঙ্গলের দিকে। মৃদু হাসি ফুটে উঠল চ্যালেঞ্জারের মুখে। পালটা মার তাহলে দিতে পেরেছে পৃথিবীর মানুষ। তাড়িয়ে দিতে পেরেছে অজেয় মঙ্গল-বিভীষিকাকে।

    হাসি মিলিয়ে গেল পর মুহূর্তেই। আকাশ তখন কালো হয়ে আসছে। ভোঁ বেজে উঠেছে যুদ্ধজাহাজে। বিজয়োল্লাসের অট্টরোল শোনা যাচ্ছে সমুদ্রতীরে।

    আর ঠিক তখনই জঙ্গলের মাথার ওপর দিয়ে নিঃশব্দে কিন্তু অকল্পনীয় দ্রুতবেগে ছিটকে এল একটা উড়ুক্কু যন্ত্রযান। সোজা ধেয়ে গেল সমুদ্রের ওপর দিয়ে যুদ্ধজাহাজের দিকে। চক্ষের পলক ফেলবার আগেই সাদা মতো একটা বস্তু রকেটের মতো উড়ন্ত পিরিচ থেকে ছুটে গেল যুদ্ধজাহাজ লক্ষ করে এবং জাহাজ স্পর্শ করার সঙ্গে সঙ্গে বিস্ফোরিত হল চাপা শব্দে।

    পুঞ্জ পুঞ্জ কালো ধোঁয়ায় ঢেকে গেল পুরো জাহাজ এবং আশপাশের জল। এক চক্কর ঘুরে এসে ধোঁয়ার মধ্যে দিয়েই নীল বিদ্যুৎ নিক্ষেপ করল উড়ন্ত চাকতি এবং কান ফাটানো শব্দে জাহাজটা ফেটে ছিটকে গেল শূন্যে এবং দিকে দিকে।

    হাঁ হয়ে এই দৃশ্য দেখল সাগরের পাড়ে দাঁড়ানো হতবাক মানুষেরা— দেখল ভাসমান জলযানের যাত্রীরা। উড়ন্ত চাকতি কিন্তু তখন প্রতিহিংসায় নির্মম হয়ে উঠেছে। মুহুর্মুহু নীল বিদ্যুৎ ছুটে এল এক-একটা জলযান লক্ষ করে। নিমেষে নিমেষে অগ্নিদেবতা নৃত্য করে উঠল এক-একটা জলযানের ওপর। এ কী নিষ্ঠুরতা! কী উন্মত্ততা!

    কিন্তু জিঘাংসার তখনও বাকি। প্রফেসর চ্যালেঞ্জারের বিস্ফারিত চোখের সামনেই ঘটল সেই কাণ্ড। সব ক-টা জলযানে আগুন ধরিয়ে দিয়ে উড়ন্ত চাকতি সটান ছুটে এল সমুদ্রতীরে এবং বেশ খানিকটা নেমে এসে আতঙ্কে আধমরা মানুষগুলোর মাথার ওপর দিয়ে উড়ে গেল উল্কার মতো প্রচণ্ড বেগে।

    সেই সঙ্গে পেছন থেকে বেরিয়ে এল তাল তাল কালো ধোঁয়া। যেন প্রকাণ্ড পিচকিরি দিয়ে কালো ধোঁয়াকে পাম্প করে ছড়িয়ে দেওয়া হল অসহায় মানুষগুলোর ওপর।

    ধোঁয়া ছড়িয়ে দিয়েই সাঁ করে ওপরে উঠে গিয়ে, যেদিক থেকে এসেছিল, সেই দিকেই মিলিয়ে গেল উড়ন্ত চাকতি। ফিরেও দেখল না ধ্বংসলীলা কী পর্যায়ে পৌঁছেছে।

    দেখলেন কেবল প্রফেসর চ্যালেঞ্জার। ধোঁয়া সরে যাওয়ার পর দেখলেন, কাতারে কাতারে মানুষ লুটিয়ে পড়েছে বালির ওপর। নিষ্প্রাণ। নিষ্পন্দ।

    তরল গ্যাসের মতোই ভারী ধোঁয়া গড়িয়ে যাচ্ছে বালির ওপর দিয়ে— ওপরে উঠছে না পৃথিবীর সব ধোঁয়ার মতো।

    তাই টিলার ওপর ছিলেন বলে প্রাণে বেঁচে গেলেন প্রফেসর চ্যালেঞ্জার।

    অগণিত মড়ার দিকে তাকিয়ে রাত কাটিয়ে দিল প্রফেসর। ঘুমোলেন ভোরের দিকে। তারপর পায়ে পায়ে রওনা হলেন লন্ডনের দিকে। পথের কষ্টকে কষ্ট মনে করলেন না। খাবার ফুরিয়ে গেলে দোকান ভেঙে লুঠ করতে দ্বিধা করলেন না। রাতেই হাঁটলেন বেশি— লুকিয়ে রইলেন ঝোপেঝাড়ে। এইভাবে পৌঁছোলেন লন্ডনের উপকণ্ঠে। লন্ডনের দিকে তখন কেউ যাচ্ছে না। লন্ডন নাকি পুরোপুরি মঙ্গলগ্রহীদের পাল্লায়। চ্যালেঞ্জার এক কান দিয়ে শুনলেন— আর এক কান দিয়ে বার করে দিলেন। রাত গভীর হতেই অন্ধকারে গা ঢেকে ঢুকলেন শহরে। এপথ-সেপথ পরিক্রমা করার সময়ে চাঁদের আলোয় নালার মধ্যে অদ্ভুত রকমের লাল ফুল দেখে অবাক হলেন। মঙ্গলগ্রহীরা এর মধ্যেই বাগান সাজাতে আরম্ভ করে দিয়েছে দেখে এত কষ্টেও একটু হাসলেন। তারপর এক সময়ে এনমোর পার্কে নিজের বাড়ির দোরগোড়ায় পৌঁছোলেন। বাড়ি অটুট। দরজা বন্ধ। পকেট থেকে চাবি বার করে দরজায় যেই লাগিয়েছেন, অমনি চাঁদের আলোয় ছায়া পড়ল দরজার ওপর।

    সঙ্গে সঙ্গে ঘুরে দাঁড়ালেন প্রফেসর। অদূরে দাঁড়িয়ে একটা ধাতবদানব।

    চক্ষের পলকে দরজা খুলেই ভেতরে ঢুকে গেলেন প্রফেসর। যেতে যেতেই শুনলেন ঝন্‌ ঝন্‌ ঝনাৎ ঝনাৎ শব্দ দ্রুত এগিয়ে আসছে এই দিকে। এক্সপ্রেস ট্রেনের স্পিডে ছুটে এসে তিনটে ঠ্যাং ভেঙে বয়লার দেহটা প্রায় দরজার সামনে নিয়ে এল দানবটা— সেই সঙ্গে ধাতুর শুঁড়ের ঝাপটায় কাচের শার্সি ভেঙে শুঁড় গলিয়ে দিল ভেতরে।

    কিন্তু গরিলার মতো বপু নিয়েও প্রফেসর চ্যালেঞ্জার যে হরিণের মতো ক্ষিপ্র হতে পারেন, সে প্রমাণ তিনি দিলেন সেদিন। ধাতুর শুঁড়ের অবিশ্বাস্য ক্ষিপ্রতাকে হার মানিয়ে তিনি সাঁৎ করে হলঘরের পেছনের দরজা দিয়ে পৌঁছোলেন পেছনের উঠোনে— সেখান থেকে রান্নাঘরের দরজা দিয়ে পাশের গলিতে। কোণ থেকে উঁকি দিয়ে দেখলেন দানবটা শুঁড় বাড়িয়ে তখনও ভেতর হাতড়াচ্ছে— চুরমার করছে জিনিসপত্র। কাজেই বাড়িটাকে এই উৎপাতের হাত থেকে রক্ষে করার জন্যে তিনি একটা দুষ্টবুদ্ধির শরণ নিলেন। রাস্তা থেকে একটা ঢিল কুড়িয়ে নিয়ে মেটাল মনস্টারকে লক্ষ করে ছুড়ে মারলেন। ঠন করে বয়লার বপুতে লেগে ঢিলটা ঠিকরে যেতেই সপাৎ করে একটা শুঁড় আছড়ে পড়ল তাঁর দিকে— সেই সঙ্গে ঘুরে গেল বয়লার দেহ। গরিলা দেহটা দেখিয়েই প্রফেসর চ্যালেঞ্জার স্রেফ লুকোচুরি খেলে গেলেন ভিনগ্রহের নিষ্ঠুর আততায়ীর সঙ্গে— ছেলেবেলায় খেলেছিলেন, দেখলেন এখনও দিব্বি মনে আছে। দুটো বাড়ির মাঝের গলি দিয়ে বাঁইবাঁই করে দৌড়ে শেষ প্রান্তে পৌঁছে ঘাড় বেঁকিয়ে দেখলেন ছেড়ে আসা প্রান্তে কালান্তক যমদূতের এই ঝন্‌ ঝনাৎ ঝন্‌ ঝনাৎ শব্দে আবির্ভূত হয়েছে চলমান যন্ত্ৰবাহন। বোঁ করে পাশের বাড়ি ঘুরে পাশের গলি দিয়ে ফের রাস্তায় এসে কামানের গোলার মতোই নিজের বাড়ির সামনে এসে গেলেন বুড়ো খোকা চ্যালেঞ্জার এবং পরক্ষণেই উধাও হলেন বাড়ির মধ্যে। পুরো ব্যাপারটা এত তাড়াতাড়ি ঘটে গেল যে পাছু-নেওয়া দত্যিটা ঝন্‌ ঝনাৎ ঝন্‌ ঝনাৎ শব্দে পাশের বাড়ি চক্কর দিয়ে এসে দেখল দাড়িওলা পৃথিবীর পোকা মানুষটা আর নেই— বেমালুম নিপাত্তা। নিশ্চয় রাস্তা দিয়ে পালিয়েছে— এই মনে করে বায়ু বেগে ছুটে গেল রাস্তার এমোড় থেকে ওমোড়ে, ওমোড় থেকে এমোড়ে। কিন্তু ভোঁ-ভাঁ। দাড়িওলা বিটলে পোকাটার আর টিকি দেখা গেল না। রাম ভীতু কোথাকার! স্টিম সাইরেনের তীব্র শব্দে রাস্তা কাঁপিয়ে আকাশছোঁওয়া অট্টহেসেই বোধহয় গজেন্দ্রগমনে উধাও হল সে পাশের রাস্তায়। প্রফেসরও জানলার ফাঁক দিয়ে সেই দৃশ্য দেখেই একচোট হেসে সটান গেলেন রান্নাঘরে অনেকদিন পরে ভালোমন্দ কিছু খাওয়ার অভিলাষ নিয়ে।

    খেয়েদেয়ে সুস্থ হয়ে স্নান করতে ঢুকলেন। কলে তখনও জল ছিল। সাবান মেখে স্নান করে এসে বসলেন পড়ার ঘরে। দেওয়ালের একটা ছবি সরিয়ে ভেতরকার খুপরি থেকে বার করলেন ক্রিস্টালটা। স্ত্রী-কে নিয়ে অ্যাডভেঞ্চারে বেরোনোর সময়ে ইচ্ছে করেই অমূল্য এই বস্তুটি তিনি সঙ্গে নেননি।

    এখন সেই অমূল্য নিধিই বার করে ফের বসলেন টেবিলে। মাথায় কালো কাপড় ঢাকা দিয়ে দৃকপাত করতেই দেখতে পেলেন বিস্তর চকচকে রড আর মেশিন নিয়ে অনেকগুলো বিকটদেহী মঙ্গলগ্রহী জোড়াতালা লাগাচ্ছে বিরাট বড় একটা গর্তের মধ্যে— ওকিং-এ যে-গর্ত দেখেছিলেন তার দশগুণ বড় তো বটেই। হতচ্ছাড়ারা নতুন নতুন মেশিন বানাচ্ছে। দশটা সিলিন্ডার তো এসেই গেছে। পঞ্চাশ থেকে ষাটটা বিকটাবতারও এসেছে পৃথিবী জয়ের স্বপ্নে মশগুল হয়ে। অফুরন্ত খাদ্য যে এখানে। ভাবতে না ভাবতেই ক্রিস্টালের বুকে ফুটে উঠল সেই ভয়ানক দৃশ্য। সম্পূর্ণ নগ্ন একটা লোককে টেনে এনে ফেলা হল যন্ত্রপাতির গাদার মধ্যে। কতকগুলো শুঁড় চেপে ধরল তাকে মেঝের ওপর। আর একটা শুঁড় একটা নল তুলে ধরল বুকের কাছে…

    কাপড় চাপা দিয়ে ক্রিস্টালকে দেওয়ালের খুপরিতে চালান করলেন প্রফেসর। এ দৃশ্য দেখা যায় না। অসহ্য! অসহ্য! অসহ্য! এই কারণেই ভেড়ার পালের মতো মানুষগুলোকে তাড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল সমুদ্রের তীরে। এই কারণেই পিঠের খাঁচায় মুরগি বওয়ার মতো নিয়ে যাওয়া হয় মানুষদের— খিদে পেলেই টাটকা রক্তপানের উদ্দেশে।

    সারা শরীর বিবমিষায় শিউরে ওঠে প্রফেসরের। জ্ঞানে বিজ্ঞানে শৌর্যে বীর্যে সমুন্নত মানুষের এই শিক্ষাটুকুর দরকার ছিল বোধহয়— দর্পচূর্ণ হচ্ছে কিন্তু বড় শোচনীয়ভাবে।

    গুম হয়ে বসে রইলেন প্রফেসর চ্যালেঞ্জার।

    রাত ভোর হতেই ছাদে গিয়ে দেখলেন চারপাশ। পরিষ্কার আকাশ। বাতাসে ধোঁয়া নেই। স্টিম সাইরেনের সংকেত শোনা গেল দিকে দিকে। লন্ডন করায়ত্ত— এ বুঝি তারই বিজয়োল্লাস।

    নেমে এলেন প্রফেসর। শুকনো মাংস আর রুটি দিয়ে ব্রেকফাস্ট খেলেন। জল গরম করে চা করলেন। তারপর বেরোলেন রাস্তায় টহল দিতে। শত্রুর নজর বাঁচিয়ে পথ পরিক্রমা চালিয়ে যাওয়া চাট্টিখানি কথা নয়। কিন্তু চ্যালেঞ্জার যে এ বিদ্যাতেও পটু, তার প্রমাণ দিলেন রাস্তায় বেরিয়ে। হানা দিলেন বেকার স্ট্রিটে— শার্লক হোমসের দেখা পেলেন না। ফিরে এলেন গজগজ করতে করতে। তৃতীয় দিন রাত্রে সহসা রাস্তাঘাট ঝলমল করে উঠল বিদ্যুৎ বাতিতে। এ কী কাণ্ড! এ তো নীল আলো নয়, সবুজ আলোও নয়। এ যে ঝকঝকে সাদা আলো! তবে কি মঙ্গলগ্রহীরা বিদায় নিয়েছে? লন্ডন বিভীষিকা মুক্ত হয়েছে? বিমূঢ় হয়ে পথে বেরিয়ে এলেন চ্যালেঞ্জার। দেখলেন, তিনি একা নন, ভোজবাজির মতো বহু লন্ডনবাসীও বেরিয়ে এসেছে রাস্তায়। আনন্দে তারা হাত ধরাধরি করে নাচছে, গাইছে, হাসছে।

    সহসা হাসি রূপান্তরিত হল কান্নায়। পতঙ্গকে আলো দেখিয়েই টেনে আনতে হয়। ভিনগ্রহীরাও তা-ই করেছে। গর্ত থেকে পোকার মতোই মানুষদের টেনে নামিয়েছে রাস্তায়। পরমুহূর্তেই দলে দলে তারা হানা দিল রাস্তায় রাস্তায়। চ্যালেঞ্জারের চোখের সামনেই একটা ত্রিপদ দৈত্য শুঁড় বুলিয়ে এক একবারে তিন-চারজনকে ধরে পুরতে লাগল খাঁচায়। শ-খানেক মানুষ তোলা হয়ে গেল কয়েক মিনিটের মধ্যে!

    পালিয়ে এলেন প্রফেসর! সত্যিই পালিয়ে এলেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleতিতাস একটি নদীর নাম – অদ্বৈত মল্লবর্মণ
    Next Article প্রেত-প্রেয়সী – অদ্রীশ বর্ধন

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }