Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    শার্লক হোমস, প্রফেসর চ্যালেঞ্জার ও মঙ্গলগ্রহ – অদ্রীশ বর্ধন

    লেখক এক পাতা গল্প91 Mins Read0
    ⤶

    ভিনগ্রহীরা কি মঙ্গলের জীব?

    আঁতকে উঠল ওয়াটসন, ‘আ-আপনি ক্রিস্টালকে মাঠে ময়দানে ফেলে এলে পারতেন।’

    ‘কেন ডাক্তার?’ দুই ভুরু নাচিয়ে বললেন প্রফেসর।

    ‘ক্রিস্টালের পেছন পেছন এখানেও তো আসতে পারে।’

    ‘আসতে পারে কি ডাক্তার, আসবেই।’

    ওয়াটসন প্রায় লাফিয়ে উঠল চেয়ার ছেড়ে।

    সাদা দাঁত বার করে হাসলেন প্রফেসর।

    বললেন, ‘মাভৈঃ। এই বাক্সের বাইরেটা টিনের— ভেতরে সিসের পাত আছে। না থাকলে আমার পেছন পেছন ওরা এখানে এসে যেত এতক্ষণে।’

    ‘সিসের পাত!’

    ‘হ্যাঁ। যাতে বৈদ্যুতিক যোগাযোগ বা বিকিরণ যোগাযোগে ব্যাঘাত ঘটে। এর ফলেই হানাদার ব্যাটাচ্ছেলে দিশেহারা হয়ে গেছে, আমার টিকি ধরতে পারেনি।’

    ‘অ!’ আশ্বস্ত হয়ে আসন গ্রহণ করল ওয়াটসন।

    চ্যালেঞ্জার ফের বললেন, ‘কিন্তু ওদের সঙ্গে একটা মোকাবিলা দরকার। মেশিনের সঙ্গে নয়— জ্যান্ত হানাদারের সঙ্গে। ক্রিস্টাল এনেছি সেই কারণেই। হোমস, বুঝেছ, কী বলতে চাই?’

    ‘বিলক্ষণ,’ মুচকি হাসল হোমস, ‘এক ব্যাটাকে জ্যান্ত ধরতে চান। এই তো?’

    ‘রাইট। আমার দৃঢ় বিশ্বাস ওরা মঙ্গলগ্রহ থেকে এলেও মঙ্গলের জীব নয়।’

    ‘সে বিশ্বাস আমারও আছে, এতদিন প্রকাশ করিনি।’ সায় দিল হোমস।

    ‘আমি জানতাম, তোমার বুদ্ধিমত্তা আমার চাইতে খুব একটা নিরেস না হলেও এ ধাঁধার জবাব বার করবেই। সন্দেহটা হল সেইদিন, যেদিন দেখলাম ওরা মঙ্গলের পাতলা বাতাসে ভারী দেহ নিয়ে আস্তে আস্তে চলাফেরা করছে। মঙ্গলের মাধ্যাকর্ষণ করা ওখানকার জীবদের দেহের ওজনও সেই অনুপাতে কম হওয়া উচিত। কিন্তু তা নয়। মেশিনগুলো দেখেও মনে হল নকল অক্সিজেনের কারখানা। আসলে ওরা অন্য গ্রহের জীব। মঙ্গলে ঘাঁটি গেড়েছিল ওখান থেকে পৃথিবী লক্ষ করে মহাকাশযান ছুড়তে সুবিধে হবে বলে। কেননা, মঙ্গলের মাধ্যাকর্ষণ কম।’

    ‘এগজ্যাক্টলি!’ সায় দিল হোমস।’

    ‘মঙ্গল থেকেই ক্রিস্টালটাকে ওরা বহুদিন আগে যেভাবেই হোক পৃথিবীতে পাঠায় তার মধ্যে দিয়ে পৃথিবীর হালচাল পর্যবেক্ষণ করার জন্যে। করেওছে। সেইসঙ্গে করেছি আমরা— ওদের হালচাল।’ বলে বুক ফুলিয়ে কালো চাপ দাড়িতে হাত বুলিয়ে বললেন প্রফেসর চ্যালেঞ্জার, ‘আমি, এই সৌরজগতের তৃতীয় গ্রহের সর্বশ্রেষ্ঠ জীব প্রফেসর চ্যালেঞ্জার, ওদের গ্রহের আকাশ দেখেছি, গ্রহের চেহারা দেখেছি, দেখে গ্রহবাসীদের চেহারা কীরকমটা হওয়া উচিত, তা আঁচ করে নিয়ে এই সিদ্ধান্তে এসেছি যে ওরা এসেছে সৌরজগতের বাইরের এমন কোনও গ্রহ থেকে, যেখানে এবং যেখানকার ধারেকাছের গ্রহে মানুষের মতো দু-পেয়ে জীব নেই— আছে তেপায়া জীব। তাই ওরা তেপায়া মেশিনের কল্পনা করতে পেরেছে— চাকাওলা গাড়ির কথা ভাবতেও পারেনি— যা এই পৃথিবীর সভ্যতাকে একলাফে এগিয়ে নিয়ে গেছে অনেকখানি।’

    ‘দাঁড়ান দাঁড়ান,’ বাধা দিয়ে বললে ডাক্তার ওয়াটসন, ‘একেবারেই সৌরজগতের বাইরে চলে যাচ্ছেন কী হিসেবে?’

    ‘কারণটা খুলেই বলা হয়েছে, বৎস ডাক্তার। মঙ্গলের আকাশে ডবল চাঁদ দেখেছি, বৃহস্পতি আর শনিগ্রহেও একাধিক চাঁদ আছে। কিন্তু সেসব গ্রহের আকাশ মেঘে ঢাকা— পৃথিবী পর্যবেক্ষণের অসুবিধে। কিন্তু মঙ্গল থেকে পৃথিবীকে দেখতে অনেক সুবিধে। ওদের সভ্যতা যথেষ্ট উন্নত— বহু বছর আগে থেকেই যদি দেখত তাহলে দু-পেয়ে অথবা চাকাওলা মেশিন উদ্ভাবন করত। কিন্তু তা করেনি। অন্যগ্রহে তিনপেয়ে মেশিন বানিয়ে অভ্যস্ত বলেই মঙ্গলের বুকে ঘাঁটি গেড়ে তিনপেয়ে মেশিনই বানিয়েছে।’

    ধমক খেয়ে মিনমিন করে ওয়াটসন বললে, ‘কিন্তু পৃথিবী গ্রহেও ক্যাঙারু নিজেদের লেজ ব্যবহার করে তৃতীয় পায়ের মতো।’

    ‘কিন্তু তারা উন্নত জীব নয়। প্রাগৈতিহাসিক যুগের অনেক সরীসৃপও ইয়া মোটা ল্যাজ ব্যবহার করত ঠেকনা হিসেবে ভারী শরীরটাকে দাঁড় করিয়ে রাখার জন্যে। কিন্তু তেপায়া জীব এ পৃথিবীতে কোথাও নেই— বিবর্তন সেভাবে ঘটেনি। ঘটেছে অনেক দূরে সৌরজগতের বাইরে কোথাও। অক্টোপাসের মতো এই জীবরা গ্রহে গ্রহে বিজয়কেতন উড়িয়ে পৃথিবীগ্রহ বিজয়ের স্বপ্নও দেখেছিল মঙ্গলে ঘাঁটি গেড়ে। বন্ধুগণ, ওদের সেই অভিযান ভন্ডুল করবার জন্যেই জর্জ এডওয়ার্ড চ্যালেঞ্জার এই ক্রিস্টাল নিয়ে পালিয়ে এসেছে এইখানে।’

    ওয়াটসন কারও আত্মম্ভরিতা একদম সইতে পারে না। বাঁকা সুরে বললে, ‘পালিয়ে এসে অভিযান ভন্ডুল করতে চান করুন। কিন্তু অক্টোপাসের মতো চেহারা যাদের, তাদের বুদ্ধিমত্তা সম্বন্ধে আমার বিলক্ষণ সন্দেহ আছে।’

    ‘মাই ডিয়ার ডাক্তার,’ বিনয়ক্ষরিত কণ্ঠে বললেন প্রফেসর, ‘ফ্রেডরিক দ্য গ্রেটও রণক্ষেত্র থেকে পশ্চাদপসরণ করে পরে বিজয়ী হয়েছিলেন। ইতিহাসে এমন নজির ভুরি ভুরি আছে। আর অক্টোপাসের মতো চেহারা যাদের বলছ, তাদের ব্রেন নেই একথা ভুলেও মনে করবে না। যেমন জর্জ এডওয়ার্ড চ্যালেঞ্জারের চেহারাটা গরিলার মতো— কিন্তু সুপার ব্রেনের অধিকারী সে। ঠিক তেমনি আমার দৃঢ় বিশ্বাস, ওদের ওই থলথলে দেহটা আসলে পুরোপুরিই ব্রেন। লিকলিকে শুঁড়গুলোর কাজ কেবল যন্ত্রপাতি নির্মাণ আর চালনা করা। গতর খাটানোর দরকার হয় না বলেই গতর বড় হয়নি— ব্রেন খাটিয়ে ব্রেনটাই কেবল বড় করেছে, পৃথিবীর সব বড় বৈজ্ঞানিকই যা করেন।’

    ওয়াটসন বিরক্তি গোপন করে বললে, ‘এঁকে দেখাতে পারেন একটা জীবকে? আমার দেখার সৌভাগ্য এখনও হয়নি।’

    ‘নিশ্চয় দেখাতে পারি। তারপর জ্যান্ত একজনকেও দেখাব—’ বলে দাড়ির ফাঁক দিয়ে মুচকি হেসে হোমসের সঙ্গে দৃষ্টি বিনিময় করে নিয়ে খাতা পেনসিল টেনে নিয়ে ঝপাঝপ একটা কিম্ভূতকিমাকার জীবের ছবি এঁকে ফেললেন— যার মুখবিবর ত্রিভুজের মতো, চোখ ভাঁটার মতো, মুখবিবরের দু-পাশ দিয়ে ঝুলছে কতকগুলো লিকলিকে শুঁড়। বাদবাকি শরীরটা ভিস্তিওয়ালার জলভরতি চামড়ার থলির মতো বিপুল।

    প্রফেসর বললেন, ‘পেছনে দুটো ফুটো আছে— নিশ্চয় কান। কান আর চোখ নিশ্চয় কারও ধড়ে লাগানো থাকে না— ব্রেনের লাগোয়া হয়। তাহলে পুরো থলথলে বস্তুটাই কি ব্রেন নয়?’

    ঢোঁক গিলল ওয়াটসন। যুক্তি অকাট্য, নির্বাক থাকাই শ্রেয়।

    প্রফেসর চ্যালেঞ্জার টিনের বাক্সে হাত দিয়ে বললেন, ‘ডাক্তার, ক্রিস্টালটা তোমার দেখা দরকার। পৃথিবীতে এমন জিনিস আজ পর্যন্ত কেউ কল্পনাও করতে পারেনি— আবিষ্কার করা তো দূরের কথা। টেলিগ্রাফ যন্ত্রে যেমন তারের মধ্যে দিয়ে খবর ছুটে যায়, এই ক্রিস্টালের মধ্যে দিয়ে ইথারের মধ্যে দিয়ে ছবি ভেসে যায়। বলতে পারো গ্রহে গ্রহে যোগাযোগের টেলিভিশন।’

    ‘ক্রিস্টালভিশন।’ টিপ্পনী কাটল শার্লক হোমস।

    ‘হোমস,’ এতক্ষণে যেন হোমসের কথা মনে পড়ল চ্যালেঞ্জারের, ‘ক্রিস্টাল এবার বের করব, মক্কেলকে লোভ দেখিয়ে নিয়ে আসব— তারপর হারামজাদাকে আস্ত ধরবার কী প্ল্যান তুমি এঁটেছ বলো।’

    উঠে দাঁড়িয়ে ম্যান্টলপিস থেকে মরক্কো চামড়ার ব্যাগ বার করল হোমস। বার করল সিরিঞ্জ আর মরফিনের শিশি।

    ‘হোমস!’ আঁতকে উঠল ওয়াটসন, ‘বারো বছর ছেড়ে দেওয়ার পর আবার?’

    ধীর কণ্ঠে হোমস শুধু বললে, ‘আমার জন্যে নয়, ওয়াটসন। মানুষের রক্ত যারা নিজেদের রক্তে মিশোয়, তাদের রক্তে এই মাদক দ্রব্যটি মিশিয়ে দেখতে চাই মানুষের মতোই ঝিমিয়ে পড়ে কি না।’

    ‘হোমস?’ সটান উঠে দাঁড়াল ওয়াটসন।

    চ্যালেঞ্জার ততক্ষণে বাক্সর ঢাকনি খুলে ক্রিস্টাল বার করে ফেলেছেন। ডিমের মতো গড়ন, কিন্তু মুঠির মতো বড়। অনুজ্জ্বল নীলাভ দীপ্তি কুণ্ডলী পাকাচ্ছে ভেতরে। কালো কাপড় দিয়ে নিজের মাথা ঢেকে হোমসকে ডাকলেন প্রফেসর। ওয়াটসনও ক্রিস্টাল দৃশ্য দেখবার লোভ সামলাতে না পেরে মাথা গলাল কালো কাপড়ের তলদেশে। অমনি দেখল নীলাভ কুয়াশা সরে যাচ্ছে। সহসা স্পষ্ট দেখা গেল দুটো ড্যাবডেবে চোখ নিষ্পলকে চেয়ে আছে। আশপাশে দেখা যাচ্ছে অদ্ভুত যন্ত্রপাতি।

    বিড় বিড় করে বললেন প্রফেসর, ‘চললাম মেশিনের কন্ট্রোল রুমে। এই ক্রিস্টালের জুড়ি ক্রিস্টাল নিয়ে বসে আছে শয়তান। জুড়ির খোঁজে টহল দিচ্ছে। এল বলে এক্ষুনি।’

    বলতে না বলতেই অন্ধকার হয়ে গেল ক্রিস্টাল। কালো কাপড় ছুড়ে ফেলে দিয়ে প্রফেসরও উঠে দাঁড়ালেন তক্ষুনি। ঢাকনি খোলা বাক্সের মধ্যে ক্রিস্টাল রেখে বাক্স রাখলেন খোলা জানলার সামনে টুলের ওপর।

    বললেন হৃষ্ট কণ্ঠে, ‘শুধু ঢাকনিটা খোলা রইল— তার মানে ঘরের কড়িকাঠটুকুই কেবল দেখতে পাবে ভিনগ্রহী— আমাদের নয়। ডাক্তার তুমি বড় ভয় পেয়েছ— ঘরের ওই কোণে দাঁড়াও। হোমস, তুমি সিরিঞ্জ নিয়ে জানলার এপাশে দাঁড়াও। আমি দাঁড়াচ্ছি ওপাশে।’

    কথা শেষ হতে না হতেই ঝন্‌ ঝন্ ঝনাৎ ঝনাৎ শব্দ শোনা গেল অনেক দূরে। এক্সপ্রেস ট্রেনের মতো দ্রুত ছন্দে নয়— অনেকটা ধীর গতিতে।

    জানলা দিয়ে মুখ বাড়িয়ে হোমস বললে, ‘এসে গেছে।’

    রাস্তার মোড়ে দেখা গেল একটা ফাইটিং মেশিনকে। প্রতি পদক্ষেপে ভক্‌ ভক্‌ করে সবুজ বাষ্প ঠিকরে বেরোচ্ছে সন্ধির জায়গাগুলো দিয়ে। বয়লার বপুর চারপাশ দিয়ে ঠিকরোচ্ছে সবুজ বাষ্প। তিনটে পা ফেলে অদ্ভুত বিকট কায়দায় এগিয়ে আসছে বেকার স্ট্রিট দিয়ে।

    সরে এল হোমস। ফাইটিং মেশিনের চলন ভঙ্গিমায় সেই তেজ আর নেই। পুরো যন্ত্রটাই যেন নিস্তেজ নিবীর্য।

    জানলার সামনে এসে গেছে মেশিন। হাঁটু ভেঙে বসে পড়েছে রাস্তার ওপর। লক্ষ ভোমরার ডাকের মতো আশ্চর্য একটা গুনগুন গুনগুন আওয়াজে কানে যেন তালা লেগে যাচ্ছে। জুনের ঝকঝকে রোদ ঢাকা পড়ে গেল সহসা। জানলা জুড়ে বয়লার বপু হেলান দিয়ে রয়েছে দেওয়ালে। খটাং খট শব্দে কী যেন খুলে গেল।

    জানলার গোবরাটে সপাৎ করে আছড়ে পড়ল একটা শুঁড়। তারপর আর একটা। ধাতুর তৈরি শুঁড় নয়— প্রাণীদেহের শুঁড়। সেইসঙ্গে শোনা গেল হাপরের মতো শব্দে নিশ্বাস নেওয়ার কষ্টকর শব্দ! হু-উ-উ-স হু-উ-উ-স শব্দে আওয়াজ করতে করতে আরও দুটো শুঁড় এসে পড়ল গোবরাটে। তারপর পিছলে এল একটা থলথলে চামড়ার দেহ। গোবরাট পেরোতে যেন প্রাণ বেরিয়ে যাচ্ছে। শুঁড় দিয়ে অনেক কসরত করে ভারী দেহটাকে নিয়ে এল গোবরাটের ওপর। তারপর ধপাস করে পড়ল ঘরের মেঝেতে। আয়তনে ঠিক যেন বড় ভালুক।

    চক্ষের নিমেষে চ্যালেঞ্জার ঝাঁপিয়ে পড়লেন তার ওপর। সঙ্গে সঙ্গে গাঢ় কালচে একজোড়া গোল চোখ ফিরল প্রফেসরের পানে; একজোড়া শুঁড় পাকসাট দিয়ে বসে গেল গলার ওপর।

    দম আটকে গেল চ্যালেঞ্জারের। গরিলা শক্তি নিয়েও নিজেকে ছাড়াতে পারলেন না শুঁড়ের পাকসাট থেকে। ঠেলে বেরিয়ে এল দুই চোখ। অবরুদ্ধ কণ্ঠে বললেন, ‘হোমস… কুইক!’

    হোমস তার আগেই অবশ্য ধেয়ে এসেছে। আগন্তুকের দুই চোখ চ্যালেঞ্জারের ওপর নিবদ্ধ থাকায় দেখতে পায়নি হোমসকে। চক্ষের নিমেষে সিরিঞ্জের ছুঁচ ঢুকিয়ে দিল ড্যাবডেবে দু-চোখের ঠিক নীচে থলথলে চামড়ায়। শূন্য সিরিঞ্জ শিশিতে ডুবিয়ে ভরতি করে নিয়ে আবার ফুঁড়ে দিল একই জায়গায়।

    থরথর করে কেঁপে উঠল আগন্তুকের প্রত্যঙ্গগুলো। তারপর একটু একটু করে নিস্তেজ হয়ে ঝুলে পড়ল চ্যালেঞ্জারের কণ্ঠদেশ থেকে। হাপরের আওয়াজের মতো নিশ্বাসের শব্দটাও এল কমে। মৃদু ছন্দে স্পন্দিত হতে লাগল থলথলে কলেবর।

    গলায় হাত বুলোতে বুলোতে প্রফেসর বললেন, ‘ধন্যবাদ, হোমস!’

    ঘরের কোণ ছেড়ে এগিয়ে এসে ওয়াটসন বললে, ‘পচা গন্ধটা কীসের, হোমস?’

    ‘এর গা থেকে বেরোচ্ছে। চামড়ায় পচন ধরেছে।’ বললে হোমস।

    একদৃষ্টে চেয়ে রইল ওয়াটসন। ডাক্তারি চোখে কিছুক্ষণ নিরীক্ষণ করার পর বললে, ‘মরফিন দিয়ে তুমি ওর যন্ত্রণা কমিয়ে দিলে। বেচারা! মরতে বসেছিল, একেবারে মেরেই ফেললে। ওই দেখো, ফুসফুস আর কাজ করছে না।’

    ‘বেচারা!’ ছাদ কাঁপিয়ে হুংকার ছাড়লেন চ্যালেঞ্জার, ‘কাকে বেচারা বলছেন? মানুষের শরীরে জীবাণু আছে— আকাশে বাতাসে জলেও আছে। মানুষ সেই জীবাণু শত্রুকেই বন্ধু করে নিয়ে ঘরসংসার করে এসেছে এই পৃথিবীতে। সেই মানুষের রক্তই এই শয়তান পান করেছে। ওকে বেচারা বলছ?’

    হোমস বললে, ‘চ্যালেঞ্জার ঠিকই বলেছেন, ওয়াটসন। নররক্ত অতিশয় সুস্বাদু ওদের কাছে। তাই নির্বিচারে মানুষ বধ করেছে। কিন্তু মানুষের দেহে বাসা বাঁধা জীবাণুরা অদৃশ্য বলেই যে নিরীহ, তা তো নয়। ওরা যেসব গ্রহে বিজয় কেতন উড়িয়ে এসেছে অদৃশ্য জীবাণুরা নিশ্চয় এইভাবে সেসব গ্রহ পাহারা দেয় না। তাই পার পেয়ে গেছে। তাই ঘায়েল হল সবুজ সুন্দর, এই পৃথিবীতে এসে।’

    চ্যালেঞ্জার বললেন, ‘বক্তিমে পরে দিও, হোমস। লাশটাকে অ্যালকোহলে ডুবিয়ে জিইয়ে রাখা দরকার গবেষণার খাতিরে। বড় চৌবাচ্চা আছে বাড়িতে?’

    ‘আছে, আর দোকানে দোকানে আছে অনেক মদ। ওয়াটসন হাত লাগাও। লাশটাকে নীচে নিয়ে যাওয়া যাক।’

    এইচ. জি ওয়েলসের লেখা ‘ওয়ার অব দ্য ওয়ার্ল্ডস’ যারা পড়েছ, এর পরের ঘটনা তারা জানো। কিন্তু যে কাহিনি ওয়েলস সাহেব লিখে যাননি— তা-ই নিয়েই এই চমকপ্রদ কাহিনি শেষ করছি।

    লাশটাকে হেঁইও হেঁইও করে তিনজনে নামিয়ে নিয়ে গেল একতলায়, ন-ফুট লম্বা, চারফুট চওড়া আর তিনফুট গভীর একটা শুকনো চৌবাচ্চা ছিল সেখানে! দড়ি দিয়ে বেঁধে গুরুভার লাশটাকে টেনে সেই চৌবাচ্চায় ফেলার পর, হাঁপাতে হাঁপাতে চ্যালেঞ্জার বললেন, ‘কী! বলেছিলাম-না মঙ্গলের জীব এরা নয়? ফুসফুসটার নিশ্বাস নেওয়ার আওয়াজ শুনেই বুঝেছিলাম— অতবড় ফুসফুস মঙ্গলের পাতলা হাওয়ার উপযুক্ত নয়। এ প্রাণী এমন কোনও গ্রহের, যেখানকার মাধ্যাকর্ষণ বেশি। তাই যেমন ওজন, তেমনি জোর। মরবার সময়েও ব্যাটাচ্ছেলে টুঁটি জড়িয়ে ধরে হাড়েহাড়ে বুঝিয়ে দিয়ে গেছে।’

    হোমস বললে, ‘বুঝেছি। এবার দরকার মদ। চলুন, রাস্তার দোকান থেকে নিয়ে আসি।’

    বেকার স্ট্রিটেই মদের দোকান ছিল। কয়েক পিপে মদ গড়িয়ে এনে ঢেলে দেওয়া হল চৌবাচ্চায়। তারপর হাত মুছে প্রফেসর উঠে এলেন দোতলায়। খোলা জানলা দিয়ে দেওয়ালের গায়ে হেলান দেওয়া ফাইটিং মেশিনের খোলা হ্যাচের মধ্যে দিয়ে ঢুকলেন ভেতরে। ওয়াটসন আর হোমস বাইরে দাঁড়িয়েই দেখল ভেতরকার রাশিরাশি সূক্ষ্ম কলকবজা। প্রফেসর অনেকক্ষণ এটা-ওটা নাড়াচাড়া করার পর একটিমাত্র জিনিস হাতে ঝুলিয়ে এলেন বাইরে।

    জিনিসটা একটা ডিম্বাকৃতি ক্রিস্টাল— অবিকল আগেরটার মতোই, শুধু যা একটা ধাতব বাক্সের খুপরিতে বসানো এবং অনেকগুলো তার ঝুলছে বাক্সটার চারদিক থেকে।

    জানলার গোবরাট টপকে ধপাস করে ঘরে লাফিয়ে পড়ে দন্ত বিকশিত করলেন প্রফেসর, ‘এই বস্তুটাই খুঁজছিলাম।’

    ‘এ তো দেখছি আমাদের ক্রিস্টালের দোসর।’ বললে শার্লক হোমস।

    ‘হ্যাঁ, কিন্তু এই তারগুলো দিয়ে অন্যান্য জায়গায় রাখা ক্রিস্টালের ছবিও দেখা যায়।’

    ‘তার মানে মঙ্গলে এদের ঘাঁটির সঙ্গে যোগাযোগ করা যাবে এখন?’

    ‘হ্যাঁ। সেইজন্যই তো আনলাম।’

    পৃথিবী আক্রমণের দশম দিনেই হানাদারদের আজব ক্রিস্টাল-ভিশন আবিষ্কৃত হল এইভাবে। বিভিন্ন তারের যোগাযোগ ঘটিয়ে সে ক্রিস্টালের মধ্যে দিয়ে হানাদারদের অনেক ঘাঁটির দৃশ্য দেখলেন প্রফেসর, হোমস এবং ওয়াটসন। দেখলেন, প্রিমরোজ হিলের বিরাট গর্তে দলে দলে হানাদার ধুঁকছে রোগযন্ত্রণায়— মুমুর্ষু প্রকৃতই। যন্ত্রপাতিগুলো ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে চারদিকে। ওঁদের সামনেই হঠাৎ আকাশ থেকে গোঁত খেয়ে বিশাল উড়ন চাকতিটা ঠিকরে পড়ল গর্তের মধ্যে— চালক নিশ্চয় খতম হয়েছে। একতাল সবুজ ধোঁয়া ঠিকরে গেল চাকতির চারদিক থেকে।

    ধীরে ধীরে ঝিমিয়ে এল হানাদারদের দাপানি। লন্ডনের পথেঘাটে পড়ে থাকতে দেখা গেল কুপোকাত মেশিনদার। পৃথিবী বিজয়ের স্বপ্ন ধূলিসাৎ হয়ে গেল যাদের-শুধু-চোখে-দেখা-যায়-না— সেই অদৃশ্য রক্ষী জীবাণুদের পালটা আক্রমণে।

    মঙ্গলের ঘাঁটিতে বসে হানাদাররা সে খবর পেয়েছিল আগেই। পৃথিবীর সঙ্গে তাদের যোগাযোগ রয়ে গেল কিন্তু বিচ্ছিন্ন হল না। তারা এসেছিল অশুভ উদ্দেশ্য নিয়ে; উচিত শিক্ষা পেয়ে সে চেষ্টার ধার দিয়েও গেল না। বরং ভয় করতে শিখল পৃথিবীকে এবং শ্রদ্ধা জানিয়ে গেল পৃথিবীর একটি মস্তিষ্ককে।

    নাম, তাঁর প্রফেসর জর্জ এডওয়ার্ড চ্যালেঞ্জার। ক্রিস্টাল ভিশনের দৌলতে ধীমান জীবদের সঙ্গে নিত্য যোগাযোগ নেশায় দাঁড়িয়ে গিয়েছিল ওঁর। ফলে ছবি সংকেতের মধ্যে দিয়ে শুরু হল কথাবার্তা। ছবি-সংকেতের মধ্যে দিয়েই তারা বুঝিয়ে দিলে প্রফেসরকে, ধারণা তাঁর অভ্রান্ত। সত্যই তারা সৌরজগতের বাসিন্দা নয়, এসেছে বহু দূরের আর এক নক্ষত্রলোক থেকে। গ্রহে গ্রহে উপনিবেশ স্থাপন করে জ্ঞান বিনিময়ই তাদের লক্ষ্য ছিল। সেই সঙ্গে পৃথিবীতে পেয়েছিল অঢেল খাদ্য, পরে যখন তা প্রমাণিত হল বিষাক্ত— তখন আর পৃথিবীতে তারা পা দেবে না। কিন্তু তাদের জ্ঞানভাণ্ডারের কিছু কিছু দান করে যাবে প্রফেসর চ্যালেঞ্জারকে। যাতে একদিন তিনি নিজেই মহাকাশযান বানিয়ে উড়ে যেতে পারেন তাদের গ্রহে। নীল বিদ্যুতের মন্ত্রগুপ্তিও তারা শিখিয়ে দিয়েছিল প্রফেসরকে। ফাইটিং মেশিনের কন্ট্রোল কেবিনেই পাওয়া গিয়েছিল মটরদানার মতো ছোট্ট একটা ক্রিস্টাল। নীল মোটেই নয়, রক্তবর্ণ। কিন্তু বৈদ্যুতিক স্ফুলিঙ্গ সেই ক্রিস্টালের দিকে ছুটে গেলেই তা থেকে বেরিয়ে আসত প্রলয়ংকর তেজরাশি— যা রিফ্লেকটর দিয়ে ঘুরিয়ে নীল বিদ্যুতের আকারে ফেলা যায়। যে দিকে খুশি— যার স্পর্শমাত্র নদী বাষ্প হয়ে উড়ে যায়, জাহাজ-বাড়ি-জীবদেহ অঙ্গারে পরিণত হয়। নীল বিদ্যুৎকে সংহত করে ঠিকমতো ফেলতে পারলে পরমাণুকে ভেঙে বিপুল শক্তি তার মধ্যে থেকে বার করে আনা যায়। এই শক্তির দৌলতেই গ্রহে গ্রহে ঘুরে বেড়ায় ওরা। মঙ্গল থেকেও এসেছে পৃথিবীতে, মঙ্গল ওদের অস্থায়ী আস্তানা। সমগ্র সৌরজগত পরিভ্রমণ করে একটিমাত্র ধীমান মস্তিষ্কের সন্ধান ওরা পেয়েছে। সেই মস্তিষ্কটিকেই ওরা দিয়ে যাচ্ছে প্রলয়ংকর পরমাণুর শক্তি নিংড়ে নেওয়ার গুপ্তবিদ্যে, আকাশ-যান নির্মাণের কৌশল এবং টেলিপ্যাথির গোপন রহস্য— যা আয়ত্ত করতে না পারা পর্যন্ত মানুষ ইতর প্রাণীর পর্যায়েই থেকে যাবে।

    প্রফেসর চ্যালেঞ্জার রক্তবর্ণ ক্রিস্টালটিকে কোথায় রেখেছেন, কেউ তার হদিশ পাচ্ছে না। তবে ইদানীং একটা গুজব শোনা যাচ্ছে। চ্যালেঞ্জার আজ স্বৰ্গত ঠিকই, কিন্তু তাঁর গুপ্তবিদ্যে নাকি তাঁর মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গে অন্য বৈজ্ঞানিকদের হাতে চলে গিয়েছে। যে বৈজ্ঞানিকদের উনি বিশ্বাস করতে পারেননি বলেই পৃথিবীধ্বংসী পারমাণবিক শক্তির উৎস জীবদ্দশায় ঘুণাক্ষরেও কাউকে জানাননি— সেই বৈজ্ঞানিকরাই নাকি পারমাণবিক শক্তির ফরমুলাটা হাত করেছিলেন তাঁর মৃত্যুর পর। ফলে, অ্যাটম বোমা উড়িয়ে দিয়েছে হিরোশিমা ও নাগাসাকি। তেজস্ক্রিয়তার বিষে আজ পৃথিবীর জল বাতাস পর্যন্ত বিষিয়ে যাচ্ছে। মানুষ নিজেই নিজের মৃত্যু ডেকে আনছে। এই সেই শক্তি যা সৌরজগতের বাইরে থেকে দান হিসাবে এসেছিল পৃথিবীতে। কে জানে, দানবরা পৃথিবী ধ্বংসেরই সুদূর পরিকল্পনা করেছিল কি না আত্মহননের মধ্য দিয়ে।

    ⤶
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleতিতাস একটি নদীর নাম – অদ্বৈত মল্লবর্মণ
    Next Article প্রেত-প্রেয়সী – অদ্রীশ বর্ধন

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }