Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    শার্লক হোমস, প্রফেসর চ্যালেঞ্জার ও মঙ্গলগ্রহ – অদ্রীশ বর্ধন

    লেখক এক পাতা গল্প91 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ক্রিস্টাল ডিমে মঙ্গলগ্রহ

    পরের দিন সকাল দশটায় ওয়েস্ট কেনসিংটনে প্রফেসর চ্যালেঞ্জারের নিবাস এনমোর পার্কে হাজির হল শার্লক হোমস। বিশাল গাড়িবারান্দাওয়ালা পেল্লায় অট্টালিকা। গৃহভৃত্য হোমসকে পৌঁছে দিল চ্যালেঞ্জারের ঘরের সামনে। দরজায় টোকা দিতেই হুংকার ভেসে এল ভেতর থেকে… ‘ভেতরে আসা হোক।’

    ভেতরে এল হোমস। মস্ত স্টাডিরুম। সারি সারি তাকে ঠাসা বৈজ্ঞানিক কেতাব আর যন্ত্রপাতি। বিরাট চওড়া টেবিলের সামনে বসে প্রফেসর চ্যালেঞ্জার। বৃষস্কন্ধ। খর্বাকায়। কুচকুচে কালো বাটালি মার্কা চাপদাড়ি… সুপ্রাচীন আসীরিয় (অসুর?) নৃপতিদের গণ্ডে যা শোভা পেত। লোমাবৃত প্রকাণ্ড এক হাতে যেন খামচে ধরে আছেন একটি লেখনী। ঝুলন্ত পর্দার মতো চোখের পাতার তলা দিয়ে নীল চোখ মেলে হোমসকে নিরীক্ষণ করলেন এ-হেন বিখ্যাত পুরুষটি।

    ‘চোখ ধাঁধানো নতুন কোনও বৈজ্ঞানিক কাজে বাগড়া দিলাম না তো?’ বললে হোমস।

    ‘খসড়াটা প্রায় শেষ হয়ে এল,’ বললেন চ্যালেঞ্জার। সেই সঙ্গে লেখনীটা প্রায় নিক্ষেপ করলেন টেবিলে। ‘ভিয়েনা কনফারেন্সে বক্তৃতাটা পড়ব… অনেক তাত্ত্বিকের চোখ কপালে উঠবে, ভুরু কুঁচকে থাকবে। ইতিমধ্যে ঘণ্টাখানেক তোমার প্রহেলিকার পেছনে ব্যয় করা যাবে।’

    ‘যেমনটা করেছিলেন মাটিলডা ব্রিগস আর সুমাত্রার দানব ইঁদুরদের পেছনে?’

    ‘আরে দূর, সে তো দুষ্প্রাপ্য কয়েকটা নমুনাকে বৈজ্ঞানিক যুক্তি দিয়ে সাজানোর ব্যাপার। বলো ভায়া, এবার কী ধাঁধা এনেছ।’

    ক্রিস্টাল ডিম বার করল হোমস। বলল, গত সন্ধ্যায় কী দেখেছে ডিমের মধ্যে। প্রকাণ্ড থাবায় বিচিত্র বস্তুটি গ্রহণ করে ঝোপের মতো পুরু ভুরু কুঁচকে নির্নিমেষে চেয়ে রইলেন প্রফেসর চ্যালেঞ্জার।

    তারপর বললেন কুঞ্চিত ললাটে, ‘সত্যিই ভেতরে একটা আভা দেখা যাচ্ছে। অন্ধকারে সুবিধে হবে দেখতে। পর্দাটা টেনে দেবে, ভায়া?’

    পর্দা টেনে দিয়ে ঘর প্রায় অন্ধকার করে দিল হোমস। চ্যালেঞ্জার বৃষস্কন্ধ চেয়ে রইলেন ক্রিস্টাল ডিমের পানে। ঘাড়ের ওপর দিয়ে তীক্ষ্ণদৃষ্টি মেলে ডিম্ব-প্রহেলিকায় তন্নিষ্ঠ হল শার্লক হোমস।

    কিছুক্ষণ পরে মন্তব্য শোনা গেল চ্যালেঞ্জারের রাশভ কণ্ঠে, ‘কুয়াশা ঠিকই, কিন্তু আংশিক স্বচ্ছ। প্রায় তরল বলেই এমন নড়ছে, ঢেউয়ের দোলায় দুলছে। আশ্চর্য! সত্যিই আশ্চর্য!’

    বলতে বলতে ড্রয়ার থেকে একখণ্ড কৃষ্ণবস্ত্র বার করলেন প্রফেসর। ঘোমটার মতো মেলে ধরলেন ক্রিস্টাল ডিমের ওপর। এবার দেখা গেল, প্রায় স্বচ্ছ কুয়াশার নরম দ্যুতি আবার গলে গলে যেন মিলিয়ে যাচ্ছে এবং গত রাতে দেখা অপার্থিব সেই নিসর্গদৃশ্য ফের আবির্ভূত হচ্ছে।

    দূরবিন উলটো করে চোখে লাগালে সব দৃশ্য যেমন ছোট্ট অথচ নিখুঁতভাবে দেখা যায়, এবারের দৃশ্য দেখা গেল প্রায় সেইভাবে। বহুদূর বিস্তৃত ভূমি, অনেক দূরে লালচে-বাদামি রঙের বাঁধ, বাঁধের এদিকে নিম্নভূমির ওপর বিশাল চ্যাটালো ছাদের মতো আয়তক্ষেত্রের পর আয়তক্ষেত্র।

    কী যেন সব নড়ছে এই সব আয়তক্ষেত্র এবং পাশের দিকের সবুজ ঘাসে ছাওয়া জমির ওপর। একদম সামনে সমান ব্যবধানে সাজানো সারবন্দি কতকগুলো সরু মাস্তুলের মতো সুউচ্চ খুঁটি… রোদ্দুর ঝকমকে বরফখণ্ডের উজ্জ্বল দ্যুতি ঠিকরে যাচ্ছে প্রতিটির ডগা থেকে।

    হোমসের মতো নীরস কাঠখোট্টা মানুষও যেন কীরকম হয়ে গেল এই দৃশ্য দেখে, বলল আবেশ বিহ্বল কণ্ঠে, ‘বিউটিফুল! অপার্থিব!’

    বিড়বিড় করে চ্যালেঞ্জার বললেন আপন মনে, ‘অপার্থিব তো বটেই। উপযুক্ত শব্দই ব্যবহার করেছ, ভায়া। এ দৃশ্য পৃথিবী নামক এই গ্রহের পৃষ্ঠে আজ পর্যন্ত কেউ দেখেনি… দেখবেও না।’

    বিচিত্র সেই দৃশ্য মুহূর্তের মধ্যে কুয়াশাবৃত হয়েই পরিষ্কার হয়ে গেল পরক্ষণেই। সঞ্চরমান বস্তুগুলিকে এবার ঠাহর করা গেল মোটামুটি। জমির ওপর যারা নড়ছে, তাদের বলা উচিত বিশালাকার গুবরে পোকা। গুটিগুটি এগোচ্ছে শম্বুকগতিতে। ঝকঝক করছে গায়ের আঁশ। আয়তক্ষেত্রাকার ছাদের ওপর সঞ্চরমান বস্তুগুলি আরও কাছে দেখা যাচ্ছে ক্ষুদ্রকায় এবং গোলাকার। নড়ছে এরাও। ইতস্তত। তারপর, একদম সামনে সিধে মাস্তুলের মতো খুঁটিগুলোর ফাঁক দিয়ে মথ পোকা অথবা বাদুরের মতো কী যেন উড়ে এল ডানা ঝটপটিয়ে। এগিয়ে এল অনেক নিকটে। পরমুহূর্তেই, আচম্বিতে, একটা মুখ উঁকি দিল ক্রিস্টালের মধ্যে দিয়ে।

    হোমসের নজর অতিশয় তীক্ষ্ণ বলেই এক লহমার মধ্যেই যা দেখবার দেখে নিল। দেখল, বড় বড় গোল গোল দুটো চোখ প্যাটপ্যাট করে তাকিয়ে আছে তার পানে। শুধু তাকিয়ে আছে বললে কম বলা হবে, যেন চামড়া ফুঁড়ে ভেতর পর্যন্ত দেখে নিচ্ছে হোমসের।

    পরের মুহূর্তেই অন্তর্হিত হল বৃহদাকার গোলাকার দুই চক্ষু… সেই সঙ্গে অদৃশ্য হল অপার্থিব নিসর্গ দৃশ্য… ঘুরপাক খেতে লাগল কেবল পুঞ্জ পুঞ্জ নীল কুহেলি।

    ছিলে-ছেঁড়া ধনুকের মতো চেয়ার থেকে ছিটকে গেলেন প্রফেসর চ্যালেঞ্জার। সবলে জানলার পর্দা সরিয়ে ঘুরে দাঁড়ালেন বিদ্যুদ্‌বেগে।

    বললেন মেঘমন্দ্র কণ্ঠে, ‘হোমস, দেখেছ?’

    শুষ্ক হেসে হোমস বললে, ‘দেখেছি। যা দেখেছি তা লিখে আপনাকেদেখাচ্ছি। আপনি লিখে জানান কী দেখলেন। দেখি, দুজনের দেখা এক হয় কি না।’

    চেয়ার টেনে নিয়ে বসে পড়ল হোমস। ঝড়ের বেগে কলম চালাল কাগজে। প্রফেসরও বসলেন কাগজ পেনসিল নিয়ে। সমানে নাসিকাধ্বনি করতে করতে লিখে চললেন নক্ষত্ৰবেগে। সেকেন্ড কয়েক অখণ্ড নীরবতার পর কাগজ পালটাপালটি করলেন দুই কৃতবিদ্যা পুরুষ। পড়লেন নিরুদ্ধ নিশ্বাসে।

    তারপর কাগজ নামিয়ে রেখে আর একবার ঘোর নাসিকাধ্বনি করে বললেন প্রফেসর, ‘তাহলে দেখা যাচ্ছে, যা দেখেছি, তা চোখের ভুল নয়… মরীচিকা দর্শন নয়। কেননা, দুজনেই দেখেছি একই দৃশ্য… একই বিস্ময়। বৈজ্ঞানিক বলেই আমার দর্শনেন্দ্রিয় বিজ্ঞানসম্মতভাবে দেখতে অভ্যস্ত ঠিকই, তবে গোয়েন্দা বলেই তুমি আর একটু খুঁটিয়ে কতকগুলো তুচ্ছ কিন্তু অসাধারণ জিনিস দেখে ফেলেছ… ছাদ, দূরের বাঁধ। আর সঞ্চরমান জীবন্ত বস্তু। কিন্তু ক্রিস্টাল মহাপ্রভু এই যে অপার্থিব দৃশ্যটি দেখালেন, এবার সেই দৃশ্যের একটা যুক্তিনিষ্ঠ ব্যাখ্যা দাঁড় করানো যাক।’

    হোমস বলে উঠল তক্ষুনি, ‘আমার তো মনে হয় অন্য কোনও গ্রহের দৃশ্য।’

    আশ্চর্য ক্রিস্টালকে দু-হাতে চোখের সামনে রেখে উলটেপালটে নিরীক্ষণ করতে করতে প্রফেসর বললেন, ‘ভায়া তোমার সঙ্গে একমত হওয়ার প্রলোভন সম্বরণ করতে পারছি না। অনেক সময়ে ছেলেভুলানো খেলনা ক্রিস্টালের মধ্যে আশ্চর্য মরীচিকা দৃশ্য ঢোকানো থাকে। এ যদি সে ধরনের খেলনাও হয়, তাহলেও বলব বাহাদুরি আছে বটে খেলনা প্রস্তুতকারকের।’

    হোমস বললে, ‘ক্রিস্টালকে নানান দিক থেকে ঘুরিয়েফিরিয়ে দেখা যাক পট পরিবর্তন ঘটে কি না।’

    সেই পরীক্ষানিরীক্ষাই চলল কিছুক্ষণ ধরে। নানান কোণ থেকে নানানভাবে দৃষ্টিশর নিক্ষেপ করা হল অদ্ভুত ক্রিস্টালের মধ্যে। কখনও মনে হল দূরবিস্তৃত ছাদ আর আকাশচুম্বী মাস্তুল ছাড়াও যেন আরও কিছু চোখে পড়ছে… কিন্তু অতিশয় আবছাভাবে; কখনও পুঞ্জ পুঞ্জ নীলাভ কুয়াশা ছাড়া কিছুই দৃষ্টিগোচর হল না।

    এইভাবেই কিছুক্ষণ এক্সপেরিমেন্ট চালানোর পর হোমস বললে, ‘নিরন্ধ্র অন্ধকার হলে কি ভালো দেখা যাবে বলে মনে হয়?’

    ‘সম্ভাবনাটা আমার মাথাতেও এসেছে,’ যেন নাভির মধ্যে থেকে জবাব দিলেন চ্যালেঞ্জার গুরুগুরু কণ্ঠে, ‘কিন্তু সে চেষ্টা অন্ধকার সমাগমে করা যাবে-খন। এই মুহূর্তে একটা সিদ্ধান্তে তুমি এবং আমি দুজনেই একমত… যা দেখছি, তা এই পৃথিবীর ওপরকার কোনও দৃশ্য নয়। একমত হচ্ছি ঠিকই… কিন্তু সিদ্ধান্তটাকে যাচাই করতে তো পারছিই না, ফেলেও দিতে পারছি না।’

    ঝটিতি জবাব দিল হোমস, ‘চ্যালেঞ্জার, খেয়াল রাখবেন… সিদ্ধান্তটা নিছক অনুমান ভিত্তিক… যুক্তিভিত্তিক নয়। তবে হ্যাঁ, যা দেখেছি, তা যেন সামনের ওই মাস্তুলদের মতো কোনও একটা তালঢ্যাঙা মাস্তুলের ওপর থেকেই দেখছি। সারবন্দি মাস্তুলদের শেষ কোনও মাস্তুলের ডগা থেকে যেন সব কিছু চোখে পড়ছে।’

    সায় দিলেন চ্যালেঞ্জার একবাক্যে, ‘আমারও ধারণা তা-ই।’

    হোমস উঠে পড়ল, ‘আমার অন্য কাজ আছে, চললাম। আপনি কিন্তু এক্সপেরিমেন্ট চালিয়ে যান।’

    ‘সেটা না বললেও চলবে।’

    নিষ্ক্রান্ত হল শার্লক হোমস। প্রফেসর চ্যালেঞ্জার যেন দুর্ধর্ষ শত্রুর ওপর সর্বশক্তি নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ার মতোই দ্বিগুণ বিক্রম নিয়ে আক্রমণ করলেন বিজ্ঞানের বিস্ময় সেই ক্রিস্টালকে।

    মগজের যাবতীয় শক্তি ফোকাস করলেন সেইদিকে। কী পেলেন, তা যথাসময়ে বর্ণিত হবে।

    শার্লক হোমস রাস্তায় নেমে হাতছানি দিয়ে দাঁড় করাল একটা চলমান ছ্যাকড়াগাড়িকে। সেই গাড়িতে আরোহণ করে পৌঁছাল স্কটল্যান্ড ইয়ার্ডে। দু-দুটো অতি জটিল ক্রাইম কেস নিয়ে মস্তিষ্ক ঘর্মাক্ত করে জ্ঞানদান করল অফিসারদের। সেখান থেকে আপন আলয়ে ফিরে নিজস্ব মতামত লিখে রাখল অপরাধ রহস্য দুটির ওপর… ক্রিস্টাল রহস্যকে নির্বাসন দিল মস্তিষ্কের সব ক-টা খুপরি থেকে। তারপর নৈশ আহারে বসল বন্ধুবর ডাক্তার ওয়াটসনের সঙ্গে। মত্ত হল বিশ্রম্ভালাপে রোজকার মতো… কিন্তু ঘুণাক্ষরেও উল্লেখ করল না ক্রিস্টাল এবং তার মধ্যে দেখা অপার্থিব দৃশ্যের।

    পরের দিন সকালে ওয়াটসন রওনা হল রোগী দেখার অভিযানে। হোমস গেল স্কটল্যান্ড ইয়ার্ডে ক্রাইম কেস দিয়ে মস্তিষ্কের কোষগুলিকে উত্তেজনা জোগাতে। ফিরে এসে দেখল, বেকার স্ট্রিটে সাদামাটা ঘরটিতে বসে প্রফেসর এডওয়ার্ড চ্যালেঞ্জার। শুধু বসে নেই, বলতে গেলে ছটফট করছেন। আত্যন্তিক উত্তেজনায় যেন ফেটে পড়তে চাইছেন। কখনও চেয়ার ছেড়ে লাফিয়ে দাঁড়িয়ে উঠছেন। ঘরময় পায়চারি করছেন। ফের এসে ধপ করে কাষ্ঠাসনে দেহভার ন্যস্ত করে বন্দুক নির্ঘোষের মতো ভীষণ শব্দে আঙুল মটকাচ্ছেন।

    শার্লক হোমসের দীর্ঘ শীর্ণদেহ কক্ষমধ্যে আবির্ভূত হতেই প্রফেসর চ্যালেঞ্জার প্রকাণ্ড গরিলার মতো ধেয়ে এলেন তার দিকে।

    বললেন রাশভ কণ্ঠে, ‘হোমস তোমার অবর্তমানে তোমার ল্যান্ডলেডির কৃপায় বসবার সুযোগ পেয়েছি ঘরে। ঘরটা যদিও বড় অগোছালো, কিন্তু না এসে পারলাম না। কেন জানো?’

    ‘কেন?’ দৃষ্টি সূচ্যগ্র হয়ে এল হোমসের, প্রশান্ত রইল কিন্তু কণ্ঠস্বর।

    ‘ঠিকই ধরেছ তুমি… ক্রিস্টালের মধ্যেকার দৃশ্য অন্য কোনও গ্রহের। কোন গ্রহ আমি তা বের করে ফেলেছি।’

    এবার আর প্রশান্ত রইল না হোমসের কণ্ঠস্বর। উত্তেজনার বিস্ফোরণ ঘটল যেন দ্রিমি দ্রিমি স্বরে, ‘মাই ডিয়ার চ্যালেঞ্জার, বলছেন কী?’

    ‘মাই ডিয়ার হোমস, ওই রকমই বলি আমি। তোমার ভাষায় যাকে বলা যায়… চমকপ্রদ, অসাধারণ, অদ্ভুত। আমার গবেষণাগার থেকে প্রস্থান করার সময়ে একটা অতীব গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব রেখে গেছিলে— ক্রিস্টালটাকে যেন নিরন্ধ্র অন্ধকারের সুযোগে অবলোকন করা হয়। আমি তা-ই করেছিলাম। ফোটোগ্রাফাররা যে ধরনের পুরু কালো কাপড় দিয়ে নিজের মাথা আর ক্যামেরার আইপিস ঢেকে ছবি তোলে, সেই ধরনের মোটা কালো কাপড় দিয়ে ক্রিস্টাল আর নিজের মাথা ঢেকেছিলাম যাতে আলোকরশ্মি একেবারেই না প্রবেশ করতে পারে। ফলে আমি যতটা স্পষ্ট দেখতে পেলাম, ততটা স্পষ্ট তুমি নিজেও আজ সকালে দেখতে পাওনি। আমি দেখলাম, রজনীর আবির্ভাব ঘটেছে অজানা সেই গ্রহে। তাই দেখলাম না সেই বিচিত্র নিসর্গ দৃশ্য— কিন্তু দেখলাম আকাশের কালো চন্দ্রাতপে মিটমিট করছে অগুনতি নক্ষত্র। মাই ডিয়ার শার্লক হোমস, পিলে চমকানো আবিষ্কারটা করলাম ঠিক তখনই… একটা পরম সত্যের মণিকোঠার দ্বার নিমেষমধ্যে উদ্‌ঘাটিত হয়ে গেল আমার মনের মণিকোঠার সামনে।’

    উদগ্র উত্তেজনায় পৃষ্ঠবংশ বেঁকিয়ে হোমস বললে, ‘কী সেই পরম সত্য, মাই ডিয়ার প্রফেসর চ্যালেঞ্জার?’

    মঞ্চের নায়কের মতো বীরোচিত ভঙ্গিমায় প্রশস্ত বুক চিতিয়ে নাটকীয় কণ্ঠে বললেন প্রফেসর চ্যালেঞ্জার, ‘ছাদের ঠিক মাথায় যেখানে রাশি রাশি তারা চোখ মিটমিট করে চেয়েছিল আঁধার পানে, তারাদের সেই দঙ্গলের মধ্যে দৃষ্টি সঞ্চালন করতেই আবিষ্কার করলাম সপ্তর্ষি মণ্ডলকে, দেখলাম সাত তারাকে। বলো, কী বুঝলে?’

    ‘গ্রহটা পৃথিবী গ্রহ না হলেও পৃথিবীরই প্রতিবেশী কোনও গ্রহ… তাই একই তারকামণ্ডলীকে দেখা যাচ্ছে আকাশে।’

    ‘এগজ্যাক্টলি। সাত তারার এই নক্ষত্রকে দেখতে একটা জিজ্ঞাসা চিহ্ন বা খড়্গের মতো। অজানা গ্রহের আকাশেও দেখলাম সেই একই ঝিকিমিকি জিজ্ঞাসা চিহ্ন। সপ্তর্ষিকে চৈত্র-বৈশাখ মাসের সন্ধ্যায় উত্তর আকাশের খুব ওপরে দেখতে পাওয়া যায়। জ্যৈষ্ঠ আষাঢ় শ্রাবণে ক্রমেই পশ্চিমে সরে আসে। শেষে ভাদ্র থেকে অঘ্রাণ মাস পর্যন্ত আকাশে দেখাই যায় না। পৌষ মাসে দেখা যায় উত্তর-পূর্ব আকাশে। হোমস, মাসগুলোর নাম শুনে তোমার খটমট লাগছে বুঝতে পারছি… কিন্তু বাংলায় নামগুলো বললাম সপ্তর্ষি নিয়ে অদ্ভুত একটা কাহিনি মনে পরে গেল বলে। যদি পারমিট করো তো বলতে পারি।’

    ভ্রূকুঞ্চিত করে হোমস বললে, ‘সংক্ষেপে সারুন।’

    ‘ভারতীয় পুরাণ পড়েছ? পড়োনি? অন্যায় করেছ। আমার মতে প্রতি বৈজ্ঞানিকের উচিত ভারতীয় পুরাণ কণ্ঠস্থ রাখা। তুমি অবশ্য বৈজ্ঞানিক নও। কিন্তু অপরাধ-বিজ্ঞানী তো বটে। আচ্ছা আচ্ছা, সংক্ষেপেই সারছি এবার। পুরাণের মতে উত্তানপাদ রাজার পুত্র ধ্রুবর নামে হয়েছে ধ্রুবতারা। ধ্রুবর মতো সাতজন ঋষিও আকাশে তারা হয়ে আছেন। তাঁদের নামেই এই সাতটি তারার নাম… বশিষ্ঠ, মরীচি, অত্রি, অঙ্গিরা, পুলহ, পুলস্ত্য আর ক্রতু। সপ্তর্ষির মাথার তারা দুটোকে মনে মনে একটা লাইন দিয়ে যোগ করে সেই লাইনটাকে সামনের দিকে বাড়িয়ে গেলেই ধ্রুবতারার পাশ দিয়ে যাবে। সপ্তর্ষি যে অবস্থাতেই থাকুক না কেন, এই লাইন ধ্রুবতারার পাশ দিয়ে যাবেই মাই ডিয়ার হোমস, এই ভাবেই অজানা গ্রহের আকাশে খুঁজে পেলাম ধ্রুবতারাকেও। এমনকী বশিষ্ঠ মুনির স্ত্রী অরুন্ধতী তারাকেও দেখলাম অস্পষ্টভাবে বশিষ্ঠের পাশেই। এর পরে আর কোনও সন্দেহই রইল না, যে যা দেখছি তা এই সৌরজগতেরই কোনও গ্রহের আকাশ।’

    ‘হুম!’ গলার মধ্যে দিয়ে শব্দটাকে ফের বার করল হোমস, ‘হুম।’

    চ্যালেঞ্জার বললেন, একটু ভুরু কুচকেই বললেন, ‘প্লিজ, আমার কথার মধ্যে ওই রকম হুম হুম আওয়াজটা আর ছেড়ো না।… যা বলছিলাম সপ্তর্ষিমণ্ডল এবং অন্যান্য তারকামণ্ডলও চেনাজানা। কিন্তু এর পরেই যা ঘটল, তা এমনই সৃষ্টিছাড়া যে দেখেই প্রথমে চমকে উঠেছিলাম, সত্যি কথা বলতে কী, দু-চোখ কপালেও তুলে ফেলেছিলাম। সৃষ্টিছাড়া হলেও জিনিস দুটো অকাট্য প্রমাণ… তোমার অনুমানের নিরেট যুক্তি।’

    এই পর্যন্ত বলে প্রফেসর চ্যালেঞ্জার স্তব্ধ হলেন এবং শব্দ করে দুই করতল লাগলেন।

    শার্লক হোমস তখন যেন নাচার হয়েই বললে, ‘মাই ডিয়ার চ্যালেঞ্জার, আমার হুম বিস্ময়োক্তিটা আপনার কাছে যতখানি পীড়াদায়ক, তার চাইতেও বেশি পীড়াদায়ক আপনার ওই হাতঘষার শব্দটা আমার কাছে।’

    ‘তা-ই নাকি?’ ঘন ভুরু নাচিয়ে বললেন চ্যালেঞ্জার।

    ‘আজ্ঞে, হ্যাঁ। তা ছাড়া, কথা বলতে বলতে ঠিক কাজের কথার জায়গায় এসে থেমে যাওয়াটাও ঠিক নয়… এতে চিন্তার ট্রেন উলটে যায়।’

    ‘আচ্ছা!’ ফের ভুরু নৃত্য করেই বললেন প্রফেসর, ‘কদ্দূর বলেছিলাম?’

    ‘দুটো জিনিস দেখেছিলাম… অকাট্য প্রমাণ।’

    ‘হ্যাঁ, হ্যাঁ, আশ্চর্য গ্রহের আকাশে দুটো জিনিস। হঠাৎ দিগন্তে চাঁদ উঠল। একটা নয়, দুটো। দুটোই খুব ছোট, রীতিমতো এবড়োখেবড়ো পৃষ্ঠদেশ; এদের একটা এত জোরে উঠে এল এবং এমন পাঁইপাঁই করে গ্রহ পরিক্রমা শুরু করে দিলে যে আমি নিজেও দেখতে পেলাম তার দ্রুত গতি। দেখতে দেখতে ডবল চাঁদ সরে গেল দৃষ্টিপথ থেকে।’ ভীমবেগে বাম করতলে ডান মুষ্ট্যাঘাত করে বললেন চ্যালেঞ্জার, ‘ভায়া… হোমস, অকাট্য প্রমাণটা কী, এবার বুঝেছ?’

    গম্ভীর হয়ে গেল হোমস।

    বলল, ‘বুঝেছি। সপ্তর্ষিমণ্ডল দেখা মানে সৌরজগতের আকাশ দেখা। আর যমজ চাঁদ দেখা মানে মঙ্গলগ্রহের আকাশ দেখা। তারাদের প্রতিবেশী রক্তরাঙা গ্রহ মঙ্গলের আকাশেই কেবল দেখা যায় ডবল চাঁদ… ডিমোস আর ফোবোস।…’

    ‘হোমস, মঙ্গল গ্রহের প্রাকৃতিক দৃশ্যই দেখেছি আমরা… যমজ চাঁদই অকাট্য প্রমাণ।’ প্রকাণ্ড মাথা নেড়ে সায় দিলেন প্রফেসর।

    ‘সূর্যের অস্তিত্বের মতোই অকাট্য এবং পরম সত্য।’

    ঠিক এই সময়ে টোকা পড়ল দরজায়। মুখ বাড়িয়ে বিলি বললে, ‘মিস্টার হোমস, এক ভদ্রলোক এসেছেন আপনার সঙ্গে কথা বলতে।’

    বিলির কথা শেষ হতে না হতেই পাল্লা আরও ফাঁক করে সুট করে ভেতরে ঢুকে পড়ল নার্ভাস প্রকৃতির এক টেকো পুরুষ। এক হাতে টুপিটা নিয়ে কী করবে ভেবে পাচ্ছে না… চালান করছে ডান হাত থেকে বাঁ হাতে, আবার বাঁ হাত থেকে ডান হাতে। টুপিটা যেমন নোংরা, তেমনি বদখত।

    ‘স্যার,’ কেশেটেসে গলা সাফ করে নিয়ে বললে আগন্তুক, ‘আমি বল্ডুইন বলছি।’

    শুষ্ক দৃষ্টি নিক্ষেপ করে শুষ্কতর কণ্ঠে বলল শার্লক হোমস, ‘চিনতে পেরেছি।’

    আরও ঘাবড়ে গেল বল্ডুইন।

    ‘আপনি কি খুবই ব্যস্ত?’

    ‘একটু।… দু-মিনিট সময় দেওয়া যাবে আপনাকে।’

    তড়বড় করে উঠল বল্ডুইন, ‘স্যার, ক্রিস্টাল ডিমটার দাম পাঁচ পাউন্ড নয়… অনেক বেশি।’

    ‘হতে পারে। কিন্তু বেচেছেন পাঁচ পাউন্ডে… দামটা চড়াতেও এসেছেন অনেক দেরিতে।’

    ‘মর্স হাডসন বলছিল, আরও বেশি দাম পাওয়া যাবে দুই ভদ্রলোকের কাছে। একজন সেন্ট ক্যাথরিন হাসপাতালের মিস্টার জ্যাকব ওয়েজ। আর একজন জাভার প্রিন্স অফ বসো-কুনি। দুজনেই টাকার কুমির। এঁদের কাছ থেকে দুটো পয়সা বেশি লাভ করলে আমি আর মর্স হাডসন ভাগাভাগি করে নিতে পারতাম।’

    কঠোর হল শার্লক হোমসের ধূসর চক্ষু, চোয়ালের হাড় এবং কণ্ঠস্বর, ‘বল্ডুইন, মর্স হাডসনের সঙ্গে নিজেকে জড়িয়ে জেলে যাওয়ার পথটা আপনি নিজেই পরিষ্কার করে রেখেছেন। চোরাই আংটি যদি আপনার দোকানঘরে ফেরত না দিত, আপনাদের দুজনকেই শ্রীঘর দর্শন করিয়ে ছাড়তাম। আর, এখন তার উশকানিতে বেশি মুনাফার লোভে যে জিনিসটা ফেরত নিতে এসেছেন আমার দখলে আর তা নেই।’

    গুড়গুড় করে মেঘ ডাকা গলায় চ্যালেঞ্জার বললেন, ‘খাঁটি কথাই বলেছেন মিস্টার হোমস। জিনিসটা ওঁর দখলে আর নেই।’

    ফোঁস করে উঠল বল্ডুইন, ‘বুঝব কী করে যে উনি খাঁটি কথা বলেছেন? তা ছাড়া আমাদের কথায় আপনি ফোড়ন দিতে আসছেন কেন? আপনাকে তো আমি চিনি না।’

    আর যায় কোথা! তড়াক করে গরিলা সদৃশ বপু নিয়ে অবিশ্বাস্য বেগে চেয়ার থেকে ছিটকে গেলেন প্রফেসর, ‘কী! আমার কথায় অবিশ্বাস। বৎস ইঁদুর, আমার নাম জর্জ এডওয়ার্ড চ্যালেঞ্জার। হোমস, পথ ছাড়ো— ইঁদুরটাকে এখান থেকেই সোজা ছুড়ে ফেলে দিচ্ছি রাস্তায়!’

    সেই রুদ্র মূর্তি, বাজখাঁই কণ্ঠস্বর, নীল চোখের আগুন দেখেই প্রকৃতই ইঁদুরের মতো চক্ষের নিমিষে সড়াৎ করে ঘর থেকে নিষ্ক্রান্ত হল বল্ডুইন। ইঁদুর ছোড়ার এমন সুযোগ হাত ফসকে যাওয়ায় চ্যালেঞ্জার আরক্ত মুখে ফের আসন গ্রহণ করলেন চেয়ারে।

    বললেন কালবৈশাখী গলায়, ‘রাসকেলটাকে যদি ধরতে পারতাম… যাকগে, ক্রিস্টাল নিয়ে আরও গবেষণার দরকার। হোমস, ব্যাপারটা আপাতত তোমার আমার মধ্যেই গোপন থাকুক— আর কাউকে বোলো না।’

    ‘সেকী! বৈজ্ঞানিক মহলের মতামত দরকার যে!’

    ‘বৈজ্ঞানিক মহল!’ চ্যালেঞ্জার মনে হল জীবন্ত আগ্নেয়গিরির মতো গুমগুম করে উঠলেন, ‘তারা নতুন তত্ত্ব আর অভিনব তথ্যের বোঝে কী? বাগড়া দিতে জানে, তর্ক করতে জানে, মূর্খের দল!— না, হোমস, কাউকে না। আজ বিকেলে চারটের সময়ে এসো আমার বাড়িতে।’

    ‘আসব। ডাক্তার ওয়াটসনকে বলব? ওর মাথা কিন্তু সাফ।’

    ‘প্লিজ। এখন কাউকে নয়। আসি এখন।’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleতিতাস একটি নদীর নাম – অদ্বৈত মল্লবর্মণ
    Next Article প্রেত-প্রেয়সী – অদ্রীশ বর্ধন

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }