Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    শার্লক হোমস সমগ্র ১ – অনুবাদ : অদ্রীশ বর্ধন

    লেখক এক পাতা গল্প813 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৪. জন রান্স যা বললে

    তিন নম্বর লরিস্টন গার্ডেন্স ছেড়ে বেরিয়ে এলাম বেলা একটার সময়। নিকটতম টেলিগ্রাফ অফিসে গিয়ে একটা সুদীর্ঘ টেলিগ্রাম পাঠাল শার্লক হোমস। তারপর একটা গাড়ি ডেকে লেসট্রেড প্রদত্ত ঠিকানায় যেতে বললে গাভোয়ানকে।

    যেতে যেতে বললে, সাক্ষ্যপ্রমাণ যত টাটকা পাওয়া যায়, ততই ভালো। এ-কেস নিয়ে আমার মনে আর ধোঁকা নেই। তাহলেও আরও খবর যদি পাওয়া যায়, নেওয়া দরকার।

    আমি বললাম, হোমস তাজ্জব করলে আমাকে। যা বলে এলে, তা কি সব জেনেই বললে?

    ভুল করার মতো কিছু থাকলে তো ভুল করব। অকুস্থলে পৌঁছেই সবার আগে যা যা দেখলাম তা একটা গাড়ির চাকার দাগ ফুটপাত ঘেঁষে চাকার দু-সারি দাগ পড়েছে। বৃষ্টি কাল রাতেই হয়েছে, তার আগের সাতদিনে হয়নি। কাজেই চাকার গভীর দাগটাও কাল রাতেই পড়েছে। ঘোড়ার খুরের ছাপও পড়েছে কাদায় তিনটে অস্পষ্ট, একটা খুব স্পষ্ট তার মানে নতুন নাল। গ্রেগসন বলেছে সকালের দিকে গাড়ি ছিল না বাড়ির সামনে। গাড়িটা কিন্তু এসেছিল বৃষ্টি আরম্ভ হওয়ার পর। সুতরাং ধরে নিলাম, ওই গাড়ি চেপেই গভীর রাতে দু-জনে এসেছিল বাড়িতে!

    খুব সোজা তো! কিন্তু হত্যাকারী মাথায় কতখানি ঢ্যাঙা, তা বললে কী করে?

    দশজনের মধ্যে ন-জনের ক্ষেত্রেই লম্বা লম্বা পা ফেলার মাপ থেকে বলে দেওয়া যায় মাথায় কতখানি ঢ্যাঙা। হিসেবটা সোজা, কিন্তু অঙ্ক দিয়ে তোমার বিরক্তি উৎপাদন করতে চাই না। লোকটার পায়ের ছাপ দু-জায়গায় পেয়েছি বাইরের কাদায়, ভেতরের ধুলোয়। হিসেবটা যাচাই করার সুযোগও পেয়েছি। দেওয়ালের গায়ে লেখবার সময়ে মানুষমাত্রই চোখের সামনে লেখে–এক লেভেলে। মেঝে থেকে ছ-ফুট উঁচুতে হয়েছে লেখাটা। বাকিটা স্রেফ ছেলেখেলা।

    লোকটার বয়স বললে কী করে?

    যে-লোক অবলীলাক্রমে সাড়ে চার ফুট পদক্ষেপে হাঁটে, পূর্ণযৌবন কি তার মধ্যে টলমল করছে না? বাগানের রাস্তাটুকু ওইভাবে লম্বা লম্বা পা ফেলে হেঁটে এসেছে হত্যাকারী। ছোটো পদক্ষেপে হেঁটেছে পেটেন্টে চামড়ার বুট–সে-ছাপ ভেঙে দিয়েছে চৌকোনো-মুখ বুট। এর মধ্যে রহস্য নেই, ওয়াটসন। প্রবন্ধটায় পর্যবেক্ষণ আর সিদ্ধান্ত নেওয়ার যেসব নিয়মকানুন লিখেছি, তারই কিছু কিছু প্রয়োগ করেছি মামুলি জীবনে। বলো, আর কী কী বুঝতে পারনি?

    আঙুলের নখ আর ত্রিচিনোপল্লী।

    দেওয়ালের লেখাটা একজন পুরুষের আঙুলের রক্তে আঙুল ড়ুবিয়ে লিখেছে। আতশকাচের মধ্যে লক্ষ করলাম, লিখতে গিয়ে প্লাস্টারেও আঁচড় পড়েছে নখ কাটা থাকলে আঁচড় পড়ার কথা নয়। মেঝে থেকে খানিকটা ছাই কুড়িয়ে নিয়েছিলাম মনে আছে? কালচে স্তরে স্তরে সাজানো, একমাত্র ত্রিচিনোপল্লী চুরুটেই এমনি ছাই হয়। চুরুটের ছাই নিয়ে আমার বিশেষ পড়াশুনা আছে, এ-বিষয়ে একটা প্রবন্ধও লিখেছি। বললে অহংকার শোনায়, কিন্তু যেকোনো চুরুট বা তামাকের যেকোনো ছাই দেখে আমি বলে দিতে পারি কোনটা কী ব্র্যান্ডের এবং তফাত কোথায়। লেসট্রেড আর গ্রেগসনের সঙ্গে দক্ষ ডিটেকটিভের তফাত ওইখানেই।

    লালচে মুখ?

    ওটা একটা আন্দাজি ব্যাপার। তবে আমার বিশ্বাস ভুল হবে না। এই পরিস্থিতিতে এর বেশি জিজ্ঞেস কোরো না।

    কপালে হাত চালিয়ে বললাম, মাথা ঘুরছে আমার। যতই ভাবছি, ততই রহস্যজনক ঠেকছে। ফাঁকা বাড়িতে দু-জনে এল কী মতলবে। শুধু দু-জনেই যে এসেছিল, তার কী প্রমাণ? কোচোয়োন গেল কোথায়? একজন কি আর একজনকে বিষ খেতে বাধ্য করতে পারে? অত রক্ত এল কোত্থেকে? হত্যাকারী হত্যা করতে গেল কেন?

    ডাকাতির চিহ্ন তো দেখা যায়নি। মেয়ের আংটি-বা এল কোত্থেকে। সবচেয়ে বড়ো রহস্য, সরে পড়ার আগে দ্বিতীয় ব্যক্তি জার্মান শব্দ রাচি লিখতে গেল কেন? কিছুই বুঝছি না, কোনোটার যোগসূত্র খুঁজে পাচ্ছি না।

    সম্মতিসূচক হাসি হাসল বন্ধুবর।

    বলল, ছোট্টর মধ্যে সবক-টা রহস্য গুছিয়ে বললে। অস্পষ্ট এখনও অনেক কিছুই কিন্তু মূল বিষয়গুলো সুস্পষ্ট আমার মনের মধ্যে। লেসট্রেড বেচারি যে-আবিষ্কার করে তুরুক নাচ নাচছে, ওটা আসলে পুলিশের চোখে ধূলো দেওয়ার ব্যবস্থা পুলিশ যাতে ভুল পথে তদন্ত করে, সমাজবাদ আর গুপ্ত সমিতি নিয়ে ঘুরে মরে। ও-লেখা কোনো জার্মান লেখেনি। A অক্ষরটা জার্মান ছাঁদে লেখা–লক্ষ করেছ নিশ্চয়। কিন্তু খাঁটি জার্মান ল্যাটিন ছাঁদে লেখে। নিশ্চিন্ত মনে তাই বলতে পার, একজন আনাড়ি জার্মান ছাঁদ নকল করতে গিয়ে একটু বাড়াবাড়ি করে ফেলেছে। স্রেফ ধোঁকা দিয়ে বিপথে চালনা করার প্রয়াস! ডাক্তার, এর বেশি আর তোমায় বলব না। জানো তো, জাদুকর হাত সাফাইয়ের কায়দা যদি বলেই দেয়, তাহলে আর বাহাদুরি পায় না। আমার কাজের পদ্ধতি যদি বেশি বলতে থাকি, তুমি আমাকে সাধারণ মানুষের পর্যায়ে ফেলবে।

    কখনো না অমন কর্ম আমার দ্বারা আর সম্ভব হবে না। এ-পৃথিবীতে গোয়েন্দাগিরিকে পাকাপোক্ত বিজ্ঞানের আসনে তুমিই প্রথম বসালে।

    কথাগুলো অন্তর থেকে বলেছিলাম। বন্ধুবর তা লক্ষ করে আনন্দে আরক্ত হয়ে উঠল। গোড়া থেকেই দেখছি, প্রশংসা শুনলে গলে যায় হোমস, সৌন্দর্যের প্রশংসায় মেয়েরা যেমন ডগমগ হয়–শার্লক হোমসও স্বকীয় শিল্পের প্রশংসায় বিচলিত হয় বিলক্ষণ।

    তাই ফের বললে, তাহলে আর একটা কথা বলা যাক। পেটেন্ট চামড়ায় বুট আর চৌকোনা-মুখ বুট একই গাড়িতে এসেছে, বাগানের রাস্তা বেয়ে বন্ধুর মতো হাত ধরাধরি করে হেঁটেছে। বাড়ির মধ্যে ঢোকার পর পেটেন্ট চামড়া এক জায়গায় দাঁড়িয়ে থেকেছে কিন্তু চৌকোনা বুট ঘরময় পায়চারি করেছে। ঘরের ধুলোতেই সে-ছাপ রয়েছে। লোকটা একদণ্ডও থামেনি–ক্রমাগত এদিক-ওদিক করেছে, বকবক করেছে, একটু একটু করে নিজেকে তাতিয়ে খুনের প্রস্তুতি এনেছে। উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে পায়চারি করার সঙ্গেসঙ্গে বুঝলাম ক্রমশ বেশি লম্বা পা ফেলার ছাপ দেখে! শেষকালে ক্রোধ যখন চরমে পৌঁচেছে, খুন করেছে সঙ্গীকে। যা বললাম, তার কিছু জেনেছি, বাকিটা অনুমান করেছি। তদন্ত শুরু করার মতো ভালো বনেদ কিন্তু পেয়েছি। এবার চটপট কাজটা শেষ করা দরকার। কেননা, বিকেলে হ্যালির কনসার্টে যাব নরম্যান নেরুদার বাজনা শুনতে।

    এ-কথা যখন হচ্ছে, গাড়ি তখন চলেছে বিবর্ণ নোংরা রাস্তা আর বিষণ্ণ নিরানন্দ অলিগলি দিয়ে। সবচেয়ে নোংরা আর নিরানন্দ গলির মুখে এসে দাঁড়িয়ে গেল গাড়ি। মৃত্যু-রঙিন ইটের দেওয়ালে একটা ফাঁক দেখিয়ে কোচোয়ান বললে–অডলি কোর্ট। এখানেই পাবেন আমাকে। ঘুরে আসুন।

    অডলি কোর্ট খুব একটা আকর্ষণীয় অঞ্চল নয়। সরু গলিপথের পর পাথর বাঁধানো একটা চতুর্ভুজ ক্ষেত্র। সারি সারি হীনদর্শন বাড়ি। বিরং পোশাক পরা নোংরা চেহারার বাচ্চাদের মাঝ দিয়ে পৌঁছোলাম ৪৬ নম্বর বাড়ির সামনে। দরজায় তামার পাতে খোদাই করা রান্সের নাম। খোঁজ নিয়ে জানা গেল, কনস্টেবল মহোদয় এখন শয্যায়। খবর পাঠানোর পর আমাদের বসতে দেওয়া হল সামনের সংকীর্ণ বারান্দায়।

    ঘুম থেকে তুলে আনার জন্যে মেজাজ সপ্তমে চড়িয়ে অচিরে এল জন রান্স।

    বলল, আমি তো রিপোর্ট দিয়ে এসেছি অফিসে।

    পকেট থেকে একটা আধগিনি বার করে চিন্তামগ্ন ভাবে নাচাতে নাচাতে হোমস বললে—আমরা বসেছিলাম তোমার নিজের মুখে ব্যাপারটা শুনতে।

    সোনার ছোট্ট চাকতির দিকে চেয়ে থেকে কনস্টেবল বললে, সানন্দে বলব। বলুন কী জানতে চান।

    যা-যা ঘটেছিল, বলো তোমার মতো করে।

    ঘোড়ার চুল দিয়ে ঠাসা সোফায় বসল রান্স। কপাল কুঁচকে ভেবে নিলে যাতে একটা কথাও না বাদ যায়।

    বলল, গোড়া থেকে বলছি। আমার ডিউটি রাত দশটা থেকে ভোর ছটা পর্যন্ত। হোয়াইট হার্টের মদের আড্ডায় এগারোটা নাগাদ একটা মারপিট হয়েছিল–তারপর সব ঠান্ডা। একটার সময় শুরু হল বৃষ্টি। হল্যান্ড গ্রোভ বীটের কনস্টেবল হ্যারি মার্চারের সঙ্গে দেখা হয়ে যেতে হেনরিয়েট্টা স্ট্রিটে গল্প করতে লাগলাম দু-জনে। একটু পরে, দুটো নাগাদ কি তারও একটু পরে, ঠিক করলাম ব্রিক্সটন রোডে সব ঠিকঠাক আছে কিনা টহল দিয়ে দেখে আসা যাক। দারুণ নোংরা আর ফাঁকা রাস্তা। দু-একটা গাড়ি পাশ দিয়ে গেল–তা ছাড়া আর কাউকে দেখলাম না। পাশাপাশি হাঁটতে হাঁটতে দু-জনে ভাবছি এই সময়ে একটু জিন পেলে কি ভালোই না হত, এমন সময়ে হঠাৎ একটা বাড়ির জানালায় আলোর আভা দেখলাম। লরিস্টন গার্ডেন্সের ওই দুটো বাড়িতে কেউ থাকে না আমি জানতাম। কারণ বাড়ির মালিক নর্দমা সাফ করে না–অথচ একজন ভাড়াটে টাইফয়েডে মারা গেছে সেখানে। তাই অবাক হলাম বাড়ির মধ্যে আলো দেখে। সন্দেহ হল নিশ্চয় ব্যাপার সুবিধের নয়। দরজার সামনে আসতেই—

    থমকে দাঁড়ালে। ফিরে এলে বাগানের দরজায়। কেন বল তো? বাধা দিয়ে বললে হোমস।

    ভীষণ চমকে তড়াক করে লাফিয়ে উঠল রান্স। বিষম বিস্ময়ে ফ্যালফ্যাল করে চেয়ে রইল শার্লক হোমসের মুখপানে।

    আরে সর্বনাশ! সত্যিই থমকে গিয়ে ফিরে এসেছিলাম। কিন্তু আপনি স্যার জানলেন কী করে? ভারি আশ্চর্য তো! ব্যাপারটা কী জানেন, দরজার সামনে পর্যন্ত গিয়ে বাড়ির ভেতরটা এমন খাঁ খাঁ অবস্থায় নিস্তব্ধ দেখলাম যে মনে হল একা যাওয়াটা ঠিক হবে না–সঙ্গে কাউকে রাখি! ভূতের ভয় আমার নেই স্যার। কিন্তু হঠাৎ কেন জানি মনে হল, টাইফয়েডে যে-মরেছে হয়তো সে ফিরে এসেছে নর্দমায় মৃত্যুর কারণটা খুঁজতে। ভাবতেই গা ছমছম করে উঠল। ভাবলাম, ফিরে যাই। মার্চারের লণ্ঠন দেখলে ডেকে নিয়ে আসি। কিন্তু কাউকেই দেখলাম না। না মার্চার, না কেউ।

    কেউ ছিল না রাস্তায়?

    জ্যান্ত কেউ ছিল না–কুকুর পর্যন্ত নয়। তাই সাহসে বুক বেঁধে ফিরে এলাম। একটা দরজা ঠেলে ভেতরে ঢুকলাম। কোনো আওয়াজ না-পেয়ে গেলাম যে-ঘরে আলো জ্বলছিল। ম্যান্টল পিসে লাল মোমবাতি জ্বলতে দেখলাম, সেই আলোয় দেখলাম—

    জানি কী দেখলে। ঘরময় কয়েকবার চরকিপাক দিয়ে লাশের পাশে হাঁটু গেড়ে বসে পড়লে। তারপর উঠে গিয়ে রান্নাঘরের দরজা খোলার চেষ্টা করলে

    ভয়ার্ত মুখে ফের লাফিয়ে উঠে সন্দিগ্ধ চোখে শার্লক হোমসের দিকে চেয়ে রান্স বললে, কোথায় লুকিয়ে ছিলেন বলুন তো? আপনি তো দেখছি আমার চাইতে বেশি জানেন?

    হাসতে হাসতে নিজের-নাম-লেখা কার্ডটা টেবিলের উপর দিয়ে কনস্টেবলের দিকে ছুঁড়ে দিল হোমস, দেখো হে, খুনের দায়ে শেষে আমাকেই গ্রেপ্তার করে বোসো না। আমি শিকারীর কুকুর, নেকড়ে নই। মি. গ্রেগসন আর মি. লেসট্রেডকে জিজ্ঞেস করলেই শুনবে খন। আপাতত থেমো না। বলে যাও তারপর কী হল।

    রান্স ফের আসন গ্রহণ করল বটে, কিন্তু রহস্যমদিরতা গেল না চোখ-মুখ থেকে। বললে, গেটে এসে বাঁশি বাজালাম। শুনে দৌড়ে এল মার্চার এবং আরও দু-জন।

    তখনও কি ফাঁকা ছিল না রাস্তা?

    আচ্ছা আমি বলতে কেউ ছিল না।

    তার মানে? কী বলতে চাও?

    দাঁত বার করে হাসল কনস্টেবল, জীবনে অনেক মাতাল দেখেছি স্যার। কিন্তু কেঁদে ভাসিয়ে দেওয়া মাতাল দেখিনি। বেরিয়ে এসে দেখি রেলিংয়ে হেলান দিয়ে দাঁড়িয়ে টলছে আর গলা ছেড়ে কলাম্বাইন্স নিউফ্যানগলড ব্যানার জাতীয় একটা গান গাইছে একটা লোক। টলছে ভীষণভাবে পড়ে যায়নি এই যথেষ্ট।

    কী ধরনের লোক? শুধোল শার্লক হোমস।

    অপ্রাসঙ্গিক আলোচনায় খিটখিটে স্বরে বললে জন রান্স, অসাধারণ মাতাল। হাতে কাজ–থাকলে নির্ঘাত ফাটকে পুরতাম।

    মুখটা দেখেছিলে? পোশাক? অসহিষ্ণু স্বর শার্লক হোমসের।

    দেখেছিলাম বলেই তো মনে হচ্ছে? আমি আর মার্চার ধরাধরি করে খাড়া করে দিয়েছিলাম বলেই দেখেছিলাম। তালঢ্যাঙা, লালচে মুখ, মুখের নীচের দিক মাফলার দিয়ে–

    ওতেই হবে, সজোরে বললে হোমস। কী করলে তাকে নিয়ে?

    ক্ষুব্ধ কণ্ঠে বললে পুলিশম্যান, তাকে নিয়ে মাথা ঘামানোর মতো সময় ছিল না। নিজের বাড়িতেই হয়তো গেছে।

    জামাকাপড় কী পরেছিল?

    ব্রাউন ওভারকোট।

    হাতে চাবুক ছিল?

    চাবুক–না।

    নিশ্চয় রেখে এসেছিল, স্বগতোক্তি করে হোমস। এরপর আর তাকে দেখোনি? গাড়িও চোখে পড়েনি?

    না।

    এই নাও তোমার আধগিনি, উঠে দাঁড়িয়ে টুপি তুলে নিয়ে বললে হোমস।রান্স, জীবনে তুমি প্রমোশন পাবে না। তোমার ওই মাথাটা গয়নার মতো সাজিয়ে রাখা ছাড়া আর কোনো কাজে লাগবে না। কাল রাতেই তুমি সার্জেন্টের স্ট্রাইপ পেয়ে যেতে। যাকে বগলদাবা করে তুলেছিলে, এ-রহস্যের সূত্র তারই হাতে। তাকেই আমরা এখন খুঁজছি। তর্ক করে লাভ নেই! চলে এসো ডাক্তার!

    একইসঙ্গে দুই বন্ধু রওনা হলাম গাড়ি অভিমুখে। অবিশ্বাসভরা চোখে চেয়ে বিষম অস্বস্তির মধ্যে জন রান্স দাঁড়িয়ে রইল পেছনে।

    বাড়ির দিকে ছুটে চলল গাড়ি। ভেতরে বসে তিক্ত কণ্ঠে হোমস বললে, বেটা গাধা কোথাকার! একটার পর একটা ভুল করে গেছে! ভাবতে পার এ-রকম একটা অতুলনীয় সুযোগ হাতের মুঠোর মধ্যে আসা সত্ত্বেও ছেড়ে দিতে পারে কেউ?

    আমি যে বন্ধু এখনও যে-তিমিরে সেই তিমিরেই রয়েছি। এই রহস্যের দ্বিতীয় ব্যক্তির বর্ণনা তুমি একটু আগে দিয়েছ তার সঙ্গে এই লোকটার চেহারা হুবহু মিলে যায় মানছি। কিন্তু মাথায় ঢুকছে না বাড়ি ছেড়ে চম্পট দেওয়ার পর আবার কেন ফিরে এল সে। ক্রিমিন্যালদের স্বভাব কিন্তু তা নয়।

    আংটি… আংটি… আংটির জন্যেই ফিরে আসতে হয়েছে তাকে। আর কোনো পন্থাতেই যদি তার টিকি ধরতে না-পারি–এই আংটির টোপ ফেলেই তাকে ছিপে গাঁথব। ডাক্তার, বাজি ফেলে বলছি, ওকে আমি কবজায় আনবই। কিন্তু ধন্যবাদটা তোমারই প্রাপ্য। কেন জান? তুমি না ঠেলেঠুলে পাঠালে এ-কেসে আমি মাথা গলাতাম না–বঞ্চিত হতাম আমার গবেষক জীবনের শ্রেষ্ঠতম গবেষণা থেকে উজ্জ্বল লাল রঙের খুনের সূত্র–আমাদের কর্তব্য তা আলাদা করে বার করা, রহস্য গ্রন্থিকে সরল করা এবং হাটের মধ্যে প্রহেলিকার হাঁড়ি ভেঙে দেওয়া। আপাতত চলো লাঞ্চ খাই, তারপর শুনব নরম্যান নেরুদার বাজনা। আহা, খাসা হাত ভদ্রমহিলার কায়দাকানুনেরও তুলনা নেই। শোপার সেই সুরটা এত চমৎকার বাজান ট্রা-লা লা-লেরা-লিরা-লে।

    গাড়ির কোণে হেলান দিয়ে ভরত পক্ষীর মতো মনের আনন্দে গান গেয়ে চলল শখের রহস্যসন্ধানী–অ্যামেচার ব্লাড হাউন্ড–আর আমি তন্ময় হয়ে রইলাম মানবমনের বহুমুখী রহস্য নিয়ে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleশার্লক হোমস সমগ্র ২ – অনুবাদ : অদ্রীশ বর্ধন
    Next Article When the World Screamed – Arthur Conan Doyle

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }