Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    শার্লক হোমস সমগ্র ১ – অনুবাদ : অদ্রীশ বর্ধন

    লেখক এক পাতা গল্প813 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৫. বিজ্ঞাপনের জবাবে সাক্ষাৎপ্রার্থী

    আমার শরীর দুর্বল। সকালের ধকলে তাই কাত হয়ে পড়লাম। বিকেলে আর বেরোতে পারলাম না। হোমস একাই গেল কনসার্ট শুনতে। আমি সোফায় শুয়ে ঘণ্টা দুয়েক ঘুমোনোর চেষ্টা করলাম। কিন্তু বৃথাই। বিবিধ ঘটনা প্রবাহে মস্তিষ্ক এতই উত্তপ্ত এবং এতই উত্তেজিত। যে অস্থির হয়ে পড়লাম, অদ্ভুততম কল্পনা আর অনুমানের উৎপাতে। ঘুমোনোর চেষ্টায় প্রতিবার চোখ বোজবার সঙ্গেসঙ্গে মনের চোখে ভেসে উঠল নিহত ব্যক্তির বিকৃত বেবুন-সদৃশ মুখাবয়ব। জ্বলে পুড়ে গেলাম স্মৃতির এই জঘন্য অত্যাচারে। এহেন মুখের মালিককে যে-ব্যক্তি ধরাধাম থেকে সরিয়ে দিয়েছে তাকে মনে মনে ধন্যবাদ না-দিয়ে পারলাম না। অতীব করাল চেহারার পাপ যদি মানুষের চেহারায় কখনো বিমূর্ত হয়ে থাকে, তবে তা ক্লিভল্যান্ড নিবাসী এনক জে ড্রেবারের মুখ। তা সত্ত্বেও পাপীকে সাজা দিতেই হবে। কেননা, লম্পটকেও লাম্পট্যের শাস্তি দিলে না আইন কখনো শাস্তিদাতাকে ক্ষমা করে না।

    ব্যাপারটা নিয়ে যতই মনে মনে তোলপাড় করতে লাগলাম, বন্ধুবরের অনুমিতিটা ততই অসাধারণ মনে হতে লাগল আমার কাছে! ও বলেছিল, লোকটাকে বিষ দিয়ে খুন করা হয়েছে। মনে পড়ল কীভাবে নিহত ব্যক্তির ঠোঁট এঁকেছিল হোমস। বিষ প্রয়োগে হত্যার ধারণাটা ওর মগজে প্রবেশ করেছে নিশ্চয় তখনই। বিষক্রিয়ায় হত্যাই যদি না হয় তবে তো হত্যাটা হল কীভাবে? গলা টেপার চিহ্ন নেই–অস্ত্রাঘাতের ক্ষতও নেই। মেঝের ওপরে রক্তের ওই পুকুরটা তাহলে কার? ধস্তাধস্তির চিহ্ন দেখা যায়নি–নিহত ব্যক্তির কাছেও এমন কোনো অস্ত্র পাওয়া যায়নি যার আঘাতে হত্যাকারীর দেহ থেকে রক্তপাত ঘটতে পারে। বেশ বুঝলাম, এতগুলো ধাঁধার সমাধান না-হওয়া পর্যন্ত ঘুমোনো সম্ভব হবে না আমার পক্ষে হোমসও পারবে না ঘুমোতে। ওর প্রশান্ত আত্মবিশ্বাসী আচরণ থেকেই স্পষ্ট বুঝেছি রহস্যাবলির চাবিকাঠি এর মধ্যে ওর পকেটে পৌঁছে গিয়েছে–মনে মনে ধাঁধার একটা সমাধানও ছকে নিয়েছে কিন্তু সে-সমাধান যে আসলে কী, কিছুতেই তা ভেবে উঠতে পারলাম না।

    হোমস বাড়ি ফিরল কিন্তু অনেক দেরিতে এত দেরি নিশ্চয় শুধু কনসার্ট শোনার জন্যে হয়নি। ডিনার টেবিলে খাবার সাজানো হয়ে যাওয়ার পর আবির্ভাব ঘটল মূর্তিমানের!

    চেয়ার টেনে বসতে বসতে বলল, অপূর্ব! সংগীত সম্বন্ধে ডারউইন কী বলেছিলেন মনে আছে? বলেছিলেন, মানুষের মধ্যে কথা বলার শক্তি আসার অনেক আগেই এসেছিল গান গাওয়ার শক্তি। সেই জন্যেই বোধ হয় সংগীত এত সূক্ষ্মভাবে নাড়া দেয় আমাদের। বিশ্ব যখন শৈশবাবস্থায় তখনকার কুয়াশা ছাওয়া বহু শতাব্দীর স্মৃতি এখনও রয়ে গিয়েছে প্রত্যেকের সত্তায়।

    ধারণাটা খুব ব্যাপক, মন্তব্য করলাম আমি।

    প্রকৃতিকে বোঝাতে গেলে ধারণাটাও প্রকৃতির মতোই ব্যাপক হওয়া দরকার। কী ব্যাপার বল তো? তোমাকে তো খুব স্বাভাবিক মনে হচ্ছে না? ব্রিক্সটন রোড রহস্যে বিচলিত হয়েছ দেখছি।

    সত্যিই হয়েছি, বললাম আমি। আফগান অভিজ্ঞতার পর আমার আরও একটু শক্ত হওয়া উচিত ছিল। কেইওয়ান্দে কচুকাটা হতে দেখেছি কমরেডদের নার্ভ কাঁপেনি একটুও।

    বুঝি। এ-ব্যাপারে এমন একটা রহস্য আছে যা কল্পনাকে উদ্দীপ্ত করবেই। কল্পনা যেখানে নেই, বিভীষিকাও সেখানে নেই। সান্ধ্য দৈনিক দেখেছ?

    না।

    ঘটনাটার পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণ ছেপেছে। শুধু একটা কথা বলেনি। মৃতদেহ তোলবার সময়ে মেয়েলোকের বিয়ের আংটি গড়িয়ে পড়ার ঘটনাটার কোনো উল্লেখ নেই। না-করে ভালোই করেছে।

    কেন?

    এই বিজ্ঞাপনটা দেখলেই বুঝবে। আজ সকালেই ওই কাণ্ড দেখে আসার পর সবক-টা খবরের কাগজে পাঠিয়েছিলাম বিজ্ঞাপনটা!

    কাগজটা ছুঁড়ে আমার দিকে এগিয়ে দিল হোমস। নির্দিষ্ট জায়গাটিতে চোখ বুলোলাম।হারানো প্রাপ্তি স্তম্ভের পয়লা বিজ্ঞাপন।হোয়াইট হার্ট মদ্যশালা আর হল্যান্ড গ্রোভের মাঝের রাস্তায় ব্রিক্সটন রোডে আজ সকালে একটা সোনার সাদাসিদে আংটি পাওয়া গেছে। আজ সন্ধ্যায় ২২১বি, বেকার স্ট্রিটস্থ ডা. ওয়াটসনের সঙ্গে আটটা থেকে ন-টার মধ্যে সাক্ষাৎ করুন।

    তোমার নাম ব্যবহারের জন্য ক্ষমা চাইছি, বললে হোমস। আমার নাম ব্যবহার করলে মুখগুলো চিনতে পারত–সব ভণ্ডুল করে দিত।

    তা ঠিক। কিন্তু ধর যদি কেউ আসে। আংটি তো নেই আমার কাছে।

    আছে বই কী, একটা আংটি আমার হাতে গুঁজে দিয়ে বলল হোমস-এতেই হবে। প্রায় ওইরকমই দেখতে।

    বিজ্ঞাপনে কে সাড়া দেবে বলে মনে হয় তোমার?

    ব্রাউন কোট পরা লালমুখো আমাদের সেই বন্ধুটি–যার জুতোর ডগা চৌকোনা–পায়ের আঙুলও তাই। নিজে না-এলেও স্যাঙাত কাউকে পাঠাবেই।

    আসাটা কিন্তু খুবই বিপজ্জনক তার পক্ষে সে-খেয়াল কি তার নেই বলছ?

    একেবারেই নেই! এ-মামলায় আমি যা ভেবেছি তা যদি ঠিক হয় এবং ঠিক বলেই আমার বিশ্বাস–তাহলে সোনার আংটি ফেরত পাওয়ার জন্যে যেকোনো ঝুঁকি নিতে সে প্রস্তুত। আমার ধারণা মতো, ড্রেবারের মৃতদেহের পাশে দাঁড়িয়ে থাকার সময়ে আংটিটা পড়ে যায়–কিন্তু সে জানত না। বাড়ি ছেড়ে চলে আসার পর যখন সে জানল, দৌড়ে এল আংটি উদ্ধার করতে কিন্তু পারল না পুলিশ দেখে। দোষটা তারই। জ্বলন্ত মোমবাতি রেখে যাওয়ার দরুনই আলো দেখে পুলিশ এসে গিয়েছে। গেটের কাছে অত রাতে তাকে দেখলে পাছে পুলিশের সন্দেহ হয় তাই মদ্যপের অভিনয় করতে হল তৎক্ষণাৎ। এবার তার জায়গায় নিজেকে কল্পনা করো। পুরো ব্যাপারটা গোড়া থেকে নতুন করে ভাবতে গিয়ে এমন ভাবা স্বাভাবিক নয় কি যে আংটিটা হয়তো রাস্তায় কোথায় ফেলেছে… বাড়ির মধ্যে নেই! সেক্ষেত্রে তার কী করা উচিত? হারিয়ে যাওয়া জিনিস যদি কেউ খুঁজে পেয়ে কাগজে বিজ্ঞাপন দেয়, এই আশায় দুরু দুরু বুকে সান্ধ্যদৈনিক দেখা। এই বিজ্ঞাপনটাও সে দেখবে। আনন্দে আটখানা হবে। ফাঁদে পা দিতে চলেছে এ-ধারণা মাথায় আসবে কেন? খুনের সঙ্গে আংটির যে সম্পর্ক থাকতে পারে, এমন কোনো যুক্তি তার মাথায় এলে তো। তাই আসবে। আসতেই হবে। এক ঘণ্টার মধ্যেই এসে পড়বে। দেখা করবে তো?

    তারপর?

    আমার ওপর ছেড়ে দিয়ো ! তোমার হাতিয়ার আছে?

    পুরোনো মিলিটারি রিভলবার আর কয়েকটা কার্তুজ আছে।

    সাফ করে নিয়ে গুলি ভরে রাখ। লোকটা কিন্তু মরিয়া, যদিও ওকে আমি আচমকা কবজায় আনব, তাহলেও খারাপ পরিস্থিতির জন্যে প্রস্তুত থাকা ভালো।

    শোবার ঘরে গিয়ে ওর কথামতো রিভলবারে গুলি ভরে নিলাম। ফিরে এসে দেখি খাবার টেবিল সাফ হয়ে গিয়েছে। হোমস ওর প্রিয়তম বেহালা নিয়ে ঘষামাজা করতে বসেছে।

    আমি ঢুকতেই বললে, ষড়যন্ত্র গভীর হচ্ছে। আমার আমেরিকান টেলিগ্রামের জবাব পেলাম এইমাত্র। এ-মামলা সম্বন্ধে আমার ধারণাই সত্যি।

    কী ধারণা? সাগ্রহে জিজ্ঞাসা করি আমি। নতুন তার লাগালে বেহালার বাজনাটা আরও খুলবে। পিস্তলটা পকেটে রাখ। লোকটা এলে সাধারণভাবে কথাবার্তা বলবে। বাকি যা করবার আমি করব। কটমট করে চেয়ে ভয় পাইয়ে দিয়ো না।

    এখনই তো আটটা বাজে, ঘড়ি দেখে বললাম আমি।

    হ্যাঁ। মিনিট কয়েকের মধ্যেই সে এল বলে। দরজাটা একটু খোলো—ওতেই হবে! চাবিটা ভেতরে রাখো। ধন্যবাদ। এই বইটা গতকাল হঠাৎ পেয়ে গেলাম স্টলে। অদ্ভুত বই। ভীষণ পুরোনো। ১৬৪২ খ্রিস্টাব্দে পোল্যান্ডের লাজে ল্যাটিন ভাষায় ছাপা। বাদামি মলাটে বাঁধানো খুদে এই বই যখন ছাপার হরফে প্রথম বেরোয়, চার্লসের মাথা তখনও খাড়া ঘাড়ের ওপর।

    কে ছেপেছে?

    ফিলিপ দ্য ক্রয়। পুস্তনিতে ফিকে কালি দিয়ে একটা নামও দেখতে পাচ্ছি–উইলিয়াম হোয়াইট। লোকটা কে বুঝতে পারছি না। সপ্তদশ শতাব্দীর অনধিকার চর্চাকারী কোনো আইনবিদ হতে পারে। লেখার মধ্যে আইনের প্যাঁচ আছে। এসে গেছে আমাদের লোক।

    কথা শেষ না হতে হতেই ঢং ঢং করে বেশ জোরে ঘণ্টা বেজে উঠল একতলায়। নিঃশব্দে উঠে দাঁড়াল শার্লক হোমস, চেয়ারটা সরিয়ে নিয়ে গেল দরজার দিকে। হলঘরে পরিচারিকার পায়ের আওয়াজ পেলাম, খট করে ল্যাচ খোলার শব্দও ভেসে এল।

    ড. ওয়াটসন এখানে থাকেন? সুস্পষ্ট কিন্তু কর্কশ কণ্ঠে উচ্চারিত হল প্রশ্নটা। পরিচারিকার উত্তর শুনতে পেলাম না। দরজা বন্ধ হয়ে গেল। কে যেন মচ মচ শব্দে উঠে এল সিঁড়ি বেয়ে। অনিশ্চিত পদক্ষেপ–পা ঘষটে ঘষটে চলার মতো! কান খাড়া করে শুনতে শুনতে অবাক হল হোমস বিস্ময়ের ঢেউ বয়ে গেল চোখ-মুখের ওপর দিয়ে। গলিপথ বেয়ে পদশব্দ আস্তে আস্তে এসে পৌঁছল দরজার সামনে আলতোভাবে কে যেন টোকা মারল দরজায়।

    ভেতরে আসুন বললাম চেঁচিয়ে।

    ঘরে ঢুকল একজন অতি বৃদ্ধা, জরাজীর্ণ, বলিরেখা কুঞ্চিত ভদ্রমহিলা–যার প্রতীক্ষায় বসে থাকা সেই ভয়ংকর দুর্দান্ত ব্যক্তিটি নয়। ঘরের জোরালো আলোয় যেন চোখ ধাঁধিয়ে গেছে বুড়ির এমনিভাবে সৌজন্য বর্ষণটুকু কোনোমতে সেরে নিয়ে ঘোলাটে চোখে পিট পিট করে চেয়ে রইল আমাদের পানে এবং নার্ভাস, কঁপা আঙুলে হাতড়াতে লাগল নিজের পকেট। বন্ধুবরের পানে চেয়ে দেখি মুখখানা ভীষণ নিরাশ করে তুলেছে। অগত্যা নিজের মুখের ভাব ঠিকঠাক রাখার চেষ্টায় ব্যাপৃত হলাম আমি।

    পকেট থেকে সান্ধ্য দৈনিক টেনে বার করে বিজ্ঞাপনটার দিকে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে বুড়ি বলল, এসেছি এই বিজ্ঞাপনটা পড়ে, আর এক দফা সৌজন্য বর্ষণ করে–ব্রিক্সটন রোডে একটা সোনার বিয়ের আংটি পাওয়া গেছে। আংটিটা আমার মেয়ে স্যালির। বারো মাস আগে বিয়ে হয়েছিল ইউনিয়ন জাহাজের ভাণ্ডারীর সঙ্গে। জামাই আমার এমনিতে ভালো, কিন্তু পেটে মদ পড়লে অন্য মানুষ। কাল রাতে স্যালি সার্কাস দেখতে গিয়ে–

    এই আংটিটা? বললাম আমি।

    জয় ভগবান! ঘুমিয়ে বাঁচবে আজকে স্যালি! হা! এই সেই আংটি!

    আপনার ঠিকানা? পেনসিল তুলে নিয়ে বললাম।

    তেরো নম্বর ডানকান স্ট্রিটে, হাউন্ডসডিচ। এখান থেকে বেশ দূরে।

    আচমকা তীক্ষ্ণ্ণ গলায় বলল শার্লক হোমস, সার্কাস আর হাউন্ডসডিচের মাঝামাঝি রাস্তা তো ব্রিক্সটন রোড নয়।

    ঘুরে দাঁড়িয়ে রক্ত বলয় ঘেরা ছোটো চোখে হোমসকে নিরীক্ষণ করে বুড়ি বললে, ইনি আমার ঠিকানা জানতে চেয়েছিলেন। স্যালি থাকে তিন নম্বর মেফিল্ড প্লেস, পেকহ্যাম!

    আপনার নাম?

    সইয়ার। স্যালির নাম ডেনিস–টম ডেনিসকে বিয়ে করার পর। ছেলে ভালো, চটপটে পরিচ্ছন্ন–যতক্ষণ সমুদ্রে থাকে ততক্ষণ! ওরকম ভাণ্ডারী সব জাহাজে পাওয়া যায় না। কিন্তু ডাঙায় এলেই মেয়েদের আর মদের পাল্লায় পড়ে–

    হোমসের ইঙ্গিত লক্ষ করলাম। আংটি বাড়িয়ে দিয়ে বললাম—নিন আপনার জিনিস। মিসেস সইয়ার, এ-আংটি আপনার মেয়েরই। আসল লোকের হাতে ফিরিয়ে দিতে পেরে খুশি হলাম।

    বিড়বিড় করে বিস্তর আশীর্বাদ আর কৃতজ্ঞতা জানিয়ে আংটিটা কাগজে মুড়ে পকেটে রাখল বুড়ি–পা ঘষে ঘষে বেরিয়ে গেল ঘর থেকে বেরোতে-না-বেরোতেই তড়াক করে দাঁড়িয়ে উঠল শার্লক হোমস ছুটে গেল নিজের ঘরে। গলাবন্ধ আর আলস্টার চাপিয়ে ফিরে এল সেকেন্ড কয়েক পরেই। দ্রুতকণ্ঠে বললে, পিছু নিতে হবে দেখছি। বুড়ি নিশ্চয়ই খুনির স্যাঙাত–পেছনে পেছনে গেলেই খুনির দেখা পাব। আমার জন্যে অপেক্ষা কোরো। বুড়ি সদর দরজা দিয়ে বেরিয়ে যাওয়ার পর হলঘরের দরজা বন্ধ হতে-না-হতেই হুড়মুড় করে নেমে গেল শার্লক হোমস। জানালা দিয়ে মুখ বাড়িয়ে দেখলাম, বুড়ি পা টেনে টেনে চলেছে ওদিকের ফুটপাথ দিয়ে! পেছনে কিছু দূরে আঠার মতো লেগে আমার বন্ধুটি। মনে মনেই বললাম–হয় ওর থিয়োরি আগাগোড়া ভুল, আর না হয় রহস্যের নাভিকেন্দ্রে যাওয়ার অভিযান এইবার হল শুরু। আমাকে প্রতীক্ষা করতে না-বললেও চলত। নৈশ-অ্যাডভেঞ্চারের পরিণাম না-শোনা পর্যন্ত ঘুম আমার পক্ষে অসম্ভব।

    ও বেরোল ন-টা নাগাদ! কখন ফিরবে জানি না। তা সত্ত্বেও গ্যাঁট হয়ে বসে পাইপ টানতে লাগলাম আর হেনরি মার্জারের বই পড়তে লাগলাম। দশটা বাজল, পায়ের আওয়াজ শুনে বুঝলাম শুতে গেল পরিচারিকা। এগারোটায় শুনলাম বাড়িউলির ভারিক্কি পদধ্বনি–আমার দরজার সামনে দিয়ে গেল শোবার ঘরের দিকে। বারোটা বাজতে যখন কয়েক মিনিট বাকি, ল্যাচে চাবি ঘোরানোর তীক্ষ্ণ্ণ শব্দ ভেসে এল উপরে। ঘরে ঢুকতেই হোমসের মুখ দেখে বুঝলাম সফল হয়নি অভিযান। নৈরাশ্য আর কৌতুকের মধ্যে লড়াই লেগেছে মুখখানাকে পুরোপুরি দখলে রাখার। হঠাৎ শেষকালে জিতে গেল কৌতুক। বিষম মজায় প্রাণ খুলে অট্টহেসে ফেটে পড়ল শার্লক হোমস।

    চেয়ারে ধপাস করে বসে পড়ে বললে, মরে গেলেও এ-খবর স্কটল্যান্ড ইয়ার্ডের কানে তুলতে পারব না। ওদের এত টিটকিরি দিয়েছি যে এই একটা সুযোগ পেলে সুদে-আসলে উশুল করে নেবে। আমি হাসছি, কেননা আমি জানি শেষ পর্যন্ত আমি জিতবই।

    কী হয়েছে বলবে তো।

    বলতে গেলে আমার কেচ্ছাই আমাকে বলতে হয়। তাতে অবশ্য পরোয়া করি না। ওই যে-প্রাণীটা বিদেয় হল এ-ঘর থেকে, কিছুদূর যাওয়ার পর এমন খোঁড়াতে লাগল যে বেশ বুঝলাম পায়ের পাতায় ঘা হয়ে গিয়েছে। শেষকালে আর হাঁটতে না-পেরে হাতছানি দিয়ে দাঁড় করালে একটা চার চাকার চলন্ত ঘোড়ার গাড়ি। আমি ঠিক পাশটিতে গিয়ে কানখাড়া করলাম কোচোয়ানকে কোথায় যেতে বলে শোনবার জন্যে। অবশ্য তার দরকার ছিল না। ঠিকানাটা এত জোরে বলল বুড়ি যে ওপাশের ফুটপাথে থেকেও নিশ্চয় স্পষ্ট শোনা গিয়েছিল।

    তেরো নম্বর ডানকান স্ট্রিট, হাউন্ডসডিচে চলো। বুড়ি তাহলে সত্যিই বলেছে। ভেতরে উঠে বসতেই আমি জায়গা করে নিলাম পেছনে। এটাও একটা আর্ট–সব ডিটেকটিভের রপ্ত হওয়া উচিত। গন্তব্যস্থানে না-পৌছানো পর্যন্ত একবারও লাগামটান দিল না কোচোয়ান, ঊর্ধ্বশ্বাসে গেল ডানকান স্ট্রিটে। তেরো নম্বরের দরজা আসার আগেই টুপ করে নেমে পড়লাম গাড়ির পেছন থেকে, তারপর গজেন্দ্র গমনে হেঁটে গেলাম পথটা। লাফিয়ে নেমে দরজা খুলে ধরল কোচোয়ান–দূর থেকেই দেখলাম ভেতরের লোকের বাইরে আসার প্রত্যাশায় দাঁড়িয়ে আছে তো আছেই। কিন্তু কেউ এল না বাইরে। কাছাকাছি গিয়ে দেখলাম পাগলের মতো হাতড়াচ্ছে শূন্য গাড়ির আসন, আর এমন সব বাছা বাছা খিস্তি ছাড়ছে যা জীবনে আমি শুনিনি। প্যাসেঞ্জারের টিকি দেখা যাচ্ছে না–সে যে গাড়ির মধ্যে এসেছে এমন কোনো চিহ্নও নেই। ভাড়া পেতে এখন বেশ কিছুদিন সবুর করতে হবে কোচোয়ান বেচারাকে। তেরো নম্বর বাড়ির মধ্যে খোঁজ নিয়ে জানলাম সইয়ার বা ডেনিস বলে কেউ কস্মিনকালেও সেখানে থাকেনি। বাড়ির মালিক একজন মান্যগণ্য ব্যবসাদার—ঘরের দেওয়ালে কাগজ সাঁটার কারবার আছে।

    সবিস্ময়ে বললাম, বলছ কী! ওইরকম একটা থুথুরে শণের বুড়ি চলন্ত গাড়ি থেকে। লাফিয়ে নেমে গেল অথচ তোমার বা কোচোয়ানের চোখে পড়ল না?

    থুথুরে বুড়ির কথায় আগুন! খ্যাক করে উঠল শার্লক হোমস।বুড়ি বলে যাকে ভেবেছি আসলে সে বুড়িই নয়–জোয়ান ছোঁড়া এবং পাক্কা অভিনেতা। ছদ্মবেশখানা কী নিয়েছিল বল? জবাব নেই। ও দেখেছে আমি পিছু নিয়েছি, তাই সটকান দিয়েছে এইভাবে। এতেই বোঝা গেল লোকটাকে যতখানি নিঃসঙ্গ ভেবেছিলাম ততখানি সে নয়। তার সঙ্গীসাথী আছে–এমন সঙ্গী যারা দরকার মতো বিরাট ঝুঁকিও নিতে পারে তার জন্যে। ডাক্তার, বড্ড কাহিল দেখাচ্ছে তোমাকে। যাও, এবার শুয়ে পড়ো।

    সত্যিই বড্ড ক্লান্তি বোধ করছিলাম। তাই ওর হুকুম শিরোধার্য করলাম। সধূম আগুনের সামনে বন্ধুবরকে বসিয়ে রেখে গেলাম শোবার ঘরে। অনেক রাত পর্যন্ত ঘুমের ঘোরেও শুনলাম বেহালার তারে ছড়ি টেনে চলেছে হোমস। নীচু গ্রামে বাজাচ্ছে বড়ো বিষণ্ণ সুর। বুঝলাম অদ্ভুত সমস্যায় এখনও নিমগ্ন রয়েছে শার্লক হোমস।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleশার্লক হোমস সমগ্র ২ – অনুবাদ : অদ্রীশ বর্ধন
    Next Article When the World Screamed – Arthur Conan Doyle

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }