Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    শার্লক হোমস সমগ্র ১ – অনুবাদ : অদ্রীশ বর্ধন

    লেখক এক পাতা গল্প813 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৬. কেরামতি দেখাল টোবিয়াস গ্রেগসন

    পরের দিন সকালে সবক-টা খবরের কাগজে ফলাও করে ছাপা হল ব্রিক্সটন মিস্ত্রির চাঞ্চল্যকর সংবাদ। লম্বা লম্বা বিবরণ ছাপল প্রত্যেকেই কেউ কেউ সম্পাদকীয় পর্যন্ত লিখে ফেলল। কতকগুলো তথ্য আমার কাছেও নতুন। কেসটা সম্পর্কে অসংখ্য পেপার কাটিং এখনও রয়েছে। আমার স্ক্র্যাপবুকে। কয়েকটার সংক্ষিপ্তসার নীচে তুলে দিলাম :-

    ডেলি টেলিগ্রাফ-এর মন্তব্য অনুসারে অপরাধ ইতিহাসে কদাচিৎ এরকম বৈচিত্র্যময় ট্রাজেডি দেখা গিয়েছে। দেওয়ালের পৈশাচিক লিখন, মোটিভের অভাব এবং নিহত ব্যক্তির জার্মান নাম কিন্তু রাজনৈতিক আশ্রিত এবং বিপ্লবীদের দিকেই আঙুল দেখাচ্ছে। সমাজবাদীদের বহু শাখা আছে আমেরিকার। নিহত ব্যক্তি নিশ্চয় অলিখিত কোনো আইন ভঙ্গ করেছিল। তাই ইংল্যান্ড পর্যন্ত ধাওয়া করা হয়েছে তাকে। শেষ পর্যন্ত বেশ উজ্জ্বলভাবে ডারউইনের থিয়োরি, ম্যালথাসের সূত্র, র্যাটক্লিফ রাজপথ নরহত্যার উল্লেখ করে সরকারের পিণ্ডি চটকে এবং ইংল্যান্ডে পরদেশিদের ওপর সজাগ রাখার উপদেশ দিয়ে শেষ করা হয়েছে প্রবন্ধ।

    স্ট্যান্ডার্ড পত্রিকায় একহাত নেওয়া হয়েছে উদার শাসনব্যবস্থাকে –এর ফলেই নাকি বেড়ে ওঠে আইন ভঙ্গকারিরা। জনগণের অনিশ্চিত মানসিকতা এবং কর্তৃপক্ষের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে এরা মাথাচাড়া দেয়। নিহত ব্যক্তি একজন মার্কিন ভদ্রলোক! লন্ডন শহরে বাস করছিলেন বেশ কয়েক সপ্তাহ ধরে। ম্যাডাম চারপেনটিয়ারের একটা বোর্ডিং হাউস আছে ক্যামবারওয়েলের টর্কটেরেস অঞ্চলে। নিহত ব্যক্তি উঠেছিলেন সেখানে। পর্যটন সাথী ছিল তাঁরই সেক্রেটারি জোসেফ স্ট্র্যানজারসন। চৌঠা মঙ্গলবার বাড়িউলির কাছে বিদায় নিয়ে দু-জনেই অস্টিন স্টেশন অভিমুখে রওনা হয়েছিলেন লিভারপুল এক্সপ্রেস ধরার অভিপ্রায়ে। পরে দু-জনকেই প্ল্যাটফর্মে একত্রে দেখা গিয়েছে। এরপর থেকে মি. ড্রেবারের লাশ পাওয়া পর্যন্ত আর কোনো খবর পাওয়া যায়নি। লাশ পাওয়া গিয়েছে কিন্তু ব্রিক্সটল রোডের একটি শূন্যভবনে ইউস্টন স্টেশন থেকে বহু মাইল দূরে! কীভাবে মি. ড্রেবার সেখানে পৌঁছেছিলেন এবং কীভাবেই-বা মৃত্যুকে বরণ করেছিলেন। এখনও তা রহস্যাবৃত। স্ট্যানজারসনের গতিবিধিও রহস্যাবৃত কোনো খবর নেই। আনন্দের কথা স্কটল্যান্ড ইয়ার্ডের মি. লেসট্রেড এবং মি. গ্রেগসন দু-জনেই এই কেসের দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন। সুতরাং নিশ্চিতভাবে আশা করা যায়, স্বনামধন্য এই দুই অফিসারের তৎপরতায় অচিরেই রহস্যগ্রন্থি উন্মোচিত হবে এবং দুষ্কৃতকারী ধরা পড়বে।

    ডেলি নিউজ পত্রিকার পর্যবেক্ষণ অনুসারে অপরাধটা নিঃসন্দেহে রাজনৈতিক। উদারনীতির অত্যাচারে মহাদেশীয় সরকার তাড়িত বহু ব্যক্তি আশ্রয় নিয়েছে আমাদের ভূমিতে–স্বৈরতন্ত্র আর ঘৃণার স্মৃতি ভুলতে পারলে আদর্শ নাগরিক হতে পারত এরা প্রত্যেকেই। কঠোর নিয়মানুবর্তিতার অধীন এরা এতটুকু লঙ্ঘন ঘটলেই শাস্তি মৃত্যু। সেক্রেটারি স্টারজারসনকে যেভাবেই হোক খুঁজে বার করা দরকার। নিহত ব্যক্তির বিশেষ কী কী অভ্যেস ছিল, সে-সম্বন্ধেও তদন্ত করা প্রয়োজন। বোর্ডিং হাউসের ঠিকানা পাওয়ার কাজ অনেক এগিয়েছে। বিরাট এই আবিষ্কারের সমস্ত কৃতিত্বই প্রাপ্য অবশ্য স্কটল্যান্ড ইয়ার্ডের মি. গ্রেগসনের। তাঁর উদ্যম আর অধ্যবসায়ের ফলেই নিহত ব্যক্তির সাময়িক আস্তানার হদিশ মিলেছে।

    প্রাতরাশ খেতে খেতে আমি আর শার্লক হোমস একত্রে পড়লাম খবরগুলো। দেখলাম, সন্দেশ বৈচিত্র্যে বেশ মজা পেয়েছে বন্ধুবর।

    বলিনি তোমাকে, যাই ঘটুক না কেন লেসট্রেড আর গ্রেগসন বাহবা লুটে বেরিয়ে যাবে।

    কেস কী দাঁড়ায় দ্যাখ, কে কত বাহবা ললাটে তখন দেখা যাবে।

    তোমার মুখে ফুল চন্দন পড়ুক। কিন্তু তাতেও কিছু হবে না। খুনি ধরা পড়লেও ওরা বাহবা পাবে, না-পড়লেও পাবে। ধরা যদি পড়ে সবাই বলবে ওদের খাটনির জন্যেই তা হয়েছে। না-পড়লে বলবে, খাটনি সত্ত্বেও খুনি পগার পার হয়েছে। টস করার মতো আর কি! এ-পিঠ পড়লে আমার লাভ, ও-পিঠ পড়লে তোমার হার।

    এ আবার কী! চমকে উঠলাম। হল ঘরে আর সিঁড়ির ওপর অকস্মাৎ অনেকগুলো পায়ের আওয়াজ। সেইসঙ্গে তারস্বরে বিরক্তি ঘোষণা করছেন বাড়িউলি।

    ডিটেকটিভ পুলিশ ফোর্সের বেকার স্ট্রিট বাহিনী আসছে, গম্ভীরভাবে বললে বন্ধুবর এবং কথার মাঝেই হুড়মুড় করে ঢুকে পড়ল আধ ডজন নোংরা রাস্তার ছেলে। জীবনে এ-রকম ছেড়া জামাকাপড় পরা আর এত নোংরা মায়ে-খেদানো বাপে-তাড়াননা রাস্তার ছেলে দেখিনি।

    অ্যাটেনশন!তীক্ষ গলায় চিৎকার করে উঠল হোমস! তৎক্ষণাৎ ছ-টা কাদামাখা স্কাউড্রেল সারি দিয়ে সামরিক কায়দায় দাঁড়িয়ে গেল আধ ডজন ভাঙাচোরা কদর্য পাথরের মূর্তির মতো। এরপর থেকে শুধু উইগিন্সকে পাঠাবি খবর দিতে বাদবাকি দাঁড়াবি রাস্তায়। উইগিন্স, পেয়েছিস?

    একটা উঞ্ছ বলে, আজ্ঞে না, পেলাম না।

    জানতাম পাবি না। না-পাওয়া পর্যন্ত চেষ্টা চালিয়ে যা। এই নে তোদের রোজ। প্রত্যেকের হাতে একটা শিলিং দিয়ে যা এবার বেরো। এর পরের বার আরও ভালো খবর নিয়ে তবে আসবি।

    হাত নাড়তেই একপাল ধেড়ে ইঁদুরের মতো খসখস মড়মড় দুমদাম শব্দে ছোঁড়াগুলো নেমে গেল সিঁড়ি বেয়ে। পরমুহূর্তে রাস্তা থেকে ভেসে এল সরু তীক্ষ্ণ কচি গলার চিৎকার।

    হোমস বললে, এক ডজন পুলিশ চর যা না-পারে, এদের একজন তা পারে। পুলিশি চেহারা দেখলেই মুখে চাবি দেয় প্রত্যেকেই। কিন্তু এরা সর্বত্র যায়, সবার কথা শোনে। ছুঁচের মতো তীক্ষ্ণ্ণ প্রত্যেকেই শুধু দরকার সংগঠনের।

    ব্রিক্সটন কেসে এদের লাগিয়েছ বুঝি?

    হ্যাঁ। একটা ব্যাপার আমি যাচাই করতে চাই। একটু যা সময় লাগবে। আরে! আরে! এবার কিন্তু আরও খবর আসছে–সেইসঙ্গে লাঞ্ছনা। গ্রেগসন আসছে। রাস্তা দিয়ে হাঁটছে দেখ! স্বর্গসুখ যেন উথলে উঠছে পা থেকে মাথা পর্যন্ত! নিশ্চয় আমাদের কাছেই আসছে। ঠিক ধরেছি! ওই দ্যাখো দাঁড়িয়ে গেল। ওই আসছে!

    বিষম শব্দে বেজে উঠল দরজার ঘণ্টা। পরমুহূর্তেই এক এক লাফে তিনটে করে ধাপ টপকে সিঁড়ি বেয়ে উঠে এসে উল্কার মতো বসবার ঘরে ঢুকে পড়ল সাদা চুলা ডিটেকটিভ।

    উষ্ণ অভ্যর্থনার ধার দিয়ে গেল না হোমস। গ্রেগসন কিন্তু ওর নিঃসাড় হাতখানা খপ করে তুলে নিয়ে করমর্দন করতে করতে বললে সোল্লাসে, মাই ডিয়ার মি. হোমস, অভিনন্দন জানান! পুরো ব্যাপারটা দিনের আলোর মতো পরিষ্কার করে এনেছি!

    হোমসের ভাবসমৃদ্ধ মুখের ওপর দিয়ে চকিতে ভেসে গেল উদবেগের কালোছায়া।

    বললে, ঠিক লাইন ধরে ফেলেছ?

    ঠিক লাইন কী বলছেন। আরে মশাই, খুনিকে হাজতে পুরে এসেছি। নাম কী তার?

    আর্থার চারপেনটিয়ার। নৌবাহিনীর সাব লেফটেন্যান্ট। মোটা মোটা দু-হাত ঘষে আর বুক ফুলিয়ে আত্মম্ভরিতায় যেন ফেটে পড়ল গ্রেগসন!

    স্বস্তির নিশ্বাস ফেলে বাঁচল শার্লক হোমস।

    বোসো। নাও, এই চুরুটটা টেনে দেখতে পার। কীভাবে জাল গুটিয়ে আনলে শুনতে ইচ্ছে যাচ্ছে। হুইস্কি আর জল চলবে?

    আপত্তি নেই। দিন দুয়েক প্রচণ্ড ধকল গেছে–হুইস্কির দরকার হয়েছে বই কী। শারীরিক নয়, মানসিক। টানাপোড়েনে শেষ করে এসেছি। মি. শার্লক হোমস, এ-খাটনি যে কী জিনিস তা আপনি বুঝবেন, কেননা আপনি আমি দু-জনেই মগজ খাঁটিয়ে খাচ্ছি!

    খুব বেশি সম্মান দিয়ে ফেললে আমাকে, গম্ভীরভাবে বললে হোমস।এখন বল অতীব সন্তোষজনক এহেন সমাপ্তি সম্ভব হল কীভাবে।

    আর্মচেয়ারে বসল ডিটেকটিভ। নির্লিপ্তভাবে সুখটান দিল চুরুটে। আচমকা বিষম কৌতুকে যেন ফেটে পড়ল সশব্দে উরুতে চপেটাঘাত করে।

    বললে সোল্লাসে, মজাটা কি জানেন? হাঁদারাম লেসট্রেড নিজেকে বড্ড বেশি চালাকচতুর মনে করে তো, তাই গোড়া থেকেই ছুটেছে ভুল পথে। ও দৌড়েছে সেক্রেটারি স্ট্যানজারসনকে পাকড়াও করতে, অথচ সে-লোকটা মায়ের পেটের বাচ্চার মতোই অমলিন, নির্দোষ। এতক্ষণে বোধ হয় তাকে গ্রেপ্তারও করে ফেলেছে।

    দৃশ্যটা কল্পনা করে এত সুড়সুড়ি অনুভব করলে গ্রেগসন যে বিষম না-খাওয়া পর্যন্ত হেসেই চলল আপন মনে।

    তোমার সূত্র পেলে কীভাবে বল?

    বলব, বলব, আপনাকে সব বলব। ডক্টর ওয়াটসন, এসব কথা কিন্তু এই ক-জনের মধ্যেই সীমিত থাকবে। প্রথম সমস্যাটা হল গিয়ে আমেরিকান ভদ্রলোকের পূর্ব পরিচয়। আর কেউ হলে বিজ্ঞাপনের জবাব আসার অপেক্ষায় অথবা স্বেচ্ছায় কারো বলে যাওয়ার পথ চেয়ে হাত গুটিয়ে বসে থাকত। কিন্তু টোবিয়াস গ্রেগসনের কাজের ধারাই আলাদা। মনে আছে মৃত ব্যক্তির পাশে একটা টুপি পড়ে ছিল?

    হা মনে আছে। ১২৯ নম্বর ক্যাম্বারওয়েল রোডের জন আন্ডারউড অ্যান্ড সন্স কোম্পানির তৈরি টুপি। বললে হোমস।

    চোয়াল স্কুলে পড়ল গ্রেগসনের।

    আপনিও যে লক্ষ করেছেন জানতাম না। গেছিলেন নাকি ওখানে।

    না।

    হা! হাঁফ ছেড়ে বাঁচল যেন গ্রেগসন। সুযোগ যত ক্ষুদ্রই মনে হোক না কেন, কখনো তা পায়ে ঠেলবেন না।

    বৃহৎ মনের কাছে ক্ষুদ্র বলে কিছুই নেই, অর্থপূর্ণ ভাবে বললে হোমস।

    যাই হোক, আন্ডারউড়ে গিয়েছিলাম আমি। দোকানদারকে জিজ্ঞেস করলাম এই মাপের এই চেহারার টুপি কাউকে বিক্রি করেছে কিনা। খাতাপত্র দেখে তৎক্ষণাৎ বলে দিল নাম আর ঠিকানা। টুপিখানা পাঠিয়েছিল টর্ক টেরেসের চাপেন্টিয়ার বোর্ডিং নিবাসী মি. ড্রেবারের কাছে। এইভাবেই পেলাম ঠিকানা।

    স্মার্ট–অত্যন্ত স্মার্ট। বিড়বিড় করে বললে শার্লক হোমস।

    এরপর দেখা করলাম ম্যাডাম চাপেন্টিয়ারের সঙ্গে। দেখলাম মুখ শুকিয়ে আমসি হয়ে গিয়েছে ভদ্রমহিলাও খুব বিমর্ষ আর উদবিগ্ন! ভদ্রমহিলার মেয়েও ছিল ঘরের মধ্যে। ভারি চমৎকার মেয়ে–এক কথায় অসাধারণ! চোখ লাল। আমার কথা শুনে জবাব দিতে গিয়ে ঠোঁট কাঁপতে লাগল। কিছুই নজর এড়াল না আমার। এ-অনুভূতি আপনি বুঝবেন মি. শার্লক হোমস। ঠিক গন্ধটি পেলে কীরকম একটা রোমাঞ্চ জাগে স্নায়ুর মধ্যে। জিজ্ঞেস করলাম, আপনাদের ভূতপূর্ব বোর্ডার ক্লিভল্যান্ড নিবাসী মি. এনক জে ড্রেবারের রহস্যজনক মৃত্যুর খবর পেয়েছেন?

    মা মাথা নেড়ে হ্যাঁ বললেন বটে, কিন্তু কথা বলতে পারলেন না। হু-হু করে কেঁদে ফেলল মেয়েটা। বুঝলাম এরা দুজনেই এ-ব্যাপারের অনেক কিছু জানে।

    জিজ্ঞেস করলাম, ট্রেন ধরবার জন্যে ক-টার সময়ে বাড়ি ছেড়ে বেরিয়েছিলেন মি. ড্রেবার?

    আটটায়, উগত উত্তেজনাকে হাত দিয়ে গলায় ধরে রেখে বললে মেয়েটা। দুটো ট্রেন ছিল–বললেন ওঁর সেক্রেটারি মি. স্ট্যানজারসন। সোয়া ন-টায় আর এগারোটায়! উনি প্রথম ট্রেনটা ধরতে চেয়েছিলেন।

    তারপর আর ওঁকে দেখেননি?

    প্রশ্ন শুনেই ভয়ংকর পরিবর্তন লক্ষ করলাম ভদ্রমহিলার চোখে-মুখে। লাল হয়ে গেলেন।

    না শব্দটুকু উচ্চারণ করতেই সময় নিলেন অনেকক্ষণ–তা-ও অস্বাভাবিক চাপা সুরে।

    কিছুক্ষণ সব চুপচাপ। তারপর শান্ত গলায় বললে মেয়ে, মিথ্যে বলে লাভ নেই মা, এঁকে সব খুলেই বলাই দরকার! হ্যাঁ, মি. ড্রেবারকে আবার দেখেছিলাম আমরা।

    একী সর্বনাশ করলি। ককিয়ে উঠলেন ম্যাডাম চাপেন্টিয়ার, দু-হাত শূন্যে ছুঁড়ে এলিয়ে পড়লেন, চোয়াড়ে দাদাকে খুন করলি শেষকালে।

    সত্যি না-বললে বরং আর্থারই খুন করত সবাইকে। দৃঢ় কণ্ঠে জবাব দিল মেয়ে।

    আমি বললাম, খুলে বলুন। পেটে অর্ধেক মুখে অর্ধেক আরও খারাপ। তা ছাড়া, আপনারা যে কতটা জানেন তাও তো জানেন না!

    অ্যালিস, তোর জন্যেই এই সর্বনাশ হল! শিউরে উঠলেন মা। তারপরেই ফিরলেন আমার দিকে। বললেন, ঠিক আছে, আমিই সব বলছি; ভাববেন না যেন ছেলে এই সাংঘাতিক ব্যাপারে জড়িয়ে আছে বলে ভয়ের চোটে বলছি। সে নির্দোষ একেবারেই। আমার ভয় কেবল আপনাদের চোখকে আর আইনের চোখকে ও-চোখে হয়তো বেচারা দোষী সাব্যস্ত হয়ে যেতে পারে। অবশ্য তা অসম্ভব। ওর পূর্ব পরিচয়, ওর পেশা, ওর চরিত্রে এ-কাজ সম্ভব নয়।

    খুলে বলুন, কিছু লুকোবেন না। যদি সে নিরপরাধ হয়, আমার ওপর ভরসা রাখুন। বললাম আমি।

    অ্যালিস, তুই বাইরে যা, মায়ের হুকুমে বেরিয়ে গেল মেয়ে। মেয়ে বেফঁস কথা না-বলে বসলে কিছুই বলতাম না। কিন্তু বলব বলে যখন ঠিক করেছি, কিছুই বাদ দোব না–সব বলব।

    সোজা পথ কিন্তু সেইটাই, বললাম আমি।

    হপ্তা তিনেক হল মি. ড্রেবার ছিলেন আমাদের সঙ্গে। মহাদেশ পর্যটনে বেরিয়েছেন দু-জনে উনি আর সেক্রেটারি মি. স্ট্যানজারসন। ওঁদের দুজনেরই ট্রাঙ্কে কোপেনহেগেন লেখা লেবেল দেখেছি। অর্থাৎ দু-জনেই লন্ডন আসার আগে কোপেনহেগেনে ছিলেন। স্ট্যানজারসন লোকটা অল্পভাষী, সংযত, শান্ত। কিন্তু তার অন্নদাতাটি ঠিক উলটো। হাবভাব চাষাড়ে, কথাবার্তা পাশবিক। সূক্ষ্মতার বালাই নেই–সবই ভুল। যেদিন এলেন সেই রাতেই বেহেড মাতাল হলেন আকণ্ঠ মদ গিলে–পরের দিন বারোটার মধ্যেই আর মানুষ পদবাচ্য রইলেন না। পরিচারিকাদের সঙ্গে দহরম-মহরম যদি দেখতেন! সবচেয়ে বিশ্রী হল ভদ্রলোক দু-দিনেই ঠিক একই ব্যবহার শুরু করলেন আমার মেয়ে অ্যালিসের সঙ্গে এবং একাধিকবার এমন সব কথা বলে বসলেন সৌভাগ্যক্রমে যার মানে বোঝার বয়স এখনও আমার মেয়ের হয়নি। একবার তো হাত ধরে অ্যালিসকে টেনে নিয়ে বুকে জড়িয়ে ধরেছিলেন। সেক্রেটারি এই নিয়ে কিন্তু যথেষ্ট বকাঝকা করেছিল অন্নদাতাকে। এ কী বর্বরতা!

    আমি তখন জিজ্ঞেস করলাম, সহ্য করলেন কেন? পছন্দ না-হলে বোর্ডারকে বিদেয় করার অধিকার নিশ্চয় আপনার আছে?

    মোক্ষম প্রশ্ন শুনে মুখ লাল করে ফেললেন মিসেস চারপেন্টিয়ার। বললেন, যেদিন এসেছিলেন সেদিনই বিদায় করা উচিত ছিল। কিন্তু কী জানেন, পারিনি শুধু একটা প্রলোভনের জন্যে। মাথাপিছু এক এক পাউন্ড প্রতিদিন সাত দিনে চোদ্দো পাউন্ড। বছরের এ সময়ে বোর্ডিং হাউস ফাঁকা যায় চোদ্দো পাউন্ড তাই কম কথা নয়। আমি বিধবা মানুষ, এক ছেলেকে নৌবাহিনীতে ঢোকাতে গিয়ে দেউলে হতে বসেছি। তাই অতগুলো টাকা ছাড়তে পারিনি। সব সহ্য করে যাচ্ছিলাম–শেষেরটা বাদে। নোটিশ দিলাম। বলে দিলাম অমন অসভ্য বোর্ডার দরকার নেই। ওঁরা বিদেয় হয়েছিলেন এইজন্যেই।

    তারপর?

    গাড়ি হাঁকিয়ে সত্যি সত্যিই বিদেয় হতে মনটা বেশ হালকা হয়ে গেল। ছেলে এখন ছুটিতে রয়েছে। এসব কথা ওর কানে তুলিনি ওর বদমেজাজের জন্যে তার ওপরে বোন-অন্ত প্রাণ। তাই মি. ড্রেবারকে বিদেয় করে দিয়ে দরজা বন্ধ করে যেন হাঁফ ছেড়ে বাঁচলাম। কিন্তু কী কপাল দেখুন, এক ঘন্টা যেতে-না-যেতে ফের বেজে উঠল ঘণ্টা খবর এল ড্রেবার ফিরে এসেছেন। ভীষণ উত্তেজিত এবং চুরচুরে মাতাল অবস্থায়। মেয়েকে নিয়ে যে-ঘরে বসেছিলাম, জোর করে ঢুকে পড়লেন সে-ঘরে। ট্রেন ফেল করার অজুহাতস্বরূপ অসংলগ্নভাবে অনেক কথা বলবার পর ঘুরে দাঁড়ালেন অ্যালিসের দিকে। আমার সামনেই প্রস্তাব করলেন অ্যালিসকে সেই মুহূর্তে যেন তার সঙ্গে বাড়ি ছেড়ে পালায়। বললেন, তুমি এখন প্রাপ্তবয়স্কা—তোমাকে আটকে রাখার আইন দেশে নেই। আমার অনেক টাকা খরচ করতে চাই। এ-বুড়িটার কথা ভেবো না। বেরিয়ে এসো আমার সঙ্গে! রানি বানিয়ে রাখব তোমাকে। ভীষণ ভয়ে কুঁকড়ে সরে যেতে চাইল অ্যালিস বেচারা, কিন্তু মি. ড্রেবার ওর হাত ধরে হিড় হিড় করে টেনে নিয়ে চললেন দরজার দিকে। গলা ফাটিয়ে চেঁচিয়ে উঠলাম আমি। ঠিক সেই মুহূর্তে ঘরে ঢুকল আমার ছেলে আর্থার। তারপর কী হয়েছে জানি না। গালিগালাজ আর ধস্তাধস্তির আওয়াজটুকু কেবল মনে আছে। আতঙ্কে কাঠ হয়ে গিয়ে মাথা পর্যন্ত তুলতে পারিনি। তোলবার পর দেখলাম দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে হাঁপাচ্ছে আর্থার হাতে একটা লাঠি। বললে, এ-পথ আর মাড়াবে বলে মনে হয় না। তবুও পেছন পেছন গিয়ে দেখে আসা যাক শেষটা। টুপি নিয়ে রাস্তায় নেমে গেল আর্থার। পরের দিন সকালে মি. ড্রেবারের রহস্যজনক মৃত্যুর খবর শুনলাম।

    অনেক খাবি খেয়ে অনেকবার থেমে নিজের মুখে বিবৃতিটা দিলেন মিসেস চার্পেন্টিয়ার। মাঝে মাঝে গলার স্বর এমন থেমে গেল যে স্পষ্টভাবে শব্দগুলো শুনতে পেলাম না। পাছে ভুল হয়, তাই প্রত্যেকটা কথা শর্টহ্যান্ডে° লিখে নিলাম আমার নোটবইতে।

    হাই তুলে শার্লক হোমস বলল, খুব উত্তেজক বিবৃতি! তারপর কী হল বল।

    মিসেস চার্পেন্টিয়ারের সব কথা শোনবার পর দেখলাম পুরো কেসটাই নির্ভর করছে একটা পয়েন্টের ওপর। বিশেষ এক কায়দায় মেয়েদের দিকে চেয়ে জেরা করে অনেকবার সুফল। পেয়েছি আমি। মিসেস চাপেন্টিয়ারের দিকে সেভাবে চেয়ে অনেক কথা জিজ্ঞেস করলাম, তার ছেলে বাড়ি ফিরেছিল কখন।

    জানি না, বললেন ভদ্রমহিলা।

    জানেন না?

    না; ওর কাছে ল্যাচের চাবি থাকে। নিজেই বাড়ি ফিরেছিল।

    আপনি শুয়ে পড়ার পর?

    হ্যাঁ।

    কখন শুয়েছিলেন আপনি?

    এগারোটা নাগাদ।

    আপনার ছেলে তাহলে কমসেকম দু-ঘণ্টা বাইরে ছিল?

    হ্যাঁ!

    চার পাঁচ ঘণ্টাও হতে পারে।

    তা পারে।

    কী করছিল অতক্ষণ?

    জানি না, বলতে বলতে ঠোঁট সাদা হয়ে গেল ভদ্রমহিলার।

    এরপর আর কিছু করার ছিল না। লেফটেন্যান্ট চার্পেন্টিয়ার কোথায় আছে জেনে নিয়ে দু-জন অফিসারের সঙ্গে সেখানে গিয়ে গ্রেপ্তার করলাম তাকে। কাঁধে হাত দিয়ে যেই বলেছি চেঁচামেচি না-করে চুপচাপ সঙ্গে আসতে, অমনি বুক ফুলিয়ে তেজ দেখিয়ে বললে স্কাউড্রেল ড্রেবারের মৃত্যুর সঙ্গে জড়িত থাকার সন্দেহে নিশ্চয় গ্রেপ্তার করছেন? কী জন্যে গ্রেপ্তার করছি কিছুই বলিনি। তা সত্ত্বেও নিজে থেকেই প্রসঙ্গটা উল্লেখ করা খুবই সন্দেহজনক।

    খুবই, বললে হোমস।

    লাঠিটা সঙ্গেই ছিল। ভারী লাঠি। ড্রেবারের পেছন পেছন যাওয়ার সময়ে নিয়ে বেরিয়েছিল মা নিজে বলেছেন। বেশ মোটা ওক কাঠের মুগুর!

    তোমার থিয়োরিটা তাহলে কী দাঁড়াল?

    ব্রিক্সটন রোড পর্যন্ত পেছন পেছন গিয়েছিল। ড্রেবারের সঙ্গে আর একদফা কথা কাটাকাটি হয় সেখানে! আর্থার মুগুর দিয়ে মরণ মার মারে তলপেটে এক মারেই অক্কা পান ড্রেবার–ক্ষতচিহ্ন দেখা যায়নি সেই কারণেই। বৃষ্টি পড়ছে তখন। রাস্তা ফাঁকা। লাশ টেনে নিয়ে একটা ফাঁকা বাড়ির মধ্যে ঢুকে পড়ল চাপেন্টিয়ার। মোমবাতি, রক্ত, দেওয়ালে লেখা আর আংটি হল পুলিশের চোখে ধূলো দেওয়ার চেষ্টা তদন্ত যাতে অন্য খাতে বয়ে যায়।

    শাবাশ! পিঠ চাপড়ানো স্বরে বললে হোমস। সত্যিই গ্রেগসন, তোমাকে আর আটকানো গেল না। আরে যশের মুকুট তোমার কপালেই নাচছে!

    বুক ফুলিয়ে গর্বিত স্বরে বললে ডিটেকটিভ, নিজের মুখে বললে তো অহংকার শোনায়, কিন্তু ব্যাপারটা কী চমৎকার গুছিয়ে ফেলেছি দেখুন। আর্থার চাপেন্টিয়ার একটা জবানবন্দি দিয়েছে স্বেচ্ছায়। বলেছে, ড্রেবারকে কিছুদুর ফলো করার পর ভয়ের চোটে লোকটা একটা ঘোড়ার গাড়ি চেপে পালিয়ে যায়। বাড়ি ফেরার পথে একজন পুরানো জাহাজি দোস্তের সঙ্গে দেখা হয় আর্থারের হাঁটতে হাঁটতে দুই বন্ধু চলে যায় অনেক দূর। বন্ধুটি কোথায় থাকে জিজ্ঞেস করে কিন্তু সন্তোষজনক উত্তর পাইনি। কেসটা মিটে এসেছে বলেই আমার বিশ্বাস গোড়া থেকে শেষ পর্যন্ত সবক-টা খাপছাড়া ব্যাপারই দেখুন কী সুন্দর খাপে খাপে বসে গিয়েছে–ফাঁক নেই কোথাও। লেসট্রেড বেচারির কথা ভেবে হাসি পাচ্ছে। ভুল সূত্র নিয়ে দৌড়ে মরছে। কাদা ঘাঁটাই সার হবে। আরে, বলতেই এসে গেছে লেসট্রেড।

    লেসট্রেডই বটে। আমরা যখন কথায় মগ্ন ও তখন সিঁড়ি বেয়ে উঠে এসেছে। এখন ঢুকল ঘরে। ওর হাবভাব পোশাক পরিচ্ছদে সব সময়ে আত্মবিশ্বাস আর ফুর্তিবাজ মেজাজ লেগে থাকে–এখন তা নেই। মুখভাব বিচলিত, ক্লিষ্ট; পোশাক অবিন্যস্ত, অপরিচ্ছন্ন। এসেছিল নিশ্চয় শার্লক হোমসের সঙ্গে শলাপরামর্শ করার জন্যে, তাই সতীর্থকে আগেই সেখানে হাজির দেখে বিব্রত হল খুবই–চুপসে গেল ফুটো বেলুনের মতো। ঘরের ঠিক মাঝখানে নার্ভাসভাবে টুপিটা হাতে নিয়ে দাঁড়িয়ে রইল অনিশ্চিতভাবে–কী যে করা উচিত যেন ঠিক করে উঠতে পারছে না। শেষকালে আর থাকতে না-পেরে বললে, ভারি গোলমেলে কেস অত্যন্ত অসাধারণ, অত্যন্ত দুর্বোধ্য।

    বিজয় গৌরবে ফেটে পড়ল গ্রেগসন, এতক্ষণে তা বুঝলেন! আমি অবশ্য আগেই জানতাম এ-সিদ্ধান্তে আপনাকে আসতেই হবে। সেক্রেটারি মি. জোসেফ স্ট্যানজারসনকে খাঁচায় পুরতে পারলেন কি?

    গম্ভীরভাবে বললে লেসট্রেড, আজ ভোর ছটায় হ্যালিডেজ প্রাইভেট হোটেলে খুন হয়েছে সেক্রেটারি, মি. জোসেফ স্ট্যানজারসন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleশার্লক হোমস সমগ্র ২ – অনুবাদ : অদ্রীশ বর্ধন
    Next Article When the World Screamed – Arthur Conan Doyle

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }