Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    শার্লক হোমস সমগ্র ১ – অনুবাদ : অদ্রীশ বর্ধন

    লেখক এক পাতা গল্প813 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০২. অবরোহমূলক সিদ্ধান্ত বিজ্ঞান

    অবরোহমূলক সিদ্ধান্ত বিজ্ঞান

    পূর্ব-ব্যবস্থা মতো পরের দিন দু-জনে গিয়ে দেখলাম ২২১ বি বেকার স্ট্রিটের বাসাবাড়ি। খান দুই রুচিসম্মত শোবার ঘর। একটা বড়োসড়ো আলো-হাওয়াযুক্ত বসবার ঘর। আসবাবপত্র দিয়ে ভালোভাবে সাজানো বসবার ঘরে দুটো বড়ো বড়ো জানলা। ঘর যেমন পছন্দ হল, ভাড়াও তেমনি পকেটে কুলিয়ে গেল। দুই বন্ধু ভাগাভাগি করে নিলে গায়ে লাগবে না। সঙ্গে সঙ্গে কথাবার্তা পাকা করে দখল নিলাম বাড়ির। সেই দিনই সন্ধ্যায় হোটেল থেকে জিনিসপত্র নিয়ে এলাম আমি। শার্লক হোমস এল পরের দিন সকালে সঙ্গে বেশ কয়েকটা বাক্স আর পোর্টম্যান্টো। দু-একদিন গেল জিনিসপত্র গোছাতে। তারপর গুছিয়ে বসলাম নতুন পরিবেশে।

    হোমসের সঙ্গে একত্রে অবস্থান দুর্বিষহ নয় মোটেই। প্রকৃতি খুব শান্ত, প্রাত্যহিক অভ্যেস নিয়মবদ্ধ। রাত দশটার পর জাগতে দেখিনি। সকালে আমার ঘুম ভাঙবার আগেই উঠে পড়ত–ব্রেকফাস্ট খেয়ে বেরিয়ে পড়ত বাইরে। মাঝে মাঝে সারাদিন কাটাত কেমিক্যাল ল্যাবরেটরিতে, কখনো শব ব্যবচ্ছেদ কক্ষে, কখনো পদব্রজে শহর পরিক্রমায় নীচের মহলেই টো-টো করতে যেত বেশির ভাগ। কাজের ঝোক চাপলে এনার্জি যেন ফুরোত না আবার কখনো দিনের পর দিন মড়ার মতো পড়ে থাকত বসবার ঘরে সোফায়–একদম কথা বলত না, সকাল থেকে রাত পর্যন্ত গায়ের একটা পেশিও নাড়াত না। এই সময়ে একটা স্বপ্নাচ্ছন্ন শূন্যগর্ভ চাহনি দেখেছি ওর চোখে। জীবন পরিচ্ছন্ন আর স্বভাব-প্রকৃতি শান্ত না-হলে ধরে নিতাম নিশ্চয় মাদক দ্রব্যের নেশাও আছে।

    যতই দিন যায়, ততই আমার আগ্রহ বাড়তে থাকে ওর সম্বন্ধে। জীবনে ওর লক্ষ্য কী, এই রহস্য ক্রমশ ঘনীভূত হতে থাকে আমার মনের মধ্যে। যে কখনো খুঁটিয়ে দেখে না–ভাসা-ভাসা দেখা যার স্বভাব–সে-লোকও ওকে দেখলে আকৃষ্ট হবে–এমনি আশ্চর্য চেহারা আর ব্যক্তিত্ব আমার নয়া সঙ্গীটির। লম্বায় ছ-ফুটের একটু বেশি কিন্তু এত কৃশ যে মনে হয় আরও দীর্ঘ। দুই চোখ মর্মভেদী এবং শানিত–আচ্ছন্ন অবস্থায় পড়ে থাকার সময় ছাড়া। পাতলা বাজপাখির মতো নাকখানার মধ্যে প্রচ্ছন্ন সদাসতর্কতা এবং সিদ্ধান্ত নেওয়ায় প্রচণ্ড আত্মবিশ্বাস। চৌকোনা প্রকট চোয়ালের মধ্যেও নিহিত সুগভীর আত্মপ্রত্যয় আর মনের দৃঢ়তা। হাত দু-খানা অ্যাসিড, কেমিক্যাল আর কালিতে বিবর্ণ। অথচ এই হাতেরই সাধারণ সংবেদনশীলতা আর সূক্ষ্মতা লক্ষ করেছি ভঙ্গুর ফিলজফিক্যাল যন্ত্রপাতি নাড়াচাড়া করার সময়ে।

    পাঠক হয়তো আমাকে অনধিকার চর্চার দোষে দোষী করবেন হোমস সম্বন্ধে আমার আতীব্র কৌতূহলের জন্যে। আমি স্বীকার করছি শার্লক হোমস উদগ্র আগ্রহের সঞ্চার করেছিল আমার মধ্যে নিজের সম্বন্ধে কথা উঠলেই মুখ বুজে থাকতে চেয়েছে সে এবং আমি প্রতিবারেই সেই প্রাচীর ভাঙবার বৃথা চেষ্টা করেছি। আমাকে দোষী প্রতিপন্ন করার আগে কিন্তু খেয়াল রাখবেন আমার জীবনে লক্ষ্য বলে কিছুই নেই–মনোযোগ আকর্ষণ করার মতোও কিছু নেই। আবহাওয়া ভালো না-থাকলে ভগ্নস্বাস্থ্য নিয়ে যখন-তখন বাইরে বেরোতে পারতাম না–বন্ধুবান্ধবও কেউ ছিল না যে দর্শন দান করে একঘেয়েমি কাটিয়ে যাবে। এই পরিস্থিতিতে সঙ্গীটির জীবনরহস্য যথেষ্ট আগ্রহের খোরাক জুটিয়েছিল আমার মধ্যে বেশির ভাগ সময় ব্যয় করতাম সেই রহস্য মোচনে।

    হোমস মেডিক্যাল স্টুডেন্ট নয়। ও নিজেই তা স্বীকার করেছে–স্ট্যানফোর্ডের অনুমান অভ্রান্ত প্রমাণিত হয়েছে। বিজ্ঞান-জগতে প্রবেশের ইচ্ছেও নেই—বিজ্ঞানের ডিগ্রি অর্জনের প্রচেষ্টাও নেই। তা সত্ত্বেও কয়েকটা বিষয়ে ওর আন্তরিক আগ্রহ লক্ষ করার মতো এবং খ্যাপামিটুকু বাদ দিলে বিশেষ বিশেষ বিষয়ে ওর জ্ঞান এতই ব্যাপক আর গভীর যে তাক লেগে যাওয়ার মতো। জীবনে নির্দিষ্ট কোনো লক্ষ্য না-থাকলে এভাবে কেউ খাটে না, নিজেকে তৈরি করে না এবং বিশেষ জ্ঞানের ভাণ্ডার এভাবে বাড়িয়ে চলে না। শৃঙ্খলাহীন অধ্যয়নে অসাধারণ হওয়া যায় না–সঠিক পড়াশুনা থাকা চাই। অকারণে কেউ এভাবে ছোটেখাটো বিষয় নিয়েও মনকে ভারাক্রান্ত করে না।

    শার্লক হোমসের জ্ঞান যেমন সুবিপুল, অজ্ঞানতাও তেমনি সুগভীর দুটোই সমান আশ্চর্যজনক। সমসাময়িক দর্শন, সাহিত্য আর রাজনীতির কোনো খবরই সে রাখে না। আমার মুখে টমাস কারলাইলের নাম শুনে অত্যন্ত অকপটভাবে জিজ্ঞেস করলে কে এবং তার এত নামডাক কী কারণে। চরম বিস্মিত হলাম যেদিন জানলাম কোপারনিকাসের থিয়োরি কী জিনিস তা সে জানে না এবং সৌরজগতের কী নামে ক-টা গ্রহ আছে সে-খবরও রাখে না।

    পৃথিবী সূর্যকে প্রদক্ষিণ করছে–এ-তত্ত্ব ঊনবিংশ শতাব্দীর কোনো সুসভ্য মানুষ জানে—একি ভাবা যায়, না বিশ্বাস করা যায়? কী সাংঘাতিক ব্যাপার।

    আমার আঁতকে-ওঠা বিস্ময়বোধকে দেখে মুচকি হেসে বলেছিল হোমস, খুব অবাক হয়েছ দেখছি। জেনে যখন ফেলেছি এখন থেকে চেষ্টা করব ভুলে যাওয়ার।

    ভুলে যাওয়ার চেষ্টা করবে কী হে।

    আমার মতে মানুষের মগজটা আদতে একটা খালি কুঠরি। দরকার মতো আসবাবপত্র দিয়ে সাজাতে হয়। বোকারাই যা পায় তাই দিয়ে মগজ ঠেসে রেখে দেয় গুদোম ঘরের মতো হাবিজাবি এন্তার জিনিস মাথার মধ্যে ঢুকে থাকার ফলে দরকার মতো আসল জিনিসটি খুঁজে পেতে বেগ পায়। কিন্তু পাকা কারিগর এ-ব্যাপারে ভারি হুঁশিয়ার। ফালতু জ্ঞান ব্রেন কুঠরিতে ঢোকাতে নারাজ। কাজের যন্ত্রটি ছাড়া মাথায় কিছুই রাখে না এবং যে-কটি যন্ত্র রাখে–বেশ সাজিয়ে গুছিয়ে রেখে দেয়। মগজ-কুঠরির দেওয়াল রবারের মতো টেনে বাড়ানো যায় এবং যত খুশি জ্ঞান ঠাসা যায়–এ-ধারণা কিন্তু সবই ভুল। বাজে জিনিস ঠাসতে গিয়ে কাজের জিনিসগুলো মানুষ ভুলে যায় এই কারণেই… আগের জ্ঞান আর মনে করতে পারে না। অদরকারি জ্ঞান দরকারি জ্ঞানকে গুতিয়ে বার করে দিয়ে নিজের ঠাঁই করে নিতে যাতে না-পারে–কারিগরের সজাগ নজর থাকা দরকার সেদিকে!

    প্রতিবাদের সুরে বললাম, তাই বলে সৌরজগৎ কী জিনিস তা জানবে না।

    অসহিষ্ণু কণ্ঠে হোমস বললে, জেনে আমার লাভটা কী? সূর্যকে প্রদক্ষিণ না-করে যদি চন্দ্রকেই প্রদক্ষিণ করতাম, আমার কাজের দিক দিয়ে তার কানাকড়ির দামও থাকছে কি?

    এই হল সুবর্ণসুযোগ কাজটা কী জিজ্ঞেস করবার জন্যে মুখ চুলবুল করে উঠলেও জিজ্ঞেস করতে পারলাম না। পরে কথাগুলো মনে মনে তোলপাড় করে নিজেও একটা সিদ্ধান্তে পৌঁছোবার চেষ্টা করলাম। উদ্দেশ্য সিদ্ধি যে-জ্ঞানে হয় না, সে-জ্ঞান নাকি ওর নিষ্প্রয়োজন। তাই যদি হয়, সে-জ্ঞান ও মগজে ঢুকিয়েছে, তার প্রত্যেকটাই উদ্দেশ্যসিদ্ধির জন্যে ওর প্রয়োজন। মনে মনে ছকে নিলাম ওর বিবিধ জ্ঞানের ফিরিস্তি। শেষকালে কাগজ পেনসিল নিয়ে লিখে ফেললাম। ফর্দের দিকে তাকিয়ে কিন্তু হাসি পেল শেষপর্যন্ত।

    শার্লক হোমসের দৌড় কদ্দূর।

    ১. সাহিত্যজ্ঞান… শূন্য।

    ২. দর্শনজ্ঞান… শূন্য।

    ৩. জ্যোতির্বিজ্ঞান… শূন্য।

    ৪. রাজনীতিজ্ঞান… নগণ্য।

    ৫. উদ্ভিদ বিদ্যা-জ্ঞান… বিবিধ। বেলেডোনা, আফিং আর বিষবিজ্ঞানে তুখোড়। বাগান করার ব্যাপারে ডাহা আনাড়ি।

    ৬. ভূতত্ত্ব-জ্ঞান… বাস্তবজ্ঞান আছে কিন্তু বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে। রকমারি মাটির চেহারা দেখেই বলে দেয় কোনটা কী মাটি। বেড়িয়ে আসার পর ট্রাউজার্সের মাটির দাগ দেখিয়ে বলে লন্ডন শহরের ঠিক কোন জায়গায় কোন মাটিটা পাওয়া যায়।

    ৭. রসায়ন-বিদ্যা-জ্ঞান… সুগভীর।

    ৮. শারীরবিদ্যা-জ্ঞান… নির্ভুল, কিন্তু পদ্ধতিবিহীন।

    ৯. চাঞ্চল্যকর সাহিত্য-জ্ঞান… প্রচুর। বর্তমান শতাব্দীতে যত রকমের বিকট কাহিনি আছে, সব যেন কণ্ঠস্থ।

    ১০. ভালো বেহালা বাজায়।

    ১১. তরবারি খেলা, লাঠি আর মুষ্টিযুদ্ধে ওস্তাদ।

    ১২. ব্রিটিশ আইনের বাস্তব জ্ঞানে বেশ দখল আছে।

    লিস্টটা এই পর্যন্ত লেখবার পর হতাশ হয়ে ছুঁড়ে ফেলে দিলাম আগুনে। নিজের মনেই বললাম, এই জাতীয় জ্ঞানের ফিরিস্তির মাপকাঠি দিয়ে জীবনের লক্ষ্য আবিষ্কার করার চেষ্টাই পণ্ডশ্রম।

    বেহালায় ওর দক্ষতার উল্লেখ করেছি আগে। সত্যিই হাত ভালো, অসাধারণ বাজায়। কিন্তু অন্যান্য কৃতিত্বের মতো বাজনা বাজানোটাও কীরকম যেন খ্যাপাটে। আমার অনুরোধে ভালো ভালো সুর বাজিয়ে শুনিয়েছে–খুবই কঠিন সুর। কিন্তু নিজে বাজানোর সময়ে আদৌ কোনো সুর তোলবার ধার দিয়েও যায় না। কোনো কোনো সন্ধ্যায় চেয়ারে আড় হয়ে বসে কোলের ওপর বেহালা রেখে দু-চোখ মুদে এলোমেলো ঝংকার তুলে যায় আঙুলের ঘায়ে। কখনো সে-ঝংকার সুরেলা বিষণ্ণ। কখনো ফ্যানটাসটিক প্রসন্ন। ও-সুর যে মনের ভাবনার প্রতিফলন, তা বোঝা যায়। শুধু বোঝা যায় না, সুরের প্রভাব ভাবনায় পড়ছে না, স্রেফ খেয়ালখুশির বশে বিচিত্র বাজনা বাজিয়ে যাচ্ছে। তারপর অবশ্য আমার ধৈর্যের পুরস্কার স্বরূপ আমারই প্রিয়

    অনেকগুলো মন মাতাল করা সুর এমনভাবে পরের পর বাজিয়ে যায় যে বলবার নয়।

    প্রথম দু-এক হপ্তা কেউ এল না বাড়ি বয়ে দেখা করতে। ভাবলাম আমার মতো আমার সঙ্গীটিও নির্বান্ধব। অচিরে দেখলাম, তা নয়। পরিচিত তার অনেক এবং সমাজের বিভিন্ন শ্রেণির মানুষ। বেঁটে চেহারার একটা লোক আসত, নাম তার লেসট্রেড। মুখটা ইঁদুরের মতো, গায়ের রং ফিকে বাদামি, চোখ কালো। হপ্তায় হপ্তায় তিন চারবার আসা চাই। একদিন সকালে ফ্যাশন দুরন্ত সাজপোশাক পরা এক তরুণী এল, আধ ঘণ্টার মতো কাটিয়ে গেল হোমসের সঙ্গে। সেই দিনই বিকেল নাগাদ ভীষণ হন্তদন্ত হয়ে এল নোংরা পোশাক পরা আধবুড়ো সাদা চুলো একটা লোক। দেখতে অনেকটা ইহুদি ফেরিওয়ালার মতো প্রায় সঙ্গেসঙ্গে আলুথালু বেশে ঘরে ঢুকল একজন প্রৌঢ়া। আর একবার এল শুভ্রকেশ এক ভদ্রলোক তারপরেই মখমল ইউনিফর্ম পরা একজন রেলের কুলি। এরা এলেই শার্লক হোমস তাদের নিয়ে বসবার ঘরে একা থাকতে চাইত আমাকে যেতে হত শোবার ঘরে। প্রতিবারই অবশ্য ক্ষমা চেয়ে নিত আমার এই অসুবিধার জন্যে। ঘরটাকে বসবার ঘর করছিএরা আমার মক্কেল। শুনেই কিন্তু অদম্য ইচ্ছে হত ব্যবসাটা কী ধরনের জিজ্ঞেস করার। কিন্তু প্রতিবারই সৌজন্যবশত প্রশ্নটা মুখে আটকে যেত। যে-লোক যেচে বলতে চায় না প্রাণের কথা–তাকে জিজ্ঞেস করতে মন চাইত না কিছুতেই। ভাবতাম নিশ্চয় কোনো জুতসই কারণ আছে যার জন্যে এ-প্রসঙ্গ তুলতে চায় না সে। একদিন কিন্তু ঘুরিয়ে নাক দেখানোর আর দরকার হল না–সরাসরি নিজেই সব বলে বসল হোমস।

    সেদিনটা ৪ মার্চ। দিনটা ভালো করে মনে আছে একটা কারণে। অন্যদিনের চেয়ে সেদিন একটু আগেই ঘুম থেকে উঠেছিলাম। দেখি তখনও প্রাতরাশ সাঙ্গ হয়নি শার্লক হোমসের। আমি বেলায় উঠি বলেই ল্যান্ডলেডি তখনও আমার খাবার সাজায়নি, কফিও করেনি। মানুষ মাত্রেই এ-পরিস্থিতিতে অকারণে খিটখিটে হয়ে ওঠে। আমিও ঘণ্টা বাজিয়ে জানিয়ে দিলাম যে আমি তৈরি। তারপর একটা ম্যাগাজিন নিয়ে পাতা ওলটাতে লাগলাম সময় কাটানোর জন্যে। টেবিলে বসে নিঃশব্দে টোস্ট চিবিয়ে চলল শার্লক হোমস। এমন সময়ে একটা প্রবন্ধের শিরোনামায় পেনসিল চিহ্ন দেখে চোখ বুলিয়ে গেলাম প্রথম থেকে।

    প্রবন্ধর নামটি বেশ গালভরা জীবনী গ্রন্থ। লেখক মনে করেন, চোখ থাকলেই শুধু হয় , সুসংবদ্ধ এবং চুলচেরা পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে যাই চোখে পড়ুক না কেন, তা থেকে অনেক কিছুই জানা যায়। বিষয়টা কিন্তু আমার কাছে ধড়িবাজি আর অযৌক্তিকতার সংমিশ্রণ বলেই মনে হল। অসংগতি আর নির্বুদ্ধিতাকে বেশ চালাকি করে পেশ করা হয়েছে। যুক্তির ধার বেশ তীক্ষ্ণ্ণ, ফঁক নেই। কিন্তু সিদ্ধান্তগুলো যেন অতিরঞ্জিত। যেকোনো মানুষের মুহূর্তের ভাবপ্রকাশ দেখেই লেখক তার মনের চিন্তা ধরে ফেলতে পারেন। চকিতের দৃষ্টিপাত, ক্ষণেকের পেশি কুঞ্চন দেখে নাকি মনের একদম গভীরে কী চিন্তার খেলা চলছে তা বলা যায়। পর্যবেক্ষণে যিনি অভ্যস্ত, বিশ্লেষণে যিনি চোস্ত, তাকে ধোঁকা দেওয়া অসম্ভব। ইউক্লিডের জ্যামিতিক সিদ্ধান্ত যেমন অনড়, অকাট্য এবং অভ্রান্ত লেখকের সিদ্ধান্তও যেন তাই। ব্যাপারটা যে বোঝে না সে কিন্তু আঁতকে ওঠে। পদ্ধতিটা জানা নেই বলেই মনে করে লেখক বুঝি জাদুকর, তন্ত্রমন্ত্রে পোক্ত, ডাকিনীবিদ্যায় ওস্তাদ। আসলে যে যুক্তি আর পর্যবেক্ষণের ধাপ পেরিয়ে সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া–তা বোঝে না।

    লেখক লিখেছেন–নায়াগারা বা আটলান্টিক না-দেখে অথবা এই দুইয়ের অস্তিত্ব যে আছেই তা না-জেনেই এক ফোঁটা জল বিশ্লেষণ করে যুক্তিবিদ্যায় পণ্ডিত যে কেউ বলে দিতে পারেন নায়াগারা আর আটলান্টিকের অস্তিত্ব আছে। ঠিক তেমনি সব জীবনই শৃঙ্খলে গ্রথিত। একটা আংটা যদি জানা যায়, নৈয়ায়িকের মতো তর্কবিদ্যা দিয়ে গোটা জীবনটাকেই অনুমান করে নেওয়া যায়। সিদ্ধান্ত ও বিশ্লেষণ বিজ্ঞান চৌষট্টি কলার মতোই একটা আর্ট, একটা শিল্প। দীর্ঘ অধ্যবসায় আর সহিষ্ণুতার ফলেই আয়ত্ত করা সম্ভব। এটাও ঠিক যে এ-বিদ্যায় চরমোৎকর্ষ অর্জন করার মতো দীর্ঘ জীবন এই মরলোকে কারোর নেই। মন আর বিবেকের সমস্যাই সবচেয়ে কঠিন। তাই অনুসন্ধিৎসুর উচিত এগুলো আয়ত্ত করার আগে প্রাথমিক সমস্যাগুলোর সমাধানে আগে মন দেওয়া। পাশের মানুষের দিকে এক ঝলক তাকিয়ে জানতে চেষ্টা করুন সে কী কাজ করে, অতীত ইতিহাস কী। ছেলেমানুষি মনে হলেও এই চর্চার ফলেই কিন্তু পর্যবেক্ষণ ক্ষমতার ধার বৃদ্ধি পায়, ঠিক কীভাবে খুঁজলে কোন জিনিসটি পাওয়া যাবে–সে-ক্ষমতা আপনা থেকে চোখ আর মগজের মধ্যে এসে যায়। আঙুলের নখ, কোটের হাতা, বুটজুতো, প্যান্টের হাঁটু তর্জনী আর বুড়ো আঙুলের কড়া, চোখমুখের চাহনি, শার্টের হাতা দেখেই যেকোনো ব্যক্তির জীবিকা বলে দেওয়া যায়। এই সবকিছুর সম্মিলিত ফল অভিজ্ঞ এবং দক্ষ তদন্তকারীর উপকারে আসবে না–এমন কথা কল্পনাও করা যায় না।

    দমাস করে ম্যাগাজিন খানা টেবিলে নামিয়ে রেখে বললাম বিষম বিরক্তিতে, প্রলাপ বকুনির আর জায়গা পায় না? জীবনে এমন রাবিশ আমি পড়িনি।

    হল কী। শুধোয় শার্লক হোমস।

    আরে, এই প্রবন্ধটার কথা বলছি, ব্রেকফাস্ট খেতে তখন বসে পড়েছিলাম বলেই ডিম খাওয়ার চামচ দিয়ে ম্যাগাজিনটা দেখিয়ে আমি বললাম। আমি তো দেখছি প্রবন্ধটা তুমিও পড়েছ–পেনসিলের দাগও দিয়েছ। লেখাটায় মুনশিয়ানা আছে স্বীকার করছি। কিন্তু গা জ্বলে যায় বিষয়বস্তুর জন্যে। ঘরে বসে যারা ধাঁধার সমাধান করে সময় কাটায় এ-প্রবন্ধ তাদের কারোর লেখা। অবাস্তব লেখা। রেলের থার্ড ক্লাস কামরায় নীচুতলায় ভিড়ে চাপিয়ে দিতে ইচ্ছে যাচ্ছে লোকটাকে মুখ আর চেহারা দেখে কার কী পেশা বলতে গিয়ে জিভ

    বেরিয়ে যাবেখন বাছাধনের। যত্তোসব বাজে বাকতাল্লা!

    প্রশান্ত কণ্ঠে হোমস শুধু বললে, বাজি ধরলে কিন্তু তুমিই হারবে। তা ছাড়া, প্রবন্ধটা আমারই লেখা।

    তোমারই লেখা!

    হ্যাঁ, আমারই লেখা। পর্যবেক্ষণ আর অনুমান–চোখ দিয়ে দেখে অবরোহণমূলক সিদ্ধান্তে আসার প্রবণতা–দুটোই রয়েছে আমার মধ্যে। থিয়োরিটা উদ্ভট আর কাল্পনিক মনে হতে পারে। কিন্তু অতিশয় বাস্তব। এত বাস্তব যে আমার রুজিরোজগার নির্ভর করে এর ওপর।

    কীভাবে? আপনা হতেই প্রশ্নটা বেরিয়ে গেল মুখ দিয়ে।

    আমার একটা পেশা আছে। আমার বিশ্বাস এ-পেশায় পৃথিবীতে আমি ছাড়া কেউ নেই। আমি কনসাল্টিং ডিটেকটিভ। জানি না মানেটা বুঝতে পারলে কিনা। লন্ডন শহরে অনেক সরকারি ডিটেকটিভ, অনেক প্রাইভেট ডিটেকটিভ আছে। এরা যখন ভুল করে, আমার কাছে আসে, আমি ওদের ভুল শুধরে দিয়ে ঠিক লাইন দেখিয়ে দিই। সাক্ষ্যপ্রমাণ আমার সামনে হাজির করে, আমি অপরাধ ইতিহাসের পরিপ্রেক্ষিতে আমার জ্ঞান বিদ্যের জোরে সেগুলোকে পরপর সাজিয়ে দিই। সব কুকর্মের মধ্যেই একটা মিল থাকে, পারিবারিক সাদৃশ্যও বলতে পার, একহাজার কুকর্ম যদি তোমার নখদর্পণে থাকে, এক হাজার এক নম্বর রহস্যটা কী ধরনের কুকর্ম, তা বলতে না-পারাটাই বরং অদ্ভুত। লেসট্রেড নামজাদা ডিটেকটিভ। সম্প্রতি একটা জালিয়াতি কেসে নিজে জালে জড়িয়ে গিয়েছিল, এত ঘনঘন আসছিল সেই কারণেই।

    অন্য লোকগুলো?

    ওদের বেশির ভাগকেই পাঠিয়েছে প্রাইট তদন্ত সংস্থা। প্রত্যেকেই কিছু-না-কিছু ঝামেলায় জড়িয়েছে। আমি ওদের কথা শুনি, তারপর ওরা আমার মন্তব্য শোনে। ওদের সমস্যার সমাধান হয়ে যায়, আমি দক্ষিণা পকেটে পুরি।

    তার মানে কি বলতে চাও অন্য লোকে অকুস্থলে গিয়ে চোখে দেখে কানে শুনেও যা জানেনি, তুমি স্রেফ ঘরে বসে তা জেনে ফ্যালো?

    হ্যাঁ তা পারি। ও-ব্যাপারে আমার একটা সহজাত ক্ষমতা আছে। মাঝে মাঝে আমাকে ছুটোছুটি করতে হয় নিজের চোখে দেখতে হয়। অনেকরকম বিশেষ জ্ঞান আমি জানি। এইসব জ্ঞান প্রয়োগ করি সমস্যায় এবং অদ্ভুত ফল পাই। প্রবন্ধে অবরোহ প্রণালীর যে-নিয়মগুলো লিখেছি, যা পড়ে নাক সিটিয়ে অনেক ঝাল-টক মন্তব্য করলে, আমার কাছে তা অমূল্য এবং অত্যন্ত বাস্তব। পর্যবেক্ষণ আমার দ্বিতীয় প্রকৃতি। প্রথম সাক্ষাতে তোমাকে বলেছিলাম তুমি আফগানিস্তান ঘুরে এসেছ শুনে খুব অবাক হয়ে গিয়েছিলে।

    কারো মুখে শুনেছিলে নিশ্চয়। মোটেই না। কিন্তু আমি জানতাম তুমি আফগানিস্তান ঘুরে এসেছ। অনেক দিনের অভ্যেস আর চর্চার ফলে একটার পর একটা চিন্তা এত দ্রুত মাথার মধ্যে দিয়ে ছুটে গিয়েছিল যে তোমাকে দেখামাত্র অমোঘ সিদ্ধান্তে পৌঁছে গিয়েছি–মাঝের ধাপগুলো সম্বন্ধে সজাগ থাকিনি। ধাপগুলো কী, এবার তা বলছি। ধারাবাহিক যুক্তিগুলো শুনলেই বুঝবে কী করে তুমি আফগানিস্তান ফেরত। ভাবলাম, ভদ্রলোকের চেহারা ডাক্তারের মতো কিন্তু হাবভাব মিলিটারি। নিঃসন্দেহে আর্মি ডাক্তার। চামড়া পুড়ে কালো হয়ে গিয়েছে স্বাভাবিক রং নয়–কেননা কবজি বেশ ফর্সা, তার মানে ভদ্রলোক বিষুবরেখা বরাবর কোনো জায়গায় ছিলেন। চোখ-মুখ উদ্ভান্ত, শীর্ণ, কাহিল–তার মানে প্রচণ্ড কষ্টের মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছে। বাঁ-হাতটাও দেখছি জখম হয়েছে। হাতটা অস্বাভাবিক ভঙ্গিমায় আড়ষ্টভাবে উঁচু করে রয়েছেন। ক্রান্তীয় রেখা বরাবর কোনো অঞ্চলে থাকলে একজন মিলিটারি ডাক্তারের পক্ষে এত কষ্ট সওয়া এবং হাত জখম হওয়া সম্ভব। অবশ্যই আফগানিস্তানে১৮। এতগুলো চিন্তা করতে কিন্তু এক সেকেন্ড সময়ও লাগেনি। তাই সঙ্গেসঙ্গে মন্তব্য করেছিলাম তুমি আফগানিস্তান ফেরত। শুনে অবাক হয়েছিলে।

    হেসে হেসে বললাম, কী সোজা। ঠিক এডগার অ্যালেন পো-র স্টুপির মতো। গল্পের গোয়েন্দারা যে বাস্তবে সম্ভব তা জানা ছিল না।

    উঠে দাঁড়িয়ে তামাকের পাইপ ধরিয়ে শার্লক হোমস বললে–স্টুপির সঙ্গে আমার তুলনা করছ নিশ্চয় প্রশংসা করার জন্যে। আমার মতে উঁপি খুবই নিকৃষ্ট শ্রেণির জীব। মিনিট পনেরো চুপচাপ থাকার পর বন্ধুর চিন্তাটাকে দুম করে বলে দেওয়ার মধ্যে তোক দেখানো বাহাদুরি আছে ঠিকই, কিন্তু গভীরতা নেই। পো যা কল্পনা করতে চেয়েছিলেন, পুঁপি তা আদৌ নয়।

    গ্যাবোরিয়র বই পড়েছ? লেকক-কে আদর্শ ডিটেকটিভ বলে মনে কর?

    শ্লেষের হাসি হাসল শার্লক হোমস। রাগত স্বরে বলল, লেকক হচ্ছে একটা যাচ্ছেতাই রকমের আনাড়ি ডিটেকটিভ। এনার্জি ছাড়া লেককের নিজস্ব বলে আর কিছুই নেই। বইটা পড়ে শরীর পর্যন্ত খারাপ হয়ে গিয়েছিল আমার। সমস্যাটা কী? একজন অজ্ঞাতনামা কয়েদিকে শনাক্ত করা–এই তো? চব্বিশ ঘণ্টায় আমি তা পারতাম। লেকক নিয়েছে ছ-মাস। তদন্ত করতে গিয়ে কী কী বর্জন করা দরকার এই নিয়ে পাঠ্যপুস্তক লিখলে গোয়েন্দাগুলোর কিছুটা শিক্ষা হত!

    আমার প্রাণপ্রিয় দুটো চরিত্রকে এইরকম উদ্ধতভাবে ধূলিসাৎ করে দেওয়ায় হাড়পিত্তি জ্বলে গেল আমার। জানালার সামনে গিয়ে যানবাহন পথিক সরগরম রাস্তার দিকে তাকিয়ে মনে মনে বললাম, হতে পারে লোকটা খুবই ধূর্ত, কিন্তু দাম্ভিক।

    কুঁদুলে গলায় হোমস বললে, আজকাল আর ক্রাইম নেই, ক্রিমিন্যালও নেই। এ-পেশায় তাই ব্রেন থাকলেও তা কাজে লাগে না। আমি জানি আমার যা আছে তাই দিয়ে বিখ্যাত হতে পারি। গোয়েন্দাগিরিতে আমার মতো এত পড়াশুনা আর সহজাত প্রতিভা এই মুহূর্তে কারো নেই কোনোকালে ছিলও না। কিন্তু লাভ কী বলতে পার? গোয়েন্দাগিরি করবার মতো ক্রাইম নেই, যা আছে তা এত স্বচ্ছ, স্পষ্ট মোটিভসহ আনাড়ির নষ্টামি যা স্কটল্যান্ড ইয়ার্ডের যেকোনো অফিসারও সমাধান করে ফেলতে পারে।

    লোকটার হামবড়াই দেমাকি কথাবার্তায় মেজাজ তখন এত খিচড়ে গিয়েছে যে ভাবলাম প্রসঙ্গ পরিবর্তন করা যাক।

    নীচের রাস্তায় উলটো দিকে একটা লোক হাতে একটা নীল রঙের বড়ো খাম নিয়ে উদবিগ্নভাবে বাড়ির নম্বর দেখতে দেখতে আস্তে আস্তে হাঁটছিল। দীর্ঘকায়, বলিষ্ঠ চেহারা। পোশাক সাদাসিদে আর পাঁচটা লোকের মতোই। নিশ্চয় চিঠি পৌঁছে দিতে এসেছে। আঙুল তুলে বললাম, লোকটা কাকে খুঁজছে?

    সঙ্গেসঙ্গে শার্লক হোমস বলে উঠল, রিটায়ার্ড জাহাজি সার্জেন্টের কথা বলছ?

    মিথ্যের জাহাজ! জালিয়াত কোথাকার! মনে মনেই বললাম আমি। জানে যে অনুমানটা যাচাই করতে পারব না।

    কথাটা ভাববার সঙ্গে সঙ্গেই নীচের তলার লোকটার চোখ পড়ল আমাদের বাড়ির ঠিকানায়। তক্ষুনি রাস্তা পেরিয়ে এসে টোকা মারল দরজায়। নীচতলায় শুনলাম গুরুগম্ভীর কণ্ঠস্বর এবং সিঁড়ি বেয়ে উঠে আসার ভারী পদশব্দ।

    ঘরে ঢুকে খামখানা আমার বন্ধুর দিকে বাড়িয়ে দিয়ে বললে, মি. শার্লক হোমসের চিঠি।

    শার্লক হোমসের আত্মম্ভরিতা আর দর্প চূর্ণ করার এই হল সুবর্ণসুযোগ। এ-সুযোগ যে আমি পেয়ে যাব, একটু আগেই মহাপণ্ডিতের মতো দুম করে কথাটা বলার সময়ে হোমস নিশ্চয় তা কল্পনাও করতে পারেনি। খুব ভদ্র, নম্র, অমায়িকভাবে জিজ্ঞেস করলাম পত্রবাহককে,–ওহে, কী করা হয় তোমার?

    আজ্ঞে দারোয়ানি। উর্দিটা মেরামত করতে দিয়েছি।

    বন্ধুবরের দিকে বিষদৃষ্টি নিক্ষেপ করে শুধোলাম, আগে কী করতে?

    সার্জেন্ট! রয়াল মেরিন লাইট ইনফ্যান্ট্রি। আর কিছু বলবেন? রাইট, স্যার।

    খটাস করে বুট ঠুকে হাত তুলে স্যালুট করে অন্তর্হিত হল অবসরপ্রাপ্ত জাহাজি কর্মচারী।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleশার্লক হোমস সমগ্র ২ – অনুবাদ : অদ্রীশ বর্ধন
    Next Article লোহার কোট – অদ্রীশ বর্ধন

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }