Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    শার্লক হোমস সমগ্র ২ – অনুবাদ : অদ্রীশ বর্ধন

    লেখক এক পাতা গল্প1414 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ঘোমটার ঘোরালো ঘটনা

    [ দি অ্যাডভেঞ্চার অফ দ্য ভিইলড লজার ]

    তেইশ বছর গোয়েন্দাগিরি করছে শার্লক হোমস। সতেরো বছর আমি তাকে সহযোগিতা করেছি, কীর্তিকাহিনি খাতায় লিখে রেখেছি। কাজেই ওকে নিয়ে গল্প লিখতে বসলে উপাদানের অভাব কখনো হয় না–সমস্যা হয় কেবল বাছাবাছি নিয়ে। বইয়ের তাকে সারি সারি ইয়ার বুক আর তাগাড় করা ডেসপ্যাঁচ-কেস ভরতি কত যে কাহিনি রয়েছে তার ইয়ত্তা নেই। অপরাধবিজ্ঞানের ছাত্র তা ঘাঁটলে উপকৃত হবে, সমাজ উপকৃত হবে ভিক্টোরীয় যুগের শেষের দিকে সরকার আর সমাজের নানান গলদ আর কেলেঙ্কারির সন্ধান পেলে। পারিবারিক কেলেঙ্কারি যাঁরা চেপে রাখতে চান, তারা নির্ভয়ে থাকতে পারেন। এব্যাপারে বন্ধুবর হোমস বড়ো সজাগ। যখন প্র্যাকটিস করেছে, তখনও যা বলবার নয়, তা বলেনি–স্মৃতির রোমন্থন করার সময়েও যা গোপনে রাখবার, তা গোপনেই রেখেছে এবং রাখবে। তবে সম্প্রতি এই ধরনের গোপন কাগজপত্র যেভাবে নষ্ট করার একটা চেষ্টা হয়েছিল আমি তার ঘোরতর নিন্দা করছি। এ-চেষ্টা যদি আবার করা হয়, হোমস আমাকে অধিকার দিয়েছে রাজনীতিবিদ, লাইটহাউস এবং প্রশিক্ষিত অতিভোজী দীর্ঘগ্রীব পক্ষী করোমোরান্ট সংক্রান্ত সমস্ত কেচ্ছা পাবলিককে জানিয়ে দেওয়ার। এই হুঁশিয়ারি পড়ে একজনই বুঝতে পারবেন কী বলতে চাইছি আমি।

    হোমসের অদ্ভুত পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা, যা তার সহজাত প্রতিভা, সব কেসে প্রকাশ পাওয়ার সুযোগ পায়নি। কোনো কেসে হাড়কালি হয়ে গিয়েছে ফল পাড়তে, কোথাও তা টুপ করে খসে পড়েছে কোলের মধ্যে। তাই জীবনযুদ্ধের অনেক ভয়ংকরতম ট্র্যাজেডিতে নিজস্ব প্রতিভা দেখানোর বিশেষ সুযোগ পায়নি। এ-কেসও সেই ধরনের। নামধাম কেবল পালটে দিচ্ছি।

    ১৮৯৬ সালের শেষাশেষি একদিন দুপুরের ঠিক আগে হোমসের কাছ থেকে একটা চিঠি পেলাম। আমার সঙ্গ চায়। বেকার স্ট্রিটে পৌঁছে দেখলাম তামাকের ধোঁয়ায় ঘর প্রায়-অন্ধকার। হোমসের চেয়ারে বসে এক প্রৌঢ় মহিলা। বাড়িউলি টাইপের হৃষ্টপুষ্ট মাতৃসুলভ চেহারা।

    আলাপ করিয়ে দিয়ে হোমস বললে, ইনি মিসেস মেরিললা, সাউথ ব্রিক্সটনে থাকেন। তামাকের ধোঁয়ায় আপত্তি নেই, তুমিও খেতে পার–যদিও অভ্যেসটি অতিশয় কদর্য। ইনি এসেছেন একটা দারুণ ইন্টারেস্টিং গল্প শোনাতে। গল্পের উপসংহার চমকপ্রদ হতে পারে তুমি হাজির থাকলে।

    আমাকে তুমি যা বলবে—

    মিসেস মেরিলো, মিসেস রোনডারকে বলে দেবেন, যদি আমি ওর সামনে যাই তো সঙ্গে একজন সাক্ষী রাখব।

    ভগবান আপনার ভালো করবেন, মিস্টার হোমস। আপনি আসছেন শুনলে যা বলবেন, ও তাই করবে।

    তাহলে বিকেল নাগাদ আসছি দুজনে। তার আগে ডক্টর ওয়াটসনের সামনে ঘটনাগুলো একটু ঝালিয়ে নেওয়া যাক। আপনি বলছেন, মিসেস রোনডার আপনার বাড়িতে সাত বছর ভাড়াটে হয়ে রয়েছে, কিন্তু মুখ দেখেছেন মাত্র একবার।

    সেটুকুও না দেখতে পারলে বেঁচে যেতাম।

    সাংঘাতিকভাবে দুমড়োনো-মুচড়োনো বিকৃত বীভৎস মুখ।

    মিস্টার হোমস, তাকে মুখ বলা যায় না। ওপরের জানলায় যে-মুখ এক পলকের জন্যে দেখেই গয়লা দুধের বালতি উলটে ফেলেছিল বাগানে। দেখেছিলাম আমিও মিসেস রোনডার বুঝতে পারেনি যে আমি হঠাৎ এসে যাব। তাড়াতাড়ি মুখ ঢাকা দিয়ে বলেছিল–এখন বুঝলেন তো কেন বারো মাস ঘোমটা দিয়ে থাকি?

    মিসেস রোনডারের পূর্ব ইতিহাস জানেন?

    একদম না।

    ঘর ভাড়া নেওয়ার আগে কারো সুপারিশ হয়নি?

    না। তবে নগদ টাকা দিয়েছিল অনেক। তিন মাসের ভাড়া আগাম–সব শর্ত মেনে নিয়েছিল এক কথায়। আমি গরিব মানুষ। হাতের লক্ষ্মী পায়ে ঠেলতে পারিনি।

    আপনার বাড়ি পছন্দ করার কোনো কারণ দর্শিয়েছিল?

    বাড়িটা রাস্তা থেকে ভেতর দিকে বলে। ও চায় নিরিবিলিতে একা-একা থাকতে তার জন্যে টাকা ছাড়তেও রাজি।

    একবারই শুধু মুখ দেখেছিলেন–তাও আচমকা। তাই তলিয়ে দেখতে চান কী ব্যাপার?

    ঠিক তা নয়, মিস্টার হোমস। আমার টাকা নিয়ে দরকার।

    তাহলে আজ হঠাৎ এ-ব্যাপার নিয়ে নাড়াচাড়া পড়ল কেন?

    শরীর ভেঙে পড়েছে বলে! মিসেস রোনডার যেন মরতে বসেছে। মনটাও যেন ভেঙে চুরমার হয়ে গেছে। খুন! খুন! বলে চেঁচাচ্ছে। একবার শুনলাম বলছে, জানোয়ার! রাক্ষস কোথাকার! তখন নিশুতি রাত। সারাবাড়ি গমগম করে উঠল সেই চিৎকারে। তাই পরদিন গিয়ে বললাম, মনকে কেন খামোখা কষ্ট দিচ্ছেন? পুলিশ অথবা পাদরি–এই দুইয়ের কাকে ডেকে আনলে মন শান্ত হবে বলুন–ডেকে আনছি। বাড়ি মাথায় করে মিসেস রোনডার বললে, না! না! পুলিশ না! পাদরি এসেই-বা কী করবে? যা হয়ে গেছে, তাকে তো আর পালটাতে পারবে না। কিন্তু মরবার আগে সব বলতে পারলে শান্তিতে চোখ মুদতে পারতাম। তখন বললাম, বেসরকারি গোয়েন্দা ডাকলে হবে? মিস্টার শার্লক হোমসকে? শুনেই লাফিয়ে উঠে মিসেস রোনডার বললে, ঠিক বলেছেন! ওঁকেই চাই। আসতে না-চাইলে বলবেন আমি বন্য জন্তু প্রদর্শক রোনডারের বউ। আব্বাস পারভা–এই নামটা বললেই উনি ঠিক আসবেন। এই দেখুন কাগজে লিখে দিয়েছে নামটা।

    হোমস বললে, হ্যাঁ, আমি আসছি–ঠিক তিনটের সময়ে।

    হাঁসের মতো দুলে দুলে ঘর থেকে বেরিয়ে গেলেন প্রৌঢ়া ভদ্রমহিলা। সঙ্গেসঙ্গে যেন এনার্জির বিস্ফোরণ ঘটল শার্লক হোমসের ভেতরে। ছিটকে গেল ঘরের কোণে পাকার রাখা রাশিরাশি পাঁচমেশালি মামুলি কেতাবের দিকে। মিনিট কয়েক কেবল পাতা উলটে যাওয়ার খসখস আওয়াজ শোনা গেল। তারপরে তৃপ্তিসূচক ধ্বনি শোনা গেল গলার মধ্যে। যা খুঁজছে, তা পেয়েছে। উত্তেজনার চোটে মেঝে থেকে উঠতেও ভুলে গেল। বিচিত্র বুদ্ধমূর্তির মতো বই পরিবৃত অবস্থায় বাবু হয়ে বসে যেন চোখ দিয়ে গিলে গেল পাতার পর পাতা।

    কেসটা তখনই ভাবিয়ে তুলেছিল আমাকে, ওয়াটসন ওই দেখো, মার্জিনে, নোটস লিখে রেখেছি। মাথামুণ্ডু অবশ্য তখন বুঝতে পারিনি। শুধু বুঝেছিলাম, করোনার ভুল করছে। আব্বাস পারভা ট্র্যাজেডির ঘটনা মনে পড়ছে?

    না, বললাম আমি।

    কিন্তু আমার সঙ্গেই তখন ছিলে তুমি। তবে হ্যাঁ, আমি নিজেও তো ধাঁধার জবাব পাইনি। তা ছাড়া, দু-পক্ষের কেউ আমাকে কনসাল্ট করতেও আসেনি। পড়ে শোনাব?

    সংক্ষেপে বলো।

    রেনডারের নাম তখন ঘরে ঘরে। সার্কাস দুনিয়ার অতবড়ো খেলোয়াড় আর কেউ ছিল। কিন্তু মদের পাল্লায় পড়ে নিজের আর সার্কাসের সুনাম রসাতলে যেতে বসে ট্র্যাজেডিটা ঘটবার সময়ে। বার্কশায়ারে আব্বাস পারভা বলে একটা ছোট্ট গ্রাম আছে। ক্যারাভান সেই গ্রামে পৌঁছোনোর পরে ঘটে বীভৎস ঘটনাটা। যাচ্ছিল অন্যত্র, রাত কাটানোর জন্যে তাঁবু খাঁটিয়েছিল আব্বাস পারভার খেলা দেখাতে নয়–অত ছোটো গ্রামে পয়সা উঠত না খেলা দেখিয়ে।

    জস্তুজানোয়ারের মধ্যে ছিল একটা ভারি চমৎকার আফ্রিকান সিংহ। নাম, সাহারা কিং। স্বামী স্ত্রী দুজনেই খাঁচার ভেতরে ঢুকে খেলা দেখাত সাহারা কিংকে নিয়ে। এই দেখো একটা ফটোগ্রাফ। দেখলেই বুঝবে চেহারার দিক দিয়ে রোনডার ছিল বিরাট শুয়োরের মতো। কিন্তু অপূর্ব সুন্দরী ছিল রোনডারের বউ। সাহারা কিং যে সত্যই বিপজ্জনক, সে-লক্ষণ নাকি আগেই দেখা গিয়েছিল। কিন্তু তোয়াক্কা করা হয়নি।

    সাহারা কিংকে রাত্রে খাওয়ানো হত। খাওয়াত হয় রোনডার, নয় তার বউ। আর কাউকে কাছে ঘেঁষতে দিত না। কারণ ছিল। যাদের হাতে খাওয়া পাবে, সাহারা কিং তাদেরকেই উপকারী বন্ধু হিসেবে নেবে–থাবা-টাবা মারবে না–এই বিশ্বাস ছিল স্বামী স্ত্রী দুজনের মধ্যেই। সাত বছর আগে এক রাতে স্বামী-স্ত্রী দুজনেই গেল সিংহের খাবার নিয়ে। তারপর ঘটল সেই ভয়ংকর ট্র্যাজেডি। কিন্তু ঠিক কী ঘটেছিল, আজও জানা যায়নি।

    তবুসুদ্ধ লোক জেগে উঠেছিল সিংহের গর্জন আর নারীকণ্ঠের আর্তনাদে। লণ্ঠন নিয়ে লোকজন ছুটে এসে দেখলে, খাঁচার দরজা খোলা। দশ গজ দূরে মুখ থুবড়ে পড়ে রোনডার। মাথার পেছনে সিংহের থাবার গভীর দাগ। খুলি গুঁড়িয়ে গেছে। দরজার সামনেই চিত হয়ে শুয়ে মিসেস রোনডার। সিংহ বসে তার বুকের ওপর! মুখ ছিঁড়ে ফালা ফালা করে ফেলেছে। বাঁচবে বলে আর মনে হয় না। সার্কাসের সবচেয়ে স্ট্রংম্যান লিওনার্ডো ক্লাউন গ্রিগসকে নিয়ে দলবল সমেত লম্বা ডান্ডা দিয়ে খুঁচিয়ে ঢুকল সাহারা কিং–তালা পড়ল খাঁচায়। কিন্তু খাঁচা থেকে সে বেরিয়েছিল কীভাবে, সে-রহস্যভেদ আর হল না! স্বামী স্ত্রী দুজনকে সামনে দেখে আর দরজা খোলা হচ্ছে দেখে সাহারা কিং নিশ্চয় নিজেই ধাক্কা মেরে বেরিয়ে এসেছিল বাইরে। মিসেস রোনডারকে আচ্ছন্ন অবস্থায় ধরাধরি করে তুলে নিয়ে যাওয়ার সময়ে কাপুরুষ! কাওয়ার্ড! বলে বারবার নাকি চেঁচিয়েছিল। ছ-মাস পরে এজাহার দেওয়ার অবস্থায় এসেছিল মিসেস রোনডার, কিন্তু তদন্ত করে শেষ পর্যন্ত এই কথাই বলা হয়েছিল যে নিছক দুর্ঘটনা আর অযথা দুঃসাহস দেখাতে গিয়ে প্রাণ বিসর্জন দিয়েছে রোনডার।

    এ ছাড়া আর কিছু হতে পারে কি?

    তা বলতে পার। কিন্তু বার্কশায়ারের ছোকরা পুলিশ অফিসার এডমন্ডের খটকা লেগেছিল। আমার কাছে এসেওছিল পরামর্শ করতে। এখন সে এলাহাবাদে।

    রোগা চেহারা? চুল হলদে?

    হ্যাঁ জানতাম তোমার মনে পড়বে।

    খটকা লাগল কেন?

    খটকা আমারও লেগেছিল। ছাড়া পেয়ে লাফিয়ে বেরিয়ে গিয়ে পলায়মান রোনডারকে পেছন থেকে থাবা মেরে শুইয়ে দিয়ে পালিয়ে গেলেই পারত সাহারা কিং। ফের খাঁচার কাছে ফিরে এসে রোনডারের স্ত্রীকে মাটিতে পেড়ে ফেলে মুখ চিবোতে গেল কেন? তা ছাড়া, ভদ্রমহিলা কাওয়ার্ড বলে চেঁচিয়েছিল কেন? স্বামী এসে সিংহের খপ্পর থেকে বাঁচায়নি বলে? স্বামী নিজেই তো তখন পরলোকে–সে-অবস্থায় কাওয়ার্ড বলে গাল পাড়া হল কেন?

    তা ঠিক।

    আরও আছে। সিংহ গর্জন আর নারীকণ্ঠের আর্তনাদের মাঝে একটা পুরুষকণ্ঠের চিৎকারও শোনা গিয়েছিল–বিষম আতঙ্কে দিশেহারা হয়ে যেন চেঁচিয়ে উঠেছিল সিংহ গর্জনের সঙ্গে সঙ্গে।

    রোনডার নিশ্চয়।

    মাথা ছাতু হয়ে যাওয়ার পর কেউ চেঁচায়? একাধিক সাক্ষীর মুখে শোনা গেছে একই কথা। নারীকণ্ঠের আর্তনাদের সঙ্গে মিশে গিয়েছিল বিশেষ সেই পুরুষকণ্ঠের ভয়ার্ত চিৎকার।

    বুর প্রত্যেকেই তখন চেঁচাচ্ছিল। তাই অমন মনে হয়েছে। আসলে স্বামী স্ত্রী দুজনেই যখন খাঁচার দশ গজ দূরে, তখন খাঁচা থেকে লাফিয়ে বেরিয়ে আসে সাহারা কিং। দেখেই পেছন ফিরে পালাতে গিয়েছিল রোনডার। তাই সিংহের চঁাটা গিয়ে পড়ে তার মাথায়। রোনডারের বউ বেগতিক দেখে খাঁচায় ঢুকে বাঁচতে চেয়েছিল। কিন্তু খাঁচা পর্যন্ত পৌঁছোবার আগেই সাহারা কিং তার বুকে বসে আরম্ভ করে দেয় সিংহ গর্জন আর আঁচড় কামড়। স্বামী যদি পালাতে না যেত, সিংহ রেগে গিয়ে তেড়ে যেত না–এইজন্যেই কাপুরুষ বলে চেঁচিয়েছিল রোনডারের বউ।

    ব্রিলিয়ান্ট! একটা খুঁত কিন্তু রয়ে গেল, ওয়াটসন।

    যথা?

    খাঁচার দশ গজ দূরেই যদি ছিল দুজনে, দরজা খুলল কে?

    কোনো শত্রু নিশ্চয়।

    যাদের সঙ্গে খাঁচার ভেতরে খেলা দেখিয়ে অভ্যস্ত, খাঁচার বাইরে তেড়ে গিয়ে তাদের থাবা মারতে গেল কেন সাহারা কিং?

    শত্রু ব্যক্তিটি রাগিয়ে দিয়েছিল বলে।

    হোমস চুপ করে রইল। চিন্তা করল।

    তারপর বলল, রোনডারের শুয়োরের মতো চেহারা তো দেখলে। শুনেছি, মদ খেলে তখন আর কোনো কাণ্ডজ্ঞান থাকত না। একটু আগে ভদ্রমহিলা বলে গেলেন, নিশুতি রাতেজানোয়ার, রাক্ষস কোথাকার! বলে চেঁচায় তার ভাড়াটে। মাতাল স্বামীর অত্যাচারের দৃশ্য স্বপ্নে ফিরে এসেছে বলেই নিশ্চয় অমন চেঁচিয়েছে। যাই হোক, খেয়েদেয়ে চলো বেরিয়ে পড়া যাক।

    যথা সময়ে ছ্যাকড়াগাড়ি নিয়ে পৌঁছোলাম মিসেস মেরিলোর বাড়িতে। চৌকাঠ জুড়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন স্থূলাঙ্গী ভদ্রমহিলা। ভাড়াটে যাতে বাড়ি ছেড়ে সরে না-পড়ে, পইপই করে সে-বিষয়ে আমাদের হুঁশিয়ার করে দিয়ে ছেড়া কার্পেট মোড়া সিঁড়ি দিয়ে নিয়ে গেলেন দোতালায়–রহস্যময়ী ভদ্রমহিলার ঘরে।

    ঘরটা স্যাঁৎসেঁতে। আলো হাওয়া–কম। দীর্ঘকাল যে খাঁচায় আটকে রেখেছিল বনের পশুদের, নিয়তির অঙ্গুলিহেলনে সে যেন নিজেই এখন খাঁচায় আটকে পড়েছে। ছায়াচ্ছন্ন কোণে ভাঙা চেয়ারে বসে ছিল ভদ্রমহিলা। মুখে ঘোমটা শুধু ঠোঁট আর থুতনি বেরিয়ে আছে–নিখুঁত গড়ন দেখেই বোঝা যায় গোটা মুখটি এককালে নিখুঁতই ছিল। শরীরও নিটোল–যদিও দীর্ঘদিন বসে থাকার ফলে একটু ভাজ আর খাঁজ দেখা দিয়েছে শ্রীঅঙ্গে।

    কণ্ঠস্বরও মোলায়েম, মিহি। বলল, আমি জানতাম আমাকে চিনবেন, মিস্টার হোমস।

    কিন্তু আপনার কেসে আমার আগ্রহ আছে জানলেন কী করে?

    কাউন্টি ডিটেকটিভ মিস্টার এডমন্ডের কাছে। ওঁকে মিথ্যে বলেছিলাম ইচ্ছে করেই।

    কেন?

    একজনকে বাঁচানোর জন্যে। যদিও সে অপদার্থ, তাহলেও সে আমার খুব কাছের মানুষ ছিল–এককালে।

    এখন কি সে-বাধা সরে গেছে?

    গেছে। যার কথা বলছি, সে আর ইহলোকে নেই।

    তাহলে পুলিশকে সব বলছেন না কেন?

    নিজের জন্যে বলছি না। আমি শান্তিতে মরতে চাই। পুরোনো কাসুন্দি ঘেঁটে কেচ্ছা ছড়িয়ে কেলেঙ্কারি বাড়াতে চাই না। কিন্তু মরবার আগে এমন একজনকে সব কথা বলে যেতে চাই যার নিজস্ব বিচারবুদ্ধি আছে।

    আপনার অভিনন্দনের জন্য ধন্যবাদ।

    এ-জীবনে এখন বই পড়া ছাড়া আর কিছু করণীয় আমার নেই। পৃথিবীর সব খবর রাখি বলেই আপনারও কীর্তিকলাপ আমার নখদর্পণে। আপনাকে বলে হালকা হতে চাই সেই কারণেই।

    বলুন তাহলে।

    ভদ্রমহিলা ড্রয়ার খুলে একটা ফটো বার করে বাড়িয়ে দিল সামনে। পেশাদার দড়াবাজিকরের ছবি। অপূর্ব আকৃতি, পেশিবহুল পুষ্ট বুকের ওপর দু-হাত ভাঁজ করে ভারী গোঁফের আড়ালে মুচকি হাসি ফুটিয়ে তুলে দাঁড়িয়ে যেন বহু যুদ্ধবিজয়ী আত্মতৃপ্ত পুরুষসিংহ।

    এরই নাম লিওনার্ডো, বলল ভদ্রমহিলা।

    স্ট্রংম্যান লিওনার্ডো? সাক্ষী হয়েছিল যে?

    হ্যাঁ। আর এই আমার স্বামী।

    এবার যার ছবি দেখলাম তাকে মানুষের আকারে অতিকায় শুয়োর বলাই সংগত। ভয়াবহ পৈশাচিক মুখের চেহারা। রাগে যেন ফুলছে। গাঁজলা বেরুচ্ছে ঠোঁটের কোণ দিয়ে। খুদে চোখে সে কী জিঘাংসা–দগ্ধ করতে চাইছে যেন জগৎসংসারকে। জানোয়ার, ইতর, নরপিশাচ চওড়া চৌকোনা চোয়ালের পরতে পরতে পরিস্ফুট এই তিনটে এবং আরও অনেক বিশেষণ।

    ছবি দুটো দেখলে আমার কাহিনি বুঝতে সুবিধে হবে আপনাদের। সার্কাসের গরিব মেয়ে আমি। মানুষ হয়েছি কাঠের গুঁড়োয় শুয়ে, রিঙের মধ্যে লাফালাফি করে–তখন আমার বয়স দশ বছর। বড়ো হবার পর শুয়োরের মতো এই জানোয়ারটা ভালোবেসে বিয়ে করল আমাকে। পরে বুঝলাম, প্রেম নয়–কামানলে আহুতি দিলাম নিজেকে। শুরু হল নরকযন্ত্রণা। মারধর কিছুই বাদ যায়নি। বেঁধে চাবুক মারত। যন্ত্রণায় কাতরাতাম। সার্কাসের সবাই ওকে মনেপ্রাণে ঘৃণা করত, আমাকে অনুকম্পা করত। তার বেশি কিছু করতে সাহস পেত না। দল ভাঙা শুরু হয়ে গেল তখন থেকেই। সুনাম গোল্লায় গেল। লিওনার্ডো আর জিমি গিস কোনোরকমে চালিয়ে গেল সার্কাস।

    এই সময়ে লিওনার্ডোকে ভালোবাসলাম। ওর সুন্দর শরীরের ভেতরে যে একটা ভীতু মানুষ আছে, তখন জানতাম না। তবে রোনডারের তুলনায় সেই মুহূর্তে লিওনার্ডো ছিল আমার কাছে দেবদূতের মতো বরণীয়। রোনডার টের পেয়েছিল আমাদের গোপন ভালোবাসা। শোধ তুলতে আমার ওপর অকথ্য অত্যাচার করে। একদিন আমার কান্না শুনে ভ্যানের দোরগোড়া পর্যন্ত দৌড়ে এসেছিল লিওনার্ডো। সেই রাতেই একটা ভীষণ কাণ্ড ঘটত। ঠিক করলাম, আর নয়। রোনডারকে খুন করতে হবে বাঁচবার জন্যে।

    প্ল্যানটা লিওনার্ডোর–এ-ব্যাপারে মাথা ওর সাফ। আমার অত সাহস ছিল না।

    একটা কাঠের গদা তৈরি করল লিওনার্ডো–ভেতরে ঠাসা রইল সিসে–বাইরে পাঁচটা লম্বা ইস্পাতের পেরেক। ঠিক যেন সিংহের থাবা। ঠিক হল, এই থাবার ঘায়ে খতম করা হবে রোনডারকে কিন্তু সবাই মনে করবে মরেছে সিংহের থাবায়।

    নিশুতি রাতে অভ্যেস মতো দস্তার গামলায় কাঁচা মাংস নিয়ে স্বামী স্ত্রী গেলাম সিংহকে খাওয়াতে। নকল থাবা নিয়ে ভ্যানের আড়ালে ওত পেতে ছিল লিওনার্ডো। পেছন থেকে পা টিপে টিপে এসে মারল স্বামীর মাথায়। আওয়াজ শুনেই নেচে উঠল মনটা। দৌড়ে গিয়ে খুলে দিলাম খাঁচার দরজা।

    ভয়ানক ব্যাপারটা ঘটে গেল ঠিক সেই মুহূর্তেই। মানুষের রক্তের গন্ধ এদের নাকে কত তাড়াতাড়ি যায়, নিশ্চয় তা জানেন। চক্ষের পলকে সাহারা কিং আঁপিয়ে পড়ল আমার বুকে। আমি ভয়ে চিৎকার করে উঠলাম। চিৎকার করে উঠল লিওনার্ডোও। সেই মুহূর্তে ভয় না-পেয়ে ও যদি গদা দিয়ে মারত সাহারা কিঙের মাথায় বেঁচে যেতাম আমি। কিন্তু তা না-করে প্রাণের ভয়ে দেখলাম ছুটে পালিয়ে যাচ্ছে লিওনার্ডো। সঙ্গেসঙ্গে সিংহের দাঁত বসে গেল আমার মুখে। বিকট বোঁটকা গন্ধ, মুখের লালার বিষ আর ভয়াল গজরানিতে আমি অজ্ঞানের মতো হয়ে গেলাম। প্রাণপণে দু-হাত দিয়ে সিংহের মুখ সরিয়ে রাখলাম দূরে। কানে ভেসে এল লোকজনের চিৎকার। পুরোপুরি জ্ঞান হারিয়ে ফেলার আগে দেখলাম লিওনার্ডো আর গ্রিগস ডান্ডা দিয়ে খুঁচিয়ে সাহারা কিংকে ঠেলে সরিয়ে দিচ্ছে বুকের ওপর থেকে। তারপর আর কিছু মনে নেই। জ্ঞান ফিরে পাওয়ার পর আয়নায় মুখের চেহারা দেখে শিউরে উঠলাম। এর চেয়ে মৃত্যুও ভালো ছিল। সেই থেকে মুখ ঢেকে নির্জনে থেকেছি জখম জানোয়ারের মতোই বিবরে ঢুকে মরতে বসেছি–লোকচক্ষে কিন্তু অনেক আগেই শেষ হয়ে গেছে ইউজেনিয়া রোনডার।

    কিছুক্ষণ বসে রইলাম নীরবে। তারপর দীর্ঘ শীর্ণ হাত বাড়িয়ে ইউজেনিয়া রোনডারের হাত চাপড়ে দিল শার্লক হোমস। সমবেদনার এহেন অভিব্যক্তি হোমসের চরিত্রে একান্তই দুর্লভ কদাচিৎ দেখেছি আমাদের সুদীর্ঘ সহাবস্থানে।

    বেচারা! নিয়তির মার দুনিয়ার বার! লিওনার্ডোর খবর কী?

    এ-ঘটনার পর আর দেখিনি। হয়তো ওর ওপর অতটা না-চটলেও পারতাম। পরে আমার রং করা মুখটাই ও ভালোবাসতে পারত। কিন্তু মেয়েদের ভালোবাসা এত তাড়াতাড়ি মরে যায় না। সিংহের মুখে আমাকে ফেলে সে পালিয়েছে, আমার দরকারের সময়ে আমাকে সে ত্যাগ করেছে তবুও তাকে ফাঁসির দড়িতে ঝোলাতে চাইনি।

    এখন?

    মারা গেছে জলে ড়ুবে। গত মাসে মার্গেটে চান করার সময়ে। কাগজে পড়লাম খবরটা।

    পাঁচনখী থাবাটা কোথায়?

    ঠিক জানি না। ক্যাম্পের পেছনে একটা সবুজ ডোবা ছিল খড়ি-গর্তের তলায়। হয়তো সেখানে।

    যাক গে। থাবার আর দরকার নেই। কেস শেষ।

    হ্যাঁ, কেস শেষ।

    উঠে দাঁড়িয়েছিলাম, কিন্তু শেষ কথার শেষ সুরটা হোমসের কানে বাজল।

    চকিতে ঘুরে দাঁড়িয়ে বললে, জীবনটা আপনার একার নয়। ওর ওপর যেন হাত না-পড়ে।

    এ-জীবন আর কারো কাজে লাগবে কি?

    জানছেন কী করে? মুখ বুজে সয়ে যে শিক্ষা পাওয়া যায়, অসহ্য এই দুনিয়ায় তার চাইতে বড় সম্পদ আর কিছু আছে কি?

    জবাবটা এল ভয়ংকরভাবে। ঘোমটা তুলে আলোর সামনে এসে দাঁড়াল ভদ্রমহিলা।

    সহ্য করতে পারবেন?

    কী ভয়ংকর! কী বীভস! হাড়ের কাঠামোয় এক সময়ে যে-মুখ ছিল, এখন যা নেই–পৃথিবীর কোনো ভাষায় তার বর্ণনা সম্ভব নয়। অদ্ভুত সুন্দর বিষণ্ণ বাদামি দুটো চোখ কেবল মুখের সেই ধ্বংসাবশেষের মধ্যে থেকে একদৃষ্টে চেয়ে রইল আমাদের পানে। গভীর অনুকম্পায় এবং অপরিসীম প্রতিবাদে দু-হাত তুলে যেন বাধা দিল হোমস এবং আমাকে নিয়ে ঘর থেকে বেরিয়ে এল বাইরে।

    দু-দিন পরে হোমসের আস্তানায় যেতেই সগর্বে ম্যান্টলপিসের ওপর রাখা একটা ছোটো নীল শিশির দিকে আঙুল তুলে দেখাল ও। শিশির গায়ে বিষের লাল লেবেল। ছিপি খুলতেই নাকে ভেসে এল বাদামের মিষ্টি গন্ধ।

    প্রুসিক অ্যাসিড? প্রশ্ন করলাম।

    হা পোস্টে এসেছে। সেইসঙ্গে এই চিঠিটা। প্রলোভন সম্বরণ করলাম। উপদেশ গ্রহণ করলাম। ওয়াটসন, সত্যিই বুকের পাটা আছে মেয়েটার।

    ————–

    টীকা

    ঘোমটার ঘোরালো ঘটনা : দি অ্যাডভেঞ্চার অব দ্য ভিইলড লজারআমেরিকার লিবার্টি পত্রিকার ২২ জানুয়ারি ১৯২৭ তারিখের সংখ্যায় এবং ইংলন্ডে স্ট্র্যান্ড ম্যাগাজিনের ফেব্রুয়ারি ১৯২৭ সংখ্যায় প্রথম প্রকাশিত হয়।

    করোমোরাস্ট সংক্রান্ত সমস্ত কেচ্ছা : গবেষক ডোনাল্ড রেডমন্ড এই রাজনীতিবিদকে জেমস চেম্বারলেন হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।

    অভ্যেসটি অতিশয় কদর্য : একটি হোমসিয় ঠাট্টা। কারণ ঘরের ধোঁয়া হোমসেরই কীর্তি। কে বলে হোমস গম্ভীর এবং বেরসিক?

    সার্কাস দুনিয়ার অতবড়ো খেলোয়াড় : সেকালে সার্কাস জগতের বিখ্যাত ব্যক্তি ছিলেন জর্জ উমবোয়েল (১৭৭৮-১৮৫০), এবং জর্জ স্যাংগার (১৮২৭-১৯১১)। এঁরা দুজনেই ছিলেন ভ্রাম্যমাণ সার্কাস দলের প্রতিষ্ঠাতা।

    এলাহাবাদে : এলাহাবাদ ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত হয় ১৮০১ খ্রিস্টাব্দে। সিপাহী বিদ্রোহের সময়ে এখানে ব্রিটিশ ফৌজের সঙ্গে সিপাহীদের প্রবল যুদ্ধ হয়েছিল।

    জ্ঞান ফিরে পাওয়ার পর : মিসেস রোনডারের জ্ঞান ফিরে এসেছিল। কিন্তু উমবোয়েলের সার্কাসে এলেন ব্রাইট নামে এক সপ্তদশী মারা গিয়েছিল সার্কাসের বাঘের আচমকা আক্রমণে, ১৮৮০ সালে।

    প্রসিক অ্যাসিড : বর্ণহীন তীব্র বিষ হাইড্রোজেন সায়ানাইডের আরেক নাম প্রসিক অ্যাসিড। জলে মিশ্রিত অবস্থায় এর নাম হাইড্রোসায়নিক অ্যাসিড। রবার বা প্লাস্টিক তৈরিতে এই রাসায়নিক ব্যবহৃত হয়।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅতল জলের শহর – অদ্রীশ বর্ধন
    Next Article শার্লক হোমস সমগ্র ১ – অনুবাদ : অদ্রীশ বর্ধন

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }