Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    শাহজাদা দারাশুকো – কালিকারঞ্জন কানুনগো

    কালিকারঞ্জন কানুনগো এক পাতা গল্প337 Mins Read0
    ⤷

    ১. বাল্য ও কৈশোরের ঐতিহাসিক পটভূমিকা

    প্রথম অধ্যায় – বাল্য ও কৈশোরের ঐতিহাসিক পটভূমিকা

    ১

    ১৬১৫ খ্রিস্টাব্দের বসন্তকাল। আকাশে-বাতাসে মোগল সাম্রাজ্যে আনন্দের অধীর স্পন্দন, জাহাঙ্গীর-রাজত্বের দশম বার্ষিক “নওরোজে”র ঈদ আগতপ্রায়––সূর্যদেবের মেষরাশিতে প্রথম সংক্রমণের মুহূর্তে উৎসবের বাদ্য বাজিয়া উঠিবে। আজমীর শহরের যে রাস্তা দিল্লি দরওয়াজা বামে রাখিয়া পুষ্কর তীর্থে চলিয়াছে উহার নিম্নভূমির উত্তর দিকে “অন্নাসাগর” সরোবরের বিপুল জলরাশি। সরোবরের পূর্বতীরে নগরীর পশ্চিম উপকণ্ঠে বাদশাহী ডেরা–একটি সুপরিকল্পিত মনোরম তাঁবুর। দার্-উল্-সুলতানত্ আগ্রা নগরী আজকাল দার্-উল্-বরকত্, আজমীরের সৌভাগ্যে ঈর্ষান্বিতা। রাজধানী ছাড়িয়া প্রায় তিন বৎসর যাবৎ শাহানশাহ্ জাহাঙ্গীর মিবার অভিযান পরিচালনার জন্য আজমীরে শিবির স্থাপন করিয়া আছেন। আজমীর শরিফের খ্বজা সাহেবের বরকতে আকবর বাদশাহ বিশাল ভারত সাম্রাজ্যের অধীশ্বর হইয়াও ক্ষুদ্র মিবার রাজ্য জয় সম্পূর্ণ করিতে পারেন নাই। শাহজাদা খুর্‌রমকে মহারাণা অমরসিংহের বিরুদ্ধে প্রেরণ করিয়া জাহাঙ্গীর পীরের দরগায় পুত্রের বিজয় প্রার্থনা করিতেছিলেন। খেয়ালী বাদশাহ ভক্তির আবেগে গত বৎসর (১৬১৪ খ্রিঃ) কর্ণভেদ করিয়া চিশতী-র কান ফোঁড়া গোলাম হইয়াছিলেন। এই জন্য দরবারী মুসলমান আমীরগণের মধ্যে কান ছিদ্র করিবার হিড়িক পড়িয়া গেল। মরার উঠানে যে অতিকায় ডেগ-যুগল এখনও আকবর-জাহাঙ্গীরের পুণ্যস্মৃতি বহন করিয়া যথাস্থানে বিরাজ করিতেছে উহার মধ্যে বড় সওয়া শ’ মণী ডেগটা আগ্রায় তৈয়ার করাইয়া বিগত বৎসরে সম্রাট জাহাঙ্গীর মহাসমারোহে আজমীরে উৎসর্গ করিয়াছিলেন। ওইদিন সকালবেলা স্বয়ং নূরজাহান বেগম নিজের হাতে উনুন ধরাইয়া বড় ডেগে খিচুড়ি পাক করিয়াছিলেন। রাজরাজেশ্বরীর এই অন্নপূর্ণা রূপ জাহাঙ্গীর ব্যতীত আর কেহ দেখিতে না পাইলেও তিন বৎসর পরে স্যর টমাস রো গল্প শুনিয়াছিলেন। পাক শেষ হইবার পর মইয়ের সাহায্যে আলা হজরত সর্বপ্রথম এক থালা খিচুড়ি নামাইয়া গরিবদিগের পাতে পরিবেশন করিলেন—সেইদিন পাঁচ হাজার কাঙাল খিচুড়ি প্রসাদ পাইয়াছিল।

    বিজয়ী খুর‌রম কুমার করণকে সঙ্গে লইয়া ১০২৪ হিজরী মহরম মাসের ২০ তারিখ (ফেব্রুয়ারি, ১৬১৫ খ্রিঃ) দরবারে উপস্থিত হইলেন। অপরাজেয় প্রতাপের পুত্র অমরসিংহ শাহজাদা খুর‌রমের বীরত্ব, কূটনীতি, এবং সর্বোপরি সহৃদয়তার নিকট নতিস্বীকার করিয়া দুই মাস পূর্বে কুমার করণকে সন্ধির প্রস্তাবসহ মোগল শিবিরে প্রেরণ করিয়াছিলেন। মিবারের বিজিত ভূমি চিতোর দুর্গসহ মহারাণা ফিরিয়া পাইলেন; কিন্তু শিশোদিয়া-রাজলক্ষ্মী চিরদিনের মতো বন্দিনী রহিলেন মোগল কারাগারে। এই বিজয় উৎসবের আনন্দ ও উন্মাদনার স্রোতে ভাটা না পড়িতেই ভরা বসন্তে (মার্চ, ১৬১৫) আসিল নওরোজের নূতন জোয়ার। “নওরোজ” দরবারের নয় দিন পরে অমাবস্যার রবিবারে পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণের ছায়ায় প্রতিবিম্বিত হইল হিন্দুকুলসূর্য শিশোদিয়া বংশের ভাগ্যবিপর্যয়। পরের দিন সোমবার রাত্রি ১২ দণ্ড ৪২ পল গতে (২৯শে সফর ১০২৪ হিঃ ২০শে মার্চ, ১৬১৫ খ্রিঃ) মমতাজমহল বেগম কন্যা জাহানারার জন্ম সম্বৎসর অতীত না হইতেই রাহুমুক্ত সূর্যের ন্যায় এক পুত্রসন্তান প্রসব করিলেন, শাহী গোলাপবাগে প্রথম কোরক প্রস্ফুটিত হইয়া সম্রাটের বসন্তোৎসব দ্বিগুণ সার্থক করিল।

    খুর‌রমের প্রথম পুত্রের জন্ম-সংবাদ পাইয়া আলা হজরতের খুশির পেয়ালা বে-সামাল হইয়া পড়িল। বাদশাহ হুকুম দিলেন এইবার তিনি বাবা খুর‌রমের দৌলতখানায় “নবাগত অতিথি”র শুভকামনা করিয়া ডবল ঈদ মানাইবেন। অন্নাসাগরের তটভূমিতে শাহজাদার তাঁবু পড়িয়াছিল। সেইস্থানে পরের দিন সম্রাটের অভ্যর্থনার আয়োজন হইল। উৎসব-মণ্ডপের তোরণদ্বারে দিল্লীশ্বরের উপর প্রাচীন ভারতের “লাজবর্ষণ’ প্রথার অনুকরণে “নিসার”* বা মাঙ্গলিক রৌপ্যমুদ্রা বর্ষিত হইল। শাহানশাহ সভা অলঙ্কৃত করিবার পরেই শাহজাদা খুর‌রম হাজার আশরফি কদম মোবারকে নজর রাখিয়া শিশুর নামকরণের প্রার্থনা জানাইলেন। আলা হজরত নজর মাপ** করিয়া পৌত্রের নাম রাখিলেন সুলতান দারাশুকো।

    —

    * প্রকৃতপক্ষে “নিসার” কোনও চলিত মুদ্রা নহে; “খৈ” অপেক্ষা কিঞ্চিৎ ভারী পাতলা রূপার ছোট ছোট পাত, উপরে টাঁকশালের ছাপ। মোট যত তোলা রূপা নিসারে ব্যয় হইত উহার দাম ধরিয়া হিসাব হইত এত হাজার টাকার নিসার।

    ** নজর মাপ করার অর্থ বাদশাহ উহা হইতে একটি আশরফি স্পর্শ করিয়া উল্টাইয়া রাখিলেন, গ্রহণ না করিয়া দাতাকে উহা বকশিশ করিলেন ইহাই অভিপ্রায়।

    ২

    দারার জন্মের ত্রয়োদশ মাসে শাহজাদা খুর্রমের প্রথম সন্তান, জাহানারার জ্যেষ্ঠা ভগিনী হুরউন্নিসা আজমীর শহরে তিন বৎসর এক মাস বয়সে অকালে অন্তর্ধান করিলেন। ইহার এক মাস পরে দ্বিতীয় পুত্র শুজাকে কোলে পাইয়াও (১৩ই জুন, ১৬১৬ খ্রিঃ) মমতাজ জীবনের প্রথম শোক ভুলিতে পারেন নাই। সম্রাটের অন্তঃপুরে লালিত-পালিত শিশুপুত্র শুজাঙ্গীর জাঁহা বাদশাহ-র পিয়ারের নাতি হইয়া উঠিলেন; পিতার স্নেহের অংশ জাহানারা এবং দারা ভাগাভাগি করিয়া লইলেন। তাঁহাদের উভয়ের প্রতি পিতৃস্নেহের পক্ষপাতিতায় ঈর্ষান্বিতা হইয়াই যেন শুজার চৌদ্দ মাস পরে হাজির হইলেন কুমারী রৌশনারা (জন্ম বুরহানপুর, ২৪শে আগস্ট ১৬১৭ খ্রিঃ)। গুণ ও স্বভাবে রৌশনারার জুড়ি এবং প্রিয়তম ভ্রাতা আওরঙ্গজেব ভূমিষ্ঠ হইলেন রৌশনারার পিঠে ঠিক চৌদ্দ মাস পরে (২৪শে অক্টোবর, ১৬১৮ খ্রিঃ)। দারার জীবননাট্যের কনিষ্ঠতম প্রতিনায়ক মুরাদ-বক্‌শ পিতৃদ্রোহী খুর‌রমের চঞ্চল বিদ্রোহী রক্ত লইয়া অবতীর্ণ হইয়াছিলেন আওরঙ্গজেবের ছয় বৎসর পরে বিহারের রোহতাশ দুর্গে (২৮শে সেপ্টেম্বর, ১৬২৪ খ্রিঃ); তবে উভয়ের মধ্যে ব্যবধান স্বল্পায়ু আরও দুই ভাই এবং এক ভগ্নী।

    শাহজাহানের তৃতীয় পুত্র সুলতান আওরঙ্গজেব ‘বাহাদুর” যখন মাতৃগর্ভে পূর্ণতা লাভ করিতেছিলেন, সেই সময়ে জাহাঙ্গীরের তৃতীয় পুত্র ভাগ্যবান খুর‌রম তাঁহার জ্যেষ্ঠভ্রাতা হতভাগ্য খসরু-কে হত্যা করিয়া নিজের ভবিষ্যৎ নিষ্কণ্টক করিবার জন্য মমতাজের পিতা আসফ খাঁ এবং পিসি-শাশুড়ি নূরজাহান বেগমের সহিত নিন্দনীয় ষড়যন্ত্রে গভীরভাবে লিপ্ত। অধিকন্তু ওই সময়ে সম্রাজ্ঞীর অসীম অনুগ্রহের বিনিময়ে কৃতঘ্নতা এবং পিতার অনাবিল স্নেহ ও একান্ত নির্ভরতার প্রতিদান স্বরূপ বিদ্রোহের পরিকল্পনাও তাঁহার মনের গোপন কোণে দানা বাঁধিতে শুরু করিয়াছে। খসরুর প্রতি খুর‌রমের আক্রোশ সম্বন্ধে জাহাঙ্গীর সচেতন ছিলেন এবং কিঞ্চিৎ ভয়ের সহিত এই পর্যন্ত খসরুকে নূরজাহান, আসফ খাঁ এবং খুর্রমের নাগালের বাহিরে রাখিয়াছিলেন; অনীরায় সিংহদলন নামক* সুবিশ্বাসী রাজপুত বীরের হেফাজত হইতে নজরবন্দী খসরুকে সরাইবার জন্য “নূরজাহান চক্র” অনেক কাণ্ড করিয়াছিলেন। একদিন দুপুররাত্রে বাদশাহী মোহরযুক্ত এক জরুরি হুকুমনামাসহ একজন গুজবরবার কয়েকজন সিপাহী লইয়া অনীরায়ের কাছে হাজির হইল;––বাদশাহের হুকুম তাহাদের সঙ্গে খসরুকে অবিলম্বে শাহীমহলে পাঠাইতে হইবে; গোঁয়ার রাজপুত সাফ জবাব দিয়া বসিল, সূর্যাস্তের পর শাহানশাহর হুকুমনামায় কোনও কাজ হয় না। পরের দিন সকালে অনীরায় বন্দী খসরুকে দরবারে হাজির করিয়া পূর্ব রাত্রির ঘটনা হুজুরে নিবেদন করিলেন। নূরজাহান বেগমের কড়া শাসনে দিনের বেলা সাধারণত আলা হজরত প্রকৃতিস্থ থাকিতেন; সুতরাং আসল ব্যাপারটা বুঝিতে তাঁহার বিলম্ব হইল না। তিনি অনীরায়ের কার্যের প্রশংসা করিয়া খসরুকে তাঁহার জিম্মায় থাকিবার হুকুম দিলেন।

    —

    [* রাজত্বের পঞ্চম বর্ষে অনুপরায় ব্যাঘ্রের কবল হইতে সম্রাটের প্রাণরক্ষা করিয়া “অনীরায় সিংহদলন” উপাধি পাইয়াছিলেন।

    সংক্ষেপে ঘটনাটি এই–

    টিলার উপর দাঁড়াইয়া জাহাঙ্গীর বাদশাহ একটি বাঘকে গুলি করিয়াছিলেন। বাঘ বাদশার উপর হামলা করিল, আলা হজরত চিৎ হইয়া পড়িয়া গেলেন, অনুচরবর্গের মধ্যে দুই-তিন জন তাঁহার বুকের উপর দিয়াই দৌড়াইল। অনুপরায় দুইহাতে বাঘের মাথায় এক ডাণ্ডা মারিলেন। বাঘ তাঁহাকে আলিঙ্গন করিয়া ডাণ্ডাসহ হাত দুইখানা কামড়াইয়া ধরিল। ইহার পর বাঘে রাজপুতে কুস্তি—মাটিতে লুটোপুটি। ইতিমধ্যে অন্যান্য কয়েকজন বাঘকে তলোয়ারের কয়েক ঘা দিতেই বাঘ অনুপরায়কে ছাড়িয়া চলিয়া যাইতেছিল; রাজপুত গা-ঝাড়া দিয়া আবার বাঘের মুখে মারিল দুই-তিন ঘুষি; আবার বাঘে-মানুষে কুস্তি। কিছুক্ষণ পরে অনুপরায় তলোয়ার বাহির করিবার ফুরসত পাইয়া প্রস্থানোদ্যত বাঘকে এক কোপ মারিলেন। ওই কোপে ভুরুর উপরে চামড়া কাটিয়া বাঘের চোখ দুইটির উপর ঝুলিয়া পড়িল। ইত্যবসরে অন্যান্য বাহাদুরগণ হাজির হইয়া অন্ধপ্রায় ব্যাঘ্রকে নিপাতিত করিলেন।

    জাহাঙ্গীর বাদশাহ নিজের খাসা তরবারি উক্ত উপাধির সঙ্গে অনুপরায়কে উপহার দিয়াছিলেন– মোগল ও রাজপুত ধন্য হইল (Memoirs of Jahangir i. p. 185 70 )]

    —

    রাজত্বের দ্বিতীয় বর্ষে জাহাঙ্গীর তাঁহার বিদ্রোহী জ্যেষ্ঠপুত্রের চক্ষুদ্বয়ে একপ্রকার গাছের বিষাক্ত সাদা রস (আকন্দ পাতার ক্ষীর) প্রয়োগ করিয়া অন্ধ করিবার হুকুম দিয়াছিলেন। হুকুম তামিল হওয়ার পর অনুতপ্ত হইয়া পুত্রের দৃষ্টিশক্তি পুনর্লাভের জন্য তিনি ব্যাকুল হইলেন। কিছুকাল পরে যখন জানিতে পারিলেন খসরু কিছু কিছু দেখিতে পায় তখন তাঁহার আনন্দের সীমা রহিল না। কুমার খসরু রাজা মানসিংহের ভাগিনেয়, খান্ ই-আজম্ মির্জা আজিজের জামাতা এবং ওই সূত্রে খান্থানান্ আবদুর রহিমের নাতজামাই। রাজা মানসিংহ পরলোকগত হইলেও পরাক্রান্ত কচ্ছবাহ-কুল ভাগিনেয় জ্ঞানে মনে মনে কুমার খসরুর পক্ষাবলম্বী ছিল। অপরপক্ষে কুমার খুর‌রম যোধপুরের দৌহিত্র; রাঠোরের লাখ তলওয়ার সর্বদাই কচ্ছবাহ-কুলের প্রতিস্পর্ধী। অধিকন্তু তিনি পরাজিত মহারাণাকে সম্মানজনক শর্তে দিল্লীশ্বরের সহিত সন্ধি ব্যাপারে সহায়তা করিয়া শিশোদিয়াগণের কৃতজ্ঞতাভাজন হইয়াছিলেন; মহারাণা করণের কনিষ্ঠ ভ্রাতা ভীম শিশোদিয়া শিকারী চিতাবাঘের মতো তাঁহার প্রতি অনুরক্ত। জাহাঙ্গীরের দ্বিতীয় পুত্র শাহজাদা পরবেজকে খুর‌রম হিসাবের মধ্যেই গণ্য করিতেন না; তিনি চিররোগী, অকর্মণ্যতার জন্য পিতার অপ্রিয়ভাজন, নিজের পায়ের উপর দাঁড়াইবার শক্তি তাঁহার ছিল না। পরবেজের দাবি জাহাঙ্গীর পরোক্ষে একরকম বাতিল করিয়া দিয়াছিলেন— প্রমাণ খুর‌রমের ত্রিশ-হাজারী মনসব, “শাহ বুলন্দ ইকবাল” উপাধি, সরকার হিসারের জায়গির ইত্যাদি। সুতরাং দিল্লির মসনদের উপর বদ্ধদৃষ্টি শাহজাদা খুর‌রম, তাঁহার শ্বশুর আসফ খাঁ এবং নূরজাহান বেগম বন্দী খসরুকে যথাশীঘ্র পরলোকে প্রেরণ করিবার জন্য ষড়যন্ত্র করিতে লাগিলেন। এই সময়ে সুপ্রসিদ্ধ মালিক অম্বর বিজাপুর ও গোলকুণ্ডার অর্থ ও সৈন্য সাহায্যে দাক্ষিণাত্যে মোগল অধিকার লোপ করিবার উপক্রম করিল। অম্বরকে দমন করিবার মতো বাহাদুর সিপাহসালার খুর‌রম ব্যতীত আর কেহ ছিল না। ১৬১৬ খ্রিস্টাব্দের শরৎকালে শাহজাদা খুর‌রম মালিক অম্বরের বিরুদ্ধে অভিযান করিবার আদেশ পাইয়া সম্রাটকে জানাইলেন, আসফ খাঁর হাতে তাঁহার জ্যেষ্ঠভ্রাতা খসরুকে সমর্পণ না করিলে তিনি এই অভিযানের ভার গ্রহণ করিবেন না। অন্য কাহারও এইরূপ আপত্তি বিদ্রোহ বলিয়াই গণ্য হইত; কিন্তু এই ক্ষেত্রে ইহা বাবা খুর্রমের* আবদার। অক্টোবর মাসের শেষ সপ্তাহে (১৬১৬ খ্রিঃ) অনীরায়ের হেফাজত হইতে “কতিপয় কারণে” খসরুকে আসফ খাঁর হাতে তুলিয়া দিতে তিনি বাধ্য হইলেন। স্বীয় আত্মচরিতে সত্য কথা লিখিবার সৎসাহস পর্যন্ত জাহাঙ্গীরের হয় নাই; প্রথম কথা, বাদশার উপরে বাদশাহ, নূরজাহান বেগমের রোষষায়িত কটাক্ষের ভয়; দ্বিতীয় কথা, তুজুক পড়িলেই মনে হয় ওই পুস্তক (শেষ অংশ বাদ) নূরজাহান এবং বাবা খুর্রমের প্রতি বাদশাহর ভালোবাসা ও অনুগ্রহের ফিরিস্তি। সত্য ঘটনার গুপ্ত দিনচর্যা হইলে তুজুক-ই-জাহাঙ্গীরির ঐতিহাসিক মূল্য তুজুক-ই-বাবরি অপেক্ষা এত কম হইত না। যাহা হউক, দুর্বলচিত্ত, অসহায় সম্রাট জানিয়া-শুনিয়া অর্ধমৃত অন্ধপুত্রকে মৃত্যুরূপী আসফ খাঁর কবলে প্রেরণ করিবার পূর্বে পিতৃস্নেহের নিদর্শন-স্বরূপ একখানা খাসা শাল খসরুকে উপহার দিয়াছিলেন। ১৬২১ খ্রিস্টাব্দের ২১শে ফেব্রুয়ারি রাত্রির অন্ধকারে বুরহানপুর শহরে খসরুর অন্তঃপুরে সাক্ষাৎ কৃতান্তের ন্যায় প্রবেশ করিয়া সিংহাসনের লোভে উন্মত্ত খুর‌রম স্বহস্তে গলা টিপিয়া জ্যেষ্ঠভ্রাতাকে হত্যা করিলেন। কেহ যেন কোনও প্রকার সন্দেহ করিতে না পারে, সেই জন্য পরের দিন যথারীতি শহরের মধ্য দিয়া চলিল শবানুগমনের বিরাট মিছিল। খুর‌রম পিতার কাছে দুঃখের সহিত জানাইলেন, পিত্তশূল রোগে (ফাঃ কুলঞ্জ) ভুগিয়া ভাইসাহেব স্বর্গবাসী হইয়াছেন। জাহাঙ্গীর প্রকৃতই বিশ্বাস করিয়াছিলেন কিনা খোদাতালা জানেন, তবে “তুজুকে” তিনি উক্তরূপ সংবাদ লিখিয়া গিয়াছেন। কিন্তু ধর্মের ঢোল কিছু দেরিতে হইলেও বাতাসে একদিন বাজিয়া উঠে। আলমগীর-শাহী আমলে বৃদ্ধ ঐতিহাসিক মহম্মদ সালেহ কাম্বো তাঁহার আমল-ই-সালেহ গ্রন্থে শাহজাহানের দুষ্কার্যসমূহ সবিস্তার লিখিয়া গিয়াছেন।

    [* আকবর বাদশাহ শাহজাদা সেলিমকে আদর করিয়া ডাকিতেন, ‘শেখু বাবা’। বিদ্রোহের পূর্ব পর্যন্ত জাহাঙ্গীর তৃতীয় পুত্রকে বরাবর বাবা খুর‌রম বলিয়া উল্লেখ করিয়াছেন। অন্য কোনও পুত্রকে তিনি ‘বাবা’ বলেন নাই। আজকাল দিল্লি অঞ্চলে বাপ ও ছেলেকে ‘ভাইয়া’ এবং পিতামহকেই ‘বাবা’ বলিতে শুনা যায়।]

    আধুনিক মনোবিজ্ঞানবিদগণ নাকি স্বীকার করেন, পিতামাতার কার্য, চিন্তাধারা এবং মনোভাব গর্ভস্থ সন্তানের বুদ্ধি ও স্বভাবকে প্রভাবান্বিত করিয়া থাকে। ইহা সত্য হইলে বলিতে হয় ১৬১৬ খ্রিস্টাব্দ হইতে ১৬২৪ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত শাহজাদা খুর্রমের যে সমস্ত সন্তান ভূমিষ্ঠ হইয়াছিল, তাহারা মাতৃগর্ভেই কূটনীতি, শাঠ্য, নৃশংসতা ও পিতৃদ্রোহের পাঠ আয়ত্ত করিয়াছিল;-পরবর্তী ইতিহাস ইহার সাক্ষী। দারার দুর্ভাগ্যকে নিয়তির হাতে ছাড়িয়া না দিয়া ঐতিহাসিক সন্দেহ করিতে পারেন “মরে পুত্র জনকের পাপে”––শুজা আরওঙ্গজেব মুরাদ শুধু নিমিত্ত মাত্র। শাহজাহান মমতাজের গর্ভে বিদ্রোহীর বীজ ক্ষেপণ করিয়া পিতৃভক্ত, রাজভক্ত, ভ্রাতৃবৎসল পুত্র কেমন করিয়া প্রত্যাশা করিতে পারেন?––‘যবাঃ প্রকীর্ণাঃ ন ভবন্তি শালয়ঃ” : ক্ষেতে যব ছিটাইয়া আমন ধানের ফসল কেহ পায় নাই।

    ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleক্যাপিট্যাল / ডাস কাপিটাল – কার্ল মার্ক্স (অনুবাদ : পীযুষ দাসগুপ্ত)
    Next Article আলীবর্দী ও তার সময় – কালিকিঙ্কর দত্ত
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }