Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    শাহজাদা দারাশুকো – কালিকারঞ্জন কানুনগো

    কালিকারঞ্জন কানুনগো এক পাতা গল্প337 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৪. শাহজাদা দারাশুকোর কান্দাহার অভিযান

    চতুর্থ অধ্যায় – শাহজাদা দারাশুকোর কান্দাহার অভিযান

    ১

    কান্দাহার নামটা প্রাচীন গন্ধার শব্দের অপভ্রংশ। উহা একটি জনপদের নাম। বৌদ্ধযুগে আটকের নিম্নবর্তী সিন্ধুর উভয় তীর এবং সিন্ধু ও ঝিলাম নদীর মধ্যবর্তী স্থান গন্ধার জনপদ নামে পরিচিত ছিল। উহার তদানীন্তন রাজধানী তক্ষশিলা নগরী। বোধ হয় প্রাগৈতিহাসিক যুগে মহাভারতের যুদ্ধের পূর্বে গন্ধার-বংশ বর্তমান কান্দাহার প্রদেশে বাস করিত—যাহা এখন দুরানী আফগান-বংশের আবাসস্থান। গন্ধার, পারদ (কাবুল) ও বাহ্লীক (বল্‌থ্) তখন আর্যভূমির অন্তর্গত ছিল। এই গন্ধার বোধ হয় শকুনি মামার রাজ্য। এই জনপদ স্মরণাতীত কাল হইতে দেবাসুর-দ্বন্দ্বের বিষয়ীভূত ছিল। কেননা এই গন্ধার ‘আহুরমজদা’র উপাসক ইরানীয় অসুরগণের আর্যভূমি প্রবেশের দ্বারস্বরূপ ছিল। দরায়ুস-জরকসিস বর্তমান আফগানিস্তান অধিকার করিয়া সমগ্র পঞ্জাব গ্রাস করিয়াছিলেন। মৌর্যবংশের প্রতিষ্ঠাতা সম্রাট চন্দ্রগুপ্ত হিন্দুকুশ পর্যন্ত সাম্রাজ্য বিস্তার করিয়া ইহার পাল্টা জবাব দিয়াছিলেন। জনপ্রবাদ এইরূপ যে, প্রাচীন কান্দাহার দুর্গ বিজয়ী আলেকজান্ডার কর্তৃক নির্মিত হইয়াছিল, _এজন্য সেকেন্দরের নাম অনুসারে কান্দাহার নামে পরিচিত। এই অনুমানের পক্ষে কোন যুক্তি নাই। কান্দাহারের বুকে সম্ভবত গন্ধার জনপদের ঐতিহাসিক স্মৃতি লুকাইয়া আছে। যে অজেয় দুর্গ ষোড়শ ও সপ্তদশ খ্রিস্টাব্দব্যাপী ইরানের সফবী শাহ ও মোগল বাদশাহগণের শক্তিপরীক্ষার রঙ্গভূমি ছিল, উহা এখন ধ্বসংস্তূপে পরিণত হইয়াছে। ইহার কিছু দূরে নাদির শাহ নাদিরাবাদ দুর্গ নির্মাণ করিয়াছিলেন। আহমদ শাহ আবদালী নাদিরাবাদ পরিত্যাগ করিয়া বর্তমান কান্দাহার স্থাপন করিয়াছিলেন। আফগানিস্তান পর্বতসঙ্কুল ও অনুর্বর হইলেও কান্দাহার প্রদেশ হেলমন্দ নদী ও উহার উপনদীসমূহের প্রসাদে সুজলা ও সুফলা। উদ্যানশ্রী অপেক্ষা কান্দাহারের বাণিজ্যসম্পদ ও ভারতবর্ষ আক্রমণের ঘাঁটি হিসাবে উহার সামরিক গুরুত্বের জন্যই এই স্থান অধিকার ও পুনরধিকার করিবার জন্য মোগল ও সফবী সম্রাটগণ মরিয়া হইয়া উঠিয়াছিলেন। কান্দাহার ও ভারতবর্ষের মধ্যে থল-চোটিয়ালী পর্বতশ্রেণী; দক্ষিণে বেলুচিস্তানের মরুভূমি, পশ্চিমে দশৎ-ই-মার্গো ও সিস্তানের বহুযোজনব্যাপী উত্তপ্ত ঊষর ভূমি; উত্তরে কাবুল ও গজনীর পাহাড়, হাজরা কালাৎ-ই-ঘিলজাই; উত্তর-পশ্চিমে হিরাত শহর। কান্দাহার শহর পারস্য, মধ্য-এশিয়া, কাবুল ও ভারতবর্ষের পণ্য বিনিময়ের বাণিজ্যকেন্দ্র। কান্দাহার শত্রুর হাতে থাকিলে কাবুল গজনী ও হিন্দুস্থানের মালিক মোগল সম্রাটগণকে সর্বদা সশঙ্ক ও সন্ত্রস্ত থাকিতে হইত। সামরিক নির্বিঘ্নতার জন্য পারস্য অপেক্ষা ভারতবর্ষ ও আফগানিস্তানের পক্ষে কান্দাহার দখলে রাখা অধিকতর প্রয়োজনীয় ছিল। ১৫৫৮ খ্রিস্টাব্দে আকবর যখন নাবালক ছিলেন তখন পারস্য সম্রাট কান্দাহার দুর্গ অধিকার করেন। ১৫৯৪ খ্রিস্টাব্দে কান্দাহারের শাসনকর্তা মুজঃফর হোসেন মির্জা বিশ্বাসঘাতকতা করিয়া উহা স্বেচ্ছায় আকবর বাদশাহকে অর্পণ করিয়া মোগল দরবারে উচ্চ রাজপদ লাভ করিয়াছিলেন। কান্দাহার বন্ধুভাবে প্রত্যর্পণ করিবার জন্য প্রথম শাহ আব্বাস মোগল সম্রাট জাহাঙ্গীরকে একাধিকবার অনুরোধ করিয়াছিলেন। এই মোলায়েম ইশারার অর্থ জাহাঙ্গীর বুঝিতে পারিয়াও ভাবী বিপদের প্রতিকারের জন্য কোনও চেষ্টা করিলেন না। যিনি কয়েক পেয়ালা শরাব ও দু-বেলা রুটির বদলে সুন্দরী নূরজাহানকে হিন্দুস্থানের বাদশাহী বিকাইয়া দিয়াছিলেন এবং তৎসঙ্গে নিজের স্বতন্ত্র সত্তাকে রেহানী বন্ধক দিয়া বাকি জীবন নাবালকের ন্যায় নিরুদ্বেগ খেয়ালে কাটাইয়াছিলেন, পরাক্রান্ত পারস্যসম্রাটের লোলুপ দৃষ্টি হইতে কান্দাহার রক্ষা করা তাঁহার কর্ম ছিল না। নূরজাহান বাদশাহী ও বাদশাহকে শেষ পর্যন্ত সামলাইয়াছিলেন বটে, কিন্তু পরোক্ষত তাঁহারই বুদ্ধির দোষে ১৬২৩ খ্রিস্টাব্দে কান্দাহার হস্তচ্যুত হইল। শাহজাদা খুর‌রম ১৬১১ হইতে ১৬২২ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত নূরজাহানের হাতে নাটাই-বাঁধা ঘুড়ির মতো সৌভাগ্যাকাশে যদৃচ্ছা উড়িতেছিলেন; দাক্ষিণাত্যের তিন সুবার মালিক হইয়া হঠাৎ তিনি পিতার উপর বাজপক্ষীর মতো ছোঁ মারিবার মতলব করিতেছিলেন। আভ্যন্তরীণ গোলমাল বাহিরেও অজানা ছিল না। সুযোগ বুঝিয়া প্রথম শাহ আব্বাস পঁয়তাল্লিশ দিন অবরোধের পর কান্দাহার অধিকার করিয়া লইলেন।

    পনের বৎসর পরে ১৬৩৮ খ্রিস্টাব্দে অপ্রত্যাশিতভাবে বিনাযুদ্ধে কান্দাহার আবার দিল্লীশ্বর শাহাজাহানের হস্তগত হইল। উহার শাসনকর্তা আলী মর্দান খাঁ নিজ প্রভুর অভিসন্ধিতে সন্দিহান হইয়া কান্দাহার প্রত্যর্পণপূর্বক মোগল দরবারে আশ্রয় গ্রহণ করেন। মোগল সম্রাট কান্দাহার ও উহার উপদুর্গ বস্ত ও জমিন্দবার অজস্র অর্থব্যয়ে সুসজ্জিত ও সুরক্ষিত করিয়া একটি স্বতন্ত্র কান্দাহার সুবা বা প্রদেশ কায়েম করিলেন। শাহজাহানের দরবারী ঐতিহাসিক আব্দুল হামিদ লাহোরী পরিহাসচ্ছলে লিখিয়াছেন, কান্দাহার হারাইয়া শাহ সফীর দিনে আরাম রাত্রে ঘুম ছিল না (“রোজ বে-তার্ ও শব্ বে খাব্”), কিন্তু স্বয়ং দিল্লীশ্বরের মনেও সদা হারাই-হারাই আশঙ্কা। কান্দাহার দুর্গ হস্তগত হওয়ার পর বৎসর গুজব রটিল, ইরানী সৈন্য আসিতেছে। সম্রাট শাহজাহান তাড়াতাড়ি লাহোর হইতে তাঁহার জ্যেষ্ঠ ও প্রিয়তম পুত্র দারার অধিনায়কত্বে সৈন্যদল প্রেরণ করিলেন ( ১৬৩৯ খ্রিঃ, ৮ই ফেব্রুয়ারি)। শাহাজাদা কাবুল হইয়া গজনী পৌঁছিলেন। কিন্তু ইতিমধ্যেই জানা গেল, গুজবটা মিথ্যা। প্রকৃতপক্ষে এ সময় শাহ-সফী তুর্কী সৈন্যের বিরুদ্ধে রাজ্যের পশ্চিম সীমান্তে যুদ্ধে ব্যস্ত ছিলেন। সুলতান চতুর্থ-মোরাদ এ সময় বাগদাদ দখল করেন। যাহা হউক, কিলিচ খাঁ এক দল সেনা সহ গজনী হইতে কান্দাহার পৌছিয়া ইরানীদের গতিবিধির উপর নজর রাখিবার হুকুম পাইলেন। শাহজাদা গজনী হইতে বিজয়গৌরবে কাবুলের পথে লাহোরে ফিরিয়ে আসিয়া ৯ই অক্টোবর দরবারে হাজির হইলেন। শাহজাহান যেন হারানিধি ফিরিয়া পাইলেন—দারাকে ইহার পূর্বে বাদশাহ কখনও চোখের আড়াল করেন নাই।

    শাহ সফী ১৬৪০ খ্রিস্টাব্দে ইরাক ও আর্মিনিয়া হইতে তুর্কীদিগকে বিতাড়িত করিবার পর সত্য সত্যই কান্দাহার অধিকার করিবার উদ্যোগ করিতে লাগিলেন। রুস্তম খাঁ জুজীর অধীনে অগ্রগামী সৈন্যদল খোরাসানের রাজধানী নিশাপুরে পৌঁছিয়া তাঁহার আগমন প্রতীক্ষার জন্য আদিষ্ট হইল। এদিকে হিন্দুস্থানেও যুদ্ধের সাড়া পড়িয়া গেল। স্বয়ং সম্রাট এ সময়ে লাহোরে ছিলেন। পূর্বের ন্যায় এবারও তিনি শাহজাদা দারাকে মোগল বাহিনীর সর্বপ্রধান সেনাপতি মনোনীত করিলেন। কিন্তু শাহজাদা পূর্বে কোনও যুদ্ধ তো করেনই নাই, লড়াইয়ের ময়দানেও উপস্থিত ছিলেন না। এজন্য তিনি সৈদ খাঁ বাহাদুর, রুস্তম খাঁ বাহাদুর ফিরোজ-জঙ্গ, আম্বেরপতি মির্জা রাজা জয়সিংহ ও যোধপুরের মহারাজা যশোবন্ত সিংহকে শাহজাদার সঙ্গে পাঠাইলেন। ১৬৪২ খ্রিস্টাব্দের ১০ই এপ্রিল শাহজাদা সসৈন্যে কান্দাহার যাত্রা করিলেন। ভাগ্যলক্ষ্মী তাঁহার প্রতি সুপ্রসন্না। ইরানের শাহ সফীকে নিশাপুর পর্যন্ত পৌঁছিতে হইল না; এই বৎসরের মে মাসে পারস্যের কাশান শহরেই তাঁহার ইহলীলা সাঙ্গ হইল। তাঁহার উত্তরাধিকারী দ্বিতীয় শাহ আব্বাস নাবালক শিশু; সুতরাং ইরান-সেনানীরা কান্দাহার আক্রমণের সংকল্প পরিত্যাগ করাতে দারার আশাভঙ্গজনিত ক্ষোভ উপস্থিত হইল। পারস্যের সিস্তান, ফরাহ্ ও হিরাত শহর অধিকার করিয়া কাবুল-কান্দাহার ও হিন্দুস্তানকে সম্পূর্ণরূপে নিরাপদ করিবার ইহাই ছিল উপযুক্ত অবসর। কিন্তু শাহজাদার এই আগ বাড়াইয়া থাকিবার নীতি (forward policy) সম্রাটের মনঃপূত হইল না। পাছে কান্দাহার পর্যন্ত পৌঁছিলে শাহজাদা পারস্য রাজ্য আক্রমণ করিয়া অকারণ যুদ্ধ বাধাইয়া বসেন সেজন্য শাহজাদাকে গজনী হইতে ফিরিয়া আসিবার জরুরি আদেশ প্রেরিত হইল। তবে রুস্তম খাঁ বাহাদুর ও সৈদ খাঁ বাহাদুর ত্রিশ হাজার অশ্বারোহী সহ দুর্গরক্ষক মোগল-সৈন্য ও আক্রমণ-ভয়াতুর অধিবাসিগণকে আশ্বস্ত করিবার অভিপ্রায়ে কান্দাহার পর্যন্ত অগ্রসর হইবার আদেশ পাইলেন। শাহজাদা দারাশুকো (২রা সেপ্টেম্বর, ১৬৪২ খ্রিঃ) লাহোরে উপস্থিত হইলে সম্রাট যুদ্ধজয়ী সেনানীর ন্যায় তাঁহাকে পুরস্কৃত করিলেন।

    শাহ সফীর মৃত্যু ও পারস্য রাজ্যের অসতর্ক অবস্থার সুযোগ অবহেলা করিয়া দিল্লীশ্বর সুবিবেচনার কাজ করিয়াছিলেন কিনা সন্দেহ। কাবুল-কান্দাহার নিরাপদ করিতে হইলে সিস্তান না হউক, অন্তত পারস্য ও খোরাসানের দিক হইতে শত্রুর সুগম প্রবেশদ্বার স্বরূপ হিরাত নগর অধিকার করা সম্রাট শাহজাহানের পক্ষে অত্যন্ত প্রয়োজন ছিল। পরধন কিংবা পররাজ্যে তাঁহার যে অরুচি ছিল তাহাও নয়। ১৬৩৬ খ্রিস্টাব্দে দাক্ষিণাত্যে গোলকুণ্ডা ও বিজাপুরের বিরুদ্ধে অভিযান ও পরবর্তী ব্যবহার ইহার প্রমাণ। জুঝার সিংহ বুন্দেলা চৌরাগড় লুটের ভাগ দিতে রাজি না হওয়ায় তিনি তাঁহাকে সর্বস্বান্ত করিয়াছিলেন (১৬৩৫ খ্রিস্টাব্দ)। সমগ্র ভারতে সার্বভৌমত্ব স্থাপন করিয়া ধর্মাশোকের মতো শাহজাহান যে যুদ্ধ ও রক্তপাতে বীতস্পৃহ হইয়াছিলেন, ইতিহাস এ কথা বলে না। দারার দ্বিতীয় অভিযানের মাত্র চারি বৎসর পরে সম্রাট শাহজাহান বিজিগীষা-বৃত্তি এবং বাবর-তৈমুরের জন্মভূমির প্রতি শ্রদ্ধা ও ভাবাতিশয্যের প্রেরণায় শাহজাদা মুরাদ ও তৎপশ্চাৎ আওরঙ্গজেবের নেতৃত্বে বখ্-অভিযান প্রেরণ করিতে দ্বিধা বোধ করেন নাই। দশ সহস্র লোকের জীবন ও চারি কোটি টাকা নগদ—এই খরচে তিনি অনায়াসে হিরাত দখল করিয়া ভবিষ্যতের জন্য নিশ্চিত্ত হইতে পারিতেন। এ যুদ্ধে সেনাপতি পদের জন্য দারার যোগ্যতা না থাকিলেও তিনি আওরঙ্গজেবকে পাঠাইতে পারিতেন কিংবা নিজে নেতৃত্ব করিতে পারিতেন। আসল কথা, সম্রাট শাহজাহান আকবরের মতো সামরিক কিংবা রাজনৈতিক প্রতিভা লইয়া জন্মগ্রহণ করেন নাই; পুত্র আওরঙ্গজেবের মতো সামরিক দূরদৃষ্টি, মানসিক শক্তি কিংবা শ্রমসহিষ্ণুতা ও ধৈর্য শাহজাহানের ছিল না। প্রথম বয়সে তাঁহার এ সকল গুণ কিছু কিছু থাকিলেও মমতাজমহলের মৃত্যুর পর অতি দ্রুত শারীরিক বার্ধক্য ও বুদ্ধিবৃত্তির দুর্বলতা তাঁহাকে অভিভূত করিয়াছিল।

    শাহজাহানের অবিবেচনার ফল হাতে হাতে ফলিল। অপ্রাপ্তবয়স্ক শিশু বলিয়া যে শত্রুকে তিনি অবহেলা করিয়াছিলেন, সেই দ্বিতীয় শাহ আব্বাস কৈশোরে পদার্পণ করিয়াই কান্দাহার পুনরধিকারের জন্য হিরাত শহরে যুদ্ধসম্ভার ও সৈন্য সমাবেশ করিতে লাগিলেন। মোগল সম্রাট এ সময়ে দিল্লিতে ছিলেন। তিনি প্রথমে স্থির করিয়াছিলেন স্বয়ং কাবুলে গিয়া যুদ্ধের ভার লইবেন। সুবাদারেরা সসৈন্যে দিল্লিতে হাজির হইতে আদিষ্ট হইল। কিন্তু তাঁহার আরামপ্রিয় আমীরদের মধ্যে অনেকেই দারুণ শীতে কাবুল যাইবার কথা শুনিয়া হতাশ হইয়া পড়িলেন। তাঁহারা বাদশাহকে বুঝাইলেন, ইরানীরা শীতকালে কিছুতেই লড়াই করিতে আসিবে না, আলা হজরত অনর্থক কষ্ট স্বীকার করিবেন; হিন্দুস্থানী ফৌজ অকারণ হয়রান-পেরেশান হইবে। মাস দুই পরে গেলে কোনও ক্ষতি নাই, বরং আসা-যাওয়ার আরাম ও কাবুলের দিল-ফেরেব বাহার দেখার নসিব হইবে। বাদশার মত বদলাইয়া গেল। কাবুলের সুবাদারকে কান্দাহার দুর্গে পাঁচ হাজার সিপাহী ও পাঁচ লাখ টাকা পাঠাইবার হুকুম পাঠাইয়া তিনি দিল্লির শীত উপভোগ করাই স্থির করিলেন। লেপের আরাম কিংবা শরতের জ্যোৎস্না উপভোগ বিধাতা গরিব ও বাদশাহের ভাগ্যে লিখেন নাই। রাজমুকুট ফুলের টোপর নহে।

    দশ জনে যাহা যুক্তিযুক্ত মনে করে না কিংবা যে-কাজে পিছু হটে, সেই কাজ করিয়াই মানুষ সাধারণ শ্রেণী হইতে উন্নীত হইয়া অনন্যসাধারণ পদবী লাভ করিয়া থাকেন। তৎকালীন ইউরোপের গতানুগতিক নিয়ম উপেক্ষা করিয়া শীতকালে সৈন্যচালনাপূর্বক এবং শত্রু-মিত্র দুই পক্ষকে ফাঁকি দিয়া ব্লেনহিম যুদ্ধ জয় করিতে না পারিলে মালবরো বড়জোর দ্বিতীয় শ্রেণীর যোদ্ধা ও রূপসী স্ত্রীর স্বামী বলিয়াই ইতিহাসে পরিচিত হইতেন।

    পারস্য-পতি দ্বিতীয় শাহ আব্বাস ১৬৪৮ খ্রিস্টাব্দের ১৬ই ডিসেম্বর কান্দাহার অবরোধ করিলেন। দুর্গাধ্যক্ষ দৌলত খাঁর বয়স ষাটের উপর; সাহসের অভাব না থাকিলেও তিনি ঢিলা প্রকৃতির লোক ছিলেন। কান্দাহার দুর্গের রন্ধ্রতুল্য “চেহেল জিনা” পাহাড়ের ঘাঁটি ও সান্ত্রীগৃহে অল্পসংখ্যক প্রহরী রাখিয়া তিনি অন্য সমস্ত সৈন্যসহ দুর্গপ্রাচীরের ভিতরেই হাত-পা গুটাইয়া বসিয়া রহিলেন। ইরানীরা সেখানে কামান বসাইয়া অন্দর কেল্লা ও বাজারের উপর গোলা ফেলিতে লাগিল। এদিকে দুর্গমধ্যে নবনিযুক্ত দুইজন বিশ্বাসঘাতক তাতার-সর্দার দল পাকাইয়া বিদ্রোহের ষড়যন্ত্র করিল। দৌলত খাঁ সরাসরি ইহাদের মাথা না কাটিয়া তাহাদিগকে যুক্তিতর্কের দ্বারা বুঝাইবার চেষ্টা করিতে লাগিলেন। কিন্তু ক্রমশ সিপাহীরা তাঁহার হুকুমের বাহির হইয়া পড়িল। ছাপ্পান্ন দিন অবরোধের পর দৌলত খাঁ আত্মসমর্পণ করিলেন; মোগল সৈন্যেরা চিরদিনের মতো কান্দাহার হইতে শেষ বিদায় লইয়া হিন্দুস্থান অভিমুখে যাত্রা করিল (১১ই ফেব্রুয়ারি, ১৬৪৯)। ইহার পুরা তিন মাস পরে শাহজাদা আওরঙ্গজেব ও উজীর সাদুল্লা খাঁ পরিচালিত মোগল বাহিনী কান্দাহারে উপস্থিত হইয়া দেখিলেন, কার্য সাঙ্গ হইয়া গিয়াছে। মে হইতে আগস্ট মাস পর্যন্ত তাঁহারা কান্দাহার অবরোধ করিয়া অকৃতকার্য হইলেন, কারণ তাঁহাদের সঙ্গে ভারী তোপ ও অবরোধের সরঞ্জাম ছিল না। ইহার তিন বৎসর পরে, ১৬৫২ খ্রিস্টাব্দে শাহজাদা আওরঙ্গজেব দ্বিতীয় বার কান্দাহার অভিযানে প্রেরিত হইলেন। মানুষের বুদ্ধি, সাহস ও অক্লান্ত পরিশ্রমে যাহা সম্ভব, আওরঙ্গজেব সমস্তই করিলেন। তিনি হিন্দুস্থানের সর্বশ্রেষ্ঠ এবং অপরাজেয় যোদ্ধা; তবুও কান্দাহার দুর্গে তাঁহার চেষ্টা বিফল হইল। এই অকৃতকার্যতার জন্য দায়ী আওরঙ্গজেব নন; স্বয়ং দিল্লীশ্বর এজন্য সম্পূর্ণ দোষী। তিনি আওরঙ্গজেবকে যুদ্ধচালনার সর্বময় কর্তৃত্ব ছাড়িয়া দেন নাই। কাবুলে থাকিয়া উজীর সাদুল্লার মারফত চিঠিপত্র দ্বারা তিনিই এ যুদ্ধ চালাইয়াছিলেন বলিলেও অত্যুক্তি হয় না। আওরঙ্গজেব সৈন্যক্ষয় অগ্রাহ্য এবং প্রাণের মমতা ত্যাগ করিয়া তলোয়ার হাতে দুর্গপ্রাচীর দখল করিবার অনুমতি চাহিলেন। ইহা অনুমোদন করা দূরে থাক, আরও কিছু দিন অবরোধ চালাইবার প্রার্থনা তিনি না-মঞ্জুর করিলেন। ইহার উপর আবার বেচারা আওরঙ্গজেবকে উল্টা গালাগালি। শাহজাদার প্রতি এক্ষেত্রে তাঁহার আচরণ পিতা ও অপক্ষপাত রাজ-রাজেশ্বরের উপযুক্ত হয় নাই। আওরঙ্গজেব শেষ ভিক্ষা চাহিলেন— পরবর্তী অভিযানে তিনি অন্যের অধীনে সাধারণ মনসবদার হিসাবে কাজ করিতে প্রস্তুত; দিল্লীশ্বর যেন তাঁহাকে আর এক বার যুদ্ধ করিবার সুযোগ দেন। কিন্তু ইহার পরিবর্তে পিতার নিকট হইতে তিনি পাইলেন শুধু মর্মচ্ছেদী বাক্যবাণ, বিদ্রূপ ও শ্লেষ এবং সুদূর দাক্ষিণাত্যে সরাসরি বদলি হওয়ার শাস্তি। এই পরাজয়ে তিনি অকর্মণ্য দারার উপহাসের পাত্র হইলেন—ইহাই আওরঙ্গজেবের বুকে শল্যস্বরূপ বিধিয়া রহিল। এই সময় হইতে আওরঙ্গজেব যদি শাহজাহানকে পিতার ন্যায় ভক্তি না দেখাইয়া থাকেন, সে দোষ পুত্রের নয়; উহা পুত্রের প্রতি পিতার অবিচারের প্রতিক্রিয়া। যে কান্দাহার দুর্গে হিন্দুস্থানের পৌরুষ ও মোগলের পুরুষকার দুই-দুই বার প্রতিহত হইল, আওরঙ্গজেব-সাদুল্লার শৌর্য ও বুদ্ধিমত্তা নিষ্ফল হইল, উহার বিরুদ্ধে শাহজাহান কোন্ বুদ্ধিতে দারাকে পরবৎসর সেনাচালনার ভার অর্পণ করিয়াছিলেন বুঝা কঠিন নয়। বাদশাহ তাঁহার দ্বিতীয় পুত্র শাহ শুজাকে সুবে বাংলা হইতে কান্দাহার-অভিযানে যোগ দেওয়ার জন্য হুজুরে তলব করিয়াছিলেন। কিন্তু শুজা সিন্ধুনদ অতিক্রম করিবার পূর্বেই তাঁহার প্রতি বাংলায় ফিরিয়া যাইবার হুকুম হইল। পাছে শুজা দারার বিরুদ্ধে আওরঙ্গজেবের সঙ্গে কোন কুপরামর্শ করে সেই জন্য শাহজাদাদ্বয়ের প্রতি হুকুম হইল, কুচ করিবার সময় বরাবর যেন দুই-তিন মঞ্জিল রাস্তা ব্যবধান থাকে। পিতা ও পুত্রদের এইরূপ পরস্পরের প্রতি সন্দিগ্ধ ভাব এই সময় হইতে স্পষ্ট লক্ষ্য করা যায়। আওরঙ্গজেব ও শুজা সমস্ত পথ দূরে দূরে থাকিয়া অবশেষে দিল্লিতে যেন দৈবাৎ পরস্পরের সহিত মিলিত হইলেন। এ সময় (নভেম্বর, ১৬৫৪ খ্রিঃ) শুজার কন্যা গুলরুক্ বানুর সহিত আওরঙ্গজেবের পুত্র সুলতান মহম্মদের বাগ্দান সম্পন্ন হইল। দাক্ষিণাত্য যাত্রার সময়ে মালবের পথে গুজরাটের সুবাদার মোরাদ বক্শ আসিয়া দাদা আওরঙ্গজেবের সহিত সাক্ষাৎ করিলেন। এই ভাবে তিন ভ্রাতা তাঁহাদের ভবিষ্যৎ কর্মসূচী স্থির করিয়া লইলেন; দারার ভাগ্যাকাশে কালবৈশাখীর মেঘ ঘনাইয়া উঠিল।

    ২

    ১৬৫২ খ্রিস্টাব্দের ৯ই জুলাই হিন্দুস্থানের ফৌজ কান্দাহার হইতে কাবুল ফিরিয়া আসিল। স্থির হইল, আগামী শীতের শেষে শাহজাদা দারাশুকো কান্দাহার যাত্রা করিবেন। সুবা কাবুল ও মুলতানের শাসনভার তাঁহার উপর অর্পিত হইল। দারার নায়েব সুবাদার রূপে সুলেমান শুকো কাবুল এবং মহম্মদ আলি খাঁ মুলতানে থাকিবেন। দারা স্বয়ং লাহোরে গিয়া আগামী যুদ্ধের সাজসরঞ্জাম ও সৈন্যাদির ব্যবস্থা করিবেন। এ-সময় নূতন দিল্লি শাহজাহানাবাদের নির্মাণকার্য প্রায় শেষ হইয়াছিল; সম্রাট দারাকে কাজ বুঝাইয়া দিয়া দিল্লিতে ফিরিয়া আসিলেন। শাহজাহানের ভাবী উত্তরাধিকারী দারা এত দিন পর্যন্ত সুফী ধ্যান-ধারণা, তত্ত্বজ্ঞানবোধিনী যোগপ্রদীপ ইত্যাদি ধরনের মুসলমানী সাধনতত্ত্ববিষয়ক রচনা এবং রাজ্যের সাধু-ফকির-দরবেশ লইয়া মশগুল ছিলেন। সুকুমার কলা, সঙ্গীত, সাহিত্য ও অধ্যাত্ম-বিদ্যানুরাগী বলিয়া শাহজাদা যথেষ্ট খ্যাতি অর্জন করিয়াছিলেন; কিন্তু চল্লিশের কাছাকাছি বয়স হইলেও তিনি লড়াইয়ের ময়দানে বাহাদুরি দেখাইবার সুযোগ পান নাই; তিনি ছিলেন পিতার সুবোধ বালক; গায়ে আঁচড় লাগিবার ভয়ে শাহজাহান পুত্রকে চোখের আড়াল হইতে দেন নাই। পিতার এই দুর্বলতা দারার সহজাত ক্ষমতা ও মনুষ্যত্বের পূর্ণবিকাশের পরিপন্থী হইয়াছিল। আশৈশব যুদ্ধ ও শাসনকার্যে অসীম দক্ষতা প্রদর্শন করিয়াও আওরঙ্গজেবের মনসব বিশ হাজারীর উপরে উঠিল না। অথচ কোমরের কিরিচ না খুলিয়াই দারার মনসব সকলকে ছাড়াইয়া ত্রিশ হাজারী হইয়া গেল। এ সম্মান পিতার অন্ধ স্নেহের আত্মতৃপ্তির নিদর্শন মাত্র; যোগ্যতার পুরস্কার কিংবা তাঁহার কৃতিত্ব ও শ্রেষ্ঠতার পরিমাপ নহে—এই জ্ঞান দারার ছিল না।

    শাহজাহান আজীবন পুত্রকে ঠোঁটে করিয়াই আহার জোগাইয়াছিলেন; স্বাধীনভাবে উড়িয়া বেড়াইবার শিক্ষা দেন নাই। দারাও কোনোদিন আত্মনির্ভরতার আবশ্যক বোধ করেন নাই; পিতার ডানার আড়ালে থাকিয়া শুধু পাখা ঝাড়িয়াছেন। অপ্রকৃষ্য রাজশক্তি-রক্ষিত সৌভাগ্যশৈলের উচ্চতম শৃঙ্গে সুখোপবিষ্ট শাহজাদা দারা মনে করিতেন, তিনিই হিন্দুস্থানের ভাবী ভাগ্যবিধাতা “হুমা” পাখি; বীর্য ও সাহসে তিনি শাহ-বাজ এবং জ্ঞান ও বুদ্ধিতে হীরামন তোতা।

    ভ্রাতাদের তিনি অবজ্ঞার দৃষ্টিতে দেখিতেন। কাঠ-মোল্লা কপট আওরঙ্গজেব একটা ধূর্ত দাঁড়কাক; কায়দাদোরস্ত গর্বিত আয়েসী শুজা সেই চটক-ঝুঁটিদার শাহী কাকাতুয়া; এবং সদা রক্তচক্ষু, একগুঁয়ে মোরাদ বক্শ বুনো তিতির—ইহার বেশি তাহারা আর কিছুই নয়; ইহাই ছিল তাঁহার ভাব। আওরঙ্গজেবের পরাজয়ে তিনি মনে মনে সন্তুষ্ট হইয়া নিরস্ত থাকেন নাই। তিনি এবং তাঁহার মোসাহেবগণ ততোধিক নানা রকম নিন্দা-বিদ্রূপ করিয়া আওরঙ্গজেবের কাটা ঘায়ে নুনের ছিটা দিয়াছিলেন।

    কান্দাহার অভিযানের সেনাপতি মনোনীত হইবার পর দিন হইতেই দারা সেই দুর্গজয়ের স্বপ্ন দেখিতে লাগিলেন। একদিন রাত্রিকালে তাঁহার স্বপ্নপ্রয়াগ হইল; গন্তব্যস্থানে পৌঁছিয়া তিনি দেখিলেন, একটি বড় রকমের দুর্গ এবং সেই দুর্গ সাত দিনে দখল করিয়া তিনি কাবুল ফিরিয়াছেন। ইহার পর হইতে তাঁহার দৃঢ় বিশ্বাস হইল, কান্দাহার ফতে হইয়া গিয়াছে; সেখানে পৌঁছিতে যা কিছু বিলম্ব। কিন্তু কি ভাবে দুর্গটি এত সহজে তাঁহার হস্তগত হইবে এ-বিষয়ে “গায়েবী দুনিয়া” হইতে কোনও ইশারা মিলে কি না ইহাই তিনি চিন্তা করিতে লাগিলেন। এমন সময়ে একদিন দুইজন সুফী দরবেশ গম্ভীরভাবে সোজা শাহজাদার খাস বৈঠকখানায় ঢুকিয়া তাহাদের শতচ্ছিদ্র সহস্ৰতালিযুক্ত লম্বা জোব্বা মুড়ি দিয়া ধ্যানস্থ হইল। ইহা এক রকম শাহজাদার দৌলতখানায় নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার। সাত হাজারী মনসবদার আসিলে হয়তো প্রবেশের অনুমতির জন্য ঘড়ি দেড় ঘড়ি দাঁড়াইয়া থাকিতে হইত; কিন্তু ঠিকমত ভেক থাকিলে সাধু-ফকিরদের জন্য কোনও হুকুম আবশ্যক ছিল না। ফকিরের খবর পাইলেই শাহজাদা আনন্দে অজ্ঞান হইতেন; ছুটিয়া আসিয়া সালাম- খুশ-আমদ করিতেন। বাহ্যত মৃতকল্প গভীর ধ্যানমগ্ন হইলেও, ফকিরদ্বয় শাহজাদা কখন বৈঠকখানায় নিঃশব্দে প্রবেশ করিলেন সেটা ঠিকমত টের পাইয়াছিল। কিছুক্ষণ পরে উহাদের মধ্যে একজন হঠাৎ আনমনা ভাবে মাথা তুলিয়া বলিল, “আমি এখন ইরানে পৌঁছিয়া সেখানকার হাল প্রত্যক্ষ করিতেছি; ইরানের শাহের দুনিয়াদারী খতম!” দ্বিতীয় দরবেশ মাথা না তুলিয়াই বলিল, “হাঁ ঠিক তাই; আমি কিন্তু শাহকে কবর না দিয়া আসিতেছি না।” দারা এই কথা শুনিয়া বলিলেন, “আমিও স্বপ্নে দেখিয়াছি, সাত দিনের বেশি আমাকে কান্দাহারে থাকিতে হইবে না; শাহ আব্বাস মারা যাওয়া বিচিত্র নয়।” বৈজ্ঞানিকের টেলিস্কোপ সাধু-ফকিরদের টেলিভিশনের কাছে কোথায় লাগে? কিন্তু দুঃখের বিষয় আলাম-ই-নাসুত (প্রত্যক্ষ জগৎ) অর্থাৎ মাটির পৃথিবী ছাড়িয়া শাহজাদার ন্যায় বাস্তবতার বহু ঊর্ধ্বে আলম-ই-মালাকুৎ বা স্বপ্নজগতে ঘোরাফেরা করিবার অধিকার ঐতিহাসিকের নাই।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleক্যাপিট্যাল / ডাস কাপিটাল – কার্ল মার্ক্স (অনুবাদ : পীযুষ দাসগুপ্ত)
    Next Article আলীবর্দী ও তার সময় – কালিকিঙ্কর দত্ত
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }