Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    শিক্ষা প্রসঙ্গ – বার্ট্রান্ড রাসেল

    বার্ট্রান্ড রাসেল এক পাতা গল্প311 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১০. অপর শিশুর সাহচর্য

    দশম অধ্যায় — অপর শিশুর সাহচর্য

    পিতামাতা এবং শিক্ষক কিভাবে নিজেদের চেষ্টায় শিশুর চরিত্রগঠনে সহায়তা করিতে পারেন, এ পর্যন্ত তাহাই আলোচনা করা হইয়াছে কিন্তু অনেক কিছু আছে যাহা অপর শিশুর সাহায্য ব্যতীত বিকাশ করা যায় না। শিশুর বয়োবৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে সঙ্গীর প্রয়োজনও বাড়িতে থাকে; বাস্তবিক বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে ছাত্রের সতীর্থ সঙ্গীর যত প্রয়োজন এমন আর কোনো সময়ে নয়। শিশুর প্রথম বৎসরে প্রথম কয়েক মাসে অন্য শিশুর কোনো প্রয়োজনই হয় না, শেষ তিন মাসে সামান্য সাহায্য করে মাত্র। এই সময় কিঞ্চিৎ অধিক বয়স্ক শিশুরা উপকারে আসে। পরিবারের প্রথম শিশু সাধারণত হাঁটিতে এবং কথা বলিতে শিখিতে বেশি সময় নেয়, কারণ বয়স্ক ব্যক্তিদের কার্যকলাপ ও শক্তি তাহার তুলনায় এত বেশি যে তাহাদিগকে অনুসরণ করা কঠিন। এক বৎসর বয়সের শিশুর কাছে তিন বৎসরের শিশুই বেশি অনুকরণযোগ্য কারণ তিন বৎসরের শিশু যাহা করে ছোট শিশুও তাহা করিতে চায় এবং তাহার শক্তিও অসাধারণ বলিয়া মনে হয় না। শিশুদের নিকট অন্য শিশুরাই বেশি সমগোত্র, বয়স্ক ব্যক্তিরা নয়; অন্য শিশুরাই তাহাদের উচ্চাকাঙ্ক্ষা জাগ্রত করে, কাজে প্রেরণা দেয়। পরিবারেই কেবল ছোট শিশুরা অপেক্ষাকৃত বেশি বয়সের শিশুদের নিকট হইতে এরূপ শিক্ষার সুযোগ পায়। খেলার সময় যদি শিশুকে সঙ্গী নির্বাচন করিতে দেওয়া হয়, তবে সে তাহার অপেক্ষা বেশি বয়সের শিশুকেই সৎসঙ্গীরূপে বাছিয়া লইবে; ইহাতে তাহার অহমিকাবোধ তৃপ্ত হয়, সে যে উপরের স্তরের শিশুদের সমকক্ষ হইতে পারিয়াছে ইহা ভাবিয়া আনন্দ অনুভব করে। কিন্তু বয়স্ক শিশুরা আবার তাহাদের অপেক্ষা বেশি বয়সের ছেলেদের সঙ্গ কামনা করে। তাই দেখা যায় স্কুলে কি বস্তির রাস্তায়, কি অন্যত্র প্রায় সমবয়সী ছেলেরাই একত্রে খেলে, অধিক বয়সের ছেলেরা ছোটদের সঙ্গে খেলিয়া আনন্দ পায় না। এইভাবে দেখা যায় কিঞ্চিৎ বেশি বয়সের শিশুদের সাহচর্যে যে সুবিধা তাহা কেবল গৃহে লাভ করাই সম্ভবপর। কিন্তু ইহার একটি অসুবিধা এই যে, প্রত্যেক পরিবারেই জ্যেষ্ঠ শিশু এই সুযোগ হইতে বঞ্চিত হয়। পরিবার যত ছোট ছোট হয়, বড় শিশুর হারও তত কমিয়া আসে। কাজেই এই অসুবিধা ক্রমে বাড়িয়াই চলে। নার্সারি স্কুলে শিক্ষা দ্বারা শিশুদের অপর শিশুর সাহচর্য লাভের অভাব পূরণ না করিলে ছোট পরিবার শিশুদিগের শিক্ষায় ও আত্মবিকাশে অসুবিধাই সৃষ্টি করে। নার্সারি স্কুলে উপযোগিতা কি এ সম্বন্ধে পরে এক অধ্যায়ে আলোচনা করা হইবে।

    বেশি বয়সী শিশুর উপকারিতা : শিশুর ক্রমবিকাশে সহায়তা করার জন্য বেশি বয়সী, কম বয়সী অপর শিশুদের প্রয়োজন আছে। স্কুলে বা অন্যত্র সমবয়সী শিশুরাই একত্র হইয়া খেলাধুলা করে; গৃহেই প্রথমোক্ত দুই প্রকার শিশুর সাহচর্য সীমাবদ্ধ থাকে। বেশি বয়সী শিশুরা ছোটদের সম্মুখে এমন এক আদর্শ তুলিয়া ধরে যাহা তাহাদের পক্ষে অর্জন করা সম্ভব। শিশুরা যাহাতে তাহাদের বড়দের খেলায় যোগদানের যোগ্য হইতে পারে সেইজন্য প্রাণপণে চেষ্টা করে। বেশি বয়সী শিশুরা ছোটদের সঙ্গে খেলিতে স্বাভাবিকভাবে খেলে, কোনো প্রকার ভান করে না কিন্তু বয়স্ক ব্যক্তিরা সেইরূপ করিতে পারে না। তাহার কারণ বয়স্ক ব্যক্তির সঙ্গে শিশুর শক্তির সমতা নাই; সে নিজের সুখের জন্য শিশুর সঙ্গে খেলে না, শিশুকে আনন্দ দেওয়ার জন্যই খেলে, কাজেই তাহার পক্ষে ভান না করিয়া উপায় নাই। সে শিশুকে নিজের সমকক্ষ মনে করিতে পারে না, করা উচিতও নয়। শিশু যেমন সহজে ও সানন্দে বড় ভাইবোনের অনুগত হয় তেমন কোনো বয়স্ক ব্যক্তির হয় না; অবশ্য যদি অতিরিক্ত শাসন করা হয় তবে অন্য কথা; এইরূপ ক্ষেত্রে শিশু ক্রীতদাসের মতো বয়স্ক ব্যক্তির অনুগত হয়, ইহাতে শিশুর স্বতঃস্ফূর্ত আনন্দ থাকে না।

     

     

    অপরের অনুগত হইয়া কোনো কাজে সহযোগিতা করার অভ্যাস শিশুরা অপর শিশুর নিকট হইতে লাভ করে। বয়স্ক ব্যক্তিরা ইহা শিক্ষা দিতে গেলে দুইটি অসুবিধা দেখা দেয়। প্রথম, তাহারা যদি জোর করিয়া সহযোগিতা আদায় করিতে না চান, তবে শিশুদের মিথ্যা ভানকেই সত্য বলিয়া গ্রহণ করার ভান করিতে হইবে। সহযোগিতা–তাহা সত্য হউক, আর মিথ্যাই হউক তাহার যে কোনো মূল্য নাই বা তাহা যে সর্বদা বর্জনীয় এমন কথা বলিতেছি না। বেশি বয়সী ও কম বয়সী শিশুর মধ্যে যে সহযোগিতা থাকে তাহা যেমন স্বাভাবিক ও স্বতঃস্ফূর্ত, বয়স্ক ব্যক্তির সঙ্গে ছোটদের সহযোগিতায় তেমন সম্ভবপর নয়। এইরূপ অবস্থায় উভয় পক্ষ বহুক্ষণ সানন্দে সহযোগিতা করিতে পারে না।

    বাল্য, কৈশোর, যৌবন সকল অবস্থাতেই কম বয়সীদের শিক্ষাদান ব্যাপারে কিছু বেশি বয়সীর যথেষ্ট প্রভাব বিদ্যমান থাকে; এই শিক্ষা শ্রেণির পাঠদান হইতে স্বতন্ত্র ইহা কাজের সময়কার বাহিরের শিক্ষা। কিছু বেশি বয়সী ছেলে বা মেয়ে তাহাদের অপেক্ষা কিছু কম বয়সীর উচ্চাকাচ্চা জন্মায় ও কর্ম-প্রেরণা দান করে; ছোটদের কোনো কঠিন সমস্যা তাহারা বয়স্ক ব্যক্তিদের তুলনায়ও ভালোভাবে বুঝাইয়া দিতে পারে, কারণ তাহারা নিজেরাও এ সমস্যার সমাধান করিয়া বিষয়টি অধিগত করিয়াছে এবং সেই জন্যই তাহারা ছোটদের অসুবিধা ভালোভাবে বুঝিতে পারে ও তাহা দূর করিবার উপায় দেখাইতে পারে। বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে আমি আমার অপেক্ষা কিঞ্চিৎ বয়োজ্যেষ্ঠদের নিকট হইতে এমন অনেক কিছু শিখিয়াছিলাম যাহা প্রবীণ জ্ঞানবৃদ্ধ অধ্যাপকদিগের নিকট হইতে শিখিতে পারিতাম না। যেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক জীবনে ছাত্রদের বয়সের তারতম্য ভিন্ন ভিন্ন কঠিন স্তর সৃষ্টি করে না, অর্থাৎ বয়সের পার্থক্য থাকিলেও ছাত্রগণ পরস্পরের সঙ্গে আন্তরিকভাবে মেশে এবং ভাবের বিনিময় করে সেইখানেই বেশি বয়সীদের প্রভাব কম বয়সীদের সুফল প্রদান করে কিন্তু যেইখানে বেশি বয়সী ছাত্ররা কম বয়সীদের সঙ্গে মেলামেশাকে মর্যাদাহানিকর মনে করে সেইখানে এইরূপ ফলোভের সম্ভাবনা নাই।

     

     

    ছোট ছোট ছেলেমেয়ের বিশেষ করিয়া তিন হইতে ছয় বৎসর বয়স্কদের প্রয়োজনীয়তা আছে। তাহারা কিঞ্চিৎ বেশি বয়সীদের কতকগুলি নৈতিক গুণবিকাশে সহায়তা করে। শিশু যখন বয়স্ক ব্যক্তিদের সঙ্গে থাকে তখন যে গুণগুলি দুর্বলের সঙ্গে আচরণে বিকাশ লাভ করে, সেইগুলি আত্মপ্রকাশের সুযোগ পায় না। শিশুকে শিখানো দরকার–তাহার ছোট ভাইবোনদের জিনিস কাড়িয়া লইতে নাই, ছোট কেহ হঠাৎ যদি অনিচ্ছাকৃতভাবে তাহার ইটের খেলনা ঘর ভাঙিয়া ফেলে তবে অত্যধিক রাগ দেখাইতে নাই, তাহার অব্যবহৃত খেলনা যদি অন্য কেহ চায় তবে জমাইয়া না রাখিযা দেওয়াই ভালো ইত্যাদি। তাহাকে শিখানো দরকার যে, কচি শিশুকে অসতর্কভাবে বা শক্তভাবে ধরিয়া নাড়াচাড়া করিলে সে ব্যথা পায়। অনিচ্ছায় এইভাবে কোনও শিশুকে ব্যথা দিয়া কাঁদাইলে তাহার নিজেরও মনে কষ্ট অনুভব করা উচিত। এমনই ছোট শিশুকে রক্ষা করিতে বয়স্ক ব্যক্তিদিগকেও শক্ত কথা শুনানো বা ধমক দেওয়া যায় কিন্তু অন্য কোনও কারণে এইরূপ করা শোভন হইবে না; এইরূপ অপ্রত্যাশিত আচরণ ছোটদের মনের উপর দাগ রাখিয়া যায়। এই সবই শিক্ষাপ্রদ কিন্তু স্বাভাবিকভাবে এইরূপ সৃষ্টি না হইলে অন্য কোনো উপায়ে এই শিক্ষা দেওয়া চলে না।

    শিশুকে বস্তুনিরপেক্ষ সাধারণ নৈতিক উপদেশ দান সময়ের অপব্যবহার ও মূর্খতারই পরিচায়ক। শুধু বাস্তব ঘটনাই শিশুর কাছে সত্য, ঘটনাও স্বাভাবিকভাবে ঘটা চাই। বয়স্ক ব্যক্তিরা যাহা মনে করেন নৈতিক উপদেশ, শিশুর নিকট তাহার বিশেষ কোনও আকর্ষণ নাই। শিশু উপদেশ হইতে তেমন শেখে না যেমন শেখে উদাহরণ হইতে। এইজন্যই শিশুর নিকট উপদেশের অপেক্ষা উদাহরণের মূল্য বেশি। মিস্ত্রিকে কাজ করিতে দেখিলে শিশু তাহার কাজ অনুকরণ করে; শিশু তাহার পিতামাতাকে অন্যের সহিত ভদ্র ও সদয় ব্যবহার করিতে দেখিলে নিজেও তাহা অনুকরণ করিতে চেষ্টা করে। উভয়ক্ষেত্রে শিশু যাহা অনুকরণ করিতে চায় তাহা মর্যাদাকর মনে করে। আপনি নিজে যদি ছেলেকে মিস্ত্রির করাত খুব ভালোভাবে ব্যবহার করার উপদেশ দেন কিন্তু যেমন তেমন করিয়া ব্যবহার করেন তবে আপনার উপদেশ কার্যকরি হইবে না। আপনি যদি শিশুকে তাহার ছোটবোনের প্রতি সদয় ব্যবহার করিতে উপদেশ দেন কিন্তু নিজেই তাহার উপর নির্দয় আচরণ করেন তবে আপনার উপদেশ ব্যর্থ হইবে। যদি আপনার কোনো কাজের ফলে ছোট শিশু কাঁদে যেমন নাক পরিষ্কার করিয়া দিতে গেলে কাঁদিতে পারে তবে তাহার তুলনায় বেশি বয়সী শিশুদিগকে এইরূপ দাঁড়াইয়া আপনাকে নির্দয় আচরণ হইতে থামাইতে চেষ্টা করিতে পারে। আপনার আচরণে শিশুর মনে যদি এই ধারণা বদ্ধমূল হয় যে, ছোট শিশুকে কাঁদাইয়া আপনি নিষ্ঠুরতার পরিচয় দিয়াছেন, তবে তাহার নিষ্ঠুরতার আবেগকে দমন করা আপনার পক্ষে সম্ভব হইবে না।

     

     

    সমবয়সীদের উপযোগিতা : বেশি বয়সী ও কম বয়সী শিশুদের প্রয়োজনীয়তা আছে কিন্তু সমবয়সীদের প্রয়োজনীয়তা আরও বেশি, বিশেষত শিশুর চার বৎসর বয়স হইতে আরম্ভ করিয়া বেশির দিকে। সমবয়স্কদের সঙ্গে কিরূপ আচরণ করিতে হয় তাহা শেখা বিশেষ প্রয়োজন। জগতে যত কিছু অসমতা তাহার অধিকাংশই কৃত্রিম; আমাদের আচরণের ভিতর দিয়া এইগুলি দূর করিতে পারিলেই সর্বাপেক্ষা ভালো হইত। ধনীলোকেরা নিজদিগকে তাঁহাদের পাঁচক অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ মনে করেন এবং সমাজে যেইরূপ আচরণ করেন পাঁচকের সঙ্গে সেইরূপ করেন না। কিন্তু তাহারাই আবার একজন ডিউকের তুলনায় নিজদিগকে নিকৃষ্ট মনে করেন এবং তাহার সঙ্গে আচরণে তাঁহাদের আত্মমর্যাদাবোধের অভাবই পরিলক্ষিত হয়। এই দুই জায়গাতেই তাহারা ভুল করেন; পাঁচক এবং ডিউক উভয়ের প্রতি একইরূপ ভাব পোষণ করা এবং একইরূপ আচরণ করা উচিত। যে যৌবনে বয়সের তারতম্য অনুসারে স্তরভেদ করা হয় তাহা কৃত্রিম নয়; এই জন্যই যে সামাজিক অভ্যাসগুলি পরবর্তিকালে কাজে লাগিবে তাহা সমবয়সীদের সঙ্গে মেলামেশার ফলে অর্জন করা উচিত। সমানে সমানে সকল খেলা এবং স্কুলের প্রতিযোগিতা ভালো জমে। স্কুলে যে সুনাম বা প্রতিষ্ঠা লাভ করে তাহা সে অর্জন করে নিজের চেষ্টায়। সে সকলের প্রশংসা লাভ করিতে পারে অথবা সকলের ঘৃণার পাত্রও হইতে পারে; ইহা নির্ভর করে তাহার চরিত্র ও শক্তির উপর। স্নেহশীল পিতামাতা সন্তানকে অতিরিক্ত প্রশ্রয় দিয়া আদুরে গোপাল সৃষ্টি করেন, এইরূপ ক্ষেত্রে ছেলে আত্মশক্তি প্রকাশে বিশেষ উৎসাহিত হয় না; সন্তানের প্রতি স্নেহশীল পিতামাতা এমন কঠোর পরিবেশ সৃষ্টি করেন যেখানে শিশুর স্বতঃপ্রবৃত্ততা রুদ্ধ হইয়া যায়। কাজেই দেখা যায় অতিরিক্ত স্নেহ প্রদর্শনের ফলে যে সব শিশুর কর্মশক্তি লোপ পায়, অতিরিক্ত কঠোরতার ফলেও তেমনই তাহার স্বেচ্ছাপ্রণোদিত কাজের উৎসাহ ও উদ্যম নষ্ট হইয়া যায়। সমবয়সীরাই কেবল মুক্ত প্রতিযোগিতায় এবং সমানভাবে সহযোগিতার ভিতর দিয়া শিশুদের কাজে স্বতস্ফূর্ত আনিতে পারে। স্বেচ্ছাচারিতা না দেখাইয়াও কিভাবে আত্মসম্মান বজায় রাখা যায়, হীনতা প্রকাশ না করিয়া কিভাবে অন্যের প্রতি ভদ্র ব্যবহার করা যায় সমবয়সীদের সঙ্গে আচরণের মাধ্যমেই তাহা ভালোভাবে শিক্ষা করা যায়। এই জন্য শিশুরা ভালো স্কুলে সদাচরণ শিক্ষার যে সুবিধা পায় পিতামাতা হাজার চেষ্টা করিয়াও বাড়িতে তাহা দিতে পারেন না।

     

     

    শিশু ও কিশোরের জীবনে সমবয়সীদের প্রয়োজনীয়তা সম্বন্ধে বলা হইল। আরও কয়েকটি কারণে তাহাদের সঙ্গলাভ একান্ত আবশ্যক। শিশুর দেহ ও মনের সুস্থ বিকাশের জন্য খেলা অত্যাবশ্যক কিন্তু প্রথম বৎসরের পর শিশু অন্য ছেলেমেয়ের সঙ্গে না হইলে খেলিয়া আনন্দ পায় না। খেলিতে না পাইলে শিশু হয় দুর্বল; জীবনের আনন্দের আস্বাদ সে পায় না। আনন্দই শিশুর জীবন রসায়ন। ইহা হইতে বঞ্চিত হওয়ায় তাহার মনে উৎকণ্ঠা বাড়িয়া উঠিতে থাকে। অবশ্য শিশুকে তিন বৎসর বয়স হইতেই একটি বিদেশি ভাষা শিকাইতে আরম্ভ করিয়া সকল প্রকার বাল্যসুলভ চপলতা হইতে দূরে সরাইয়া রাখা যায়, যেমন ঘটিয়াছিল জন স্টুয়ার্ট মিলের জীবনে। কেবল জ্ঞানসঞ্চয় দিক হইতে বিবেচনা করিলে ইহার ফল ভালই হয় বলিতে হইবে কিন্তু সকল দিক বিবেচনা করিয়া এই প্রণালীর প্রশংসা করা যায় না। মিল তাহার আত্মজীবনীতে বলিয়াছেন– কৈশোরের একসময়ে তাহার মনে দারুণ উৎকণ্ঠা উপস্থিত হইয়াছিল এই ভাবিয়া যে, নানা সুরের সংমিশ্রণ কোনো না কোনো সময় শেষ হইয়া যাইবে; তখন তো আর নূতন গান রচনা করা চলিবে না। এই দুশ্চিন্তায় তিন আত্মহত্যা করার উপক্রম করিয়াছিলেন। ইহা স্পষ্টই বোঝা যায় যে, এই ধরনের মানসিক আলোড়ন স্নায়বিক দুর্বলতারই পরিচায়ক। মিলের পিতাও একজন বিখ্যাত দার্শনিক ছিলেন কিন্তু পিতার দার্শনিক মত যে কোথাও ভুল হইতে পারে পুত্র তাহা চিন্তাই করিতে পারিতেন না। তাঁহার মানসিক দাস্যতা এইভাবে তাঁহার বিচার-শক্তির মূল্য অনেক হ্রাস করিয়া দিয়াছিল। সুস্থ এবং স্বাভাবিক অবস্থার মধ্য দিয়া যৌবনে উপনীত হইলে হয়তো মিল আরও বেশি সতেজ বুদ্ধি ও অধিকতর মৌলিকতার অধিকারী হইতেন। আর যাহাই হউক, জীবন উপভোগ করার শক্তি তিনি নিশ্চয় অনেক বেশিমাত্রায় লাভ করিতে পারিতেন। আমি নিজেও ষোলো বৎসর বয়স পর্যন্ত সমবয়সীদের সঙ্গ ও সাধারণ আনন্দ হইতে বঞ্চিত হইয়া নিঃসঙ্গভাবে লালিত হইয়াছিলাম। মিল যেইরূপ বর্ননা করিয়াছেন, কৈশোরে আমারও ঠিক ওইরূপ অবস্থা মনে আসায় আমিও আত্মহত্যার ইচ্ছা করিয়াছিলাম। আমার মনে হইয়াছিল–গতিবিজ্ঞানের নিয়মানুসারে দেহ চালিত হইতেছে, ইচ্ছা বলিয়া কোনো কিছু নাই; ইহা নিছক ভ্রান্তিমাত্র। এই চিন্তা দুশ্চিন্তার আকার ধারণ করিয়া আমার আত্মহত্যার বাসনা জাগাইয়াছিল। পরে সমবয়সীদের সঙ্গে মেলামেশা করার সময় বুঝিলাম, কাহারও সঙ্গে আমার মতের বনিবনা হয় না। আমার চিন্তা ও ভাবধারার পরিবর্তন হইয়াছে কি না, কতদূরেই বা আমি আগের মতোই আছি তাহা আমার পক্ষে বলা সম্ভবপর নয়।

     

     

    সমবয়সীদের সঙ্গে মেলামেশার স্বপক্ষে সব রকম যুক্তি প্রয়োগ করা সত্ত্বেও ইহা স্বীকার করিতে হইবে যে, কতক বালক-বালিকাকে স্কুলে পাঠানো উচিত নয়। ব্যক্তি হিসেবে ইহাদের মধ্যে অসাধারণত্ব থাকিতে পারে। কোনো বালকের যদি দৈহিক দুর্বলতার সঙ্গে অস্বাভাবিক [Abnormal] মানসিক শক্তি থাকে তবে সে সাধারণ সঙ্গীদের সহিত খাপ খাওয়াইয়া চলিতে নাও পারে; হয়তোবা সঙ্গীরা খেপাইয়া উত্ত্যক্ত করিয়া তাহাকে পাগল করিয়া দিতে পারে। অসাধারণ মানসিক শক্তি অনেক সময় পাগলামির পর্যায়ে পড়ে; এইরূপ ক্ষেত্রে অস্বাভাবিক মনীষাসম্পন্ন বালকের জন্য পৃথক ব্যবস্থা অবলম্বন করা বাঞ্ছনীয়। প্রথমে বালকের অস্বাভাবিক অনুভূতিশীলতার কারণ অনুমান করিয়া ধৈর্য ও যত্নের সহিত ইহা নিরাময় করার চেষ্টা করিতে হইবে। বালক যাহাতে অত্যাচারিত না। হয় সেইদিকে বিশেষ লক্ষ রাখা আবশ্যক। আমার মনে হয় শৈশবে শিশুর শিক্ষার ত্রুটির মধ্যে ইহার কারণ খুঁজিয়া পাওয়া যাইবে। শৈশবে কুশিক্ষার ফলে পরিপাকক্রিয়ার ব্যাঘাত অথবা স্নায়ুর বিকলতা ঘটা অসম্ভব নয়। শৈশবে যথোপযুক্তভাবে এবং বিজ্ঞতার সহিত লালন-পালন করিলে অধিকাংশ শিশুই সুস্থ, সবল, স্বাভাবিকরূপে বাড়িয়া ওঠে; অন্য শিশুদের সঙ্গ তাহাদের দেহের এবং মনের শক্তিবিকাশে অনুকূল অবস্থাই সৃষ্টি করে। তবু খুব অল্পসংখ্যক ক্ষেত্রে হয়তো ব্যতিক্রম দেখা দিতে পারে, যেমন দেখা যায় প্রতিভাবানদের জীবেন। এইরূপ অবস্থায় অসাধারণ বালককে বরং স্কুলে না পাঠাইয়া নিরিবিলিতে আত্মবিকাশের বন্দোবস্ত করিয়া দেওয়া উচিত।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবিবাহ ও নৈতিকতা – বার্ট্রান্ড রাসেল
    Next Article শক্তি – বার্ট্রান্ড রাসেল

    Related Articles

    বার্ট্রান্ড রাসেল

    কেন আমি ধর্মবিশ্বাসী নই – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    সুখের সন্ধানে – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    অপেক্ষবাদের অ, আ, ক, খ – বারট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    কর্তৃত্ব ও ব্যক্তিসত্তা – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    ধর্ম ও বিজ্ঞান – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    দর্শনের সমস্যাবলি – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }