Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    শিক্ষা প্রসঙ্গ – বার্ট্রান্ড রাসেল

    বার্ট্রান্ড রাসেল এক পাতা গল্প311 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১২. যৌন শিক্ষা

    দ্বাদশ অধ্যায় — যৌন শিক্ষা

    যৌন সম্পর্কিত বিষয় এত কুসংস্কার এবং নিষেধের বেড়াজালে ঘেরা যে, অত্যন্ত শঙ্কার সঙ্গে এই সম্পর্কে আলোচনা করিতে অগ্রসর হইতেছি। ভয় হয়, পাছে যে সমস্ত পাঠক এই পর্যন্ত আমার শিক্ষানীতি গ্রহণ করিয়াছেন তাহারাও এই ক্ষেত্রে প্রয়োগের সময় তাহাতে সন্দেহ প্রকাশ করেন। তাঁহারা হয়তো বিনা দ্বিধায় স্বীকার করিয়াছেন যে, নির্ভীকতা এবং স্বাধীনতা শিশুর পক্ষে মঙ্গলজনক; তথাপি যৌন ব্যাপারে তাহারাই হয়তো এ নীতির বিরোধিতা করিয়া শিশুদের উপর অকারণ ভীতি ও দাসত্ব প্রয়োগ করার পক্ষপাতী হইতে পারেন। যে-নীতি দৃঢ় ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত বলিয়া আমি বিশ্বাস করি, তাহা আমি কোনোক্রমেই সংকুচিত করিতে রাজি হইব না; মানব চরিত্রের অন্যান্য আবেগ, যেমন খেলা, নূতন কিছু গঠন করা, ভয়, স্নেহ প্রভৃতির বিকাশ বা নিয়ন্ত্রণ সম্বন্ধে যেরূপ অবলম্বন করিয়াছি, যৌন ব্যাপারেও আমি ঠিক সেইরূপ ব্যবস্থা গ্রহণ করার পক্ষপাতী।

    যৌনভাব ও ফ্রয়েডির মতবাদ : নানারূপ বাধানিষেধ আরোপ ও ঢাকঢাক-গুড়গুড় ছাড়াও যৌনভাবের একটি বিশেষত্ব এই যে, এই প্রবৃত্তি দেরিতে পরিপক্ক হয়। মনঃসমীক্ষকগণ সত্যই দেখাইয়াছেন যে, শৈশবেও যৌনপ্রবৃত্তি বিদ্যমান থাকে; তবে ইহাদের অভিমতের মধ্যে অনেকখানি অতিরঞ্জন আছে।

    যৌন প্রবৃত্তির শিশুসুলভ প্রকাশ বয়স্ক ব্যক্তিদের আচরণ হইতে পৃথক, ইহার বেগও যথেষ্ট কম। বয়স্ক ব্যক্তির মতো যৌন ব্যাপারে লিপ্ত হওয়া শিশুর পক্ষে দৈহিক দিক দিয়াই অসম্ভব। প্রথম যৌবনাগম কিশোর-কিশোরীর মনে এক প্রক্ষোভময় বিষয় আলোড়ন সৃষ্টি করে; পাঠ্য-জীবনের মাঝখানে বয়ঃসন্ধিক্ষণের রঙিন উন্মাদনা স্বাভাবিক শিক্ষা গ্রহণের পথে বিঘ্ন উপস্থিত করে; এইগুলি অপসারণ করিয়া সুস্থ স্বাভাবিক জীবন বিকাশের পথে কিশোরকে পরিচালিত করা শিক্ষাব্রতীর বড় সমস্যা হইয়া দাঁড়ায়; এইরূপ সমস্যার অধিকাংশ সম্বন্ধেই কোনো আলোচনার চেষ্টা করিব না; কেবল যৌবনাগমের পূর্বে কি করা কর্তব্য তাহাই হইবে আমার আলোচ্য বিষয়। এই সম্পর্কে শিক্ষা সংস্কারের আবশ্যকতা অত্যন্ত বেশি, বিশেষত বাল্যকালের শিক্ষায়। যদিও ফ্রয়েডীয় মনোবিজ্ঞানীদের সঙ্গে অনেক বিষয়ে আমার মতের অনৈক্য ঘটিয়াছে তবু আমার মনে হয় একটি বিষয়ে তাঁহারা বিশেষ উপকার সাধন করিয়াছে। তাহারা দেখাইয়াছেন যে, বাল্যে যৌন-সংক্রান্ত ব্যাপারে শিশুদের প্রতি যথাযথ আচরণ না হওয়ার ফলে পরিবর্তীকালে স্নায়বিক বিকলতার উদ্ভব হইয়া থাকে। এই ক্ষেত্রে তাঁহাদের কাজে যথেষ্ট সুফল প্রদান করিয়াছে কিন্তু এখনও বহু পুঞ্জিভূত কুসংস্কার দূর করা প্রয়োজন। শিশুর যৌনভাব সংক্রান্ত কুসংস্কারগুলি দূর করার একটি প্রধান অন্তরায় হইল তাহার জীবনের প্রথম কয়েক বৎসর তাহার লালন-পালনের ভার সম্পূর্ণ অশিক্ষিত স্ত্রীলোকদের উপর ন্যস্ত করা। ইহার ফলে অনেক ক্ষেত্রে এমন অবস্থার সৃষ্টি হয় যাহা সোজাসুজি বর্ণনা করিলে অশ্লীলতার দায়ে অভিযুক্ত হইতে হইবে বলিয়া বিশেষত পর্যবেক্ষক পণ্ডিতগণ ঘুরাইয়া ফিরাইয়া তাহার বিবরণ দিয়া থাকেন। মূর্খ পরিচারিকাগণ এই সম্বন্ধে কিছুই জানে না, তাহাদের পক্ষে বিশেষজ্ঞগণের সিদ্ধান্ত বিশ্বাস করার কোনো প্রশ্নই উঠে না।

     

     

    করমৈথুনঃ শিশুর যৌন সমস্যাগুলির ক্রম অনুসারে আলোচনা করিতে গেলে জননী ও পরিচারিকাকে বিব্রত করে যে সমস্যা তাহা হইল শিশুর করমৈথুন। এই বিষয়ে বিশেষজ্ঞগণ বলেন যে, দুই হইতে তিন বৎসর বয়সের সকল বালক-বালিকাই এইরূপ করিয়া থাকে এবং কিছুদিন পরে আপনা হইতেই ইহা বন্ধ হইয়া যায়। কখনও কখনও দৈহিক কয়নের ফলে এই বিব্রতকর কাজটি বেশি হয় কিন্তু ঔষধ প্রয়োগ করিয়া ইহার কারণ দূর করা যায়। (কি ঔষধ প্রয়োগ করা উচিত তাহা আমার বিবেচ্য বিষয় নহে)। কিন্তু এইরূপ কারণ ব্যতিরেকেই সাধারণত শিশুরা করমৈথুন করিয়া থাকে। এই ব্যাপারে অভিভাবকগণ শঙ্কাৰিত হইয়া উঠেন এবং ইহা বন্ধ করিবার জন্য ভীতি প্রদর্শন করিতে থাকেন। কার্যত ভীতি প্রদর্শনে কোনো উপকার হয় না কিন্তু ফল হয় এই যে, ভয় শিশুর মানস স্তরে প্রবেশ করে এবং দমিত হইয়া তাহাই পরে শিশুর জীবনে দুঃস্বপ্ন, স্নায়বিক দুর্বলতা, ভ্রান্ত এবং অহেতুক ভীতিরূপে আত্মপ্রকাশ করে। শিশুর করমৈথুন দূর করার চেষ্টা না করিলেও কোনও ক্ষতি নাই; তাহার স্বাস্থ্য এবং চরিত্রের উপর ইহার কোনও কুফল দেখা যায় না। খুব কম ক্ষেত্রে ইহা সামান্য অনিষ্ট করে কিন্তু ইহা সহজেই নিরাময় করা সম্ভব; এই অভ্যাসটি আঙ্গুল চোষা অপেক্ষা বেশি গুরুতর বা অপকারী নয়। স্বাস্থ্য ও চরিত্রের উপর করমৈথুনের যে কুফল লক্ষ্য করা গিয়াছে এই অভ্যাস বন্ধ করার চেষ্টা হইতেই তাহার উদ্ভব। করমৈথুন শিশুর পক্ষে ক্ষতিকর হইলেও ভয় দেখাইয়া এই কুৎসিত অভ্যাস ত্যাগ করানো না গেলে শুধু নিষেধ করা বিজ্ঞোচিত কাজ হইবে না। কেননা নিষেধ করিলেই যে শিশু এই অভ্যাস হইতে বিরত হইবে এমন কোনো নিশ্চয়তা নাই। আপনি যদি বন্ধ করার কোনো চেষ্টা না করেন তবে সম্ভবত ইহা আপনা আপনি বন্ধ হইয়া যাইবে কিন্তু এ বিষয়ে চেষ্টা করিলেই বরং নানা মানসিক জটিলতা সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা। কাজেই প্রতিক্রিয়ার ফলাফল বিবেচনা করিয়া শিশুকে এ সম্বন্ধে স্বাধীনতা দেওয়াই ভালো। অবশ্য আমি এইকথা বলিতেছি না যে, নিষেধ করা ব্যতীত অন্য কোনো সম্ভাব্য উপায় গ্রহণ করা হইতেও বিরত থাকিতে হইবে। যাহাতে শিশু বেশিক্ষণ বিছানায় জাগিয়া না থাকে সেই জন্য ঘুম ধরিলে তাহাকে শুইতে দিবেন। যাহাতে তাহার মন অন্য কোনও দিকে আকৃষ্ট হয় সেইজন্য তাহার প্রিয় কতকগুলি খেলনা বিছানায় রাখিতে দিবেন; এইরূপ প্রক্রিয়ায় কোনো অপকার হয় না। ইহাতে যদি কোনো উপকার না হয় তবে শিশুকে বাধা দিবেন না, বা একটি খারাপ অভ্যাস করিতেছে বলিয়া সেইদিকে তাহার দৃষ্টি আকর্ষণ করিবেন না, স্বাভাবিকভাবে শিশুকে অন্য বিষয়ে মনোযোগী করিতে পারিলে আপনা হইতেই সে ইহাতে ক্ষান্ত হইবে। এই চেষ্টা হইলেও দুশ্চিন্তার কারণ নাই; শিশুর করমৈথুন অভ্যাস বেশিদিন থাকে না।

     

     

    সাধারণ শিশুর তৃতীয় বৎসরে যৌন কৌতূহল শুরু হয়। পুরুষের সঙ্গে স্ত্রীলোকের, বয়স্ক ব্যক্তির সঙ্গে শিশুর দৈহিক পার্থক্য প্রথমে তাহার দৃষ্টি আকর্ষণ করে। শৈশবে এই কৌতূহলের আর কোনো বিশেষত্ব নাই, ইহা তাহার সাধারণ কৌতূহলের অন্তর্গত। শুধু যেখানে ব্যাপারটিকে রহস্যাবৃত করিয়া রাখিবার রীতি, সেখানেই শিশুদের মধ্যে ভেঁপোমির ভাব দেখা যায়। যেখানে কোনো রহস্য নাই সেখানে কৌতূহল তৃপ্ত হইলেই আগ্ৰহ কমিয়া যায়। প্রথম হইতেই শিশুকে তাহার মাতা-পিতা-ভ্রাতা-ভগিনীকে মাঝে মাঝে বিবস্ত্র অবস্থায় দেখিতে দিতে হইবে। বস্ত্র পরিবর্তনের সময় বা অন্য কখনো স্বাভাবিক অবস্থায় শিশুর সম্মুখে ক্ষণিকের জন্য নগ্নদেহ হইলেও আচরণে কোনোরূপ ভাবান্তর দেখানো উচিত নহে; বয়স্ক ব্যক্তি বা শিশু কাহারই ইহাতে কিছু মনে করিবার নাই; নগ্নতা সম্বন্ধে বয়স্ক ব্যক্তিদের যে বিশেষ কোনো মনোভাব আছে তাহা শিশু না জানিলেই হইল। (পরে অবশ্য তাহাকে জানিতে হইবে।) দেখা যাইবে শিশু অতি সহজেই তাহার পিতা ও মাতার দৈহিক পার্থক্য লক্ষ্য করিবে এবং তাহার মাতা ও ভগিনীর দৈহিক পার্থক্যও যে অনুরূপ ধরনের তাহা বুঝিতে পারিবে। এতটুকু পর্যন্ত বুঝিতে পারিলে দৈহিক পার্থক্য সম্বন্ধে আগ্রহ যথেষ্ট পরিমাণে কমিয়া যাইবে আলমারি বা টেবিলের দেরাজ মাঝে মাঝে ভোলা থাকিলে তাহার সম্বন্ধে শিশুর কৌতূহল যেমন বিশেষ থাকে না তেমনই এই সময়ে শিশু যৌন বিষয় সংক্রান্ত কোনো প্রশ্ন করিলে অন্যান্য বিষয়ের প্রশ্নের মতোই তাহারও উত্তর দিতে হইবে।

     

     

    যৌন বিষয় সম্পর্কিত প্রশ্নের উত্তর : প্রশ্নের উত্তরদান যৌন শিক্ষার একটি প্রধান অংশ। এই প্রসঙ্গে দুইটি নিয়ম মানিয়া চলিতে হইবে। প্রথমে সর্বদা সত্য উত্তর দিন; দ্বিতীয় যৌনজ্ঞানকে অন্য যে-কোনও জ্ঞানের মতো বিবেচনা করুন। যদি কোনও মিশু আপনাকে চন্দ্র, সূর্য, মেঘ, মোটরগাড়ি বা ইঞ্জিন সম্বন্ধে বুদ্ধির পরিচায়ক কোনও প্রশ্ন করে তবে আপনি খুশি হন এবং সে যতটুকু বুঝিতে পারে সেই অনুপাতে প্রশ্নের উত্তর দিয়া থাকেন। কিন্তু সে যদি যৌনবিষয় সংক্রান্ত কোনো প্রশ্ন করে আপনি হয়তো বলিবেন, চুপ চুপ। আপনি যদি জানেন যে, এরূপ বলা উচিত নহে তবু হয়তো সংক্ষেপে এবং শুষ্কভাবে ইহার উত্তর দিবেন; আপনার আচরণে বিব্রত হওয়ার ভাব প্রকাশ পাইতে পারে, শিশু তৎক্ষণাৎ আপনার আচরণের সূক্ষ্ম পার্থক্য লক্ষ করিবে এবং বুঝিবে সে প্রশ্নের উত্তরের সঙ্গে কোনো কিছু গুপ্ত রহস্য জড়িত আছে। রহস্যাবৃত বিষয়ের প্রতিই শিশুর কৌতূহল বেশি জাগ্রত হয়। যৌন বাসনা ও যৌন-জীবন সম্পর্কেও এইভাবে শিশু আকৃষ্ট হইতে পারে। কখনও যেন মনে করিবেন না যে, যৌন আচরণে ভীতিকর অন্যায় এবং অপবিত্র কোনো ভাব আছে। আপনি যদি এইরূপ মনে করেন শিশু ইহা বুঝিতে পারিবে, সে তবে স্বভাবতই ভাবিবে যে, তাহার পিতামাতার সম্পর্কের মধ্যে গোপনীয়, নোংরা কোনো রকম আচরণ আছে। পরে সে সিদ্বান্ত করিবে যে, জনক-জননী তাহার জন্মদান ক্রিয়াকে অশোভন ও কুৎসিত বলিয়া মনে করেন। ইহার ফলে সে নিজেকে সর্বদা অপবিত্র এবং পাপকর্মের ফল বলিয়া বোধ করিতে থাকিবে। এইরূপ ভাব বিদ্যমান থাকিলে কিশোর-কিশোরীর, এমনকি যুবক-যুবতির পর্যন্ত প্রবৃত্তি এবং মানসিক আবেগগুলি সুস্থ ও স্বাভাবিক বিকাশ প্রায় অসম্ভব হইয়া উঠে।

     

     

    শিশুর যখন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করার মতো বয়স হইয়াছে যেমন ধরুন তিন বৎসর বয়সের পর–তখন যদি তাহার ভাই বা বোন জন্মগ্রহণ করে তবে তাহাকে বলুন যে, শিশুটি তাহার মায়ের দেহের মধ্যে ধীরে ধীরে বাড়িয়া উঠিয়াছে, ঠিক এইভাবে সে নিজেও যে বাড়িয়া উঠিয়াছিল তাহাও বলুন। বালককে ছোট্ট শিশুর মাতৃস্তন্য পান করা দেখিতে দিন; তাহাকে বলুন সে নিজেও এমনইভাবে স্তন্যপান করিয়াছিল। যৌনজীবন সংক্রান্ত অন্যান্য বিষয়ের মতো এ বিষয়ও শিশুকে সহজ সরলভাবে বুঝাইয়া দিবেন। ইহার মধ্যে গুরুগাম্ভীর্য আনিবার কোনো প্রয়োজন নাই। মাতৃত্বের পবিত্র এবং রহস্যঘন কর্তব্য সম্বন্ধে বড় বড় কথা বলিবার আবশ্যকতা নাই। সমস্ত বিষয়টি হওয়া উচিত সহজ এবং বস্তুনিষ্ঠ।

    যে বয়সে শিশুর প্রথম যৌন কৌতূহল জাগ্রত হয় তখন যদি পরিবারে কোনো সন্তানের জন্ম না হয় তাহা হইলেও এ প্রশ্নের অবতারণা করা যায়। তখন বলিতে হয়–তোমার জন্মের পূর্বে এ ঘটনাটি ঘটিয়াছিল। ইহা হইতেই প্রশ্নোত্তর শুরু হইতে পারে। আমার ছেলের বেলায় দেখি সে যে এক সময় বর্তমান ছিল না তাহা বোঝাই তাহার পক্ষে অত্যন্ত কঠিন। কখন পিরামিড তৈয়ার করা হইয়াছিল বা এই জাতীয় প্রাচীন কোনও কাহিনী বলিতে গেলেই সে জিজ্ঞাসা করে তখন সে কি করিত। যদি বলি–তখন সে জন্মায় নাই, তাহার অস্তিত্ব ছিল না তবে সে বড়ই হতবুদ্ধি হইয়া পড়ে। দুইদিন আগে হউক আর পিছে হউক জন্মানো মানে কি তাহা সে জানিতে চাহিবে; তখন আমরা তাহাকে বলিব।

     

     

    শিশু যদি পশুপালন ক্ষেত্রে বাস করে তবে সন্তানের জন্মদানের ব্যাপারে পিতার অংশ কি স্বাভাবিক অবস্থায় সে প্রশ্ন তাহার মনে উঠিবে না। কিন্তু শিশু যাহাতে এই জ্ঞান পিতামাতা বা শিক্ষকের নিকট হইতে পায় সে বিষয়ে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করিতে হইবে। তাহা না হইলে কুশিক্ষাপ্রাপ্ত কুৎসিত স্বভাবের ছেলেদের নিকট হইতেই সে ইহা শিখিবে। আমার বয়স যখন বারো বৎসর তখন অন্য একটি ছেলে আমাকে কি বুঝাইয়াছিল তাহা আমার স্পষ্ট মনে আছে; সমস্ত বিষয়টি অশ্লীলতাপূর্ণ এবং গোপন হাসিঠাট্টার উপকরণ বলিয়া মনে করা হইত। আমাদের সে যুগের ছেলেদের ইহাই ছিল স্বাভাবিক অভিজ্ঞতা। ইহার ফল হইত যে, অধিকাংশ লোক সারাজীবন ধরিয়া যৌন ব্যাপারটিকে নোংরা হাসিঠাট্টার বিষয় মনে করিত এবং যে স্ত্রীলোক যৌন সংস্পর্শে আসিত তাহারা তাহাদের সন্তানের জননী হইলেও তাহাদিগকে শ্রদ্ধার চক্ষে দেখিত না। সন্তানের যৌন শিক্ষার ব্যাপারে পিতামাতা অদৃষ্টের উপর নির্ভর করিত, যদিও পুরুষগণ জানিত কিভাবে নিজেরা যৌন সম্পর্কিত প্রথম জ্ঞান লাভ করিয়াছিল! কুসঙ্গ হইতে বালকদের যৌনশিক্ষা লাভ করার ব্যবস্থা কিরূপে যে সুস্থ নীতিবোধ গঠনে সহায়তা করিত তাহা আমি কল্পনা করিতে পারি না। যৌনজীবন স্বাভাবিক, শোভন এবং প্রীতিপদ প্রথম হইতেই শিশুর মনে এই বোধ জন্মাইতে হইবে। ইহার অন্যথা করিলে স্ত্রী এবং পুরুষের সম্পর্ক, পিতামাতা ও সন্তানের সম্পর্ক বিষময় করিয়া তোলা হইবে। পিতামাতা যখন পরস্পরকে ভালোবাসেন এবং সন্তানদিগকে ভালোবাসেন তখন তাঁহাদের মধ্যে যৌনজীবনের মধুর প্রকাশ। পিতামাতার পরস্পরের মধ্যে সম্পর্কের বিষয় বালককে অশ্লীল কিশোরদের নোংরা হাবভাব ও কুৎসিত ইঙ্গিত হইতে শিক্ষা করিতে না দিয়া পিতামাতার নিজেদেরই এ ভার গ্রহণ করা উচিত। ছেলেমেয়ের মনে যদি এই ধারণা জন্মে যে, তাহাদের পিতামাতার যৌনজীবনের সম্পর্ক দূষণীয় গোপন ব্যাপার তবে তাহার ফলও ভাল হয় না।

     

     

    যদি কোনো পরিবারের শিশুর অন্য বালকদের খারাপ সঙ্গ হইতে যৌনজ্ঞান শিক্ষার কোনো আশঙ্কা না থাকে তবে যতদিন সে স্বাভাবিক কৌতূহলের বশে এই সম্বন্ধে প্রশ্ন না করে ততদিন অপেক্ষা করা চলে। কিন্তু যৌবনাগমের পূর্বেই তাহাকে এ বিষয়ে যথাযথ জ্ঞান দিতে হইবে। ইহা অবশ্য করণীয়। যৌবনারম্ভে যে দৈহিক ও মানসিক পরিবর্তন আসে যে সম্বন্ধে বালক-বালিকাকে সম্পূর্ণ অজ্ঞ করিয়া রাখিলে তাহাদের উপর এক রকম নিষ্ঠুরতা দেখানো হয়। যৌবন-সূচনায় কিশোরী অকস্মাৎ যে দৈহিক পরিবর্তনের সম্মুখিন হয় সে সম্পর্কে আগে হইতে তাহাকে অবহিত না করিলে কোনো কঠিন রোগে আক্রান্ত হইয়াছে বলিয়া সে অত্যন্ত ভীত হইয়া পড়িতে পারে। ইহা ছাড়া যৌনবিষয়টি কিশোরদের কাছে এমন উন্মাদনাকর যে, শৈশবে এ বিষয়ে আলোচনা তাহারা যেরূপ বিজ্ঞানসম্মত মনোভাবের সহিত গ্রহণ করিত, যৌবনের রঙিন আবেশ দেহমনে ছড়াইয়া পড়িলে আর তেমনভাবে পারে না। কাজেই যৌনজীবন সম্বন্ধে কুৎসিত আলোচনা করার সম্ভাবনা বাদ দিলেও বালক বা বালিকাকে যৌবনারম্ভের পূর্বেই যৌন কাজের প্রকৃতি সম্বন্ধে শিক্ষা দেওয়া উচিত।

    কখন শিক্ষা দিতে হইবে : যৌবনাগমের কতদিন পূর্বে এই শিক্ষা দেওয়া তাহা কতকগুলি বিষয়ের উপর নির্ভর করিবে। অনুসন্ধিৎসু এবং সক্রিয় বুদ্ধিসম্পন্ন শিশুকে জড়-প্রকৃতির শিশু অপেক্ষা পূর্বে এই শিক্ষা দিতে হইবে। কারণ সহজেই অনুমান করা যায়। অনুসন্ধিৎসু বালকের কৌতূহলের অন্ত নাই; কৌতূহলের বশবর্তী হইয়াই সে এইদিকে অল্পবুদ্ধি বালকের তুলনায় আগে আকৃষ্ট হইবে। কখনও কোনো অবস্থাতেই শিশুর কৌতূহল অপরিতৃপ্ত রাখা উচিত হইবে না। শিশু বয়সে যত ছোটই হউক, সে যদি জানিতে চায় তাহার কৌতূহল মিটাইতেই হইবে। কিন্তু সে যদি স্বতঃপ্রবৃত্ত হইয়া কোনো প্রশ্ন না করে তবু পাছে সে কুসংসর্গ হইতে খারাপভাবে কিছু জানিয়া ফেলে, সে দোষ নিবারণের জন্য দশ বৎসর বয়সের পূর্বেই তাহাকে যৌনজীবন সম্বন্ধে শিক্ষা দিতে হইবে। এইরূপ ক্ষেত্রে গাছপালার বংশ বৃদ্ধি ও প্রাণীর প্রজনন সম্বন্ধে আলোচনার ভিতর দিয়া স্বাভাবিকভাবে তাহার কৌতূহল উদ্দীপ্ত করা বাঞ্ছনীয়। এইজন্য কোনোরূপ আড়ষ্টভাব বা গুরুগম্ভীর ভূমিকার প্রয়োজন নাই, খানিক কাশিয়া গলা পরিষ্কার করিয়া লইয়া শোন খোকন, এ বয়সে তোমার যে বিষয়টি জানা বিশেষ প্রয়োজন তাই এখন বলছি এই ধরনের মুখবন্ধসহ প্রসঙ্গ উত্থাপনের আবশ্যকতা নাই। অতি সাধারণভাবে দৈনন্দিন ব্যাপারের প্রসঙ্গ তুলিতে হইবে। এই জন্যই প্রশ্নের উত্তর হিসাবে ইহার আলোচনা হইলেই ভালো হয়।

     

     

    বালক ও বালিকাদের প্রতি যে একইরূপ আচরণ করা দরকার এবং তাহাদিগকে যে সমভাবে শিক্ষা দেওা উচিত সে সম্বন্ধে বর্তমান যুগে কোনো যুক্তি প্রদর্শনের প্রয়োজন আছে বলিয়া মনে করি না। আমাদের বাল্যকালে ভালোভাবে লালিত-পালিত মেয়ের পক্ষে বিবাহ সম্বন্ধে কোনো কিছু না জানিয়াও বিবাহ দেওয়া রেওয়াজ ছিল; স্বামীর নিকট হইতে সে যৌন-জীবন সম্বন্ধে শিক্ষা লাভ করিত। কিন্তু অধুনাকালে এইরূপ ঘটিতে শুনি নাই। আমার মনে হয়, এখন অধিকাংশ লোকই মনে করে অজ্ঞতার উপর যে গুণের ভিত্তি, তাহার কোনো মূল্য নাই এবং বালিকাদেরও বালকের মতো জ্ঞানলাভের অধিকার আছে। যাহারা ইহা মানেন না তাহারা হয়তো এ পুস্তক পাঠ করিবেন না; কাজেই তাহাদের সঙ্গে কোনো যুক্তি-তর্কের অবতারণার প্রশ্ন উঠে না।

    যৌননীতিজ্ঞানের শিক্ষা আমি সংকীর্ণ অর্থে আলোচনা করিতে চাহি না। এই সম্বন্ধে বিভিন্ন অভিমত আছে। খ্রিস্টানদের সঙ্গে মুসলমানদের পার্থক্য, মধ্যযুগীয়দের সঙ্গে স্বাধীন চিন্তাবাদীদের পার্থক্য রহিয়াছে। পিতামাতা যে যৌননীতিবিজ্ঞানে বিশ্বাস করেন, নিজেদের সন্তানদিগকেও তাঁহারা সেইমতো শিক্ষা দিতে চান; এ ব্যাপারে রাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ করা আমি পছন্দ করি না। কিন্তু এ সব জটিল বিতর্কসংকুল প্রশ্ন বাদ দিলেও সকলের পক্ষেই প্রযোজ্য এমন বিষয় আছে।

     

     

    যৌনবিজ্ঞান ও স্বাস্থ্যনীতি : প্রথমেই বলা যাইতে পারে স্বাস্থ্যনীতির কথা। যৌনব্যাধিতে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনার সম্মুখিন হওয়ার পূর্বেই যুবকদের এ সম্বন্ধে জানা উচিত। তাহাদিগকে এ সম্বন্ধে যথাযথ শিক্ষা দিতে হইবে; কতক লোক নীতি-উপদেশ দানের উদ্দেশ্যে যৌনব্যাধির কথা অতিরঞ্জিত করিয়া প্রচার করিয়া থাকে; এইরূপ করা অনাবশ্যক। কেমন করিয়া যৌনরোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব এবং কেমন করিয়াই বা ইহা হইতে আরোগ্য লাভ করা যায় তাহাও শিখাইতে হইবে। কেবল সপ্রকৃতির সংযত ব্যক্তিদের প্রয়োজন অনুযায়ী শিক্ষাদান করিয়া অন্য সকলের দুর্ভোগকে পাপের উপযুক্ত শাস্তি মনে করা ভুল। তাহা হইলে মোটর চালনায় যে ব্যক্তি আহত হইয়াছে তাহাকেও কোনো প্রকার সাহায্য না করিতে পারি এই বলিয়া যে, অসতর্ক অবস্থায় মোটর চালানো অন্যায়, অতএব পাপ। ইহা ছাড়া যৌনব্যাধির ক্ষেত্রে যেমন, মোটর চালানোর ক্ষেত্রেও তেমনি নিরপরাধ ব্যক্তির উপর শাস্তি পড়িতে পারে; একজন অসতর্ক মোটর চালক যদি কোনো লোককে চাপা দেয় তাহাতে যেমন আহত ব্যক্তির কোনও অপরাধ নাই, তেমনই কোনো শিশু যদি সিফিলিস রোগ লইয়াই জন্মগ্রহণ করে তবে তাহাকেও দোষী বা পাপী মনে করা উচিত নহে।

    যুবক-যুবতিদিগকে বুঝানো দরকার যে, শিশুর জন্মদান একটি গুরুতর ব্যাপার এবং সন্তানের স্বাস্থ্য ও সুখস্বাচ্ছন্দ্য বিধানের সম্ভাবনা আছে কিনা তাহা বিবেচনা করিয়া সন্তানোৎপাদন সর্বদাই সমর্থনযোগ্য; এমনকি ঘন ঘন বেশিসংখ্যক সন্তান হওয়ার ফলে প্রসূতির স্বাস্থ্য যদি নষ্ট হইয়া যায়, সন্তানগণ যদি রুগ্ন এবং বিকৃত মস্তিষ্ক হয়, সকলের যদি যথেষ্ট পরিমাণে খাদ্যের সংস্থান না-ও হয় তবু ইহাতে দোষ নাই। হৃদয়হীন অদৃষ্টবাদীরাই কেবল এই অভিমত পোষণ করে; তাহাদের ধারণা মানুষের দুঃখদৈন্য অসম্মান ভগবানের মহিমার পরিচালক। শিশুদের প্রতি যাহাদের প্রীতি আছে, অসহায়ের উপর দুঃখের বোঝা যাহারা চাপাইয়া দিতে চান না তাঁহারাই এই নিষ্ঠুর নীতির বিরুদ্ধে দণ্ডায়মান হন। ন্যায়ের প্রতি শ্রদ্ধা এবং শিশুদের জীবনের প্রতি মমত্ববোধ নৈতিক মিক্ষার একটি অপরিহার্য অংশ বলিয়া বিবেচিত হওয়া উচিত।

     

     

    মেয়েদিগকে একদিন সন্তানের জননী হইতে হইবে; এইজন্য তাহাদের পক্ষে তকালে প্রয়োজন লাগিতে পারে এমন কতক জ্ঞান মোটামুটি অর্জন করা উচিত। অবশ্য বালক ও বালিকা উভয়কেই শারীরবিদ্রা ও স্বাস্থ্যনীতি কিছু কিছু শিখিতে হইবে। কিশোর-কিশোরীকে ইহা স্পষ্টভাবে বুঝাইতে হইবে যে অপত্যস্নেহ ব্যতীত কেহ ভালো পিতামাতা হইতে পারে না; শুধু তাহাই নহে, অপত্যস্নেহের সঙ্গে অনেকখানি জ্ঞানের প্রয়োজন। শিশুর সহিত আচরণের প্রবৃত্তি ব্যতীত জ্ঞান এবং জ্ঞান ব্যতীত প্রবৃত্তি উভয়ই সমান অকেজো। জ্ঞানের প্রয়োজনীয়তা যতই অনুভূত হইবে ততই বেশিসংখ্যক বুদ্ধিমতী স্ত্রীলোক মাতৃত্বের প্রতি আকৃষ্ট হইবে। বর্তমানে অনেক উচ্চশিক্ষিত মহিলা ইহাকে অবজ্ঞা করেন; তাঁহাদের ধারণা বুদ্ধি প্রয়োগের সুযোগ ইহার ভিতর নাই। বুদ্ধিমতী উচ্চশিক্ষিতা মহিলাদের পক্ষে মাতৃত্ব লাভ হইতে বিরত থাকা সমাজের পক্ষে বড়ই দুর্ভাগ্যের বিষয়। কারণ এ দিকে তাঁহাদের চিন্তা নিয়োজিত হইলে তাহারা উৎকৃষ্ট জননী হইতে পারেন। যৌনপ্রেম ও হিংসা : যৌন ভালোবাসা সম্বন্ধে শিক্ষা-প্রসঙ্গে আরও একটি বিষয়ে বিশেষ অবহিত হওয়া প্রয়োজন। প্রেমের ব্যাপারে জোর জবরদস্তি বা হিংসা সুখবহ হয় না; বরং দুঃখ ও অশান্তি সৃষ্টি করে। স্থূলপ্রেম যখন মূর্ত হইয়া ওঠে অর্থাৎ প্রেমের বস্তুর উপর যখন অধিকার বিস্তারের বাসনা জাগে তখনই প্রেমের স্বাধীনতা লোপ পায়, ব্যক্তিত্বের অবসান ঘটে; যেখানে এইরূপ কড়াকাড়ি নাই, সেইখানে আছে নিবিড় আনন্দের স্বতঃস্ফূর্ত প্রকাশ। পূর্ববর্তী যুগে পিতামাতা সন্তানদের নিকট হইতে কর্তব্য হিসাবে ভালোবাসা আদায় করিতে চেষ্টা করিয়া সন্তান-সন্ততির সঙ্গে নিজেদের সম্পর্ক তিক্ত করিয়া তুলিয়াছিলেন। এখনও অনেক স্বামী-স্ত্রী এই একই প্রকার ভুল পন্থা অবলম্বন করিয়া পরস্পরের মধ্যেকার প্রীতির সম্পর্ক ধ্বংস করিয়া ফেলেন। ভালোবাসাকে কর্তব্য বলিয়া গণ্য করা যায় না, কেননা ইহা ইচ্ছার বশ নহে। ইহা একটি শ্রেষ্ঠ স্বর্গীয় দান। ইহা মুক্ত ও স্বতঃস্ফূর্ত হইলে সৌন্দর্য ও আনন্দের শতদল বিকশিত করিয়া তোলে কিন্তু খাঁচায় ভরিয়া রাখিলে প্রেমের অপমৃত্যু ঘটে। এখানেও ভয় শত্রু। জীবনে আনন্দের উপাদান হারাইবার ভয়ে যে ব্যক্তি ভীত হয় এবং ইহাকে আষ্টেপৃষ্টে আঁকড়াইয়া ধরিতে চেষ্টা করে তাহার ভাগ্যে কখনও সুখ প্রাপ্তি ঘটে না। অন্যান্য ব্যাপারে যেমন, যৌনপ্রেমের ব্যাপারেও তেমনই নির্ভীকতাই বুদ্ধি ও বিজ্ঞতার মূল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবিবাহ ও নৈতিকতা – বার্ট্রান্ড রাসেল
    Next Article শক্তি – বার্ট্রান্ড রাসেল

    Related Articles

    বার্ট্রান্ড রাসেল

    কেন আমি ধর্মবিশ্বাসী নই – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    সুখের সন্ধানে – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    অপেক্ষবাদের অ, আ, ক, খ – বারট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    কর্তৃত্ব ও ব্যক্তিসত্তা – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    ধর্ম ও বিজ্ঞান – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    দর্শনের সমস্যাবলি – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }