Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    শিক্ষা প্রসঙ্গ – বার্ট্রান্ড রাসেল

    বার্ট্রান্ড রাসেল এক পাতা গল্প311 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৬. সৃজন কার্য

    ষষ্ঠ অধ্যায় — সৃজন কার্য

    খেলার আলোচনা প্রসঙ্গে এ অধ্যায়ের বিষয়বস্তু সংক্ষেপে উল্লিখিত হইয়াছে। এখন কিঞ্চিৎ বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হইবে।

    আমরা দেখিয়াছি, শিশুদের প্রবৃত্তিজাত বাসনাগুলি প্রথমে কোনো নির্দিষ্ট আকারে থাকে না; শিক্ষা এবং সুযোগ তাহাদিগকে বিভিন্ন আকার দিয়া বিভিন্ন খাতে প্রবাহিত করে। আদি পাপ সম্বন্ধে পুরাতন ধারণা কিংবা স্বভাবতই শিশু নিষ্পাপ এবং সকল গুণের আধার বলিয়া রুশোর বিশ্বাস ইহার কোনোটাই সত্য নয়। কিতক লোকের ধারণা ছিল, শিশু মানুষের পাপ হইতে জাত, তাহার ভিতরেও পাপের বীজ রহিয়াছে এবং কালক্রমে তাহা বিকাশ লাভ করিবে; পাপ হইতে জাত তাহা কখনোই আপনা আপনি ভালো হইতে পারে না। রুশো ঠিক ইহার বিপরীত বিশ্বাস প্রচার করিয়াছেন। তাহার মতে শিশু নিষ্কলুষ এবং সকল গুণের সম্ভাবনা তাহার মধ্যে সুপ্ত রহিয়াছে।] কাঁচামালের মতো শিশুর প্রবৃত্তি নিরপেক্ষ থাকে; পরিবেশের প্রভাবে ইহা ভালো বা মন্দ আকার গ্রহণ করে। এরূপ বিশ্বাস করার যথেষ্ট কারণ আছে যে কতকগুলি অস্বাভাবিক ক্ষেত্র ছাড়া অধিকাংশ লোকের প্রবৃত্তিগুলি এমন থাকে যে তাহাদিগকে ভালোর দিকেই বিকশিত করা যায়; শিশুর অল্প বয়স হইতেই যদি তাহার শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন লওয়া যায় তবে মনোরোগীর সংখ্যা খুব অল্পই হইবে। উপযুক্ত শিক্ষার ফলে মানুষ তাহার প্রবৃত্তি অনুসারে আচরণ করিয়া জীবনধারণ করিতে পারে; প্রবৃত্তি হইতে শিশু অমার্জিত নির্দিষ্ট আকারবিহীন, উদ্দাম প্রবৃত্তি লাভ করে। শিক্ষার ফলে ইহাই হয় সুসংযত, সুষ্ঠুভাবে বিকশিত। আদিম ও অসংস্কৃত প্রবৃত্তি দ্বারা নয়, উপযুক্ত শিক্ষার ফলে মানুষের প্রবৃত্তি যখন সুনিয়ন্ত্রিত হয় তখনই ইহা দ্বারা পরিচালিত হইয়া সে ভাবে জীবনযাপন করিতে পারে। কোনো বিষয়ে দক্ষতা বা কৌশল মানুষের প্রবৃত্তিকে সুনির্দিষ্টভাবে বিকশিত করার একটি প্রধান উপায়, এই কৌশল কোনো নির্দিষ্ট প্রকারের তৃপ্তি দান করে; মানুষকে কোনো যথাযথ রকমের কৌশল শিখাইলে কিংবা কোনো প্রকার কৌশলই না শিখাইলে সে হইবে পাপী। শিশুর প্রবৃত্তিগুলিকে প্রথম অবস্থায় মনে করা যায় কাঁচামালের মতো। শিল্পী যেমন কাঁচামালকে তাহার সামর্থ্য ও অভিরুচি অনুসারে সুন্দর অথবা অসুন্দর দ্রব্যে পরিণত করে, তেমনই শিশুর প্রবৃত্তিগুলি যেরূপভাবে নিয়ন্ত্রিত ও বিকাশপ্রাপ্ত হয় তাহার উপরই নির্ভর করে শিশু কিরূপ বয়স্ক ব্যক্তিতে পরিণত হইবে।

    এই সাধারণ নিয়ম শিশুর ক্ষমতা অর্জনের বাসনার প্রতি বিশেষভাবে প্রযোজ্য। আমরা কোনো কিছু করিতে চাই; এইরূপ কাজের ভিতর দিয়া ক্ষমতার প্রকাশ দেখানই উদ্দেশ্য। কি ধরনের কাজের মাধ্যমে এই ক্ষমতা প্রকাশ করা হইবে সে সম্বন্ধে প্রথমে কোনো লক্ষ্য থাকে না। মোটামুটিভাবেই বলা যায়, কাজ যত কঠিন হইবে ইহা সম্পন্ন করার আনন্দও তত বেশি হইবে। মানুষ পাখির মতো ডানা মেলিয়া উড়িতে চায়, কারণ ইহা কঠিন কাজ; শিকারি উপবিষ্ট পাখিকে গুলি করিয়া মারিতে বিশেষ আনন্দ পায় না। কেননা ইহা সহজ কাজ। উদাহরণস্বরূপ ইহাদের কথা উল্লেখ করা হইল। আকাশে ওড়া বা গুলি করিয়া পাখি মারা কাজ সম্পন্ন করিতে যে পদ্ধতি কঠিন বা অসাধারণ তাহাই বেশি আনন্দ দেয়। অন্যত্রও এই নীতি প্রয়োগ করা চলে। জ্যামিতি শেখার আগে পর্যন্ত আমি গণিত পছন্দ করিতাম, বিশ্লেষণমূলক [Analytical Geometry] জ্যামিতি শেখার পূর্বে পর্যন্ত জ্যামিতি ভালো লাগিত। এইভাবে একটি আয়ত্ত করার পর কঠিনটির দিকে ক্রমশ ঔৎসুক্য অগ্রসর হইতে থাকে। শিশু প্রথমে হাঁটিতেই আনন্দ পায়, পরে দৌড়াইতে, তাহার পর লাফাইতে এবং কোনো কিছু বাহিয়া উপরে উঠিতে সে ভালোবাসে। যাহা আমরা সহজে করিতে পারি তাহার মধ্যে আর শক্তির প্রকাশ অনুভব করি না। নূতন কৌশল অথবা যাহা আয়ত্ত করা সম্ভব হইবে কি না সন্দেহ আছে তাহা আয়ত্ত করিতে পারিলে কৃতকার্য হওয়ার তীব্র আনন্দানুভূতি লাভ হয়। কাজেই দেখা যায় ক্ষমতা লাভের বাসনাকে যে-কোনো প্রকার কৌশল আয়ত্ত করার সঙ্গেই খাপ খাওয়াইয়া লওয়া চলে।

     

     

    কোনো কিছু সৃষ্টি করা এবং কোনো কিছু ভাঙিয়া ফেলা উভয়ই ক্ষমতা প্রকাশের বাসনাকে তৃপ্ত করে কিন্তু ভাঙিয়া ফেলার তুলনায় সৃষ্টি করা কঠিনতর। কাজেই ধ্বংস করা অপেক্ষা সৃষ্টিতে আনন্দ বেশি। সৃজন বা ধ্বংস বলিতে কি বুঝায় তাহার পাণ্ডিত্যপূর্ণ ব্যাখ্যা দিতে চেষ্টা করিব না।

    মনোবিজ্ঞানের কথায় বলা যায় আমরা যখন পূর্বপরিকল্পিত গড়ন অনুযায়ী কিছু তৈয়ার করি তখনই সৃষ্টি করি; নূতন কোনো আকার দিবার পরিকল্পনা না রাখিয়া আমরা যখন কোনও বর্তমান জিনিসের পরিবর্তন সাধন করি তখনই ধ্বংস করা হইল। এ ব্যাখ্যার সম্বন্ধে যাহাই মনে করা হউক না কেন কোনো কাজ গঠনমূলক কি না কার্যক্ষেত্রে তাহা আমরা সকলেই বুঝিতে পারি। তবে ইহারও ব্যতিক্রম আছে; কোনো লোক যখন বলে যে নূতন সৃষ্টির জন্যই সে ধ্বংস করিতেছে তখন তাহার আন্তরিকতা সম্পর্কে সন্দেহ থাকিলে তাহার কাজ সৃষ্টিকার্য কি ধ্বংসকার্য তাহা নির্ণয় করা সত্যই কঠিন।

    সৃষ্টি অপেক্ষা ধ্বংস করা সহজ; এ জন্য ধ্বংস করা অর্থাৎ কোনো কিছু ভাঙিয়া ফেলা হইতে শিশুর সূত্রপাত হয়। বালির মধ্যে খেলা করিবার সময় শিশুরা চায় বয়স্ক ব্যক্তিরা কেহ বাটি দিয়া ছোট ছোট পিঠার মতো টিবি তৈয়ার করিয়াদিক; তারপর তাহারা সেইগুলি ভাঙিয়া ফেলিতে আনন্দ পায়। কিন্তু যখন তাহারা নিজেরা এইরূপ তৈয়ার করিতে শেখে তখন ইহা প্রস্তুত করিতেই তাহাদের আনন্দ; তখন তাহারা কাহাকেও সেইগুলি ভাঙিয়া ফেলিতে দিতে চায় না। শিশুরা যখন প্রথম ইট লইয়া খেলা করে তখন তাহারা তাহাদের অপেক্ষা বয়সে বড় সঙ্গীদের নির্মিত ইটের খেলার ঘরবাড়ি ভাঙিয়া ফেলিতে ভালোবাসে। কিন্তু তাহারা নিজেরা ইট দিয়া কোনো কিছু তৈয়ার করিতে পারিলে নিজেদের কাজের জন্য রীতিমত গর্ব বোধ করে এবং কেহ যে তাহাদের সাধের সৌধ ভাঙিয়া দিবে তাহা তাহারা সহ্য করিতে পারে না। যে আবেগের ফলে শিশু এই খেলার আনন্দ পায় তাহা ভাঙা এবং গড়া উভয়ক্ষেত্রেই সমানভাবে বিদ্যমান আছে। নূতন কৌশল কেবল খেলার আবেগ পরিতৃপ্ত করার পরিবর্তন আনিয়াছে। ভাঙিতে শিশুর যেইরূপ, গড়িতেও সেইরূপ আনন্দ। গড়িবার কৌশল শিক্ষার পর শিশু ভাঙা অপেক্ষা গড়াই বেশি পছন্দ করে। দেখা যায় যে শিশু পূর্বে কেবল ভাঙিয়া ফেলিয়াই আনন্দ পাইত, সেই পরে গড়িতেই বেশি আনন্দ পাইতেছে।

     

     

    শিশু যেমন প্রথম সৃষ্টির আনন্দ উপলব্ধি করে তখন তাহার মধ্যে অনেকগুলি গুণের বিকাশ ঘটানো যায়। শিশু যখন তাহার নিজের তৈরি জিনিস নষ্ট না করিতে অনুরোধ করে তখন তাহাকে সহজেই বুঝাইতে পারেন যে, সে নিজেও যেন অন্যের কোনো জিনিস নষ্ট না করে। এইভাবে আপনি শিশুর মনে অপরের পরিশ্রম দ্বারা উৎপাদিত জিনিসের প্রতি শ্রদ্ধা জাগাইয়া তুলিতে পারেন। পরিশ্রমই ব্যক্তিগত সম্পত্তি অর্জনের পক্ষে সমাজের দিক হইতে একমাত্র নির্দোষ উপায়। সৃজন কার্যের উৎসাহ দান করিতে আপনি শিশুর ধৈর্য, অধ্যবসায় এবং পর্যবেক্ষণ-ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য উৎসাহ দিন; এ গুণগুলি ছাড়া সে যতখানি উঁচু চুড়া তৈয়ার করিতে চায় ততখানি পারিবে না। শিশুদের সঙ্গে খেলায় যোগদান করিয়া আপনি এমনভাবে কোনো কিছু তৈয়ার করুন যাহাতে তাহাদের উচ্চাকাঙ্ক্ষা জাগ্রত হয়; আপনি কেবল দেখাইয়া দিন কিভাবে তৈয়ার করিতে হয়, তারপর শিশুদের উপরই তৈয়ার করিবার ভার ছাড়িয়া দিন।

    শিশুকে বাগানে প্রবেশ করিতে দিলে তাহার সৃষ্টির বাসনাকে নূতন আকারে ভালোভাবে বর্ধিত করা যায়। বাগানে ঢুকিলেই সুন্দর আকর্ষণীয় ফুলগুলি তোলাই হইবে তাহার প্রথম আবেগ। নিষেধ করিয়া তাহাকে নিবৃত্ত করা যায় কিন্তু শিক্ষা হিসাবে শুধু নিষেধই যথেষ্ট নয়, যে শ্রদ্ধাযুক্ত মনোভাবের ফলে বয়স্ক ব্যক্তিরা বাগানের ফুল যথেচ্ছভাবে নষ্ট করে না, সেইরূপ মনোভাব শিশুর মধ্যেও জাগাইয়া তুলিতে হইবে। সুন্দর এবং নয়নানন্দদায়ক কিছু তৈয়ার করিতে কি পরিমাণ পরিশ্রম ও চেষ্টার দরকার তাহা উপলব্ধি করিতে পারে বলিয়াই বয়স্ক ব্যক্তিদের মনে শ্রদ্ধার ভাব জাগে। শিশুর বয়স যখন তিন বৎসর হইবে তখনই তাহাকে বাগানের মধ্যে এক কোণে কিছুটা জায়গায় ফুলগাছের চারা লাগাইতে উৎসাহিত করা যায়। গাছগুলি বড় হইয়া ফুল ফুটিলে তখন সেইগুলি তাহার কাছে অপূর্ব এবং মহামূল্যবান বলিয়া মনে হইবে। তাহার ফুল কেহ নষ্ট করুক ইহা যেমন সে চাহিবে না, তেমনই সে বুঝিতে পারিবে যে তাহার মায়ের ফুলগুলির প্রতিও অনুরূপ যত্ন লওয়া উচিত।

     

     

    গঠনমূলক কাজ ও জীবন্ত প্রাণীর প্রতি প্রীতি এবং অনুরাগ বৃদ্ধি করিয়া শিশুর নিষ্ঠুরতা দূর করা যায়। প্রায় সকল শিশুই একটু বড় হইলেই মাছি এবং অন্যান্য কীটপতঙ্গ মারিতে চায়। এই অভ্যাস ক্রমে বড় প্রাণী এবং শেষ পর্যন্ত মানুষ হত্যা করার অভিলাষ জন্মায়। ইংল্যান্ডে সাধারণ সম্ভ্রান্ত পরিবারে পাখি হত্যা করা বিশেষ প্রশংসনীয় কাজ বলিয়া পরিগণিত; যুদ্ধক্ষেত্রে মানুষ হত্যা তো তাহাদের নিকট একটি মহান কাজ। এই সকল কাজ অসংস্কৃত প্রবৃত্তির প্রেরণাসঞ্জাত। যে সকল লোক কোনো প্রকার গঠনমূলক কৌশল জানে না এবং যাহারা ক্ষমতা প্রকাশের বাসনাকে অন্য কোনো নির্দোষ শান্তিপূর্ণ উপায় পূর্ণ করিতে পারে না, তাহারাই নৃশংস আচরণের ভিতর দিয়া ক্ষমতা প্রকাশ করিয়া থাকে। তাহারা সুন্দর পাখি হত্যা করিতে পারে, রায়ত প্রজাদিগের উপর অত্যাচার করিতে পারে; প্রয়োজন হইলে তাহারা একটি গণ্ডার অথবা একজন জার্মানকে বিনা দ্বিধায় গুলি করিয়া মারিতে পারে। কিন্তু তাহাদের পিতামাতা ও শিক্ষকগণ শিক্ষা দিয়া তাহাদিগকে শুধু ইংরেজ ভদ্রলোকে পরিণত করিয়াছেন; অন্যান্য অধিকতর প্রয়োজনীয় শিল্পকাজে তাহারা সম্পূর্ণ অপারগ। আমি বিশ্বাস করি না যে জন্মের সময় তাহারা অন্যান্য শিশু অপেক্ষা অধিকতর মূর্খ ছিল; পরবর্তীকালে তাহাদের চরিত্রের ত্রুটিগুলির জন্য একমাত্র কুশিক্ষাই দায়ী। যদি বাল্যকাল হইতে তাহারা প্রাণী পুষিয়া যত্নের সঙ্গে তাহাদের বৃদ্ধি লক্ষ করিত এবং জীবনের মূল্য উপলব্ধি করিত, যদি তাহারা সৃজন কৌশল আয়ত্ত করিত, যদি তাহারা বুঝিত যে কোনো ভালো জিনিস তৈয়ার করিতে কত যত্ন পরিশ্রম এবং অনুরাগ দরকার কিন্তু নষ্ট করা যায় এক মুহূর্তেই, তবে অন্যের উৎপাদিত বা লালিতপালিত কোনো কিছু অনায়াসে ধ্বংস করিতে উদ্যোগী হইত না। যদি অপত্যস্নেহ জাগ্রত হয় পিতৃত্ব এ বিষয়ে বড় শিক্ষকের কাজ করে। [পিতৃ-হৃদয়ে সন্তানের প্রতি স্নেহ সঞ্চার হইলে তাহা মানুষের মন কোমল এবং অপরের সন্তানের প্রতি মমতাশীল করে। অপত্যস্নেহ মানুষের হৃদয়ের কঠোরতা দূর করিয়া করুণা ও ক্ষমা গুণে তাহাকে মহত্তর করে। কিন্তু ধনীদের মধ্যে কদাচিৎ এইরূপ ঘটে কেননা সন্তানের লালন পালনের ভার তাহারা বেতনভূক পরিচারিকাদের হস্তে ছাড়িয়া দেয়। সন্তানকে নিজেদের স্নেহরসে পুষ্ট করিবার বা সন্তানের প্রতি বাৎসল্য-প্রীতি জাগ্রত করার ও প্রয়োগ করার তাহাদের অবসর কোথায়? কাজেই এইরূপ পরিবারের শিশুরা পিতৃত্বে উপনীত হওয়ার পরও যে ধ্বংসমনোবৃত্তি পরিত্যাগ করিবে সেইরূপ আশা নাই। বাল্যকাল হইতেই জীবনের মূল্যবোধ এবং জীবনের প্রতি দরদ সঞ্চার করিয়া শিশুর মন হইতে নিষ্ঠুরতা দূর করিতে হইবে।

     

     

    যে লেখকের বাড়িতে অশিক্ষিতা পরিচারিকা আছে তিনিই জানেন লেখার পাণ্ডুলিপি দিয়া আগুন জ্বালাইতে ইহারা কেমন উৎসাহী এবং তাহাদিগকে এইকাজ হইতে নিবৃত্ত করা কত কঠিন। এই লেখক যদি অন্য লেখকের প্রতি ঈর্ষাপরায়ণ হন তবু তিনি এইরূপ কাজ করিবেন না, কেননা পাণ্ডুলিপির মূল্য তিনি জানেন। তেমনই যে বালকের নিজের বাগান আছে সে অন্যের ফুলের চারাগুলি মাড়াইবে না, যে বালক কোনো পশুপক্ষি পোষে তাহাকে জীবজন্তুর প্রতি সদয় ব্যবহার করিতে শিখানো যায়। নিজের সন্তানের প্রতি যাহার প্রীতি আছে সাধারণ মানুষের জীবনের প্রতিও তাহার দরদ থাকা স্বাভাবিক। যাহাদিগকে সন্তান লালনপালন করিতে প্রত্যক্ষভাবে ঝামেলা পোহাইতে হয়, তাহাদের মধ্যে অপত্যস্নেহ প্রবল আকারে প্রকাশ পায়; যাহারা এই ঝামেলা এড়াইয়া চলে, তাহাদের অপত্যস্নেহ অসাড় হইয়া পড়ে এবং শুধু সন্তানের প্রতি দায়িত্ববোধে পর্যবসিত হয়। বাল্যাবস্থায় শিশুদের গঠনমূলক আবেগ অথবা সৃজন মনোবৃত্তির বিকাশ সাধিত হইলে তাহারা যখন পিতামাতাতে পরিণত হয় তখন তাহারাও সযত্নে সন্তানকে গড়িয়া তোলার চেস্টা করে। এইজন্যও শিশুর চরিত্রের এই দিকটিকে বিশেষ দৃষ্টি দেওয়া আবশ্যক।

    সৃজন কার্য বলিতে কেবল বস্তুগত কোনো জিনিস তৈয়ার করার কথাই বুঝাইতেছি না। অভিনয় এবং সমবেত-সংগীত ও সহযোগিতামূলক সৃজনকার্য, যদিও দৃশ্যত বস্তুর সাহায্যে কোনো কিছু প্রস্তুত করা হইল না। এইরূপ কাজ অনেক বালক-বালিকার পক্ষে আনন্দদায়ক। এইরূপ প্রীতিপ্রদ সৃজনকার্যে তাহাদিগকে উৎসাহ দেওয়া কর্তব্য কিন্তু জোর-জবরদস্তি করিবার প্রয়োজন নাই। যে-কাজে নিছক বুদ্ধিবৃত্তিই প্রধান সেইখানেও সৃজনাত্মক ও ধ্বংসাত্মক মনোভাব থাকিতে পারে। প্রাচীন সাহিত্য-শিক্ষাকে একরকম দোষাগ্রাহী (Critical] বলা চলে। ছাত্র ভুল না করিতে এবং যাহারা ভুল করে তাহাদিগকে ঘৃণা করিতে শিক্ষা করে। ইহার ফলে নিজেদের শিক্ষণীয় বিষয়টুকু শুদ্ধভাবে শিখিবার ঝোঁক আসে এবং নূতনত্বের পরিবর্তে প্রাচীনের প্রতি শ্রদ্ধার ভাব বৃদ্ধি পায়। বিশুদ্ধ ল্যাটিন ভাষা একেবারেই স্থির হইয়া গিয়াছে–ভার্জিল এবং সিসরোর সাহিত্যই ইহার নিদর্শন; কিন্তু বিজ্ঞানের উন্নতি চিরদিনের মতো স্থির ও রুদ্ধ হইয়া যায় নাই। ইহা প্রতিনিয়তই আগাইয়া চলিয়াছে। যে কোনো সমর্থ যুবক ইহার অগ্রগতিতে সাহায্য করিতে পারে। কাজেই বিজ্ঞান শিক্ষার ব্যাপারে যে মনোভাব গড়িয়া ওঠে তাহা মৃত ভাষা শিক্ষার ফলে উদ্ভূত মনোভাব হইতে বেশি গঠনমূলক। কেবল ভুল না করাই যেখানে শিক্ষার প্রধান কাম্য-লক্ষ্য সেখানে শিক্ষার মধ্যে সজীবতা থাকে না। সকল সুস্থ সবল কিশোর-কিশোরীকে নূতন উদ্যম প্রয়োগ করিয়া নূতন কিছু করিতে অনুপ্রাণিত করা উচিত; শুধু ভুল বাঁচাইয়া কোনরকমে গতানুগতিক পন্থায় চলার মধ্যে প্রাণের গতিবেগ ও নবসৃষ্টির উন্মাদনা নাই। প্রায় মনে করা হয় যে, উচ্চশিক্ষা মানুষকে ভদ্র আচরণ শিখায় মাত্র; যাহাতে সে। ব্যাকরণগত কোনো গুরুতর ভুল না করে সে সম্বন্ধে নেতিবাচক শিক্ষা দেয় মাত্র। এইরূপ শিক্ষায় গঠনকার্য বা সৃজন-প্রচেষ্টা উপেক্ষিত হইয়াছে। ইহার ফলে সৃষ্ট হয় সংকীর্ণচেতা, কর্মপ্রচেষ্টাবিমুখ এবং অনুদার লোক। কোনো কিছু গঠন করা এবং সৃষ্টি করাকেই যদি শিক্ষার উদ্দেশ্য বলিয়া মনে করা হয় তবে এইরূপ কুফলের হাত হইতে অব্যাহতি পাওয়া যাইতে পারে।

     

     

    শিক্ষার শেষ কয়েক বৎসরে সামাজিক গঠনের জন্য বিশেষ অনুপ্রেরণা দিতে হইবে। অর্থাৎ সমাজের বর্তমান শক্তিগুলিকে [Forces] অধিকতর ফলপ্রদভাবে প্রয়োগ করিতে কিংবা নূতন শক্তি সৃষ্টি করিতে বুদ্ধিমান যুবকদিগকে উৎসাহ দিতে হইবে। লোক প্লেটোর রিপাবলিক [Republic] পুস্তক পাঠ করে কিন্তু তাহারা বর্তমান রাজনীতিতে কোথাও তাহার নীতি প্রয়োগ করে না। আমি যখন বলিয়াছিলাম যে প্লেটোর রিপাবলিকের যাহা আদর্শ প্রায় ঠিক সেই আদর্শ ছিল ১৯২০ সনে রুশ রাষ্ট্রের, তখন প্লেটোর সমর্থকগণ কিংবা বলশেভিকগণ কোন দল যে বেশি বিস্মিত হইয়াছিল তাহা বলা শক্ত। লোকে যখন প্রাচীন সাহিত্য পাঠ করে তখন চিন্তা করিয়া দেখে না তখনকার অবস্থা রাম, শ্যাম, যদুর জীবনে কতখানি প্রযোজ্য কোনো লেখক যখন রামরাজ্যের চিত্র পাঠকের সম্মুখে তুলিয়া ধরে তখন সে বিস্মিত ও হতবুদ্ধি হইয়া পড়ে; কেননা বর্তমান সমাজ-ব্যবস্থা হইতে রামরাজ্যে উপনীত হইবার কোনো পথের হদিশ সেরূপ পুস্তকে থাকে না। সমাজ ব্যবস্থা উন্নতির জন্য কি পন্থা অবলম্বন করা দরকার তাহা বিচারবুদ্ধির দ্বারা নির্ণয় করাই প্রকৃত বুদ্ধিমত্তার পরিচায়ক। ঊনবিংশ শতাব্দীর ইংরেজ উদারনীতিকদের এই গুণ ছিল, যদিও তাঁহাদের কাজের শেষ পরিণতি দেখিলে তাহারা স্তম্ভিতই হইতেন।

     

     

    .

    সমাজ-ব্যবস্থা সম্বন্ধে ধারণা

    ছাঁচ :

    মানুষ যখন কিছু গঠন করিতে বা পুরাতনের সংস্কার সাধন করিতে চায় তখন তাহার কাম্য বিষয়ের যে আকৃতি বা রূপ তাহার মনের পটে স্পষ্টভাবে অঙ্কিত থাকে তাহা অনেক সময় অজ্ঞাতসারে তাহার চিন্তাধারাকে প্রভাবিত করে। চিন্তাশীল ব্যক্তিরা যাহা আদর্শ বলিয়া গ্রহণ করেন অনেক দিনের মনন, কল্পনা, অনুরাগ, যুক্তি ও অনুভূতির রঙে রঞ্জিত হওয়ায় তাহা তাঁহাদের মনে স্পষ্ট আকার লাভ করে। তাহারে মনে যে আদর্শ বিশেষ করিয়া আকার গ্রহণ করিয়াছে। পরিকল্পনার সাহায্যে তাহারই বাস্তবরূপ তাহারা সমাজে গড়িয়া তুলিতে চান। সমাজ-ব্যবস্থা গঠনের প্রণালী অনেকভাবে চিন্তা করা যায় এবং সাধারণত ইহাকে তুলনা করা যায় ছাঁচ যন্ত্র এবং গাছের সঙ্গে। ছাঁচে ঢালা সমাজ-ব্যবস্থা বলিতে এমন সমাজ বোঝায় যেখানে কঠোর সামাজিক নিয়মকানুন অচলায়তনের মতো দেশের বুকে চাপিয়া আছে, যেমন ছিল প্রাচীন স্পার্টায় এবং চীনদেশে, যেখানে সমাজবিধি এবং সংস্কারের ছাঁচে ঢালিয়া সকল মানুষকে একই মানসিক আকার দিবার চেষ্টা করা হইত। কঠোর নৈতিক ও সামাজিক রাজনীতির মধ্যে এই ধারণা কিছুটা বিদ্যমান রহিয়াছে। এইরূপ ছাঁচে ঢালা সমাজ-ব্যবস্থা যাহার আদর্শ, তাহার রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি হয় শক্ত, অনমিত, কঠোর এবং অত্যাচারী।

     

     

    যন্ত্র :

    যে ব্যক্তি সমাজকে একটি যন্ত্র বলিয়া মনে করে তাহাকে অনেকটা আধুনিক বলা চলে। শিল্পপতি এবং কমিউনিস্ট এই শ্রেণিতে পড়ে। তাহাদের নিকট মানব স্বভাব নীরস এবং আকর্ষণবিহীন; মানবজীবনের উদ্দেশ্যও অতি সরল বলিয়া বোধ হয়। তাহারা মনে করে দ্রব্যের উৎপাদন বৃদ্ধিই মানুষের একমাত্র কাম্য। এই সহজ উদ্দেশ্য সিদ্ধ করাই তাহাদের সমাজ সংগঠনের লক্ষ্য। কিন্তু অসুবিধা হইল এই যে, সংগঠকগণ যাহা সাধারণ মানুষের বাঞ্ছনীয় বলিয়া মনে করেন লোকে তাহা অপেক্ষা অনেক বেশি জিনিস পাওয়ার কামনা করে। সংগঠকগণ পরিকল্পনা করিয়া নির্ধারণ করেন। কি কি জিনিস পাইলেই মানুষের সন্তুষ্ট থাকা উচিত; তাহাদের পরিকল্পনা মতো দ্রব্যের উৎপাদন বাড়াইয়া লোকের অভাব পূরণ করা এবং সকলকে সুখি করাই ইহাদের উদ্দেশ্য কিন্তু মানুষের বাসনার অন্ত নাই। নূতন সমাজ সংগঠকের তালিকাভুক্ত জিনিস পাইয়া লোকে সন্তুষ্ট হয় না। ইহার ফলে সংগঠককে বাধ্য হইয়া এমন ছাঁচে ঢালা সমাজ গড়িতে চেষ্টা করিতে হয় যেখানে সকলেই তাঁহার আদর্শকে মানিয়া লইয়া তিনি যাহা ভালো মনে করেন তাহাই সানন্দে গ্রহণ করিবে। এই প্রচেষ্টাকে বলা যায় সোজা খাপে বাঁকা তলোয়ার ভরার কসরৎ। ইহা জনগণের মধ্যে অসন্তোষ বৃদ্ধি করে এবং অবশেষে সামাজিক ও রাজনৈতিক বিপ্লব সৃষ্টি করে।

     

     

    বৃক্ষ :

    সমাজ-ব্যবস্থাকে যিনি একটি বৃক্ষের মতো মনে করেন তাঁহার রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিতে অন্যের সঙ্গে পার্থক্য থাকে। একটি খারাপ যন্ত্র ভাঙিয়া ফেলিয়া তাহার পরিবর্তে নূতন যন্ত্র স্থাপন করা যায়। কিন্তু একটি গাছ কাটিয়া ফেলিলে সেইরূপ আকার ও শক্তিসম্পন্ন একটি নূতন গাছ জন্মিতে অনেক সময় লাগিবে; যন্ত্র বা ছাঁচ নির্মাতার ইচ্ছামতো তৈয়ার করা যায় কিন্তু বৃক্ষের নিজস্ব স্বভাব আছে। যত্ন পরিচর্যায় সেই নির্দিষ্ট স্বভাবই বিকশিত হইয়া ওঠে। যে-জাতীয় গাছ তাহার বৈশিষ্ট্যগুলি প্রকাশ পায়, চেষ্টা করিয়া ইহাদের বৃদ্ধি কম বেশি করা যায় এইমাত্র; এক জাতীয় গাছকে অন্য জাতীয় গাছে পরিণত করা যায় না। জীবন্ত জিনিস গড়িয়া তোলা আর যন্ত্র তৈয়ার করার মধ্যে অনেক পার্থক্য আছে। জীবন্ত জিনিস গড়িতে কৌশলের প্রয়োজন বেশি নয়; ইহার জন্য এক প্রকার সহানুভূতির প্রয়োজন। এইজন্য শিশুদিগকে গঠন-কার্য শিক্ষা দিবার সময় কেবল ইট, কাঠ ও যন্ত্রের উপর তাহাদের গঠন-ক্ষমতা প্রয়োগ করিতে শিখাইলেই চলিবে না, তাজা গাছ, পোষা পশু-পক্ষীর প্রতি যত্ন ও সমবেদনার মনোভাবও গড়িয়া তুলিতে হইবে। নিউটনের সময় হইতে জড়বিজ্ঞান মানুষের মন অধিকার করিয়াছিল, শিল্প বিপ্লবের সময় হইতে ইহার বাস্তব প্রয়োগ চলিতেছে। যন্ত্রশিল্পের উন্নতি ও প্রসারের সঙ্গে সঙ্গে সমাজের প্রতিও যন্ত্রসুলভ মনোভাব ক্রমে বৃদ্ধি পাইয়াছে। জীবের ক্রমবিবর্তনবাদ কতকগুলি নূতন ভাবধারার প্রবর্তন করিয়াছিল কিন্তু প্রাকৃতিক নির্বাচনের ফলে এইগুলি কতকটা ম্লান হইয়া পড়ে; সুপ্রজনন, জন্মনিয়ন্ত্রণ এবং শিক্ষা দ্বারা ইহার বিলোপ সাধন করা আমাদের উদ্দেশ্য হওয়া উচিত। সমাজকে বৃক্ষরূপে কল্পনা করা ছাঁচ কিংবা যন্ত্ররূপে কল্পনা করার চেয়ে ভালো কিন্তু ইহাও দোষমুক্ত নয়। মনোবিজ্ঞানের সাহায্যে লইয়া এই দোষ-ক্রটি দূর করিতে হইবে।

     

     

    মনোবিজ্ঞানমূলক সংগঠন :

    মনোবিজ্ঞানমূলক গঠন (Psychological Constructiveness] নূতন এবং সম্পূর্ণ অভিনব ধরনের। এ পর্যন্ত ইহার বৈশিষ্ট্য এবং উপকারিতা লোকে উপলব্ধি করিতে পারে নাই। শিক্ষাপ্রণালী, রাজনীতি ও সকল মানবীয় ব্যাপারে ইহার একান্ত প্রয়োজন এবং নাগরিক যাহাতে মিথ্যা সাদৃশ্য দেখিয়া বিভ্রান্ত না হয় সেইজন্য তাহাদের কল্পনাক্ষেত্রে ইহাকে একটি বিশেষ স্থান দিতে হইবে। কতক লোক মানুষের ব্যাপারে কোনও কিছু গঠন করিতে ভয় পান; তাহাদের আশঙ্কা আছে তাহাদের মানুষকে প্রাণহীন যন্ত্রে পরিণত করিয়া ফেলেন; মানুষের স্বভাবের উপরই তাঁহারা নির্ভর করেন।

    অতএব অরাজকতা এবং তাহার ফলে মানুষের পুনরায় পশুত্বে প্রত্যাবর্তন [Back to nature] ইহার উপরই তাঁহাদের বিশ্বাস। মনোবিজ্ঞানমূলক গঠন ও যন্ত্রের গঠনের মধ্যে কি পার্থক্য তাহা এই পুস্তকে স্কুল উদাহরণ সাহায্যে দেখাইতে চেষ্টা করিতেছি। উচ্চশিক্ষায় এইভাবের কল্পনা-উদ্রেককারী দিকটার সহিত বিদ্যার্থীর পরিচয় ঘটাইতে হইবে। এইরূপ করিতে পারিলে আমার বিশ্বাস এই যে, আমাদের রাজনীতি আর এমন তীব্র ও ধ্বংসমুখি থাকিবে না; ইহার পরিবর্তে রাজনীতি হইবে নমনীয় এবং বিজ্ঞানসম্মত, আর উৎকৃষ্ট নরনারী প্রস্তুত করাই হইবে ইহার উদ্দেশ্য।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবিবাহ ও নৈতিকতা – বার্ট্রান্ড রাসেল
    Next Article শক্তি – বার্ট্রান্ড রাসেল

    Related Articles

    বার্ট্রান্ড রাসেল

    কেন আমি ধর্মবিশ্বাসী নই – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    সুখের সন্ধানে – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    অপেক্ষবাদের অ, আ, ক, খ – বারট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    কর্তৃত্ব ও ব্যক্তিসত্তা – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    ধর্ম ও বিজ্ঞান – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    দর্শনের সমস্যাবলি – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }