Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    শিক্ষা প্রসঙ্গ – বার্ট্রান্ড রাসেল

    বার্ট্রান্ড রাসেল এক পাতা গল্প311 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৭. স্বার্থপরতা ও সম্পত্তি

    সপ্তম অধ্যায় — স্বার্থপরতা ও সম্পত্তি

    পূর্ববর্তী এক অধ্যায়ে ভয় সম্বন্ধে আলোচনা করা হইয়াছে, বর্তমান অধ্যায়ের আলোচ্য বিষয়টিও ভয়ের মতোই প্রবল আবেগসঞ্জাত, আংশিকভাবে প্রবৃত্তি হইতে উৎপন্ন এবং বিশেষভাবে অবাঞ্ছনীয়। এই রকম ক্ষেত্রে শিশুর স্বভাবকে হঠাৎ বাধা দিয়া সংশোধনের চেষ্টা বা তাহাকে মনোমতোভাবে চালাইবার চেষ্টা করা কখনই উচিত হইবে না। শিশুর স্বভাব এবং প্রকৃতি সম্বন্ধে উদাসীন থাকায় কোনো লাভ নাই কিংবা শিশুর প্রকৃতি যদি অনুরূপ হইত তবে ভালো হইত মনে মনে কেবল এরূপ আশা করিয়াও কোনো উপকার হইবে না। শিশুকে তাহার স্বভাব ও প্রকৃতিজাত আবেগসহ কাঁচামালরূপে [Raw material] গ্রহণ করিতে হইবে। তারপর উপযুক্ত শিক্ষার ভিতর দিয়া এমনভাবে তাহার প্রবৃত্তিগুলির বিকাশ ঘটাইতে হইবে যাহাতে বাঞ্ছনীয় আচরণগুলি তাহার জীবনে অভ্যস্ত হইয়া যায়।

    স্বার্থপরতা : যতই বিশ্লেষণ করা যায় ততই ইহা অস্পষ্ট হইতে থাকে। কিন্তু শৈশবে শিশুর জীবনে ইহা সুস্পষ্ট আকারে প্রকাশ পায়; এবং ইহার ফলে যে সমস্যার উদ্ভব হয় তাহার সমাধান একান্ত আবশ্যক। কোনোরূপ শিক্ষা না দিলে একজন শিশু তাহার অপেক্ষা কম বয়সীর খেলনা কাড়িয়া লইবে, নিজের ভাগ অপেক্ষা বেশি দাবি করিবে এবং তাহার কমবয়সী নিরাশ হউক আর নাই হউক সেদিকে কোনো ভ্রূক্ষেপ না করিয়া নিজের বাসনা পূর্ণ করিতেই চেষ্টা করিবে। বাহিরের চাপে যদি নিয়ন্ত্রিত ও সংযত না হয় তবে গ্যাসের মতো মানুষের সাহসিকতাও ক্রমেই বিস্তার লাভ করে। এ ব্যাপারে শিক্ষার উদ্দেশ্য হইল মানুষের ক্রমবর্ধমান স্বার্থপরতাকে সংযত করিবার জন্য বাহিরের চাপ প্রয়োগ করা; এ চাপ শিশুকে কিল, চড় বা অন্য শাস্তিদান নয়, শিশুর মনে সহানুভূতি, ভাল ভাব ও সদভ্যাস গড়িয়া তোলা। শিশুর মনে ন্যায় বিচারের ভাবটি দৃঢ় করিতে হইবে, আত্মত্যাগের ভাব নয়। সংসারে প্রত্যেক লোকেরই কিছু স্থানের উপর অধিকার আছে; সে যদি তাহার নিজের প্রাপ্য অধিকারের জন্য দণ্ডায়মান হয় তবে তাহাকে দোষ দেওয়া উচিত নয়। যখন স্বার্থত্যাগ শিক্ষা দেওয়া হয় তখন হয়তো (শিক্ষাদাতার) উপদেষ্টার মনে এই ধারণা বিদ্যমান থাকে যে, ইহা পুরাপুরি মাত্রায় অনুসরণ করা হইবে না; কাজেই বাস্তব ফল প্রায় ঠিকই হইবে অর্থাৎ ন্যায়সঙ্গতভাবে যেটুকু তাহার প্রাপ্য তাহার দাবি সে ছাড়িবে না। কিন্তু কার্যত লোকে এরূপ উপদেশ গ্রহণ করিতে পারে না কিংবা নিজেদের জন্য ন্যায়বিচার দাবি করিতেও মনে মনে পাপ ও সঙ্কোচ বোধ করে, আর না হয় হাস্যকরভাবে আত্মত্যাগের চরম নিদর্শন দেখায়। যদি কেহ নিজের ন্যায়সঙ্গত অধিকার পর্যন্ত ত্যাগ করে তবে যাহার জন্য ত্যাগ করা হইল ত্যাগীর মনে তাহার প্রতি ক্ষীণ আক্রোশ লুক্কায়িত থাকে; স্বার্থপরতা কৃতজ্ঞতা লাভের বাসনার ছদ্মবেশে তাহাদের মনে মনের পিছন-দরজা দিয়া প্রবেশ করে। যাহাই হোক আত্মত্যাগ সত্য নীতি বলিয়া গৃহীত হইতে পারে না, কেননা ইহাকে সর্বজনীন করা সম্ভবপর নয়। যাহা সত্য নয় তাহাকে গুণের উপায় হিসাবে শিক্ষা দেওয়া কখনোই সমীচীন নয়, কারণ মিথ্যা ধরা পড়িলেই গুণও কর্পূরের মতো উবিয়া যায়। পক্ষান্তের ন্যায়বিচার সকলের পক্ষে সমানভাবে প্রযোজ্য; ইহা সর্বজনীন। কাজেই শিশুর অভ্যাসে ও চিন্তায় আমাদিগকে ন্যায়ের ধারণা অনুপ্রবেশ করাইতে হইবে।

     

     

    ন্যায়বিচার শিখানো : সঙ্গিনীর শিশুকে ন্যায়বিচার শিখানো অসম্ভব না হইলেও কঠিন। বয়স্ক ব্যক্তির অধিকার ও বাসনা এবং শিশুর আশা-আকাঙ্ক্ষার মধ্যে এত বেশি পার্থক্য যে, এগুলি শিশুর মনে কোনো সাড়া জাগায় না। একই প্রকার আনন্দলাভের জন্য উভয়ের মধ্যে কোনোরূপ সাক্ষাৎ প্রতিযোগিতাও নাই; অধিকন্তু বয়স্ক লোকেরা জোর করিয়া অন্যকে দিয়া তাহাদের দাবি পূরণ করাইতে পারে, কাজেই তাহাদের বিচারক তাহারা নিজেরাই। তাহাদের স্বার্থের সঙ্গে শিশুর স্বার্থের দ্বন্দ্ব রাখিলে শিশুরা নিরপেক্ষ লোকের নিকট হইতে ন্যায়বিচার পাইল বলিয়া ধারণা করিতে পারে না। বয়স্ক লোকেরা শিশুদের আচরণ সম্বন্ধে উপদেশ দিতে পারে, যেমন মা যখন কিছু গুনিতেছেন তখন মাঝখানে বাধা দিয়ো না, বাবা, যখন কাজ করেন তখন চিৎকার করো না, যখন বাড়িতে আগন্তুক আসে তখন কিছুর জন্য বায়না ধরো না ইত্যাদি। শিশুরা যদি অন্য সময় সদয় ব্যবহার পায় তবে উপদেশ মানিয়া লইয়া সংযত আচরণ করে কিন্তু ইহার যুক্তিযুক্ততা তাহারা বুঝিতে পারে না। শিশুদিগকে এরূপ নিয়ম মানিতে বাধ্য করা উচিত, কেননা তাহাদিগকে যথেচ্ছাচারী হইতে দেওয়া সঙ্গত। ইহা ছাড়া তাহাদিগকে ইহাও বুঝিতে হইবে যে অন্যলোকের কাছে তাহাদের কাজের যথেষ্ট গুরুত্ব আছে। কিন্তু এরূপ শিক্ষার ফলে শিশুদের নিকট হইতে বাহিরে-দেখানো ভদ্র আচরণ ছাড়া আর কিছু আশা করা যাইবে না; যখন শিশুর সমবয়সী অন্য বালক-বালিকা থাকে কেবল তখনই তাহার মনে ন্যায়বিচার সম্বন্ধে যথার্থ ধারণা জন্মানো যায়। শিশুকে বহুদিন একাকী সাথীবিহীন অবস্থায় না রাখার পক্ষে ইহা একটি যুক্তি বটে। যে দম্পত্তির একটিমাত্র সন্তান তাহাদিগকে মাঝে মাঝে শিশুর জন্য সঙ্গীর ব্যবস্থা করিতে হইবে। ইহার জন্য শিশুকে সাময়িকভাবে কাছছাড়া করিতে হইলে তাহা করা উচিত। নিঃসঙ্গ শিশুর বাসনাগুলি বয়স্ক ব্যক্তির হাতে নিগৃহীত, দমিত হয়, অথবা সে স্বার্থপর হইয়া বাড়িয়া উঠে।

     

     

    কোনো পরিবারের একমাত্র শিশু যদি দ্র আচরণে অভ্যস্ত হয় তবে সে হয় অনুকম্পার পাত্র, আর যদি অভদ্র ব্যবহার শেখে তবে হয় বিরক্তিজনক। সমবয়সীদের সঙ্গলাভে বঞ্চিত হইলে শিশুর মনের অনেকগুলি গুণ পরিপূর্ণভাবে বিকাশের সুযোগ পায় না। সঙ্গীবিহীন শিশু সর্বদা বয়স্ক ব্যক্তিদের সঙ্গে থাকিলে তাঁহাদের উপদেশ পালন করিতে শেখে বটে কিন্তু সেইরূপ জোর করিয়া চাপানো আচরণ তাহার কাছে প্রীতিপ্রদ হইতে পারে না। নিরূপায় হইয়া সে প্রাণহীনভাবে কতকগুলি বাঁধাধরা ভদ্র আচরণ পালন করে। তাই সে কৃপার পাত্র। পক্ষান্তরে পিতামাতার অতিরিক্ত আদর যত্ন লাভ করিয়া শিশু যদি আত্মসর্বস্ব, স্বার্থপর, আবদারের হইয়া ওঠে তবে তাহার আচরণ অন্যের বিরক্তি উৎপাদন করে।

    বর্তমানে ছোট পরিবারের সংখ্যাই বেশি; এজন্য অনেক পরিবারে শিশুর শিক্ষায় এই দিকটি সমস্যা সৃষ্টি করে। নার্সারি স্কুল এরূপ ক্ষেত্রে উপকারে আসে। সেখানে সমবয়সী শিশুদের পরস্পর মিলিয়া খেলা করিবার সুযোগ শিশুর জীবন গঠনে বিশেষ কাজে লাগে। এ সম্বন্ধে পরে বিস্তারিত আলোচনা করা হইবে। বর্তমানে শিশুর স্বার্থপরতা কিভাবে দূর করা যায় তাহা আলোচনা করিবার সময় ধরিয়া লওয়া হইতেছে যে, পরিবারের অন্তত দুইটি প্রায় সমবয়সী শিশু আছে; তাহাদের বয়সের পার্থক্য খুব বেশি না হওয়ায় তাহাদের রুচিও প্রায় একইরূপ হইবে।

     

     

    যেখানে খেলনা আছে মাত্র একটি অথবা খেলার আনন্দ একেবারে মাত্র একজন করিয়া উপভোগ করিতে পারে; যেমন ঘোট ঠেলাগাড়িতে চড়া, সেখানের শিশু সহজেই ন্যায়বিচার বুঝিতে পারে। অবশ্য প্রথমে সে অন্যকে বাদ দিয়া নিজেই সবটা আনন্দভোগ করিতে চায় কিন্তু বয়স্ক ব্যক্তিরা যখন নিয়ম করিয়া দেন একজনের পর আর একজন পরপর সকলেই আনন্দ ভোগ করিবে, তখন শিশু তৎক্ষণাৎ রাজি হয়। ন্যায়বিচার বোধ যে শিশুর সহজাত তাহা মনে করিবার কোনো কারণ নাই। তবে কত শীঘ্র এ বোধ সৃষ্টি করা যায় তাহা দেখিয়া বিস্মিত হইতে হয়। বিচার অবশ্য প্রকৃতই ন্যায় বিচার হওয়া চাই, কোনো একজনের প্রতি পক্ষপাতিত্ব থাকিলে চলিবে না। আপনি যদি কোনো শিশুকে অপরের অপেক্ষা বেশি ভালোবাসেন, লক্ষ্য রাখিবেন তাহাদিগকে আনন্দ দিবার সময় আপনার আচরণে যেন পক্ষপাতিত্ব প্রকাশ না পায়। এটা সর্বসম্মত নীতি যে একই বাড়ির শিশুদের খেলনা সমান হওয়ার দরকার।

    ন্যায় বিচার ও নীতি উপদেশ : শিশু যখন ন্যায় বিচার দাবি করে তখন শুধু নীতি উপদেশে ভুলাইয়া রাখিলে কোনো ফল হইবে না। ন্যায়সঙ্গতভাবে যেটুকু তাহার প্রাপ্য তাহার তুলনায় বেশি দিবেন না কিন্তু ইহাও আশা করিবেন না যে, সে কিছু কম লইয়াই সন্তুষ্ট থাকুক। The Fair Child Family পুস্তকে অন্তরের গুপ্ত পাপ [The Secret Sins of the Heart] শীর্ষক একটি অধ্যায় আছে, যে যে প্রণালী বর্জন করা উচিত এখানে তাহার উল্লেখ আছে। লুসি জানে সে ভাল মেয়ে কিন্তু তাহার মা তাহাকে বলেন যে, তাহার আচরণ দৃশ্যত ভাল হইলেও তাহার চিন্তাগুলি খারাপ। তিনি বাইবেল হইতে উদ্ধৃত করিয়া বলেনঃ হৃদয় সবচেয়ে বেশি প্রবঞ্চনাপূর্ণ এবং ভীষণ পাপে ভরা শ্ৰীমতী Fairchild তাঁহার মেয়ে লুসিকে একখানি ছোট খাতা দিলেন, তাহার বাইরের আচরণ যখন ভালো, তখন হৃদয়ে যে পাপ উঁকিঝুঁকি মারে তাই এই খাতায় লিখিয়া রাখিতে হইবে। একদিন প্রাতভোজনের সময় লুসির পিতামাতা তাহার বোনকে একটি ফিতা এবং তাহার ছোট ভাইকে চেরি ফুল দিলেন কিন্তু তাহাকে কিছুই দেওয়া হইল না। এই বিষয়ে লুসি তাহার খাতায় লিখিয়া রাখিল আমার মা-বাবা আমার অপেক্ষা ছোট ভাইবোনকে বেশি ভালোবাসে এই পাপচিন্তা আমার মনে উদয় হইয়াছিল। তাহাকে শিখানো হইয়াছিল এবং সে বিশ্বাসও করিত যে, নৈতিক-মানসিক শাসন দ্বারা এই পাপচিন্তা দূর করিতে হইবে। কিন্তু এইরূপ করিলে মনের স্বাভাবিক বাসনাকে শুধু দাবাইয়া রাখা হইবে এবং পরবর্তিকালে এই নিগৃহীত বাসনাই নূতন ও বিকৃত আকারে আত্মপ্রকাশ করিবে। এ ব্যাপারে প্রকৃত পন্থা ছিল–লুসির পক্ষে তাহার মনের কথা প্রকাশ করা এবং তাহার পিতা-মাতার পক্ষে উচিত ছিল লুসিকে কোনো উপহার দিয়া অথবা তখন দিবার মতো অন্য কোনো কিছু না থাকায় দেওয়া গেল না, পরে তাহাকেও দেওয়া হইবে ইহা বুঝাইয়া তাহার পিতামাতার ন্যায় বিচার ও পক্ষপাতিত্ব সম্পর্কে যে সন্দেহ জাগিয়াছিল তাহা নিরসন করা। সত্য কথা খোলাখুলিভাবে প্রকাশ করিলে তাহা সন্দেহ দূর করে কিন্তু শুষ্ক নৈতিক উপদেশ দিয়া ও শাসন করিয়া ইহা দমন করিতে গেলে ইহাকে শুধু বাড়াইয়া দেওয়া হয়। সম্পত্তি বোধ :

     

     

    ন্যায় বিচারের সহিত আরও একটি বিষয়ের নিবিড় সম্বন্ধ আছে; ইহা হইল সম্পত্তি বোধ অর্থাৎ কোনো জিনিস নিজের অধিকারে রাখিবার আত্মপ্রসাদ। এই মনোভাবটির ভালো এবং মন্দ উভয় দিকই আছে। কাজেই ইহাকে অতিরিক্ত উৎসাহ দিলে যেমন ক্ষতিকর হইতে পারে, শাসন দ্বারা দাবাইয়া রাখিলেও তেমনি শিশুর সুস্থ আত্মবিকাশে বিঘ্ন সৃষ্টি করিতে পারে। এ সম্পর্কে শিশুর সঙ্গে কিরূপ আচরণ করিতে হইবে তাহার বাধা-ধরা নিয়ম ঠিক করিয়া দেওয়া যায় না। শিশুর প্রকৃতি এবং পারিপার্শ্বিক অবস্থা বুঝিয়া কিরূপ আচরণ করা সঙ্গত তাহা নির্ণয় করিতে হইবে। তবে এরূপ ক্ষেত্রে মধ্যপন্থা গ্রহণ করাই যুক্তিযুক্ত।

    শিশুর সম্পত্তি-প্রীতি যদি খুব বেশি হয় তবে পরবর্তী জীবনে ইহা হইতে অনেক দুর্বিপাকের সৃষ্টি হইতে পারে; পৃথিবীতে যত অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক নিষ্ঠুরতা অনুষ্ঠিত হয়, যত মতবাদ, কলহ ও দ্বন্দ্ব মানবসমাজকে আলোড়িত করে তাহার অন্যতম কারণ মূল্যবান সম্পত্তি হারানোর ভয়। কাজেই যতদূর সম্ভব নরনারী যাহাতে ব্যক্তিগত সম্পত্তির উপর ভীতি না করিয়া সুখি হইতে পারে এইরূপ মনোভাব গড়িয়া তোলাই বাঞ্ছনীয়, অর্থাৎ কেবল নিজেদের সম্পত্তির রক্ষামূলক কাজে লিপ্ত না থাকিয়া তাহারা যাহাতে সৃজনাত্মক কাজে আনন্দ পাইতে পারে এইরূপ শিক্ষা দেওয়া প্রয়োজন। এইজন্য শিশুদের সম্পত্তির অধিকার-বোধ উগ্রভাবে বাড়িতে না দেওয়া ভাল। তবে এই সম্বন্ধে মনে রাখিতে হইবে যে, কোনো জিনিসের অধিকার পাইবার বাসনা শিশুর জীবনে অত্যন্ত প্রবল থাকে। শিশু যখন দৃষ্ট জিনিস ধরিতে পারে, যখন তাহার হস্ত ও চক্ষুর মধ্যে সামঞ্জস্য সাধিত হয় তখন হইতেই এই অধিকার লাভের বাসনা বৃদ্ধি পাইতে থাকে। যাহা সে হস্তে চাপিয়া ধরে তাহাই সে নিজের মনে করে এবং কাড়িয়া লইলে রাগান্বিত হয়। শিশুর যদি খেলনা না থাকে তবে সে ভাঙা কাঠি, ইটের টুকরা এবং এইটা সেইটা কুড়াইয়া আনিলে নিজের সম্পত্তি বলিয়া জমাইয়া রাখিবে। জিনিস থাকিলে শিশু তাহার যত্ন লইতে শেখে এবং ধ্বংস করা মনোবৃত্তি কমিয়া যায়। শিশু নিজে যাহা নিজের জন্য তৈয়ার করিয়া লয় তপ্রতি তাহার মমতা ও গর্ববোধ খুব বেশি। সম্পত্তির উপর অধিকার-বোধ জন্মিতে না দিলে শিশুর গঠন করার আবেগ আহত করা হয়।

     

     

    পূর্বে বলা হইয়াছে যে শিশুর সম্পত্তির উপর অধিকার-বোধের অপকারিতা আছে, উপকারিতাও আছে। ইহাকে উৎসাহ দিয়া বৃদ্ধি করা যেমন ক্ষতিকর, দমন করাও তেমনি অপকারী। কি উপায়ে মধ্যপন্থা অবলম্বন করিয়া শিশুর সহিত আচরণ করা উচিত তাহা আলোচনা করা যাক।

    খেলার মধ্যে কতক হইবে শিশুর ব্যক্তিগত সম্পত্তি, কতক হইবে সকলের সাধারণ সম্পত্তি। উদাহরণস্বরূপ বলা যায় দোলনা, ঘোড়া সর্বদাই সাধারণ সম্পত্তি হইবে। ইহা হইতে একটি নীতি ঠিক করা যায় : যেখানে খেলনাটি ব্যবহার করিয়া সকলে আনন্দ পায় কিন্তু ব্যবহার করিতে হয় একে একে একজনের পর আর একজন পালা করিয়া সেখানে ইহা যদি বেশ বড় এবং দামি হয় তবে ইহাকে সাধারণ সম্পত্তি বলিয়া গণ্য করা সঙ্গত। পক্ষান্তরে শিশুদের বয়সের কমবেশি হওয়ায় যদি কোনো খেলনা সকলের পক্ষে সমান আকর্ষণীয় না হয় তবে ইহা যাহাকে সবচেয়ে আনন্দ দেয় তাহার ব্যক্তিগত সম্পত্তি হইতে পারে। যদি কোনো খেলনা নাড়াচাড়া করিতে যত্নের প্রয়োজন হয় যাহা কেবল একটু বয়স্ক শিশুরাই করিতে পারে তবে ছোটদের হাতে দিয়া তাহা নষ্ট করিয়া ফেলা উচিত নয়। ছোট শিশুকে বরং তাহার বয়সের উপযোগী পুতুল বা খেলনা দিয়া তাহার অভাব পূরণ করা চলে। দুই বৎসর বয়সের পর শিশু যদি নিজের দোষে পুতুল ভাঙিয়া ফেলে তবে সঙ্গে সঙ্গে আবার নূতন খেলনা দিবেন না; খেলনার অভাব তাহাকে কিছুদিন বুঝিতে দিতে হইবে। শিশু যাহাতে তাহার খেলনা অন্য ছেলেকে খেলিতে দিতে সর্বদা অসম্মত না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখিবেন। শিশুর যদি বেশি খেলনা থাকে তবে সে যেইগুলি ব্যবহার করে না, সেইগুলি অন্য শিশুর খেলার জন্য দিতে তাহাকে আপত্তি করিতে দিবেন না। তবে যে খেলনা অন্য শিশু হয়তো ভাঙিয়া ফেলিতে পারে কিংবা যে খেলনা দিয়া ইহার মালিক নূতন কিছু তৈয়ার করিয়াছে তাহা অন্যের হাতে না দেওয়াই বাঞ্ছনীয়; যতদিন না সে তাহার সৃষ্টির কথা ভুলিয়া না যায় ততদিন তাহার পরিশ্রমের পুরস্কারস্বরূপ ইহা রাখা উচিত। এই ব্যতিক্রমটুকু মনে রাখিয়া শিশুর খেলার সরঞ্জাম দিয়া অন্য শিশুকে খেলিতে দিতে হইবে। শিশু হয়তো অনেক সময় স্বেচ্ছায় এইরূপ ভদ্র আচরণ করিবে না। সে ক্ষেত্রে কঠোর হওয়াই উচিত। শিশুর কোনো জিনিস অন্য কেহ হাতে লইলেই যে তৎক্ষণাৎ তাহার হাত হইতে তাহা কাড়িয়া লইবে এরূপ আচরণ কখনই বরদাস্ত করিবেন না। বয়স্ক শিশু যদি অপেক্ষাকৃত ছোট শিশুর প্রতি অসদয় ব্যবহার করে আপনিও তাহার প্রতি দ্রুপ ব্যবহার করুন এবং কেন আপনি ওইরূপ করিলেন তাহা সঙ্গে সঙ্গে তাহাকে বুঝাইয়া দিন। এইরূপ আচরণ দ্বারা শিশুদের মধ্যে কিছুটা প্রীতির ভাব গড়িয়া তোলা যায়, যাহার ফলে তাহাদের পরস্পরের মধ্যে ঝগড়া ও কান্নাকাটি বন্ধ হইতে পারে। সময় সময় কিছুটা কঠোর হওয়ার এবং মৃদু শাস্তিদানের প্রয়োজনও হইতে পারে। কিন্তু কোনোক্রমেই দুর্বলের উপর অত্যাচার করার অভ্যাস গড়িয়া উঠতে দেওয়া সঙ্গত হইবে না।

     

     

    সাধারণ সম্পত্তি : শিশুর নিকট প্রিয় কতকগুলি খেলনা তাহার নিজস্ব সম্পত্তি বলিয়া গণ্য করিতে হইবে, আর যে খেলনাগুলি অন্যকেও ব্যবহার করিতে দেওয়া চলে সেইগুলির সম্বন্ধে এইরূপ নিয়ম করিতে হয় : যে যখন ব্যবহার করিবে সেইগুলির উপর তখনকার জন্য সম্পূর্ণরূপে তাহারই অধিকার থাকিবে। মন্তেসরি খেলার সরঞ্জামগুলি বিদ্যালয়ের সকল শিশুর সাধারণ সম্পত্তি কিন্তু একজন যখন কোনো একটি ব্যবহার করে তখন আর কেহ সেটি দাবি করিয়া তাহার খেলায় বাধা দেয় না। এইরূপ ব্যবস্থার ফলে শিশুর মনে ধারণা জন্মে যে, যতক্ষণ যে কোনো দ্রব্য ব্যবহার করিবে ততক্ষণ সেইগুলির মালিক সে নিজে। কাজই হইল তাহার মালিকানা-স্বত্বের ভিত্তি। পরবর্তিকালের কর্মপ্রণালী ও মনোভাবের সঙ্গে এ সময়কার মনোভাবের কোনো বিরোধ নাই।

    অত্যন্ত কচি শিশুর পক্ষে এইরূপ ব্যবস্থা প্রয়োগ করা যায় না, কেননা তখনও তাহাদের গঠন ক্ষমতা প্রকাশ পায় নাই। ক্রমে বয়োবৃদ্ধির সঙ্গে ইহা প্রবর্তন করা উচিত। যখন তাহারা বুঝিতে পারে যে তাহাদের খেলিতে ইচ্ছা হইলেই খেলার সরঞ্জাম ফিরিয়া পাইবে তখন তাহাদের অন্যকে ব্যবহার করিতে দিতে বিশেষ আপত্তি থাকে না, থাকিলেও রীতি মানিয়া চলার ফলে ক্রমে তাহা দূর হয়।

     

     

    ব্যক্তিগত সম্পত্তি : তথাপি শিশুর বয়স কিছু বেশি হইলেই তাহাকে কিছু বই দেওয়া উচিত; এইগুলি হইবে তাহার ব্যক্তিগত সম্পত্তি। পুস্তক প্রীতি তাহার পড়ার বাসনা উদ্রেক করিবে। তবে দেখিতে হইবে বইগুলি যেন প্রকৃতই ভালো বই হয়; তার শিশুরা যদি বাজে বই চায় তাহা বরং সকলের সাধারণ সম্পত্তি বলিয়া গণ্য করা যাইতে পারে।

    মূলনীতি : স্বার্থপরতা এবং সম্পত্তি লাভের বাসনা দুই-ই শিশুর জীবনে সত্য এবং তাহার চরিত্রগঠনে বিশেষ প্রভাব বিস্তার করে : পিতামাতাকে শিশুর প্রকৃতি ও পারিপার্শ্বিক অবস্থা বিবেচনা করিয়া যত্নসহকারে এই উপযুক্ত আচরণ শিখাইতে হইবে। এই সম্পর্কে কয়েকটি মূলনীতি মনে রাখা আবশ্যক :

    প্রথম, যথেষ্ট পরিমাণ খেলনা নাই বলিয়া শিশুর মনে যেন বিফলতা বা ব্যর্থতার ভাব জাগ্রত না হয়। এই ভাব বদ্ধমূল হইয়া গেলে শিশু পরবর্তিকালে হয় অনুদার, সংকীর্ণমনা, কৃপণ।

    দ্বিতীয়, ব্যক্তিগত সম্পত্তি যখন শিশুর কতকগুলি সগুণ বিকাশ করে, বিশেষ করিয়া যখন তাহাকে নিজের জিনিসের প্রতি যত্ন লইতে শিখায়, তখন তাহাকে কিছু জিনিস ব্যক্তিগত সম্পত্তিরূপে রাখিতে দিন। তবে লক্ষ্য রাখিবেন, ব্যক্তিগত সম্পত্তিই যেন শিশুর আনন্দলাভের একমাত্র বা প্রধান উপায় না হয়।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবিবাহ ও নৈতিকতা – বার্ট্রান্ড রাসেল
    Next Article শক্তি – বার্ট্রান্ড রাসেল

    Related Articles

    বার্ট্রান্ড রাসেল

    কেন আমি ধর্মবিশ্বাসী নই – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    সুখের সন্ধানে – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    অপেক্ষবাদের অ, আ, ক, খ – বারট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    কর্তৃত্ব ও ব্যক্তিসত্তা – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    ধর্ম ও বিজ্ঞান – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    দর্শনের সমস্যাবলি – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }