Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    শিল্প সংস্কৃতি ও সমাজ – বিনয় ঘোষ

    বিনয় ঘোষ এক পাতা গল্প223 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০২. শিল্পের স্বরূপ বিশ্লেষণ

    দ্বিতীয় অধ্যায় – শিল্পের স্বরূপ বিশ্লেষণ

    শিল্পী প্রকাশ করেন তাঁর অনুভূতি ও চেতনাকে। ছন্দে বা ভাষার সাহায্যে যা প্রকাশিত হয় তাকে আমরা বলি সাহিত্য; বর্ণের সাহায্যে যা রূপায়িত হয় তাকে বলি চিত্র; পাথরে যা মূর্ত হয়ে ওঠে তাকে বলি ভাস্কর্য। শিল্পীর বৃহত্তম উপাদান হল জীবন। জীবনকে তিনি যে কেন্দ্র থেকে উপলব্ধি করবেন তাকেই তিনি প্রকাশ করবেন বাইরে। শিল্পের এই কেন্দ্র সম্পর্কে, অর্থাৎ শিল্প—দর্শন সম্বন্ধে বিভিন্ন দার্শনিকের বিভিন্ন মত আছে। প্রতিনিধি হিসাবে আমরা কয়েকজনকে বেছে নিতে পারি, যেমন হেগেল, বেনেডেটো ক্রোচে ও কার্ল মার্কস।

    হেগেল : হেগেল বলেন দর্শন (Philosophy) ও ধর্মের (Religion) মতো শিল্পও পরমব্রহ্মের (absolute) উপলব্ধি—প্রয়াসী। কিন্তু এই প্রয়াসের আশ্রয় (medium) প্রত্যেকটির বিভিন্ন। শিল্পের আশ্রয় হচ্ছে কাল্পনিক শক্তি (imaginative power) অথবা প্রতিফলনশক্তি; ধর্মের আশ্রয় হচ্ছে অনুভূতি (feeling) বা অন্তর্বেগ (emotion) শক্তি; দর্শনের আশ্রয় হচ্ছে পরমব্রহ্মের বোধশক্তি (cognition)। প্রত্যেক সৃষ্ট শিল্পকে তিনটি উপায়ে বিশ্লেষণ করা যায় : যে—ভাব (idea) উপলব্ধি করবার চেষ্টা হয় তাকে বলে শিল্পের আত্মা; প্রতিফলন (representation) বা প্রতীককে (symbol) বলা হয় শিল্পের অঙ্গ; আর প্রতীকের দ্বারা ভাবের প্রতিভাসন (reflection)। এই প্রতিভাত রূপ হচ্ছে সত্য, সামঞ্জস্য ও অভিব্যক্ত রূপ। যেখানে এই প্রতিভাসন অস্পষ্ট ও আবছা, যেখানে অসংলগ্ন প্রতিরূপ—সমষ্টিকে (images) সুনিয়ন্ত্রণের মতো ভাবের তেমন বহুলতা নেই; সেই শিল্পকে হেগেল বলেছেন আদিম শিল্প (Oriental Art)। শিল্পের এই আদিম যুগে হেগেল বলেন বস্তুর একটি মিথ্যা অমেয় (infinite) রূপ ছিল এবং এই অমেয়তার কারণ হচ্ছে তৎকালের অপ্রশস্ত সমাজ। শিল্পের উচ্চতর বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে বস্তুর এই প্রাধান্য ও বৈসাদৃশ্য অন্তর্ধান করে এবং ভাবের সংস্পর্শে সঞ্জীবিত হয়ে ওঠে। সাম্য ও সামঞ্জস্যের এই যে সুষমা, প্রত্যয় (conception) ও প্রতীকের এই যে সংগতি, গ্রিক ভাস্কর্য, গ্রিক নাটক প্রভৃতি ক্লাসিক্যাল শিল্পের (Classical Art) বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এইগুলি। এই ক্ল্যাসিসিজম—এর পরবর্তী স্তর হচ্ছে রোমান্টিসিজম (Romanticism)। ক্লাসিসিজম—এর রূপ ও বস্তু, আত্মা ও প্রতীকের পারস্পরিক সংযোগের মধ্যে সাম্য থাকে; রোমান্টিসিজম—এর বৈশিষ্ট্য হচ্ছে বস্তুকে ছাড়িয়ে রূপের, প্রতীককে ছাড়িয়ে আত্মার অতিক্রমণীয়তায়। অর্থাৎ ভাবকে প্রতিফলিত করবার বস্তুর যে—দীনতা সেখানেই রোমান্টিসিজম—এর চরম সার্থকতা। সংক্ষেপে এই হল দার্শনিক হেগেলের মত। হেগেলীয় শিল্প পারমার্থিক।

    শিল্পের এই হেগেলীয় বিশ্লেষণের বহু ত্রুটি আছে। শিল্পের তিনটি গুণ আমরা পাই—ভাব, প্রতীক বা বস্তু (matter) ও প্রতিফলন। এর মধ্যে শেষোক্ত গুণটিই অনুধাবনীয়, কারণ এইটি হচ্ছে শিল্প বিচারের প্রকৃষ্ট প্রতিমান। ভাব বা গঠন—বস্তুর পরিবর্তন হতে পারে, কিন্তু বস্তুর দ্বারা ভাবের প্রতিফলন—রীতির বা এ—দুইয়ের পারস্পরিক সম্বন্ধের যদি কোনো পরিবর্তন না হয়, তাহলে শিল্পের শ্রেণি (type) ঠিকই থাকে। কবিতা ও চিত্র দু—রকমের শিল্প, বিষয়বস্তু দুটিরই বিভিন্ন, কিন্তু কবিতা ও চিত্র একই শ্রেণির শিল্প হতে পারে, যেমন ক্লাসিক্যাল বা রোমান্টিক। সাহিত্যেও এই বিচার প্রযোজ্য। মহাকাব্য, নাটক ও গীতিকবিতার মধ্যে ভাবগত ও বস্তুগত প্রভেদ থাকলেও তাদের সমশ্রেণির শিল্প বলা যেতে পারে। ঠিক সেইরকম আবার ভাবের পরিবর্তন হলেও শিল্পের শ্রেণির কোনো পরিবর্তন হয় না। পরমব্রহ্মের বিভিন্ন রূপ বিভিন্ন শিল্পী কল্পনা করতে পারেন, কিন্তু যখন ভাবাপেক্ষা বস্তুর প্রাধান্য থাকে বেশি তখন সেই শিল্পের শ্রেণিকে বলা হয় ‘ওরিয়েন্টাল’; বস্তু ও ভাবের মধ্যে যখন সাম্য থাকে তখন বলা হয় ‘ক্লাসিক্যাল’; বস্তুকে ছাড়িয়ে ভাবের যখন উৎক্রান্তি হয় তখন বলা হয় ‘রোমান্টিক’। হেগেল বলেন যে রোমান্টিক শিল্প হচ্ছে শিল্পের চরম পর্যায় এবং শিল্পের ঐতিহাসিক ক্রমোন্নতির ফলে রোমান্টিক পর্যায়ে শিল্পের স্ফুরণ হয় ধর্ম ও দর্শনের সঙ্গে। শ্রেষ্ঠ শিল্প ও দর্শন অভিন্ন।

     

    আরও দেখুন
    বৈজ্ঞানিক
    বিজ্ঞান
    Art
    অনলাইন আর্ট কোর্স
    যোগাযোগ
    শিল্পকলা
    science
    গ্রন্থাগার
    ডিজিটাল বই
    গল্প, কবিতা

     

    হেগেল শিল্পের ঐতিহাসিক স্তরের সঙ্গে শিল্পের শ্রেণিবিভেদকে একভাবে দেখেছেন। শিল্পের ঐতিহাসিক স্তর শিল্পাদর্শের ক্রমবিকাশের উপর নির্ভরশীল এবং শিল্পের শ্রেণিনির্ণীত হয় ভাব ও প্রতিফলন—রীতির পারস্পরিক সম্বন্ধের দ্বারা। শিল্প ও শিল্প চেতনার ক্রমবিকাশ ও ভাবের ঐতিহাসিক গতি অর্থাৎ জাতির সামাজিক চেতনার পরমব্রহ্মের ক্রমাভিব্যক্তি—এ—দুটিই সমান্তরাল। সুতরাং হেগেলীয় শিল্পের এই শ্রেণি—বিচার শিল্প—দর্শন নয়, কারণ শিল্প—দর্শনের জন্য প্রয়োজন হয় ইতিহাসের দার্শনিক ব্যাখ্যার এবং তার উপর শিল্প—দর্শনের ভিত্তি প্রতিষ্ঠার। তা ছাড়া শিল্পের এই হেগেলীয় যৌক্তিক (logical) বিমূর্ত (abstract) শ্রেণিবিভেদে শিল্পের মূর্ত স্তরের রূপগুলি ঠিক বিশ্লেষিত হয় না। শিল্পকে যুক্তির অচলায়তনে প্রাণহীন ও গতিহীন করে রাখা হয়। ইতিহাস গতিশীল। শিল্পের উপজীব্য জীবন ও চেতনারও ক্রমবিকাশ আছে। সুতরাং শিল্পের চরম পরিণতি বস্তুজগৎ থেকে ভাবজগতে অতিক্রমণে, ধর্মলোকে ও দর্শনলোকে উৎক্রান্তিতে—হেগেলের এই যুক্তিকে অলস কল্পনাবিলাস ভিন্ন কিছু আখ্যা দেওয়া যায় না। নিস্তরঙ্গ যৌক্তিক বোধের আঘাতে স্থিতি ও প্রতি—স্থিতির বিরোধ বিলীন হয়ে উচ্চতর সমন্বিত—স্থিতির সৃষ্টি হয় না। বাস্তবের মূর্ত (concrete) গতির ছন্দে, আবর্তে ও আঘাতে এই বিরোধ বিলুপ্ত হয়। শিল্প বিচারের পূর্বে হেগেল ও মার্কসের ডায়লেকটিকস—এর ব্যবধান সর্বপ্রথম বিবেচ্য।

     

    আরও দেখুন
    Art
    অনলাইন আর্ট কোর্স
    বৈজ্ঞানিক
    science
    বিজ্ঞান
    যোগাযোগ
    শিল্পকলা
    ই-বই সাবস্ক্রিপশন
    অনলাইন বুকস্টোর
    লেখকের বই

     

    মার্কসীয় শিল্পের আলোচনার পূর্বে শিল্প সম্বন্ধে আর—একটি সম্প্রদায়ের মতও বিশেষ প্রণিধানযোগ্য। শিল্পকে এঁরা বলেন বিশুদ্ধ কল্পনা মাত্র, পার্থিব ও অতিপার্থিব জগতের বাইরে একমাত্র মনোজগতেই শিল্পের আসন। শিল্পের স্বাধীনতা (Independence of Art) ও শিল্পের খাতিরে শিল্পের (Art for Art’s sake) একজন প্রধান অধিবক্তা হলেন বেনেভেটো ক্রোচে। ক্রোচে বলেন : “Art is independent both of science and of the useful and the moral”—নৈতিক জগৎ, ব্যাবহারিক জগৎ ও বৈজ্ঞানিক জগৎ থেকে শিল্প সম্পূর্ণ স্বতন্ত্র। ক্রোচের মতে শিল্পের কোনো উদ্দেশ্য সন্ধান করা হাস্যকর। শিল্পের আধেয়কে (contents) কখনো নির্বাচন (select) করা সম্ভব নয়, কারণ সংবেদন বা প্রভাব নির্বাচনের অর্থই হচ্ছে যে সেগুলি অভিব্যক্ত। অভিব্যক্ত না হলে যা ক্রমিক ও অস্পষ্ট তার মধ্যে নির্বাচন কেমন করে সম্ভব হবে?—‘‘A selection among impressions and sensations implies that these are already expressions, otherwise how could a selection be made among the continuous and indistinct?” কোনো বিষয়কে নির্বাচন করা সম্ভব নয় যদি তার অভিব্যক্ত রূপ আমাদের সামনে না থাকে এবং সেইজন্য ক্রোচের কাছে নির্বাচনের প্রশ্ন অবান্তর। ক্রোচে বলেন যে সত্যকার রূপকার বিষয়বস্তুর মধ্যে নিজেকে আচ্ছন্ন দেবেন, কেমন করে তা নিজেই তিনি জানেন না। তিনি শুধু অনুভব করেন যে সৃষ্টির সময় এগিয়ে আসছে, তাঁর ইচ্ছা বা অনিচ্ছার উপর সৃষ্টি নির্ভর করে না। “The true artist, in fact, finds himself big with his theme, he knows not how, he feels the moment of birth drawing near, but he cannot will it or not will it.” সমালোচকদের উপর কটাক্ষ করে সেইজন্য ক্রোচে বলেছেন যে প্রশংসা বা নিন্দার বাক্যে শিল্পের বিষয়কে আক্রমণ করা যায় না। যখন কোনো শিল্পসমালোচক বলেন যে বিষয়ের নির্বাচন খারাপ হয়েছে তখন তিনি বিষয় নির্বাচনকে লক্ষ্য করে বলেন না, শিল্পের সেই বিষয়ের রূপায়ণের ত্রুটিকে, অর্থাৎ বিষয়বস্তুর বিরোধিতার দোষে দুষ্ট প্রকাশের ব্যর্থতাকে লক্ষ্য করে বলেন। এখানে বুঝতে হবে যে সে—শিল্পীর উপলব্ধি ও অভিব্যক্তি অভিন্ন। কিন্তু এই সমালোচকেরা যদি শিল্পীর বিষয়কে লক্ষ্য করে নিন্দা করেন এবং তার প্রকাশের পটুতাকে স্বীকার করেও সেই বিষয়ের জন্য তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন, তাহলে অন্যায় হবে। অভিব্যক্তি যদি পরিপূর্ণ হয়, সমালোচকদের উচিত শিল্পীকে শান্তিতে থাকতে দেওয়া, কারণ তাঁর আত্মাকে যা বিচলিত করবে, তিনি তা থেকেই অনুপ্রেরণা গ্রহণ করবেন। শিল্পীকে দোষ না দিয়ে সমালোচকদের উচিত পরিবেষ্টনকে ও সমাজকে পরিবর্তন করা। কুৎসিত কিছু যদি এ—পৃথিবীতে না থাকে তাহলে শিল্পীরও রুচির বিকৃতি ঘটবে না বা তিনি নিরাশ হবেন না, বরং সুন্দর, সরল ও সংযমী হয়েই সৃষ্টি করবেন।

     

    আরও দেখুন
    বৈজ্ঞানিক
    Art
    science
    শিল্পকলা
    বিজ্ঞান
    যোগাযোগ
    অনলাইন আর্ট কোর্স
    উপন্যাস সংগ্রহ
    ই-বই সাবস্ক্রিপশন
    বাইশে শ্রাবণ

     

    …if these expressions really are perfect, there is nothing to be done but to advice the critics to leave the artists in peace, for they can only derive inspiration from what has moved their soul. They should rather direct their attention towards affecting changes in surrounding nature and society, that such impressions and states of soul should not recur. If ugliness were to vanish from the world, if universal virtue and felicity were established there, perhaps artists would no longer represent perverse or pessimistic, but calm, innocent and joyous feelings, Arcadians of real Arcady. (Æsthetic—Benedetto Croce)

    কুৎসিত শিল্প বা সুন্দর শিল্প বলে কিছু নেই। শিল্পী যদি কুৎসিতই তাঁর আত্মায় উপলব্ধি করেন, তিনি তাকেই রূপ দেবেন, কিন্তু রূপায়িত যখন সে হল তখন আর কুৎসিত রইল না, তখন হল শিল্প। শিল্পী এ—পৃথিবীর মানুষ। তাঁর পরিবেষ্টন; সমাজব্যবস্থা, রাষ্ট্রব্যবস্থা, সব মিলিয়ে তাঁর জগৎ। পরিবেষ্টনের পরিবর্তন হলে তাঁর বিষয়বস্তুরও পরিবর্তন হবে, কিন্তু পরিবেষ্টন ছাড়িয়ে তিনি অন্য কোনো বিষয় নির্বাচন করতে পারেন না। ক্রোচের এই কথাটি বিশেষভাবে বিবেচ্য, কারণ তিনি শিল্পকে আত্মাভিমুখী বললেও পরিবেষ্টনকে অস্বীকার করেননি। তবে লক্ষণীয় হচ্ছে যে সমাজ বা পরিবেষ্টন ও শিল্পী এ—দুয়ের মধ্যে তিনি শিল্পীর স্বাতন্ত্র্যের উপর বেশ গুরুত্ব আরোপ করেছেন, যার ফলে সমাজ বা প্রতিবেশ ম্লান হয়ে গিয়েছে এবং ঐতিহাসিক পটভূমিকায় ক্রোচে শিল্পের বিচার করেননি।

     

    আরও দেখুন
    Art
    বিজ্ঞান
    অনলাইন আর্ট কোর্স
    যোগাযোগ
    শিল্পকলা
    science
    বৈজ্ঞানিক
    বাংলা হস্তলিপি কুইল
    বাংলা বইয়ের উপহার কার্ড
    বাংলা অডিওবুক

     

    ভাষা ও ভাব ক্রোচের কাছে অভিন্ন। কোনো কবির রসোপলব্ধি হলে অনুরূপ ভাষার ভিতর দিয়ে তাঁর সেই উপলব্ধি হয়ে থাকে। তেমনি কোনো চিত্রকরের হয় অনুরূপ বর্ণবিন্যাসে এবং গায়কের হয় অনুরূপ স্বর—সংগতিতে। যখন কোনো বিষয় শিল্পী উপলব্ধি করেন তখন তার রূপ তাঁর কাছে ব্যক্ত রূপ, অন্তর বা বাহির বলে কিছু নেই। ভাষাকে সেইজন্য ক্রোচে বলেছেন ‘চিরন্তন সৃষ্টি’ (perpetual creation) এবং ‘আদর্শ ভাষা’—(model language) কিছু হতে পারে না। ভাষা বেগবান, প্রাণবান, তাকে সিলমোহর করে হাটের মাঝখানে পণ্যদ্রব্যের মতো যাচাই করা যায় না, সমালোচকদেরও উচিত নয় এই সিলমোহর করা ভাষা দিয়ে শিল্পীর ছন্দময়, প্রাণময় ভাষার বিচার করা।

    প্রগতি শিল্প। সাধারণত শিল্পের প্রগতি বলতে আমরা শিল্পের সরল অগ্রগতি বুঝি। কিন্তু ক্রোচে বলেন শিল্পের প্রগতি সেভাবে হয় না। শিল্পের ইতিহাস লক্ষ করলে দেখা যায় যে শিল্পের ‘প্রগতি চক্র’ (Progressive Cycles) আছে, প্রত্যেক চক্রের নিজস্ব সমস্যা আছে এবং সেই সমস্যার সঙ্গে সম্বন্ধের দিক থেকে প্রত্যেক চক্র প্রগতিপন্থী। কোনো একটি বিশিষ্ট যুগের একই সমস্যা বা বিষয়বস্তুকে রূপ দেবার জন্য বহু শিল্পী সচেতন, কিন্তু কেউ তাকে সর্বাঙ্গসুন্দর করে রূপায়িত করতে পারছেন না, যতক্ষণ এই অবস্থা থাকে ততক্ষণ বলা যায় যে সেই চক্রের প্রগতি আছে। যখনই কোনো নূতন শিল্পী সেই সমস্যাকে পরিপূর্ণভাবে রূপায়িত করেন তখন আর প্রগতি থাকে না, সেই চক্রটি পূর্ণতা লাভ করে। আবার নূতন চক্র আরম্ভ হয় নূতন বিষয়যবস্তু, নূতন সমস্যা নিয়ে। ক্রোচে বলেন যে বিষয়বস্তু যদি এক না হয় তাহলে কোনো প্রগতিচক্র থাকতে পারে না। এ—কথা বলা যায় না যে শেক্সপিয়র (Shakespeare) দাঁতের (Dante) তুলনায় প্রগতিপন্থী, বা গয়েটে (Goethe) শেক্সপিয়রের তুলনায় প্রগতিপন্থী। বরং বলা যেতে পারে, সংকীর্ণ অর্থে, যে মধ্যযুগীয় শিল্পীর চাইতে দাঁতে প্রগতি নির্দেশ করেন এবং শেক্সপিয়র করেন এলিজাবেথীয় নাট্যকারদের থেকে। সেইজন্য যুক্তির দ্বারা বা কোনো অপরিবর্তনীয় মাপকাঠির দ্বারা শিল্পের প্রগতি নির্দেশ করা ভুল। ক্রোচে দৃষ্টান্তস্বরূপ বলেছেন যে অনেকে বলেন জ্যোত্যোর (Giotto) যুগ ইতালীয় শিল্পের শৈশব এবং র‍্যাফেল (Raphel) ও টিশিয়ান—এ (Titian) তার যৌবন। এই কথার সুস্পষ্ট ইঙ্গিত হচ্ছে এই যে অনুরূপ অনুভূতি থাকা সত্ত্বেও জ্যোত্যোর শিল্প পূর্ণতা লাভ করেনি। অবশ্য কেউই অস্বীকার করবেন না যে জ্যোত্যো র‍্যাফেলের মতো মূর্তি আঁকতে পারতেন না, বা টিশিয়ান—এর বর্ণকুশলতাও তাঁর ছিল না। কিন্তু এ—কথাও অস্বীকার্য নয় যে জ্যোত্যোর মতো ছবি র‍্যাফেল বা টিশিয়ান কল্পনাও করতে পারেননি। জ্যোত্যোর অন্তর দৈহিক সৌন্দর্য উপলব্ধি করেনি, রেনেসাঁস—এর যুগের শিল্পীরা দৈহিক সৌন্দর্য উপলব্ধি করেছিলেন এবং তাকে পটে ও পাথরে রূপায়িত করেছিলেন। সুতরাং কোন মাপকাঠির সাহায্যে এদের তুলনামূলক বিচার করা যেতে পারে? ক্রোচে সেইজন্য হেগেলীয় শিল্পবিভাগকে ভুল প্রতিপন্ন করেছেন।

     

    আরও দেখুন
    বৈজ্ঞানিক
    science
    যোগাযোগ
    Art
    বিজ্ঞান
    শিল্পকলা
    অনলাইন আর্ট কোর্স
    বইয়ের তালিকা
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কাগজ
    বাংলা সাহিত্যের ওয়ার্কশপ

     

    The celebrated divisions of the history of art into an oriental period, representing a lack of equilibrium between idea and form, the latter dominating, a classical, representing a new lack of equilibrium between idea and form, the former dominating, suffer from the same defect. (Æsthetic—Benedetto Croce)

    কার্ল মার্কস। হেগেল ও মার্কসের মধ্যে বিরোধ দু—জনের ইতিহাসের দার্শনিক ব্যাখ্যার ব্যবধানের মধ্যেই সুপরিস্ফুট। হেগেলের কাছে ইতিহাস হচ্ছে আত্মার জয়যাত্রা পূর্ণ মুক্তির উদ্দেশ্যে। এই মুক্তি আত্মচেতনায় লভ্য এবং পরম আত্মচেতনা হচ্ছে পরমেশ্বর, সুতরাং ইতিহাস হচ্ছে এই আত্মচেতনার ইতিহাস অর্থাৎ পরমেশ্বরের আত্মজীবনী। হেগেলীয় যুক্তির এই গণ্ডির মধ্যে সমগ্র বিশ্ব পর্যবসিত, এর বাইরে পরিত্রাণের পথ নেই। সাধারণে বলবেন এ—কথা মিথ্যা, এই কাঠামোর বাইরের জগতেই তো আমরা বাস করি, যেখানে দুঃখকষ্ট, অত্যাচার, অনাচার, অবিচার সবই আছে, বিচার যেখানে পাশবিক শক্তিতে মূর্ত হয়ে ওঠে। হেগেল এ—কথার উত্তরে বলবেন যে আমাদেরই ভুল, এ আর কিছু নয়, “die List dervernunct”—the cunning of reason, যুক্তির শঠতা। ‘যুক্তি’ শুধু শক্তিমান নয়, শঠও বটে। যুক্তি শঠতা করে এইসব অন্যায়—অবিচারের প্রশ্রয় দেয়, স্বাভাবিক কর্মপ্রবাহে বাধা দেয় না, কারণ সে জানে যে এ—সবের ধ্বংস অনিবার্য, বিপ্লবেই হোক আর প্রতিক্রিয়াতেই হোক। অর্থাৎ আরও প্রাঞ্জল ভাষায় হেগেলের এই যুক্তির শঠতার অর্থ হচ্ছে যে পরমেশ্বর যে সবসময় তাঁর বিচার সরলভাবে করবেন এমন নয়, মাঝেমধ্যে তিনি ধূর্তামিও করেন, মানুষকে প্রশ্রয় দেন। কিন্তু আসলে তাঁর উদ্দেশ্যই সার্থক হয়, মানুষের অভিপ্রায় ব্যর্থ হয়। হেগেলের এই ইতিহাসের দার্শনিক ব্যাখ্যাকে কার্ল মার্কস বলেছেন :

     

    আরও দেখুন
    অনলাইন আর্ট কোর্স
    যোগাযোগ
    শিল্পকলা
    science
    বৈজ্ঞানিক
    Art
    বিজ্ঞান
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    গ্রন্থাগার
    বাংলা সাহিত্যের ওয়ার্কশপ

     

    An esoteric, speculative history preceded the exoteric empirical history… the history of man is transformed into a history of abstraction… Instead of living in a real, objective world and conditioned by it, Hegel transforms man into an attribute of self-consciousness. He turns the world upside down.

    আত্মচেতনাকে মানুষের আত্মচেতনা না ভেবে, মানুষকে এই পৃথিবীর মানুষ না ভেবে, বহির্জগতের অস্তিত্বকে এবং মানুষের চিন্তাধারা ও কর্মধারাকে এই জগৎসাপেক্ষ স্বীকার না করে, হেগেল মানুষকে আত্মচেতনার গুণবিশেষ বলেছেন এবং জগৎকে উলটিয়ে দেখেছেন। হেগেলের কাছে ভাব হচ্ছে এই বাস্তব জগতের স্রষ্টা, ভাবের প্রতিচ্ছবি জগৎ। মার্কস বলেন, এই জগৎই মানুষের মনে প্রতিফলিত হয়ে ভাবে রূপ পরিগ্রহ করে। হেগেলের কাছে সেইজন্য ইতিহাস হচ্ছে পরমেশ্বরের আত্মজীবনী, মার্কসের কাছে ইতিহাস মানুষের ইচ্ছা, উদ্দেশ্য ও ক্রমবিকাশের ইতিকথা।

    বস্তু ও ভাবের সম্বন্ধ বিচার করে মার্কস বলেছেন : Being determines consciousness… শিল্পীর সৃজনী—প্রতিভার উৎস বাস্তব জগৎ। কারণ সমস্ত কাল্পনিক সৃষ্টি শিল্পী যে—জগতে বাস করেন তার প্রতিভাসিত রূপ। সে—জগতের সঙ্গে তাঁর সান্নিধ্য, সে—জগতের প্রতি তাঁর ভালোবাসা, ঘৃণা, তা—ই তাঁর শিল্পের উপাদান। বুর্জোয়া সমালোচকরা বিদ্রুপ করে বলে থাকেন যে মার্কসের মতে শিল্প মানুষের অর্থনৈতিক ব্যবস্থা ও প্রয়োজনের প্রতিচ্ছবি। মার্কস কোনোদিন এমন অর্থহীন উক্তি করেননি। মার্কস তাঁর ‘Critique of Political Economy’—র ভূমিকাতে বলেছেন যে বাস্তব জীবনের উৎপাদন—প্রণালিই সামাজিক, রাষ্ট্রিক ও প্রাজ্ঞিক জীবন নিয়ন্ত্রণ করে। মানুষের চেতনা মানুষের অস্তিত্বের বিধাতা নয়, মানুষের সামাজিক অস্তিত্বই মানুষের চেতনার স্রষ্টা। ক্রমাবর্তনে সমাজ এমন একটি স্তরে পৌঁছোয় যখন উৎপাদনের বাস্তব শক্তিগুলির সঙ্গে, অর্থাৎ সামাজিক ক্রমোন্নতির জন্য যে—শক্তিগুলির সৃষ্টি হয়েছে তাদের সঙ্গে, সমাজের প্রচলিত উৎপাদন—প্রণালির সংঘর্ষ হয় এবং পরে সামাজিক বিপ্লব দ্বারা প্রচলিত অর্থনৈতিক ব্যবস্থা ধূলিসাৎ হয়ে গিয়ে নূতন সমাজব্যবস্থা প্রবর্তিত হয়। কিন্তু মার্কস বলেছেন :

     

    আরও দেখুন
    যোগাযোগ
    Art
    শিল্পকলা
    বৈজ্ঞানিক
    বিজ্ঞান
    অনলাইন আর্ট কোর্স
    science
    ডিজিটাল বই
    ই-বই পড়ুন
    অনলাইনে বই

     

    In considering such revolutions the distinction should always be between the material revolution in the economic conditions of production which can be determined with the precision of natural science, and the juridical, political, religious, æsthetic or philosophic,—in short, ideological forms—in which, men become conscious of this conflict and fight it out.

    মার্কসের এই উক্তিকে অনেক সময় বুর্জোয়া সমালোচকেরা উপেক্ষা করেন এবং তথাকথিত ‘নয়া সমাজতন্ত্রীরা’ কদর্থ করেন।

    জেমস টি. ফ্যারেল (James T. Farrell) তাঁর ‘A Note on Literary Criticism’ নামক পুস্তকের মধ্যে মার্কসীয় সমালোচনার তিনটি প্রধান ত্রুটির কথা উল্লেখ করেছেন—(১) Functionalism, (২) Impressionism ও (৩) Literary Eschatology. এই তিনটি ত্রুটিকে মার্কসীয় সমালোচনার ত্রুটি না বলে, বুর্জোয়া সমালোচকদের সাহিত্যের ও শিল্পের ভুল মার্কসীয় ব্যাখ্যা বলাই ঠিক। মার্কস বা এঙ্গেলসের কদর্থ করা হয় বলে মার্কস ও এঙ্গেলসের দৃষ্টিভঙ্গিকে ভুল বলা মূর্খতা। Functionalism অর্থে ফ্যারেল বলেছেন কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যসাধন বা প্রচারকার্যের দ্বারা সাহিত্যের উৎকর্ষ যাচাই করা। Impressionism অর্থে বলেছেন সাহিত্যের বা শিল্পের প্রভাব দ্বারা সাহিত্য বা শিল্প বিচার করা। আর দুশো বা তিনশো বছর পূর্বের শিল্পীদের বর্তমান সমাজের মাপকাঠি দিয়ে বিচার করাকে ফ্যারেল Literary Eschatology বলেছেন।

     

    আরও দেখুন
    বিজ্ঞান
    Art
    শিল্পকলা
    science
    বৈজ্ঞানিক
    যোগাযোগ
    অনলাইন আর্ট কোর্স
    বইয়ের তালিকা
    বাংলা বই
    বাংলা গানের লিরিক্স বই

     

    ফ্যারেল যাকে Functionalism বলেছেন, মার্কস ও এঙ্গেলস কোনোদিন তা সমর্থন করেননি। আর্নল্ড রুজ (Arnold Ruge), বোর্ন (Borne), স্টাহর (Stahr) প্রমুখ ‘তরুণ হেগেলিয়ান’রা একসময় সমাজ ও রাষ্ট্র—বিমুখতার প্রচণ্ড বিরোধী ছিলেন এবং শিল্পীর এই জাতীয় মনোভাব দেখলে তাঁরা কটূক্তি করতে আদৌ কুণ্ঠিত হতেন না। তাঁরা বলতেন যে শিল্প ও রাজনীতির মধ্যে প্রত্যক্ষ সম্বন্ধ থাকবে, রাজনীতিকে উপেক্ষা করলে জীবনকেও উপেক্ষা করা হয়। বিশিষ্ট ‘তরুণ হেগেলিয়ান’ স্টাহর বলেছিলেন :

    The dogma has long enough prevailed among Germans that poetry and politics have nothing to do with one another, that political stuff can never serve as poetic material. But why? Have not the masterpieces of epic and dramatic poetry of all ages sprung from such soil?

    জার্মানদের মধ্যে বহুদিনের সংস্কার রয়েছে যে কবিতা ও রাজনীতির সঙ্গে কোনো যোগাযোগ নেই এবং রাজনৈতিক বিষয় কখনো কবিতার উপকরণ হতে পারে না। কিন্তু কেন হতে পারে না? সমস্ত যুগের প্রসিদ্ধ মহাকাব্য ও নাট্যকবিতার উপাদান কি রাজনীতি ছিল না? এইভাবে তর্ক করে তাঁরা গয়েটেকে (Goethe) পর্যন্ত নির্মমভাবে সমালোচনা করেছিলেন। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় এই যে কার্ল মার্কস ও ফ্রিডরিশ এঙ্গেলস এই সমালোচনার বিরুদ্ধে সর্বপ্রথম তীব্র প্রতিবাদ জানান। এঙ্গেলস ১৮৪৭ সালে গয়েটে সম্বন্ধে তথাকথিত ‘Real Socialist’—দের এই প্রলাপোক্তির নিন্দা করে বলেন যে এইসব ভাবপ্রবণ সমাজতন্ত্রীরা ‘Goethe, the phillistine’ এবং ‘Goethe, the poetic genius’—এর মধ্যে যে পার্থক্য রয়েছে তাকে ভুলে যান। লেনিন (Lenin) টলস্টয়কে (Tolstoy) বলতেন ‘the hysterical misery-mongering intellectual.’ কিন্তু তাঁকে শিল্পী হিসাবে ‘mirror of revolution’ বলতে তিনি দ্বিধা বোধ করেননি। ‘Proletarii’ পত্রিকায় ১৯০৮ সালে টলস্টয় সম্বন্ধে লেনিন লিখেছিলেন।

     

    আরও দেখুন
    Art
    অনলাইন আর্ট কোর্স
    বিজ্ঞান
    যোগাযোগ
    শিল্পকলা
    বৈজ্ঞানিক
    science
    অনলাইনে বই
    বাংলা বইয়ের উপহার কার্ড
    বাংলা অডিওবুক

     

    Tolstoi reflected the accumulated hate, the ripened aspiration for a better life, the desire to throw off the past—and also the immaturity, the dreamy contemplativeness, the political inexperience, the revolutionary flabbiness of the village.

    জার্মানিতে ১৮৩০ সাল থেকে ১৮৪৮ সাল পর্যন্ত যে সাহিত্য আন্দোলন হয়েছিল সে সম্বন্ধে ১৮৫১ সালে এঙ্গেলস : ‘New York Tribune’ পত্রিকায় লিখেছিলেন :

    A crude constitutionalism, or a still cruder republicanism, were preached by almost all writers of the time. It became more and more the habit, particularly of the inferior sorts of literati, to make up for the want of cleverness in their productions, by political allusions which were sure to attract attention. Poetry, novels, reviews, the drama, every literary production teemed with what was called ‘tendency’, that is, with more or less timid exhibitions of and anti-Governmental spirit.

     

    আরও দেখুন
    বিজ্ঞান
    অনলাইন আর্ট কোর্স
    বৈজ্ঞানিক
    যোগাযোগ
    science
    শিল্পকলা
    Art
    PDF
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি টিউটোরিয়াল

     

    উদ্দেশ্যমূলক (tendentious) সাহিত্যকে এঙ্গেলস নিন্দা করেননি। এই প্রবন্ধ লেখার প্রায় চল্লিশ বছর পরে বালজাক (Balzac) সম্বন্ধে মিস হার্কনেসকে একখানি চিঠিতে তিনি লিখেছিলেন :

    I think that tendency should arise of itself out of the situation and action, without being specially emphasised, and that an author is not obliged to give the reader a ready-made historical future solution of the conflicts he depicts… Therefore in my view the Socialist tendentious novel completely fulfils its mission in describing real relationships, in destroying relative illusions concerning them, in upsetting the optimism of the bourgeois world, in sowing doubt as to the eternal nature of the existing social order, even though the author did not thereby advance any definite solution and sometimes did not even come down on one side or other.

    উদ্দেশ্যমূলক শিল্প ও সাহিত্য হতে পারে কিন্তু উদ্দেশ্যকে প্রচার করা শিল্পীর মুখ্য উদ্দেশ্য হবে না। উদ্দেশ্য স্বতঃই ফুটে উঠবে ঘটনার ঘাতপ্রতিঘাতে এবং শিল্পীর সমস্যা সমাধানেরও কোনো দায়িত্ব নেই। সমাজতান্ত্রিক সাহিত্য বা শিল্প হতে হলেই যে নায়ক—নায়িকার মুখ দিয়ে সমাজতন্ত্র ব্যাখ্যা করতে হবে তারও কোনো বাধ্যতা নেই। সমাজের প্রত্যেকটি শ্রেণির পারস্পরিক সম্বন্ধ আলোচনা করা চলতে পারে, প্রত্যেক শ্রেণির ভুল ধারণাকে নির্দেশ করা যেতে পারে, বুর্জোয়া শ্রেণির স্বপ্নসৌধকে ভেঙে চুরমার করা যেতে পারে এবং বর্তমান সমাজব্যবস্থার অবিনশ্বরতা সম্বন্ধে শিল্পী একটি বিরাট প্রশ্ন করেও ছেড়ে দিতে পারেন, সমাধান যে দিতেই হবে এমন নয়। সুতরাং মার্কসীয় সমালোচনা সম্বন্ধে Functionalism—এর যে অপবাদ তা বুর্জোয়া সমালোচকদেরই আবিষ্কার এবং সমাজতন্ত্রীদের কুব্যাখ্যার ফল।

     

    আরও দেখুন
    অনলাইন আর্ট কোর্স
    science
    Art
    শিল্পকলা
    বৈজ্ঞানিক
    যোগাযোগ
    বিজ্ঞান
    বাংলা বইয়ের প্রিন্ট কপি
    গল্প, কবিতা
    বাংলা ফন্ট সাবস্ক্রিপশন

     

    Literary Eschatology ও মার্কসীয় সমালোচনার ত্রুটি নয়, তার কদর্থ। বাস্তব জীবনের সঙ্গে যোগাযোগ আছে শিল্পীর, কিন্তু সে—যোগাযোগ প্রত্যক্ষভাবে বা যান্ত্রিকভাবে নেই। মার্কসকে এ—কথা বললে মার্কস নিশ্চয়ই বিদ্রুপ করতেন যে যেহেতু সামন্ততন্ত্রের (Feudalism) পরবর্তী পর্যায় ধনতন্ত্র (Capitalism), বা ধনতন্ত্রের পরবর্তী পর্যায় সমাজতন্ত্র (Socialism), সেই হেতু সামন্ততন্ত্রের ধ্বংসের সঙ্গে সঙ্গে সামন্ততান্ত্রিক শিল্প ধনতান্ত্রিক শিল্পে রূপধারণ করবে বা ধনতন্ত্রের ধ্বংসের সঙ্গে সঙ্গে ধনতান্ত্রিক শিল্প সমাজতান্ত্রিক শিল্পে রূপ গ্রহণ করবে। মার্কস এ—কথাও বলেননি যে ধনতান্ত্রিক উৎপাদন—প্রণালি সামন্ততান্ত্রিক উৎপাদন—প্রণালি অপেক্ষা উন্নততর বলে, ধনতান্ত্রিক শিল্পও সামন্ততান্ত্রিক—শিল্পের তুলনায় উন্নততর। শিল্পকে প্রত্যেক ঐতিহাসিক পর্যায়ের সঙ্গে, অর্থাৎ সমসাময়িক সমস্যা, সমাজব্যবস্থা ও সামাজিক শক্তির সঙ্গে তুলনা করে বিচার করতে হবে। যুগ পরিবর্তনের সময় বা পরিবর্তনের পর শিল্পীরা সঙ্গে সঙ্গে সম্পূর্ণ পরিবর্তনকে উপলব্ধি করতে পারেন না। নূতন ও পুরাতনের দ্বন্দ্ব থাকেই এবং শিল্পী এই দ্বন্দ্ব সম্বন্ধে সচেতন হয়ে তার বিরুদ্ধে নিয়ত সংগ্রাম করে তাকে জয় করেন।

    হেগেল ও মার্কসের দৃষ্টিকেন্দ্র সম্পূর্ণ বিপরীত—শূন্য ও মর্ত। ক্রোচের সঙ্গেও মার্কসের বৈসাদৃশ্য আছে। ক্রোচে শিল্পের সরল প্রগতিকে স্বীকার না করে তার চাক্রিক প্রগতিকে স্বীকার করেছেন, মার্কস বলেছেন সমাজের বৈপ্লবিক রূপান্তর ও নূতনের ক্রমোপলব্ধি। একযুগের তুলনায় অন্য যুগের শিল্পকে উন্নততর বলা ভুল—এ—কথা ক্রোচে প্রতিপন্ন করেছেন, মার্কসও অস্বীকার করেননি। কিন্তু ব্যক্তিকে স্বীকার করেও মার্কসের কাছে সমাজ মুখ্য, ক্রোচের কাছে ব্যক্তিসর্বস্ব। ক্রোচের শিল্প—দর্শন ইতিহাস—শূন্য, মার্কসের শিল্প—দর্শন ইতিহাস—আশ্রয়ী। মার্কস বলেছেন যে মানুষের অনবচ্ছিন্ন সংগ্রামের ফলে সমাজের রূপান্তর ঘটে, আর্থিক ও রাজনৈতিক ব্যবস্থার পরিবর্তন হয় এবং শিল্পীর সংগ্রামের মধ্য দিয়ে, নূতন—পুরাতনের বিরোধ—বন্ধুর পথে ক্রমে সেই পরিবর্তনকে স্বীকার করেন। সামাজিক বিপ্লবের পর বা বিপ্লবের প্রস্তুতির সময় শিল্পীর মনেও বিরোধের সৃষ্টি হয় এবং শিল্পী সে—সম্বন্ধে সচেতন হয়ে তাকে জয় করবার চেষ্টা করেন। ঐতিহাসিক পরিপ্রেক্ষিতে সামাজিক পরিবেষ্টনের মধ্যে মার্কস শিল্পকে সমাজের বিশেষ একটি শ্রেণির অভিব্যক্তি আখ্যা দিয়েছেন এবং সেইজন্য শ্রেণিবিন্যস্ত সমাজে শ্রেণিতে শ্রেণিতে বিরোধ যেখানে বর্তমান সেখানে শ্রেণি—শিল্প (Class Art) ভিন্ন অন্য কিছু বিকশিত হতে পারে না। কারণ মার্কসীয় সংজ্ঞানুসারে শ্রেণি হচ্ছে একদল ব্যক্তি যাদের জীবন—অভিজ্ঞতার মূলত ঐক্য আছে, অর্থাৎ অন্য শ্রেণির জীবন—অভিজ্ঞতার সঙ্গে এই শ্রেণির বহির্বিভেদ যত বেশি তার চাইতে অন্তর্বিভেদ অনেক কম। এই বিভেদের মূলে থাকে বাস্তব অর্থনৈতিক উৎপাদন—প্রণালি। সেইজন্য শিল্পীর দ্বারা নূতন অভিজ্ঞতার সাকল্য (integration) এবং যে—শ্রেণির সঙ্গে তাঁর জীবন—অভিজ্ঞতার সাদৃশ্য আছে, সেই শ্রেণিরই চেতনা অভিব্যক্ত হয়ে থাকে। এই শ্রেণিই শিল্প অনুশীলন করে, কারণ সমাজের স্বাধীনতা ও সচেতনতার অধিকারী যারা তারা এই শ্রেণিরই অন্তর্ভুক্ত। প্রত্যেক যুগের শাসকশ্রেণি হচ্ছে এই শ্রেণি। শিল্পের গতি নির্ণয়ের এই হচ্ছে মার্কসীয় পন্থা।

    দার্শনিক হেগেল যুক্তির অচলায়তনে ইতিহাসকে বন্দি করে বললেন, ঐশী চেতনার ক্রমবিকাশ হচ্ছে মানুষের ইতিহাস; এ—পৃথিবী সেই চেতনার প্রতিচ্ছায়া। আদিম যুগে বস্তুর প্রাধান্য থেকে, বস্তু ও ভাবের সাম্যাবস্থার ভিতর দিয়ে মানুষ ভাব দ্বারা বস্তুকে পরাজিত করে। এই বিভিন্ন পর্যায়ের প্রতিফলিত রূপ হচ্ছে শিল্প। ওরিয়েন্টাল ও ক্লাসিকাল স্তর অতিক্রম করে শিল্প যখন রোমান্টিক স্তরে উন্নীত হয় তখন শিল্প ও দর্শন অভেদাত্মা। বেনোডেটো ক্রোচে বলেন শিল্প স্বোৎসারিত, অহমসর্বস্ব, স্বোত্তর কোনো অতিপার্থিব জগতে শিল্পের উৎস বা পরিপূর্ণতা সন্ধান করা বৃথা। শিল্প উদ্দেশ্য—বর্জিত। শিল্পী সামাজিক শুভাশুভ চেতনার ঊর্ধ্বে। শিল্পের ইতর—বিশেষ নেই। কার্ল মার্কস বলেন শিল্প সমাজোদ্ভূত, শিল্পী সমাজসচেতন। বস্তুর জনিতা ভাব নয়, ভাবের জনিতা বস্তু। বস্তুজগৎই শিল্পের উৎস। কিন্তু শিল্পী আজ্ঞাবাহী নন, বা সমস্যার ক্রীতদাসও নন। সমাজের একাগ্রতাকে তিনি উপলব্ধি করে রূপায়িত করেন। সমাজের বিভিন্ন অবস্থায়, বিভিন্ন রূপ ও ব্যবস্থার সঙ্গে শিল্পীর অন্তর ওতপ্রোতভাবে জড়িত এবং সামাজিক ক্রমবিকাশে যুগে যুগে শিল্পীরা তাঁদের অনুভূতি ও মানসিক বিরোধকে ফুটিয়ে তুলেছেন। এই অর্থে সমাজসংগ্রামে তাঁরাও সৈনিক। শিল্পী যদি তাঁর যুগ—সমস্যার প্রতি ও যুগাদর্শের প্রতি নিষ্ঠাবান হন, সত্যকার শিল্পীকে হতেই হবে, তাহলে তিনি সেই যুগে প্রগতিপন্থী। অস্তমান ধনতান্ত্রিক যুগে একজন হয়তো গাইবেন আসন্ন সমাজতন্ত্রের প্রভাতি, আর—একজন গাইবেন ধনতন্ত্রের পুরবি। কেউ হয়তো ক্ষয়িষ্ণু ধনতন্ত্রের বিরোধী সমস্যার আবর্তে দিগভ্রষ্ট হয়ে মনের বন্দর খুঁজে পাবেন না, প্রশ্নের পর প্রশ্ন করবেন, প্রলাপ বকবেন, বা নিজের একটি কাল্পনিক জগৎ সৃষ্টি করে সেখানে আশ্রয় নেবেন। প্রথম দু—জনের একজন আশাবাদী (optimist) এবং আর—একজন নৈরাশ্যবাদী (pessimist) হলেও, প্রগতি—পন্থী দুজনেই, কারণ দু—জনেই বর্তমান সমাজের প্রতি বীতশ্রদ্ধ এবং তার মূর্ত শক্তিগুলির প্রতি নিষ্ঠাবান। একজন ভবিষ্যতের সম্ভাবনায় উজ্জ্বল, তাই তাঁর মধ্যে ভবিষ্যতের ব্যঞ্জনা (suggestion) থাকে; আর—একজন বর্তমানের বীভৎসতায় জর্জরিত, তাই তাঁর মধ্যে বর্তমানের প্রতি বক্রোক্তি ও শ্লেষ থাকে। তৃতীয়জন হচ্ছেন পরিত্রাণকামী (Escapist), কিন্তু তাহলেও তিনি প্রতিভাবান শিল্পী হতে পারেন, যে—প্রতিভার সার্থকতা শুধু তাঁর নিজের কাছে।

    সংক্ষেপে শিল্প ও সাহিত্যের এই হল মার্কসীয় বিশ্লেষণ।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবাংলার নবজাগৃতি – বিনয় ঘোষ
    Next Article বাদশাহী আমল – বিনয় ঘোষ

    Related Articles

    বিনয় ঘোষ

    কলকাতা শহরের ইতিবৃত্ত ২ – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    জনসভার সাহিত্য – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    বাংলার বিদ্বৎসমাজ – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    বাংলার সামাজিক ইতিহাসের ধারা – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    কলকাতা শহরের ইতিবৃত্ত ১ – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    বাদশাহী আমল – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }