Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    শিল্প সংস্কৃতি ও সমাজ – বিনয় ঘোষ

    বিনয় ঘোষ এক পাতা গল্প223 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৯. বিজ্ঞান মানুষ ও সমাজ

    নবম অধ্যায় – বিজ্ঞান মানুষ ও সমাজ

    বিজ্ঞান মানুষের প্রয়াস। যেদিন জন্ম নিল সমাজ, সেদিন বিজ্ঞানও জন্ম নিল। বিজ্ঞানের সমাপ্তি নেই, কারণ মানবতার আয়ু অফুরন্ত। যুগের মানুষ নিজের প্রচেষ্টায় পারিপার্শ্বিক প্রকৃতির রহস্যের অবগুণ্ঠন অনাবৃত করে হয় যুগান্তকারী। যুগের পর যুগ মানুষ এইভাবেই এগিয়ে চলেছে, চলছে, চলবে। নিত্য সব সমস্যার আবির্ভাবের সঙ্গে নূতনতর প্রতিভার উন্মেষ, শক্তির প্রকাশ, সমস্যার আর শক্তিতে সংগ্রাম, সমস্যার প্রতিভূ প্রকৃতির পরাজয় আর শক্তির প্রতিভূ মানুষের জয়—এই হল মানুষের ইতিহাস, সমাজের ইতিহাস, সুতরাং বিজ্ঞানের ইতিহাস। গ্রাম্য গীতি গেয়ে লাঙল আর গোরু নিয়ে আমরা আজ তাই খেত চষি না, আজ গ্যাসোলিনে ট্র্যাক্টর চলে মাটির বুকে। তিরধনুক নিয়ে বল্কল পরে বনেজঙ্গলে আমরা আজ পশুশিকার করি না, ক্ষুধানিবৃত্তির জন্য যন্ত্রে আমাদের খাবার তৈরি হয়, হাজারজনের খাবার কয়েক মিনিটে। গুহা ছেড়ে আজ যেখানে আমরা বাস করি তার স্বচ্ছ সরল আভিজাত্যে বিশ্বকর্মাকে মাথা হেঁট করতে হবে। যন্ত্রে কাজ করে, আমরা পরিদর্শন করি। আমাদের এই যে কাহিনি, এই তো মানুষের ইতিহাস, মানুষের আর বিজ্ঞানের। অথচ নিখিলের তুলনায় আমাদের এই পৃথিবীর আয়তন, আর পৃথিবীর তুলনায় আমাদের সত্তার স্বাতন্ত্র্যের কথা ভাবতেও আমরা হতবাক হয়ে যাই। হবারই কথা। কয়েকটিমাত্র নক্ষত্রের বিষয় আমরা জানি, এ—পৃথিবীর চেয়ে সেগুলি সামান্য বড়ো, কিন্তু অধিক সংখ্যক নক্ষত্র এত বড়ো যে এ—পৃথিবীর মতো লক্ষ পৃথিবীকে তাদের প্রত্যেকটির মধ্যে স্থান দিয়েও পূরণ হয় না, এবং এই শ্রেণির নক্ষত্রের সংখ্যা এ—পৃথিবীর সমস্ত সমুদ্রকূলের বালুকাসমষ্টির সমান। আমাদের আবাসগৃহ এ—পৃথিবীর সামান্যতা সহজেই অনুমেয়, আর আমাদের অর্থাৎ মানুষের ক্ষুদ্রাদপি ক্ষুদ্রতাও সহজবোধ্য। সেজন্য নিখিলেশ অধীশ্বর দেবতার সুমুখে শ্রদ্ধানত শিরে এ—পৃথিবীর কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে মানুষ অপরাধীর মতো তার নগণ্যতার জন্য সংকুচিত হবে না, বলবে না এ—যুগের বৈজ্ঞানিক জীনসের মতো যে এই নিখিলের শিল্পী হচ্ছেন একজন খাঁটি গণিতশাস্ত্রবিদ, তিনশো বছর আগে কেপলার যা বলে গিয়েছিলেন—এ—পৃথিবী ঈশ্বরের সৃষ্টির আঙ্কিক ঐক্যের ও পরিপূর্ণতার প্রতীক—বলবে না এ—যুগের কবি এলিয়টের মতো যে এ—পৃথিবীর মুখে আঁধারের ছায়া নামে, এ—পৃথিবীর শূন্য ও অর্থহীন, বলবে না এ—যুগের রাজনীতিকদের মতো ‘ওঁ—শান্তিঃ! ওঁ শান্তিঃ! ওঁ শান্তিঃ।’ শান্তি নেই, সংগ্রাম আছে, আর সংগ্রামের জয়ে আছে সাম্যাবস্থা। বিশ্রাম নেই, গতি আছে, দ্বন্দ্বমুখর গতি, বিকাশ যার সমন্বিত সভ্যতায়, পুনরায় আবর্তনের আঘাতে বা দ্বিধাবিভক্ত ও গতিশীল। এই তো মানুষের কাহিনি, সমাজ ও সভ্যতার ক্রমাবর্তন, বিজ্ঞানের ইতিকথা।

    আরিস্ততল থেকে স্কলাস্টিক দর্শন অ্যাক্যুইনাস, রজার ও ফ্রান্সিস বেকন প্রভৃতির মধ্য দিয়ে শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে বিজ্ঞান ও দর্শনের বিসদৃশ সমাবেশ আমরা লক্ষ করলাম। বিজ্ঞানের বিস্তৃতি ক্রমেই সংকুচিত হতে লাগল এবং বিজ্ঞান ও দর্শনের পারস্পরিক বিরোধ হয়ে উঠল তীব্রতর। দর্শনের ক্ষেত্রের সম্প্রসারণই হচ্ছিল, কারণ মর্তলোকের প্রতিবেশে তখন তার বিরক্তির ভাব স্ফুটতর, অমর্ত্যলোকে দেবতার পরিপার্শ্বে তার পরিতৃপ্তি। তারপর এল মধ্যযুগের বিজ্ঞান ব্যবহারিক জীবনের পারিপাট্য নিয়ে। সে—যুগের ‘খ্যাপা’ বৈজ্ঞানিকেরা হল ‘পরশপাথর’—এর সন্ধানে উন্মাদ। নিকৃষ্ট ধাতুকে কেমনভাবে সোনাতে রূপান্তরিত করা যাবে তারই সাধনায় তাঁরা মগ্ন হলেন। অধ্যাত্মলোকের প্রহরীরা সন্ত্রস্ত হয়ে উঠলেন, খোদার উপর খোদকারিকে তাঁদের কাছে বৈজ্ঞানিকের অমার্জনীয় ধৃষ্টতা বলে মনে হল। তারপর এল রেনেসাঁস—এর যুগ। কয়েকটি যন্ত্র আবিষ্কৃত হল এবং বৈজ্ঞানিকও তাঁর অলীক সাধনমার্গ ছেড়ে বীক্ষণাগারে নিজের অগ্নিপরীক্ষার জন্য প্রবেশ করলেন। কক্ষ অবরুদ্ধ আত্মিক উল্লাস বর্জন করে দার্শনিকও বাইরের মুক্ত আলো—বাতাসের মাঝখানে এসে দাঁড়ালেন। দুইয়ের মধ্যে বিরোধ ক্রমেই ঘনীভূত হতে লাগল। নব নব শতাব্দীতে নব নব আবিষ্কৃত যন্ত্রের ভিড় জমতে লাগল। পর্যবেক্ষণ ও ইন্দ্রিয়ের ক্ষেত্রের বিস্তার গেল আশাতীতভাবে বেড়ে। তথ্যের প্রাচুর্যের সঙ্গে সঙ্গে আত্মপ্রত্যয়ের ভিত্তি দৃঢ়তর হতে লাগল। অভিজাত বংশজাত দার্শনিক মুষড়ে পড়লেন। পৃথিবী—সম্পর্কিত আদি—অন্ত সমস্যার, অতীন্দ্রিয়তা ও আধ্যাত্মিকতার সম্মোহিত ‘চম্পা’র দেশ থেকে দ্বীপান্তরিত হয়ে বিজ্ঞান ফিরে এল ভূমিতে, পর্যবেক্ষণবাদের (Empiricism) প্রাসাদ ধসে পড়ার শব্দ শোনা গেল। মানুষের মননশক্তি পর্যবেক্ষণের কারাপ্রাচীরের অন্তরালে বন্দি হয়ে মুক্ত জীবনাস্বাদের জন্য ব্যাকুল হয়ে উঠল। আজ তাই বৈজ্ঞানিকের মনে সংশয় জেগেছে বিজ্ঞানের নির্দিষ্ট আসন নিয়ে। সৌরজগৎকে কেন্দ্র করে যে বিশাল প্রশ্নসমষ্টি, অণু—পরমাণু থেকে শুরু করে সংখ্যাতীত নীহারিকাপুঞ্জের মধ্যে যে অনন্ত অনুসন্ধিৎসার ধূম্রকুণ্ডলী তাকে মানুষিক বুদ্ধি দিয়ে অপসারিত করবার দাবির মধ্যে বিজ্ঞানের দান কী—তা—ই নিয়ে বৈজ্ঞানিকের আজ বিপুল চিন্তা। বীক্ষণাগারের সূচিশ্রান্ত জীবনের ক্লিষ্ট আবহাওয়া তাঁদের কাছে অসহ্য হয়ে উঠেছে। পারিপার্শ্বিকতার মূল্য নির্ধারণের যে—হুকুম জারি হয়েছে তাতে তাঁরা ব্যাকুল হয়ে উঠেছেন। প্ল্যাঙ্ক (Planck), জিনস (Jeans), এডিংটন (Eddington), হোয়াইটহেড (Whitehead), লজ (Lodge), হ্যালডেন (Haldane) প্রভৃতি এই ব্যাকুলতার প্রতীক। সরীসৃপের মতো বিবেক আজ বৈজ্ঞানিকের মন বেষ্টন করে নিষ্পেষণ করছে। বৈজ্ঞানিকের মধ্যে আজ দংশনোদ্যত বিবেক। সম্মুখে বিরাট প্রশ্ন—”?”

     

    আরও দেখুন
    পিডিএফ
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার
    বাংলা বই
    ডিজিটাল বই
    PDF
    অনলাইন বুকস্টোর
    ই-বই সাবস্ক্রিপশন
    Library
    বাংলা সাহিত্যের কোর্স
    ই-বই পড়ুন

     

    বিজ্ঞানের দুটি দিক আছে এবং প্রত্যেকটি পরীক্ষার যোগ্য। একটিতে বৈজ্ঞানিকের স্বার্থ ব্যক্তি হিসেবে, অপরটিতে সমাজের সভ্য হিসাবে। একটিতে প্রকৃতির শক্তিগুলির অধ্যয়ন, পরীক্ষার ও বিশ্লেষণের নব পদ্ধতি আবিষ্কার এবং অধীত (Theoretical) ও ফলিতের (Practical) মধ্যে সামঞ্জস্য সাধন করে সর্বসাধারণের সম্মতিলাভ। অপরটির মধ্যে বিজ্ঞানের সামাজিক বিকাশের স্বীকৃতি আছে, সুতরাং সেই অনুপাতে তার ব্যাখ্যানও আবশ্যক। প্রথমটির উদ্দেশ্য নৈতিক বা ব্যক্তিক সংস্কার থেকে অধ্যয়নবস্তুর নির্মুক্তিকামনা হলেও দ্বিতীয়টির এর কবল থেকে নিষ্কৃতি নেই। সমাজে যতদিন নীতিগত ও সমাজগত স্তরবিন্যাস (Ideological and Social Stratification) থাকবে, ততদিন প্রত্যেকটি শ্রেণির অন্তর্লীন ঐতিহ্যের প্রভাবদুষ্ট বিজ্ঞান হবেই। বিজ্ঞানের এই দুটি দিকের একটি বৈজ্ঞানিক আন্দোলনের অভ্যন্তরীণ যোগাযোগের ব্যাপার, অর্থাৎ তার ‘isolate’—দের সংযোগস্থাপনের উদ্দেশ্যে অনুপ্রাণিত। অপরটি তার বাহ্যিক সম্বন্ধের, অর্থাৎ সমাজের বিন্যস্ত শ্রেণিগুলির প্রত্যেকটির সঙ্গে তার সম্বন্ধের ব্যাপার, যেখানে ‘isolate’ সে নিজেই। বিজ্ঞানের ইতিহাস পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায় যে প্রথম দিকটিতেই বিজ্ঞানের প্রগতি সম্ভব হয়েছে। জ্যোতির্বিদ্যা ও জাদুবিদ্যা থেকে শুরু করে ঐতিহ্য, ব্যবহার ও ব্যক্তিসর্বস্বতার ভিতর দিয়ে—বিজ্ঞান যত খাঁটি পরীক্ষার দিকে অগ্রসর হয়েছে, তত অভিজ্ঞতাস্ফীতির সঙ্গে সঙ্গে বৈজ্ঞানিক অধ্যয়নের জন্য নির্দিষ্ট ‘criteria’ আবির্ভুত হয়েছে। নিজেদের কর্মফলের মধ্যে বৈজ্ঞানিকদের একতা দূষ্ট হলেও তাঁরা কিন্তু এক অদ্ভুত প্রহেলিকার পরিচয় দেন। অর্থাৎ বুঝতে হবে যে বিজ্ঞানের ‘internal function’ এবং তার সত্যের স্বরূপ সম্বন্ধে বৈজ্ঞানিকদের মধ্যে মতদ্বৈধ আছে। সমসাময়িক বৈজ্ঞানিকদের এই মতবিরোধ প্রণিধানযোগ্য।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা সাহিত্যের ওয়ার্কশপ
    বইয়ের
    PDF বই
    পিডিএফ
    অনলাইন বুকস্টোর
    গ্রন্থাগার
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি টিউটোরিয়াল
    লাইব্রেরি
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ

     

    অধ্যাপক হোয়াইটহেড বলেছেন : “Our problem is to fit the world to our perceptions and not perceptions to the world.” এখানে হোয়াইটহেড আদর্শবাদী। তাঁর নিজের ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য যা তা—ইই তাঁর কাছে প্রধান সত্য এবং পৃথিবীকে তিনি তার মধ্যে জুড়তে চান। হোয়াইটহেডেরর কাছে বৈজ্ঞানিক অধ্যয়ন হচ্ছে ব্যক্তিগত ইন্দ্রিয়গ্রাহ্যতার (Sense perception) বিশ্লেষণ। আর্থার এডিংটন (Arthur Eddington) বলেন : “Science aims at constructing a world that shall be symbolic of the world of commonplace experience.” এ—মতেরও তাঁর সংগতি নেই। তিনি তাঁর ‘Nature of the Physical World’ আরম্ভ করেছেন তাঁর দৈনন্দিন জীবনের পরিচিত টেবলের সঙ্গে (Whitehead—এর ভাষায় ‘Common-sense notion’ টেবল) বৈজ্ঞানিক টেবলের পার্থক্য দেখিয়ে। তাঁর দৈনন্দিন টেবলে তিনি লেখেন, পড়েন, কিন্তু তাঁর বৈজ্ঞানিক টেবলের বিশাল শূন্যতার মধ্যে অসংখ্য পরমাণু বিদ্যুৎবেগে ছুটোছুটি করছে এবং যার “combined bulk amounts to less than a milionth part of the table itself.” তাঁর মতামতের অসঙ্গতি তখনই পরিলক্ষিত হয় যখন তিনি পরে বলেন : ‘‘Modern physics had by delicate test and remorseless ligic assured me that my second scientific table is the only one that is really there”—এবং এই সমস্ত সূক্ষ্ম পরীক্ষা যা তাঁর বৈজ্ঞানিক টেবলের ‘তত্রত্ব’ (Thereness) প্রমাণ করছে অথচ দৈনন্দিন টেবলের ‘তত্রত্ব’—এ বিশ্বাস করছে না, তাদের তিনি কোনো উল্লেখই করেন না। আমাদের যত দূর মনে হয় বৈজ্ঞানিকের এই প্রকার কোনো ‘সূক্ষ্ম পরীক্ষার’ সুযোগ নেই। এই অবস্থায় ‘রূপক’ (Symbolic) বৈজ্ঞানিক টেবলকে দৈনন্দিন টেবল অপেক্ষা বেশি ‘বাস্তব’ ভাবার মধ্যে মনের যে অদ্ভুত কল্পনা—ক্রীড়া আছে তাতে আমাদের চিত্ত আদৌ সাড়া দেয় না। বারট্রান্ড রাসেল (Bertrand Russel) বলেছেন যে চেতন বা অচেতনভাবেই হোক, পদার্থবিজ্ঞানের উদ্দেশ্য হচ্ছে পৃথিবীর কারণ—কাঠামো (Causal Skeleton) আবিষ্কার করা। অন্যত্র তাঁর ‘The Analysis of Matter’ নামক পুস্তকের মধ্যে তিনি বলেছেন : “It is obvious that a man who can see, knows things that a blind man cannot know; but a blind man can know the whole of physics. Thus the knowledge that other men have and he has not is not part of physics.” এ—প্রশ্ন অবশ্যই অর্থহীন যে সমস্ত বিজ্ঞান বোঝা কোনো ব্যক্তির পক্ষে দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে সম্ভব কি না। প্রশ্ন হতে পারে, তার জন্য কী কী ইন্দ্রিয়ের আবশ্যকতা আছে? যদি কোনো ব্যক্তির কোনো একটি ইন্দ্রিয়ের প্রয়োজন হয় বাস্তব জগতের সঙ্গে সংযোগের জন্য, তাহলে সেই উদ্দেশ্যসাধনের জন্য একটি ইন্দ্রিয়ের সঙ্গে অপরটির পার্থক্য কীভাবে বিচার করব? রাসেলের বক্তব্য হচ্ছে যে দৃশ্যমান জগৎ থেকে বৈজ্ঞানিক প্রতিচ্ছবির এককীকরণ (isolation) সম্ভব, তাতে কিছুই ক্ষতি হবার সম্ভাবনা নেই। অধ্যাপক লেভি (H. Levy) বলেছেন : ‘‘This is surely an unsubstantiated assertion”—সূর্যের বর্ণালির (Spectrum) মধ্যে একটি আইন আছে যার তরঙ্গদৈর্ঘ্য ১৫৯,০০০,০০০ সেন্টিমিটার, এ—কথা বললে অন্ধে যা বুঝবে তা শুধু ওই সংখ্যা ও পরিমাপ। কিন্তু এই বোঝার সঙ্গে ওই বর্ণালির কমলা রঙের (orange) অংশটুকু যে ওই তরঙ্গদৈর্ঘ্যের একটি লাইন দ্বারা অতিক্রান্ত, এ—বোঝার অনেক পার্থক্য আছে। দ্বিতীয় কথার মধ্যে পৃথিবীর যে একটি প্রধান বৈশিষ্ট্য আছে তা অপরটিতে উপেক্ষিত হচ্ছে এবং এই দুই বোধের মধ্যে ব্যবধান আকাশ—মাটি। রাসেলের বক্তব্য সেইজন্যই গ্রহণীয় নয়।

     

    আরও দেখুন
    অনলাইন বুকস্টোর
    বই ডাউনলোড
    ই-বই সাবস্ক্রিপশন
    ডিজিটাল বই
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা হস্তলিপি কুইল
    লেখকের বই
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    নতুন বই
    বাংলা বইয়ের উপহার কার্ড

     

    আধুনিক বৈজ্ঞানিক ও লেখকদের বিজ্ঞানের উদ্দেশ্য সম্বন্ধে এইসব হচ্ছে মতামত। এর মূল কারণের কথা পূর্বেই উল্লেখ করেছি। বৈজ্ঞানিকের অচলায়তনে পূর্বদিকের কপাট আজ উন্মুক্ত। অধীত (Theoretical) বিজ্ঞান তার সীমান্তে এসে ভাবছে ‘অতঃপর’? ফলিত (Practical) বিজ্ঞানের এসেছে বিবেক—বৃশ্চিক দংশন। বাইরে যে—সমাজ, মানবগোষ্ঠীর যে বৃহৎ সমাজ, তার সঙ্গে বিজ্ঞানের সম্বন্ধ কী, আত্মীয়তা কিছু আছে কি না এবং তা কী রকমের? বাইরের সমাজের সঙ্গে বিজ্ঞানের সম্বন্ধ—নির্ণয় করবার আহ্বান আজ বীক্ষণাগারের প্রশান্ত প্রতিবেশকে চঞ্চল করেছে। সামাজিক পটভূমির উপর নিজেকে প্রক্ষিপ্ত না করে আজ আর বৈজ্ঞানিকের স্বস্তি নেই। কিছুদিন পূর্বে ব্ল্যাকপুলে ব্রিটিশ বৈজ্ঞানিকদের এক সভায় এই সম্বন্ধ—নির্ণয়ের যে প্রচেষ্টা হয়েছিল তাতে শুধু বোঝা গিয়েছিল যে বিজ্ঞানের প্রগতি সম্ভব হচ্ছে মানুষের প্রয়োজনকে স্বীকার করে। সমাজজীবনের ভাবস্রোত বিজ্ঞানের পথ কেটে চলেছে সামনে এবং বিজ্ঞানের রূপ নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে দেশ, কাল ও পাত্রসাপেক্ষ বস্তুর সমাবেশে। নিউটন, ফ্যারাডে, ম্যাক্সওয়েল, পাস্তুর, প্যাভলভ, কোনো বিশেষ রাজনৈতিক মতবাদ প্রতিষ্ঠায় সহায়তা না করলেও, এ—কথা অস্বীকার্য নয় যে সমসাময়িক রাজনীতি, অর্থনীতি, দর্শন, সমাজনীতি অথবা মানুষের ব্যাবহারিক জগৎ এঁদের চিন্তাধারা ও কর্মধারাকে অনেকখানি প্রভাবান্বিত করেছে। মানবকল্যাণের শুভেচ্ছাতেই চিরদিন বৈজ্ঞানিকের অন্তর অনুরণিত। বর্তমান যুগের বৈজ্ঞানিকদের মধ্যে যে মধ্যযুগীয় কল্পনা—বিলাসিতার পুনরাবির্ভাব হয়েছে তার কারণ বর্তমান সমাজ ও ভাবী সমাজ উভয় সম্পর্কেই তাঁদের নৈরাশ্য ও পরাভব মনোবৃত্তি। কিন্তু বিজ্ঞান সম্বন্ধে বড়ো সত্য হচ্ছে এই যে, বিজ্ঞান সমাজজীবনের ফল, এবং সমাজজীবনের কল্যাণসাধনই বিজ্ঞানের লক্ষ্য।

     

    আরও দেখুন
    বইয়ের তালিকা
    লাইব্রেরি
    ডিকশনারি
    বাংলা সাহিত্যের কোর্স
    বই ডাউনলোড
    বাংলা সাহিত্যের ওয়ার্কশপ
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি টিউটোরিয়াল
    বই পড়ুন
    অনলাইনে বই

     

    আজ লজ বলছেন : (Oliver Lodge) : “There is evidence of mind at work, beneficient and contriving mind, actuated by purpose”—জিনস বলছেন : “The universe begins to look more like a great thought than a great machine. The universe can be best pictured as consisting of pure thought of a mathematical thinker….,”—বার্গসঁ (Bergson) বলছেন, “Elan Vital” জবন্তকে “more and more complex forms”—এর ভিতর দিয়ে “higher and higher destinies”—এতে নিয়ে যায়। এসবের অর্থ কী? এঁরা এবং এঁদের অনুচরবৃন্দ বলবেন, এই তো বিজ্ঞান, প্রজ্ঞানের সঙ্গে যার অবিচ্ছেদ্য আত্মীয়তা, ‘বিশ্বেশ্বর’ যার সর্বময় প্রভু। এখানে আবার বিজ্ঞানের সঙ্গে সমাজের প্রশ্ন আসে। এঁরা হচ্ছেন ধ্বংসোন্মুখ ধনতান্ত্রিক সমাজের প্রতিনিধি। সীমাহীন নৈরাশ্যের অন্ধকারের মধ্যে এঁরা দিকভ্রষ্ট হয়ে বিপজ্জনক ভাসমান আইসবার্গকে আঁকড়ে ধরতে চান। তাই আজ পৃথিবীর পশ্চাতে ‘নিগূঢ় নিয়তি’র (Purpose) ব্যাখ্যা চলছে, পৃথিবী আজ তাই মনোহর অলস ভাবের (Thought) পর্যায়ে, এবং ‘Elan Vital’, ‘Supra Conscious’ প্রভৃতির অবতারণা। আজ তাই ধ্বংসোন্মুখ ধনতান্ত্রিক সমাজের ক্ষয়িষ্ণু দুর্গন্ধি কলেবরের দিকে চেয়ে কবি T. S. Eliot বিলাপ করেছেন, “Waste and Void. Waste and Void.” আর বৈজ্ঞানিক প্রাচীন প্রফেট ও পয়গম্বরের শূন্যাসনে বসে ইষ্টনাম জপ করছেন। কিন্তু যেখানে এই মৃত্যুযন্ত্রণা নেই, এই নৈরাশ্য নেই, যেখানে সমাজের পচাগলা আবর্জনা পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে, সেই সমাজতান্ত্রিক সোভিয়েট ইউনিয়নের বলশেভিকদের আদর্শ হচ্ছে : “No one can be a member of the party or even a probationary….who does not wholeheartedly and out-spokenly declare himself an atheist, and a complete denier of the existence of every form or kind of the supernatural.” বলশেভিক রাশিয়ার বিজ্ঞান আজ আস্তিক্য প্রজ্ঞাসম্পন্ন না হয়ে, কল্পলোকের পরমেশ্বরের শরণাপন্ন না হয়ে, নাস্তিক্যগন্ধী বিজ্ঞান হয়েছে, কারণ সেখানে শ্রেণি—শাসন বা শ্রেণি—শোষণ নেই, ক্ষয়িষ্ণু সমাজগর্ভজাত অবসাদের সোঁদা গন্ধ নেই, বর্ধিষ্ণু সমাজতান্ত্রিক সমাজের অপূর্ব লাবণ্য আছে। সেখানকার বৈজ্ঞানিকের একমাত্র সত্য মানুষ ও সমাজ, তার উপরে কোনো কিছুর অস্তিত্বে আস্থা নেই। সেখানকার বৈজ্ঞানিকের একমাত্র সত্য মানুষ ও সমাজ। তার উপরে কোনো কিছুর অস্তিত্বে আস্থা নেই। সেখানকার বৈজ্ঞানিকের লক্ষ্য তাই প্রাচুর্য ও আন্তর্জাতিক মৈত্রী, তার মধ্যে বৈরীভাব বা তস্করপ্রবৃত্তির আবিল স্পর্শ নেই। সমাজ যেদিন শ্রেণিমুক্ত হবে, অত্যাচার, নিপীড়ন, শোষণ যেদিন বিলুপ্ত হবে, সেদিন বিজ্ঞান মুক্তকণ্ঠে তার আদর্শের জয়গান গেয়ে মানুষকে নিঃসংকোচে আহ্বান করবে। তাই বৈজ্ঞানিকের নিরাশায় আমরা বিজ্ঞানের উপর শ্রদ্ধা বা আশা ত্যাগ করিনি। বিজ্ঞান চিরদিনই মানুষের সামনে শঙ্খধ্বনি করে এগিয়ে যাবে, সমতলে অনুগামী হবে মানুষ ও মানুষের সমাজ। বৈজ্ঞানিক চিরদিন মানুষের নমস্য থাকবেন সমাজের শুভাকাঙ্ক্ষী বলে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবাংলার নবজাগৃতি – বিনয় ঘোষ
    Next Article বাদশাহী আমল – বিনয় ঘোষ

    Related Articles

    বিনয় ঘোষ

    কলকাতা শহরের ইতিবৃত্ত ২ – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    জনসভার সাহিত্য – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    বাংলার বিদ্বৎসমাজ – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    বাংলার সামাজিক ইতিহাসের ধারা – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    কলকাতা শহরের ইতিবৃত্ত ১ – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    বাদশাহী আমল – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }