Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    শীর্ষেন্দুর সেরা ১০১ – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায় এক পাতা গল্প905 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সেই আমি, সেই আমি – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    সেই আমি, সেই আমি

    They all must fall
    In the round I call .

    ভি, তোমার স্বামীর জন্য লজ্জার কিছু নেই। ও ওর যথাসাধ্য লড়েছে। লক্ষ্মী বোন ভি, কেঁদো, আমি ওকে তেমন জোরে মারিনি। আমি তো জানতুম ওর সুন্দরী স্ত্রী আছে, যে ওকে। ভালোবাসে, আর আছে দুটি কিশোর–কিশোরী ছেলেমেয়ে, যারা ওকে পুজো করে। স্বামীকে লড়াই করতে দেখছে স্ত্রী, বাপকে লড়তে দেখছে ছেলেমেয়ে, তাদের সামনে আমি কি ওকে খুব বেশি লজ্জা দিতে পারি? দিইনি যে তা তুমি দেখেছ। নইলে প্রথম রাউন্ডেই ওর পড়ে যাওয়া উচিত ছিল। তবু আমি ওকে ফেলিনি। রিংয়ের খুব কাছেই তুমি ছিলে, তোমার দুপাশে ছিল তোমার দুই ছেলেমেয়ে। তোমাদের ভীত মুখ আমি দেখেছিলুম। তোমরা সাক্ষী আছ, আমি ওকে খুব বেশি মারিনি। এ কথা ঠিক যে আমি লড়াইয়ের সময় ওর গায়ে থুথু ছিটিয়েছি, মুখ ভাঙিয়ে ঠাট্টা করেছি, চেঁচিয়ে বলেছি, তোর মরণ আমার হাতে অবিমৃষ্যকারী বেল্লিক, আমার হাতে তুই মরবি, এবং এ কথাও ঠিক প্রথম রাউন্ডেই ওর পড়ে যাওয়া উচিত ছিল। তবু ওকে আমি লড়াই করতে দিয়েছি, নাচতে–নাচতে সরে গেছি ওর নাগালের বাইরে, যেন ওকে আমি কত ভয় করি! ইচ্ছে করে অসতর্ক হওয়ার ভান করে আমি ওর অনেকগুলো আঘাত নিয়েছি শরীরে। সেটা শুধু তোমাদের জন্যেই। তোমরা দেখে খুশি হও। পাঁচ রাউন্ড পর্যন্ত ও লড়ে গিয়েছিল। পড়ল ছয়। রাউন্ডেই। ভি . লক্ষ্মী বোন আমার, কেঁদো না। ছয় রাউন্ড! পৃথিবীর লোকের কাছে আমার এই রকমই কথা দেওয়া ছিল। ছয় রাউন্ড–তার বেশি না। কী করব বলো! তোমাকে বলছি, ওর খুব বেশি লাগেনি। লক্ষ্মী বোন আমার, তুমি ওকে বাড়ি নিয়ে যাও, ক্যামেরার আলো আর সংবাদদাতার পেন্সিলের ডগা থেকে ওকে দূরে নিয়ে যাও। আড়ালে, ওকে এই লজ্জা থেকে বাঁচাও। ওকে বোলো, এতে লজ্জার কিছু নেই, যার কাছে ও হেরেছে তার কাছে একদিন না একদিন পৃথিবীর সব সেরা লড়িয়েই হেরে যাবে। খুব শিগগিরই ও আবার দিনের আলোয় লোকসমাজে মাথা উঁচু করে চলাফেরা করতে পারবে। ওকে বোলো, আমি নিজেকে যত বড় বলি আমি তত বড়–ই। বরং তার চেয়েও কিছু বেশি। ভি, আমি দুঃখিত। সেটা শুধু তোমাদের কথা ভেবেই। কিন্তু আমি যদি তুমি হতুম তাহলে আজ আমি আমার স্বামীকে নিয়ে একটু অহংকারও করতুম। কারণ আজ তোমার স্বামী পৃথিবীর সবার সেরা লড়িয়ের কাছে হেরেছে। এটা কিছু কম গৌরবের? তুমি শুনেছ, যারা লড়াই দেখছিল তারা চেঁচিয়ে আমাকে গালাগালি দিচ্ছিল। বলছিল, আমি ভন্ড, জালিয়াত খুনি, আমি লড়াই সাজিয়ে নিই, আমি লড়াইয়ের আগে প্রতিপক্ষকে সন্মোহিত করে নিই। তারা তোমার স্বামীকে বলছিল, ওকে খুন করো, ওকে দড়ির ধারে ঠেলে নিয়ে যাও, ওকে মারো, ভয় নেই, তোমার ফাঁসি হবে না। আমরা গির্জায় মোমবাতি জ্বেলে দেব, আমরা তোমার স্বাস্থ্য পান করব, দোহাই ওকে জিতে যেতে দিয়ো না। কিন্তু আমি জানি, ওরা যতই চিৎকার করুক, ওদের সকলের ভিতরেই একটি শুদ্ধ বিচারক আছেন। ওদের সকলেরই অন্তরের সেই শুদ্ধ বিচারক আমার লড়াই দেখে উঠে দাঁড়িয়ে মাথার টুপি খুলে ফেলেছিল। ওরা মুখে তা কোনওদিন স্বীকার করবে না। হাতের নাগালে পেলে ওরা একদিন আমাকে লিঞ্চ করবে। লক্ষ্মী ভি, বোন আমার, দ্যাখো রিংয়ের বাইরে কি আমাকে খুব বেশি ভয়ংকর বলে মনে। হয়? দ্যাখো, এখন আমি একতাল কাদামাটির মতো মানুষ দ্যাখো, আমার স্নায়ু এত দুর্বল যে আমার হাত-পা কাঁপছে। সাজঘরের আয়নায় আমার ভয়–পাওয়া নেংটি ইঁদুরের মতো মুখচোখ আমি দেখতে পাচ্ছি। তোমার চোখের জল দেখে মনে ক্ষোভ হচ্ছে যে কেন আমি তোমার স্বামীর কাছে হেরে গেলাম না। তোমার ওই অবোধ কিশোরী মেয়েটির সামনে আমার হাঁটু গেড়ে বসতে ইচ্ছে করছে; হায়, ওর বাবাকে যখন মেরেছিলুম তখন ওর মুখে কী দুর্বোধ্য যন্ত্রণা ফুটে উঠেছিল। তোমার ওই কিশোর ছেলেটিকে আমার কাছে নিয়ে এসো, ও চোখের জল চেপে রাগি মুখে দাঁড়িয়ে আছে, কাল ওর স্কুলের বন্ধুরা হয়তো ওর দিকে আড়চোখে চেয়ে মুচকি হাসবে। ভি, ঠিক এতটাই দুর্বল, রিংয়ের বাইরে আমি একতাল কাদা–মাটির মানুষ। তোমার সঙ্গে এখন আমার কাঁদতে ইচ্ছে করছে। দ্যাখো, এখন গ্লাভস খোলা আমার দুটি নগ্ন হাত কী ভদ্র ও সুন্দর! দ্যাখো, লড়াইয়ের খাটো প্যান্ট ছেড়ে এখন আমি গায়ে পরেছি সাদা একটা জোব্বা। এখন কি আমাকে একজন ধর্মপ্রচারকের মতো বিশুদ্ধ দেখাচ্ছে না? দ্যাখো, আমার চোখে চিকচিক করছে সামান্য একটু জল। সন্দেহ কোরো না, আজ রাতে তোমাদের খাওয়ার টেবিলে আমাকে মনে। করে একটা চেয়ার খালি রেখে দিয়ো, ইচ্ছে হলে টেবিলের ওপর ফেলে রেখে এক টুকরো রুটি। আজ থেকে আমাকে তোমাদের পরিবারের একজন বলে ভেবো।

    ওরা সব সাজ–বদল করা মানুষ। ওরা আমাকে টেলিফোনে ডেকে বলছে, এল, অভিনন্দন! চমৎকার লড়েছ, চমৎকার! ওরা আমাকে বেনামা চিঠিতে লিখছে, এল, রাস্তার কুকুর, বেজন্মা, তোর জন্য দূরবিন লাগানো চমৎকার একটা রাইফেল কিনেছি, যে রাইফেলে ‘কে’ মারা পড়েছিল সেই একই মেকারের। এরপর যদি তুই কখনও লড়াইতে নামিস, তবে গ্যালারি থেকে আমর নিশানা ঠিক থাকবে। ওরা সব সাজ–বদল করা মানুষ। দেখো, বিকিনি পরা মেয়েটি মায়াময়ী সমুদ্রতীরে উপুড় হয়ে পড়ে বালিতে গর্ত খুঁড়ে গোপনে বলে রাখছে, এল, আমি তোমাকে ভালোবাসি। তারপর বালি দিয়ে গর্তের মুখ বুজিয়ে দিচ্ছে লজ্জায়। আবার দ্যাখো,

    আধবুড়ো লোকটা টেলিভিশনের কাছ থেকে হতাশ হয়ে সরে যেতে নিজেকেই নিজে বলছে, ওই বদমাশ গুন্ডা লোচ্চা এলটাকে কেন দ্বীপান্তরে পাঠানো হচ্ছে না! কেউ কি নেই যে ওকে খুন করে শহীদ হতে পারে! ওরা আমার পক্ষে কিংবা বিপক্ষে বাজি ধরে জিতছে, কিংবা হেরে যাচ্ছে। ওরা এই সময়ে, রাগে, হতাশায় চেয়ে দেখছে আমি উড়োজাহাজ থেকে নামতে–নামতে দু-হাত তুলে ওদের দেখাচ্ছি ছটা আঙুল। ছয় রাউন্ড–তার বেশি না। এবার এই লড়াইতে আমার প্রতিপক্ষের আয়ু ছয় রাউন্ড মাত্র। ওরা জানে, আমি কথা রাখব। ওরা চেঁচিয়ে বলে, নরকে যা, বেজন্মা! ওরা সব সাজ–বদল করা মানুষ। শূন্য ঘরে আমার ছবির দিকে তাক করে ওরা গুলি ছুড়ছে। রাস্তার মোড়ে–মোড়ে দাঁড়িয়ে বিক্রি করছে আমারই ছবি। ওরা আমাকে ভয় করে, ঘেন্না। করে, ভালোবাসে। ওরা সব সাজ বদল করা মানুষ। জানে না যে, যে এল–কে ওরা খুঁজে বেড়াচ্ছে আমি সে নই। সে নই।

    আসলে আমি সেই শহরতলির রাস্তার ছোট্ট এল, যে পাথর কুড়িয়ে বেড়ায়, নিশানা ঠিক করে গাছে বা ল্যাম্পপোস্টে  ছুঁড়ে মারে। কোন রাস্তায় যে সে যাবে তার কোনও ঠিক–ঠিকনাই নেই! একদিন গ্রীষ্মের এক সুন্দর সকালে যে এল পাথর কুড়িয়ে অভ্যাস মতো ছুড়বার আগে নিশানা ঠিক করে নিতে গিয়ে টের পেয়েছিল তার কোনও নিশানা, নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তু বলতে কিছু নেই! রাস্তার একধারে তাদের কালো মানুষদের বস্তি, অদূরে বিশাল হাইওয়ের ওপর দিয়ে তীব্র গতিতে গাড়ি চলে যাচ্ছে, আর এক পাশে–এল দেখেছিল–মিশনারি স্কুলের উঠোনে নীল ইউনিফর্ম পরা কালো মেয়েরা সার বেঁধে দাঁড়িয়ে আছে। সামনে বেদির মতো উঁচু জায়গায় দাঁড়িয়ে আছেন মাদার–তাঁর সাদা পোশাক, মাথা ঢাকা আলগা ঘোমটার মতো কালো কাপড় তাঁর কাঁধ আর পিঠের ওপর পড়ে আছে, তাঁকে তাই পেঙ্গুইন পাখির মতো দেখায়। সাদা সুন্দর সেই পেঙ্গুইন পাখির মতো নান আর তাঁর সামনে প্রার্থনারত নীল পোশাক পরা কালো মেয়েদের সারি, একধারে হাইওয়ে আর অন্যদিকে তাদের নোংরা বস্তি–এইসব কিছুর ওপর সুন্দর সকালের আধ–ফোঁটা রোদ পড়ে আছে। কোনদিকে, কোথায় যে হাতের পাথরখানা  ছুঁড়ে মারবে এল, ছোট্ট এল তো ভেবেও পেল না। তার কুড়ানো পাথর হাতে রয়ে গেল অনেকক্ষণ। সেই প্রথম সে বুঝতে পেরেছিল, তার সত্য কোনও লক্ষ্যবস্তুও নেই, কোনও ল্যাম্পপোস্ট, কোনও গাছই তার শত্রু নয়, তার হৃদয় ওই সকালের মতোই পবিত্র ও সুন্দর। তাই সে হাতের পাথরখানা আবার গড়িয়ে দিল রাস্তায়। না, কোনও কিছুকেই সে আর আঘাত করতে চাইল না। আমি এল, আমি সেই ছোট্ট এল, পাথর কুড়িয়ে নিয়েও যে আবার সে পাথর রাস্তায় গড়িয়ে দিয়েছিল একদিন।

    এল, তুমি যখন হাঁটছ, তখন তোমার পায়ের অত শব্দ হয় কেন? চোরের মতো হাঁটতে শেখো, এল। নইলে একদিন ওই পায়ের শব্দই তোমার মৃত্যু ডেকে আনবে। এই কথা একদিন আমাকে বলেছিল সেই লোকটা যে ছিল একজন হাটুরে পটুয়া, যার কোনও ছবিরই দাম পঞ্চাশ সেন্টের বেশি ছিল না। যার ব্যাবসা ছিল ছবি নকল করে বিক্রি করা, যে লোকটা বিখ্যাত সব ছবি স্কেচ আর কপি করতে-করতে মাঝে-মাঝে  ছুঁড়ে ফেলে দিত তার রঙের ব্রাশ আর তুলি, কখনও খেপে গিয়ে পাগলের মতো দেয়ালের গায়ে আবোল-তাবোল রং মাখাত, গভীর রাতে মদ খেয়ে বাড়ি ফেরার সময়ে যে আবেগ–ভরে গাইত নিগ্রো লোক–সংগীত! এই লোকটা ছিল আমার বাবা। হাতের রং ঝাড়নে মুছতে-মুছতে যে সবজান্তার মতো হেসে বলত, এল, চোরের মতো হাঁটতে শেখো, ঠিক চোরের মতো। সবসময়ে এই কথা ভেবে যে রাস্তার প্রতি মোড়ে, প্রতিটি দেয়ালের আড়ালে তোমার জন্য শান্তভাবে অপেক্ষা করছে বন্দুকের ব্যারেল, রিভলবারের নল, আঙুলের মধ্যে লুকোনো ধারালো ব্লেড, বুটের তলায় লাগানো লোহার নাল। অত অহংকার করে হেটোনা, অপরাধবোধ নিয়ে হাঁটতে শেখো, চোরেরা যেভাবে হাঁটে। ছায়ার মতো চলাফেরা করো, ভেবে নাও তোমার শরীর নেই, তুমি ছায়া মাত্র! ভাবতে-ভাবতে ক্রমে ক্রমে ছায়া হয়ে যেয়ো। পালাতে শেখো, খুব জোরে দৌড়োতে শেখো। দেখো, যেন পায়ের শব্দ না হয়, গলার শব্দ না হয়, তোমার হৃৎপিন্ড যেন খুব জোরে শব্দ না করে। জীবন–মরণ এল, এর ওপর তোমার জীবন–মরণ। বলতে-বলতে টপ করে হঠাৎ লাফিয়ে উঠত সেই পাগল পটুয়া, এল, পায়ের পাতার ওপর তুমি হাঁটতে পারো না? খুব গম্ভীর মুখে নিজেই সে হেঁটে দেখাত আমাকে, এইভাবে…ঠিক এইভাবে পায়ের শব্দ গোপন করা যায়। পায়ের পাতার ওপর ভর দিয়ে হাঁটতে শেখো। তখন দেখবে তুমি দ্রুত হাঁটতে পারছ, শরীরকে ইচ্ছে মতো হালকা করে নিতে পারছ। আবার কখনও কখনও লোকটা চোখ পিটপিট করে আমার দিকে চেয়ে থেকে খুব হতাশ হয়ে বলত, হায় এল, তুমি এত লম্বা–চওড়া কেন? ভিড়ের ভিতরে তোমাকেই যে সকলের আগে চোখে পড়ে যাবে! হায়, তুমি আরও ছোট খাটো হলে না কেন, আরও রোগা, আরও বিষণ্ণ হলে না কেন, এল?

    কখনও আমি সাদা ছোঁকরাদের টিটকিরি শুনে ঘুষি তুলেছি, অমনি এক পথ–চলতি নিগ্রো বুড়ি আমার হাত চেপে ধরে কানের কাছে ফিসফিস করে বলেছে বাছা, ভয় পেতে শেখো, ভয় পেতে শেখো। এখনও আমাদের জোট বাঁধতে অনেক দেরি। হ্যাঁ, আমি সেই এল, যে ভয় পেতে শিখেছিল। রাতে ঘরের চালের ওপর দিয়ে লাফিয়ে যাচ্ছে বেড়াল, সেই শব্দে ঘুম ভেঙে সে ভয়ে আঁকড়ে ধরত বালিশ। হেমন্তে শুকনো পাতা ঝরে পড়ছে, সেই শব্দে সে তড়িৎগতিতে বড় রাস্তা ছেড়ে দৌড়ে নেমে যেত গলিতে। বর্ষার জল–জমা গর্তের মধ্যে লাফিয়ে পড়েছে ব্যাঙ সেই শব্দে তার হৃৎপিন্ড লাফিয়ে উঠত গলায়। সে বাতাসের মধ্যে শুনতে পেত ফিসফিশ শব্দ, ট্রিজন! হত্যা! লুট। দূর সমুদ্রের শব্দের মধ্যে সে শুনতে পেত সেই গান, পায়ে-পায়ে লাথি মারতে মারতে নিয়ে চলো ওই নিগ্রোটাকে। টেক দি নিগার বাই দি টো। বাতাসের ভিতরে লুকোনো আছে বিস্ফোরক, সূর্যের আলোয় মেশানো আছে গন্ধক, প্রতিটি গাছের চিক্কণতায় লুকোনো আছে বিশ্বাসঘাতকতা। সে কেবল এই বীজ–মন্ত্র শিখেছিল, বিশ্বাস কোরো না, এল, বিশ্বাস। কোরো না।

    প্রতিপক্ষের নাগাল থেকে আমি ছায়ার মতো পালিয়ে যেতে শিখেছিলুম আমি জোরে দৌড়তে শিখেছিলুম, আমি পায়ের পাতার ওপর ভর দিয়ে হাঁটতে শিখেছিলুম, আমি চোখ বুজে ভাবতে শিখেছিলুম যে আমি আমার ছায়া। এখন লড়াইয়ের পর রিংয়ের মধ্যে লাফিয়ে উঠে আসে মানুষ, রিংয়ের দড়ির ওপার থেকে ঝুঁকে চিৎকার করে বলে, এ লড়াই নয়, কালো–শিল্প, সম্মোহনবিদ্যা, অ্যালকেমি। কুকুর, তুই কেবল চোখে ধুলো দিয়ে পালিয়ে যেতে শিখেছিস। আমার আহত প্রতিপক্ষ হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে সংবাদদাতাদের কাছে গম্ভীর মুখে বিবৃতি দেয়, লড়াইয়ের সময় রিংয়ের মধ্যে ও এত দ্রুত সরে যাচ্ছিল যে আমি ওকে ভালো করে দেখতেই পাচ্ছিলুম না। ও যেন ঠিক ছায়ার মতো পড়ছিল আমি ওকে ছুতেই পারিনি। আমার পরবর্তী প্রতিপক্ষ বুক ঠুকে চেঁচিয়ে বলে, তোমাকে দেখে নেব এল, এবার তোমাকে আমি দেখে নেব। আমি মৃদু হেসে পৃথিবীর লোকের সামনে আবার আমার দুই হাত তুলে ধরি! আঙুল দেখাই। সাত রাউন্ড! তার বেশি না। এবার আমার প্রতিপক্ষের আয়ু মাত্র সাত রাউন্ড। বিস্ময়ে, ক্ষোভে, হতাশায় ওরা চিৎকার করে বলে, নরকে যা, নরকে যা, বেজন্মা। কেননা ওরা জানে যে আমি আমার কথা রাখব। কেননা, আমি প্রজাপতির মতো উড়ে বেড়াই, মৌমাছির মতো হুল ফুটিয়ে দিই। আমি আমার প্রতিদ্বন্দ্বীকে ডেকে বলি, গোঙাও, বাছা গোঙাও। আমাকে ছুঁতে পারোনি বলে দুঃখ কোরো না। কে কবে ছুঁতে পেরেছে আমাকে! আমি যে সেই ভয় পাওয়া নেংটি ইঁদুরের মতো ছোট্ট এল, যে ভয়ঙ্করভাবে পালিয়ে যেতে শিখেছিল। যে সূর্যের আলো থেকে বাতাস থেকে, সমুদ্রের শব্দের কাছ থেকে কেবল পালিয়ে গেছে, যে নিজেকে ভাবতে শিখেছিল ছায়া। তুমি তো দেখেছ কেমন দ্রুত চলে আমার পা, রুহমবা নাচের হালকা শরীর নর্তকের মতো আমি কেমন আমার প্রকাণ্ড শরীরকে দূরে-দূরে সরিয়ে নিয়ে যাই, কেমন করে আমি হয়ে যাই ছায়ার মতো অবাস্তব, হয়ে যাই মায়াবী জাদুকর!

    ভি, তোমাকে জিগ্যেস করি, দ্যাখো তো আমি কি দেখতে সুন্দর নই! আমাকে কি যথেষ্ট ভদ্রলোকের মতো দেখতে নয়? দ্যাখো, আমার প্রকাণ্ড শরীর এমন সুষম ও স্বাভাবিকভাবে গড়ে ওঠা যে আমাকে একটুও বিকট দেখায় না, দেখো আমার থুতনির কাছে ছোট্ট একটু আঁচিল, ঘন। জ, মাথায় কালো চুল, আমার চোখ দ্যাখো, এর ভিতরে কি কোনও ঘেন্নার আগুন আছে, কিংবা প্রতিশোধস্পৃহা? বরং শিশুর মতোই নিষ্পাপ ও কৌতূহলী আমার চোখ। তুমি যদি কখনও দ্বিধা। ত্যাগ করে আমাকে তোমার ওই কিশোর ছেলেটি ভেবে বুকে জড়িয়ে ধরো তবে নিশ্চিত জেনো, তোমার এই টোল খাওয়া শরীর নরম বুক যুবতী–মুখের ডোল এইসব ভুলে গিয়ে আমি তোমাকে আমার মা ভেবে কাঙাল ছেলের মতো চোখ বুজে চুপ করে থাকব। কিন্তু দ্যাখো, খুব বেশিক্ষণ আমাকে এই ভাবে রেখো না। খুব বেশিক্ষণ আমি কারও কিছু হয়ে থাকতে পারি না। আমার নিজেরই এক অদৃশ্য হাত আমাকে সবকিছু থেকে ইচ্ছা, লোভ এবং বিশ্বাস থেকে ছিঁড়ে আনে। দুবার আমার বিয়ে ভেঙে গেছে। না, আমি পত্নীপরায়ণ স্বামী নই, যেমন আমি নই মা বাবার আদুরে বাধ্য ছেলে, নই ভাই-বোনের প্রিয় সহোদর, আমি নই বন্ধুদের বিশ্বাসভাজন। আমি অত হতে পারি না। আমি এক প্রকাণ্ড শিশুর মতোই নতুন খেলনা পেতে ভালোবাসি, আবার ভেঙে দুমড়ে সেই খেলনা ফেলে দেওয়াও আমার কাছে সমান প্রিয়। শিশুর মতো নিষ্ঠুর ও

    উদাসীন আর কে আছে? আবার শিশুর মতো ভীতুই বা আর কে? দ্যাখো রিংয়ের বাইরে আমি এখন একতাল কাদামাটির মতো মানুষ, পাতা ঝড়ে পড়ার শব্দে আমি চমকে উঠি, বেড়ালের পায়ের শব্দ হলে রাতে আমার ঘুম হয় না, আমার আমিই সেই এল যে আঙুল তুলে এক দুই তিন রাউন্ড দেখাই। ভি, কিছুক্ষণের জন্য এ সব কিছুই সত্য। দ্যাখো, গ্লাভস পরা সেই দুটি ভয়ংকর হাতকে এখন দ্যাখো, আমি এখন খুব সূক্ষ্ম ছুঁচে সুতো পরাতে পারি, আমি এই হাতে আঁকতে পারি পাখি, রমণী ও প্রজাপতির ছবি, বেহালায় বাজাতে পারি প্রেমের গান। ভি, বোন আমার, পৃথিবীতে কিছুক্ষণের জন্য এই সব কিছুই সত্য। যেমন একথাও সত্য যে, একদিন ছেলেবেলায় আমাকে শ্রান্ত ও পিপাসার্ত দেখে বুড়ো এক সাহেব ডেকে বলেছিল, এসো এল, এক কাপ কফি খেয়ে যাও। আবার এ কথাও সত্য, সাদা মানুষের হাতে একদিন বেধড়ক মার খেয়ে একটি অশিক্ষিত নিগ্রো ছেলে রক্তমাখা মুখে উদভ্রান্তের মতো ম্যানহাটনের পথে–পথে ঘুরে বেড়িয়েছিল। পথচারীদের ধরে-ধরে করুণ গলায় জিগ্যেস করেছিল, মশাই, বলতে পারেন আফ্রিকাটা কোন দিকে? আমি আফ্রিকায় যেতে চাই। আমি আফ্রিকায় চলে যেতে চাই।

    কিছুক্ষণের জন্য এই পৃথিবীতে সব কিছুই বড় সত্য।

    একদিন আমি সমুদ্রের তীরে এক জাহাজঘাটায় চারজন প্রার্থনারত লোককে দেখেছিলুম। আরব বেদুইনদের মতো অদ্ভুত তাদের ঢিলাপোশাক, মাথায় সাদা ফেজ টুপি। তারা মক্কার দিকে মুখ করে নানা বিচিত্র ভঙ্গিতে তাদের প্রার্থনা সেরে নিচ্ছিল। দেখলুম তারা কখনও উবু হচ্ছে, উঠে দাঁড়াচ্ছে, বসছে কানে হাত দিচ্ছে। আমি দু-পা ফাঁক করে, প্যান্টের পকেটে দুই মুষ্টিবদ্ধ হাত নিয়ে ঠায় দাঁড়িয়ে রইলুম। আমার সামনে সমুদ্রের গভীর সবুজ রং মাথার ওপরে লালফিরোজায় মাখামাখি আকাশ, দুইয়ের মাঝখানে নিঃসঙ্গ এক জাহাজের দীর্ঘ মাস্তুল, আর তারা চারজন। তখন আমি শহরতলির বাচ্চা–বখাটে এল চোর, ছিনতাইবাজ; পাছাভারী বুক–উঁচু মেয়েদের দেখে প্রকাশ্যে শিস দিই, মাঝে-মাঝে হিসেব করে দেখার চেষ্টা করি আমাদের মধ্যে কার কটা বে-আইনি ছেলে–পুলে আছে। অথচ আমার সামনে সেদিন সেই তুচ্ছ, অতি তুচ্ছ সাধারণ সেই দৃশ্যটি যেন রুখে দাঁড়াল। আমি নড়তে পারলুম না। উদাসীন একটি মেঘ আমার মনের ওপর একটুক্ষণের জন্য তার ছায়া ফেলে গেল। প্রার্থনার শেষে তারা চারজন বুড়োসুড়ো লোক সামনে আমার দু-পকেটে মুষ্টিবদ্ধ হাত এবং দু-পা ফাঁক করে দাঁড়ানোর ভঙ্গি দেখে ভয়ে জড়সড়ো হয়ে দ্রুত গুটিয়ে নিল তাদের কাপড়ের টুকরোগুলি যার ওপর দাঁড়িয়ে তারা প্রার্থনা করছিল, তারপর তারা তাড়াতাড়ি সরে পড়বার চেষ্টায় ছিল। আমি তাদের সঙ্গ ধরে জিগ্যেস করলুম, তোমরা কারা? তারা প্রথমে সন্দেহের চোখে আমাকে দেখল, একটু ইতস্তত করল, তারপর হেসে বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে দিল। আমরা বালির ওপর বসলুম। তারা সিগারেট এগিয়ে দিয়ে বলল , আমরা তীর্থযাত্রী। আমাদের গোত্র–পরিচয় এখন আর নেই, সে সব আমরা পিছনে ফেলে এসেছি। আমি হেসে ঠাট্টা করে বললুম, বাহবা! চমৎকার! কিন্তু যে কাপড়ের টুকরোগুলো মাটিতে পেতে তোমার প্রার্থনা করছিল সেগুলো কিন্তু তোমরা গুটিয়ে নিয়েছ, ফেলে যাওনি। শুনে সবচেয়ে বুড়ো লোকটা, যার পাকা জ্ব, নিরীহ মুখ, সে বলল , বাছা কোনও কিছুকেই ফেলে যে আমরা যাচ্ছি না একথা সত্যি। তবে তীর্থযাত্রীকে ওরকমই ভাবতে হয়। নইলে কোনও কিছুকেই কি ফেলে যাওয়া যায়? দেখো ওই আকাশ, সূর্য, গ্রহ, নক্ষত্র, এই আমাদের পৃথিবী–এরা সবাই চলেছে, কেউ কাউকে ফেলে রেখে যাচ্ছে কি? এখন তুমি যদি অনুমতি দাও তবে আমরা এই প্রার্থনা করার কাপড়ের টুকরোগুলো সঙ্গে নেব; আর যদি তোমার ইচ্ছে হয়তো বলল  আমরা এগুলো সমুদ্রে ফেলে দিয়ে যাই। কেন না কে জানে, তুমিই ঈশ্বরের প্রেরিত পুরুষ কি না, তীর্থযাত্রার মুখে হয়তো আমাদের পরীক্ষা করতে এসেছ।

    ভি, ওরা ছিল অশিক্ষিত সামান্য মানুষ, ওদের ধর্মজ্ঞান ওরকমই যুক্তিহীন ও আবেগপূর্ণ। তবু সমুদ্রের ধারে বালির ওপর বসে চারজন বুড়োসুড়ো লোকের মুখোমুখি, পিছনে জাহাজ, আকাশ ও সমুদ্রের মায়া, ঢেউয়ের আর এলোমেলো বাতাসের শব্দের মধ্যে ওই কথা আমার অদ্ভুত লেগেছিল–আমি ঈশ্বরের প্রেরিত পুরুষ কি না? আমি মনে-মনে নত হয়ে আমার বিদ্রূপ সামলে নিলুম। তারা আমার মঙ্গল প্রার্থনা করল, তারপর খুশি হয়ে ঢালু বালিয়াড়ি ভেঙে ধীরে-ধীরে সুবজ জলের কাছে নেমে গেল।

    এখন আমার চারধারে সবসময়ে ঘিরে থাকে ঘুষি মারবার থলি, ওজন তুলবার যন্ত্র, মেসিন বল, দৌড়োবার জুতো, আমার সারাদিনের সঙ্গী সেইসব দৈত্যকায় মানুষেরা যাদের সঙ্গে আমি লড়াই অভ্যাস করি। আমি এল, যে নাম শুনলে আমারই বুকের ভিতর দপ করে জ্বলে ওঠে অহংকার। আমি মূল্যবান। আমার নামে বাজি ধরা হয়। লড়াইয়ের আগে ওজন নেওয়ার সময়ে। প্রতিদ্বন্দ্বীর সঙ্গে দেখা হয়, আমি ফুঁসে উঠে বলি, বুড়ো শুয়োর, হোঁতকা ভালুক, আমি গান গাইতে-গাইতে তোকে মেরে ফেলতে পারি। আমি রাস্তার লোককে জড়ো করে বলি, আমি সর্বশ্রেষ্ঠ; আমিই সর্বকালের একমাত্র সেরা লড়িয়ে। আমি অজেয়, ভয়ঙ্কর দ্যাখো এল–তোমরা আমার জয়ধ্বনি দাও। দেখো ভি, তবু রিংয়ের বাইরে আমি একতাল কাদামাটির মানুষ; মনের ভিতরে খুব গভীরে আমি এখনও এক বিমনা এল, যে নদীর ওপর ঝোলানো পোলে দাঁড়িয়ে রাতের কুয়াশার দিকে চেয়ে থাকে, যে একা-একা ঘুরে বেড়ায় শহরতলির রাস্তায় রাস্তায়, জাহাজঘাটায় যে পথে চলতে দেখা বুড়ি ফলওয়ালির ঝুড়ি থেকে মজা করবার জন্য টপ করে তুলে নেয় ফল, যে সদ্য–হাঁটতে–শেখা নিগ্রো শিশুর দিকে দু-হাত বাড়িয়ে বলে, এসো, এসো আর একটু…আর একটু…শাবাশ! আমি সেই এল, যে একদিন সমুদ্রের ধারে চারজন বুড়োর। মুখোমুখি ভাবতে বসেছিল, সে ঈশ্বর প্রেরিত পুরুষ কি না। যে একদিন হাতের কুড়োনো পাথর রাস্তায় গড়িয়ে দিয়ে ভেবেছিল, পৃথিবীর কোনও গাছ, কোনও ল্যাম্পপোস্টই তার শত্রু নয়। মাঝে-মাঝে তাই উজ্জ্বল আলোর নীচে, রিংয়ের ভিতরে দুটি গ্লাভসবদ্ধ হাত শূন্যে তুলে পৃথিবীর মানুষকে ডেকে আমার এই কথা বলতে ইচ্ছে করে, দ্যাখো, চেয়ে দ্যাখো তোমরা আমাকে কোথায় নির্বাসিত করেছ!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঘুণপোকা – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
    Next Article ৫০টি প্রেমের গল্প – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    Related Articles

    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    অসুখের পরে – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    সাঁতারু ও জলকন্যা – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    ৫০টি প্রেমের গল্প – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    ঘুণপোকা – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 25, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    বাসস্টপে কেউ নেই – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 25, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    ২৫টি সেরা ভূত – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 25, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }