Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    শীর্ষেন্দুর সেরা ১০১ – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায় এক পাতা গল্প905 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সাধুর ঘর – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    সাধুর ঘর

    পাকুড় গাছের তলায় সাধুর ঘরে কে যেন আগুন দিয়েছে। উত্তরে বাতাস বইছে হুহু। দুপুরের রোদে আগুনের তেমন জলুস খোলে না। তবু সাধুর ঝোঁপড়াটা রোদ খেয়ে টনটনে হয়ে ছিল বলে আগুনটা ধরেছে ভালো। কয়েকটা হালকা পাকুড় গাছটার নীচু ডালপালা ধরে ফেলল, কয়েকটা লাফ দিয়ে গিয়ে ধরল নুলো সাতকড়ির চায়ের দোকানটা। দুপুরের খর রোদেও আগুনটার লাল হলুদ রংটা ছড়িয়ে গিয়ে খোলতাই হল। হপ্তা বাজারের রাস্তায় লোক জমে গেল খুব। কর্ড লাইনের ধারের পসারিরা ছুটে এল।

    কে আগুন দিল? কে?

    সাধু লোক ভালো না। কর্ড লাইনের ধারের বেওয়ারিশ পাকুড়তলার জমি তার বাপের নয়। সরকারের। সরকারের বাঁধুনি আলগা, তাঁর কোচা দিতে কাছা খুলে যায়। তাই গভর্নমেন্টকে ছোলাগাছি দেখিয়ে বছরখানেক সাধু তার ঝোঁপড়ায় গেঁজেল তেড়েলদের আড্ড খুলেছে। মুখোমুখি একঘর পাটকল ম জ্বরের বাস। তাদের ছানাপোনা আঁতুড় থেকেই ধুলোয় গড়ায়, ধুলোমাটিতে হামা টানে। কয়েক গজ দূর দিয়ে বুক কাঁপানো মেল ট্রেন যায়, আর যায় বাহারি রাজধানী এক্সপ্রেস, নিঃশব্দে সাপের মতো চলে লোকাল। ছানাপোনারা সেইসব ট্রেনের চাকা থেকে দু-তিন গজের মধ্যে খেলাধুলা করে পাথর কুড়োয়। মায়েরা ক্ষেপও করে না। বাপেরা ছেলেমেয়ের নামও ভুলে যায়। মানুষের এইসব উদাসীনতার ফাঁকে ফোঁকরে এক-আধজন লোক দুনিয়াতে বসে যায়। সাধুও বসে গিয়েছিল।

    সাধুদের রাঙা পোশাক পরতে হয়, মুখ খারাপ করতে হয়, ত্রিশূল বইতে হয়–বোধহয় সেইজন্যই সাধু জটাজুট, রাঙা পোশাক, ত্রিশূল সবকিছুর জোগাড় রেখেছে। আর তার খারাপ মুখ। এমনই অনর্গল অবিরল সারাদিন সে মুখ ছোটায় যে, পাটকল মজুরদের ছানাপোনাদের মুখে প্রথম যে কথা ফোটে, তা হল সাধুর খারাপ কথা। কেউ রাগ করে না অবিশ্যি। শিখবেই তো বড় হয়ে, বাপ যখন মাকে বকবে, কি মাতাল হয়ে হল্লাচিল্লা করবে, কি পাওনাদার যখন এসে বাপকে নেবে একহাত, তখন শেখা হবেই। সাধু শুধু কাজটা এগিয়ে রাখছে। রাখুকগে। সাধু যখন চিল্লায়, তখন সকালবেলায় ছানাপোনার মা দূরের দিকে চেয়ে বসে মাথায় উকুন চুলকোয়, বাপ পাকুড়তলায় ছায়ায় খাঁটিয়ায় শুয়ে আগের রাতের খোঁয়ারি ভাঙে। কেউ সাধুর দিকে ফিরেও চায় না।

    সবাই জানে–এ সাধুটো ঝুট আছে। সাট্টা সাধু মেকি। সেবার যখন শীতলবাড়ির পাশে মজুমদারদের নতুন ভাড়াটের বউটাকে রাত বারোটায় তেঁতুলবিছে কামড়াল, তখন অত রাতে উপায় না দেখে তারা এসে সাধুকে ডেকেছিল, যদি সাধু এসে ঝেড়ে ফুকে দেয়। সাধু বিপদ বুঝে তেড়ে গাল দিতে লাগল–বিছেটাকে মেরে ফেলেছ তোমরা? অ্যাঁ? মেরে ফেলে আবার আমাকে ডাকতে এসেছ? বলি, ঝাড়ব যে, তা বিষটা টানবে কে? বিছেটা মেরে ফেললে–তা বিষটা কি আমি মুখ দিয়ে টানব?

    তখনই বোঝা গিয়েছিল যে, সাধুটা সাট্টা। মজুমদার ভাড়াটেরা তখন জি টি রোড থেকে বিখ্যাত ঝাড়ুনী বুড়িকে নিয়ে এসেছিল। বুড়ি এসে প্রথমটায় দুধ আর জল দিয়ে ঝাড়ল, তারপর ঝাঁটার কাঠি দিয়ে। ব্যাপারটা দেখতে জমকালো, কিন্তু কাজ হল না। কিন্তু সাধু পদ্ধতিটা দেখে রাখল মন দিয়ে। অন্য জায়গায় চালাবে। তাকেও করে খেতে হবে তো?

    গোলবাজারে বুড়ো শেখ সাহেব বসতেন এক সময়ে। দারুণ গেঁজেল। তাঁকে ঘিরে ছিল সারা হপ্তা রেসুড়েদের ভিড়। শুক্রবারে ভিড় হত সবচেয়ে বেশি। শেখসাহেব ভ্রূক্ষেপ করতেন না। গাঁজা টানতেন, আর টানতেন। তারপর নিমীলিত চোখে কখনও হুঙ্কার দিয়ে বলতেন–এক লাঠি। তার মানে হচ্ছে এক। এক নম্বর ঘোড়া ধরো তো তোমরা। কখনও বলতেন–দো রোটি। তার মানে হচ্ছে–আট। কখনও বা–তিন কাঠি। তার মানে হচ্ছে–চার। এইরকম ঠারে ঠোরে টিপস দিতেন শেখসাহেব। ঘোড়া রেসের ময়দানে শেখ সায়েবের কথা মতো চলত।

    সাট্টা সাধু কায়দাটা শিখে রেখেছিল। পাকুড়তলায় গাঁজা টানতে-টানতে সে-ও মাঝে-মাঝে চিৎকার দেয়–এক লাঠি। কিংবা–তিন কাঠি। কিংবা দো রোটি।

    লোকে প্রথমটায় খেয়াল করেনি। রেলের গ্যাংম্যান চানুর বাহারি দাড়ি আছে বলে তার নামডাক দেড়েল চানু বলে। দেড়েল চানু সাধুর টিপস ধরে পয়লা বারে একশো আঠারো টাকা, দ্বিতীয় দফার শ’দেড়েক টেনে আনল তারপর দিশি মদ গিলে এসে সাধুর পায়ের ওপর বডি ফেলে কাঁদতে–কাঁদতে বলল –মন্তর দাও। আজ থেকে আমি তোমার চেলা।

    তা দেড়েল চানুই সাধুর প্রথম শিষ্য। মন্তর বলে যে একটা ব্যাপার আছে, তা সাধু খেয়ালই। করেনি। স্বপ্নেও তার ভাবা ছিল না যে, তারও একদিন শিষ্য জুটবে। ছেলেবেলায় সে তার বাপকে দেখত, ঘুম থেকে উঠেই হাই তুলতে-তুলতে চেঁচাত–ওঁ তৎসৎ। সেই মন্তরটা জানা ছিল। দেড়েল চানুর কানে-কানে সেই মন্তরটা দিয়েছিল সে। আর ধরিয়ে দিল গাঁজার কলকে। বর্ষার পর দেড়েল চানু তার ঝোঁপড়াটা নতুন খড় দিয়ে ছেয়ে দিল, ভিতরে তৈরি করে দিল একটা বাঁশের মাচান, নতুন একটা লোমের কম্বল কিনে দিল। আরও গোটাকয় শিষ্যও দিল জুটিয়ে। কিন্তু চানু ছাড়া সবক’টা শিষ্যই হাড়হাভাতে। গুরুর পয়সায় গাঁজা টানে, তারই সঙ্গে সমানে বসে খিস্তিখাস্তা করে, ঝোঁপড়ায় বসে থুথু ছিটিয়ে ঘর নোংরা করে যায়। সাধু রাগ করে চেঁচায়, অশ্লীলতম কথা বলে গাল পাড়ে। কিন্তু চেলাগুলো তখন তার সঙ্গে ডাকটিকিটের মতো সেঁটে গেছে, মা-বাপ তোলা গালাগাল শুনে গোলাপি রঙের হাসি হাসে।

    দেড়েল চানু সাট্টা সাধুটার পিছনে হকের পয়সা ঢালছে–এটা লোকের সহ্য হয় না। চানুকে এখানে সেখানে পাড়ার লোকে পাকড়াও করে তোমার সংসার ভেসে যাচ্ছে চানু হে। ফুটো নৌকোর সওয়ারি তুমি–ওই শালা জোচ্চোরটার পিছনে–ইত্যাদি। তখনই লোকের চোখ টাটায় সরকারি বেওয়ারিশ জমি, বেদখল করে শালা বসে গেছে পাকুড়তলায়, এত লোকের যাতায়াতের রাস্তার ধারে, কারো নজরেও পড়ে না নাকি! সরকারি জমি, সরকার বুঝবে, কার বাবার কী? কিন্তু তবু লোকের চোখ টাটায়। চানুটা চেলা হয়েই সাধুকে ঝোলালে।

    পাটকল মজুরদের কুঠরিগুলোয় প্রায় দিনই হাঁড়ি ফাটে। রাত বিরেতে দিশি মদের ঝোঁকে মরদরা এসে বউয়ের ওপর খামোখা টং হয়, অন্ধকারে এধার ওধার লাথি চালায়। দু-চারটে বাচ্চা লাথি খেয়ে কোঁতকোঁত করে উঠে চেঁচায়, বউগুলো উড়োখুড়ো চুলে দৌড়ে বেরোয়, ছুটাছুটি করে। সেই হুড়–দৌড়ের মধ্যে পুরুষেরা ভাতের মেটে হাঁড়ি ভাঙে, উনুন ভাঙে, আরও কত কাণ্ড করে। সাধু দেখেশুনে তার ঝোঁপড়ায় একটা দোকান দিয়েছিল। মেটে হাঁড়ি কলসী মালসার দোকান। মাকালতলায় কুমোরদের ঘর থেকে বয়ে এনে পাটকলের মজুরদের ঘরে প্রায় দিনই হাঁড়ি কলসী বিকোয়।

    শীতলাবাড়িতে রোজকার সকালের প্রণাম সেরে নিরাপদর দাদা হারু ঘোষ ফেরার পথে পাকুড়তলায় দাঁড়িয়ে চারধারটা চোখে-চোখে জরিপ করে নেয়কতটা জমি নিয়েছিস রে, অ্যাঁ?

    সাধু তার হাঁড়ি কলসির মাঝখানে ঠ্যাং ছড়িয়ে বসে উদাস গলায় বলে–তা কাঠাদুয়েক হবে।

    হারু ঘোষ হাসে-দূর ব্যাটা, দু-কাঠায় তিনতলা উঠে যায়! আধ কাঠা বড় জোর, তা জায়গাটা ভালোই। গেড়ে বসেছিস একেবারে। এ আবার কী–গাছ–টাছ রুয়েছিস নাকি?

    সাধু তেমনি উদাস জবাব দেয়–আমি রুইব কেন? জমি আমার বাবার নয়, যখন তুলে দেবে উঠে যাব। গাছ–গাছালি যার–যার মনমতো উঠছে।

    –দেখিস বাপু।

    কী দেখব, তা সাধু ভেবে পায় না। থুথু ফেলে সে খুব ভাবে। রাতারাতি একটা মন্দির তুলে ফেলতে পারলে পাকাঁপাকিভাবে বেওয়ারিশ জমিটাতে শেকড় চালানো যেত। সিমেন্ট না জোটে চুনসুরকি দিয়ে হাতদশেক উঁচু একটা মন্দির, ওপরে লাল নিশেন উড়ছে-এরকম একটা স্বপ্নের ছবি সে দিন–দুপুরেই দেখে। কিন্তু সকলেই চোখ পেতে আছে–মন্দির ওঠাতে গেলেই খিচাং বেঁধে যাবে। শিষ্য–সাবুদরাও কেউ মানুষ না। দিনদুপুরেই হল্লা–চিল্লা করে গাঁজা খায় ঝোঁপড়ায় বসে। সাধু লাথি মেরে বের করার চেষ্টা করে দেখেছে। নড়ে না। শালখুঁটির মতো শক্ত হয়ে গেড়ে গেছে শালারা। এদের দিয়ে মন্দির? সাধু আবার থুথু ফেলে।

    যেমন করেই হোক, মানুষকে দাঁড়াতে হয়। ওই যে নিরাপদ–ছ’মাস আগেও জ্ঞাতিদাদা হারু ঘোষের আটাকলের পার্টনার ছিল। চালের আড়ৎ, আটাকল একা সামলাত। সারা শরীরে, চুলে, লোমে, জ্বতে আটা মেখে দাদা হারু ঘোষ তাকে একদিন ডেকে বলল –এবার থেকে মাইনে নিয়ে থাক, পার্টনারশিপ আর নয়। নিরাপদর বড় লেগে গেল কথাটা। দাদার কারবার থেকে তার সামান্য পুঁজি তুলে দেড়শো গজের মধ্যে আবার দোকানঘর ভাড়া নিল, কিনল আটাকল, খুলল চালের কারবার। পাকুড়তলায় বসে ওই দেখা যায় নিরাপদকে–পিছনে গোঙাচ্ছে চাকি, ফিতে ঘুরছে, ধুলোর মতো উড়ছে আটা ময়দা, কালো নিরাপদ সাদা হয়ে খাটছে, মাপছে, দিচ্ছে, নিচ্ছে, এক মুহূর্তের অবসর নেই। দাঁড়িয়ে গেল মানুষটা। বসে না থাকলে মানুষ দাঁড়ায় ঠিক।

    পাকুড়তলায় বসে সাধু এইরকম তার ভবিষ্যৎ ভাবত। নুলো সাতকড়ির ডানহাতে সাড় নেই। হাতটা শরীরের সঙ্গে লেগে থেকে লাঠির মতো ঝোলে। অমন হাত ফেলে দিলেই হয়, তবু সাতকড়ি রেখেছে। হাঁটতে চলতে হাতটা লটরপটর করে, বাজারে হাটে লোকের সঙ্গে ধাক্কা খায়। হাতটা। আর একটা হাতে সাতকড়ি রেল ইঞ্জিনের মতো গেলাসে চামচ নেড়ে চা বানায়। তার ছোঁকরা নেই, একার দোকান। পাটকল মজুর, স্টার সেলুনের আড্ডাবাজ আর ইটের কাজের। জোগানিরা দশ পয়সায় চা মারে। একটুখানি ছাপরার দোকান, গোটা দুই বেঞ্চ, একটা চায়ের টেবিল, দু-চারটে কৌটোবাউটো–ব্যস। গুড় মেরে রস করে রাখে সাতকড়ি–গুড়ের চা সাত পয়সা। সাধুর ঝোঁপড়ার চার হাতের মধ্যে একহেতে সাতকড়িও দাঁড়িয়ে গেল বুঝি! মানুষ দাঁড়ায় বসে না থাকলে।

    কথাটা সে তার চেলাদেরও বলে। কিন্তু চেলারা ভঙ্গি বদলায় না। দিনকাল ভালো যায় না সাধুর। দেড়েল চানু ছাড়া তার আর কোনও চেলা হাত উপুড় করে না। মেটে হাঁড়ি কলসি বেচে দিন যায়।

    নেশাখোর নানকুর দোকানটা বিলেৎ বাকি পড়ে উঠে গেল গত বছর। সাহেব বাগানের জমিটা দর পেয়ে বেচে দিল। উঠে গেল ইটখোলার দিকে। ওয়াগন ভাঙিয়েদের দলে ভিড়ল কিছুদিন। তারপর পোষাল না বলে সব ছেড়ে  ছুঁড়ে এখন মাল টেনে পড়ে থাকে। জ্ঞান ফিরলে নিখরচার হাট করতে বেরোয় থলি হাতে। একটা বউ দুটো বাচ্চা তার। হাটবাজার না করলে চলে কী করে? তাই আর পাঁচজন লোকের মতোই সে যায় হপ্তা বাজারে। দোকান থেকে আনাজপত্র। তুলে নেয় খুশি মতো, পয়সা দেয় না। দোকানিরা ব্যাজার মুখে চুপ করে থাকে। ফেরার পথে ঝন্টুর দোকান থেকে চা খায়, স্টার সেলুনে দাড়ি কামিয়ে ফিটফাট হয়ে নেয়, শুটকের দোকান থেকে ভালো জর্দা দেওয়া পান খায়, এক প্যাকেট পছন্দসই সিগারেট পকেটে পোরে, ঘোষের দোকান থেকে চাল তোলে, মুদির দোকান থেকে সওদা নেয়–এমন অনায়াসে সব তুলে নেয় যেন অদৃশ্য পয়সা গুনে দিচ্ছে। নিখরচায় সব সেরে ফেরার পথে–পাকুড়তলায় সাধুর ঝোঁপড়ার বাইরে দাঁড়িয়ে হাঁক পাড়ে–সাধে, এই শালা সাধো–

    পুরো একটা ছিলিম টেনে নেয় শালা। তারপর অনেকক্ষণ ঝিম মেরে থাকে। উঠবার সময় হলে আবার সাধুকে ডেকে সামনে দাঁড় করায়। পাছায় একটা লাথি কষিয়ে বলে–পাকুড়তলাটা কি বাপের জমিদারি? সরকারি খাজনা লাগে না?

    খাজনাটা নানকুই নেয়। তারপর পথে নামে। গান গায়। সাধু বিড়বিড় করে বকে-ইটখোলার দিকে অন্ধকারে মা গোখরো যেন দেয় ঠুকে, হেই ভগবান, ভগবান হে!

    এই হচ্ছে সাধু। এইমতো তার দিন যায়।

    .

    এখন উত্তরে বাতাসে সাধুর ঝোঁপড়াটা ওই জ্বলছে। আগুনটা ধরেছে ভালো। পাকুড়তলা থেকে হাত বাড়িয়ে নুলো সাতকড়ির দোকানটা নিয়ে বাহার খুলেছে আগুনটার। পাটকল মজুরদের ছানাপোনারা নাকে আঙুল পুরে দাঁড়িয়ে গেছে, কাজের লোক নিরাপদ চাকি বন্ধ করে চলে এসেছে, স্টার সেলুনের আড্ডাবাজরা লাফিয়ে পথে নামল, কর্ড লাইনের ধারের ছোট্ট বেআইনি বাজারের খুদে পসারিরা দু-চারজন দৌড়ে আসছে। সাধুর দুই চেলা দুটো শুখো হাঁড়ি জল ছিটিয়ে দেওয়ার ভঙ্গিতে দোলাচ্ছে, তাদের চোখেমুখে এখনও ভ্যাবলা ভাব। গাঁজার নেশা এখনও কাটেনি। একটু দূরেই ধুলোয় বসে সাধু বিড়ি ধরিয়েছে, তার মুখচোখ জুলজুল করছে।

    কে আগুন দিল? কে?

    সাধু দেশলাইয়ের কাঠিটা  ছুঁড়ে ফেলে বলে, আমি।

    সবাই বোকা। বলে–কেন?

    –আমার ইচ্ছে। সব জ্বলে যাক শালা।

    একটু ব্যোমকে থাকে ভিড়টা। তারপরই হঠাৎ সাধুর যে দুই চেলা শুকনো হাঁড়ি থেকে অদৃশ্য জল আগুনে ঢালছিল তাদের একজন ব্যাপারটা বুঝতে পেরে হাঁউরে মাউরে করে চেঁচিয়ে বলল –যখন আগুন দেয়, তখন আমরা মাইরি ঘিরে ছিলাম।

    পোড়েলবাড়ির বেঁটে ছেলেটা এগিয়ে সামনে এসে জিগ্যেস করে–নিজের ঘরে আগুন দিয়েছ। বেশ। কিন্তু নুলো সাতকড়ির দোকানটা যে গেল–গরিব মানুষ–তার ক্ষতিপূরণ কে দেবে?

    সাধু বেঁঝে উঠে বলে–তা আমি কী করব? আগুন কি আমার বাপের? নিজের ঘরে আগুন দিয়েছি আমি, সে আগুন যদি বাতাস বেয়ে–

    বালির বাজারে মাল তুলতে গিয়েছিল সাতকড়ি। চটের থলিতে গুঁড়ো চা, আক্রার চিনি, গুড়। ফেরার পথে দূর থেকে আগুন দেখে দৌড়োচ্ছে। একহাতে ব্যাগ, নুলো হাতটা লটপট করে এধার-ওধার বেমক্কা দোল খাচ্ছে। পরনে খাকি হাফ প্যান্ট, গায়ে ময়লা তেলচিটে গেঞ্জি, গেঞ্জি কুঁড়ে বুকের হাড়গোড় কাঠকুটোর মতো ফুটে উঠেছে। সে চেঁচিয়ে বলছে–আমার একশো টাকার মাল–একশো টাকার-

    –ওই তো সাতকড়ি।

    সাতকড়ির দৌড়োনোর দৃশ্যটা খুবই করুণ। সবাই ঘাড় ফিরিয়ে দেখল। ঘামে তেলতেলে মুখ, গালে বিজবিজে দাড়ি, জতে পাকা চুল, লটপটে নুলো হাতটা,  ছেঁড়া গেঞ্জি, বুকের হাড়গোড়–সব মিলিয়ে ক্ষয়াভাব চেহারাতে। ভিড়টা সেই দৃশ্য দেখে খেপে গেল।

    –নুলো সাতকড়ির ঘর কে বানিয়ে দেবে?

    –দুটো লোক ঘরে ছিল, তুমি তাদের সুদু আগুন দিয়েছিলে। শালা খুনে।

    –গভর্নমেন্টের জমি, বেদখল করে—মামাদোবাজি—

    সাধু বিড়িটা ফেলে উঠে দাঁড়ায়। বিপদ। উত্তুরে হাওয়া টেনে দিয়েছে আগুনটাকে, কিন্তু হক কথা, সে সাতকড়ির দোকানে আগুনটা যাক–তা চায়নি, সে কথাটা ভালোভাবে বলবার আগেই পোড়েলদের বেঁটে ছেলেটা চড় কষাল।

    পেটে ভালো খাবার পড়ে না বহুকাল, তার ওপর নেশাভাঙ। সাধু ঝিম হয়ে আবার বসে পড়ে। তারপর বেজায়গায় এক লাথি খেয়ে জমি নিল কোলবালিশের মতো। ধুলোয় গড়িয়ে চিৎকার করে বলল –মেরে ফেল, কেটে ফেলে দাও আগুনে–

    –তাই দিচ্ছি। তার আগে বল, কেন আগুন দিয়েছিস—

    সাধু ধুলোয় গড়ায়, আর লাথি খায়, আর বলে–নিজের ঘরে দিয়েছি, তাতে কার কী? আমার আগুন–

    –তোর আগুন অন্যের ঘরে যায় কেন?

    জটিল প্রশ্ন। যন্ত্রণার মধ্যে প্রশ্নটার জুতসই জবাব ভেবে পায় না সে। তবু মুখে রক্ত তুলে বলে –ওই শালারা কেন চানুকে আমার কাছ থেকে ছিনিয়ে নিচ্ছে? কেন দুখন, মোধে, নিধে আমার ঘরে গেড়ে বসে গাঁজা খায়, কেন নানকু আমাকে রোজ সাঁঝের বেলায় লাথি মারবে, কেন হারু ঘোষ–

    সবটা বলা হয় না। দাড়ি মুঠো করে ধরে কে যেন তাকে তোলে। সে বুঝতে পারে, তার সঙ্গে পাবলিকের কোনও খানাপিনা নেই। তার কথার উত্তরে তখন পাবলিক বলতে থাকে–

    –তুমি যে দেড়েল চানুকে শুষে নিচ্ছ হারামজাদা—

    –ভদ্রলোকের যাতায়াতের পথে তেড়েল গেজেলের আড্ডা বসিয়েছ—

    –গভর্নমেন্টের জমি মেরেছ শালা।

    ঝাড়ফুঁক মন্তর জানে না, গুল-চাল মেরে মানুষের মাথা খাচ্ছে—

    –সাতকড়ির দোকানে যে তোমার আগুন গিয়ে লাগল—

    সাধুর ঝোঁপড়া আর সাতকড়ির দোকান জুড়ে দপ করে যেমন আগুনটা ধরেছিল তেমনি কয়েক মিনিটেই নেতিয়ে গেল আবার। দু-চারটে ছাঁচ বেড়া, মাচান, দুটো টুলবেঞ্চি তো আর আগুনের বেশিক্ষণের খোরাক নয়। কিন্তু আগুনটা নিভতে–নিভতেই সাধুর মুখ ফুলে ঢোল, টসটস করে রক্ত ঝরছে নাকে, কপাল বেয়ে। দাড়ি ছিঁড়ে হাওয়ায় ওড়ে,  ছেঁড়া জটার চুল মুঠো থেকে রাস্তায় ফেলে দিচ্ছে মারকুটেরা। কে যে মারছে শালা কে জানে। সবাই এখন পাবলিক। সে একা। সাধু। বিড়বিড় করে কেবল বলে–মার শালা, মেরে ফেল। কেটে ফেলে দে আগুনে, দুনিয়া থেকে পাতলা হয়ে যাই।

    মারধোরে আর হিসেব রাখে না সাধু। অনেকক্ষণ ধরে ব্যাপারটা চলে। অনেক হাত, অনেক পা। শেষটায় আর ব্যথা লাগে না তেমন। কেমন যেন নেশাড়ু ঘুম–ঘুম ভাব পেয়ে বসে। টের পায়। ল্যাম্পপোস্টের সঙ্গে কারা যেন বাঁধছে তাকে।

    –এইখানে থাক শালা, যে যাবে একটা করে লাথি মেরে যাবে।

    –মার না শালা। তোরা পারবি নিজের ঘরে আগুন দিতে? বুকের পাটা আছে? সাধু বিড়বিড় করে বলে।

    সেই বিড়বিড় কারও কানে পৌঁছোয় না। পৌঁছালে বিপদ ছিল। ঝিমুনির নেশাটা যখন জমে এসেছে, তখন আস্তে-আস্তে পাবলিক ফোটে। চারদিকে কালো ছাই ওড়ে। শ্মশানের কলসির মতো ছাইয়ের মাঝখানে সাধুর কলসি হাঁড়ির স্থূপ পড়ে থাকে। উত্তর দিক থেকে টেনে হাওয়া দেয়। সাধুর ঝোঁপড়ার ছাই চারদিকে ছড়ায়। ল্যাম্পপোস্টের হাতবাঁধা সাধু ত্রিভঙ্গ হয়ে মাথা রেখেছিল ধুলোর ওপর, সেখান থেকেই পিটিপিটির চেয়ে দেখে নুলো সাতকড়ি একা পাকুড়তলায় বসে কাঁদছে, পাশে তার পাঁচ বছর বয়সের ছেলেটা পিলে বের করে দাঁড়িয়ে।

    কারও জন্য এই প্রথম সাধুর মায়া হয়। মায়া মানেই বন্ধন। সাধুদের মায়া থাকতে নেই, তবু মাথায় একটা ঝাঁকুনি দিয়ে উঠে বসে সাধু। মাথাটা হালকা লাগছে, মাথার জটটা পরচুলার মতো পড়ে আছে ধুলোয়। সাধু ভ্রূক্ষেপ করে না। নুলো হাত বলেই কি না কে জানে, সাতকড়ি তাকে মারেনি। দূরে বসে কাঁদছে। সে উঠে বসতেই সাতকড়ি মুখ তোলে। আবার নববধূর মতো মুখ। নামিয়ে কাঁদে।

    সাধু বলে–কাঁদছ কেন মেয়েমানুষের মতো? বিড়ি থাকে তো দাও।

    সাতকড়ি উঠে আসে? মুখে বিড়ি খুঁজে ধরিয়ে দেয়। তারপর বলে–কিন্তু আমার দোষটা কী বলো তো? আমার ঘরটা কেন নিলে আগুনে?

    সাধু দাঁতে দাঁত চেপে বলে–আগুনটা আমার বাবার কিনা, তাই–

    –তা আমার কী হবে এবারে?

    –কী আর হবে? আমার তো মালকড়ি নেই, গতরে খেটে ঘর তুলে দিব। চানুকে বলি, যদি দু-দশ টাকা দেয় তো সে তোমার—

    .

    ঘর বাঁধতে–বাঁধতে শীত গিয়ে গরম চলে আসে। রোদের হলকা দুপুরের চরাচর চেটে যায়। রাস্তার কুকুরটাও ছায়া ঘেঁষে বসে। সাধু আর নুলো সাতকড়ি মিলে সাতকড়ির দোকানঘর বাঁধে। জটা দাড়ি- ছেঁড়া সাধুর দুই হাত, নুলো সাতকড়ির এক। বাঁশ–বাঁখারি–খুঁটি যত্নে বাঁধে সাধু, সাতকড়ি তার এগিয়ে দেয়, দড়ি ফেরায়। দুজনে কত কথা হয় ভরদুপুর, সারা দিনমান।

    সাতকড়ি বলে–তুমি লোকটা সাধুই বটে হে।

    সাধু অনাবিল একটু হাসে, বলে–বুঝলে সাতকড়ি, পাকুড়তলায় ঘরটায় যখন তেড়েল গেঁজেদের আড্ডা বসল, লোকের চোখ টাটাল, আমার সুখ ছিল না; নানকু শালা এসে রোজ লাথি মেরে যায়; তখন মাঝে-মাঝে ভাবতাম, মরি যদি তো আরবার গুন্ডা হব। ভাবতে-ভাবতে মনে হল, কিন্তু এ জন্মটায় শালা কেন আমি সাট্টা সাধু? একবার ঝাঁকি মেরে উঠে দেখি না কী হয়! তখন ঠিক করলাম, মরদের মতো কিছু একটা করি।

    সাতকড়ি চুপ করে থাকে।

    সাধুর চোখ জুলজুল করে–মাইরি, নিজের ঘরে আগুন দিলাম তবু কেউ বললে না, কাজটা মরদের মতো করেছে সাধু। একজনও তো বলবে!

    –তুমি পাগলা আছ। নিজের ঘরে আগুন দিলে কী আর হাতিঘোড়া হয়!

    –হয় সাতকড়ি হে, হয়। এই যে আমি নিজের ঘরে আগুন দিলাম, তার জন্যই এখন তোমার ঘর আমাকে বেঁধে দিতে হচ্ছে। আর তুমি বলছ, আমি সাধু বটে।

    –বলছি। তোমার মনটা ভালো।

    –এইরকম কত লোকের ঘর আমি এবার থেকে বেঁধে দিব। আর লোকে বলবে, লোকটা সাধু বটে। বুঝলে সাতকড়ি হে, যে লোকটা বসে থাকে না, সে দাঁড়ায়। দেখো, পরের ঘর বাঁধতে–বাঁধতে আমি একদিন ঠিক সাচ্চা সাধু হয়ে যাব।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঘুণপোকা – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
    Next Article ৫০টি প্রেমের গল্প – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    Related Articles

    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    অসুখের পরে – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    সাঁতারু ও জলকন্যা – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    ৫০টি প্রেমের গল্প – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    ঘুণপোকা – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 25, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    বাসস্টপে কেউ নেই – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 25, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    ২৫টি সেরা ভূত – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 25, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }