Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    শুনছ, কোথাও আছো কি কেউ?

    ইয়স্তেন গার্ডার এক পাতা গল্প72 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৪. সমুদ্র

    ৪. সমুদ্র

    আমি আঙ্গুর ঝোপটার দিকে ছুট দিলাম যেখান থেকে রাস্তাটা সমুদ্রের দিকে নেমে গেছে। পেছন ফিরে দেখি মিকা আকাবাঁকা পথে ডিগবাজী খাচ্ছে আর দৌড়াচ্ছে। শেষ অব্দি ও আমার নাগাল ধরতে সক্ষম হয়।

    এরপর ও একটা আঙ্গুর শাখা টেনে ধরে, শুঁকে দেখে। ম্যাগনিফায়িং গ্লাসটাও সাথে করে এনেছে ও। এটা সে তার মুখের কাছে তুলে ধরে আর লাল বেরিটাকে কত বড় দেখাচ্ছে, তাই দেখে খলখল করে হাসে, আঙ্গুর বনের পাশে লুকিয়ে পড়ে আমি ওর দিকে ফিরি।

    ‘তুমি কি কোনো কিছু শুনতে পাচ্ছ?’ আমি জিজ্ঞেস করি।

    কয়েক মুহূর্ত সে কান পেতে শোনার চেষ্টা করে।

    ‘কেউ পানির মধ্যে লাফালাফি করছে,’ সে জবাব দেয়।

    ‘ওটাই সমুদ্র,’ আমি বলি, সগর্বে।

    ‘সমুদ্র নিজেই লাফালাফি করে।’

    খাড়ির ঢালে মস্ত মসৃণ পাথরটাতে নামলাম আমরা। এখানেই আমাদের নৌকা বাঁধা থাকে। একা একা আমার এপর্যন্তই নামার অধিকার, এর চেয়ে এক ধাপও বেশি নয়। পাথরটার একটা খাঁজে বসে পড়ি। মা এটাকে বলে পাথুরে আসন। মিকাও আমার পাশে বসে।

    ইতিমধ্যে সূর্য অনেকটা ওপরে উঠে এসেছে। উজ্জ্বল সূর্যকিরণ পানির ওপর এমন ঝিকমিক করতে থাকে যে মিকাকে চোখ কচলাতে হয়। হয়তো এত উজ্জ্বল সূর্যকিরণে সে অভ্যস্ত নয়, আমি ভাবি।

    হঠাৎ সে ম্যাগনিফায়িং গ্লাসটা সূর্যের দিকে তুলে ধরে ওটাকে ভালোভাবে দেখার জন্য। আমি ঠিক সময়ে ওকে রক্ষা করতে পারলাম।

    ‘সাবধান!’ আমি চিৎকার করি। কখনো এমনটা করবে না!’

    এতে করে সে আবার চেঁচাতে শুরু করে। আমার ভয় হলো, পাছে না চাচী হেলেন বাড়ি থেকে শুনতে পায়। তবে এখন জানি কী করতে হবে। ওর ঘাড়ের পেছনে আঙুল রেখে সুড়সুড়ি দিতে শুরু করি। ‘ওখানে, ওখানে,’ আমি বললাম। সাথে সাথে কাজ দিল।

    আমার মনে আছে বাবা আর আমি একবার টেলিস্কোপের লেন্স ধরে আগুন জ্বালিয়েছিলাম। আমি মিকাকে ব্যাখ্যা করে বোঝালাম ম্যাগনিফায়িং গ্লাস সূর্য কিরণকে এক বিন্দুতে সংহত করবে। আমি বললাম এমন কি ম্যাগনিফায়িং গ্লাস দিয়ে এক টুকরো কাগজে আগুন ধরানোও সম্ভব।

    তখনও মিকা ফোঁস ফোঁস করে কাঁদছে, তবে সেটা বেশি কিছু নয়, আর ঘাড়ে সুড়সুড়ি দিয়েই থামানো যাবে।

    ‘আমাকে সমুদ্রের কথা বলো, সে জানাতে চায়, এদিকে আমি সুড়সুড়ি দিয়েই চলেছি। ‘এর মধ্যেও কি কোনো প্রাণী আছে?’

    ‘ম্যালা,’ আমি বলি।

    ‘ডাইনোসর নাই?’

    ‘আমি মাথা ঝাঁকাই, এর পর আমি মিকাকে সমুদ্রের কথা শোনাই।

    বিজ্ঞান আর প্রাকৃতিক ইতিহাসে আমার বরাবরই আগ্রহ ছিল। আমি ডাইনোসরের উপর বই সংগ্রহ করি, আর সেখান থেকেও পৃথিবীর ইতিহাস সম্বন্ধে অনেক কথা শিখি। এসব বিষয় নিয়ে প্রায়ই বাবার সাথে আমার কথা হয়। এবার আমি মিকাকে শোনাই এই গ্রহের সব প্রাণীই সমুদ্র থেকে এসেছে।

    ‘মানবজাতিও’? সে জিজ্ঞেস করে।

    আমি আভূমি কুর্নিশ করি। তারপর বলি: ‘এই গ্রহে জীবনের শুরু ৩০০ কোটি বছর আগে। তার অর্থ পৃথিবীর সব উদ্ভিদ ও প্রাণী পরস্পরের সাথে যুক্ত।’

    ‘কিন্তু ডাইনোসরদের কী হল?’ মিকা জিজ্ঞেস করে।

    ‘সেটা এক দীর্ঘ কাহিনী,’ আমি বলি। আর আমি এই কাহিনীর কিছুটা ওকে শোনাই।

    ‘প্রথম প্রাণীটা সমুদ্রেই জন্ম নিয়েছিল। ওরা এত ছোট ছিল যে তুমি চোখেই দেখতে পেতে না। লক্ষ লক্ষ বছর ধরে ওরাই ছিল একমাত্র প্রাণী, তবে ওদের মধ্যে পরিবর্তন আসতে থাকে। প্রতিটা পরিবর্তনই ছিল খুব সূক্ষ্ণ, তবে সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে সেই পরিবর্তনগুলো বড় হয়ে দেখা দেয়। শত কোটি বছর তাদের সাহায্য করে। এটা ঘটল হাজার হাজার বার।

    ‘প্রথম যে প্রাণীটির সৃষ্টি হলো, সেটা ছিল জেলিফিস আর চেপ্টা কৃমি, যাদের শরীর ছিল কোমল, আর ওরা এত বড় ছিল যে তুমি হাত দিয়ে ওদের ধরতে পারতে। আরো লক্ষ লক্ষ বছর কেটে গেল, তারপর সমুদ্রে আবির্ভাব হলো শক্ত খোলসের প্রাণী যেমন গল্‌দা চিংড়ি, কুচো চিংড়ি, কাঁকড়া।’ আমার মনে হয় না মিকা কুচো চিংড়ি, গলদা চিংড়ি বা কাঁকড়া দেখেছে, তবে আমি আমার গল্প চালিয়ে যাই।

    ‘আরো কোটি খানেক বছর বাদে সমুদ্রের মধ্যে মাছ দেখা গেল, ঝাঁকে ঝাঁকে। মাছেদের মধ্যে থেকেই কিছু কিছু উভচর প্রাণীতে রূপ নিল- যেসব প্রাণী জল ও স্থল উভয় জায়গাতেই শ্বাস নিতে পারত।’

    বুঝতে পারি কিছু কঠিন শব্দ ব্যবহার করা হচ্ছে, তবে শব্দগুলো সদ্য শিখেছি, তাই ব্যবহার করতে মজা লাগে।

    ‘এখন কি আশপাশে কোনো উভচর আছে?’ মিকা জিজ্ঞেস করে।

    আমার মনে পড়ল ব্যাঙ, কুনোব্যাঙ আর স্যালাম্যান্ডারের কথা, কিন্তু বললাম আদিযুগের কিছু কিছু উভচর এখনও পৃথিবীতে রয়ে গেছে।

    ‘কিন্তু ডাইনোসরেরা নাই?’- মিকা জেদ করে।

    আমি মাথা ঝাঁকাই। ‘ডাইনোসরদের আবির্ভাব অনেক পরে, আর এখন ওদের কেউ অবশিষ্ট নাই।’

    ‘তাহলে কী ঘটেছিল?’

    ‘উভচররা সমুদ্র থেকে উঠে এসে বুনো জলাভূমিতে বাস করা শুরু করে পৃথিবীতে যার বিস্তার ঘটতে থাকে। লাখ লাখ বছর কেটে গেল। কোনো কোনো উভচর সরীসৃপে রূপ নিল। ডাইনোসররাও এক প্রকারের সরীসৃপ। যদিও ডাইনোসররা আর বেঁচে নেই, তবে অসংখ্য সরীসৃপ রয়ে গেছে, আর তাদের কোনো কোনোটা দেখতে ডাইনোসরের মতো।’

    মিকা সন্তুষ্ট হতে পারে না। সে আরো জানতে চায়।

    ‘আর কোন ধরনের জন্তু থেকে তোমার আগমন?’

    ‘আমি একটা স্তন্যপায়ী আর সব মানুষের মতো।’ আমি ব্যাখ্যা করি, স্তন্যপায়ীরা সরীসৃপ থেকে বিকাশ লাভ করে। প্রথমে যারা এলো তারা বড় বড় চোখ আর ধারালো মস্তিষ্কের ছোট ছোট প্রাণী আর তাদের শরীর ছিল লোমে ঢাকা। এদের শত শত প্রজাতি বাদুড়, ঘোড়া, সিংহ বানর, নেকড়ে, জলহস্তী। এদের কেউই ডিম পাড়ে না। এরা সবাই জীবন্ত বাচ্চা প্রসব করে।’

    এ নিয়ে আমরা আগেও কথা বলেছি, তবে মিকা ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে গেছে।

    ‘স্তন্যপায়ীদেরকে কি বাচ্চা হিসাবে বেঁচে থাকার আগে একটা দুটা ডিম পাড়তে হয় না?’

    আমার আবারো হাসি পায়, কারণ এই গ্রহের জীবন সম্বন্ধে অনেক কিছু মিকা জানে না। তবে এক দিক দিয়ে সে ঠিকই বলেছে। মা স্তন্যপায়ীরাও ডিম উৎপন্ন করে, তবে সে ডিমের শক্ত খোসা নাই, আর মায়ের পেটেই সেই ডিম থেকে বাচ্চা হয়ে মায়ের পেটেই বড় হতে থাকে। বাড়তে বাড়তে এক সময় বাইরের পৃথিবীতে বাঁচার জন্য বড় হয়ে বেরিয়ে আসে। অবশ্য শেষের কথাগুলো মিকাকে ব্যাখ্যা করে বুঝালাম না। সত্যি বলতে কি ব্যাপারটা আমিও ভালো করে বুঝি না। মিকা সমুদ্রের দিকে একদৃষ্টে তাকিয়ে থাকে, যেখান থেকে এই গ্রহের সমস্ত প্রাণী উঠে এসেছে।

    ‘ডিম একটা বিস্ময়কর জিনিস’ অবশেষে মিকা বলে।

    কথাটা বিজ্ঞের মতো শোনায়, তবে এখনও বুঝতে পারিনি ডিম আর ডাইনোসর নিয়ে ওর আগ্রহ কেন।

    সারাক্ষণ আমরা কথা বলে চলি সমুদ্র নিয়ে, আর কি করে পৃথিবীতে প্রাণের সঞ্চার হলো, তা নিয়ে আর সারাক্ষণ আমি মিকার ঘাড়ে সুড়সুড়ি দিয়ে চলেছি। স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছিল ব্যাপারটা সে উপভোগ করছে, কারণ সুড়সুড়ি থামালেই সে পানির দিকে দৌড়ে যাচ্ছে। এটা করতে দেওয়া যায় না। মিকা সাঁতার জানে কি না আমার জানা নাই, তাই এই ঝুঁকি নেয়া যায় না, কাজেই আমার পাথুরে আসন ছেড়ে ওর পিছে পিছে ছুট দেই।

    সমুদ্র নিয়ে কথা বলার সময় বিস্ময়কর একটা ব্যাপার আমার মনে পড়ল। খাড়ির কাছাকাছি পৌঁছতেই মিকা সমুদ্রের ছলাৎ ছলাৎ শব্দ শুনতে পেল। বুঝতে পারি এ সম্বন্ধে মিকার জানাশোনা আছে।

    তোমাদের গ্রহে কি পানি আছে? আমি জিজ্ঞেস করি। মিকা নত হয়ে সমুদ্রের দিকে তার হাত প্রসারিত করে। সে পানি থেকে এক গাছা জলজ আগাছা তুলে নিয়ে দোলাতে থাকে। আমাদের দুজনার গায়েই ঠান্ডা পানির ছিটা লাগে।

    ‘কোন গ্রহে যদি পানি ছাড়াই প্রাণের উদ্ভব হয়ে থাকে। তাহলে তা তোমার বা আমার প্রাণের চাইতে অবশ্যই আলাদা ধরণের হবে,’ মিকা বলে।

    যেহেতু এই মুহূর্তে আমার সঙ্গী হিসাবে এমন একজনকে পেয়েছি যে বহু দূরের কোন গ্রহ থেকে এসেছে, কাজেই এটা আমার জন্য এক বড় সুযোগ ওর গ্রহ সম্বন্ধে কিছু জানার। বহির্বিশ্ব সম্বন্ধে মিকা আমার চাইতে অনেক বেশি জানে। তবে আমাদের গ্রহের জীবন সম্বন্ধে ও কিছুই জানে না। মাত্র কয়েক ঘণ্টা হয় ও এখানে এসেছে।

    ‘তোমার কি মনে হয় অনেক গ্রহেই পানি আছে?’ আমি জিজ্ঞেস করি। উত্তরে সে বাউ করে, তার পর মাথা ঝাঁকায় ‘একটা ব্যাপার হলো, কোনো গ্রহে যদি পানি থাকে, তাহলে সেটা সূর্যের খুব কাছে থাকতে পারবে না, তা হলে পানি শুকিয়ে যাবে, আবার খুব বেশি দূরেও থাকা চলবে না, তা হলে পানি জমে বরফ হয়ে যাবে।’

    এবার মিকা অবতরণ ঘাট দিয়ে দ্রুত নেমে গিয়ে সোজা দাঁড়টানা নৌকায় চড়ে বসে। সে নৌকার ওপর লাফালাফি শুরু করে দেয়, নৌকাটা দারুন দুলতে থাকে। আমি ভীষণ আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়ি, পাছে ও না নৌকা থেকে পানিতে উল্টে পড়ে।

    ‘এমন করো না! নৌকায় উঠে লাফালাফি করা যায় না!’ ওকে সাবধান করলাম, আমার দুশ্চিন্তা হলো, কোনো কিছু করতে নিষেধ করলেই ও চিল্লাতে শুরু করে। অবস্থাটা এড়াতে গিয়ে, একটা বুদ্ধি বের করলাম।

    ‘তুমি কি শিখতে চাও কিভাবে নৌকা বাইতে হয়?’ আমি জানতে চাই, যদিও জানতাম এটা সম্পূর্ণ নিষেধ।

    আমি ভালোভাবে নৌকা বাইতে পারি না, তবে মিকাকে দেখিয়ে দিলাম কিভাবে দাঁড় বাইতে হয়, অন্য একটা বৈঠা নিজের হাতে নিলাম, বাবা আর আমি এভাবেই নৌকা বাইতাম। খাড়ির মধ্যে খানিক দূর গিয়ে বৈঠা তুলে নিয়ে নৌকাটাকে ভাসতে দিলাম। নৌকার তলায় একটা মাছধরার বড়শি ছিল। মিকা-ই ওটা উবু হয়ে তুলে নেয়। হয়তো ওটাতে হাত দিতে নিষেধ করা উচিত ছিল, কিন্তু ইতিমধ্যেই বড়শির কল ওর আঙুলে বিঁধে গিয়েছে ‘উঃ,’ চেঁচিয়ে উঠে সে।

    ভাগ্য ভালো কলটা বেশিদূর ঢুকে পড়েনি, তবে যখন ওটা মিকার চামড়া থেকে টেনে বের করলাম, দেখি এক ফোঁটা রক্ত ছুঁয়ে বের হলো ওর আঙুল থেকে, আর সেটার রঙ লাল নয়, এর রঙ ঘন নীল, প্রায় কালোর মতো।

    হয়তো এজন্য যে সে অন্য এক গ্রহ থেকে এসেছে! মিকা হয়তো সমুদ্রের মাছ থেকে বিকাশ লাভ করেনি, ‘অন্তত আমাদের সমুদ্র থেকে তো নয়ই, কারণ মাছের রক্তও লাল। হতে পারে সে স্তন্যপায়ীই নয়, তাহলে সে কী?

    এ নিয়ে বেশি কিছু ভাবার সময় পেলাম না। কারণ মিকা ইতিমধ্যে চিৎকার আর লাফালাফি করে মহা ফ্যাসাদ বাঁধিয়েছে। আমি নত হয়ে ওর ঘাড়ে সুড়সুড়ি দিতে থাকি।

    ‘এই যে, এই যে,’ আমি ওকে সান্ত্বনা দেই, আর হঠাৎ করেই ও একদম শান্ত হয়ে গেল। যেহেতু বড়শি নিয়ে এত কাণ্ড ঘটে গেল তাই স্থির করলাম এটা কোন কাজের জন্য তা ওকে ব্যাখ্যা করে বোঝাব। মিকাকে বেশি বোঝাতে হলো না। সে বড়শিটা ছুড়ে দিল। আমি প্রায়ই বাবার সাথে মাছ ধরতে যেতাম। কয়েক বার টোপ খেয়েছিল, তবে একবার মাত্র নিজে নিজে মাছ তুলেছিলাম, কাজেই মনে হলো না, প্ৰথম চেষ্টাতেই মিকা মাছ তুলতে সফল হবে।

    ওর বড়শির সুতোয় টান পড়তে দেখলাম ‘তোমার বড়শিতে মাছ লেগেছে,’ আমি ফিস ফিস করে বললাম। ‘এবার তোমাকে সুতো টান দিতে হবে।’

    মিকা একবার হাসে, আর পরক্ষণে চিৎকার করে, মনে হয় এর আগে ও কখনও জীবন্ত মাছ দেখে নাই। সে নিজে এটাকে ছুঁতে সাহস পায় না। তাই ওকে দেখিয়ে দিলাম কিভাবে এটার ঘাড় মটকাতে হয়। তারপর ম্যাকারেল মাছ রাখার গামলায় রেখে দিলাম, ‘আমি হেলেন চাচীকে বলব এটা রেঁধে দিতে। প্যানকেক খাওয়ার আগে আমরা এটা খেতে পারব,’ আমি বললাম।

    ‘প্যানকেক কী?’ মিকা জিজ্ঞেস করে। আমি বুঝিয়ে বললাম বিশেষ খারার হিসাবে হেলেন চাচী আমাদের জন্য প্যানকেক বানাচ্ছে, আর প্রতিশ্রুতি দিলাম, ওর জন্য লুকিয়ে কয়েকটা প্যানকেক নিয়ে আসব।

    আমার মনে হলো, মিকা এর আগে কি মাছ ধরেছে, না ওর ম্যাকারেল ধরাটা নেহাৎই দৈবাৎ। এটা আমাকে পরীক্ষা করে দেখতে হবে।

    ‘তোমাদের গ্রহেও কি সমুদ্রে অনেক মাছ আছে?’ আমি জিজ্ঞেস করলাম। মিকা মাথা ঝাঁকায়। ওর হাবভাব দেখে মনে হলো ও চিৎকার শুরু করবে।

    ‘বেশ, আমার মনে হয়, অন্য ধরনের প্রাণী আছে। তোমরা কি তাদের ধরতে পার?’ মিকা আবার মাথা ঝাঁকায়।

    ‘আমরা যেখানে বাস করি, সে সমুদ্রে অনেক উদ্ভিদ ও প্রাণী ছিল, কিন্তু পানি এত দূষিত হয়ে পড়ে যে সবকিছু মরে লুপ্ত হয়ে যায়,’ মিকা বলে।

    কথাটা এতই ভয়ংকর আর বেদনাদায়ক শোনাল যে আমারই চিৎকার করে কাঁদতে ইচ্ছে হলো। তাই আমার ভাবাবেগ ঢাকার জন্য বললাম আমাদের আবার নৌকা বাওয়া উচিত। ঘাটে নৌকা ভেড়ার পর মিকাকে শেখালাম কিভাবে নৌকা বাঁধতে হয়।

    কাজেই এই হলো আমাদের মৎস্য শিকারের অভিযান। ফেরার পথে মিকার ধরা ম্যাকারেল সহ গামলাটা সাথে নিলাম। চ্যাপ্টা পাথরটার ওপর ফেলে রাখা ম্যাগনিফায়িং গ্লাসটা তুলে নিল মিকা।

    বাড়ি ফেরার পথে গোটা পথেই যা কিছু দেখে মিকা উবু হয়ে ম্যাগনিফাইং গ্লাস দিয়ে পরীক্ষা করে দেখে। গোলাপ ঝাড়ে যে সবুজ মাছিটা ভনভন করছিল এখন সে ওটা দেখায় ব্যস্ত, তবে ওটা স্থির হয়ে বসছে না। আসলে ওকে দেখতে দেয়ার মেজাজে নেই।

    ‘এটা দেখছি তোমাদের অক্ষরের চাইতেও ছোট,’ বিস্ময়কর কণ্ঠে বলে ও। এত ছোট একটা প্রাণী এত প্রাণবন্ত, বিস্ময়কর নয় কি?

    ওর প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে আনত হয়ে বাউ করি। আমিও এমনটাই ভাবি।

    একটু পরে দেখলাম গায়ে ফোঁটা ওয়ালা একটা গিরগিটি পাথরের ওপর গুড়ি মেরে অস্তে আস্তে চলছে। মিকা এর পিছু নিল।

    ‘এটা কী?’ ও জিজ্ঞেস করে।

    ‘একটা গিরগিটি,’ আমি বলি, ‘এটা একটা সরীসৃপ।

    ‘তাহলে এটা ছোট ডাইনোসর,’ মিকা বলে।

    ‘তা ঠিক,’ আমি বলি। ‘এর চেয়ে অনেক বড় বড় সরীসৃপও আছে, যেমন কুমীর, যা পৃথিবীর কোনো কোনো অঞ্চলে বাস করে, তবে কোনোটাই ডাইনোসরের মতো এত বৃহৎ নয়। তবে তাদের প্রায় সবগুলিরই আঁশযুক্ত চামড়ার ডাইনোসরের মতো, আর ঠান্ডা রক্ত। মনে রেখ এর অর্থ এই নয় যে তাদের ঠাণ্ডা রক্ত ছিল। এর অর্থ তারা তাদের শরীরের তাপ নিয়ন্ত্রণ করতে পারত না। তাদের পারিপার্শ্বের তাপমাত্রার সাথেই তাদের শরীরের তাপ ওঠানামা করত, তাদের চলাচলের শক্তি সংগ্রহের জন্য রোদের মধ্যে পড়ে থাকতে হতো।’

    মিকা চোখ বড় বড় করে তাকায়।

    ‘এসব সরীসৃপের কোনোটা কি কথা বলতে পারত?’

    আমার হাসি পায়। ‘না, তারা ততটা অগ্রসর ছিল না,’ আমি বলি, শুধু মানুষেরাই কথা বলতে পারে।’

    ঠিক সেই সময় একটা কালো বিড়াল আমাদের দিকে দৌড়ে আসতে থাকে। আমি এটাকে আদর করে কাছে ডাকি, আর নত হয়ে এর নরম পশমে হাত বুলিয়ে দেই। বিড়ালটা মিউ মিউ করতে থাকে, অবশেষে গরগর করে।

    ‘আমি বুঝতে পারি না ও কী বলছে,’ মিকা অনুযোগ করে। ‘এর অর্থ বিড়ালরা কথা বলতে পারে না,’ আমি বলি। ‘কিন্তু আমি তো শুনলাম ও বলছে মিয়াও, মিয়াও তারপর এইরকম শব্দ করল,’ মিকা বিড়ালের গরগরানী অনুকরণ করে। ‘এটা কি কথা নয়? আর কথা বলতে না পারার অর্থ কি সে চিন্তাও করতে পারে না?’

    এই প্রশ্নের উত্তর আমার জানা ছিল না। আমি প্রায় নিশ্চিত ছিলাম যে বিড়াল ও গরুরা আমাদের মতো চিন্তা করতে পারে না। আমি জানতাম কোন কোন জন্তু কোন কৌশল শিখতে পারে না, তবে একটা বিড়াল যে জানে না সে এক গ্রহের বাসিন্দা যেটা মহাশূন্যে একটা নির্দিষ্ট পথে তারকার চারপাশে পরিক্রমা করছে।

    ‘এটা কি সরীসৃপ?’ মিকা জিজ্ঞেস করে।

    ‘না, আর এটা উভচরও নয়,’ আমি বলি। ‘বিড়ালরা স্তন্যপায়ী।’

    ‘কাজেই এরা ডিম পাড়ে না,’ মিকা ঘোষণা করে।

    সে ম্যাগনিফাইং গ্লাসটা বিড়ালের নাকের কাছে তুলে ধরে।

    ‘আমার মনে হয় এর ঘ্রাণশক্তি প্রখর, সে বলে।

    আর তখনি বিড়ালটা ছুটে পালায়, আর আমি ভাবতে থাকি বাড়ির কাছাকাছি গিয়ে মিকাকে নিয়ে কী করব। হেলেন চাচীর কাছ থেকে ওকে লুকিয়ে রাখা সম্ভব হবে কি?

    আমি মিকাকে জিজ্ঞেস করলাম, সে বাইরে চালাঘরে অপেক্ষা করতে চাইবে কিনা। সেখানে অনেক রকম ছোট ছোট প্রাণী আছে যেগুলো সে বসে বসে ম্যাগনিফাইং গ্লাস দিয়ে পরীক্ষা করতে পারবে।

    মাছের গামলাটা আঁকড়ে ধরে ভিতরে চলে গেলাম। ম্যাকারেলের ব্যাপারটা হেলেন চাচীর কাছে কিভাবে ব্যাখ্যা করব তা এখন ভেবে ঠিক করিনি, যতক্ষণ না সে সশরীরে সামনে এসে দাঁড়ায়।

    ‘বালতির মধ্যে করে কী এনেছ?’ সে জিজ্ঞেস করে এমনভাবে আঁতকে ওঠে যেন মাছটা একটা দৈত্য।

    ‘একটা মাছ,’ আমি সগর্বে বলি। ‘এটা এমন এক প্রাণী যা শুধু পানির মধ্যেই বাস করে। এটা এক মেরুদণ্ডী, যার শিরদাঁড়া আছে, আমাদের মতো নিঃশ্বাস নেওয়ার এর ফুসফুস নাই, কাছেই এটা পালকের মতো ফুলকার সাহায্যে পানির মধ্য থেকে অক্সিজেন সংগ্রহ করে।

    তা সত্ত্বেও এদের সাথে আমাদের সম্পর্ক আছে, কারণ আমরা সরীসৃপের অধস্তন প্রজাতি,’ আর সরীসৃপ উভচরের প্রজাতি আর উভচররা সামুদ্রিক মাছের প্রজাতি। চাচী হেসে আমার মাথার চুল নেড়ে দেয়।

    ‘আমি জানি তুমি একজন উঠতি প্রকৃতিবিদ, ‘ সে বলে। কিন্তু আমাকে বলবে কি এই বিশেষ মৎস্যটার আগমন কোথা থেকে?’

    ঠিক এই প্রশ্নের উত্তরটাই এখন পর্যন্ত ভেবে রাখা হয় নাই। আর সেটা ঢাকার জন্যই এতসব অখাদ্য উগরে দিলাম।

    ‘একজন ধরেছে, আমি তার কাছ থেকে নিয়ে নিলাম,’ আমি বলি। কথাটা পুরোপুরি সত্য। আশ্চর্যের ব্যাপার চাচী এ নিয়ে আর প্রশ্ন করে না। শুধু আমার হাত থেকে মাছের বালতিটা রান্নাঘরে নিয়ে রাখে। বুঝতে পারলাম, ময়দা নিয়ে এতো ঝামেলার পর মাছ নিয়ে ঘাটাঘাটি করার ইচ্ছা ছিল না তার।

    প্যানকেক খেতে খেতে দুইবার বাবার টেলিফোন আসে। বাচ্চার আবির্ভাব এখনও ঘটেনি। তবে মা ভালোই আছে, আর আমাকে আদর জানিয়েছে।

    খাবার খেতে খেতে আমি দুবার টয়লেটে গেলাম, যেটা চাচীর কাছে একটা অস্বাভাবিক ব্যাপার মনে হলো। প্রত্যেকবার আধখানা করে কেক ওয়েলিংটন বুটের মধ্যে লুকিয়ে ফেললাম।

    ‘আজ বিকেলে তোমার কী করার ইচ্ছা, জো?’ হেলেন চাচী জিজ্ঞেস করেন। ‘আমরা কি সমুদ্রে বেড়াতে যাবো?’

    ‘না, ধন্যবাদ,’ আমি তাড়াহুড়া করে বলি। এখানেই আমার অনেক কাজ আছে।’

    ‘সুন্দর, চাচী বলে, ‘সেই ক্ষেত্রে আমি বাগানে গিয়ে বসব, তারপর রান্না বান্নার অনেক কাজ আছে, যাতে তোমার মা বাচ্চা নিয়ে ফিরে এলে বাড়িতে যথেষ্ট খাবার দাবার থাকে।

    চাচী হেলেন যখন রান্নাঘরে ধোয়া মোছায় ব্যস্ত, সেই ফাঁকে আমি চালাঘরে ছুটে যাই মিকাকে দেখতে। সেখানে কেউ নাই!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleইমদাদুল হক মিলনের বিবিধ রচনা
    Next Article সোফির জগৎ – ইয়স্তেন গার্ডার

    Related Articles

    ইয়স্তেন গার্ডার

    শুনছ, কোথাও আছো কি কেউ?

    August 13, 2025
    ইয়স্তেন গার্ডার

    সোফির জগৎ – ইয়স্তেন গার্ডার

    July 10, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }