Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    শুভ্র গেছে বনে – হুমায়ূন আহমেদ

    হুমায়ূন আহমেদ এক পাতা গল্প161 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৯. মর্জিনার বাবার কবর

    মর্জিনা তার বাবার কবর চালাঘরের উত্তরদিকে দিয়েছে। পাকুরগাছের নিচে। বড় গাছপালার নিচে কবর হওয়া ভালো। গাছ আল্লাহপাকের নাম নেয়। এতে কবরবাসীর গোরআজাবি কমে। এখন তার মনে হচ্ছে, এত কাছে কবর দেওয়া ঠিক হয় নি। সন্ধ্যার পর থেকে মর্জিনার ভয় ভয় লাগে। এক রাতে সে স্পষ্ট দেখেছে, বুড়োমতো এক লোক কবরের ওপর বসে জিকিরের ভঙ্গিতে মাথা দোলাচ্ছে। বুড়োটা যে তার বাবা এই বিষয়ে সে নিঃসন্দেহ। শুভ্রকে সে ঘটনাটা বলেছে। শুভ্ৰ শব্দ করে হেসেছে।

    মর্জিনা বলল, হাসেন কী জন্যে?

    শুভ্র বলল, তোমার কথা শুনে হাসি।

    মর্জিনা বলল, হাসির কথা কী বললাম?

    শুভ্ৰ বলল, যে কবরের ওপর বসে ছিল তার গায়ে কাপড় ছিল?

    মর্জিনা বলল, অবশ্যই। লুঙ্গি ছিল। গেঞ্জি ছিল। মাথায় টুপি ছিল।

    শুভ্র বলল, ধরে নিলাম তোমার বাবার ভূত কবরে বসা ছিল। সে জামাকাপড় পাবে কোথায়? জামাকাপড়ের তো ভূত হবার সুযোগ নেই।

    মর্জিনা বলল, তাইলে আমি দেখলাম কী?

    শুভ্র বলল, আকাশে চাঁদ ছিল। চাঁদের আলোয় পাকুরগাছের ছায়া পড়েছে কবরের ওপর। বাতাসে গাছ দুলছে। তোমার কাছে মনে হয়েছে ছায়া দুলছে। তোমার মস্তিষ্ক সঙ্গে সঙ্গে কল্পনা করে নিয়েছে এই ছায়া তোমার বাবা।

    মর্জিনা বলল, আপনের মাথা! যদিও সে বলল আপনের মাথা, কিন্তু শুভ্রর যুক্তি ফেলে দিতে পারল না। যতই দিন যাচ্ছে ততই সে মানুষটার কাজকর্ম এবং কথাবার্তায় মুগ্ধ হচ্ছে। প্রতি শনিবার রাতে স্কুলঘরের উঠানে বসে শুভ্ৰ নানান কথা বলে। চারের সবাই মন দিয়ে শোনে। কথাগুলির একটা নামও আছে-ছাইনছের (science) কথা। মেয়েরা এইসব কথা শুনতে যায় না। তবে মর্জিনা যায়। তার ভালো লাগে এবং অস্থির লাগে। অস্থির লাগার কারণ, এই মানুষ সারা জীবন চরে পড়ে থাকবে না। একসময় যেখানকার মানুষ সেখানে ফিরে যাবে। তখন তার কী হবে? চার থেকে তাকে উচ্ছেদ করলে সে যাবে কোথায়? নাটি মেয়ে হয়ে যাবে? পাড়ায় বাস করা শুরু করবে?

    মর্জিনা!

    বলেন, কী বলবেন।

    শুভ্র বলল, একটা কাজ করো, এখন থেকে একটা হারিকেন জ্বলিয়ে কবরের মাঝখানে রেখে দিয়ে। তাহলে আর কোনো ছায়াও দেখবে না, ভয়ও পাবে। না।

    মর্জিনা বিরক্ত গলায় বলল, আপনের কী যে কথা! কবরে হারিকেন জ্বলে এমন কথা কোনোদিন শুনছেন? আপনের মাথা খারাপ। আপনের মাথায় উল্টাপাল্টা চিন্তা আসে; আমার তো মাথা খারাপ না। কবরের উপরে হারিকেন। কী যে কথা!

    শুভ্রর প্রস্তাব বিরক্ত হয়ে বাতিল করে মর্জিনা হারিকেনে কেরোসিন ভর্তি করে। কাচ পরিষ্কার করে হারিকেন জ্বালায়। তার বাবার কবরে হারিকেন রাখতে রাখতে মনে মনে বলে, বাপজান, ভয় দেখায়ো না গো।

    সে বাড়ির উঠানে বসে তাকিয়ে থাকে। বাবার কবরের হারিকেনের দিকে। শুভ্র তাকিয়ে থাকে আকাশের দিকে। তারাভর্তি আকাশ। চাঁদ উঠলেই তারাদের ঔজ্জ্বল্য কমে যাবে। তখন অন্য শোভা।

    মর্জিনা!

    বলেন, কী বলবেন। চা দিতে বলবেন না। ঘরে চায়ের পাত্তি নাই।

    শুভ্র বলল, একটা দুরবিন থাকলে ভালো হতো। আকাশের তারা দেখতে পারতাম। আধুনিক দুরবিন আবিষ্কার করেন জ্যোতির্বিদ কেপলার। বেচারার চোখ ছিল আমার চেয়েও খারাপ। দুরবিন দিয়ে তিনি কিছুই পান নি।

    মর্জিনা হাই তুলতে তুলতে বলল, উনার কপালে নাই। উনি কী করব!

    শুভ্ৰ বলল, টমাস আলভা এডিসন আবিষ্কার করেছিলেন গ্রামোফোন। বেচারা তাঁর আবিষ্কার করা গ্রামোফোন থেকে কোনো শব্দ শুনতে পান নি। উনি তখন ছিলেন বধির।

    মর্জিনা বলল, প্যাচাল বন্ধ করেন। আপনার প্যাচাল শুনতে ভালো লাগে না।

    শুভ্ৰ চুপ করে গেল। সঙ্গে সঙ্গে মর্জিনার মন খারাপ হয়ে গেল। সে ঠিক কথা বলে নি। শুভ্রর প্যাচাল শুনতে তার খুব ভালো লাগে। শুভ্রর আশেপাশে থাকতে ভালো লাগে। তাকে নিয়ে আজেবাজে চিন্তা করতেও ভালো লাগে। রোজ রাতে সে শুভ্ৰকে নিয়ে আজেবাজে চিন্তা করে। সেইসব চিন্তায় শুভ্রর সঙ্গে তার বিয়ে হয়েছে। চাঁদনি রাতে দুজনে হাতধরাধরি করে নদীতে সিনান করতে যাচ্ছে। সিনানের অংশটাও মর্জিনা চিন্তা করে। এই অংশ ভয়ঙ্কর।

    মর্জিনা বারান্দা থেকে উঠে ঘরের ভেতর ঢুকে গেল। এই মুহুর্তে সে একটা জটিল সিদ্ধান্ত নিয়েছে। শুভ্ৰ যেদিন চর ছেড়ে চলে যাবে সেদিনই সে পাকুড়গাছে দড়ি ঝুলিয়ে ফাঁস নিবে। বাবার কবরের ওপর সে মরে দোল খেতে থাকবে। সিদ্ধান্তটা নেবার পর তার মনের অস্থিরতা অনেকটা কমল। সে শুভ্রর পাশে এসে দাঁড়াল। হালকা গলায় বলল, ভাইজান চা খাবেন?

    শুভ্ৰ বলল, তুমি না বললে চা-পাতা নেই!

    হেকমতের দোকান থাইকা আইন্যা দিব। দোকান খোলা আছে। আমি চা নিয়া আসি, আপনে আসমানের তারা দেখতে থাকেন।

    শুভ্র বলল, চা আনতে হবে না। বসো এখানে, গল্প করি। মর্জিনা বলল, আগে চা নিয়া আসি। তারপর যত ইচ্ছা গল্প করবেন।

    হেকমত বলল, রাইতে একলা আসছ চা নিতে, সমস্যা কী?

    মর্জিনা বলল, ভাইজানের চায়ের পিয়াসা লাগছে, এইজন্যে আসছি।

    হেকমত বলল, পিয়াস তো আমারও লাগছে। অন্য পিয়াস। এর গতি কী?

    মর্জিনা বলল, বিয়া করেন। বিয়া ছাড়া এর গতি নাই।

    হেকমত বলল, তুমি রাজি থাকলে তোমারে বিবাহ করতে পারি। রাজি আছ?

    মর্জিনা বলল, এক শর্তে রাজি আছি।

    শর্তটা কী?

    মর্জিনা বলল, আপনে আপনের দোকান থাইকা হামাগুড়ি দেওয়া শুরু করবেন। দূর থাইকা যেন মনে হয় চরের বেওয়ারিশ কুত্তা হাঁটতেছে। এইভাবে আমার বাড়িতে উপস্থিত হইয়া বলবেন, মর্জিনা, তোমারে বিবাহ করতে চাই। আমি সাথে সাথে রাজি হব। কাজি ডাইক্যা বিবাহ। ভাইজান হইব সাক্ষী। আমারে আপনের হাতে তুইল্যা দিব।

    হেকমত বলল, পাগলের সাথে রাইতদিন থাকস বইলা তোরও মাথা খারাপ হইছে। যা ভাগ।

    চর এলাকায় ভূমি সেটেলমেন্টের কানুনগো এসেছেন চেইন নিয়ে। চর মাপা হবে। সরকারের ভূমি মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ। কানুনগোর নাম গঙ্গা ভট্টাচার্য। তিনি চরে নেমেই ঘোষণা দিয়েছেন যে, তিনি ঘুষ খান না। একটা ছেড়া দুই টাকার নোটও না। ঘুষ তার কাছে গোমাংসের মতো। তবে তিনি বাড়িতে একটা স্কুল দেবেন বলে মানত করেছেন। সেই উদ্দেশ্যে যদি কেউ কিছু দিতে চায়, তাহলে আলাদা কথা।

    চরের বেশ কিছু লোক তার সঙ্গে ঘুরছে। চেইন টানছে। কাজটায় তারা খুবই উৎসাহ পাচ্ছে। গঙ্গা ভট্টাচাৰ্য এক পর্যায়ে জিজ্ঞেস করলেন, চরের নাম কী?

    কোনো নাম তো নাই। গঙ্গা ভট্টাচার্য বললেন, একটা নাম তো দেওয়া দরকার। আপাতত দিয়ে রাখি। সরকার যদি বদলাতে চায় পরে বদলাবে।

    একজন বলল, নাম দেন শুভ্রর চর।

    কী বললেন?

    শুভ্রর চর।

    উপস্থিত সবাই বলল, এটা একটা ভালো নাম হয়েছে।

    গঙ্গা ভট্টাচাৰ্য সেটেলমেন্টের খাতায় লিখলেন চরের নাম শুভ্রর চর। অত্যন্ত আশ্চর্যের ব্যাপার, এই নাম অতি দ্রুত স্থায়ী হয়ে গেল। খেয়াঘাটের মাঝি বলা শুরু করল, নাও ছাড়ে, নাও ছাড়ে, শুভ্রর চর শুভ্রর চর।

    জমি মাপামাপির তৃতীয় দিন দুপুরে গঙ্গা ভট্টাচার্যের কাছে হারুন এসে উপস্থিত। হারুন টিফিন কেরিয়ারে করে খাবার নিয়ে এসেছে। কানুনগো সাহেবের সঙ্গে একত্রে দুপুরের খানা খাবে। হারুন বলল, আপনি নিষ্ঠাবান মানুষ খবর পেয়েছি। ছেঁড়া দুই টাকার নোটও নেন না।

    গঙ্গা ভট্টাচার্য বললেন, সঠিক খবর পেয়েছেন। ঘুষ এবং গোমাংস আমার কাছে তুল্য মূল্য। তবে স্কুল দিচ্ছি। স্কুলের সাহায্যার্থে যে যা দিবে তাই নিব।

    তখন কি মাপ উনিশ-বিশ করবেন?

    করব।

    একটা ভালো কাজ করতে হলে কিছু মন্দ কাজও করতে হয়। স্কুল দেওয়া বিরাট কাজ।

    হারুন বলল, আপনার মতো পুণ্যবান মানুষের সঙ্গে খানা খাওয়া ভাগ্যের ব্যাপার। আসেন। দুইজনে মিলে খানা খাই। আমি খানা নিয়ে এসেছি। খাসির মাংস খান তো?

    গঙ্গা ভট্টাচার্য বললেন, খাসির মাংসে কোনো আপত্তি নাই।

    গঙ্গা ভট্টাচাৰ্য তৃপ্তি করে খেলেন। মুসলমান বাড়ির মাংস রাধা যে অসাধারণ এই কথা কয়েকবার বললেন।

    হারুন বলল, খাসির মাংস হিসাবে যা খেয়েছেন তা গরুর মাংস। আপনার জাত চলে গেছে। সেটা কোনো বিষয় না। জীবন যে এখনো আছে, এইটাই বড় কথা। তাড়াতাড়ি চর ছাইড়া ভাগেন। বিরাট মারামারি হবে। আপনি নিরীহ মানুষ। চর দখলের মারামারিতে জীবন দিবেন, এইটা কেমন কথা!

    আপনি কি সত্যই আমাকে গরুর মাংস খাইয়েছেন?

    আরে না। তামাশা করেছি। আপনারে গরুর মাংস খাওয়ায়ে আমার লাভ কী?

    গঙ্গা ভট্টাচাৰ্য স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললেন।

    হারুন বলল, সন্ধ্যায় সন্ধ্যায় বিদায় হয়ে যান। মারামারি রাতেই শুরু হওয়ার কথা। তিন-চাইরটা লাশ পড়বে। সবই মুসলমান। একটা হিন্দু লাশ পড়া দরকার। এই ভেবে কেউ আপনার ক্ষতি করতে পারে। যদিও আপনি এখন আর হিন্দু না। গরুর মাংস খেয়ে জাত গেছে। পাবলিক তো এই খবর জানে না।

    আপনি না বললেন গরুর মাংস না! আমার সঙ্গে তামাশা করছেন?

    হারুন বলল, ব্রাদার, আমি তামাশা করার লোক না।

    গঙ্গা ভট্টাচাৰ্য গলায় আঙুল দিয়ে বমি করার অনেক চেষ্টা করলেন। বমি হলো না। তিনি সন্ধ্যার আগেই চর ছেড়ে বিদায় হলেন।

    চায়ের দোকানের হেকমত সকাল থেকেই অস্থির বোধ করছে। অস্থিরতার কারণে সে কয়েক কাপ চা খেয়ে ফেলেছে। চায়ের সঙ্গে বিড়ি টানছে। অস্থিরতা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে সে মুখভর্তি পান থাকা সত্ত্বেও চায়ের কাপে চুমুক দিয়ে ফেলেছে। অস্থির না হয়ে উপায় কী? তার কাছে খবর আছে আজ বিকালে ঘটনা ঘটবে। এই জাতীয় ঘটনা রাতের আঁধারে ঘটে। আজকেরটা ঘটবে দিনের আলোয়, সবার চোখের সামনে। যাতে সবাই শিক্ষা পায়। শুভ্ৰ নামের মানুষটার নাম আজ খারিজ হয়ে যাবে। চরবাসীদের নামের তালিকায় এই নাম আর থাকবে না।

    কাৰ্যসমাধার লোকজন চলে এসেছে। হারুনের লোক। তাদের দুজন হেকমতের দোকানো রঙ চা খেয়ে গেছে। অন্য আরেক পার্টি নাজেল হয়েছে। আকবরের পার্টি। এরা হারুন গ্রুপের সঙ্গে হাঙ্গামায় যাবে, তবে শুভ্রকে বিদায় করার ব্যাপারে আকবর গ্রুপের কোনো আপত্তি নেই। হাঙ্গামা বিকাল থেকে শুরু হবে। মাঝরাতে মোটামুটি একটা মীমাংসা হবে। শুভ্র ছাড়াও আরও কিছু লোকজনের নাম খারিজ হবে। অর্ধেকের মতো বাড়িঘর জ্বলিয়ে দেওয়া হবে। আশা করা যাচ্ছে পরদিন ভোর থেকে সব শান্তিমতো চলবে। হেকমত দোয়া ইউনুস পড়ে যাচ্ছে, তার কোনো ভয় নেই। তারপরেও কিছু বলা যায় না। সে মাছির মতো চারদিকে নজর রাখার চেষ্টা করছে। একটা লঞ্চকে কয়েকবার যাওয়া-আসা করতে দেখা গেছে। এখন লঞ্চটা মাঝনদীতে। চর থেকে অনেক দূরে। লঞ্চে কী ঘটনা কে জানে!

    মর্জিনা চা নিতে এল। হেকমত গলা নিচু করে বলল, খবর কিছু জানো?

    মর্জিনা বলল, জানি না।

    ঘটনা যে ঘটবে সেইটা জানো!

    না। চা নিতে আসছি চা দেন। ঘটনা নিতে আসি নাই। ঘটনা নিতে আসলে গ্লাস ভর্তি কইরা গরম ঘটনা নিতাম।

    হেকমত বলল, নানান কিসিমের লোকজন চরে ঘুরাফিরা করতেছে।

    মর্জিনা বলল, করুক। আপনের সমস্যা কী? আপনের বরং লাভ। আপনের দোকানে আইসা নগদ পয়সায় চা খাবে।

    তোমার ভাইজানের খবর কী? সে লেখাপড়া নিয়া আছে। একটা ইংরেজি বই আছে। পড়ে। আর কুট কুট কইরা হাসে। বইটার নাম-মাছির রাজা।

    হেকমত বলল, তোমারে একটা ভালো পরামর্শ দিব, শুনবা?

    মর্জিনা বলল, না। এই দুনিয়াতে আমি একজনের পরামর্শই শুনব। ভাইজানের পরামর্শ।

    হেকমত বলল, বেশিদিন তার পরামর্শ শুনতে পারবা বইলা তো মনে হয় না। ঘটনা ঘটে যাবে। তোমার ভাইজান মইরা চেগায়া পইরা থাকবে।

    মর্জিনা স্বাভাবিক গলায় বলল, তখন আপনের সাথে হাঙ্গা বসব। আপনে আমারে পরামর্শ দিবেন। আমারে চা খাওয়াবেন আর পরামর্শ দিবেন। ইচ্ছা করলে ভাইজানের মতো ছাইনছের বক্তৃতাও দিতে পারেন। আমরা আগে বান্দর ছিলাম। পরে মানুষ হইছি–এইসব হাবিজাবি।

    মর্জিনা চা নিয়ে চলে গেল। হেকমত বিড়বিড় করে বলল, মাগি তোর উপকার করতে চাইছিলাম। তুই বুঝলি না; তোর নিজের দিনও ঘনাইছে।

    শুভ্ৰ নদীতে গোসল করতে যাবে তার প্রস্তুতি চলছে। গায়ে সরিষার তেল মাখা হচ্ছে। মর্জিনা চায়ের গ্লাস হাতে নিয়ে উপস্থিত হলো।

    গরম গরম চা খান। চা খায়া নদীতে নামেন। সাঁতার তো শিখছেন। শিখছেন না?

    শুভ্ৰ আনন্দিত গলায় বলল, শিখেছি। এখন ডুব সাঁতার ট্রাই করছি।

    মর্জিনা নিজের জন্যে সামান্য রেখে চায়ের গ্লাস শুভ্রর দিকে এগিয়ে দিতে দিতে বলল, চরে মনে হয় গণ্ডগোল হইব।

    শুভ্র বলল, আসার পর থেকেই শুনছি চরে গণ্ডগোল হবে। হচ্ছে না তো। একবার হয়ে ঝামেলা শেষ হওয়া ভালো।

    মর্জিনা ছোট্ট নিঃশ্বাস ফেলে বলল, গণ্ডগোল তো হইবই। আইজ না হইলে কাইল! আমারে নিয়ে চিন্তার কিছু নাই। চিন্তা আপনেরে নিয়া। আমি যদি আপনের পায়ে ধইরা একটা অনুরোধ করি রাখবেন?

    শুভ্ৰ বলল, যে অনুরোধ পায়ে ধরে করতে হয় সেটা অবশ্যই অন্যায় অনুরোধ। এই অনুরোধ আমি রাখব না।

    তাইলে কিছুক্ষণ আমার সঙ্গে গল্প করেন, তারপর গোসলে যান।

    শুভ্ৰ বলল, অংকের গল্প শুনবে? মর্জিনা হাই তুলতে তুলতে বলল, যা বলবেন তা-ই শুনব। আপনে তো আর পীরিতের গল্প জানেন না। উপায় কী?

    শুভ্ৰ চায়ের কাপে চুমুক দিতে দিতে আগ্রহের সঙ্গে বলল, ৩৭ সংখ্যাটা সম্পর্কে বলি। বিস্ময়কর একটি সংখ্যা। এটা একটা প্ৰাইম নাম্বার। প্রাইম নাম্বার কী জানো?

    না।

    যে সংখ্যাকে ১ বা সেই সংখ্যা ছাড়া অন্য কোনো সংখ্যা দিয়ে ভাগ দেওয়া যায় না। তাকে বলে প্ৰাইম নাম্বার।

    মর্জিনা হাই তুলতে তুলতে বলল, ও আচ্ছা। এখন বুঝলাম।

    শুভ্র বলল, ৩৭ বিস্ময়কর সংখ্যা। কারণ ৩৭ দিয়ে ১১১, ২২২, ৩৩৩, ৪88, ৫৫৫, ৬৬৬, ৭৭৭, ১৮৮৮, ৯৯৯ এদের ভাগ দেয়া যায়।

    মর্জিনা বলল, ভাগ দিলে লাভ কী?

    শুভ্ৰ বলল, তুমি কি সবকিছু লাভ লোকসান দিয়ে বিচার করো?

    মর্জিনা বলল, দুনিয়াই চলে লাভ লোকসানে, আমি চলব না? যান সিনান কইরা আসেন। আপনের গফ শুনা আর চোরের পাদ শুনা একই রকম।

    শুভ্ৰ বলল, তুমি এই নোংরা কথাগুলি বলা কবে বন্ধ করবে?

    মর্জিনা নির্বিকার ভঙ্গিতে বলল, যেদিন থাইকা আপনে পীরিতের গাফ বলা শুরু করবেন। সেইদিন ছাড়ব। এখন যান সাঁতার দিয়া আসেন। আইজ কি ছাইনছের বক্তৃতা আছে?

    শুভ্র বলল, আছে। আজকের বিষয়বস্তু হলো সূর্য। পৃথিবী সূর্যের চারদিকে ঘুরছে, এটা কি জানো?

    মর্জিনা বলল, লোকে আপনেরে পাগল ডাকে, এইটা কি জানেন?

    জানি। ডাকুক যার যা ইচ্ছা।

    শুভ্র ড়ুব সাঁতারের চেষ্টা করছে। চরের পাড়ে বসে মুগ্ধচোখে দেখছে মর্জিনা। তার কাছে মনে হচ্ছে, এত সুন্দর দৃশ্য সে তাঁর জীবনে আর দেখে নাই। কোনোদিন যে দেখবে এমন সম্ভাবনাও নাই।

    ভোর সাতটা।

    মেরাজউদ্দিন দিনের প্রথম চায়ের কাপে চুমুক দিচ্ছেন। তখনই ভালো খবরটা পেলেন। চিকেন ফেদার কোম্পানির জেনারেল ম্যানেজার আহসান খবর নিয়ে ভোর ছাঁটায় এসে স্যারের ঘুম ভাঙার অপেক্ষায় ছিলেন।

    মেরাজউদ্দিন বললেন, শুভ্রর খবর পেয়েছ?

    জি।

    অথেনটিক খবর?

    জি। আপনি বললেই আমি এক্ষুনি রওনা হয়ে যাব। স্যারকে ফিরিয়ে নিয়ে আসব।

    মেরাজউদ্দিন বললেন, তোমাকে দেখেই তোমার স্যার হুড়মুড় করে ঢাকার পথে রওনা হবে, এরকম ভাবার কি কোনো কারণ আছে?

    আহসান বলল, স্যার, আপনি কি যাবেন? হেলিকপ্টারের ব্যবস্থা করি। চরে। নামিয়ে দেবে।

    মেরাজউদ্দিন বললেন, তুমি সে কোথায় আছে বের করেছ, তোমার দায়িত্ত্ব শেষ! তুমি শুধু বড় একটা মাছ কেনার ব্যবস্থা করো।

    বড় মাছ?

    হ্যাঁ। আমাদের কালচারে শুভ সংবাদের সঙ্গে বড় মাছ যুক্ত।

    আহসান বলল, স্যার যদি কিছু মনে না করেন, আপনি কি যুথী মেয়েটাকে পাঠাবার কথা ভাবছেন?

    মেরাজউদ্দিন বললেন, হ্যাঁ। মেয়েদের কাছে দুষ্ট শিশু শান্ত করার অনেক কৌশল আছে। যুথী তাকে দুষ্ট শিশু হিসেবেই দেখবে। শান্ত করে নিয়ে আসবে। মেয়েটার এই ক্ষমতা আছে বলে আমার ধারণা। বড় মাছটা যুথীর জন্যে।

    অনেকক্ষণ ধরেই থেমে থেমে কলিংবেল বাজছে।

    যুথীর শরীর খারাপ। সে বিছানায় শুয়ে আছে। তার হাতে খবরের কাগজ। হকারকে সে এই মাস থেকে কাগজ দিতে নিষেধ করেছে। খরচে পোষাচ্ছে না, তারপরেও সে কাগজ দিয়েই যাচ্ছে।

    খবরের কাগজে বাংলাদেশের এক শিল্পপতির কাঠমুণ্ডুতে আত্মহত্যার খবরটা ভেতরের পাতায় এসেছে। যুথী ছোট্ট নিঃশ্বাস ফেলল-করিম আঙ্কেল আত্মহত্যা টাইপ না। তার কাছে বেঁচে থাকা অত্যন্ত জরুরি। কখন মানুষের মনে কী উঠে আসে কে জানে!

    কলিংবেল আবারও বাজছে। যুথী কাগজ হাতেই দরজা খুলল। দরজার বাইরে মেরাজউদ্দিন দাঁড়িয়ে আছেন। তাঁর ড্রাইভারের হাতে বিশাল এক কাতল মাছ।

    মেরাজউদ্দিন বললেন, এত বড় কাতল মাছ দেখেছ?

    যুথী বলল, না।

    মেরাজউদ্দিন বললেন, মেয়ের সঙ্গে দেখা করতে যাচ্ছি, ভাবলাম একটা মাছ নিয়ে যাই। মাছটা তোমার বাবা-মাকে দেখাও। তারা আনন্দ পাবেন বলে আমার ধারণা। তারপর ড্রাইভারকে দিয়ে কাটিয়ে আনবে। এত বড় মাছ ঘরে কাটা সম্ভব না!

    সাজসজ্জা দেখতে লাগলেন। পেনসিালে আঁকা রবীন্দ্রনাথের একটা বঁধানো ছবি ছাড়া চোখে পড়ার মতো কিছু নেই। ছবিটা সুন্দর। ছবির চোখে স্বপ্ন। হাতে এঁকে চোখে স্বপ্ন আনা সহজ ব্যাপার না। মেরাজউদ্দিন বললেন, কার আঁকা ছবি?

    যুথী বলল, আমার বড়ভাইয়ের। তার আর্ট কলেজে ভর্তি হওয়ার শখ ছিল। গোপনে ভর্তি হয়েও ছিল। খবর পেয়ে বাবা তাকে জুতাপেটা করে ছড়িয়ে এনেছিলেন।

    মেরাজউদ্দিন নিজের মনেই বললেন, Full many a flower is born to blush unseen.

    যুথী বাবা-মাকে মাছ দেখাতে নিয়ে গেল। আজহার মাছ দেখে বললেন, এই মাছে কেউ হাত দিবি না। খবরদার। কেউ হাত দিলে হাত কেটে ফেলব। মাছ আমি নিজের হাতে জামাইকে দিয়ে আসব।

    যুথী বলল, জামাইটা কে?

    আজহার বললেন, আমার সঙ্গে ফাজলামি করিস? ডাক্তারকে তুই চিনিস না? তুই কি ভেবেছিস তোদের গোপন বিয়ের কথা জানি না?

    যুথী বলল, জামাই জামাই খেলাটা বন্ধ করো তো বাবা। তোমার এই খেলা অন্য কেউ ধরতে পারুক বা না-পারুক আমি পারি। মাছটা একজন আমার জন্যে আগ্রহ করে এনেছেন। এখানেই রান্না হবে। তুমি চাইলে ডাক্তার সাহেবকে খেতে বলতে পার।

    এত বড় মাছ তোকে কে দিল? নিশ্চয়ই কোনো ব্যাপার আছে। আমি বার্লি জল খাই না যে ব্যাপার বুঝব না।

    সালমা বললেন, তোর বাবার কথায় যুক্তি আছে। এই এক মানুষ, যুক্তি ছাড়া কোনো কথা বলে না।

    আজহার স্ত্রীর দিকে তাকিয়ে তৃপ্তির হাসি হাসলেন।

    যুথী মার দিকে তাকিয়ে বলল, তোমার মতো স্বামীপ্রেমে অন্ধ মানুষও আমি আমার জীবনে দেখি নি। এখন আমি কী করব? মাছ ফেরত দিয়ে দিব?

    সালমা বললেন, তোর বাপ যেটা বলে সেটা করবি। এই সংসারের প্রধান তোর বাপ, তুই না।

    আজহার বললেন, একজন শখ করে একটা মাছ এনেছে। ফেরত দিলে মনে কষ্ট পাবে। মানুষকে কষ্ট দেওয়া আর কাবাঘরের পাথর খুলে নেওয়া একই জিনিস।

    যুথী বলল, মাছটা তাহলে কাটতে পাঠাই?

    আজহার বললেন, এই মাছ আমি কাটিয়ে আনব। ইনসট্রাকশান দিয়ে কাটাতে হবে। রাতে পোলাও করতে হবে। এত বড় মাছ পোলাও ছাড়া জমবে না। পোলাওয়ের চাল ঘরে আছে না কিনতে হবে? ঘরে তো কিছুই থাকে না। মাছটা এনেছে কে?

    শুভ্রর বাবা এনেছেন।

    বুঝাই যাচ্ছে উনি বিশিষ্ট ভদ্রলোক। যুথী, ভালোমতো আদর যত্ন কর। আমি সামনে যাব না। পাগল মানুষ, কী বলতে কী বলে ফেলব।

    যুথী লক্ষ্য করুল, অনেকদিন পর তার বাবা স্বাভাবিক আচরণ করা শুরু করেছেন। একটা বড় মাছ পরিস্থিতি বদলে দিয়েছে।

    মেরাজউদ্দিন চা খেতে খেতে যুথীর সঙ্গে গল্প করছেন। যুথী খুবই অস্বস্তিতে পড়েছে, কারণ তাঁকে যে চায়ের কাপটা দেওয়া হয়েছে সেখানে ঠিক চুমুক দেওয়ার জায়গাটা সামান্য ভাঙা। মেরাজউদ্দিন ভাঙাটা সরিয়ে সাবধানে চুমুক দিচ্ছেন। ঘরে ভালো কাপও ছিল। বেছে বেছে এই কাপটাই সে দিল! যুথী বলল, স্যার, আমি আপনার কাপটা বদলে দেই?

    মেরাজউদ্দিন বললেন, কাপ বদলাতে হবে না। এই কাপে চা খেয়ে আমি খুবই আনন্দ পাচ্ছি। আনন্দ পাওয়ার কারণটা শুনতে চাও?

    চাই।

    আমার বাবা ছিলেন স্কুল টিচার। একজন স্কুল টিচারের আর্থিক অবস্থা তো বুঝতেই পার। বাবার জন্যে যে চায়ের কাপটা ছিল, সেটা ঠিক এই জায়গায় ভাঙা ছিল। বাবাকে নতুন কাপ অনেকবার কিনে দেওয়া হয়েছে, তিনি তারপরেও ভাঙা কাপে চা খেয়ে গেছেন। তিনি বলতেন, আমি ভাঙা কপাল নিয়ে জন্মেছি। আমি তো ভাঙা কাপেই চা খাব।

    যুথী বলল, তিনি কি আপনার উত্থান দেখে যেতে পেরেছেন?

    মেরাজউদ্দিন বললেন, না। তিনি কিছুই দেখে যেতে পারেন নি। মৃত্যুশয্যায় তিনি আমাকে বললেন, উত্তরাধিকারসূত্রে ছেলেমেয়েরা অনেক কিছু পায়। আমি তোর জন্যে কিছু ঋণ রেখে গেলাম। তুই কিছু মনে করিস না। ঋণ শোধের ব্যবস্থা করিস।

    মা, আমি এই কাপে আরেক কাপ চা খাব। এবং যাবার সময় এই কাপটা সঙ্গে করে নিয়ে যাব। সস্তা সেন্টিমেন্টালিটি আমার মধ্যে নেই। বাবার কথা হঠাৎ মনে হওয়ায় নিজের ভেতর খানিকটা স্যাতস্যাতে ভাব চলে এসেছে।

    যুথী আরেক কাপ চা নিয়ে এল। মেরাজউদ্দিন বললেন, আমি তোমার কাছে একটা কাজে এসেছি। আমার ছেলে কোথায় আছে, কোন চরে বাস করছে তা তুমি খুঁজে বের করবে এবং তাকে ফিরিয়ে নিয়ে আসবে। আমার ধারণা, তোমার চেয়ে ভালো করে কেউ এই কাজটা করতে পারবে না। মা, ঠিক আছে?

    যুথী বলল, আমি আজই রওনা হব। মেরাজউদ্দিন বললেন, ছেলের চিন্তায় তার মা নানান পাগলামি শুরু করেছেন। মাঝরাতে বিছানায় উঠে বসে শুভ্ৰ কই? শুভ্ৰ? বলে চোঁচাতে থাকেন। ঠিক করেছি। তাকে হাসপাতালে ভর্তি করিয়ে দেব।

    উনি তার ছেলেকে খুব পছন্দ করেন?

    কোন মা তার ছেলেমেয়েকে পছন্দ করে না তুমি বলো দেখি? কোনো ছেলে যদি খুন করে এসে মায়ের পাশে দাঁড়ায়, মা তার মাথায় হাত রাখবেন।

    যুথী বলল, বাবা মাথায় হাত রাখবেন না?

    মেরাজউদ্দিন বললেন, না। সব সন্তান তার মায়ের অংশ। বাবার অংশ নয়।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleশুভ্র – হুমায়ূন আহমেদ
    Next Article সাজঘর – হুমায়ূন আহমেদ

    Related Articles

    হুমায়ূন আহমেদ

    বোতল ভূত – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    নিউইয়র্কের নীলাকাশে ঝকঝকে রোদ – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    রং পেন্সিল – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    বিবিধ / অগ্রন্থিত লেখা – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    আজ হিমুর বিয়ে – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    কৃষ্ণপক্ষ – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }