Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    শুভ্র – হুমায়ূন আহমেদ

    হুমায়ূন আহমেদ এক পাতা গল্প307 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১০. আপনি একা থাকেন

    আপনি একা থাকেন?

    না। এইত এখন আপনি আছেন। আপনাকে নিয়ে দুজন।

    আখলাক সাহেব হাসলেন। ভদ্রলোকের দাঁত সুন্দর। টুথপেস্টের বিজ্ঞাপনের মত না হলেও সুন্দর। যারা খুব সিগারেট খায় তাদের দাঁত এত পরিষ্কার থাকে না। হলুদ ছোপ পড়ে— স্ম্যোকারস টিথ। আখলাক সাহেব খুব সিগারেট খান। দশ মিনিটও হয় নি শুভ্র এ বাড়িতে এসেছে। এর মধ্যেই আখলাক সাহেব তিনটা সিগারেট শেষ করে চতুর্থ সিগারেট ধরাচ্ছেন। তাঁর দাঁত এত পরিষ্কার থাকার কথা না।

    শুভ্ৰ আমার বাড়িটা কেমন?

    খুব সুন্দর। আপনি যদি কখনো বাড়ি বানান তাহলে কি এরকম একটা বাড়ি বানাবেন?

    না।

    বাড়িটা যদি খুব সুন্দর হয়ে থাকে তাহলে এমন বাড়ি বানাবেন না কেন?

    শুভ্র বলল, বাড়িটা অচেনা লাগছে।

    আখলাক সাহেব বললেন, কিছুদিন বাস করলে কি চেনা লাগবে না?

    না লাগবে না। যে বাড়ি প্রথমদিন অচেনা লাগে সেই বাড়ি শেষ দিনও অচেনা লাগে।

    আখলাক সাহেব তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে শুভ্রর দিকে তাকিয়ে ছিলেন। দৃষ্টি ফিরিয়ে নিয়ে সহজ গলায় বললেন, আপনার কথা ঠিক। পেতলের ঘণ্টায় আপনি বাড়ি দিলেন। একটা শব্দ হল। প্ৰথম বাড়িতে যে শব্দটা হবে, শেষবাড়িতেও একই শব্দ হবে।

    শুভ্র বলল, আমি কি অনেক আগে চলে এসেছি?

    আখলাক সাহেব বললেন, না, আপনি ঠিক সময়মতই এসেছেন। আমি একেকজনকে একেক সময়ে আসতে বলেছি।

    পার্টি শুরু হবে কখন?

    পার্টি শুরু হয়ে গেছে। যেই মুহুর্তে আপনি কলিং বেলে হাত দিলেন, পার্টি শুরু হয়ে গেল। আপনাকে সবার আগে আসতে বলেছি কারণ আপনার সঙ্গে আমি বেশি সময় কাটাতে চাই।

    পার্টিতে কারা আসবেন?

    অনেকেই আসবেন। একজন দুজন ছাড়া আপনি কাউকে চেনেন বলে মনে হয় না। এটাই মজার। কেউ কাউকে চেনে না, আবার সবাই সবাইকে চেনে। আচ্ছা শুভ্ৰ আপনি কি পাঁচ মিনিট একা একা বসে থাকতে পারবেন?

    পারব।

    আমি গত তিনদিন ধরে মেশকাত নামের একজনকে ধরার চেষ্টা করছি। তাকে পার্টিতে হাজির করতে পারলে দারুণ ব্যাপার হবে। মেশকাত ভবিষ্যৎ বলতে পারে। একটা মোবাইল নাম্বার কিছুক্ষণ আগে পেয়েছি, চেষ্টা করে দেখি। আপনি বরং কফি খান। কফি পটে কফি আছে। আমি বানিয়ে দেব?

    না আমি বানিয়ে নেব। You take your time.

    আখলাক সাহেব দোতলায় উঠে গেলেন। বাড়িটা ড়ুপ্লেক্স টাইপ। একতলা দোতলা মিলিয়ে থাকার ব্যবস্থা। একতলায় রান্নাঘর এবং হলঘরের মত বড় একটা বসার ঘর। বসার ঘর জাপানি কায়দায় সাজানো। সোফা নেই- কার্পেট এবং কার্পেটের উপর নানান ধরনের বাহারি গদি। দেয়ালে কিছু পেইনটিং আছে– সবই জাপানি ছবি। চেরী ফুল ফুটেছে। জাপানি ললনা কিমানো পরে দাঁড়িয়ে আছে। তাদের ছোট ছোট চোখে রাজ্যের বিস্ময়! পাতলা ঠোঁটে রহস্যময় হাসি।

    বসার ঘরের সঙ্গেই খাবার ঘর। খাবার ঘরটা তুলনামূলকভাবে ছোট। ঘরের মাঝখানে বড় একটা ডাইনিং টেবিল। ডাইনিং টেবিলের সঙ্গে কোনো চেয়ার নেই। টেবিল ভর্তি স্নেকস জাতীয় খাবার, পটেটো চিপস, পনীর, শুকনো মাংস, নানান ধরনের ভাজ্যভুজি। ডাইনিং রুমের দেয়ালে দামি ফ্রেমে একটাই ছবি। যে কারণে চট করে ছবির দিকে চোখ যায়। ছবিটা জয়নুল আবেদিনের দুর্ভিক্ষের ছবি। ডাষ্টিবিনে মানুষ এবং কুকুর একসঙ্গে খাবার খুঁজছে। খাবার ঘরে এ রকম একটা ছবি ঝুলিয়ে রাখার পেছনে আখলাক সাহেবের নিশ্চয়ই কোনো উদ্দেশ্য আছে। ভদ্রলোক উদ্দেশ্যহীন কোনো কাজ করেন বলে মনে হয় না। কিংবা হয়ত উদ্দেশ্যহীনভাবেই সব কাজ করেন। অথচ মনে হয় কাজটার পেছনে কোনো উদেশ্য আছে!

    বাড়িটা বেশ বড় হলেও লোকজন নেই। এপ্রন পরা একটি মেয়েকে রান্নাঘরে দেখা যাচ্ছে। মেয়েটা আখলাক সাহেবের কোন আত্মীয়া না কাজের মেয়ে তা শুভ্র ঠিক বুঝতে পারছে না। মেয়েটা দেখতে সুন্দর। চেহারায় মায়া ভাব অত্যন্ত প্রবল। শুভ্রর সঙ্গে একবার মেয়েটির চোখচুখি হল। মেয়েটি ভুরু কুঁচকে এমনভাবে তাকাল যার অর্থ – এই যে ভদ্রলোক! আপনি এভাবে আমাকে দেখছেন কেন? আমি আমার কাজ করছি। আপনি আপনার কাজ করুন। শুভ্ৰ লজ্জা পেয়ে কফির মগ হাতে বসার ঘরে চলে এল।

    শুভ্র।

    শুভ্ৰ তাকালো। আখলাক সাহেব ঘরে ঢুকেছেন। ভদ্রলোক এর মধ্যেই পোশাক বদলেছেন। কালো প্যান্টের উপর লাল টকটকে হাফ শার্ট। হাফ শার্টের উপর সামার কোটের মত কোট। সামার কোটি পরার মত গরম নেই। কিন্তু ভদ্রলোককে সুন্দর লাগছে। লাল রঙের শার্টটা না পরলে তাঁকে এত সুন্দর লগত বলে মনে হয় না।

    শুভ্র আপনার ভাগ্যটা খুব ভাল। মেশকাতকে পাওয়া গেছে।

    আমার শুভাগ্য ভাল বলছেন কেন? তিনি কি বিশেষ করে আমার ভাগ্য বলার জন্যেই আসছেন?

    উনি সবার ভাগ্য বলবেন। তাকে নিয়ে কড়াকড়ি পড়ে যাবে। পার্টি জমানোর জন্যে এ রকম দুএকজন মানুষ দরকার।

    উনি কি সত্যি ভাগ্য বলতে পারেন?

    আরে দূর। ভাগ্য কোথেকে বলবো? তবে যা বলে খুবই বিশ্বাসযোগ্যভাবে বলে। শুনলেই বিশ্বাস করতে ইচ্ছা করে। মজাটা এই খানেই। একজন অন্ধ মানুষ। সাদা চুল, সাদা দাড়ি। ঋষি ঋষি চেহারা। গলার স্বরও অদ্ভুত। সব কিছু মিলিয়ে একটা রহস্য তৈরি হয়। রহস্যের কারণে সে কথা বললেই শুনতে ইচ্ছা করে।

    পার্টি জমানোর জন্যে আপনি সব সময় এরকম কিছু মানুষ রাখেন?

    হ্যাঁ রাখি। রাখতে হয়। ময়মনসিংহ অঞ্চলে বিয়ের কথাবার্তা অনুষ্ঠানে কিছু লোক ভাড়া করে আনা হয়। তাদের কাজ হচ্ছে গল্পগুজব করে আসর জমিয়ে দেয়া। এদের নাম— আলাপী। কাজেই দেখতে পাচ্ছেন পার্টি জমানোর ব্যাপারটা আমাদের কালচারেরই অংশ।

    শুভ্ৰ হাসল। আখলাক সাহেব বললেন, আমি একা থাকি। আমার জন্যে পার্টি খুব দরকার। প্রচুর লোকজন, প্রচুর হৈচৈ। পার্টি যখন খুব জমে। তখন আমি আবারো একা হয়ে যাই। জনতার মধ্যেই আছে নির্জনতা। সেই নির্জনত রকম। আমার খুব পছন্দের নির্জনতা।

    আখলাক সাহেব ঘড়ি দেখলেন। শুভ্ৰ বলল, আপনার লোকজন কখন আসবে?

    দেরি আছে! আচ্ছা শুভ্ৰ আমিতো বয়সে অনেক বড়। আমি তোমাকে তুমি করে বলি?

    বলুন। প্রথম যেদিন আপনার সঙ্গে দেখা হয়েছিল সেদিনও শুরুতে আপনি আপনি করে বললেন পরে তুমিতে চলে গেলেন।

    তাহলে তো ঠিকই আছে। তাহলে তুমি শুরু করা যাক। কেমন আছ শুভ্ৰ?

    ভাল।

    তোমাকে অনেক আগে আসতে বলেছি কেন আন্দাজ করতে পার?

    জ্বি না। আমার অনুমান শক্তি ভাল না।

    তোমাকে মীরা সম্পর্কে দুএকটা কথা জিজ্ঞেস করার জন্যেই আরো আগে আসতে বলেছি। তুমি ইচ্ছা করলে জবাব দিতে পার। আবার নাও দিতে পার। প্রশ্নগুলি করব?

    জ্বি করুন।

    প্রথম প্রশ্ন, তুমি কি মীরাকে বিয়ে করছ?

    শুভ্ৰ খুবই অবাক হয়ে বলল, এই প্রশ্নটি করার কারণ কী?

    কারণ হচ্ছে মীরাকে আমার দিকে আকৃষ্ট করার জন্যে আমি নানান ধরনের কায়দা কানুন করছি। কোনোটিই তেমন কাজ করছে না বলে আমার ধারণা হয়েছে সম্ভবত তুমি সূত্রধর।

    সূত্রধর মানে?

    সূত্রধর মানে, মীরার সুতা অনেকখানি তোমার হাতে। তুমি সুতা নাড়ছ বলে সে নড়ছে।

    আপনার এরকম মনে করার কোনো কারণ নেই। কারোর সুতাই আমার হাতে নেই। এমন কি আমার নিজেরটাও না।

    এটাতো ভালই বলেছ।

    আর কিছু জিজ্ঞেস করবেন?

    না। আমার প্রশ্নের জবাব সহজভাবে দেবার জন্যে ধন্যবাদ। এখন তুমি যদি কোনো প্রশ্ন করতে চাও করতে পার।

    আমি কোনো প্রশ্ন করতে চাচ্ছি না। এবং পার্টিতেও থাকতে চাচ্ছি না। যে জন্যে আমাকে ডেকেছিলেন সেটা তো হয়েছে। আমাকেতো আর দরকার নেই।

    খুব দরকার আছে। আমাকে মীরা একটি দায়িত্ব দিয়েছে, সেই দায়িত্ব এখনো পালন করতে পারি নি। পার্টি জমে উঠলে সেই দায়িত্ব পালন করব। কাজেই তোমাকে থাকতে হবে।

    কলিং বেল বাজছে। আখলাক সাহেব বললেন, মীরা এসেছে। বলেই তিনি শুভ্রর দিকে তাকিয়ে বললেন, আমার নিম্ন ধরনের কিছু আধ্যাত্মিক ক্ষমতা আছে। বেলের শব্দ শুনে কে বেল টিপছে তা ধলে দিতে পারা হচ্ছে তার একটি। শুভ্ৰ তুমি কি আমার হয়ে দরজাটা খুলবে? মীরা দরজা খুলেই তোমাকে দেখে খুব খুশি হব এই জন্যে বলছি। I want to make her happy.

    শুভ্র দরজা খুলল, মীরা আসে নি মোটাসোটা এক ভদ্রলোক দাঁড়িয়ে আছেন। হাতে দুটা শপিং ব্যাগ। শুভ্ৰ তাকাল আখলাক সাহেবের দিকে। তিনি হাসছেন। তাঁর আধ্যাত্মিক ক্ষমতা কাজ করে নি দেখে মনে হচ্ছে তিনি খুশি।

    পার্টি জমে উঠেছে। শুভ্র গুণে দেখেছে সব মিলিয়ে মোট আঠারো জন মানুষ। আঠারো জনের মধ্যে মীরাকে নিয়ে সাতজন মেয়ে। এই সাতজনের মধ্যে দুজনের বয়স খুবই কম। কিছুতেই সতেরো আঠারোর বেশি না। একজন মহিলার বয়স পঞ্চাশের উপরে। ইনি খুবই হাসি খুশি। সারাক্ষণ হাসছেন। গায়ে হাত না দিয়ে তিনি মনে হয় কথা বলতে পারেন না; যার সঙ্গে কথা বলছেন তারই হাত ধরে বা কাঁধে হাত রেখে কথা বলছেন; শুভ্ৰর সঙ্গেও তার কথা হল। শুভ্রের পিঠে হাত রেখে বললেন, এক্সকিউজ মি। আপনার নাম শুভ্ৰ না?

    জ্বি।

    আপনার সঙ্গে আগে কখনো দেখা হয় নি কেন? এই বাড়ির পার্টিতে যারা আসেন তাদের সবার সঙ্গেই আমার পরিচয়। আমার নাম এলা।

     

    আমার যখন ত্ৰিশ বছর বয়স তখন আমার স্বামী মারা যান। তারপর আর বিয়ে করি নি। কারণ আমার কাছে মনে হয়েছে অভিজ্ঞতার জন্যে একটা মেয়ের একটি পুরুষই যথেষ্ট। একটা পুরুষকে চেনা মানে সব পুরুষকে চেনা।

    সবাই এক রকম?

    অবশ্যই। আপনার পরিচয়টা বলুন।

    আমার কোনো পরিচয় নেই। আমার নাম শুভ্ৰ। নামতো আপনি এর মধ্যেই জেনেছেন। মীরার সঙ্গে আমি এ বছর পাশ করেছি।

    তাহলে তো তোমাকে কিছুতেই আপনি বলা যায় না। মীরা আমাকে রাগাবার জন্যে গ্রান্ড মা ডাকে। ইচ্ছা করলে তুমিও গ্রান্ড মা ডাকতে পার। ভাল কথা, আখলাকের পার্টিতে যারা আসে তাদের সবারই কোনো-না-কোনো স্পেশালিটি থাকে। তোমার স্পেশালিটি কী?

    আমার কোনো স্পেশালিটি নেই।

    অবশ্যই আছে। যাই হোক যদি কিছু থাকে তাহলে জানা যাবে। দোষ এবং গুণ দুটার কোনোটাই মানুষ লুকিয়ে রাখতে পারে না।

    আপনার স্পেশালিটি কী?

    আমার স্পেশালিটি হচ্ছে। আমি আখলাকের খালা। আখলাকের অনেক আত্মীয়স্বজনের মধ্যে একমাত্র আত্মীয় যে আখলাককে পছন্দ করে। আখলাক কোনো পার্টি দিয়েছে সেখানে আমি নেই তা কখনো হয় নি।

    ও আচ্ছা।

    আমাকে দেখে মনে হচ্ছে না আমি মদ্যপান করি, নানান রকম হুল্লোর করি? তা কিন্তু না। আমি মদ্যপান করি না। স্বামীর মৃত্যুর পর থেকে এক ওয়াক্তও নামাজ কাজ হয় নি। তোমার সঙ্গে পরে আবারো কথা হবে।

    জ্বি আচ্ছা।

    তুমি চুপচাপ বসে আছ কেন? সবার সঙ্গে গল্প গুজব করা। আজকের পার্টির স্পেশাল ফিচার কী তুমি জান?

    জানি না।

    আমিও জানি না। আখলাক বলেছে স্পেশাল ফিচার রাত দশটার দিকে বলবে। এতক্ষণ আমি থাকতে পারব না। আমার এক কাজিন আসছে, তাকে রিসিভ করতে হবে।

    উনার পার্টিতে কি সবসময় কোনো স্পেশাল কিছু থাকে?

    হ্যাঁ থাকে। এবং প্রতিবারই আখলাক আমাকে আগে ভাগে বলে শুধু আজ কিছু বলছে না। স্পেশাল ফিচার না জেনে চলে গেলে মনে খুঁতখুঁতানি থাকবে।

    আপনি টেলিফোন করে জেনে নেবেন।

    টেলিফোন তো ও ধরবে না। তুমি বোধহয় আখলাককে চেন না। আখলাক বাসায় কখনো টেলিফোন ধরে না। যত ইমার্জেন্সিই হোক ও টেলিফোন ধরবে না।

    এলা এগিয়ে গেলেন। তিনি যাচ্ছেন। মীরার দিকে। শুভ্রর ধারণা তিনি মীরার কাছে যাচ্ছেন কারণ মীরার কাছ থেকে তথ্য সংগ্ৰহ করবেন। শুভ্ৰ বিষয়ক তথ্য। একদল মানুষ আছেন তথ্য সংগ্রহেই যাদের আনন্দ। ভ্রমর ফুল থেকে মধু সংগ্ৰহ করে চাক ভর্তি করে। এরা সংগ্রহ করেন তথ্য।

     

    অন্ধ মেশকাত সাহেব জমিয়ে বসেছেন। পার্টির মূল কেন্দ্ৰবিন্দু মনে হচ্ছে তিনি। ধবধবে সাদা পায়জামা পাঞ্জাবিতে তাকে ঋষি ঋষি লাগছে। পায়জামা পাঞ্জাবির মত তার চুল দাড়ি সবই সাদা। তিনি একটা পাতলা চাঁদর মাথার উপর দিয়ে রেখেছেন। অন্ধ মানুষ সাধারণত সানগ্লাস পরে চোখ ঢেকে রাখে। তাঁর চোখ খোলা। অন্ধদের চোখের মণি খুব একটা নড়াচড়া করে না। প্রয়োজন নেই বলেই নড়াচড়া করে না। যে-কোনো একটি দিকে দৃষ্টি স্থির হয়ে থাকে। এই ভদ্রলোকের দৃষ্টি সে রকম না। সাধারণ মানুষের মত তাঁর দৃষ্টি এদিক ওদিক ঘুরছে। দৃষ্টিহীনের চোখের অস্বাভাবিকতা তার চোখে নেই।

    ব্যাপার কী ঘটছে দেখার জন্যে শুভ্ৰ এগিয়ে গেল। মেশকাত সাহেবের সামনে এক ভদ্রলোক কর্পেটে হাঁটু গেড়ে বসে আছেন। ভরিক্কী শরীরের মানুষ। চেয়ারে বসতে অভ্যস্ত বলে কার্পেটে বসে ঠিক আরাম পাচ্ছেন না। তার চোখে মুখে এক ধরনের শঙ্কার ভাব। ডেন্টিসের কাছে রোগী গেলে যেমন হয় তেমন।

    মেশকাত সাহেব সামান্য বুকে এসে বললেন, জনাব আপনার নাম?

    আমার নাম সাজ্জাদ। সাজ্জাদ হোসেন।

    দেখি জনাব আপনার হাতটা।

    ভদ্রলোক হাত বাড়িয়ে দিলেন। মেশকাত সেই হাত ধরলেন। অন্ধের হাতড়ে হাতড়ে ধরা না; সরাসরি ধরা। মেশকাত সাহেব হাত ধরেই ছেড়ে দিয়ে বললেন, এই হাত না জনাব। ডান হাত।

    সাজ্জাদ সাহেব অপ্ৰস্তুত গলায় বললেন, সরি। আমি লেফট হ্যান্ডেড বলে সব সময় বাঁ হাত এগিয়ে দেই।

    তিনি ডান হাত বাড়ালেন। এবার মেশকাত সাহেব হাত ধরলেন না; বাড়িয়ে রাখা ডান হাতের উল্টো পিঠে আতর মাখিয়ে দিলেন।

    জনাব আতরের গন্ধটা কেমন বলুন তো?

    আতরের গন্ধ যে রকম হয়। সে রকম। কড়া গন্ধ।

    এই আতরের নাম মেশকাতে আম্বর।

    সাজ্জাদ সাহেব একটু নড়েচড়ে বসে বললেন, এখন আমার সম্পর্কে কিছু কলুন।

    কী বলব?

    এই ধরুন আমার স্বভাব চরিত্র এই সব।

    আপনার স্বভাব চরিত্রতো আপনি সবচে ভাল জানেন। আমি নতুন করে কী বলব?

    আচ্ছা ঠিক আছে আমার অতীত সম্পর্কে কিছু বলুন।

    আপনার অতীতও তো আপনি জানেন। এমনতো না যে আপনার অতীত আপনি জানেন না।

    আমি জানলেও আপনার কাছ থেকে শুনি। আপনার ক্ষমতা সম্পর্কে অনেক শুনেছি। পরীক্ষা হয়ে যাক।

    জনাব আমিতো পরীক্ষা দেবার জন্যে আসি নাই। আমি ছাত্র না, আর আপনারাও শিক্ষক না।

    পাশের একজন বললেন, এ রকম করছেন কেন। দুএকটা কথা বলুন আমরা শুনে মজা পাই। ফর ফানস সেক।

    একটু পরে বলি?

    না না এখনি বলুন।

    দেখি আপনার ডান হাতটা আরেকবার।

    সাজ্জাদ সাহেব ডান হাত বাড়ালেন। মেশকাত দুহাতে ডান হাত ধরে চোখ বন্ধ করে কিছু সময় স্থির হয়ে থাকলেন।

    আপনার ছেলে মেয়ে কী?

    দুই মেয়ে।

    ছোট মেয়েটির নাম কী?

    সীমা।

    সীমা কোন ক্লাসে পড়ে?

    সে এ বছর ইন্টারমিডিয়েট দেবে।

    সীমা কেমন আছে?

    ভাল।

    কেমন ভুল?

    এ বয়সের মেয়েরা যতটা ভাল থাকে ততটা ভাল। গান শুনছে। হৈচৈ করছে। কলেজে যাচ্ছে।

    সে কি গতকাল কলেজে গিয়েছিল?

    আমার পক্ষেতো মেয়ে রোজ রোজ কলেজে যাচ্ছে কি যাচ্ছে না। সেই খোঁজ নেয়া সম্ভব না। হয়ত গিয়েছে।

    সেতে গত কয়েকদিন ধরেই বিছানায় পড়ে আছে। তার তো বিছানা থেকে নামার শক্তি নেই।

    কী বলছেন আপনি? আমার নিজের মেয়ে অসুস্থ আর আমি জানব না!

    আপনি জানবেন না কেন আপনি জানেন। খুব ভাল করেই জানেন। এখন না জানার ভান করছেন।

    সাজ্জাদ সাহেব বিস্মিত এবং খানিকটা ভীত চোখে তাকাচ্ছেন। শুভ্রের কাছে মনে হচ্ছে মেশকাত নামের অন্ধ মানুষটি পুরো পরিস্থিতি তার নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নিয়েছে। তার সামনে বসা সবাইকে খানিকটা অসহায় লাগছে। মেশকাত গম্ভীর স্বরে বললেন, সাজ্জাদ সাহেব! আপনার সঙ্গে টেলিফোন আছে না। মোবাইল টেলিফোন।

    জ্বি।

    সেই টেলিফোনে মেয়ের সঙ্গে কথা বলেন না কেন? কথা বলে তারপর আমাদের জানান—সে কেমন আছে?

    আমি তার দরকার দেখি না; আমার মেয়ে কেমন আছে, না আছে সেটা আমার ব্যাপার। You have no business there.

    আমিও আপনাকে শুরুতে তাই বলছিলাম। আপনি মানুষটা কেমন? আপনার অতীত কী? তা আপনার ব্যাপার। সেই নিজের ব্যাপার অন্যের কাছ থেকে জানতে চাওয়া ঠিক না।

    সাজ্জাদ সাহেব উঠে দাঁড়িয়েছেন। তাঁর মুখ থমথম করছে। মনে হচ্ছে তিনি পার্টি ছেড়ে চলে যাবেন। শুভ্ৰ লক্ষ করল দূর থেকে আখলাক সাহেব পুরো ব্যাপারটা দেখছেন। তার ঠোঁটের কোণায় অস্পষ্ট হাসির রেখা। আখলাক সাহেবব এগিয়ে এসে বললেন, যাদের গলা শুকিয়ে গেছে তারা প্রয়োজন বোধ করলে গলা ভেজাতে পারেন। মিনি বার অপেন হয়েছে। একটা পাঞ্চ আমি নিজে বানিয়েছি ভারমুখ– অরেঞ্জ জুস- টাকিলা এবং গোলমরিচ দিয়ে বানানো এক চামুচ করে হলেও সবাই চেখে দেখবেন।

    লোকজন সবাই যেন একটু নড়েচড়ে বসল। শুভ্রর কাঁধে কে হাত রেখেছে। এলা নামের সেই মহিলা না-কি? শুভ্ৰ অস্বস্তির সঙ্গে মাথা ফিরিয়ে দেখে মীরা। মীরার মুখ হাসি হাসি। এর অর্থ মীরা রেগে আছে। তার মুখ যখন খুব হাসি হাসি থাকে তখন বুঝতে হবে সে রেগে আছে। হাসি দিয়ে সে রাগ চাপার চেষ্টা করছে।

    শুভ্র আমার সঙ্গে একটু আয়তো।

    শুভ্র মীরাকে অনুসরণ করল। মীরা নিতান্ত পরিচিত ভঙ্গিতে সিঁড়ি বেয়ে একতলা থেকে দোতলায় উঠছে। অন্য কোন অতিথিকে শুভ্ৰ দোতলায় উঠতে দেখে নি। দোতলায় উঠেই খানিকটা ফাঁকা জায়গা। বড় টিভি আছে। টিভিতে কার্টুন চলছে। মিকি ইদুর তাড়া করছে। টিভিতে কোনো শব্দ নেই। টিভির কোনো দর্শকও নেই।

    মীরা বলল, তোকে এ বাড়িতে দেখে আমি খুবই অবাক হয়েছি।

    শুভ্র বলল, কেন?

    তুই এখানে এসেছিস কেন?

    তুমি যেমন নিমন্ত্রণ পেয়ে এসেছ আমিও তাই।

    তুই এ বাড়িতে কখনো আসবি না। নেভার এভার… বুঝতে পারছিস?

    না।

    এটা খুব স্ট্রেঞ্জ একটা জায়গা। এখানে আসা ঠিক না।

    তুমিতো আসছ।

    আমি এসেছি বলেই আমি জানি।

    চলে যেতে কলছ?

    হ্যাঁ।

    পার্টিটা শেষ পর্যন্ত দেখে যেতে ইচ্ছা করছে।

    কিছু দেখতে হবে না। তুই এক্ষুণি আমার সঙ্গে রওনা হবি। আমি তোকে তোর বাড়িতে পৌঁছে দিয়ে আসব।

    মীরা সিঁড়ি বেয়ে নামছে। মীরার পেছনে পেছনে নামছে শুভ্ৰ। দরজার কাছে আখলাক সাহেব দাঁড়িয়ে আছেন। মীরা বলল, আমি শুভ্ৰকে বাড়িতে পৌঁছে দিয়ে আসি, ওর প্রচণ্ড মাথা ধরেছে।

    আখলাক সাহেব বললেন, তুমি কি ফিরে আসছ?

    মীরা বলল, হ্যাঁ ফিরছি।

    আখলাক সাহেব শুভ্রর দিকে তাকিয়ে বললেন, আবার দেখা হবে।

     

    গাড়ি চালাচ্ছে মীরা। তার মুখ থমথম করছে। শুভ্র মীরার পাশে বসেছে। রাস্তাঘাট ফাঁকা না। প্রচুর ট্রাফিক। মীরা গাড়িতে স্পীড় দিতে পারছে না। তাকে খানিকটা বিরক্ত দেখাচ্ছে। মনে হচ্ছে তার ইচ্ছা অতি দ্রুত শুভ্ৰকে নামিয়ে দিয়ে চলে আসা।

    শুভ্র বলল, আমাকে এখানে কোথাও নামিয়ে দিলেই হবে। আমার বাড়ি পর্যন্ত গেলে ফিরতে রাত হয়ে যাবে। দেখবে পার্টি শেষ।

    মীরা জবাব দিল না। শুভ্র বলল, আচ্ছা মেশকাত নামের ঐ লোকটাকে তুমি কি আগে দেখেছ?

    মীরা বলল, হ্যাঁ। শুভ্র বলল, লোকটার কি কোনো অতিন্দ্রীয় ক্ষমতা আছে?

    মনে হয় আছে।

    লোকটা কি অন্ধ?

    হ্যাঁ।

    শুভ্ৰ বলল, আমার মনে হয় না। সাজ্জাদ সাহেব নামের এক ভদ্রলোকের হাতে তিনি আতর দিয়ে দিলেন। যেখানে আন্তর মাখানো হয়। তিনি ঠিক সেখানে আন্তর মাখালেন; হাতের তালুতে না উল্টো পিঠে। কোনো অন্ধ এই কাজটা পারবে না।

    মীরা বিরক্ত মুখে বলল, লোকটা অন্ধ।

    ও।

    শুভ্ৰ তোর সঙ্গে আমার খুব জরুরি কিছু কথা আছে। তুই কি কোনো একদিন আমাদের বাড়িতে চলে আসবি?

    হ্যাঁ আসব।

    তুই আছিস কেমন?

    ভাল।

    বাবার ব্যবসা দেখছিস?

    হ্যাঁ।

    কোনো সমস্যা বোধ করছিস?

    এখনো না।

    তোর কী মনে হয়— তোর কোনো সাহায্য বা পরামর্শ দরকার? প্রশ্নটা আগে একবার করেছিলাম। এখন আবার করলাম।

    না মনে হয় না। সমস্যাগুলি আমার কাছে ইন্টারেস্টিং মনে হচ্ছে। সমস্যাগুলিকে আমি দেখছি সেকেন্ড অর্ডার ডিফারেনশিয়েল ইকুয়েসনের মত। যার দুটা সলিউশন- দুটা উত্তর। একটা উত্তর রিয়েল আরেকটা ইমাজিনারি। অর্থাৎ একটা সত্যি উত্তর একটা মিথ্যা। আমার কাজ হচ্ছে কোন উত্তরটা সত্যি তা বের করা।

    তোর কাছে পুরো ব্যাপারটা খুব একসাইটিং লাগছে?

    হ্যাঁ।

    তোর বাড়ির কাছাকাছি চলে এসেছি- একটা অস্বস্থিকর প্রশ্ন করতে ইচ্ছা করছে। করব?

    হ্যাঁ কর।

    যে বাহান্নজন মেয়ের কথা বলেছিলি তাদের সঙ্গে কি তোর দেখা হয়েছে?

    বাহান্ন না এখন তিপান্ন- আমরা নতুন একটা মেয়ে কিনেছি।

    মেয়ে কিনেছি মানে?

    এগারো হাজার টাকায় অল্প বয়েসী একটা মেয়ে কিনেছি। আমাদের এ ধরনের ব্যবসায় সব সময় নতুন মুখ দরকার।

    ও আচ্ছা।

    মীরা হাত বাড়িয়ে গাড়ির ক্যাসেট চালু করল। তবলা এবং পাখোয়াদের যুগলবন্দি। শুনতে ইন্টারেস্টিং লাগছে। কিছুক্ষণ পর পর একজন আবার মুখে বোল দিচ্ছে। মূল তবলার চেয়ে বোলগুলি শুনতে ভাল লাগছে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleশঙ্খনীল কারাগার – হুমায়ূন আহমেদ
    Next Article শুভ্র গেছে বনে – হুমায়ূন আহমেদ

    Related Articles

    হুমায়ূন আহমেদ

    বোতল ভূত – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    নিউইয়র্কের নীলাকাশে ঝকঝকে রোদ – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    রং পেন্সিল – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    বিবিধ / অগ্রন্থিত লেখা – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    আজ হিমুর বিয়ে – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    কৃষ্ণপক্ষ – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }