Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    শুভ্র – হুমায়ূন আহমেদ

    হুমায়ূন আহমেদ এক পাতা গল্প307 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১২. ছোটবেলা থেকেই বিনু শুনে আসছে

    ছোটবেলা থেকেই বিনু শুনে আসছে সে বোকা। বাবা তাকে স্কুলে ভর্তি করাবার সময় হেডমাস্টার সাহেবকে বললেন, স্যার আমার এই মেয়েটা বড়ই বোকাআপনার হাতে সোপর্দ করে দিলাম। একটু দেখবেন। বিনুকে নিয়ে তার বাবার সামান্য দুঃখের মতও ছিল। প্রসঙ্গ উঠলেই বলতেন— আমার পাঁচটা না, দশটা না, একটাই সন্তান। সেও হয়েছে বোকা। তার কপালে আল্লাহ পাক কী রাখছেন কে জানে।

    স্কুলের বান্ধবীরা অল্প দিনেই জেনে গেল বিনু মেয়েটা হাবা টাইপ। কিছু জিজ্ঞেস করলে চোখ বড় বড় করে তাকিয়ে থাকে। সহজ সাংকেতিক কথাও ধরতে পারে না। ধরিয়ে দিলেও পারে না।

    কিটেমন ইটাছিস?

    এর অর্থ হল কেমন আছিস। এটাও বিনু ধরতে পারে নি। বিনুর মারও মেয়েকে নিয়ে খুব দুশ্চিন্তা ছিল। পুরুষ মানুষ হাবা হলে চলে। মেয়ে মানুষ হাবা হলে চলে না। মেয়ে মানুষের হাতের দশ আংগুলো একশ সুতা থাকে। তাকে চলতে হয় একশ সুতা টেনে।

    ক্লাস নাইনে উঠে। হঠাৎ কী যে হল- বিনুর মনে হল তার আসলে অনেক বুদ্ধি। চারপাশে কী ঘটছে। সে যে তা শুধু বুঝতে পারছে তা-না, কেন ঘটছে তাও বুঝতে পারছে। তারচেয়েও আশ্চর্য ব্যাপার ঘটনাগুলি নিয়ন্ত্রণ করাও কঠিন কিছু না বলে মনে হতে শুরু করেছে। তার পরিচিত বেশ কিছু মানুষকে আগে খুব বুদ্ধিমান মনে হত। বিনুর হঠাৎ করেই মনে হতে লাগল এরা তেমন বুদ্ধিমান না। বুদ্ধিমানের ভাব করছে – এই পর্যন্তই। যেমন তার মা! অ্যাগে মনে হত— কোথায় কী ঘটছে, কেন ঘটছে। এই মহিলা জানেন। ক্লাস নাইনে উঠার পর মনে হল— না, এই মহিলা তেমন কিছু জানেন না। তিনি নিজের স্বার্থটা ভাল বুঝেন। এই পর্যন্তই। এই মহিলার চেয়ে সে অনেক বেশি জানে, অনেক বেশি বুঝে।

    বিনু জাহানারার সামনে বসে আছে। সে মোটামুটি প্রস্তুত হয়েই আছে। জাহানার প্রশ্ন করে তাকে আটকাতে পারবেন না। জাহানারা নামের মহিলাকে বিনু একটা খোলা বই-এর মত পড়তে পারে। মহিলা তাকে পড়তে পারেন না। কোনোদিন পারবেনও না। প্রশ্নোত্তর পর্ব কীভাবে এগুবে তাও বিনু জানে। জাহানার প্রথমে খুব স্বাভাবিক থাকবেন— অতিরিক্ত স্বাভাবিক, যা মোটেই স্বাভাবিক না। এক পর্যায়ে তিনি রেগে যাবেন। চেষ্টা করবেন। রাগটা লুকিয়ে রাখতে। কিছুক্ষণ পারবেন, তারপর আর পারবেন না। থলের বিড়াল বের হয়ে পড়বে। এই ঘটনাগুলি কখন ঘটবে বিনু তা জানে— কিন্তু এই মহিলা জানেন না। বিনু এ বাড়িতে এসেছে গতকাল। গতকাল তেমন কোনো কথা হয় নি। জাহানারা শুধু তাঁর ছেলের লেখা চিঠি পড়তে চেয়েছেন। গতকাল তিনি শুধু ভেবেছেন। কীভাবে বিনুকে আটকাবেন সব ঠিক ঠাক করেছেন। আজ শুরু হবে বাঘবন্দি খেলা।

    জাহানারা বললেন, বিনু বোস। তোমার সঙ্গে গল্প করি। আজকের গরমটা কেমন পড়েছে বল দেখি।

    বিনু বলল, ভাল গরম পড়েছে।

    এক পত্রিকায় পড়েছি, এসির বাতাস খেলে বুকে ক্ৰনিক ব্রংকাইটিস হয়। ব্ৰংকাইটিস খুব খারাপ অসুখ। একবার ধরলে আর যেতেই চায় না।

    বিনু কিছু বলল না। এই মহিলা এখন কী করবেন। সে আন্দাজ করার চেষ্টা করছে। সম্ভাবনা একশ ভাগ যে বলবেন— মাথায় একটু তেল ঘষে দাও তো। অনেক দিন মাথায় তেল দেয়া হয় না। সে মাথায় তেল ঘষতে থাকবে, তিনি প্রশ্ন করতে থাকবেন। সে যেহেতু জাহানারার পেছনে বসবে কেউ কারো মুখ দেখতে পারবে না। কঠিন কঠিন কথা বলার জন্যে এই কায়দাটা ভাল।

    বিনু।

    জ্বি।

    মাথায় একটু তেল দিয়ে দাওতো।

    জ্বি আচ্ছা।

    বিনু তেলের বাটি নিয়ে বসল। জাহানারা বললেন, মাথায় চুলের জন্যে সবচে ভাল তেল হল অলিভ ওয়েল। এর পর থেকে তুমি আমার মাথায় অলিভ ওয়েল দিয়ে দিবে।

    জ্বি আচ্ছা।

    মাথার যন্ত্রণার জন্যে সবচে ভাল তেল কী জান?

    জ্বি না।

    মাথার যন্ত্রণার জন্যে সবচে ভাল তেল হল সরিষার তেল। দুই চামচ পানি, দুই চামচ সরিষার তেল একসঙ্গে মিশিয়ে মাথার তালুতে ঘষলে পাঁচ মিনিটের মধ্যে মাথাব্যথা কমবে। এটা আমি শিখেছি আমার এক খালার কাছ থেকে।

    বিনু হালকা গলায় বলল, এরপর যদি আপনার মাথা ধরে তাহলে বলবেন— আমি সরিষার তেল দিয়ে দেব।

    সরিষার তেলের বাঝ বেশি এই জন্যে সবাই মনে করে এই তেল মাথায় দেয়া যায় না। এতে চুল পড়ে যায়। এটা ঠিক না।

    মূল কথায় আসতে জাহানারা এত দেরি করছে কেন- বিনু তা বোঝার চেষ্টা করছে। কথাবার্তা তেলের আশেপাশে ঘুরছে। মূল প্রসঙ্গে আসতে মহিলা সময় নিচ্ছেন, কাজেই এটা মোটামুটি নিশ্চিত তিনি আজ বিনুকে শক্ত করে ধরবেন। কঠিন বাঘবন্দি খেলা হবে।

    বিনু।

    জ্বি।

    তোমার বিয়ে ভেঙে গেলা— মানে কী? বরপক্ষের লোকরা বিয়ে ভাঙল না। তোমাদের পক্ষের লোকরা বিয়ে ভাঙাল?

    আমরাই ভাঙলাম।

    জাহানারা হালকা গলায় বললেন, আমার ধারণা তুমিই বিয়েটা ভেঙেছ। হঠাৎ কোন কারণে বেঁকে বসেছ।

    আপনার এরকম ধারণা হল কেন?

    প্রশ্নটা করেই বিনুর মনে হল সে ভুল করেছে। জাহানারা এখন রেগে যাবেন।

    এবং কিছুক্ষণের মধ্যেই নিজের উপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলবেন। আজে-বাজে কথা শুরু করবেন।

    শোন বিনু। তোমার নিজের ধারণা তুমি খুব চালাক। যতটা চালাক তুমি নিজেকে ভাব, ততটা চালাক কিন্তু তুমি না।

    মানুষ মাত্রই নিজেকে চালাক ভাবে চাচি। আমি যেমন নিজেকে চালাক ভাবি। আপনিও নিজেকে চালাক ভাবেন। এটা দোষের কিছু না।

    জাহানারা থমথমে গলায় বললেন, তুমি আমাকে দোষ-জ্ঞান দিচ্ছ? তোমার কাছ থেকে আমাকে শিখতে হবে কোনটা দোষ, কোনটা দোষ না?

    বিনু হাসল। জাহানারা সেই হাসি দেখলেন না। চুলে তেল দিতে দিতে কথা বলার এই এক উপকারিতা। কারো মুখের ভাবই কেউ দেখছে না।

    বিনু তুমি আজ আমাকে কয়েকটা সত্যি কথা বলবে? আমি সবসময়ই সত্যি কথা বলি চাচি।

    না, তুমি সত্যি কথা বল না, তুমি হাড় বজ্জাত এবং মিথ্যুক। তোমার ধারণা তোমার মিথ্যা কথাগুলি কেউ ধরতে পারে না। এটা ঠিক না। শুভ্র ধরতে পারে না। ও মহাবোকা। কিন্তু আমি ধরতে পারি। দশটা মিষ্টি কথা দিয়ে তুমি শুভ্রকে ভুলাতে পারবে- আমাকে পারবে না।

    আমি কাউকেই ভুলাতে চাই না চাচি।

    জাহানারা ঘুরে বসলেন। কাজেই চুলে তেল দেয়া পর্বের এখানেই সমাপ্তি। এখন সম্মুখ যুদ্ধ। বিনু মনে মনে নিজেকে তৈরি করে নিল। সে আজ যুদ্ধ করবে। এই মহিলাকে ধরাশায়ী করে দেবে। যাতে ভবিষ্যতে এই মহিলা তার পেছনে না লাগেন। বিনুর ধারণা আজকের যুদ্ধটা এই মহিলার জন্যেও ভাল হবে। তিনি এক ধরনের অনিশ্চয়তার মধ্যে বাস করছেন। অনিশ্চয়তা কমবে, অনেক কিছু স্পষ্ট হবে।

    তুমি কী বললে বিনু? তুমি কাউকে ভুলাতে চাও না?

    জ্বি না।

    এত বড় একটা মিথ্যা কথা বলতে তোমার বিবেকে বাধল না! তোমার জীবনের একমাত্র উদ্দেশ্যইতো শুভ্রকে ভুলানো। শুভ্ৰকে ভুলানোর জন্যে কি তুমি রাতে বিরাতে ওর ঘরে যাও না?

    হ্যাঁ, আমি যাই। আমাকে যখন ডাকা হয় তখনই যাই। না ডাকলে কখনো যাই না।

    তুমি বলতে চাচ্ছ শুভ্ৰ তোমাকে রাতে ডেকে নিয়ে যায়?

    জ্বি।

    আমি কি ওকে ডেকে জিজ্ঞেস করব?

    জিজ্ঞেস করলে জিজ্ঞেস করতে পারেন। উনি কখনো মিথ্যা বলেন না। কাজেই আপনি সত্যি উত্তরই পাবেন।

    মহিলার দিকে তাকিয়ে বিনুর এখন মায়া লাগছে। কী অসহায়ই না তাঁকে দেখাচ্ছে। মনে হচ্ছে তার পায়ের নিচে মাটি নেই।

    বিনু বলল, আর কিছু জিজ্ঞেস করবেন?

    জাহানারা বললেন, কাল রাতে যে ওর সঙ্গে গল্প করলে ও ডেকে নিয়ে গিয়েছিল?

    জ্বি।

    কী বলে ডাকল? তোমাকে বলল, বিনু এসো। সারারাত আমাকে গল্প শুনাও? তোমার গল্প না শুনলে আমি মারা যাব?

    বিনু বুঝতে পারছে— মহিলার মাথা এখন এলোমেলো হয়ে যাচ্ছে। তিনি এখন ছেলেমানুষি কথা বলবেন। হাস্যকর প্রশ্ন করবেন।

    জাহানারা বললেন, চুপ করে আছ কেন জবাব দাও।

    বিনু হালকা গলায় বলল, উনি বললেন, বিনু তুমি আমার ঘরে এসে বস। আমি তোমার জন্যে চা বানিয়ে আনি। তারপর আমরা চা খেতে খেতে সারা রাত বসে গল্প করব। আমার আজ গল্পের মুডে পেয়েছে।

    সে চা বানিয়ে আনল?

    জ্বি।

    শুভ্ৰ নিজে চা বানিয়ে আনল?

    জ্বি। চা বানানোর ব্যবস্থাতো উনার ঘরেই আছে।

    জাহানারা অবাক হয়ে তাকিয়ে আছেন। রাগের চেয়ে বিস্ময়বোধ তাঁর কাছে প্রবল হয়ে উঠেছে। শুভ্র চা বানিয়ে এই গ্ৰাম্য ফাজিল মেয়েটাকে খাওয়াচ্ছে, কী বিস্ময়কর ঘটনা!

    শুধু যে বিস্ময়কর তা না, অস্বাভাবিক এবং অবশ্যই ভয়ঙ্কর। জাহানারা হঠাৎ লক্ষ করলেন তার হাত পা কাঁপছে। শীত বোধ হচ্ছে। বিনুর সঙ্গে কথা চালিয়ে যাবার শক্তি নিজের ভেতর খুঁজে পাচ্ছেন না। বিনুর কাছে নিজেকে ক্ষুদ্র এবং তুচ্ছ মনে হচ্ছে।

    বিনু।

    জ্বি।

    জাহানারা শান্ত গলায় বললেন, তোমাদের মধ্যে কী কথা হয়?

    মনে করে রাখার কিছু না। উনি গল্প করেন, আমি শুনি। কিছুদিন হল রাতে তাঁর ঘুম হয় না। একা একা জেগে থাকা খুব কষ্টের ব্যাপার বলেই তিনি আমার সঙ্গে গল্প করেন।

    কাল রাতে তোমাদের কী নিয়ে গল্প হল? তোমার মনে আছে?

    জ্বি মনে আছে।

    বল শুনি।

    মহাবিশ্ব কীভাবে ছড়িয়ে পড়ছে, আবার সব এক জায়গায় হবে – এইসব। মহাবিশ্ব বিগ বেং থেকে শুরু। আবার সেখানেই শেষ হবে।

    জাহানারা বুঝতে পারছেন না, তাঁর স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলা উচিত কি-না।

    জ্ঞানের গল্প শুভ্র করতেই পারে; করতে পারাটাই স্বাভাবিক। কার সঙ্গে গল্প করছে সেটা জরুরি না। শুভ্র যখন এ ধরনের গল্প করে তখন সে খেয়াল করে না। কে তার সামনে আছে। বিনু বসে থাকলেও যা, এ বাড়ির দারোয়ান বসে থাকলেও তা। মুক্তার মা থাকলেও তা। জাহানারা ঠিক করে ফেললেন তিনি নিজেই এখন থেকে রাত জাগবেন। শুভ্রর জ্ঞানের কথা শুনবেন। মহাবিশ্ব ছড়িয়ে পড়ার হাবিজাবি শুনতে খারাপ লাগবে না। তাছাড়া শুভ্র যা বলে তাই তার শুনতে ভাল লাগে।

    বিনু শান্ত চোখে জাহানারার দিকে তাকিয়ে আছে। সে বুঝতে পারছে যুদ্ধ শেষ হয়েছে। যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হয় নি। জাহানারা আহত হয়েছেন। রক্তক্ষরণ হচ্ছে। যে রক্ত চোখে দেখা যায় না। তাঁর দিকে তাকাতেই মায়া লাগছে। বিনু বলল, চাচি আসুন আপনার মাথায় তেল দিয়ে শেষ করি। জাহানার আপত্তি করলেন না, ঘুরে বসলেন।

    জাহানারা ক্ষীণ গলায় বললেন, তোমার বিয়ে ভেঙে যাবার ঘটনাটা বল। কিছুই গোপন করবে না।

    বলার মত কোনো ঘটনা না চাচি। গায়ে হলুদের আগের দিন হঠাৎ উড়ো খবর পাওয়া গেল। ভদ্ৰলোক আগে একবার বিয়ে করেছেন। তার একটা মেয়েও আছে। আমার এক মামা খোঁজ নিতে গেলেন। বরপক্ষের তারাতো কিছু বললই না, উল্টা খুব রাগারগি করল। আমরা না-কি ইচ্ছা করে তাদের অপমান করার জন্যে এইসব কথা নিয়ে দরবার করতে গেছি। আমরা ছোটলোক। আমরা ইতর। এইসব।

    জাহানারা আন্তরিক ভঙ্গিতে বললেন, এ রকম কিন্তু হয়। বিয়েশাদিতে নানান কথা ছড়িয়ে বিয়ে ভেঙে দেয়া হয়। একদল মানুষ থাকে তারা বিয়ে দিয়ে আরাম পায় আবার আরেক দল থাকে বিয়ে ভাঙিয়ে আরাম পায়। তোমরা উড়ো কথা যা শুনেছি তাকে গুরুত্ত্ব দেয়া ঠিক হয় নি।

    বিনু বলল, আমরা গুরুত্ব দেই নি। বিয়ে হয়েই যেত। কিন্তু ঐ মহিলা তার মেয়েকে নিয়ে উপস্থিত হলেন।

    বল কী!

    ছেলেপক্ষের ওরা জোর গলায় বলতে লাগল— এই মেয়েকে তারা চিনে না। তাদের অনেক শত্ৰু আছে। শত্রুরা বিয়ে ভাঙার জন্যে এই মেয়েকে লাগিয়েছে। মেয়েটা নাকি বাজারে ঘর নিয়ে থাকে। আজেবাজে মেয়ে।

    ও।

    কাজেই আমি রাগারগি করে চলে এসেছি। বাবা যদিও চাচ্ছিলেন বিয়েটা হোক।

    জাহানারা চুপ করে রইলেন। বিনু ভেবেছিল জাহানারা বলবেন যা করেছি ভালই করেছ। জাহানারা কিছুই বললেন না।

    চুলে তেল দেয়া শেষ হয়েছে। বিনু বলল, চাচি আমি যাই। জাহানারা সেই প্রশ্নেরও উত্তর দিলেন না; এখন বাজছে তিনটা। ভদ্রমাসের ঝিম ধরা দুপুর। এই সময়ে চুপচাপ শুয়ে থাকতে ভাল লাগে। কিন্তু তিনি জানেন আজ তার কোনো কিছুই ভাল লাগবে না। তাঁর কেন জানি হঠাৎ করে তোকমার সরবত খেতে ইচ্ছা করছে। আজকাল প্রায়ই অদ্ভুত অদ্ভুত জিনিস খেতে ইচ্ছা করে। এসব হচ্ছে মৃত্যুর লক্ষণ। মৃত্যু যখন এগিয়ে আসে তখনই বিচিত্র সব ইচ্ছা মনে জাগে। তাঁর মার যেমন জ্যৈষ্ঠ মাসে বরই খাবার ইচ্ছা হল। যাকে পান তাকেই জিজ্ঞেস করেন— বিরই কি পাওয়া যাবে? বরই খেতে ইচ্ছা করছে। আচারের বরই না, গাছপাকা দেশি বরই। জ্যৈষ্ঠ মাস আম কঁঠালের সময়। এই সময়ে কি বরই পাওয়া যায়? বরই বরই করতে করতে এই মহিলা জ্যৈষ্ঠ মাসে মারা গেলেন। অনেক দিন পর মার কথা ভেবে জাহানারার মন কেমন করতে লাগল। বরই বরই করে এই মহিলার জীবনের ইতি হয়েছে বলেই কি-না কে জানে তাঁর কবরে কিছুদিনের মধ্যেই একটা বরই গাছ দেখা গেল। সেই গাছ এখন বিশাল হয়েছে। দুবছর আগে গিয়ে দেখেছেন গাছ ভৰ্তি করে বরই এসেছে। খুব না-কি মিষ্টি। ভয়ে কেউ সেই বরই খায় না। কবরের উপর উঠা ফলের গাছের ফল খেতে নেই। পশুপাখি খেতে পারে। মানুষ পারে না। কেন পারে না এটা নিয়ে কি শুভ্রের সঙ্গে কথা বলা যায় না? শুভ্ৰ কি রাগ করবে? জাহানারা মনস্থির করতে পারলেন না- শুভ্ৰর কাছে যাবেন, না যাবেন না।

     

     

    শুভ্ৰর ইজিচেয়ারটা জানালার কাছে। সে গভীর আগ্রহে একটা বই পড়ছে। উদ্ভট বই-–নাম–The 4th Eye. লেখকের নাম R Lampa. তিনি বইটিতে প্রমাণ করার চেষ্টা করছেন মানুষ চারটা চোখ নিয়ে জন্মায়। দুটি চোখ দৃশ্যমান। দুটি অদৃশ্য। একটি অদৃশ্য চোখ থাকে মাথার পেছনের দিকে। আরেকটি অদৃশ্য চোখ থাকে নাভির ঠিক দুআঙ্গুল নিচে। R. Lampa সাহেবের মতে যে-কোনো লোক এই দুটি চোখের অস্তিত্ব সম্পর্কে নিশ্চিত হতে পারবে। তাকে ধৈর্য ধরে কয়েকদিন একটা পরীক্ষা করতে হবে। একজন কেউ ফুলস্কেপ কাগজে বড় বড় করে কোনো একটা সংখ্যা লিখে মাথার পেছন দিকে ধরবে। সেই সংখ্যাটি পড়ার চেষ্টা করতে হবে মাথার পেছনের চোখ দিয়ে। অনেকটা জেনার টেস্টের মত টেষ্ট। একই পরীক্ষা নাভির চোখ নিয়েও করা যায়। লেখক ভদ্রলোক দাবি করছেন যে, একটু চেষ্টা করলেই যে কেউ এটা পারবে। জলের মত সহজ পরীক্ষা। শুভ্রর ইচ্ছা করছে এক্ষুণি পরীক্ষাটা করে ফেলতে। তবে এক্ষুণি না করে পুরো বই শেষ করে তারপর পরীক্ষায় বসা ঠিক হবে।

    জাহানারা এসে ছেলের ঘরের দরজায় দাঁড়ালেন। হাসি মুখে বললেন, কী করছিস রে?

    শুভ্র বলল, ইন্টারেস্টিং একটা বই পড়ছি।

    কী বই?

    বই-এর নাম চতুর্থ চোখ।

    বিজ্ঞানের বই?

    মিথ্যা-বিজ্ঞানের বই।

    মিথ্যা-বিজ্ঞানটা আবার কী?

    কিছু কিছু বিষয় এমন করে লেখা হয় যে পড়লে মনে হয় বিজ্ঞান। আসলে বিজ্ঞান না। এদের বলা হয় মিথ্যা-বিজ্ঞান। সব কিছুই একটা মিথ্যা সংস্করণ আছে। মিথ্যা ভালবাসা, মিথ্যা ঘৃণা, মিথ্যা চোখের জল।

    জাহানারা ছেলের খাটে বসলেন। শুভ্র বলল— মা এখন তোমার সঙ্গে কথা বলতে ইচ্ছা করছে না। আমি বইটা দ্রুত পড়ে শেষ করতে চাই। তুমি থাকলে পড়া হবে না।

    পড়া হবে না কেন? তুই তোর পড়া পড়বি! আমি আমার বসা বসে থাকব।

    তুমি চুপচাপ বসে থাকবে না। গুটুর গুটুর করে কথা বলবে। আমার ডিসটর্ব হবে।

    জাহানার সঙ্গে সঙ্গে উঠে দাঁড়ালেন। তিনি লক্ষ করলেন তার চোখ ভিজে উঠেছে। ছেলের সামনে কেঁদে ফেলাটা খুবই লজ্জার ব্যাপার হবে। অভিমান তাকেই দেখানো যায় যে অভিমান বুঝে। তার ছেলে অভিমান বুঝে না।

    মা আগুন গরম এক কাপ চা বানিয়ে দিয়ে যেও তো।

    জাহানারা বললেন, শুভ্ৰ আমি শুনলাম তুই নিজে নাকি খুব ভাল চা বানাতে পারিস।

    শুভ্র বলল, নিশ্চয়ই বিনু বলেছে। আশ্চর্য মেয়েতো! তোমাকে বলছে আমি চা ভাল বানাই, আবার আমাকে বলছে আমি চা বানাতেই পারি না। ওর কোন কথাটা সত্যি? আজ থেকে আমি ওর নাম দিলাম।— মিথ্যাময়ী।

    জাহানারা দেখলেন, শুভ্ৰ হাসি হাসি মুখে তাকিয়ে আছে। একটু আগেও তো মুখ এমন হাসি হাসি ছিল না। বিনু নামটা মনে আসতেই মুখ হাসি হাসি হয়ে গেল। তিনি না এসে বিনু যদি এসে বসতো তাহলে কি সে বলতে পারত— বিনু চলে যাও আমার ডিসটার্ব হবে? মনে হচ্ছে না। এ রকম বলত। আবার একটা নামও দিয়ে ফেলেছে মিথ্যাময়ী। মায়ের সামনে মিথ্যাময়ী, আড়ালে নিশ্চয়ই সত্যময়ী।

    শুভ্ৰ বলল, মা শোন এখন চা আনার দরকার নেই। আমার বইটার বাকি পাতাগুলি পড়তে এক ঘণ্টা সময় লাগবে। তুমি একটা কাজ কর— কাঁটায় কটায় এক ঘণ্টা দশ মিনিট পর এক কাপ চা নিয়ে এসো। আমি চা খেতে খেতে তোমাকে নিয়ে একটা এক্সপেরিমেন্ট করব।

    কী এক্সপেরিমেন্ট?

    তোমার তিন নম্বর চোখ এবং চার নম্বর চোখ আছে কি-না এই পরীক্ষা হয়ে যাবে।

    জাহানারা আবারো বসে পড়লেন। ছেলে তার সঙ্গে হাসি হাসি মুখে কথা বলছে— এটা শুভ লক্ষণ। এখন নিশ্চয়ই সে বলবে না, মা তুমি চলে যাও আমার ডিসটার্ব হচ্ছে।

    জাহানারা আদুরে গলায় বললেন, শুভ্ৰ তোকে খুব জরুরি একটা কথা জিজ্ঞেস করি, কথাটা আমার প্রায়ই মনে হয়, যখন মনে হয় তুই আশেপাশে থাকিস না বলে জিজ্ঞেস করা হয় না।

    শুভ্র বই বন্ধ করতে করতে বলল, বল তোমার জরুরি কথা।

    কবরের উপর ফলের গাছ যদি হয় তাহলে সেই ফল খাওয়া কি ঠিক?

    অবশ্যই ঠিক। তুমি খাচ্ছ ফল— অন্য কিছুতো খাচ্ছ না। এটাই কি তোমার জরুরি কথা?

    হুঁ। তোর নানিজানের কবরে একটা বরই গাছ আছে। খুব মিষ্টি বরই।

    মিষ্টি বরই হলে অবশ্যই খাবে। নানিজানের শরীর মাটিতে মিশে গেছে। নানিজানের শরীরের ইলেকট্রন, প্রোটন, নিউট্ৰন নষ্ট হয় নি। তার কিছু কিছু অবশ্যই বরই-তে চলে আসবে। তাতে কিছু ফায় আসে না।

    কী ভয়ঙ্কর কথা।

    ভয়ঙ্কর কেন?

    আমার মার শরীরের অংশ যে ফলে চলে এসেছে সেই ফল আমি খাব?

    শুভ্ৰ বই-এ চোখ ফিরিয়ে নিয়ে বলল, আচ্ছা তুমি খেও না। এখন যাওতো মা! শোন, বিনুকে পাঠিয়ে দাও।

    জাহানারা দাঁড়িয়ে আছেন। শুভ্ৰ তাকে বিদেয় করে দিচ্ছে অথচ বিনুকে আসতে বলছে। এর মানে কী? তিনি থাকলে ছেলের ডিসটর্ব হয়। বিনু থাকলে ডিসটার্ব হয় না? বিনু নামের মেয়েটাকে এই মুহুর্তে বাড়ি থেকে বের করে দেয়া দরকার। আর দেরি করা যায় না। এমনিতেই অনেক দেরি হয়ে গেছে।

    জাহানারা ঘর থেকে বের হলেন এবং প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই আবার ঢুকলেন। শুভ্র বই থেকে মাথা না তুলে বলল, কিছু বলবে মা?

    জাহানারা বললেন, শুনলাম তুই ম্যানেজার সাহেবকে বিদেয় করে দিয়েছিস?

    কার কাছ থেকে শুনলে?

    কার কাছ থেকে শুনলাম এটা জানা কি খুব প্রয়োজন?

    হ্যাঁ প্রয়োজন। অফিস থেকে তোমার কাছে খবরাখবর কীভাবে আসে এটা জানা থাকা দরকার।

    জাহানারা ছেলের গলার স্বর শুনে হতভম্ব হয়ে গেলেন। শুভ্র সম্পূর্ণ অন্যরকম গলায় কথা বলছে। শুভ্ৰকে এমন স্বরে কথা বলতে আগে কখনো শুনেন নি। তিনি অবাক হয়ে বললেন, তুই এমন কঠিন গলায় আমার সঙ্গে কথা বলছিস কেন? আমিতো তোর অফিসের কেউ না।

    অফিসের কেউ যদি না হও তাহলে অফিস সম্পর্কে কিছু জিজ্ঞেস করবে না।

    জিজ্ঞেস করলে সমস্যা কী?

    সমস্যা আছে। বাবাকে যেমন তুমি কখনো কিছু জিজ্ঞেস কর নি। আমাকেও করবে না।

    তোর বাবাকে কখনো কিছু জিজ্ঞেস করি নি কে বলল?

    কেউ বলে নি। আমি জানি। বাবার কর্মকাণ্ড নিয়ে তুমি যদি কখনো প্রশ্ন তুলতে তাহলে আজ। আমি একটা বেশ্যাখানার মালিক হতাম না।

    তুই এমন একটা বিশ্ৰী শব্দ আমার সামনে বললি? তুই বলতে পারলি? আমি তোর মা! তুই মার সামনে এমন নোংরা শব্দ বললি। তোর জিবে আটকাল না।

    শুভ্ৰ বই-এর পাতা উল্টাতে উল্টাতে বলল, জিবে আটকায়নি মা। আমরা নোংরা ব্যবসা করতে পারব, সেই ব্যবসার কথা বলতে পারব না— তা হয় না। দাঁড়িয়ে থেকে না মা। আমার জন্যে চা বানিয়ে নিয়ে এসো।

    শুভ্র!

    এ রকম কঠিন গলায় তুমি আমাকে ডাকবে না। এবং অবশ্যই কঠিন চোখে তাকবে না। সারাজীবন পুতুপুতু মহিলা হয়ে ছিলে। এখনো তাই থাকবে।

    শুভ্ৰ আমি তোর মা।

    তুমি আমার মা এটা অত্যন্ত ভাল কথা। আমার একটা অংশ সব সময় তোমাকে ঘিরে থাকে। কিন্তু অন্য অংশটা তোমাকে যে ঘৃণা করে সেটা না জানাই তোমার জন্যে ভাল।

    তুই আমাকে ঘৃণা করিস।

    হ্যাঁ করি। বাবাকে যতটা করি তোমাকে তার চেয়ে বেশি করি। কাঁদবে না। মিথ্যা অশ্রু আমার ভাল লাগে না!

    শুভ্ৰ হাত বাড়িয়ে টেবিলের ওপর থেকে হলুদ মার্কার নিল। বইটার কিছু কিছু অংশ দাগ দেয়া দরকার। সে মার দিকে তাকিয়ে হাসি মুখে বলল, মা দাঁড়িয়ে থেকে না। চা নিয়ে এসো। তোমার চতুর্থ চোখ আছে কি-না সেই পরীক্ষা হয়ে যাক।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleশঙ্খনীল কারাগার – হুমায়ূন আহমেদ
    Next Article শুভ্র গেছে বনে – হুমায়ূন আহমেদ

    Related Articles

    হুমায়ূন আহমেদ

    বোতল ভূত – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    নিউইয়র্কের নীলাকাশে ঝকঝকে রোদ – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    রং পেন্সিল – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    বিবিধ / অগ্রন্থিত লেখা – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    আজ হিমুর বিয়ে – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    কৃষ্ণপক্ষ – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }