Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    শুভ্র – হুমায়ূন আহমেদ

    হুমায়ূন আহমেদ এক পাতা গল্প307 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১৩. লালবাগ থানার ওসি সাহেব

    লালবাগ থানার ওসি সাহেব এসেছেন। শুভ্রর সামনে চেয়ারে বসে আছেন। তার মুখ হাসি হাসি। সিভিল ড্রেসে এসেছেন বলে তাঁকে পুলিশ অফিসার বলে মনে হচ্ছে না। তাকে স্কুল টিচারদের মত দেখাচ্ছে। অংক স্যারের মত কঠিন স্যারও মনে হচ্ছে না। মনে হচ্ছে বাংলা স্যার। তার নাকের নিচে ছোট্ট বাটার ফ্লাই গোঁফ শুধুমাত্র বাংলা স্যারদের মুখেই মানায়। তবে এই গোঁফ সম্পূর্ণ অন্যরকম হয়ে যাবে ভদ্রলোক যখন ইউনিফর্ম পরবেন। হিটলারেরও বাটারফ্লাই গোঁফ ছিল।

    ওসি সাহেব সিগারেট ধরাতে ধরাতে হালকা গলায় বললেন, শুভ্র সাহেব কেমন আছেন বলুন!

    শুভ্ৰ বলল, ভাল।

    আপনার ব্যবসার অবস্থা কী?

    ভাল।

    আমি কী জন্যে এসেছি। সেই খবর নিশ্চয়ই আগেই পেয়েছেন?

    জ্বি খবর পেয়েছি।

    আমি আর দেরি করব না। ব্যবস্থা করুন। আমার একটু তাড়া আছে। ছেলেকে চিড়িয়াখানায় নিয়ে যেতে হবে। চিড়িয়াখানায় হাতির পিঠে চড়ার ব্যবস্থা আছে। সে হাতির পিঠে চড়বে।

    চা খাবেন?

    চায়ের অভ্যাস আমার তেমন নাই। যাই হোক আপনি বলছেন যখন খাই। চিনি কম দিতে বলবেন।

    শুভ্ৰ বেল টিপে মঞ্জুকে চা দিতে বলল। ওসি সাহেব বিশেষ ভঙ্গিমায় সিগারেটের ছাই ফেলতে ফেলতে বললেন-– আপনাদের এখানে নতুন একটা মেয়ে এসেছে বলে খবর পেয়েছি। লাইসেন্স হয়েছে?

    আমি বলতে পারছি না লাইসেন্স হয়েছে কি-না।

     

     

    ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে এফিডেবিট করা লাগবে। আপনি নতুন মানুষ এই জন্যে বললাম।

    আমি নতুন হলেও আমার অফিসের লোকজন পুরনো। এরা আইন মেনেই চলবে। তাছাড়া আপনারাতো আছেনই– আইনের রক্ষক।

    কথাটা যেন কেমন কেমন করে বললেন।

    শুভ্ৰ হাসতে হাসতে বলল, কথাটা কেমন কেমন করে বললেওতো আপনার গায়ে লাগা উচিত না।

    ওসি সাহেব্ব থমথমে গলায় বললেন, গায়ে লাগা উচিত না কেন?

    শুভ্র সহজ গলায় বলল, গায়ে লাগা উচিত না। কারণ আপনাদের আমরা টাকা দিয়ে কিনে রেখেছি। আপনারা মাসিক বেতন নিচ্ছেন। বেতনভুক্ত কেউ মালিকের কথা; গায়ে লাগবে না। গায়ে লাগানো উচিত না।

    ওসি সাহেব শুভ্রর দিকে ঝুঁকে এসে বললেন, শুভ্র আপনার বয়স অল্প রক্ত গরম। পুলিশের সঙ্গে রক্ত গরম করবেন না। আপনার পিতার সঙ্গে আমার পরিচয় ছিল তাকে শ্ৰদ্ধা করতাম। আপনাকেও স্নেহ করি।

    শুভ্র সহজ গলায় বলল, আপনার স্নেহ আমার প্রয়োজন নেই ওসি সাহেব। স্নেহ অন্য কারোর জন্যে রেখে দিন। টাকা নিতে এসেছেন টাকা নিয়ে চলে যান।

    মঞ্জু, চা নিয়ে ঢুকল। সেকি বাইরে থেকে কিছু শুনেছে, কেমন ভীত চোখে শুভ্ৰকে দেখছে। শুভ্র খুবই মজা পাচ্ছে। ওসি সাহেবকে আরো কঠিন কিছু কথা বলতে ইচ্ছা করছে। শুধু কঠিন কথাই না, হাস্যকর অপমানসূচক কথা। এই মুহুর্তে শুভ্ৰর মাথায় যে কথাগুলি ঘুরছে তা হল— ওসি সাহেব শুধু চা কেন খাবেন। পিরিচে করে এক পিরিচ, গু এনে দিক। চামচ দিয়ে পায়েসের মত খান। কথাগুলি মাথায় ঘুরলেও মুখ দিয়ে বেরুচ্ছে না। বের হলে শুভ্রর মনে হয় ভাল লাগত।

    ওসি সাহেব চায়ে চুমুক দিলেন। শুভ্ৰ তার দিকে তাকিয়ে আছে। সে এক মুহূর্তের জন্যেও চোখ সরিয়ে নিল না। এক ধরনের খেলা শুরু হয়েছে। এই খেলার काशी ইদুর-বেড়াল CT-Cat and Mouse game. এই খেলার মজাটা হচ্ছে ইদুর হঠাৎ করে বিড়াল হয়ে যায়। আর বিড়াল হয়ে যায় ইদুর। কে কখন বদলাবে কিছুই আগে থেকে বলা যায় না।

     

     

    ওসি সাহেবের প্রথম সিগারেটটি শেষ হয় নি। আধা খাওয়া সিগারেট ফেলে দিয়ে তিনি আরেকটি সিগারেট ধরাতে ধরাতে বললেন- আপনি যে সব কথাবার্তা বলছেন তার ফলাফল কী হতে পারে তা কী আপনি জানেন?

    শুভ্ৰ চেয়ারে হেলান দিতে দিতে বলল, ফলাফল শূন্য। আপনি আমাকে ভয় দেখাবার হাস্যকর চেষ্টা করছেন। আপনার ক্ষমতা খাকি পোশাকের আর আমার ক্ষমতা টাকার। টাকার ক্ষমতা ব্যবহার করে আমি আপনাকে আটচল্লিশ ঘণ্টার ভেতর যে লালবাগ থানা থেকে চিটাগাং হিলট্ৰেকসে বদলি করে দিতে পারি তা-কি জানেন? অফিসের পুরনো কাগজপত্র দেখে জেনেছি। আমার আগে আমার বাবাও এরকম কাজ করেছেন। হিসাধের খাতায় লেখা- ওসি এবং সেকেন্ড অফিসারকে বদলির খরচ বাবদ তিন লাখ একুশ হাজার টাকা মাত্র।

    ওসি সাহেবের হাতের সিগারেট নিভে গেছে। তিনি অদ্ভুত দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছেন। তাকে দেখে মনে হচ্ছে তিনি বড় রকমের ধাক্কার মত খেয়েছেন। ধাক্কা সামলাবার চেষ্টা করছেন।

    শুভ্ৰ বলল, আপনি সিভিল ড্রেসে আমার অফিসে এসেছেন। আমি কী করতে পারি জানেন? আপনাকে এখান থেকে ধরে নিয়ে আমার বেশ্যাখানায় কোনো এক বেশ্যার ঘরে ঢুকিয়ে দিতে পারি। পত্রিকায় আপনার ছবিসহ নিউজ করতে পারি। তারপর অন্য পুলিশ দিয়ে আপনাকে গ্রেফতার করাতে পারি। কাকের মাংস কাক খায় না। পুলিশের মাংস পুলিশ খায়। বলুন এই কাজটা করতে পারি বললাম, সেটা পারি কি-না?

    ওসি সাহেব ক্ষীণ স্বরে বললেন, পারেন।

    শুভ্র বলল, আমাকে ভবিষ্যতে কখনো ভয় দেখানোর চেষ্টা করবেন না। নিন এখন চা খান।

    ওসি সাহেব ঠাণ্ডা চায়ে চুমুক দিলেন। শুভ্র বলল, চাটা মনে হয় ঠাণ্ডা হয়ে গেছে। আরেক কাপ দিক।

    ওসি সাহেব মাথা কাত করতে করতে বললেন, জ্বি আচ্ছা দিতে বলেন। আর শুনুন ভাই সাহেব আমার উপর কোনো রাগ রাখবেন না। আপনি হয়ত শুনে বিশ্বাস করবেন না। আপনার পিতা আমাকে অত্যন্ত স্নেহ করতেন। আমার প্রথম ছেলের জন্মদিনে উনাকে দাওয়াত করেছিলাম। উনি গিয়েছিলেন। আমার ছেলেকে কোলে নিয়ে তিনি ছবিও তুলেছেন। সেই ছবি আমাদের এলবামে আছে! একদিন যদি গরিবখানায় যান। ছবিটা দেখাব। আপনাকে যেতেই হবে। কবে যাবেন বলেন। আমার স্ত্রী অত্যন্ত খুশি হবে।

     

     

    যাব কোনো একদিন। বাবা যখন গিয়েছেন। আমিও যাব। যথা পিতা তথা পুত্র।

    আজই চলুন। আজ আমি অফিস থেকে ছুটি নিয়েছি। বলেছিলাম না, ছেলেকে চিড়িয়াখানায় নিতে হবে। ছুটিই পাই না— এমন এক চাকরি করি। ভাই আমার রিকোয়েষ্ট। আজ চলুন।

    আজ যেতে পারব না। আজ আমি আমার ব্যবসা দেখতে যাব। মেয়েগুলির সঙ্গে কিছু সময় কাটাব। আপনি যেমন চিড়িয়াখানায় যাচ্ছেন আমিও সে রকম চিড়িয়াখানাতেই যাচ্ছি।

    কোনোরকম সমস্যা হলে বলবেন। কোনো সংকোচ করবেন না। স্কু টাইট দিয়ে দিব। Consider me as your brother, আপনার অফিসের চা খুব ভাল হয়। আপনি রাগ করেন আর যাই করেন মাঝে মাঝে এসে চা খেয়ে যাব।

     

    কার্পেটে পা ছড়িয়ে আসমানী বসে আছে। মেয়েটার শরীর মনে হয় ভাল নেই। চোখ লাল। মাথার চুল এলোমেলো। শুভ্ৰ নিজের মনে হাসল। শরীর ভাল না থাকার সঙ্গে চুল এলোমেলোর কোনো সম্পর্ক নেই। সুস্থ মানুষের চুলও এলোমেলো থাকতে পারে। তার নিজের চুলই এখন এলোমেলো। তবু কেন জানি মেয়েটার চুল এলোমেলো দেখেই মনে হল তার শরীর ভাল নেই। সে নিশ্চয়ই খুব অসুস্থ কাউকে দেখেছিল যার চুল ছিল এলোমেলো। মস্তিষ্ক সেই স্মৃতি যত্ন করে রেখে দিয়েছে।

    আসমানীর গায়ের শাড়িটার রঙ সবুজ। প্রথমবার যখন তার সঙ্গে দেখা সেদিনও তার গায়ে সবুজ রঙের শাড়ি ছিল। এই মেয়েটির মনে হয় সবুজ রঙ পছন্দ। মেয়েটিকে আজ অনেক বেশি সুন্দর লাগছে। যে সুন্দর তাকে যে সব সময় সুন্দর লাগবে এমন কোনো কথা নেই। সুন্দর মানুষকেও মাঝে মাঝে অসুন্দর লাগে। আবার অসুন্দর মানুষকেও হঠাৎ হঠাৎ খুব সুন্দর লাগে। শুভ্র বলল, আপনি কেমন আছেনে?

    প্রশ্নের উত্তরে আসমানী মাথা ঝাঁকিয়ে হাসল। প্রশ্নের উত্তর দিল শরীরের ভাষায়। এই ভাষা শুভ্রর ভাল জানা নেই বলে সে প্রশ্নের উত্তরটা ধরতে পারল না। প্রশ্নের উত্তর হয়ত বা— আমি ভাল নেই। তাতে কী হয়েছে? আপনি যে ভাল আছেন এতেই আমি খুশি।

     

     

    শুভ্র বলল, আমার অফিসের কেউ কি আপনাদের বলে নি আজ আমি আসব? আমিতো খবর পাঠিয়েছিলাম।

    আসমানী আবারো ঠিক আগের ভঙ্গিতে মাথা ঝাকিয়ে বলল, আপনের দোকান। আপনে যখন ইচ্ছা আসবেন। সওদাপাতি দেখবেন, বলাবলির কী আছে?

    শুভ্র বলল, আপনি আমার প্রশ্নের জবাব দেন নি। আমি জানতে চেয়েছি— কেউ কি আপনাদের বলেছে যে আমি আসব?

    জ্বি বলেছে।

    আমার পছন্দ।

    জ্বি আচ্ছা। এখন থেকে সোজা জবাব দিব।

    আপনার কি শরীর খারাপ?

    জ্বি, আমার মাসিক চলতেছে। আজ দ্বিতীয় দিন।

    শুভ্ৰ হতভম্ব হয়ে তাকিয়ে আছে। কী বলছে এই মেয়ে। মেয়েটাকে কি প্ৰচণ্ড ধমক দেয়া উচিত না? রাগে শুভ্রর শরীর কাপতে শুরু করেছে। এই রাগকে কিছুতেই প্রশ্ৰয় দেয়া যায় না। তার বাবা দিতেন না। সে কেন দেবে?

    শুভ্র কিছু বলার আগেই আসমানী বলল, প্রশ্ন করলে ঠিকঠাক জবাব দিতে বলছেন বলে দিয়েছি। রাগ করবেন না।

    শুভ্র বলল, আমার ধারণা। আপনি আমাকে বিব্ৰুত করার জন্যে এই কথাটা বললেন। আপনি আমাকে অপদস্ত করতে চাচ্ছেন। চাচ্ছেন না?

    আসমানী তাকিয়ে আছে। শুভ্ৰ মুগ্ধ হয়ে গেল। কী সুন্দর বড় বড় চোখ! তার মনে হল মানুষের সব সৌন্দৰ্য আসলে চোখে। যার চোখ সুন্দর তার সবই সুন্দর। মেয়েটা চোখ নামিয়ে নিচ্ছে না। তাকিয়েই আছে। শুভ্ৰ বলল, আপনারা ম্যানেজার সাহেবের কথা শুনছেন না কেন?

     

     

    কী কথা?

    উনার সঙ্গে আপনাদের কথা হয় নি?

    উনার সঙ্গে কত কথাইতো হয়েছে। কোনটার কথা জিজ্ঞেস করেন? আপনে নিজেও সোজা প্রশ্ন করতে পারেন না। যে নিজে সোজা প্রশ্ন করে না সে অন্যের সোজা উত্তর ক্যামনে চায়?

    শুভ্ৰ অবাক হয়ে লক্ষ করল— মেয়েটা হাসছে। হাসাহসি করার মত কথাবার্তাতো হচ্ছে না। শুভ্র তার নতুন ম্যানেজারকে বলে দিয়েছিল- সব কটা মেয়েকে যেন তাদের বাড়ি ঘরে পাঠিয়ে দেয়া হয়। সবাই নগদ পনেরো হাজার করে টাকা পাঝে। একটা করে সেলাই মেশিন পাবে; কেউ যদি সেলাই মেশিন নিতে না চায়— সম পরিমাণ টাকা পাবে। মেয়েটার ভাব ভঙ্গি দেখে মনে হচ্ছে মেয়েটা এ জাতীয় কথা শুনে নি। খুবই আশ্চর্যের ব্যাপার— মেয়েটার আচার আচরণ হাসার ভঙ্গি সব কিছুর মধ্যে এক ধরনের তাচ্ছিল্য আছে। এই মেয়ে কি সবার সঙ্গেই এ রকম করে না-কি তার সঙ্গেই করছে?

    শুভ্র বলল, নগদ টাকা, আর সেলাই মেশিনের ব্যাপারটা আপনারা জানেন না?

    আসমানী হেসে ভেঙে পড়তে পড়তে বলল, সেলাই মেশিন দিয়া কী করব? আমরা কি দর্জি?

    আসমানী হাসি থামাতে পারছে না। শুভ্রর কাছ থেকে এমন মজাদার কথা সে শুনবে তা যেন ভাবতেই পারে নি।

    শুভ্ৰ বলল, দর্জি হওয়া কি খারাপ?

    খারাপ ভাল-র কথা না। যে কাজ জানি না, সেই কাজ করব ক্যামনে? কাজ একটাই জানি। খরিদারের সাথে বসা।

    মেয়েটা আবারো হাসছে। সর্ব শরীর দিয়ে হাসছে। এই ভঙ্গিতে শুভ্ৰ কাউকে হাসতে দেখে নি। হাসির শব্দটা কেমন? শুভ্ৰ বুঝতে পারছে না। হাসির শব্দে সে মন দিতে পারছে না। আসমানী চট করে অবসি থামিয়ে বলল, চা খান। খাবেন?

     

     

    শুভ্র বলল, না।

    তাহলে এক কাজ করেন। আপনের মিজাজ খুব খারাপ— আপনি ঘুমান।

    ঘুমাব?

    হুঁ। অসুবিধা কী? আমি মাথার চুলে বিলি দিয়া ঘুম পাড়ায়ে দিব। পাঁচ দশ মিনিটের ছোট্ট ঘুম। শরীর ঝরঝরা হয়ে যাবে।

    ও।

    আপনের আব্বারে কত ঘুম পাড়ায়ে দিয়েছি।

    শুভ্ৰ ভুরু কুঁচকে তাকাল। এই মেয়ে এর আগের বারেও তার বাবার প্রসঙ্গ টেনে এনেছে। আবার কখনো দেখা হলেও হয়ত এই কাজটা সে করবে। তবে আবারো তার সঙ্গে দেখা হবার সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ।

    আপনের বাবা আমারে খুবই স্নেহ করতেন।

    ভালতো। আপনাকে স্নেহ না করলেও তার চলত। স্নেহটা আপনি বাড়তি পেয়েছেন।

    আমারে তুমি করে বলেন।

    কেন আমার বাবা আপনাকে তুমি করে বলতেন। সেই জন্যে?

    জ্বি-না। তুমি করে বলতে বলতেছি। কারণ এর আগের বার আপনে আমারে তুমি করে বলেছেন।

    আমি আপনাকে কখনো তুমি বলি নি।

     

     

    সরবত খাবেন? সরবত বানায়ে দেই! পেস্তাবাদাম দিয়া খুব ভাল সরবত।

    আমার বাবা কি এই সরবত খেতেন? তিনি পছন্দ করতেন?

    উনি দুই তিনবার খেয়েছেন। উনার পছন্দ হয় নাই। সব ভাল জিনিস সবের পছন্দ হয় না। আপনের পছন্দ হবে।

    বেশতো সরবত বানাও, খেয়ে দেখি।

    বলেই শুভ্ৰ চমকে উঠল। মেয়েটাকে সে তুমি বলেছে। তুমি করে সে বলতে চায় নি— ভেতর থেকে চলে এসেছে। মেয়েটিও তা বুঝতে পেরেছে? তুমি বলার সঙ্গে সঙ্গে সে মাথা ঘুরিয়ে তাকিয়েছে। হোসেছে। এই হাসি আগের মত শরীর কাঁপানো হাসি না। অন্যরকম হাসি।

    আসমানী উঠে চলে গেল। যাবার আগে খুব ভালমত পর্দা টেনে দিল। ঘর কেমন জানি অন্ধকার অন্ধকার হয়ে আছে। এই অন্ধকারটাও ভাল লাগছে। সব ঘরের আলাদা আলাদা গন্ধ থাকে। এই ঘরেরও আছে। প্রতিটি মানুষকে যেমন গায়ের গন্ধ দিয়ে আলাদা করা যায়, প্রতিটি ঘরকেও তেমন গন্ধ দিয়ে আলাদা করা যায়। বিশেষ বিশেষ শ্রেণীর ঘরগুলির মধ্যে গন্ধ বিষয়ক মিল থাকে। আসমানীদের মত মেয়েরা যে সব ঘরে থাকে। সেসব ঘরাও হয়ত গন্ধের কারণেই অন্য রকম। শুভ্ৰ ঘড়ি দেখল— তিনটা বাজে। ঘুম ঘুম পাচ্ছে। সামান্য ক্ষুধাবোধও হচ্ছে। আজ সকাল থেকেই সে বাইরে বাইরে ঘুরছে। দুপুরে খাওয়া হয় নি। দুটা বাজার দশ মিনিট আগে অফিসে গিয়েছিল। ভেবেছিল অফিসে কিছু একটা খেয়ে নেবে। ওসি সাহেবের সঙ্গে কথা বলে হঠাৎ মেজাজ খারাপ হয়ে গেল বলে কিছু খাওয়া হয়। নি। নতুন ম্যানেজার সিদ্দিক বলল, ঐ সব জায়গায় আপনার ঘনঘন যাওয়া ঠিক না। কী বলতে হবে। আমাকে বলে দিন। আমি বলব।

    শুভ্ৰ শান্ত গলায় বলল, ঘনঘন যাবার কথাটা উঠছে কেন? আমিতো আজ নিয়ে দ্বিতীয়বারের মত যাচ্ছি।

    ম্যানেজার বলল, দ্বিতীয়বার যাবারও দরকার নেই।

     

     

    দরকার আছে কী নেই সেটা আমি দেখব।

    জ্বি আচ্ছা।

    নতুন ম্যানেজারকে শুভ্রর পছন্দ হয়েছে। সে শুভ্ৰকে ভয় পাচ্ছে না। তার যেটা বলার দরকার সে বলছে। সিদ্দিককে এনে দিয়েছেন ক্যাশিয়ার সাহেব। ক্যাশিয়ার সাহেব ছেলেটিকে দেবার সময় শুধু বলেছেন— ছেলে ভাল। একে দিয়ে কাজ করায়ে আরাম পাবেন। শুভ্র আরাম পাচ্ছে। এবং বুঝতে পারছে সিদ্দিক ছেলেটি অল্পদিনের ভেতর তার ডান হাত হয়ে উঠবে। যখনি সে ডান হোত হবে তখনি তাকে বিদেয় করতে হবে। বড় প্রতিষ্ঠানে মালিকের ডান হাত থাকতে নেই। ডান হাত কেন, বা হাতও থাকতে নেই।

    শুভ্রের ধারণা সে বদলে যাচ্ছে। মানুষ এক রাতে বদলায় না; মানুষের বদলানোর প্রক্রিয়াটা অত্যন্ত মন্থর। যে বদলায় সে নিজে বুঝতে পারে না। যারা তার আশেপাশে আছে তারাও কিছু বুঝতে পারে না। কারণ যে বদলায় সে আশেপাশের সবাইকে নিয়েই বদলায়।

    শুভ্ৰ আসমানীর ঘরে নতুন ম্যানেজার ও মঞ্জুকে নিয়ে এসেছে। মঞ্জু এখন বারান্দায় বসে আছে। মঞ্জু বসেছে মেঝেতে পা ছড়িয়ে। তার পাশে চেয়ারে বসে আছে সিদ্দিক। সিদ্দিকের চোখ মেঝের দিকে। মঞ্জু তার জায়গা থেকে নড়বে না। ম্যানেজার সাহেবও নড়বে না।

    আসমানী বড় একটা গ্লাসে করে সরবত এনেছে। মনে হচ্ছে দুধের সরবত। ফেনা উঠা দুধে বরফের কুচি ভাসছে। দুধটা পুরোপুরি সাদাও না, হালকা সবুজাভ। গ্লাসে চুমুক দিয়ে শুভ্ৰর ভাল লাগল। অদ্ভুত স্বাদ— ঝাঁঝালো, টক মিষ্টি কেমন যেন নোনতা নোনতা। সারবতটা মুখে দেয়া মাত্র জিভের সঙ্গে চকলেটের মত জড়িয়ে যাচ্ছে।

    আসমানী বলল, আস্তে আস্তে খান। এই সরবত ধীরে ধীরে খাইতে হয়।

    এই সরবীতে বিশেষ কিছু কি দেয়া হয়েছে?

     

     

    আসমানী হাসল। কী সুন্দর হাসি! মেয়েটার দাঁতগুলি যে এত সুন্দর তা আগে লক্ষ করা হয় নি।

    আসমানী!

    তোমাদের এখানে নতুন একটা মেয়ে এসেছে না?

    জ্বি।

    মেয়েটার নাম কী?

    আমাগোর এইখানে যারা আসে তাগোর কোনো নাম থাকে? ঘরে ঢুকনের আগে নাম থাকে। একবার টুইক্যা গেলে আর নাম নাই। এই যেমন ধরেন আপনে। এখন কিন্তু আপনেরও নাম নাই।

    তোমার কথাবার্তা কিছু বুঝতে পারছি না।

    সরবতটা এত তাড়াতাড়ি খাওন ঠিক না। ধীরে খান।

    আসমানী তোমাদের এখানে কি টেলিফোন আছে? আমার একটা টেলিফোন করা দরকার।

    এখানে টেলিফোন নাই। আপনে টেলিফোন করবেন?

    হ্যাঁ।

    খুব দরকার?

    হ্যাঁ খুব দরকার।

     

     

    খুব দরকার হইলে আমি একটা টেলিফোনও জোগাড় করে দেব। এখানে রাণী নামের একজন আছে— তাকে তার সাহেব একটা মোবাইল টেলিফোন দিয়েছে।

    ও।

    বুড়া সাহেব! রাতে ঘুমাইবার আগে টেলিফোনে খারাপ কথা না বললে বুড়ার ঘুম হয় না। এই জন্যেই দিয়েছে। সে প্রতি রাতে রাণীর সাথে খারাপ কথা বলে। এর জন্যে মাসকাবারি টাকা দেয়।

    ও।

    আপনি অস্তে আস্তে সরবত খান। আমি টেলিফোন এনে দিব।

    তোমার সরবীতটা খেতে খুবই ভাল। আমি আরেক গ্লাস খাব।

    আসমানী আবাৱে হাসল। শুভ্ৰর মনে হল এবারের হাসিটা আগের বারের চেয়েও সুন্দর।

     

    টেলিফোন ধরল বিনু। শুভ্ৰ বলল, বিনু তুমি কি একটা কাজ করে দিতে পারবে? আমার ঘরে একটু যাও। টেবিলের ড্রয়ারটা খুলে দেখতো দুটা ক্যাসেট আছে কি-না। একটায় লেখা মীরা, অন্যটায় বিনু! ক্যাসেট দুটা কীসের বুঝতে পারছতো?

    পারছি।

    আমি টেলিফোন ধরে আছি। তুমি ক্যাসেট নিয়ে এসো বেশি দেরি করবে না। আমি ঘুমিয়ে পড়তে পারি। আমার খুবই ঘুম পাচ্ছে।

     

     

    শুভ্ৰ তার গ্লাস প্ৰায় শেষ করে এনেছে। সে এখন নিশ্চিত— সরবতে বিশেষ কিছু দেয়া হয়েছে। সেই বিশেষ কিছুটা কী জানতে ইচ্ছা করছে না। ঘুম ঘুম পাচ্ছে। আবার জেগে থাকতেও ইচ্ছা করছে।

    বিনু বলল, হ্যালো।

    শুভ্ৰ আগ্রহের সঙ্গে বলল, ক্যাসেট পেয়েছ?

    হ্যাঁ।

    আমার একটা ব্ল্যাংক ক্যাসেট এবং ক্যাসেট প্লেয়ার দরকার। আরেকটা মেয়ের হাসি রেকর্ড করব। সমস্যা হল ঘরেতো কোনো রেকর্ডার নেই। কী করা যায় বিনু বলতো। প্রবলেমে পড়ে গেলাম।

    আপনি বলেন কী করা যায়।

    আচ্ছা ঠিক আছে আমি নিজেই ব্যবস্থা করছি। মঞ্জুকে ক্যাসেট কিনতে পাঠাব। মঞ্জু যে বসে আছে খেয়াল ছিল না।

    শুভ্ৰ মোবাইল সেটটা আসমানীর দিকে এগিয়ে দিল। আসমানী বলল, আপনার কাছে রেখে দিন। যদি কারো সঙ্গে কথা বলতে ইচ্ছা করে কথা বলবেন।

    শুভ্ৰ বলল, আচ্ছা? আমি আপনার মাথার চুলে বিলি দিয়ে দিব?

    দাও।

    আপনি আরাম করে ঘুমান। আপনাকে দেইখা মনে হইতাছে আপনি খুব অস্থির হয়ে আছেন। অস্থির হইয়া লাভ নাই। আপনে অস্থির হইলেও দুনিয়া যেমনে চলাব, সুস্থির হইলেও তেমনই চলব।

    সরবতে কী দিয়েছ?

     

     

    ভাংয়ের সরবত। ভাং খুব সামান্য দেয়া হয়েছে। আপনার খুব ভাল ঘুম হবে।

    ভাং এর সরবত কীভাবে বানায়?

    ধুতুরা গাছের পাতা দুধের মধ্যে কচলে বানায়।

    ধুতুরা গাছের বোটানিক্যাল নাম কি তুমি জান?

    জ্বি না।

    মীরা জানবে। মীরার অনেক পড়াশোনা। দেখি টেলিফোনটা। মীরাকে জিজ্ঞেস করে জেনে নেই। আরেকদিন হয়ত জানতে ইচ্ছা করবে না।

    জানতে ইচ্ছা না করলে জানবেন না।

    পান খেতে ইচ্ছা করছে। আসমানী একটা পান আনিয়ে দেবে? হাফিজ মিয়ার পান।

    হাফিজ মিয়া কে?

    আছে একজন— খুব ভাল পান বানায়। সবাই তার পান খায়।

    আচ্ছা আনায়ে দিতেছি।

    শুভ্ৰ ঘুমিয়ে পড়ল। পুরো রাতে তার একবারও ঘুম ভাঙল না।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleশঙ্খনীল কারাগার – হুমায়ূন আহমেদ
    Next Article শুভ্র গেছে বনে – হুমায়ূন আহমেদ

    Related Articles

    হুমায়ূন আহমেদ

    বোতল ভূত – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    নিউইয়র্কের নীলাকাশে ঝকঝকে রোদ – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    রং পেন্সিল – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    বিবিধ / অগ্রন্থিত লেখা – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    আজ হিমুর বিয়ে – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    কৃষ্ণপক্ষ – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }