Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    শুভ্র – হুমায়ূন আহমেদ

    হুমায়ূন আহমেদ এক পাতা গল্প307 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ২০. বিনুর বাবা মারা গেছেন

    বিনুর বাবা মারা গেছেন। মৃত্যুসংবাদ নিয়ে এসেছে বিনুর চাচাতো ভাই ইয়াকুব। ঢাকা শহরে সে এই প্রথম এসেছে। ঠিকানা লেখা কাগজ সঙ্গে ছিল, তারপরেও তার পুরো দেড় দিন লাগল বিনুকে খুঁজে বের করতে। বিনুর বাবা মারা গেছেন বুধবার দুপুরে, বিনু খবর পেল শুক্রবার সকালে।

    মৃত্যু-সংবাদ দিয়েই ইয়াকুব প্রথম যে কথাটা বলল, গত রাইত থাইক্যা না খাওয়া। ভাত খাওনের জোগাড় আছে?

    বিনু ভাই-এর জন্যে ভাত খাবার জোগাড় করতে গেল। সে কাঁদল না, চিৎকার করে শোকের কোনো প্ৰকাশ দেখাল না। ইয়াকুব তাতে খুব স্বস্তি বোধ করল। বিনু চিৎকার হৈচৈ শুরু করলে সমস্যা হত। কে তার ভাতের জোগাড় করত! ক্ষিধেয় তার শরীরে কাঁপুনি ধরে গেছে। চোখে ঝাপসা দেখতে শুরু করেছে।

    জাহানারা বিছানায় শুয়ে ছিলেন। জানালার ওপাশ দিয়ে বিনুকে যেতে দেখে জিজ্ঞেস করলেন, দোতলায় কে এসেছে?

    বিনু শান্ত গলায় বলল, আমার চাচাতো ভাই।

    তার নাম কী?

    ইয়াকুব।

    জানোলা দিয়ে কথা বলছি কেন বেয়াদবের মত? ঘরে ঢুকে প্রশ্নের জবাব দাও। বাবা-মা আদব কায়দা শিখায় নাই?

    বিনু ঘরে ঢুকল। জাহানারা বিছানায় উঠে বসতে বসতে বললেন, তুমি কোন সাহসে তোমার ভাইকে দোতলায় আনলে? এই সাহসের মানে কী? তুমি জান না। দোতলায় ওঠা নিষেধ? এক্ষুণি একতলায় পাঠাও!

    জ্বি পাঠাচ্ছি।

    ইয়াকুব চায় কী?

    কিছু চায় না।

    তুমি যেভাবে কাজ কর্ম করছ তাতে মনে হয় এই ঘর বাড়ি সবই তোমার। এ রকম মনে করার মত কিছু ঘটে নি। এ বাড়ির কাজের মেয়ে রাণীর মা তোমার চে উপরে আছে। রাণীর মা কাজ করে খায়। তুমি পরের উপর খাও। বুঝতে পারছ?

    জ্বি।

    ভাই এসেছে খুব ভাল কথা, এখন ভাই-এর হাত ধরে যেখানকার জিনিস দেখানে চলে যাও।

    জ্বি আচ্ছা।

    আজই যাবে।

    জ্বি আজই যাব। দুপুরে চলে যাব।

    যাবার আগে সুটকেস খুলে দেখিয়ে যাবে। আমার এখন শরীর ভাল না। কোনো দিকে নজর দিতে পারি না। কোনো জিনিস সুটকেসে ভরে নিয়ে গেলে বুঝতে পারব না।

    বিনু সামনে থেকে সরে গেছে। কিন্তু জাহানারার মনে হচ্ছে বিনু এখনো সামনে দাঁড়িয়ে। মেয়েটাকে আরো অপমান করতে হচ্ছে। তার নিজের শরীর জ্বালা করছে। মেয়েটাকে কুৎসিত কিছু গালি দিতে পারলে জুলুনি হয়ত কমত। কুৎসিত গালি তিনি জানেন। বাড়ির পেছনে বস্তির পানির কল। পানি নিতে এসে এরা যে সব গালগালি করে তিনি শোবার ঘর থেকে শুনতে পান। এইসব গালাগালির মধ্যে সবচে ভদ্র গালি হল— খানকি মাগি। বিনুকে ডেকে খানকি মাগি গালি দিলে কেমন হয়? মেয়েটা এই গালি শুনে কী করবে? অনেকক্ষণ নিশ্চয়ই হা করে তার দিকে তাকিয়ে থাকবে। জাহানারা কল্পনায় বিনুর বিস্মিত মুখ পরিষ্কার দেখলেন। তার হাসি পেয়ে গেল। হাসি চাপতে গেলেন, সেই হাসি আরো বাড়ল।

    হাসার মত অবস্থা তার না। শুভ্র গত রাতে বাসায় ফিরে নি, তার আগের রাতেও ফিরে নি। আজ খুব ভোরে ম্যানেজার ছালেহ এসেছিল। তাঁর সঙ্গে তিনি অনেক রাগারগি করেছেন। এই বদমাশটাকেও কিছু কঠিন গালাগালি দিতে পারলে হত। খানকি মাগি ধরনের গালি। এই গালি পুরুষদের জন্যে প্রযোজ্য নয়। মেয়েরা বিশেষ অবস্থায় খানকি মাগি হয়— পুরুষরা কী হয়?

    এক পর্যায়ে তাঁর ইচ্ছা করছিল বিছানা থেকে নেমে লাথি মেরে ম্যানেজারকে চেয়ার শুদ্ধ মেঝেতে ফেলে দিতে। হারামজাদা আবার কুচুর কুচুর শব্দ করে তাঁর সামনেই পান খায়। কত বড় অভদ্ৰ! তিনি অবশ্যি মনের রাগ প্রকাশ করলেন না। শান্ত মুখেই বললেন, খবর কী?

    ছালেহ বলল, কোন খবর জানতে চান?

    জাহানারার মুখ তেতো হয়ে গেল। মনে মনে বললেন- শুয়রের বাচ্চা, তুমি জানি না আমি কোন খবর জানতে চাই। তোমার কাছে কি আমি সৌদি আরবের বাদশার খবর জানতে চাই? তোমার কাছে জানতে চাই- আমার ছেলের খবর।

    তিনি দাঁতে দাঁত চেপে নিজের রাগ সামলালেন। যদিও রাগ সামলানোটা খুবই কষ্টের ব্যাপার হয়ে দাঁড়াচ্ছে, কারণ হারামজাদা ম্যানেজারটা শুধু যে কুচুর কুচুর করে পান খাচ্ছে তাই না, পাও নাচাচ্ছে। পায়ে স্প্রীং ফিট করে এসেছে।

    জাহানারা শান্ত গলায় বললেন, আসমানী মেয়েটার বিষয়ে কী করেছ? কী ব্যবস্থা নিয়েছ?

    ব্যবস্থা নেয়া হবে। আপনি নিশ্চিন্ত থাকেন। আটঘাট বেধে এগুতে হবে। আমার যা করার আমি করব।

    শুভ্ৰ কাল রাতে ঘরে ফিরে নি।

    ও আচ্ছা।

    গত পরশু রাতেও ফিরে নি। আমারতো এখন মনে হয় শুভ্ৰ বাড়ি ঘর ছেড়ে দিয়ে বেশ্যা বাড়িতেই থাকবে।

    আপনি দুশ্চিন্তা করবেন না।

    আমি দুশ্চিন্তা করব নাতো দুশ্চিন্তাটা করবে। কে? তুমি করবে নাকি সৌদি আরবের বাদশা করবেন?

    ছালেহ পানের পিক ফেলবার জন্যে বারান্দায় চলে গেল, আবার ফিরে এসে বসে পা নাচাতে লাগল। জাহানারা লক্ষ করলেন আগে সে একটা পা নাড়াচ্ছিল, এখন দুটা পা-ই নাড়াচ্ছে।

    শুভ্ৰ এখন কী করছে তুমি জান?

    সঠিক জানি না।

    তার কাজকর্ম সম্পর্কে কিছুই জানি না?

    বাড়ির মেয়েগুলিকে পনেরো হাজার করে টাকা দিয়ে নিজের নিজের বাড়ি পাঠানোর চেষ্টা চালাচ্ছেন। লাভ হচ্ছে না। কেউ যেতে চাচ্ছে না। এরা টাকাটা নিবে কিন্তু যেটা করবে সেটা হল – এক বাড়ি ছেড়ে অন্য বাড়িতে গিয়ে উঠবে। মাঝখান থেকে সবার নেট লাভ পনেরো হাজার টাকা।

    টাকা দেয়া হয়ে গেছে?

    শুনেছি দেয়া শুরু হয়েছে। সঠিক জানি না।

    তুমি দেখি কোনো কিছুই সঠিক জান না। সবই বেঠিক জান। আমি বিছানায় শুয়ে থেকে যা জানি- তুমি শহরে বন্দরে ঘোরাঘুরি করে তার একশ ভাগের এক ভাগ জান না। পনেরো হাজার করে টাকা দিলে– সব কটা মেয়ের জন্যে কত টাকা লাগবে?

    অনেক লাগবে।

    সেই অনেকটা কত হিসাব করে বল। নাকি যোগ বিয়োগ গুণ ভাগ ভুলে গেছ? আর শোন— পা নাচানোটা একটু বন্ধ করা। আমার সামনে পা না নাচিয়ে বাড়িতে গিয়ে নাচাও।

    ছালেহ পা নাচানো বন্ধ করলেন। জাহানারা কঠিন গলায় বললেন, এত এত টাকা যে শুভ্ৰ দিচ্ছে তার কি এত টাকা আছে? তার অন্য ব্যবসার অবস্থা কী?

    অবস্থা ভাল না।

    ভাল না কেন?

    এখনকার ব্যবসা হল বেশির ভাগই দু নম্বরি। উনার পক্ষে দু নম্বরি কাজ সম্ভব না।

    উজবুকের মত কথা বলব না। তার পক্ষে বেশ্যাবাড়িতে পড়ে থাকা সম্ভব। আর দুনম্বরি ব্যবসা করা সম্ভব না। এটা কেমন কথা?

    ছালেহ উদ্দিন চুপ করে রইলেন। জাহানারা বললেন, আমি শুনতে পাচ্ছি। সে এই বাড়ি বিক্রি করার চেষ্টা করছে। এটা কি সত্যি?

    জ্বি, সত্যি। এই বাড়ি আর অফিস সবই তিনি বিক্রি করতে চান। দালাল ধরা হয়েছে। দালালেরা খোঁজখবর করছে।

    বিক্রি করে সে খাবে কী? থাকবে কোথায়? সে কি তার মাকে নিয়ে ভিক্ষা করতে বের হবে? কমলাপুর রেল ষ্টেশনে মা-বেটায় ভিক্ষা করব? আর তোমরা ভিক্ষা দিবো; তোমার সঙ্গে ছিঁড়া ময়লা এক টাকার নোট আছে? থাকলে দিয়ে যাও— তোমাকে দিয়েই ভিক্ষা শুরু করি।

    ছালেহ বিব্রত গলায় বললেন, আপনার শরীরটা খারাপ। আপনি শুয়ে থাকুন।

    তুমি চলে যাচ্ছ?

    জ্বি। আমি রোজই একবার এসে খোঁজ নিয়ে যাব।

    তোমাকে রোজ আসতে হবে না। তোমাকে যেদিন দেখি সেদিন আমার দিনটা খারাপ যায়। তোমাকে যখন ডাকব তখন-ই আসবে। নিজ থেকে আসবে না।

    জ্বি আচ্ছা।

    ম্যানেজার চলে যাবার পর থেকে জাহানারা বিছানায় চোখ বন্ধ করে শুয়েছিলেন। কারো সঙ্গে কোনো কথা বলেন নি। টেলিফোন বেজেছে, টেলিফোন ধরেন নি। টেলিফোন হয়ত শুভ্র করেছে, তারপরও ধরেন নি। ধরতে ইচ্ছা করে নি।

     

    কান্নার শব্দ পাওয়া যাচ্ছে। কোনো এক মেয়ে চাপা গলায় ফুপিয়ে কাঁদছে। এমনভাবে কাঁদছে যেন কেউ তার কান্না শুনতে না পায়। বিনু কি কাঁদছে! বিনু কেন কাঁদবে! কাদার মত এমন কী ঘটনা ঘটিল! ভাই নিতে এসেছে। এতো আনন্দের কথা। কাঁদবে কেন? জাহানারা রাণীর মাকে ডাকলেন। রাণীর মা কয়েকদিন হল এ বাড়িতে কাজ করছে। তার কাজকর্ম ভাল। চালচলন ভাল না। কেমন করে যেন শরীর দুলিয়ে হাঁটে। যে সব বাড়িতে যুবক পুরুষ থাকে সে সব বাড়িতে রাণীর মা ধরনের কাজের মেয়ে রাখতে নেই। মেয়েটাকে দুএকদিনের মধ্যেই বিদায় করে দিতে হবে। সবচে ভাল হয়। আজই বিদায় করে দিলে।

    আম্মা ডাকছেন গো?

    হ্যাঁ ডেকেছি। আহাদী করে কথা বলবে না। ডাকছেন গো আবার কী? যখন ডাকি— সামনে এসে দাঁড়াবে। গো বলে টান দিতে হবে না। কাঁদছে কে?

    আফামনি কাঁদতেছে।

    আফামনি আবার কী? বিনু আফামনি হল কবে? তুমি যেমন বিনুও তেমন। বিনুর থাকার জায়গা নেই, থাকতে দিয়েছি। সে কাঁদছে কেন?

    উনার পিতা ইন্তেকাল করেছেন। ভাই খবর নিয়া আসছে। এই জন্যে কাঁদতেছেন।

    বিনুর বাবা মারা গেছে?

    জ্বি।

    কবে মারা গেছে?

    বুধবারে। সেই দিন উনার শইলটা ভাল ছিল। দুপুরে খাওয়া দাওয়া করে চাঁদর গায়ে দিয়া ঘুমাইতেছিলেন। ঘুমের মধ্যে ইন্তেকাল হয়েছে, কেউ বুঝতে পারে নাই।

    তুমি এত কথা জানলে কী করে?

    উনার ভাই বলেছেন।

    তার সঙ্গে তোমার এত কথা বলার দরকার কী? পুরুষ মানুষ দেখলেই কথা না বলে থাকতে পার না? যাও বিনুকে ডেকে নিয়ে এসো।

    আফামনি দরজা বন কইরা কাঁদতেছে। ডাকলে শুনবে না।

    তুমি গিয়ে বল আমি ডাকছি। আমার কথা বললেই শুনবে।

    জাহানারা অপেক্ষা করছেন। বিনু আসছে না। আশ্চর্য! মেয়েটা এত বেয়াদব? এতো দেখি ম্যানেজারের চেয়েও বেয়াদব। তিনি সব সহ্য করবেন, বেয়াদবি সহ্য করবেন না। মানুষ মারা যাবে, কেউ অনন্তকাল বাঁচবে না, তাই বলে বেয়াদবি করতে হবে? জাহানারা বিনুর সীমাহীন বেয়াদবির কথা ভাবতে ভাবতেই এক সময় ঘুমিয়ে পড়লেন। ঘুমের মধ্যে স্বপ্নে দেখলেন নৌকায় করে তিনি কোথায় যেন যাচ্ছেন। তাঁর কোলে শুভ্ৰ। সে দুধের শিশু, কিন্তু তার চোখে চশমা। তিনি শুভ্রর বাবার সঙ্গে রাগীরাগি করছেন— বাচ্চাদের কত সুন্দর সুন্দর চশমা পাওয়া যায়, এইসব না কিনে বুড়ো মানুষদের মত কী চশমা কিনছ! সারা মুখ ঢেকে গেছে এত বড় চশমা। শুভ্রর বাবা বলছেন- হ্যাঁ চশমাটা বড়ই হয়েছে। এই বলতে বলতে তিনি নৌকার পাটাতনে শুয়ে পড়লেন। জাহানারা বললেন, তুমি করুছ কী ঘুমের মধ্যে গড়িয়ে নদীতে পড়ে যাবে তো! আমি সাঁতার জানি আমি তোমাকে তুলতে পারব। কিন্তু আমার কোলে শুভ্ৰ। আমি তাকে নিয়ে কীভাবে তোমাকে তুলিব? শুভ্রর বাবা বললেন- আমি পড়ব না। বলতেই নৌকা কাত হল। শুভ্ৰর বাবা গড়িয়ে পানিতে পড়ে গেলেন। চারদিকে খুব হৈচৈ হচ্ছে। এই হৈচৈ-এ জাহানারার ঘুম ভাঙিল। তিনি তাকিয়ে দেখেন তাঁর বিছানার পাশে বিনু দাঁড়িয়ে আছে। বিনুর হাতে সুটকেস। জাহানারা বললেন, তুমি কোথায় যাও?

    বিনু বলল, দেশের বাড়িতে। চাচি, আমার বাবা মারা গেছেন।

    জাহানারা বিছানায় উঠে বসতে বসতে বললেন, আমাকে এত বড় বিপদে ফেলে তুমি চলে যাবার কথা ভাবতে পারলে? তুমি কেমন মেয়ে বল দেখি! তোমার চোখে লউ নাই? দুই রাত ধরে আমার ছেলের খোঁজ নাই। আমি অসুস্থ হয়ে পড়ে আছি, আমার হুঁশ জ্ঞান নাই। কী বলতে কী বলি তার ঠিক নাই, আর তুমি সুটকেস হাতে রওনা দিয়ে দিলে?

    বিনু ক্ষীণ গলায় বলল, চাচি, আমার বাবা বুধবারে মারা গেছেন।

    জাহানারা হাঁপাতে হাঁপাতে বললেন, বুধবারে তোমার বাবা মারা গেছেন তার আমি কী করব। তোমার বাবার কপালে লেখা ছিল বুধবারে মৃত্যু। কপালে যদি বুধবারে মৃত্যু লেখা থাকে তাহলে বুধবারেই মৃত্যু হবে। সোমবারে হবে না। আজ শুক্রবার। তোমার বাবাকে কবর দিয়ে দিয়েছে! তুমি গিয়ে তোমার বাবার ডেড বডি দেখবে তার জন্যে তাকে তোমার মা নিশ্চয়ই আচার বানিয়ে রেখে দেয়। নাই। আমি যদি এখন মারা যাই তুমি বল কে আমাকে দেখবে? রাণীর মা দেখবে? কার হাতে তুমি আমাকে রেখে যাচ্ছ?

    বিনু বলল, চাঁচি, আপনি একটা জিনিস বুঝতে পারছেন না—

    জাহানারা বিনুকে থামিয়ে দিয়ে বললেন, আমি কিছু বুঝতে পারছি না তা ঠিক। আমার জায়গায় তুমি হলে দোতলা থেকে লাফ দিতে। বিনু শোন, আজ যদি এই অবস্থায় আমাকে রেখে তুমি চলে যাও তাহলে এমন অভিশাপ দিব যে তোমার জীবন কাটবে বেশ্যাখানায়, দুনিয়ারী-পুরুষ মানুষের সামনে গায়ের কাপড় খুলতে হবে। তুমি গায়ের কাপড় খুলে দাঁড়িয়ে থাকবে, পুরুষ মানুষ তোমাকে দেখে দরদাম ঠিক করবে। তুমি বলবে দুইশ টাকা ওরা বলবে পঞ্চাশ…

    চাচি, আপনি কী বলছেন এইসব?

    যা ঘটবে তাই বললাম। তারপর কী হবে শোন— দুইশ এবং পঞ্চাশের মাঝামাঝি রফা হবে…।

    চাচি, আমি আপনার পায়ে পড়ি।

    জাহানারা কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে বললেন, তোমাকে আমার পায়ে পড়তে হবে না। আমি তোমার পায়ে পড়ি। তুমি আমার সংসারটা ঠিক করে দিয়ে যাও। আমার মাথা পুরোপুরি গেছে! আমি এখন কোনো কিছুই চিন্তা করতে পারি না। মাগো শোন, তুমি কাছে আসা। আমি তোমার পায়ে হাত দিব। পায়ে হাত দেবার পরেতো তুমি আর যাবে না?

    জাহানারা চিৎকার করে কাদতে শুরু করেছেন। তিনি খাটের কোণায় নিজের মাথা ঠুকতে চেষ্টা করলেন। বিনু ছুটে গিয়ে তাকে ধরে ফেলে বলল, চাচি আপনি শান্ত হোন। আপনি সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত আমি যাচ্ছি না। জাহানারা সঙ্গে সঙ্গে স্বাভাবিক হয়ে সহজ গলায় বললেন- বিনু কাউকে কাঁচাবাজারে পাঠাও তো। সজনে পাওয়া যায় কি-না দেখ। সজনের চচ্চড়ি খেতে ইচ্ছে করছে। আমি নিজে রাধব। তোমরা যেভাবে সজনের চচ্চড়ি কর আমি কিন্তু সে রকম করি না। আমার মার কাছ থেকে শিখেছি— শুধু কাঁচা মরিচ। আর সামান্য আদা। একবার খেলে কোনো দিন ভুলবে না। আমি তোমাকে শিখিয়ে দেব। শুভ্রর বাবার খুব পছন্দের তরকারি। একবার কী হয়েছে শোনা— শুভ্রর বাবা ঘুমুচ্ছিল। রাত বাজে তিনটা। হঠাৎ ঘুম ভেঙে সে উঠে বসল। আমাকে ডেকে তুলে বলল— শুভ্রর মা, বড় ক্ষিধা লেগেছে। ঘরে কি পাতে খাওয়ার ঘি আছে? আমি বললাম, আছে।

    শুভ্রর বাবা বললেন, একটা কাজ করতে পারবে? গরম ভাত রোধে দিতে পারবে? ধোঁয়া ওঠা ভাতে ঘি ঢেলে দিয়ে খাব।

    বিনু বলল, আপনি এতো কথা বলছেন কেন? আপনি চুপ করে শুয়ে থাকুন। আমি মাথায় পানি ঢালব।

    কাউকে বাজারে পাঠাও সজনে আনুক। আর খোঁজখবর করে দেখা শুভ্ৰকে পাও কি-না। আজ আমরা তিনজন এক সঙ্গে খাব। একটা ইলিশ মাছ আনতে দিওতো। ইলিশ মাছের ভাজা শুভ্রর খুবই পছন্দ। একবার কী হয়েছে মা শোনশুভ্র তখন ক্লাস ফোরে পড়ে। সে স্কুলে টিফিন নিয়ে যায়। আমাকে বলল— আজ ইলিশ মাছ ভাজা টিফিন নিয়ে যাব। আমি হোসে বাঁচি না। সে ইলিশ মাছ ভজা না নিয়ে স্কুলে যাবে না। শেষে ইলিশ মাছ ভেজে টিফিন বক্সে দিয়ে রক্ষা। অসম্ভব জেদি ছেলে। অথচ তাকে দেখে মনে হয়। পৃথিবীর কিছুই বুঝে না।

    চাচি, আপনি চোখ বন্ধ করে শুয়ে থাকুনতো।

    শুয়েইতো আছি।

    কথা বলবেন না।

    আচ্ছা যাও বলব না, শুধু শুভ্ৰর আরেকটা গল্প বলি– শুভ্র তখন ক্লাস ফাইভে পড়ে। ওর বাবা শখ করে একটা জিপারওয়ালা প্যান্ট এনে দিয়েছে। জিপার টেনে বন্ধ করার সময় ছেলের জিনিস জিপারের সঙ্গে লেগে গেলো। জিনিস মানে বুঝতে পারছ তো? হিহিহি…।

    জাহানারা হাসতে হাসতে বিছানায় গড়িয়ে পড়লেন। হাসতে হাসতেই গল্পের বাকি অংশ জড়ানো গলায় বলে যাচ্ছেন- বিনু কিছুই বুঝতে পারছে না। হাসির মাঝখানে তিনি কাঁদতেও শুরু করলেন। বিনু ডাক্তার আনতে পাঠাল।

     

    শুভ্ৰ বাড়ি ফিরুল রাত এগারোটায়। তার মুখ থেকে ভকভক করে গন্ধ আসছে। পা সামান্য চলছে। চোখ সামান্য লাল। কিন্তু কথাবার্তা খুবই পরিষ্কার।

    বিনু দরজা খুলে দিল। শুভ্র বলল, কেমন আছ বিনু?

    বিনু বলল, ভাল।

    মা কি ঘুমুচ্ছে?

    হ্যাঁ।

    বিনু শোন, তুমিও শুয়ে পড়। আমি রাতে কিছু খাব না।

    আপনার কি শরীর খারাপ?

    না, আমার শরীর খারাপ না। মাতাল হলে কেমন লাগে এটা পরীক্ষার জন্যে প্রচুর মদ্যপান করেছি। মাতাল হতে পারি নি।

    কোনো মাতাল কি বুঝতে পারে সে মাতাল হয়েছে?

    তা বুঝতে পারে না। তবে আমি বুঝতে পারব। আমার শরীর টলছে, কোনোদিকে বেশিক্ষণ তাকিয়ে থাকতে পারছি না। কিন্তু আমার লজিক পরিষ্কার। এ থেকেই বুঝছি আমি মাতাল হইনি। মনে মনে আমি বুলিয়ান এলজেব্রার জটিল একটা সলিউশনও করলাম। কোনো সমস্যা হয় নি।

    আপনার কাছে লজিক পরিষ্কার মনে হচ্ছে, কিন্তু আসলে হয়তো লজিক পরিষ্কার না। আপনার শরীর কি খুব বেশি খারাপ লাগছে?

    হু। প্রচণ্ড বমি ভাব হচ্ছে। কিন্তু বমি হচ্ছে না। কয়েকবার চেষ্টা করেছি।

    লবণ-পানি এনে দেব? লবণ-পানি মুখে দিয়ে চেষ্টা করবেন?

    আচ্ছা এনে দাও।

    আপনি কি একণ একা বাথরুমে যেতে পারবেন? না। আমি ধরে ধরে নিয়ে যাবো।

    তুমি ধরে ধরে নিয়ে যাও।

    বিনু এসে শুভ্ৰকে ধরল। শুভ্র বলল, আমাকে বাথরুমে নেবার দরকার নেই। তুমি আমাকে বিছানায় শুইয়ে দাও।

    বিনু শুভ্ৰকে বিছানায় শুইয়ে দিয়ে উঠে যেতে চেষ্টা করল। শুভ্ৰ হাত ধরে তাকে আটকে দিল। অবাক হয়ে বলল, কোথায় যাচ্ছ?

    আপনার জন্যে লবণ-পানি নিয়ে আসছি।

    লবণ-পানি লাগবে না। তুমি এখান থেকে নড়বে না।

    মাথায় পানি ঢেলে দেব?

    আপনার কি বেশি খারাপ লাগছে?

    হ্যাঁ, খুবই খারাপ লাগছে! কী মনে হচ্ছে জান? মনে হচ্ছে কিছুক্ষণের মধ্যেই আমি মারা যাবো। মৃত্যুর আগে মানুষের প্রচুর কথা বলতে ইচ্ছা করে। আমারাও কথা বলতে ইচ্ছা করছে।

    কথা বলুন। আমি শুনছি।

    মদ খেলে কী হয় জান বিনু? মদ খাবার পর যারা প্রিয় মানুষ তাদেরকে অসম্ভব প্রিয় মনে হয়। সুন্দর মনে হয়। যারা অপ্রিয় মানুষ তাদেরকে অনেক বেশি অপ্রিয় মনে হয়। অসুন্দর মনে হয়। যেমন তুমি। তোমাকে যে আজ কী সুন্দর লাগছে সেটা শুধু আমিই জানি।

    একদিন মদ খেয়েই বুঝে গেলেন, মদ খেলে প্রিয় মানুষকে সুন্দর লাগে?

    এটা আমার থিয়োরি না। আখলাক সাহেবের থিয়োরি। তবে আমার ধারণা থিয়োরি ঠিক আছে। তোমাকে খুবই সুন্দর লাগছে।

    আপনি কি দয়া করে চোখ বন্ধ করে ঘুমুবার চেষ্টা করবেন?

    না, চেষ্টা করব না। আমি জেগে থাকব; সারারাত তোমার সঙ্গে গল্প করব। বিনু একটা হাসির গল্প শুনবে? গল্পটা আমাকে আসমানী বলেছে। সে মজার মজার গল্প জানে। গম্ভীর মুখে গল্প বলে। গল্প শুনে হাসতে হাসতে প্ৰাণ যাবার মতো হয়। আসমানীর গল্পটা তোমাকে বলব?

    বলুন।

    এক বৃদ্ধা মহিলা ময়মনসিংহ থেকে বাসে উঠেছে। সে বাসে উঠেই কন্ডাক্টারকে বলল, বাবা, ভালুকা আসলে আমারে বলবা। কন্ডাক্টার বলল, জ্বি আচ্ছা বুড়ি মা, বলব। বাস চলতে শুরু করল। বুড়ি কিছুক্ষণ পর পর জানতে চায়- ভালুকা এসেছে? কন্ডাক্টর বলল, কেন বিরক্ত করেন? এর মধ্যে সতেরোবার জিজ্ঞেস করেছেন। ভালুকা আসুক বলব। এখন বুড়ি মা আপনার আল্লাহর দোহাই লাগে চুপ করে থাকেন। পানি খান। বুড়ি চুপ করে থাকে না। একটুপর জিজ্ঞেস করে— ভালুকা আসছে? ও বাবা ভালুকা আসছে? বাসের সবাই মহা বিরক্ত। কিন্তু মজার ব্যাপার হলো ভালুক যখন এসেছে করোরই আর কিছু মনে নাই। বাস বুড়িকে নিয়ে ভালুকা ছাড়িয়ে অনেক দূর চলে গেল। যখন খেয়াল হল তখন কন্ডাক্টর জিবে কামড় দিল। বাসের সব যাত্রী কন্ডাক্টারকে গালাগালি করতে লাগলো। ড্রাইভার বাস ঘুরিয়ে ভালুকার দিকে রওনা দিল। এক ঘণ্টা পরে ভালুকা এসে পৌঁছল। কন্ডাক্টার লজ্জিত গলায় বলল, বুড়ি মা নামেন, ভালুক এসেছে। বুড়ি এই শুনে বিরক্ত মুখে বলল, নামব কী জন্যে? ওষুধ খাবো। ডাক্তার সাব আমারে একটা ট্যাবলেট ময়মনসিংহে খাওয়াইয়া দিয়া বলেছে আরেকটা ট্যাবলেট ভালুকায় খাইতে। এখন আপনেরা এক গেলাস পানি দেন।

    গল্প শেষ করে শুভ্ৰ হাসছে। কিছুতেই তার হাসি থামছে না। বিনু তাকিয়ে আছে। তার মুখে কোনো হাসি নেই। শুভ্র বলল, শব্দ করে হাসায় একটা উপকার হয়েছে- শরীর খারাপ ভাবটা সামান্য কমেছে।

    আপনি রাতে খাবেন না? না। ক্ষিধে নেই।

    চাচি আপনার জন্যে অসুস্থ শরীরে রান্না করেছেন। ক্ষিধা না থাকলেও একটু বসুন। ভাত নাড়াচাড়া করুন। উনি আপনার সঙ্গে খাবেন বলে রাতে খান নি।

    ভাত নড়াচাড়া করতে ইচ্ছা করছে না। শুয়ে আছি, শুয়ে থাকতে ভালো লাগছে। আচ্ছা বিনু, তুমি ভালো করে আমার দিকে তাকাও তো। আমার যে প্রচণ্ড মন খারাপ। আমাকে দেখে কি বোঝা যাচ্ছে?

    না বোঝা যাচ্ছে না।

    আমার খুবই মন খারাপ।

    কেন?

    তেমন কোনো কারণ নেই। শোন বিনু, মন ভালো হবার জন্যে কারণ লাগে। কিন্তু মন খারাপ হবার জন্য কোনো কারণ লাগে না। মাঝে মধ্যেই দেখবে সব ঠিকঠাক চলছে, সুন্দর সকাল, ঝকঝকে রোদ উঠেছে, নীল ঝলমলে আকাশ; তারপরেও এ মন খারাপ হয়ে গেল। তোমার এরকম কখনো হয় না?

    আমি খুবই সাধারণ একটা মেয়ে।

    সাধারণ মেয়েদের মন খারাপ হয় না?

    সাধারণ মেয়েদের মন খারাপ হয় খুবই সাধারণ কারণে।

    উদাহরণ দিয়ে বুঝাওতো।

    একটা সাধারণ মেয়ে যদি হঠাৎ খবর পায়- তার বাবা মারা গেছেন। তখন তার মন খারাপ হবে।

    শুভ্ৰ বিছানায় উঠে বসতে বসতে বলল, বিনু তোমার বাবা মারা গেছেন?

    বিনু জবাব দিল না।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleশঙ্খনীল কারাগার – হুমায়ূন আহমেদ
    Next Article শুভ্র গেছে বনে – হুমায়ূন আহমেদ

    Related Articles

    হুমায়ূন আহমেদ

    বোতল ভূত – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    নিউইয়র্কের নীলাকাশে ঝকঝকে রোদ – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    রং পেন্সিল – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    বিবিধ / অগ্রন্থিত লেখা – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    আজ হিমুর বিয়ে – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    কৃষ্ণপক্ষ – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }