Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    শেষ অশুভ সংকেত – কাজী মাহবুব হোসেন

    কাজী মাহবুব হোসেন এক পাতা গল্প150 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    শেষ অশুভ সংকেত – ১৩

    তেরো

    ম্যানর হাউসের সামনে শিকারে বেরোবার আয়োজন চলছে। ঘোড়ার পিঠে চড়ে শিয়াল শিকার করা ইংল্যাণ্ডের একটা বহু পুরানো রেওয়াজ। হাউণ্ড কুকুর গন্ধ শুঁকে শিয়াল খুঁজে বার করে তারপর ঘোড়া ছুটিয়ে ওকে তাড়া করে শিকার করা হয়। আরোহীরা শেষবারের মত মশলা দেয়া মদে চুমুক দিয়ে গ্লাস ফিরিয়ে দিয়েছে। ঘোড়া আর হাউণ্ডের শ্বাস বাষ্পের মত উপরে উঠে সকালের হালকা কুয়াশার সাথে মিশছে। ঘোড়াগুলো সামনের পা দিয়ে নুড়ি-পাথর সরাচ্ছে আর হাউগুগুলো বাঁধন ছিঁড়ে আগে বাড়ার চেষ্টা করে পরস্পরের সাথে বাড়ি খাচ্ছে। তর সইছে না ওদের।

    ওদের মাঝে একপাশে দাঁড়িয়ে হাত দিয়ে পিটারের কোটের ভাঁজ সমান করে দিচ্ছে কেট। অত্যন্ত সুন্দর দেখাচ্ছে ওকে, ভাবল সে। বুঝছে এতে বিরক্ত হচ্ছে পিটার। শিকারের মত একটা পুরুষোচিত কাজে মায়েরা দখল দিক এটা কেউ চায় না। অনিচ্ছাসত্ত্বেও পিছু হটে পিটারকে আর সবার সাথে মিশে এক হবার সুযোগ করে দিল কেট। স্বস্তি পাচ্ছে না সে শিকারে গিয়ে ঘোড়ার পিঠ থেকে পড়ে মাথাটা ফাটিয়েছে, এমন ঘটনা তো অহরহই শোনা যায়…

    উঁচু স্বরে বাঁশি বাজার শব্দে ফিরে তাকাল কেট। ঘর থেকে বেরিয়ে একটা চমৎকার তেজী গেল্ডিং ঘোড়ার দিকে এগোচ্ছে ডেমিয়েন। ঘোড়াটা দাঁত বের করে বিস্ফারিত চোখে পিছিয়ে গেল। ভয়ের গন্ধ পেয়ে অন্য ঘোড়াগুলোও একটু অস্থির হয়ে উঠল। লাফিয়ে পিছনের দু’পায়ে দাঁড়িয়ে একটা ঘোড়া তার আরোহীকে মাটিতে ফেলে দিল। বাকিগুলো নাক ফোলাচ্ছে আর নাক ঝাড়ছে।

    কেটের আশেপাশে লোকজন উত্তেজিত স্বরে নিজেদের মধ্যে আলাপ করছে। ঘোড়াগুলোর আজ কী হল? বলাবলি করছে ওরা। এমনিতে ওরা খুব শান্ত—কখনও এমন করে না। আস্তাবলের লোক কয়েক সেকেণ্ডের মধ্যেই ডেমিয়েনের ঘোড়াটাকে শান্ত করে ফেলল। পাদানিতে পা রেখে জিনের ওপর উঠে বসল ডেমিয়েন। জামাকাপড় ভিন্ন হলেও ওকে দেখে ওয়েস্টার্ন ছবির নায়কের কথা কেটের মনে পড়ছে। জিনের ওপর এঁটে বসার ধরন দেখে তাই মনে হয়। আমেরিকানদের ঘোড়ায় চড়ার স্টাইলটাই আলাদা। কিন্তু এভাবেই তাকে বেশি মানাচ্ছে এটা মনে মনে স্বীকার করতে বাধ্য হল সে। দু’জন ফটোগ্রাফার বিভিন্ন কোণ থেকে ডেমিয়েনের ছবি তুলছে। কেট হাসল-ছবিগুলো সুন্দর দেখাবে খবরের কাগজে–হন্তার বেশে ইউ এস অ্যামব্যাসেডর-এই ধরনেরই ক্যাপশন দেয় কাগজওয়ালারা।

    ছোট বলে পিটারকে একটা টাট্টু ঘোড়া দেয়া হয়েছে। পেশাদার জকির মত লাফিয়ে ঘোড়ার পিঠে চড়ে মায়ের দিকে চেয়ে হাসল সে। কেট এগিয়ে গেল ওর পাশে।

    ‘পিছনের দিকে সুজানের কাছাকাছি থেকো তুমি,’ মাথা নেড়ে ইশারায় পাশের ছোট মেয়ারে চড়া মেয়েকে দেখাল কেট। ‘ডেমিয়েনকে বাহাদুরি দেখাতে আগে যেয়ো না।

    ‘মোটেও না,’ বলে একটা সুন্দর মিষ্টি হাসি দিল পিটার। কিন্তু কেট তার ছেলেকে চেনে, এখন কথা দিল বটে, কিন্তু একটু আগে বেড়ে চোখের আড়াল হলেই সে নিজের খুশিমত চলবে।

    ‘চিন্তা কোরো না, পিটার,’ মেয়েটা ঝুঁকে টাট্টুর পিঠ চাপড়ে দিয়ে বলল, ‘রক্তাক্ত করা হবে তোমাকে।

    ‘তার মানে?’ প্রশ্ন করল পিটার।

    যারা প্রথমবারের মত শিকারে যায়, শিকার পাওয়া গেলে শিয়ালের রক্ত তাদের গালে মেখে দেয়া হয়,’ ব্যাখ্যা দিল সুজান।

    শিঙা বেজে উঠল। ‘সাবধানে দেখেশুনে চল,’ বলল কেট।

    ‘আমার জন্যে সবসময়ে এত ভাব কেন?’ বলেই আগে বাড়ার জন্যে গোড়ালি দিয়ে টাট্রর পেটে গুঁতো দিল পিটার।

    লাফিয়ে রওনা হল ঘোড়া। ‘ভালবাসি বলেই ভাবি। আর যে কেউ নেই,’ বলল কেট।

    হাউণ্ড আর ঘোড়াগুলো খোলা মাঠের দিকে এগিয়ে গেল।

    একটা পাহাড়ের গোড়ায় চলে এসেছে শিকারীরা। দলপতির পাশে পাশেই রয়েছে ডেমিয়েন। শিকারের ব্যাপারেই আলাপ করছে ওরা। অনেক দিন হল কোন শিকার পাওয়া যায়নি, জানাল মাস্টার। হতচ্ছাড়া শিয়ালগুলো আজকাল চালাক হয়ে গেছে।

    পাহাড়ের মাথায় উঠে পিছন ফিরে মাথা গুনল ডেমিয়েন। মোট পঁচিশজন। পিছনে পিটার রয়েছে সুজানের সাথে। হাত নাড়ল পিটার, জবাবে হাত উঠিয়ে সালাম জানাল সে। ঘুরে দেখল মাস্টার সিকি মাইল দূরে একটা জংলা জায়পার দিকে আঙুল দিয়ে নির্দেশ করছে। বুড়ো কুকুরের মতই নাক টেনে গন্ধ শুঁকে হাউগুগুলোকে ঢাল বেয়ে পাঠিয়ে দিল। মাটিতে নাক লাগিয়ে শুঁকতে শুঁকতে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে হাউণ্ড। আবদ্ধ কেনেল থেকে ছাড়া পেয়ে ওরা খুব খুশি।

    জঙ্গলের ভিতর কাজ চালিয়ে যাচ্ছে কুকুর। শিকারীরা অধীর হয়ে অপেক্ষা করছে পাহাড়ের মাথায়। কেউ বসে, কেউবা পাদানির ওপর দাঁড়িয়ে। কিছুক্ষণের মধ্যেই নীরবতা ভঙ্গ হল। মাথা তুলে ডাক ছাড়ল হাউণ্ডের দল। শিঙা ফুঁকে ঢাল বেয়ে ছুটল মাস্টার। পিছনে ডেমিয়েন আর তার পিছনে বাকি সবাই। একটা চিৎকার, আর সেই সাথে দপ করে কিছু পড়ার শব্দে পিছন ফিরে চাইল ডেমিয়েন। দেখল একজন তরুণ আরোহী চিৎপাত হয়ে পড়ে আছে। পিটারকে খুঁজে বের করে সে ঠিক আছে দেখতে পেয়ে নিশ্চিত হল।

    শিয়ালটাকে ডেমিয়েনই প্রথম দেখল। চোখ সরু হয়ে নাক ফুলে উঠল ওর। গলা খাঁকারি দিল কিন্তু কিছু বলল না। মাস্টারকেই কৃতিত্ব নেয়ার সুযোগ দিতে চায়। কয়েক সেকেণ্ড পরেই লোকটা চিৎকার করে উঠে ঝোপের ভিতর দিয়ে হাউণ্ডের পিছনে ঘোড়া ছোটাল। মরিচা রঙের ছোট জন্তুটা ছুটে মাঠ পাড়ি দিচ্ছে।

    ঘোড়ার মুখ ঘুরিয়ে নিয়ে শিয়ালটাকে তাড়া করল ডেমিয়েন। অল্পক্ষণেই সবাইকে ছাড়িয়ে আগে চলে এল–কুঁজো হয়ে ঝুঁকে ঘোড়ার ঘাড়ের সাথে প্রায় মিশে রয়েছে সে। এক মিনিট পরে হাউণ্ডের দলটাকে ধরে ফেলে পিছনের কয়েকটা কুকুরকে ছাড়িয়ে গেল।

    দলের সবাই ওর ঘোড়া চালানোর দক্ষতা দেখে অবাক হয়েছে। বড় গেল্ডিঙটাকে কেউ কখনও এত জোরে ছুটতে দেখেনি।

    আরও আধ মাইল আগে, ব্রাদার অ্যান্টোনিও চোখ থেকে দূরবীন নামিয়ে খুশি হয়ে মুচকে হাসল।

    জঙ্গলের দিক থেকে এদিকে আসতে একটা বেড়া মাঠটাকে দু’ভাগে ভাগ করেছে। ওরই সামনে দাঁড়িয়ে আছে অ্যান্টোনিও। তাদের প্ল্যান মতই এগোচ্ছে সব। ওরা আন্দাজ করেছিল ডেমিয়েনই সবার আগে থাকবে—তাই হয়েছে।

    ঘুরে ঘোড়ার পিঠে উঠে একশো গজ দূরে গাছগুলোর দিকে এগোল সে শটগানের কুঁদোটা পমেলের সাথে বাঁধা খাঁচার সাথে বাড়ি খেল। খাঁচার ভিতরে শিয়ালটা ওর দিকে চেয়ে দাঁত বের করে ভেঙচি কাটল। পাহাড়ের গুহার মুখে ফাঁদ পেতে অন্য মুখ দিয়ে একটা টেরিয়ার কুকুর লেলিয়ে দিয়ে শিয়ালটাকে সে নিজেই ধরেছে। ডেমিয়েনকে মারার চমৎকার একটা ফন্দি এঁটেছে ওরা!

    গাছগুলোর আড়ালে ঘোড়াটাকে বেঁধে রেখে পিঠ থেকে বন্দুকটা নামিয়ে কাঁধে ঠেকাল। পাহাড় থেকে নেমে আসা ট্র্যাকের দিকে তাক করে জিভ চাটল ইস, কাজটা যদি এত সোজা হত! ভাবল সে। গুলি করে কাজটা সারা গেলেই ভাল ছিল।

    শিয়ালটা ছুটে তাক করা বন্দুকের লাইনে এসে পড়ল। ট্রিগার টিপল অ্যান্টোনিও। লাফিয়ে উঠে উল্টে পড়ল শিয়াল। আবার গুলি করল সে। জানে গুলির শব্দে অবাক হবে না কেউ—ভাববে কোন কৃষক কাক মারছে।

    দৌড়ে গিয়ে মরা শিয়ালটাকে নিয়ে এসে একটা ঝোপের মধ্যে ফেলল। পমেল থেকে খাঁচাটা নিয়ে আবার ছুটে গেল ট্র্যাকের ওপর। হাউণ্ডের ডাক শোনা যাচ্ছে—প্রায় এসে পড়েছে ওরা। তাড়াতাড়ি খাঁচা খুলে দিতেই ছাড়া পেয়ে ট্র্যাক ধরে বেড়ার ডানদিক দিয়ে ছুটল শিয়ালটা।

    চট করে একটা গাছের আড়ালে লুকিয়ে চেয়ে দেখল অগ্রগামী কুকুরগুলোকে এখন দেখা যাচ্ছে। ডেমিয়েনও রয়েছে ওদের সাথে। অ্যান্টোনিওর ছাড়া শিয়ালটার পিছনে ছুটছে ওরা।

    মরা শিয়ালটার লেজে দড়ি বেঁধে ঘোড়ায় চড়ে ওটাকে হাউণ্ডের প্রধান গোছার ভিতর দিয়ে হেঁচড়ে নিয়ে গেল। বিভ্রান্ত হাউণ্ডের দলটা বিশৃঙ্খল হয়ে অ্যান্টোনিওর ঘোড়ার সাথে বাঁধা মরা শিয়ালটারই পিছু নিল। দশ গজ এগিয়ে বেড়ার বাম দিকের পথ ধরে ঘোড়া ছুটাল সে। পিছনে হাউণ্ডের দল।

    এখন পিছনে অন্যান্য সবার ঘোড়ার খুরের শব্দ শুনতে পাচ্ছে অ্যান্টোনিও। অন্ধের মত সবাই হাউণ্ডের পিছন পিছন মরা শিয়ালটাকেই অনুসরণ করছে। চালাকিটা কাজে লেগেছে—ওদের বিভক্ত করতে সক্ষম হয়েছে সে।

    দ্রুত ছুটতে ছুটতেই এক হাতে দড়ি গুটিয়ে শিয়ালটাকে টেনে নিল। পাহাড়টা খাড়া বিশ ফুট নেমে গেছে। দড়ি খুলে শিয়ালটাকে ছুঁড়ে নিচে ফেলে দিল। ওটা কোথায় পড়ল দেখার জন্যে থামল না সে। দাঁড়িয়ে উপভোগ করার সময় তার নেই। একটা অ্যাপয়েন্টমেন্ট রাখতে ছুটতে হবে…

    ঝুঁকে, ঘোড়ার পিঠের সাথে প্রায় মিশে আছে ডেমিয়েন। মুখ দিয়ে শব্দ করে ঘোড়াটাকে আরও জোরে ছুটতে উৎসাহিত করছে। এখন শিয়ালটাকে দেখতে পাচ্ছে। অবাক হচ্ছে জন্তুটার অস্বাভাবিক দম দেখে। তার মনে হচ্ছে ওটা যেন এখন আরও জোরে ছুটছে। জঙ্গল পাতলা হয়ে এল। সামনে দুটো পাহাড়ের মাঝখান দিয়ে একটা সরু গিরিপথ চলে গেছে। শিয়ালটা ওই পথেই ছুটল।

    ঘোড়াটাকে আরও জোরে চালাবার জন্যে হাতের বেতটা দিয়ে কষে ওর পাছায় মারল ডেমিয়েন। গিরিপথটা পেরোলেই খোলা মাঠ। শিয়ালটা লুকাবার কোন জায়গা পাবে না।

    শিয়ালটা এবারে পাহাড়ের গা বেয়ে উঠতে আরম্ভ করল। ডেমিয়েন ওকে ধাওয়া করে উপরে উঠছে। এদিকটায় পাহাড়টা প্রায় খাড়া হয়ে নেমে গেছে নিচে। আরও খানিকটা উঠে নিজের আস্তানায় ঢুকে গেল শিয়াল।

    নিজের ভাগ্যকে গাল দিয়ে লাগাম টেনে ঘোড়াটাকে থামাল সে। হাউগুলো ওকে পার হয়ে ছুটে এগিয়ে গিয়ে গুহার মুখের সামনে নিষ্ফল আক্রোশে ঘেউ ঘেউ করছে।

    ঘোড়া থেকে নেমে হ্যাট খুলে ভুরু মুছল ডেমিয়েন। পরিশ্রমে জোরে জোরে শ্বাস পড়ছে। মাস্টার ঠিকই বলেছিল। আজও শিয়ালের নাগাল পাওয়া গেল না— চালাক হয়ে গেছে ওরা। এগিয়ে গিয়ে হাউগুগুলোকে ঠেলে সরিয়ে গুহার ভিতর উঁকি দিল সে। ভিতরটা অন্ধকার, কিছুই দেখা যাচ্ছে না। মুখ ফিরিয়ে চেয়ে দেখল একটা লোক উপর থেকে তার দিকে আসছে। লোকটার পরনে মস্কের আলখাল্লা—হাতে উক্ত ছুরি!

    ঘুরল ডেমিয়েন। দেখল সে যে পথ দিয়ে উঠেছে সেই পথ দিয়েই ঘোড়ার পিঠে এগিয়ে আসছে আর একজন মঙ্ক। এর হাতেও রয়েছে একটা ছুরি।

    আড়ষ্ট হল ডেমিয়েন। তাহলে ওরা তাকে ফাঁদে ফেলেছে। কিন্তু সে বুঝতে পারছে না এটা কি করে সম্ভব হল। শিয়ালটা যে এখানেই আসবে সেটা ওরা কিভাবে জানল? কিন্তু সেসব চিন্তা করার সময় এখন নেই। সামনে এবং পিছনে দু’দিক থেকে এগিয়ে আসছে ওরা—পালাবার কোন পথ নেই।

    আড়চোখে হাউগুগুলোর দিকে চাইল সে। কাঁচাপাকা দাড়িওয়ালা লোকটার মুখে সাফল্যের হাসি ফুটে উঠেছে। মাত্র দশ গজ দূরে রয়েছে লোকটা। চোখ নামিয়ে ওর ঘোড়াটার দিকে চাইল ডেমিয়েন। চোখের পাতা পড়ছে না। গভীর একাগ্রতা নিয়ে ইচ্ছাশক্তি প্রয়োগ করছে। কল্পনায় অনেকগুলো শিয়াল একটা ঘোড়াকে তাড়া করছে দেখতে পাচ্ছে। প্রায় ধরে ফেলেছে— খুরে কামড় বসাবার চেষ্টা করছে। পিছনের দুই পায়ে লাফিয়ে উঠে পড়ে গিয়ে পা ভাঙল আতঙ্কিত ঘোড়াটা। আর নড়তে পারছে না সে। নরম পেট কামড়ে ছিন্নভিন্ন করে ওর নাড়িভুঁড়ি বের করে ফেলল শিয়ালের দল। অসহায় চোখে দেখছে আর যন্ত্রণায় চিৎকার করছে। দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে আসছে।

    হঠাৎ থেমে দাঁড়াল ঘোড়াটা। চোখ দুটো বিস্ফারিত, ঝাড়া দিয়ে ডেমিয়েনের দৃষ্টিপথ থেকে মাথা সরিয়ে নিতে চাইছে। অপ্রত্যাশিত ভাবে হঠাৎ লাফিয়ে উঠে অ্যান্টোনিওকে পিঠ থেকে ফেলে দিল। খাড়া পাহাড়ের কিনারার ওপর ওর দেহটা এক সেকেণ্ড দুলে উল্টে নিচের দিকে রওনা হল। ওর হাত দুটো শূন্যে কিছু ধরে পতন ঠেকানোর চেষ্টা করল। গলা চিরে বেরিয়ে এল একটা চিৎকার। তারপর অদৃশ্য হল।

    ঘুরে দাঁড়াল ডেমিয়েন। তরুণ মঙ্ক তার থেকে কয়েক গজ দূরে থেমে দাঁড়িয়েছে। আতঙ্কিত দৃষ্টিতে সে নিচের দিকে চেয়ে দেখছে। চিৎকারটা থেমে গেছে। ডেমিয়েনের দিকে ফিরে তাকাল বিক্ষুব্ধ মঙ্ক। ছুরিটাকে শক্ত মুঠোয় ধরে হাউগুগুলোর ভিতর দিয়ে এগোল সে।

    নড়ল না ডেমিয়েন। ওর দৃষ্টি গিয়ে পড়ল সবচেয়ে বড় হাউওটার ওপর আবার সমস্ত শক্তি কেন্দ্রীভূত হল। এবারে ভিন্ন দৃশ্য দেখছে সে। কুকুরটা মুখ তুলে ওর দিকে কিছুক্ষণ চেয়ে থাকল। তারপর ওর মাথাটা একটু কাত হল—হাঁপাচ্ছে, চোখ দুটো সরু হল। এক মুহূর্ত স্থির থেকে কুকুরটা ঘুরল। ওর থেকে এক গজ দূরে সায়মন। দ্বিধা না করে বিরাট হাউণ্ডটা ওর কণ্ঠা লক্ষ্য করে লাফ দিল। মিস করে কাঁধে কামড় বসাল। আলখাল্লার কিছুটা ছিঁড়ে নেমে এল। ছুরি ছেড়ে দিয়ে পিছিয়ে গেল সায়মন। বিস্মিত চোখে নিজের ক্ষত থেকে বেরিয়ে আসা রক্তের দিকে বোকার মত চেয়ে আছে সে। এক মুহূর্ত যেন সব কিছু স্থির থাকল, কিন্তু পরবর্তী মুহূর্তেই রক্তের গন্ধ পেয়ে সব ক’টা হাউণ্ড একসাথে ঝাঁপিয়ে পড়ল ওর ওপর। চাপের মুখে টলতে টলতে পিছিয়ে গেল সায়মন। আক্রমণ ঠেকাতে গিয়ে দু’হাতে একটা হাউণ্ডের গলা টিপে ধরল। হাঁ করা মুখটা ধীরে ধীরে বন্ধ হয়ে গেল। ঝিমিয়ে পড়ল ওটা-কিন্তু বাকিগুলো কামড়ে ক্ষতবিক্ষত করে ফেলল ওকে। হোঁচট খেয়ে পড়ে গেল সে। কুকুরগুলোর দেহের আড়ালে চাপা পড়ে গেল ওর চিৎকার।

    মাত্র দেড় মিনিটের মধ্যেই একটা কুকুর কামড়ে ওর কণ্ঠনালী ছিঁড়ে ফেলল। রক্তের স্বাদ পেয়ে, দেহটা স্থির হয়ে যাওয়ার পরও কুকুরগুলো থামল না।

    হাউণ্ডের জন্য সকালটা পুরোপুরি বিফল হয়নি।

    .

    ম্যানর হাউসে ফিরে মায়ের কাছে আক্ষেপ করছে পিটার।

    ‘ডেমিয়েন নিশ্চয়ই আর একটা শিয়ালের পিছনে গেছে,’ বলল সে। আমাদেরটা পাহাড় থেকে পড়ে নদীর স্রোতে ভেসে গেছে।

    কাঁধ ঝাঁকাল কেট। ‘আমি হলেও কুকুরের কামড়ে ছিন্নভিন্ন হওয়ার চেয়ে ডুবে মরাই বেছে নিতাম।’ পিটারের দিকে চেয়ে হাসল সে। ‘এটা অবশ্য আমার নিজস্ব মত।

    জবাবে পিটারও হাসল। রসবোধ দু’জনেরই আছে। গুণটা পিটারের বেড়ে ওঠার সময়টাতে অনেক কাজে দেবে। আদর করে পিটারের হাতটা টিপে দিল সে। ওর কাঁধের ওপর দিয়ে পিছন দিকে কি যেন দেখছে পিটার। ঘুরে দেখল ঘোড়ার পিঠে ডেমিয়েন ফিরে আসছে। পিছনে কয়েকটা হাউণ্ড। ওদের মুখ রক্তাক্ত।

    ছুটে ডেমিয়নের দিকে এগিয়ে গেল পিটার।

    ‘একটা শিকার পেয়েছ তুমি!’ পিটারের কণ্ঠে সম্ভ্রম।

    ‘কিন্তু হাউগুগুলো দেখাবার মত কিছু অবশিষ্ট রাখেনি,’ বলল ডেমিয়েন ‘তোমার জন্যে কেবল খানিকটা রক্ত আনতে পেরেছি।

    পকেটে হাত দিয়ে একটা রক্তে ভেজা রুমাল বের করল ডেমিয়েন।

    ‘তোমার শিকারের রক্ত আমাকে মাখালেও কি একই কাজ হবে?’ মুখ তুলে ডেমিয়েনের দিকে চেয়ে প্রশ্ন করল পিটার।

    ‘এতে অন্তত আমার খাতায় তোমার নাম লেখা হবে,’ বলে, ঝুঁকে পিটারের গালে রক্ত মাখিয়ে দিল সে। গাল ছুঁয়ে আঙুল ঠোঁটে চেপে ধরল পিটার।

    একশো গজ দূরে দাঁড়িয়ে সবটা লক্ষ্য করল কেট…কিন্তু যা দেখল তা তার ভাল লাগল না।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleখুনে মার্শাল – কাজী মাহবুব হোসেন
    Next Article অশুভ সংকেতের পর – কাজী মাহবুব হোসেন

    Related Articles

    কাজী মাহবুব হোসেন

    অশুভ সংকেত – কাজী মাহবুব হোসেন

    July 26, 2025
    কাজী মাহবুব হোসেন

    অশুভ সংকেতের পর – কাজী মাহবুব হোসেন

    July 26, 2025
    কাজী মাহবুব হোসেন

    খুনে মার্শাল – কাজী মাহবুব হোসেন

    July 26, 2025
    কাজী মাহবুব হোসেন

    নিঃসঙ্গ অশ্বারোহী – কাজী মাহবুব হোসেন

    July 26, 2025
    কাজী মাহবুব হোসেন

    ক্ষ্যাপা তিনজন – কাজী মাহবুব হোসেন

    July 26, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }