Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    শেষ নাহি যে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    ইন্দ্রনীল সান্যাল এক পাতা গল্প182 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    শেষ নাহি যে – ৪

    বায়োমেট্রিক অ্যাটেনডেন্সের সেন্সরে আঙুলের ছাপ দিয়ে পোর্টের ভিতরে ঢুকে মোবাইলে সময় দেখল বিহান। সওয়া দশটা বাজে। পনেরো মিনিট দেরি করার জন্য মিস্টার দাসের কাছে আজেবাজে কথা শুনতে হবে। লোকটা খেঁকুড়ে টাইপের।

    নিজের অফিসের দিকে না গিয়ে মিস্টার দাসের চেম্বারের দিকে এগোল বিহান। উনি যদি এখনও নিজের চেম্বারে থাকেন, তা হলে বিহান বেঁচে গেল। সে যে পনেরো মিনিট দেরি করেছে, এটা উনি বুঝতে পারবেন না।

    আজকের দিনটা বিহানের পক্ষে শুভ নয়। মিস্টার দাসের চেম্বারে ঢোকার মুখেই ওর চামচা বলল, “স্যর তোমার কাছে গেলেন। পোর্টের ম্যানেজার ফোন করে স্যরকে ধাতানি দিয়ে বলেছেন, কার্গোর লোডিং আর আনলোডিং নিয়ে ডেটা এন্ট্রিতে চার মাসের ব্যাকলগ আছে। স্যর তোমার ওপরে বহুত খচে আছেন।”

    সর্বনাশ করেছে! বিহান নিজের অফিসের দিকে দৌড় দিল। লম্বা করিডর দিয়ে দৌড়ে ডানদিকে ঘুরে একটা ঘুপচি গলি দিয়ে কয়েক পা গেলেই তার বসার খুপরি।

    করিডর দিয়ে দৌড়তে গিয়ে ব্রেক কষল বিহান। ডানদিকের গলি থেকে বেরিয়ে এসেছেন মিস্টার দাস। মুখে বিরক্তি আর রাগের ছাপ স্পষ্ট। বিহানকে দেখে বললেন, “দৌড়ে আসার দরকার নেই। তুমি লেট।”

    “স্যরি স্যর!” হাঁপাচ্ছে বিহান।

    “স্যরি কেন বলছ? তুমি তো প্রত্যেক দিনই লেট করো!” বিহানকে পেরিয়ে যাচ্ছেন মিস্টার দাস। বিহান পিছন পিছন হাঁটছে, “কোনও দিনও করি না স্যর। আজই হয়ে গেছে।”

    মাছি তাড়ানোর মতো হাত নেড়ে মিস্টার দাস বললেন, “তুমি এখন যাও।”

    অন্য যে কেউ হলে চলে যেত। মিস্টার দাস এখন রেগে আছেন। একটু পরেই রাগ পড়ে যাবে। তখন বললেই হল, “আর কোনও দিনও হবে না স্যর। এবারের মতো মাফ করে দিন।” মিস্টার দাস বলতেন, “ঠিক আছে, যাও।” সব মিটে যেত।

    কিন্তু আজ বিহানের হাতে সময় নেই। আজ কনট্র্যাক্ট রিনিউয়ালের দিন। সে বলল, “স্যর, আপনার সঙ্গে একটা দরকার ছিল।”

    মিস্টার দাস বিরক্ত হয়ে বললেন, “তোমাকে তো যেতে বললাম। আবার কী হল?”

    চক্ষুলজ্জার মাথা খেয়ে বিহান বলল, “স্যর, আমার রিনিউয়ালটা…”

    মিস্টার দাস নিজের কেবিনে ঢুকলেন। চেয়ারে বসে রিমোট টিপে দেওয়ালে মাউন্ট করা টিভি চালিয়ে বললেন, “তোমার বিরুদ্ধে পোর্ট থেকে আমার কাছে অভিযোগ এসেছে। কার্গোর লোডিং আর আনলোডিং-এর ডেটা এন্ট্রিতে চার মাসের ব্যাকলগ কেন?”

    কথা বাড়ালেই বিপদ। কিন্তু আজ বিহান নিরুপায়। সে বলল, “স্যর, কাজটা আমাকে একা তুলতে হচ্ছে।”

    “তো?” বললেন মিস্টার দাস।

    “সনতের কাজটাও আমাকেই করতে হয় স্যর,” গড়গড় করে বলে দিল বিহান, “ও সপ্তাহে মাত্র দু’দিন অফিসে আসে। সেই দু’দিনও কাজ না করে সংগঠনের মিটিং করে।”

    ভুরু কুঁচকে মিউট করা টিভির দিকে তাকিয়ে রয়েছেন মিস্টার দাস। সামান্য ভেবে বললেন, “তুমি এক কাজ করো। তোমার এই অভিযোগটা লিখিত আকারে আমাকে দাও। পোর্টের বড়কর্তার জন্যও একটা কপি দিয়ো।”

    এ তো মহা গেরো! বিহান সামান্য কনট্র্যাকচুয়াল স্টাফ। লিখিত অভিযোগ জানাতে গিয়ে কী বিপদে পড়বে কে জানে! হয়তো চাকরিটাই চলে যাবে। অজানা আশঙ্কায় দু’হাতের পাতায় মুখ ঢাকল বিহান। তারপর নিজেই নিজেকে সাহস জুগিয়ে বলল, ঝামেলায় গিয়ে কী দরকার? যা বলার বলা হয়ে গেছে। একটা দেঁতো হাসি দিয়ে ড্যামেজ কন্ট্রোল শুরু করল বিহান, “আমি তো স্যর কথার কথা বললাম। এবারের মতো মাফ করে দিন।”

    “ওইভাবে কথা ঘোরানো যায় নাকি?” মিস্টার দাসের গলায় যেন মিছরির ছুরি, “তোমার কাজের অসুবিধে হচ্ছে। সেটা তুমি লিখিত জানাবে না? মৌখিক অভিযোগের তো কোনও গুরুত্ব নেই।”

    “ভুল হয়ে গেছে স্যর,” বিহানের দেঁতো হাসি বন্ধ হয়ে গেছে।

    মিস্টার দাস বললেন, “সনৎ কুইলা খরাজ পার্টির রাজ্যস্তরের নেতা। এটা তুমি জানো?”

    “জানি স্যর। ও আমার স্কুলের বন্ধু।”

    “সনৎই তোমাকে এই চাকরিতে ঢুকিয়েছে। তাই না?” জিজ্ঞেস করলেন মিস্টার দাস।

    “হ্যাঁ স্যর।”

    “তা হলে তোমার জানা উচিত যে, ও কোনও কাজ করবে না। তোমাকেই ওর সব কাজ তুলে দিতে হবে।”

    “হ্যাঁ স্যর।” বিহান ঠিক করেছে ‘হ্যাঁ স্যর’ ছাড়া অন্য কোনও কথা সে এখন বলবে না।

    “তা হলে তুমি মেনে নিচ্ছ যে তোমার কাজে গাফিলতি হয়েছে?”

    “হ্যাঁ স্যর।”

    “কাজে গাফিলতি হলে তোমার অ্যানুয়াল কনট্র্যাক্ট রিনিউয়াল কী করে করি বলো তো? কাল অন্য একজন ফাঁকিবাজ স্টাফ এসে বলবে, ‘স্যর, কনট্র্যাক্ট রিনিউয়াল পেপারে সই করে দিন।’ আমাকে তখন সেটাও মেনে নিতে হবে। এইসব দু’নম্বরি প্রবণতাকে অঙ্কুরেই বিনাশ করা ভাল।”

    বিহান বুঝতে পারছে, মিস্টার দাস তাকে নিয়ে খেলছেন। হুলোবেড়াল যেমনভাবে থাবার মধ্যে ইঁদুরছানাকে নিয়ে খেলে, ঠিক সেইভাবে। কিন্তু বিহানের কিছু করার নেই। তাকে এই চাকরিটা রাখতে হবে। মাসের শেষে পনেরো হাজার টাকা তার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ঢোকে।

    মিস্টার দাসের টেবিলের পাশে গিয়ে হাত দুটো জড়িয়ে ধরে বিহান বলল, “এইবারের মতো ক্ষমা করে দিন স্যর। আমার বউয়ের বাচ্চা হবে। টাকাটা খুব দরকার।”

    এক ধাক্কায় বিহানকে সরিয়ে দিয়ে উঠে দাঁড়িয়েছেন মিস্টার দাস। চিৎকার করে বলছেন, “‘এইসব সস্তা মেলোড্রামা আমার সঙ্গে একদম করবে না! গেট আউট! বেরিয়ে যাও আমার চেম্বার থেকে।”

    টেবিলের পাশ থেকে সরে দাঁড়াল বিহান। টিভির দিকে একপলক তাকিয়ে কেবিন থেকে বেরিয়ে গেলেন মিস্টার দাস।

    সামনের মাস থেকে চাকরিটা রইল কি না কে জানে! বিহান চোখের জল মুছছে। মিস্টার দাসের চেম্বারে থাকার আর কোনও মানে হয় না। বরং নিজের খুপরিতে গিয়ে সারাদিন খেটে যদি কাজটা তুলে দেওয়া যায়, তা হলে আগামীকাল আর একবার মিস্টার দাসকে বলা যাবে। সনৎকেও বলে দেখতে হবে। ও চাকরি দিয়েছিল। চাকরি যাওয়া ও-ই আটকাতে পারবে বলে মনে হয়।

    মিস্টার দাসের কেবিন থেকে বেরিয়ে আসার সময়ে টিভির দিকে নজর গেল বিহানের।

    মিউট করে রাখা টিভির পরদায় আছড়ে পড়ছে একের পর এক নিউজ় ক্লিপ। পরদার নীচে পিঁপড়ের মতো হাঁটছে নিউজ় স্ক্রল। ‘আততায়ীর গুলিতে নিহত গণতান্ত্রিক মোর্চার নেত্রী মানসী বোস। খুনি পলাতক।’ ‘মুখ্যমন্ত্রী এবং রাজ্যপালের শোকপ্রকাশ।’

    দাসের টেবিল থেকে রিমোট তুলে নিয়ে টিভিতে শব্দ দিল বিহান। স্কুপ নিউজ় চ্যানেলে কথা বলছেন খরাজ পার্টির সুপ্রিমো সুধাকর ঘোষ। “আজ সকাল সাড়ে সাতটায় গণতান্ত্রিক মোর্চার নেত্রী মানসী বসু অজ্ঞাতপরিচয় আততায়ীর গুলিতে নিহত হয়েছেন। অত্যন্ত দুঃখজনক ঘটনা। তাঁর স্বামী, গণতান্ত্রিক মোর্চার নেতা মনোজ বসুকে সহানুভূতি জানানোর জন্য কোনও ভাষাই যথেষ্ট নয়। আমি একটু বাদেই ওঁর সঙ্গে দেখা করতে যাব। পাশাপাশি অন্য একটা কথা না বললেই নয়। সেটা হল, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নোংরা রাজনীতি শুরু করেছে গণতান্ত্রিক মোর্চা। পুলিশি তদন্ত চলাকালীন মনোজ বসু বলতে শুরু করেছেন, ‘খরাজ পার্টির লোকেরা মানসী বসুকে খুন করেছে।’ বাংলার বুকে মনোজ কি খাপ পঞ্চায়েত বসিয়েছেন? উনি কী করে জানলেন, খুনি কে? তার রাজনৈতিক পরিচয় কী? ওঁর বক্তব্য সম্প্রচার হওয়ার এক ঘণ্টার মধ্যে গণতান্ত্রিক মোর্চার চারজন পার্টিকর্মী খুন হয়েছেন। মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আমার অনুরোধ, অবিলম্বে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিন। জেনে রাখবেন, প্রতিটি জেলায়, মহল্লায়, পাড়ায় এবং প্রতিটি বুথে আমাদের কর্মীরা সতর্ক আছেন। একজনের গায়ে হাত পড়লে রাজ্যে কিন্তু আগুন জ্বলবে।”

    এইসব দৃশ্য আর শব্দ বিহানের মস্তিষ্কে কোনও অভিঘাত সৃষ্টি করল না। সে রিমোটের মিউট বাটন টিপে টিভিকে শব্দহীন করল। মিস্টার দাসের কেবিন থেকে বেরিয়ে এগোল নিজের খুপরির দিকে। এখন কারও সঙ্গে কথা বলতে ইচ্ছে করছে না। দরিয়ার সঙ্গেও না। মনে হচ্ছে, পোর্টের সব্বাই জেনে গিয়েছে যে তার চাকরি নেই।

    কম্পিউটারের সামনে বসতে না বসতেই কলকলিয়ে উঠল মোবাইল। নির্ঘাত দরিয়া ফোন করেছে।

    মোবাইল হাতে নিয়ে বিহান দেখল, ফোন করেছেন সাম্যব্রত। উনি সাধারণত কোনও দরকার ছাড়া ফোন করেন না। ফোন কানে দিয়ে বিহান বলল, “বলুন।”

    “যা বলছি, ঠান্ডা মাথায় শোনো। প্যানিক কোরো না। ঠিক আছে?” বললেন সাম্যব্রত।

    কথাগুলো প্যানিক তৈরির জন্য যথেষ্ট। বিহান শুকনো গলায় বলল, “শুনছি।”

    “দরিয়ার লেবার পেন শুরু হয়েছে।”

    “এ তো ভাল কথা!” চেয়ার ছেড়ে উঠে দাঁড়িয়েছে বিহান।

    “কথা না বলে চুপচাপ শোনো,’ জামাইকে মৃদু ধমক দিলেন সাম্যব্রত, “তুমি জানো কি না জানি না, গণতান্ত্রিক মোর্চার নেত্রী মানসী বসু আজ সকালে খুন হয়েছেন।”

    “এইমাত্র জানলাম,” বলল বিহান, “টিভি দেখে মনে হল কলকাতায় খরাজ পার্টি আর গণতান্ত্রিক মোর্চার মধ্যে ঝামেলা শুরু হয়েছে।”

    বিহানকে থামিয়ে দিয়ে সাম্যব্রত বললেন, “দরিয়াকে নিয়ে নিউ লাইফ মেটারনিটি ক্লিনিকে আসছিলাম। গণতান্ত্রিক মোর্চা আর খরাজ পার্টির মারামারির মধ্যে পড়ে দরিয়ার পায়ে বোমার টুকরো ঢুকে গেছে। হাতে লাঠির আঘাত লেগেছে।”

    “দরিয়া কেমন আছে?” কম্পিউটার শাট ডাউন করছে বিহান। মাউস নাড়ানোর সময়ে হাত কাঁপছে। বুক ধড়ফড় করছে। গলা শুকিয়ে আসছে। এই শীতেও গলগল করে ঘামছে সে।

    “আপাতত ভাল আছে।”

    “আপাতত ভাল আছে? এই কথাটার মানে কী?” কথা বলতে বলতে অফিস থেকে বেরিয়ে গলিতে পড়েছে বিহান।

    “মেটারনিটি ক্লিনিকের ডাক্তার মিত্র বললেন, পায়ে বোমার টুকরো অপারেশন করে বার করতে হবে। দরিয়ার ডেলিভারি ওখানে হবে না। এখন দরিয়াকে নিয়ে হাওড়ার বঙ্গবাসী হাসপাতাল যাচ্ছি। শুনলাম হাওড়ার রাস্তায় গন্ডগোল শুরু হয়ে গিয়েছে। তোমাদের ওদিকের কী খবর?”

    “এখনও পর্যন্ত সব ঠিকঠাক আছে।”

    “তুমি কি আসতে পারবে?” কুণ্ঠাভরে জিজ্ঞাসা করলেন সাম্যব্রত, “আমি একাই সবটা সামলে নেব। তবে পাশে কেউ একজন থাকলে একটু জোর পেতাম। মেয়েটাও বারবার তোমার কথা বলছে। ওর মোবাইল ফোনটা গন্ডগোলের সময়ে রাস্তায় পড়ে গিয়েছে। আমি ওর নম্বরে ফোন করে দেখেছি। বলছে, ‘সুইচ্‌ড অফ’। কেউ ঝেঁপে দিয়েছে!”

    “ওকে একবার ফোনটা দিন,” নরম গলায় বলল বিহান। এদিক-ওদিক তাকিয়ে দেখল। পোর্টের সামনের রাস্তা ফাঁকা ফাঁকা লাগছে। বেলা এগারোটার সময় বাসস্ট্যান্ডে যত লোক থাকার কথা, তত লোক এখন নেই। অভিরুচি রেস্তরাঁর সামনে সারাদিন ভিড় লেগে থাকে। আজ দোকান খোলা থাকলেও খদ্দের নেই। কলকাতাগামী একটা বেসরকারি বাস প্যাঁ-প্যাঁ করে হর্ন বাজিয়ে স্ট্যান্ডে এসে দাঁড়াল। বাসে যাত্রীর সংখ্যা হাতে-গোনা। কন্ডাক্টর চেঁচাচ্ছে, “যাঁরা যাবেন তাড়াতাড়ি উঠে পড়ুন। এর পরে আর বাস নেই!”

    হর্নের শব্দদূষণের সঙ্গে যোগ হয়েছে মোবাইলের ওপ্রান্ত থেকে ভেসে আসা অ্যাম্বুল্যান্সের হুটারের শব্দ। তার মধ্যে শোনা যাচ্ছে দরিয়ার গলার আওয়াজ, “বিহান, তুমি কোথায়? এত আওয়াজ হচ্ছে কেন?”

    দরিয়ার গলার আওয়াজ বৈশিষ্ট্যহীন। হাস্কি নয়, সুরেলা নয়, কোকিলকণ্ঠীও নয়। কিন্তু ওই বৈশিষ্ট্যহীন গলার আওয়াজ শুনেই বিয়ের এতদিন পরেও শ্বাস গাঢ় হয়ে আসে বিহানের। মনে হয়, এক্ষুনি গিয়ে বউটাকে জড়িয়ে ধরে। দরিয়ার সঙ্গে প্রথম আলাপের দিন থেকেই ওর গলার আওয়াজ ভাল লাগত বিহানের। ডালভাত খেয়ে যে শান্তি পাওয়া যায়, দরিয়ার গলার আওয়াজ শুনে সেই শান্তি পায় বিহান।

    বিহান বলল, “আমি রাস্তায়। তুমি কেমন আছ?”

    “ভাল আছি। খুব ভাল আছি।”

    “ইস! কী মিথ্যুক আমার বউটা! তোমার বাবার কাছ থেকে সব খবর পেয়েছি। অফিস থেকে এই বেরলাম। মেসে গিয়ে ব্যাগ গুছিয়ে বাস ধরব। ঘণ্টা দেড়েকের মধ্যে তোমার কাছে পৌঁছে যাব।”

    “ইস! কী মিথ্যুক আমার বরটা!” বিহানের কথা বলার ধরন নকল করে বলল দরিয়া, “বকুলতলা থেকে বাসে হাওড়া আসতে তিন ঘণ্টা সময় লাগে। আমি যেন জানি না!”

    দরিয়ার হাসিতে ক্লান্তির ছাপ। বিহান বলল, “পাড়ায় গুন্ডামি শুরু করেছ নাকি? মাথায় আর পায়ে লাগল কী করে?”

    “গুন্ডামি কি শুধু ছেলেরাই করতে পারে?”

    “তোমার গুন্ডামি তো সেই সরস্বতী পুজোর দিন থেকে দেখে আসছি। যেদিন তোমার সঙ্গে প্রথম দেখা হয়েছিল,” বলল বিহান। তার কথা শুনে দরিয়া আবার হাসছে। হাসি শুনে প্রাণ জুড়িয়ে যাচ্ছে বিহানের। যাক বাবা! ওর তা হলে খুব বেশি চোট নেই। আর থাকলেও সেটা ওকে বুঝতে দেওয়া যাবে না। সাম্যব্রতকে বলতে হবে, দরিয়াকে এই সময়টা টেনশনমুক্ত রাখতে। শারীরিক কষ্টের সঙ্গে যেন মানসিক কষ্ট জুড়ে না যায়। বিহান ঠিক করল, নিজের কাজের ঝামেলার কথা দরিয়াকে বলবে না। বিহান যদি পাখি হত, তা হলে এক্ষুনি ডানা মেলে উড়ে যেত। পরিযায়ী পাখিরা হাজার হাজার কিলোমিটার উড়ে অন্য মহাদেশে পৌঁছয়। আর সে মাত্র একশো কিলোমিটার উড়ে যেতে পারবে না?

    পাখি হয়ে উড়ে যাওয়ার চিন্তা মাথা থেকে সরিয়ে বিহান বলল, “আমি যতক্ষণ না তোমার কাছে পৌঁছচ্ছি ততক্ষণ আমরা দুঃখ, কষ্ট, ব্যথা, বেদনা… এইসব নিয়ে ভাবব না। এইসব নিয়ে কথা বলব না। আমরা অন্য কথা ভাবব। আমরা অন্য কথা বলব। ঠিক আছে?”

    “কী নিয়ে কথা বলব তা হলে?”

    “আমি তার কী জানি!” হাসল বিহান, “তুমি কিছু একটা বলো।”

    “আমি কিছু বলব না। তুমি বলো।”

    বিহান সামান্য ভেবে বলল, “কাল রাতে আমি আর সনৎ মিলে মদ খেয়েছি। বেশি না। অল্প!”

    “এইটা ভাল কথা হল?” ছদ্মরাগ দরিয়ার গলায়, “আমাকে না দিয়ে খেয়ে নিলে? কী স্বার্থপর গো তুমি!”

    ফিক করে হেসে বিহান বলল, “তুমি আর আমি মিলে কোথায় ভদকা খেয়েছিলাম মনে আছে?”

    “ওইসব ছাইপাঁশ খাওয়ার কথা মনে থাকবে না? খুব মনে আছে।”

    “মাতাল হয়ে তুমি আমাকে কী বলেছিলে মনে আছে?”

    নিচু গলায় দরিয়া বলল, “বাবা পাশে বসে রয়েছে।”

    “আচ্ছা, তোমাকে বলতে হবে না। আমি বলি?”

    “বলো।”

    “মদ খেয়ে তুমি বুধনকাকার মতো হিন্দি মেশানো বাংলা বলা শুরু করেছিলে,” জড়ানো গলায় অভিনয় করছে বিহান, “তুমি বলেছিলে, ‘অ্যাই বিহানোয়া! তুমি হামকো ভালবাসতা হ্যায়?’ আমি বলেছিলাম, ‘বাসতা হ্যায়।’ তুমি বলেছিলে, ‘সত্যি সত্যি বাসতা হ্যায় না মিথ্যে মিথ্যে বাসতা হ্যায়?’ আমি বলেছিলাম…”

    ওপার থেকে ক্লান্ত গলায় দরিয়া বলল, “ঠিক আছে। আমার মন ভাল হয়ে গেছে। পরে আবার কথা হবে।” তারপরে ফোন কেটে দিল।

    মোবাইল পকেটে ঢুকিয়ে গলা থেকে মাফলার খুলল বিহান। হনহন করে হেঁটে এসে গরম লাগছে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ঠান্ডাটাও কমেছে। সামনেই মেস।

    বিহান ঘরে ঢুকে দেখল, সনৎ এখনও খাটেই লেপমুড়ি দিয়ে বসে রয়েছে। মোবাইলে কাউকে উত্তেজিত গলায় বলছে, “আমার একটাই কথা। হামলা হলে পাল্টা হবে।” বিহানকে দেখে ফোন কেটে ভুরু নাচিয়ে বলল, “তুই অফিস থেকে চলে এলি?”

    ন্যাপস্যাকে বাসি জামাকাপড় ভরতে ভরতে বিহান বলল, “সনৎ, আমাকে কিছু টাকা ধার দিবি? দরিয়ার লেবার পেন শুরু হয়েছে। আমাকে এক্ষুনি বাড়ি ফিরতে হবে।”

    “বাচ্চাটা কার?” বিচ্ছিরিভাবে হাসছে সনৎ, “তুই তো সারা সপ্তাহ এখানে থাকিস। অন্য কেউ ব্যাটিং করে দেয়নি তো?”

    বিহান মাথা নিচু করে বলল, “তুই আমাকে যত ইচ্ছে অপমান কর। কিন্তু প্লিজ় হাজার দশেক টাকা ধার দে। আমি যত তাড়াতাড়ি পারি শোধ করে দেব।”

    “কী ভাবে করবি? দাসদা তো তোর চাকরির অ্যানুয়াল কনট্র্যাক্ট রিনিউ করেননি।” সনতের চোখ জ্বলন্ত সিগারেটের মতো লাল।

    আত্মসম্মানের শেষ ফোঁটা বিসর্জন দিয়ে সনতের পা ধরে হাউহাউ করে কাঁদতে শুরু করল বিহান, “আমার ভুল হয়ে গেছে সনৎ। তুই আমাকে ক্ষমা করে দে।”

    “দাসদা আমাকে ফোন করেছিলেন। তুই আমার নামে ওঁকে যা যা বলেছিস, সব বলেছেন। যার নামে এক্ষুনি চুকলি কেটে এলি, তার পা ধরতে কেমন লাগে রে?”

    বিহান নিচু গলায় বলল, “দরিয়াকে তুই ভালবাসতিস। কিন্তু দরিয়া তোকে কখনও ভালবাসেনি। তুই কেন ভাবিস যে, আমি দরিয়াকে তোর কাছ থেকে কেড়ে নিয়েছি? ও কোনওদিনও তোর ছিল না। তুই বিয়ে করে ফেল সনৎ। একটা মেয়ের ভালবাসা পেলেই তুই পুরনো সব কথা ভুলে যাবি।”

    বিহানের কথা শুনে সনৎ এক ঝটকায় পাশ ফিরল। বালিশের তলা থেকে মোটা মানিব্যাগ টেনে নিয়ে দুটো পাঁচশো টাকার নোট ছুড়ে দিয়ে বলল, “ভিখিরি কোথাকার! ফোট্‌ এখান থেকে! আমার এখন অনেক কাজ।”

    দশ হাজার টাকা চেয়ে পাওয়া গেল এক হাজার টাকা। তাই সই। বিহানের পার্সে হাজার পাঁচেক টাকা আছে। আশা করি এতে হয়ে যাবে।

    নোটদুটো তুলে নিয়ে বিহান বলল, “তুই কীভাবে ফিরবি? রাস্তাঘাটের অবস্থা ভাল নয়।”

    “তাই নিয়ে তোর না ভাবলেও চলবে। ফোট্‌ শালা!” আবার মোবাইল তুলে নিয়েছে সনৎ।

    “আমার কাজটা থাকবে তো রে?”

    “তুই যাবি এখান থেকে?” গর্জন করে উঠল সনৎ, “নাকি লাথি মেরে বার করে দেব?”

    বিহান ব্যাগ কাঁধে ঝুলিয়ে মাথা নিচু করে মেস থেকে বেরল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমধুরেণ – ইন্দ্রনীল সান্যাল
    Next Article অপারেশন ওয়ারিস্তান – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    Related Articles

    ইন্দ্রনীল সান্যাল

    অপারেশন ওয়ারিস্তান – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 10, 2025
    ইন্দ্রনীল সান্যাল

    মধুরেণ – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 10, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }