Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    শেষ নাহি যে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    ইন্দ্রনীল সান্যাল এক পাতা গল্প182 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    শেষ নাহি যে – ৭

    রাজু আর সাম্যব্রত মিলে একটা নড়বড়ে ট্রলি নিয়ে এসেছে। ট্রলিটা দেখে ঘেন্না করছে দরিয়ার। তারা গরিব হতে পারে, কিন্তু বাড়িতে পরিষ্কার বিছানায় শোয়। পরিষ্কার জামাকাপড় পরে। এই ট্রলিটা ভীষণ নোংরা। এক পাশে কালচে লাল দাগ লেগে রয়েছে। বোধহয় শুকিয়ে যাওয়া রক্তের দাগ। এই ট্রলিতে দরিয়াকে শুতে হবে? সাম্যব্রতর দিকে করুণ মুখে তাকাল সে।

    সাম্যব্রত অসহায় ভাবে কাঁধ ঝাঁকিয়ে বললেন, “কিছু করার নেই রে মা! চোট না লাগলে পাড়ার নার্সিং হোমেই সব হয়ে যেত।”

    ঠিক কথা। এখন আর এইসব ভেবে লাভ নেই। দরিয়া কোনওরকমে নিজেকে হিঁচড়ে ট্রলিতে ওঠাল। রাজু অ্যাম্বুল্যান্স ঘুরিয়ে পার্কিং লটের দিকে চলে গেল।

    ট্রলিতে শুয়ে দরিয়া দেখল, মোটা আর বেঁটে একটা লোক কুতকুতে চোখে তার দিকে তাকিয়ে রয়েছে। লোকটার বয়স বছর পঞ্চান্ন। মাথার চুল ধবধবে সাদা। কামানো গাল। পরনে ফতুয়া আর পাজামা। কাঁধে ঝোলা ব্যাগ। কপালে তিলক কাটা। ট্রলির হ্যান্ডেলে হাত রেখে লোকটা বলল, “মা জননীর কপাল খারাপ। ভুল দিনে ব্যথা উঠেছে।”

    “আপনি কে?” জিজ্ঞেস করল দরিয়া।

    “আমার নাম মন্টু হাইত,” হাত জড়ো করেছে লোকটা, “এই হাসপাতালের ওয়ার্ড বয়। বয় আর গার্লের ঠাকুরদা হয়ে গেছি, কিন্তু উপাধিটা রয়ে গেছে।”

    “আমার খুব কষ্ট হচ্ছে মন্টুদা!” বলল দরিয়া।

    “আরও কষ্ট বাকি আছে রে মা!” স্নেহমেশানো গলায় বলে মন্টু, “আমাদের হাসপাতালে মেটারনিটি ওয়ার্ডের কোনও বেড খালি নেই। তোকে মেঝেয় অ্যাডমিশন নিতে হবে।”

    “মেঝে?” চমকে উঠে সাম্যব্রতর হাত চেপে ধরে দরিয়া।

    “এখন নিয়ম হয়েছে, কোনও পেশেন্ট ফেরানো যাবে না। সবাইকে ভরতি করতে হবে। একটা বেডে তিনজন মা শোওয়ার পরেও পোয়াতির লাইন কমছে না। তখন মেঝেই ভরসা।” ট্রলি ঠেলতে ঠেলতে একটা বিল্ডিং-এ ঢুকেছে মন্টু।

    দরিয়া সাম্যব্রতর হাত ধরে কাঁদতে কাঁদতে বলল, “আমাকে অন্য কোথাও নিয়ে চলো! প্লিজ় বাবা!”

    সাম্যব্রত বললেন, “এখানে পেয়িং বেডের ব্যবস্থা নেই?”

    “সেগুলোও ভরতি,” দাঁড়িয়ে পড়েছে মন্টু। সাম্যব্রতর দিকে তাকিয়ে চিন্তিত মুখে বলছে, “আপনারা বড় ফেমিলির মানুষ। খরচ করতে পিছপা হবেন না। বিপদে পড়েছেন বলে বঙ্গবাসী হাসপাতালে এসেছেন। তা না হলে মা জননীর বাচ্চার নার্সিং হোমে জন্মানোর কথা।”

    সাম্যব্রত এতক্ষণে বুঝতে পারলেন। সৌম্যদর্শন মানুষটি ঘুষ চাইছে। ইংরিজিতে যাকে বলে ব্রাইব বা স্পিড মানি, হিন্দিতে রিশ্‌ওয়াত, সংস্কৃতে উৎকোচ। সাম্যব্রত জীবনে কখনও ঘুষ নেননি। মহাকরণে চাকরির সময়ে অনেক সুযোগ এসেছিল। তিনি ঘুষ নেন না বলে ডিপার্টমেন্টের বাকিদের অসুবিধে হত। কিন্তু কেউ কিছু বলতে সাহস করত না। ঘুষ দেওয়ার কথাও সাম্যব্রত ভাবতেও পারেন না। একটা আস্ত জীবন এইভাবে কাটিয়ে আজ তিনি এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হলেন, যখন তাঁকে ঘুষ দিতে হবে। না দিয়ে উপায় নেই। এতে তিনি আদর্শচ্যুত হচ্ছেন কি না তা নিয়ে ভাবার সময় এটা নয়। মুশকিল অন্য জায়গায়। ঘুষ কীভাবে অফার করতে হয়, এটা তিনি জানেন না।

    সাম্যব্রত নিজের মতো করে কথা সাজিয়ে নিলেন। বললেন, “আপনি তো সবই জানেন। আমার টাকা খরচ করার সামর্থ্য আছে। তা-ও এখানে আসতে বাধ্য হয়েছি। আপনি একটা বেডের ব্যবস্থা করে দিন। যা লাগে দিয়ে দেব স্যর!” ওয়ার্ড বয়কে তিনি সচেতনভাবে ‘স্যর’ বলেছেন। ইগোতে একটু মালিশ করা আর কী!

    “আমার হাতে সেই ক্ষমতা নেই দাদা,” দীর্ঘশ্বাস ফেলল মন্টু, “আমি বড়জোর ডাক্তারবাবু বা ওয়ার্ড মাস্টারকে অনুরোধ করে দেখতে পারি। ওঁদের আবার খাঁই অনেক।”

    “কত স্যর?” ভয়ে ভয়ে বললেন সাম্যব্রত। তাঁর কাছে যা টাকা আছে, তাই দিয়ে খাঁই মিটবে তো!

    “ডাক্তারবাবু তিন নেবেন। মাস্টারমশাই নেবেন দুই। আমি এক। পারলে বলুন। না হলে মেঝের ব্যবস্থা দেখি,” স্ত্রীরোগ বিভাগের ইমার্জেন্সিতে ঢোকার আগে দাঁড়িয়ে পড়ে হাত পেতেছে মন্টু।

    “কোনও অসুবিধে নেই স্যর। আপনার ভরসাতেই তো এখানে আসা।” পকেট হাতড়ে তিনটে দু’হাজার টাকার নোট বার করে মন্টুর হাতে গুঁজে দিয়েছেন সাম্যব্রত।

    ইমার্জেন্সি রুমে ডাক্তারের চেয়ারে বসে খবরের কাগজ পড়ছেন মাঝবয়সি এক চিকিৎসক। রোগা, বেঁটে, রাজ্যের বিরক্তি মুখে জমা হয়েছে। একভাঁড় চায়ে চুমুক দিয়ে বললেন, “সিস্টার, ‘আরোগ্য নিকেতন’ পড়েছেন?”

    কর্তব্যরত সিস্টার বললেন, “ডক্টর ঘোষ, বইটা নীহাররঞ্জন গুপ্তের লেখা না?”

    দরিয়া হেসে ফেলেছে। সে খুব একটা গল্প-উপন্যাস পড়ে না। কিন্তু ‘আরোগ্য নিকেতন’ যে নীহাররঞ্জন গুপ্তের লেখা নয়, এটা তার জানা। ডক্টর ঘোষ আড়চোখে দরিয়ার দিকে তাকিয়ে বললেন, “হাসছ কেন? এটা কি নাট্যশালা?”

    সৌভাগ্যবশত এই লাইনটাও দরিয়ার জানা। সে আবারও হেসে ফেলল। ডক্টর ঘোষের মুখ থেকে এক মুহূর্তের জন্য বিরক্তির মুখোশটা সরে গেল।

    তিনি বললেন, “কে বলেছিল?”

    “প্রসন্ন গুরুমশাই,” ফিক করে হাসল দরিয়া।

    “আর ‘আরোগ্য নিকেতন’?”

    “তারাশঙ্করের লেখা।”

    উত্তরে ডক্টর ঘোষ খুশি হয়ে দরিয়াকে নিয়ে এগজামিনেশন রুমে চলে গেলেন।

    সাম্যব্রত সেই সময়ে কাউন্টারে দাঁড়িয়ে রোগীর নাম, ঠিকানা, ফোন নম্বর… এইসব তথ্য জুগিয়ে বেড হেড টিকিট বা বিএইচটি রেডি করছিলেন। সাম্যব্রত বললেন, “পেশেন্টের পায়ে ও হাতে চোট লেগেছে।”

    প্রিন্টার থেকে ফড়ফড় করে টিকিট বেরচ্ছে। সেগুলো টেনে নিয়ে স্টেপলার দিয়ে আটকে ছেলেটি বলল, “কী করে লাগল?”

    “পায়ে বোমার টুকরো লেগেছে। হাতে লাঠির আঘাত,” বললেন সাম্যব্রত।

    ছেলেটা অবাক হয়ে সাম্যব্রতর দিকে তাকিয়ে বলল, “লেবার পেশেন্টের মারামারি কেস? জীবনে শুনিনি!” তারপর টিকিটের কোণে রাবার স্ট্যাম্প দিয়ে ধপাস করে একটা ছাপ্পা দিল। টিকিট হাতে নিয়ে সাম্যব্রত দেখলেন, ছাপ্পায় লেখা রয়েছে, ‘পুলিশ কেস’। দরিয়াকে পরীক্ষা করে ডক্টর ঘোষ এগজামিনেশন রুম থেকে ফেরত এসেছেন। সাম্যব্রত টিকিট তুলে দিলেন ডক্টর ঘোষের হাতে।

    টিকিট দেখে ডাক্তার ঘোষের মুখচোখ বদলে গিয়েছে। খেঁকিয়ে উঠে বললেন, “পুলিশ কেসের স্ট্যাম্প মারা কেন?”

    “ফিজ়িকাল অ্যাসল্ট হয়েছে স্যর,” বিনীতভাবে বললেন সাম্যব্রত। “মেয়েকে নিয়ে নার্সিং হোমে যাব বলে বাড়ি থেকে বেরিয়েছি, এমন সময়ে বোমাবাজি হয়েছে। পায়ে বোমার টুকরো লেগেছে। হাতে লাঠির আঘাত।”

    ডক্টর ঘোষ নিদানপত্র লিখছেন। সাম্যব্রত চুপ করে দাঁড়িয়ে রয়েছেন। যে ডাক্তার হাসপাতালের বেড বিক্রি করে কাটমানি নেন, তিনিই আবার বিভূতিভূষণ আর তারাশঙ্কর পড়েন। কী বিচিত্র জীবন!

    নিদানপত্র লেখা শেষ করে ড্রয়ার থেকে মোটকা প্যাড বার করে ডক্টর ঘোষ বললেন, “ইনজুরি রিপোর্ট লেখা মানেই অশান্তি। কয়েকদিন বাদে কোর্ট থেকে সমন আসবে সাক্ষী দিতে যাওয়ার জন্য।” তারপর দরিয়ার দিকে তাকিয়ে বললেন, “কে মেরেছে? কী দিয়ে মেরেছে? কোথায় মেরেছে? যা জিজ্ঞেস করছি, তার স্পেসিফিক উত্তর দেবে। একটাও বেশি কথা বলবে না।”

    দরিয়া ঘাবড়ে গিয়ে সাম্যব্রতর দিকে তাকাল। সে তো জানেই না কে তাকে মেরেছে! সাম্যব্রত ইশারায় দরিয়াকে চুপ থাকতে বললেন। নিজে বললেন, “কে মেরেছে দেখতে পাইনি।”

    ইনজুরি রিপোর্ট লেখা শেষ করে ডক্টর ঘোষ বললেন, “পায়ের চোটটা দেখাও।”

    দরিয়া শাড়ি সরিয়ে পায়ের চোট দেখাল। পুঁচকে একটা টর্চ জ্বেলে দরিয়ার চোখে আলো ফেললেন। কী দেখলেন কে জানে! মুহূর্তের মধ্যে তাঁর শরীরের ভাষা বদলে গেল। দরিয়ার দিকে ঘুরে জিজ্ঞেস করলেন, “খিঁচুনি হয়েছিল?”

    “না।”

    “বমি করেছিলে নাকি?”

    “না। তবে কিছুক্ষণ আগে থেকে গা গুলোচ্ছে,” বলল দরিয়া। তারপর সবাইকে অবাক করে দিয়ে বিকট জোরে ওয়াক তুলল।

    ডক্টর ঘোষ মন্টুকে বললেন, “তাড়াতাড়ি একে লেবার রুমে নিয়ে যাও। ওখানে গাইনির ডাক্তার দেখে ডিসিশন নেবে। আমাকে অন্য পেশেন্ট দেখতে দাও।”

    সিস্টারের পাশে দাঁড়িয়ে মন্টু দরিয়াকে দেখছিল। ডক্টর ঘোষের কথা শুনে বলল, “ইয়েস স্যর।” তারপর ট্রলি ঠেলতে লাগল। দরিয়া শুয়ে শুয়ে দেখল, সিস্টার সাম্যব্রতকে বলছে, “আপনি ইমার্জেন্সির বাইরে অপেক্ষা করুন। দরকার হলে আমরা ডেকে নেব।”

    ট্রলিতে শুয়ে থাকা অবস্থায় ঘাড় উঁচু করে দরিয়া দেখল, সাম্যব্রত চাতক পাখির মতো তার দিকে তাকিয়ে রয়েছেন। একটা সুইং ডোর হঠাৎ দু’দিকে খুলে গিয়ে ট্রলি সমেত দরিয়াকে গপ করে গিলে দু’পাটি চোয়াল বন্ধ করে দিল।

    বিশাল বড় করিডর দিয়ে ট্রলি চলেছে ঘড়ঘড় করে। দরিয়া ভাবছে, বিহান কতদূর এল কে জানে! তার মনে পড়ে যাচ্ছে বিহানের সঙ্গে প্রথম আলাপের দিনটার কথা…

    * * *

    সরল সাদাসিধে ছেলেটাকে এক পলক দেখেই ভাল লেগেছিল। ওইরকম ভাললাগা অনেককে দেখে তৈরি হয়। মেসি আছেন, সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় আছেন। উত্তমকুমারকেও ভাল লাগে! ওই নিয়ে মাথা ঘামায়নি দরিয়া।

    ঝামেলা পাকিয়েছিল মণিদীপা। ছোট্টবেলা থেকে বাংলা আর হিন্দি সিনেমা দেখে দেখে মেয়েটা খুব পাকা। ক্লাস ফাইভে পড়ার সময়ে অঙ্ক খাতায় ছবি এঁকে বুঝিয়েছিল, কী করে বাচ্চা হয়। কী অসভ্য! ইস!

    মণিদীপাই দরিয়াকে বলেছিল, “অ্যাই! তোর চোখমুখ অন্যরকম লাগছে কেন রে?”

    “কীরকম আবার লাগবে?” ফুল বিলোতে বিলোতে বলেছিল দরিয়া।

    “ওই বিহানটা ছেলেটার সঙ্গে ইশারায় কী সব কথা হল দেখলাম! কী ব্যাপার?” কনুই দিয়ে দরিয়ার কোমরে ধাক্কা মেরে মণিদীপা গেয়ে উঠল, “চোখে চোখে কথা বলো, মুখে কিছু বলো না, হায় রে!” ‘হায় রে’ বলার সময়ে ফিল্‌মি কায়দায় ডানহাতের মণিবন্ধ দিয়ে কপালে ধাক্কা মারল।

    “তুই চুপ কর,” লজ্জায় লাল হয়ে দরিয়া বলেছিল, “বিদ্যার আরাধনার দিনও তোর অসভ্যতা গেল না।”

    অঞ্জলি দেওয়ার সময়ে বিহানের দিকে তাকানোর ফুরসত পায়নি দরিয়া। পুজো শেষ হয়ে যাওয়ার পরে যখন তপন স্যরের বউয়ের সঙ্গে বসে সবার জন্যে ভোগের প্রসাদ ভাগ করছে, তখন মণিদীপা উড়তে উড়তে এসে দরিয়ার কানে ফিসফিস করে বলল, “ছোকরা এখনও লাট্টুর মতো ঘুরপাক খাচ্ছে। ওকে বলে দিই যে আজ সন্ধেবেলা শরৎ সদনে ফাংশন দেখতে যাচ্ছি।”

    “কী ফাংশন?” আকাশ থেকে পড়েছিল দরিয়া।

    “আমি কী করে জানব?” মুখ বেঁকিয়ে চলে গিয়েছিল মণিদীপা।

    অঞ্জলি দিয়ে সনৎ চলে গিয়েছিল। ভোগ খাওয়ার জন্য রয়ে গিয়েছিল বিহান। ভোগ খাওয়াটা অছিলা। আসলে সে দরিয়ার জন্য ফিল্ডিং কাটছিল। মণিদীপা তার কাছে গিয়ে বলল, “আজ বিকেল চারটের সময়ে শরৎ সদনে ফাংশন আছে। আমি যাচ্ছি!”

    “দরিয়া আসবে না?” উতলা হয়ে জিজ্ঞেস করে বিহান।

    “হাঁদা গঙ্গারাম!” ভোগের খিচুড়ির হাতা নেড়ে, জিভ কেটে পালিয়ে গেল মণিদীপা।

    মণিদীপা যায়নি। দরিয়া এসেছিল আকাশি রঙের সালোয়ার কামিজ পরে। বিহান পরেছিল সাদা টি-শার্ট আর নীল ডেনিম। দু’জনে মিলে শরৎ সদনে ঢুকতে গিয়ে দেখে, গেটের বাইরে ফুচকা বিক্রি করছে বুধনকাকা। পাশে দাঁড়িয়ে সাহায্য করছে লেডিস পিন্টু।

    ওদের দেখে দরিয়া একছুটে পালিয়ে গেল। পিছন পিছন বিহান। দু’জনে মিলে উঠে বসল ফাঁকা একাত্তর নম্বর বাসে। এই বাসটা স্লো সাইকেল রেসে নাম দিলে ফার্স্ট হত। হাওড়া ময়দান থেকে শিয়ালদা যেতে ছুটির দিনেও একটি ঘণ্টা সময় নেয়।

    ফাঁকা বাসে বসে দু’জনের সে কী কলকল করে গল্প! কে কোথায় থাকে, কার বাড়িতে কে আছে, কোন স্কুলে পড়ে, বারো ক্লাস পাশ করার পরে কী প্ল্যান… সব আলোচনা হয়ে গেল। বিহানের মোবাইল থাকলেও দরিয়ার কোনও মোবাইল ফোন নেই। সে সীমার ফোন নম্বর দিয়ে বিহানকে প্রমিস করিয়ে নিল, কখনও ফোন করবে না। সীমা যখন স্নান করতে যাবে বা ঘুমোবে, তখন দরিয়া মিসড কল দেবে। তৎক্ষণাৎ বিহানকে ফোন করতে হবে।

    গল্পে গল্পে একদিকের ট্রিপ শেষ। শিয়ালদার বাসস্ট্যান্ডে নেমে চা, ফুচকা, চুরমুর আর এগরোল খেয়ে ফেরার জন্য অন্য একটা একাত্তর নম্বর বাসে উঠল দু’জনে। সন্ধে নেমেছে। ফাঁকা বাস। চোরের লজ্জা নিয়ে বিহান টুক করে ছুঁয়ে দিল দরিয়ার আঙুল। দরিয়া ভীষণ রেগে গিয়ে বিহানের হাতে চিমটি কেটে দিল।

    বিহানের খুব জোরে লেগেছে। সে দরিয়ার ঝুঁটি ধরে দিল এক টান!

    চুলে হাত দেওয়া! দরিয়া তো রেগে আগুন! সে বিহানের গাল টিপে দিয়ে বলল, “পুচু পুচু! বাচ্চা ছেলের সাহস কত!”

    “কী? আমাকে বাচ্চা বলা? দাঁড়াও। মজা দেখাচ্ছি।” পিছনের সিটের কোনার দিকে দরিয়াকে ঠেসে ধরে টুক করে গালে চুমু খেয়ে নিল বিহান। অমনি দরিয়া সিঁটিয়ে গেল। সেই যে মাথা নিচু করে, জড়সড় হয়ে, গায়ে ওড়না জড়িয়ে লেডিস সিটে গিয়ে বসল, আর ঘুরেও দেখল না।

    পিছনের সিটে বসে বিহান তখন অপরাধবোধে দগ্ধ হচ্ছে। এ কী করল সে? একটা মেয়েকে চুমু খেল? এখন যদি কোনও গন্ডগোল হয়ে যায়? কী জাতীয় গন্ডগোল হতে পারে, এই নিয়ে কোনও ধারণা নেই বিহানের। কিন্তু সে লজ্জায় মরে যাচ্ছে।

    হাওড়া স্টেশনে বাস থেকে নেমে গেল দরিয়া। সে লিলুয়ার ট্রেন ধরবে। একবারও ঘুরে তাকাল না। দরিয়া অনেক পরে বিহানের মুখে শুনেছিল, হাওড়া ময়দানে বাস থেকে নেমে বাড়ির দিকে হাঁটতে হাঁটতে মরমে মরে যাচ্ছিল বিহান। সে এ কী করল! সে তো সনতের থেকেও খারাপ ছেলে! ও শুধু মুখে মেয়েদের নিয়ে খারাপ কথা বলে। আর সে? আলাপের প্রথম দিনই চুমু খেয়ে ফেলল? ছি!

    দেরি করে বাড়ি ফেরা নিয়ে মায়ের কাছে প্রচণ্ড বকুনি খেয়েছিল বিহান। শ্রীরূপার ধমক মাথার উপর দিয়ে বেরিয়ে গেল। রাতে স্বপ্নে এল বাসন্তী রঙের প্রজাপতি। সে ফড়ফড় করে খাটের চারিদিকে উড়ছে আর বলছে, “তপনার টোলে, পুচু পুচু দোলে।” তাই শুনে তপন স্যরের বউ বলল, “বাচ্চা ছেলের সাহস কত!” বিহান দেখল একটা একাত্তর নম্বর বাস ফুল স্পিডে আসছে। তার চালকের আসনে বসে সনৎ বলছে, “নিজ মাল নিজ দায়িত্বে রাখিবেন। হাওড়া শিয়ালদা! হাওড়া শিয়ালদা! বজবজ… বজবজ…”

    ভোররাতে বারমুডা ভিজে যাওয়ায় ঘুম ভেঙে গেল বিহানের। সে বাথরুমে গিয়ে বারমুডা ধুয়ে এল।

    সারাদিন কেটে গেল ফোনের অপেক্ষায়। দরিয়ার মায়ের মোবাইল থেকে কখন মিসড কল আসবে সেই আশায় বসে থেকে পড়াশুনো ডকে উঠল। টিউশনি যাওয়া বন্ধ হয়ে গেল। দরিয়ার স্কুলের সামনে সাইকেল নিয়ে ঘোরাঘুরি করে সারাটা দিন কাটিয়ে দিল বিহান।

    ফোন এল রাত আটটার সময়ে। বিহান তখন ত্রিকোণমিতির প্রবলেম খুলে বসে রয়েছে। ‘মনে করো ক-খ-গ একটি বিষমবাহু ত্রিভুজ।’ একবার রিং হয়ে কেটে গেল ফোন। বাঘের মতো লাফিয়ে নিজের মোবাইল থেকে রিং ব্যাক করল বিহান।

    ওপাশ থেকে দরিয়া বলল, “স্কুলের বাইরে বোকার মতো দাঁড়িয়েছিলে কেন? কেবলুশ কোথাকার!”

    রাগেনি! রাগেনি! ‘কেবলুশ’ বলেছে মানে রাগেনি! সারাদিনের সব টেনশন চলে গেছে বিহানের। সে বলল, “তুমি কাল কথা বললে না কেন? আমার বুঝি কষ্ট হয় না? আমি সারাদিন পড়াশুনো করতে পারিনি। টিউশনি যাইনি। মা আমার দিকে অদ্ভুত ভাবে তাকাচ্ছে! মনে হয় সব বুঝতে পেরে গেছে!”

    “মন দিয়ে পড়াশুনো করো। দু’মাস বাদে পরীক্ষা। ভাল রেজ়াল্ট করতে হবে।” টুক করে ফোন কেটে দিয়েছে দরিয়া।

    * * *

    উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার আগে প্রেমটা হয়ে বিহানের সর্বনাশ হয়ে গেল। পড়াশুনো ডকে উঠল। দরিয়াকে রোজ একবার দেখার জন্যে সাইকেল চালিয়ে হাওড়া ময়দান থেকে লিলুয়া চলে যেত। রোজ রাতে মোবাইলে গুজুরগুজুর। ফোনে টক টাইম ভরার জন্য মায়ের কাছে হাত পাততে হচ্ছিল ঘনঘন। শ্রীরূপা কিছু একটা আন্দাজ করেছিলেন। তিনি ছেলেকে জিজ্ঞেস না করে তার বেস্টফ্রেন্ড সনৎকে জিজ্ঞেস করলেন।

    সনৎও পড়াশুনো আর টিউশনি নিয়ে হাবুডুবু খাচ্ছে। শ্রীরূপার কথা শুনে সে বন্ধুর সাম্প্রতিক পরিবর্তনগুলো মিলিয়ে নিল। তারপরে একদিন বিহানের পিছু নিয়ে চলে গেল লিলুয়ায়। দরিয়া তখন স্কুল কেটে বিহানের সঙ্গে লিলুয়া রেল কলোনির মাঠে বসে গল্প করছে।

    বিহানের হাত নিজের হাতে নিয়ে দরিয়া বলল, “পরীক্ষা এসে গেছে। এখন রোজ দেখা করা উচিত নয়। পড়াশুনো আগে। পড়াশুনোর ব্যাপারে আমি খারাপের দলে। টেস্ট পেপার আর স্যরের দেওয়া সাজেশন গাঁতিয়ে মুখস্থ করে পরীক্ষার খাতায় উগরে দিলে কোনওমতে পাশ করে যাব। আমার বাবা গ্র্যাজুয়েশন করতে পারেনি। আমাকে ওটা করতেই হবে।”

    বিহান অন্যমনস্ক গলায় বলল, “আমার মা ইংরিজিতে এমএ। বাবাও তাই। বাবা প্রাইভেট কোম্পানির উঁচু পদে কাজ করত। পাশাপাশি নাটক করত, কবিতা লিখত। মা মনে করত ওসব করা মানে সময় নষ্ট। বাবাকে জোর করে মুম্বইতে ট্রান্সফার নেওয়াল। বাবার কলকাতা ছেড়ে যাওয়ার ইচ্ছে ছিল না। কিন্তু একবার মায়ের আঁচলের তলা থেকে বেরনোর পরে স্বাধীনতা কাকে বলে বুঝে গিয়েছিল। আর ফেরেনি।”

    “মানে?” দরিয়া অবাক।

    “বাবা মায়ের ডিভোর্স হয়ে গেছে। বাবা মুম্বইতে আবার বিয়ে করেছে। ওদের একটা ইংরেজি নাটকের গ্রুপ আছে। সেটা সারা ভারত ঘুরে শো করে। তা ছাড়া বাবা হিন্দি সিরিয়ালের সংলাপ লেখে। মায়ের সঙ্গে কোনও যোগাযোগ নেই।”

    “তোমার সঙ্গেও নেই?”

    “না। আমার বয়স যখন পাঁচ, তখন এইসব ঘটে গেছে। কাজেই বাবাকে আমার মনেও নেই। আমার জীবন জুড়ে শুধু মা। বাবার ছাঁচে মা আমাকে গড়ে তুলতে চাইছে। আমি উচ্চ মাধ্যমিকে ভাল রেজাল্ট করব। ভাল কলেজে ভরতি হয়ে আবার ভাল রেজাল্ট করব। তারপরে ভাল চাকরি করব। একবারও ভাবছে না যে আমি পড়াশুনোয় অ্যাভারেজ।”

    দরিয়া ভুরু কুঁচকে কিছুক্ষণ ভেবে বলল, “এই ক’দিন ভাল করে পড়াশুনো করো। বাকিটা পরে ভাবা যাবে।”

    বিহান আর দরিয়ার প্রেমের এই গপ্পোটা এইখানে এসে নতুন বাঁক নিল। ওরা যদি যে যার মতো বাড়ি চলে যেত, মন দিয়ে পড়াশুনো করে মোটামুটি একটা রেজাল্ট করত, তা হলে প্রেমটা টিকতেও পারত, না টিকতেও পারত। কম বয়সে এইসব প্রেম কত হয়! আবার কেটেও যায়! কিন্তু দরিয়া আর বিহানের প্রেমটা কাটল না। তার কারণ গল্পে একজন ভিলেন ঢুকে গেল। তার নাম সনৎ।

    সে দুটো কাজ করল। লিলুয়া রেল কলোনির মাঠে বসে বিহান আর দরিয়াকে প্রেম করতে দেখে চলে গেল বসবাস। সাম্যব্রত আর সীমাকে জানিয়ে দিল, তাঁদের মেয়ে কী করছে। তারপর হাওড়া ময়দানে ফিরে শ্রীরূপাকে সবটা খুলে বলল।

    বসবাস-এ এই নিয়ে কোনও সমস্যা হয়নি। সাম্যব্রত দরিয়াকে বলেছিলেন, “উচ্চ মাধ্যমিকটা ভাল করে দে। দরকার হলে বিহানকে বাড়িতে ডেকে একসঙ্গে পড়াশুনো কর। সারাজীবনে এই দেড় মাস আর কখনও ফেরত আসবে না।”

    আর বিহান? বাড়ি ফিরে শ্রীরূপার হাতে সে বেদম মার খেয়েছিল। শ্রীরূপা মোবাইল কেড়ে নিয়েছিলেন। বাড়ি থেকে বেরনো বন্ধ করে দিয়েছিলেন। বিহান স্কুলে বা টিউশনিতে গেলে সঙ্গ দিতেন। সবার উপরে ছিল সনতের শকুনের চোখ।

    ‘রেবেলিয়ন’ বা পুরনো নিয়ম তছনছ করে দেওয়ার প্রবণতা কৈশোরের স্বাভাবিক ধর্ম। এটা অনেকভাবে আসে। বিহানের ক্ষেত্রে এল আত্মধ্বংসের পথ ধরে। শ্রীরূপার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করে বিহান সিদ্ধান্ত নিল, পরীক্ষায় খারাপ ফল করে মা’কে শাস্তি দেবে।

    উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা এল। চলেও গেল। রেজাল্ট বেরতে দেখা গেল বিহান টেনেটুনে পাশ করেছে। সনৎ সেকেন্ড ডিভিশন। দরিয়া আর মণিদীপা ফার্স্ট ডিভিশন।

    শ্রীরূপা তখন থেকেই ছেলের প্রতি বিরূপ। সনৎ আর বিহান যখন শিবপুরের দীনবন্ধু ইনস্টিটিউশনে কমার্স পড়তে ভরতি হল, বিহানের অ্যাডমিশন ফি-এর টাকা বাঁ হাতে ছুড়ে দিয়েছিলেন।

    দরিয়া আর মণিদীপা আর্টস নিয়ে ভরতি হল হাওড়া গার্লস কলেজে। চারজন ছেলেমেয়ে এক ধাক্কায় বড় হয়ে গেল।

    * * *

    দরিয়ার মাথায় এইসব দৃশ্য এতক্ষণ ঘুরপাক খাচ্ছিল। দৃশ্যাবলি ছিঁড়ে গেল। গা গুলিয়ে উঠল হঠাৎ তার। কিছু বোঝার আগেই বমি করল।

    কেউ একজন পাশ থেকে বলল, “পেশেন্ট অজ্ঞান হয়ে যাচ্ছে। বাড়ির লোককে খবর দাও। তাড়াতাড়ি। কন্ডিশন ভাল নয়।”

    একটা কালো পরদা নেমে আসছে দরিয়ার চোখের সামনে। সে শুনতে পাচ্ছে, পাবলিক অ্যাড্রেস সিস্টেমে ঘোষণা করা হচ্ছে, “মেটারনিটি ওয়ার্ডের পেশেন্ট দরিয়া চ্যাটার্জির বাবা সাম্যব্রত চক্রবর্তী। আপনি অবিলম্বে লেবার রুমের সামনে চলে আসুন।”

    দরিয়ার জ্ঞান ফিরে আসছে। চোখের সামনে থেকে অন্ধকার কেটে যাচ্ছে। সে চোখ খুলে দেখল, সাম্যব্রত সামনে দাঁড়িয়ে।

    দরিয়া অসহায়ের মতো বলল, “বাবা, বিহান কোথায়?”

    দরিয়ার মাথায় হাত বুলিয়ে সাম্যব্রত মোবাইল বার করে বিহানকে ফোন করলেন। হঠাৎই দরিয়া আর একবার বমি করল এবং অজ্ঞান হয়ে গেল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমধুরেণ – ইন্দ্রনীল সান্যাল
    Next Article অপারেশন ওয়ারিস্তান – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    Related Articles

    ইন্দ্রনীল সান্যাল

    অপারেশন ওয়ারিস্তান – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 10, 2025
    ইন্দ্রনীল সান্যাল

    মধুরেণ – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 10, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }