Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    শৈল-ভবন – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় এক পাতা গল্প58 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৪. অজয় আর লীলার বিবাহিত জীবন

    অজয় আর লীলার বিবাহিত জীবনে কিন্তু ইতিমধ্যে ঘটে গেছে অনেক ভাঙাগড়া, বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে জীবনের স্রোত। প্রথম ছটা মাস তারা দুজনে পরস্পরের মধ্যে মগ্ন হয়ে ছিল। বাইরের জগতের দিকে তাকাবার অবসর ছিল না, প্রবৃত্তিও বুঝি ছিল না। তারপর একদিন তারা সচেতন হয়ে উঠল। মেনে নিল, না, বাইরের জগতের দিকে চিরদিন পেছন ফিরে থাকা চলে না। দাম্পত্য জীবনের প্রবল আসক্তি তখন স্তিমিত হয়ে এসেছে। প্রাখর্য কমেছে, স্থির হয়ে গেছে প্রদীপের মৃদু অকম্পিত শিখার মতই। নতুন করেই অজয় কাজের মধ্যে নিজেকে ড়ুবিয়ে দিয়েছে। তার জন্যে লীলা এতটুকু অসুবিধে বোধ করেনি। ঘর-সংসারের হাজারো কাজে নিজেকে ব্যাপৃত রেখেছে, আস্বাদন করেছে স্বামী-প্রেমের মধুরতাটুকু। শুধু সমরের কথাটা মনে হলেই একটা বিঁধে থাকা কাঁটা বুকের কোথায় যেন খচখচ করে ওঠে। বিবেক তার কুণ্ঠিত ছিল বলেই পারতপক্ষে সে সমরের নাম উল্লেখ করত না। শুধু একটি দিনই কথায় কথায় অজয়কে বলেছিল, তোমার বন্ধু সমরবাবুটির বিচিত্র ব্যবহারের কথা আমি কোনদিনই ভুলতে পারব না। কেন যে সেদিন অমন অভদ্রের মত ব্যবহার করেছিলেন।

    অজয় একটুখানি চুপ করে থেকে মৃদু কণ্ঠে বলেছিল, হয়তো বেচারা বড় বেশি ভালবেসেছিল তোমায়, তাই সহজ মনে পরাজয়টা সে মেনে নিতে পারেনি।

    প্রতিবাদের সুরে লীলা বলে উঠল, না, আমার তা মনে হয় না। নিশ্চয়ই অন্য কোন কারণ আছে।

    আর কি কারণই বা থাকতে পারে?

    তা আমি জানি না। তবে

    তবে ওর সম্বন্ধে আর কোন আলোচনা আমাদের না করাই ভাল, লীলা। তার কণ্ঠস্বরে এমন একটা কিছু ছিল, যার পর লীলা সত্যিই স্বামীর সামনে সমরের নাম আর কোনদিন উল্লেখ করেনি।

    পরিশ্রমটা বড় বেশি করছিল বলেই ভেতরে অজয়ের স্বাস্থ্যটা ভেঙে পড়েছিল। প্রথম দিকে লীলা সেটা লক্ষ্য করেনি। করল যেদিন, সেদিনই শঙ্কিত কণ্ঠে বলল, এরকম ভাবে অবহেলা করাটা তো ঠিক নয়। একজন ডাক্তার দেখাও।

    অকারণে অজয় যেন আহত জন্তুর মতই গর্জন করে উঠল, ডাক্তার! শহরে কোন ডাক্তার নেই। ছিল একজনই—সে চলে গেছে। কোথায় তা ভগবানই জানেন।

    লীলা আর কোন প্রতিবাদ করেনি। তাই বলে নিরস্ত্রও হতে পারেনি। মরীয়া হয়েই শেষ পর্যন্ত সে শ্বশুরের শরণাপন্ন হল।

    ব্যবসাটা পুরোপুরি ছেলের হাতে ছেড়ে দিয়ে বৃদ্ধ মিঃ সেন অবসর নিয়েছিলেন। জীবনে তাঁর শুধু একটিই আনন্দ ছিল। কাগজের পাতায় দূর গ্রামাঞ্চলে বাড়ি বিক্রির বিজ্ঞাপন হাতড়ে বেড়ানো। সেদিনও বসে তাই করছিলেন। পাশেই চায়ের খালি পেয়ালা, সামনে টেবিলের ওপর দৈনিক আর মাসিক-পত্রের স্তুপ। হাতে জ্বলন্ত সিগারেট।

    লীলা ঘরে ঢুকে তাঁর পাশে গিয়ে দাঁড়াল। একটু ইতস্তত করে মৃদু কণ্ঠে বললে, বাবা, আপনার ছেলের শরীর নিয়ে তো রীতিমত ভাবনার কথা হয়ে দাঁড়াল।

    মুখ তুললেন মিঃ সেন। উদ্বিগ্ন কণ্ঠে বললেন, কেন, কি হয়েছে মা?

    লীলা তাঁর কাছে কিছুই গোপন করল না। ডাক্তার দেখানোয় অজয়ের আপত্তির কথাও জানাল।

    মিঃ সেন সবটুকু শুনে গেলেন। পরে শান্ত কণ্ঠেই বললেন, কিচ্ছু ভাবনা কর না, লিলি! আমাকে শুধু একটু সময় দাও।

    তা নয় দিচ্ছি। কিন্তু যা করবার, তাড়াতাড়ি করতে হবে বাবা। দেরি করলে হয়তো হাতের বাইরে চলে যাবে।

    ঘর ছেড়ে চলে যাচ্ছিল সে, মিঃ সেন তাকে ফিরে ডাকলেন, শোন, শোন লিলি, এই ছবিখানা দেখ দিকিনি—

    হাতের কাগজখানা তিনি পুত্রবধূর সামনে মেলে ধরলেন। পাহাড়ের চুড়োয় অবস্থিত একটা বাড়ির ফোটো। তলায় শীঘ্রই বিক্রয় হইবে।

    শ্বশুরের কাঁধের ওপর ঝুঁকে পড়ে লীলা ছবিখানা দেখে বলে উঠল, বাঃ! চমৎকার তো। ঠিক যেন স্বপনপুরীর রাজপ্রাসাদ।

    কাগজখানা মুড়ে ফেলে মিঃ সেন গম্ভীর মুখে বললেন, ঠিক বলেছ মা, আমারও সেই মত।

    দিন সাতেক পরে রাত্রে খাওয়ার টেবিলে বসে মিঃ সেন ছেলেকে বললেন, তোমার ব্যবসা চালাবার রীতিনীতি আমার পছন্দ হচ্ছে না বাবু!

    অজয় বিস্মিত দৃষ্টি মেলে বাপের দিকে তাকিয়ে থাকে।

    তুমি সব গোলমাল পাকিয়ে ফেলছ! ব্যবসা হবে ঋজু—সরল। বক্সিং তো কিছুদিন লড়েছ, নক-আউটটা বোঝ না?

    অজয় গম্ভীর হয়ে গেল। জিজ্ঞেস করল, কি বলতে চাইছেন বাবা?

    কিছু না। কিছুদিন আমি আবার ব্যবসাপত্তর দেখব। যে জট পাকিয়েছ, সেটাকে আবার সোজা পথে চালাব।

    যা খুশি আপনার! বলে অজয় টেবিল ছেড়ে উঠে দাঁড়াল।

    মিঃ সেন এবার পুত্রকে ছেড়ে পুত্রবধূকে ধরলেন, তোমার স্বাস্থ্যটাও তো খুব ভাল যাচ্ছে না, লিলি?

    শ্বশুরের চাতুরীটা সে বুঝতে পেরেছিল বলেই সেও মিথ্যার আশ্রয় নিল।

    অভিনয়ের ভঙ্গিতে বলল, কি জানি বাবা, মাঝে মাঝে এমন কুঁড়েমি লাগে! কিছুদিন ধরে রাত্রে ভাল ঘুম হচ্ছে না।

    যেতে গিয়েও অজয় দরজায় গোড়ায় দাঁড়িয়ে পড়েছিল। মনে মনে সে লজ্জিত হয়ে উঠেছিল। লীলার শরীর ভাল যাচ্ছে না, এটা সে আগে ধরতে পারেনি বলে অভিযোগের সুরে সে স্ত্রীকে বলল, তুমি তো কই কোনদিন বলনি, লীলা?

    লীলা হাসি চেপে বলল, ও এমন কিছু না। এমনি মাঝে মাঝে

    মিঃ সেন তাড়াতাড়ি কণ্ঠে জোর দিয়ে বলে উঠলেন, না, না, এসব উড়িয়ে দেওয়া ঠিক নয়। হ্যাঁ, তোমাকে যে বাড়ির ফটোখানা দেখিয়েছিলাম, মনে আছে, লিলি? সেই যে পাহাড়ের চুড়োর ওপর?

    হ্যাঁ, বাবা।

    সেটা কিনে ফেলেছি মা। জায়গাটা খুব স্বাস্থ্যকর, আর বেশ নির্জন। আমার ইচ্ছে, তোমরা সেখানেই কিছুদিন থেকে আসো। তদারকি করবার জন্য একজন সরকার রেখেছি। কোনরকম অসুবিধে হবে না।

    লীলা নিরীহের ভঙ্গিতে বলে উঠল, আমার তো যাবার খুবই ইচ্ছে বাবা, কিন্তু– সে ফিরে তাকাল স্বামীর দিকে।

    অজয় ভারী গলায় বলল, ঠিক আছে।

    তাই হবে বাবা। আমরা কিছুদিনের জন্যে বেড়িয়ে আসব।

    মিঃ সেন হাসি চেপে পুত্রবধুর দিকে অর্থপূর্ণ দৃষ্টিতে একবার তাকালেন শুধু।

    .

    পাকদণ্ডী পথ বেয়ে গিরমহলে পৌঁছতে হলে নিশ্বাস ঘন হয়, হৃৎপিণ্ডের স্পন্দন যায় বেড়ে। তবু চড়াই ভাঙতে ভাঙতে লীলা একেবারে আনন্দে উপচে পড়ল। তারই ছোঁয়া বুঝি লাগল অজয়কেও। সেও রীতিমত উত্তেজিত হয়ে উঠল।

    দুজনেই এসেছে তারা। সঙ্গে কোন ঝি-চাকর আনেনি। সরকার ভজহরি ঠিক করে রেখেছে। রোজ সকালে দেহাত থেকে একজন মেয়ে এসে তাদের বাসন মেজে রান্নাবান্না করে দিয়ে যাবে। এখানকার জীবনে বোধ করি তার বেশি কিছু প্রয়োজনও হবে না।

    অনেকখানি উঁচুতে উঠে এসে লীলা ফেলে-আসা গ্রামখানার দিকে একবার ফিরে তাকাল। এখান থেকে সেটাকে কুশলী শিল্পীর হাতে-আঁকা একখানা নিখুঁত ছবি বলেই মনে হচ্ছে।

    আনন্দে খিলখিল করে হেসে উঠল লীলা। অজয় বললে, এত যখন ভাল লাগছে তোমার, তখন বেশ তো, মাঝে মাঝে গ্রামে যাওয়া যাবে। কিছু বন্ধু বান্ধবও জোগাড় হবে।

    লীলা কিন্তু ততক্ষণে একখানা পাথরের ওপর বসে পড়েছে। অজয় গিয়ে তার পাশে বসতে বসতে বলল, কি হল লীলু, ক্লান্ত নাকি?

    না গো, উপভোগ করছি।

    তার চেয়ে কাঁধে যখন একবার করেছি তখন এইটুকুও না হয় বয়ে নিয়ে যেতে দাও।

    সত্যিই সে দুহাত দিয়ে শুন্যে তুলে নিল লীলাকে, বুকের ওপর কিছুটা বা চেপেই ধরল।

    খুশিতে খিলখিল করে হেসে উঠল লীলা। বাঁ হাত বাড়িয়ে স্বামীর গলাখানা চেপে ধরে কৃত্রিম কণ্ঠে বলল, এই, কি হচ্ছে দুষ্টু! শিগগির নামিয়ে দাও, কেউ হয়তো দেখে ফেলবে।

    এই মিষ্টি হুকুমটুকু শোনবার কোন আগ্রহ দেখা গেল না অজয়ের। বাকি পথটুক সে লীলাকে বয়েই নিয়ে চলল।

    বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে ছিল ভজহরি আর সেই দেহাতী মেয়েটি তাদের অভ্যর্থনা করবার জন্যে।

    শীর্ণ দীর্ঘ দেহ ভজহরি। বয়সের ভারে একটু বা সামনের দিকে ঝুঁকে পড়েছে। মাথার চুলে তুষারমৌলি হিমালয়ের শুভ্রতা। নতুন মনিব আর তাঁর স্ত্রীকে সঙ্গে করে সে ভিতরে নিয়ে চলল।

    সাবেকী আমলের বাড়ি। অসংখ্য বড় বড় ঘর, চওড়া চওড়া বারান্দা। ছাদটা একেবারে পাহাড়ের কিনারায় গিয়ে ঠেকেছে।

    শ্রান্তি ক্লান্তি যেন ভুলে গেল লীলা। তখুনি কোমরে কাপড় জড়িয়ে ফেলল। তারপর অজয়কে নিয়ে ঘুরে ঘুরে ব্যবস্থাপত্র করতে লাগল। সকালে কোথায় বসবে, কোথায় খাবে, ঘুমোবেই বা কোন্ ঘরে।

    .

    সে রাত্রে খাবার ঘরে বসে মায়া আর সমর দুজনেরই নজরে পড়ল গিরমহলে প্রাণের সাড়া জেগেছে। ঘরে ঘরে আলো সঞ্চারিত ছায়ামূর্তি।

    আগন্তুকের খবরটা পাণ্ডের স্ত্রীর কাছ থেকে মায়া আগেই পেয়েছিল। তাই ভেতর ভেতর তার উত্তেজনা আর কৌতূহলের অন্ত ছিল না। এক সময় সেটা আর চাপতে না পেরে বলে উঠল, জানেন ডাক্তার রায়, গাঁয়ে যে হৈচৈ পড়ে গেছে!

    সমর কোন কথা না বলে প্রসন্ন দৃষ্টিটা শুধু তুলে ধরল। মায়া বলে চলল, পাহাড়ের মাথায় বাড়িটায় লোক এসে গেছে।

    কোন বিস্ময় প্রকাশ করল না সমর। নিস্পৃহ কণ্ঠে বলল, দেখছি তো!

    খোলা জানালার ভেতর দিয়ে মায়া আর একবার গিরমহলের দিকে তাকাল। চাঁদের আলোয় বাড়িখানা সত্যিই সুন্দর দেখাচ্ছে। রহস্যময়ী হয়ে উঠেছে যেন। স্বতঃই মায়ার মুখ দিয়ে বেরিয়ে এল, ভারি সুন্দর দেখাচ্ছে, তাই না?

    হ্যাঁ, এই কালো জগতে সব সৎকাজই ঝকঝক্‌ করে। পরক্ষণেই মায়ার দিকে ফিরে শ্লেষের সুরে সমর বলল, সত্যি কিন্তু তা করে না, মিস দে।

    কথাটা গায়ে মাখল না মায়া। নিজের খেয়ালেই বলে চলল, পাণ্ডের স্ত্রী বলছিলেন, অল্পবয়সী স্বামী স্ত্রী—হয়তো মধুচন্দ্র যাপন করতে এসেছেন। দেখতেও খুব সুন্দর। সর্বাঙ্গে নাকি শহরের ছাপ।

    সমর মন্তব্য করল, যেমন গোড়ার দিকে আমাদের ছিল।

    মায়া আবার কথাটা এড়িয়ে গেল। বলল, কি জানি, গাঁয়ের দিকে ওঁরা নামবেন কিনা। আলাপ করা যেত। নতুন মুখ যে কতদিন দেখিনি।

    গম্ভীর দৃষ্টিতে সমর কতক্ষণ তার মুখের দিকে তাকিয়ে রইল। তারপর ধীরে ধীরে বলল, আমার মনে হচ্ছে, এখানে আপনার মন টিকছে না। যদি সত্যিই তাই হয়

    কড়া সুরে প্রতিবাদ করল মায়া, না, কক্ষনো না। খুব মন টিকছে আমার।

    না টেকাটা অস্বাভাবিক নয়, মিস দে। শহরে মানুষ হয়েছেন আপনি; কাজেই শহরের আলো, শহরের রাস্তা, শহরের ফ্যাশনের জন্য মনটা কেঁদে উঠতে পারে বৈকি।

    না, পারে না।

    আপনি বলতে চান, এখানে সত্যিই আপনার ভাল লাগছে?

    হ্যাঁ, লাগছে।

    চিরকাল থাকতে পারেন?

    পারি।

    খাওয়া শেষ করে সমর চেয়ারে হেলান দিয়ে পড়ল। উত্তাপহীন কণ্ঠে বলল, না, সত্যিই আপনার প্রশংসা করতে হয়। কে জানে, আমাকেই হয়ত এখান থেকে একদিন চলে যেতে হবে।

    মায়ার চোখে শঙ্কার ছায়া ফুটে উঠল। প্রায় আর্তনাদের সুরে সে বলল, আপনি—চলে যাবেন এখান থেকে?

    মন যদি চায়, যেতে হবে বৈকি! আমার কাছে তো সব জায়গাই সমান। তবু ভারি খুশি হলুম আপনি এখানে থাকতে চান শুনে।

    মায়া চকিতে উঠে দাঁড়াল চেয়ার ছেড়ে। আবেগ কম্পিত কণ্ঠে বলল, কিসের টোপ গেলাতে চাইছেন আমায়?—আপনি জানেন আমি ভালবাসি

    আচমকা থেমে পড়ে নিজেকে সামলে নিল সে।-আমি ভালবাসি এই গাঁকে, গাঁয়ের লোকদের কিন্তু এত নিষ্ঠুর আপনি কেন? আপনার কি ক্ষতি আমি করেছি? কান্না চাপতে চাপতে সে ঘর থেকে বেরিয়ে গেল।

    .

    রাতের খাওয়া শেষ করে অজয় আর লীলা তখন বাইরের বারান্দায় বসে ছিল। অদূরে দাঁড়িয়ে সরকার ভজহরি বলছিল, আজকে এই বাড়িটার নাম গিরমহল হয়েছে বটে, কিন্তু বাবু, গোড়াতে এর নাম ছিল নিরাময়।

    নিরাময়? অব্যক্ত কণ্ঠে লীলা বলে উঠল, অদ্ভুত নাম তো! আসলে এটা কি কোন হাসপাতাল বা স্বাস্থ্য-নিবাস ছিল?

    না, মা। বাড়িটার একটা ইতিহাস আছে। প্রথম যিনি এই প্রাসাদ তৈরি করেন, তাঁর সময় থেকেই এই নামটা চলে আসছে। দুশো বছরের মধ্যে গিরমহল হাতবদল হয়েছে অনেকবার, কিন্তু সে ইতিহাসটা আজো মরে যায়নি।

    অজয় কৌতূহলের সুরে প্রশ্ন করল, ইতিহাসটা জানেন আপনি?

    আজ্ঞে, এখানকার লোক যখন, তখন জানি না বলি কি করে!

    লীলা মিনতির সুরে বলল, আমাদের বলুন না, সরকার মশাই!

    এমন আগ্রহী শ্রোতা ভজহরি বোধ হয় বহুদিন পায়নি। তাই সে পরম উৎসাহে বলতে শুরু করল, বাড়িটা যিনি প্রথম তৈরি করান, তিনি এই তল্লাটে রাজাই ছিলেন বলতে পারেন। তাঁর স্ত্রী রানীসাহেবা খুব সুন্দর দেখতে ছিলেন। এখানে যখন ওঁরা বাস করতে আসেন তখন সঙ্গে করে রাজাসাহেব তাঁর এক বন্ধুকে নিয়ে এসেছিলেন। খুব ঘনিষ্ঠ বন্ধু। তাঁকে ছেড়ে একটা দিনও রাজাসাহেব থাকতে পারতেন না। কিন্তু সেই বন্ধু একদিন রানীসাহেবাকে নিয়ে পালিয়ে গেলেন। রাজাসাহেব কিছু বললেন না, কোন হৈচৈও করলেন না। শুধু একলা ঘরে বসে বসে দিনের পর দিন একটা তলোয়ারে শান দিতে লাগলেন। কিসের জন্যে? তাঁর দৃঢ় বিশ্বাস ছিল বাবু, যে, ওঁরা দুজন বন্ধু আর রানীসাহেবা ফিরে একদিন আসবেনই।

    লম্বা পনেরো বছর পরে বন্ধুটি একলা ফিরে এলেন। রাজাসাহেবকে বললেন, একাই আমাকে আসতে হল বন্ধু, কারণ তোমার স্ত্রী মারা গেছে। অপরাধী আমি, আমায় শাস্তি দাও। যদি হত্যা করতে চাও, তাই কর। রাজাসাহেব কিন্তু বন্ধুকে হত্যা করেননি, বরং ভালবেসে বুকেই টেনে নিয়েছিলেন। রানীর কথা রাজার মনে রইল না। তারপর থেকে বরাবর একসঙ্গে ছিলেন ওই বাড়িতে। মারা যাবার আগে তিনিই বাবু বাড়িখানার নামকরণ করেন নিরাময়।

    ভজহরি তার ইতিহাস শেষ করল। অজয় কিন্তু তার স্ত্রীর মুখের দিকে আর তাকাতে পারল না। কতক্ষণ অস্থির চরণে পায়চারি করে একসময় সরকারের সামনে দাঁড়িয়ে পড়ে উচ্চকণ্ঠে বলে উঠল, আপনার ইতিহাসের সঙ্গে বাড়ির নিরাময়নামের কোন সম্বন্ধ আছে কিনা বলতে পারেন?

    আজ্ঞে না বাবু, তা পারব না। তবে গল্প যেটা চলে আসছে, সেইটাই আপনাদের বললাম।

    অকস্মাৎ লীলার হাত ধরে টেনে তুলতে তুলতে অজয় বলল, চল শুয়ে পড়িগে। বড় ঘুম পাচ্ছে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleব্যোমকেশের ডায়েরী – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    Next Article অভিজাতক – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    Related Articles

    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    কবিতাসংগ্রহ – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 22, 2025
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    দাদার কীর্তি – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 22, 2025
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিষের ধোঁয়া – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 22, 2025
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    ঝিন্দের বন্দী – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 22, 2025
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    রিমঝিম – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 22, 2025
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    ছায়াপথিক – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 22, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }