Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    শ্বেতপাথরের টেবিল – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প279 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    তিন ছটাক

    হাওড়া স্টেশন থেকে বর্ধমান লোক্যালে উঠলুম। ব্যান্ডেলে এসে দাঁড়িয়ে গেল। যাচ্ছে না। আধঘন্টা, একঘন্টা। কী ব্যামোয় ধরল। লাইনে অবরোধ। কাল রাতে কোনও এক পার্টির নেতাকে কিনা করেছে। প্রতিবাদে রেল রোকো।

    ট্রেনের আসনে যারা বসেছিলেন, তাঁরা বসেই রইলেন। উঠলেই জায়গা দখল হয়ে যাবে। যাঁরা দাঁড়িয়েছিলেন তাঁরা ওঠা-নামা করতে লাগলেন। আমি বসেছিলুম, বসেই রইলুম। এক প্যাকেট বাদাম, দুটো চাঁপা কলা, একভাঁড় চা খেলুম। সময় যাচ্ছে, পেট ফুলছে। তিনটে তিন পার্টির মাল পেটে ঢুকে অ্যাসেম্‌ব্লি ভাঙার চেষ্টা করছে। কামরা কখনও ফাঁকা হচ্ছে, কখনও ভরে যাচ্ছে। পাখার জায়গায় পাখা নেই, গোল একটা গর্ত। আমাদের অসীম ধৈর্য, আমরা বসে আছি।

    খবর এল। ট্রেন ছাড়বে। বর্ধমান লোক্যাল, ব্যান্ডেল লোক্যাল হয়ে হাওড়ায় ফিরবে।

    ফিরে এলুম হাওড়ায়। আমার বাড়ি হাবড়ায়। বর্ধমান যাওয়া হল না। শিয়ালদায় গিয়ে বনগাঁ লোক্যাল ধরব।

    বাইরের টারমিনাসে গিয়ে বাস ধরলুম। মহাত্মা গান্ধী রোডে আটকে গেল। সারা কলকাতায় গোটা সাতেক মিছিল বেরিয়েছে বিভিন্ন দাবি ও প্রতিবাদে। রাগী রাগী মানুষ হাত পা ছুঁড়তে ছুঁড়তে এগিয়ে চলেছে, এদিক থেকে ওদিকে, ওদিক থেকে এদিকে।

    বাসের আসনে যাঁরা বসেছিলেন তাঁরা ঘুমিয়ে পড়লেন, যাঁরা দাঁড়িয়েছিলেন তাঁরা ঢুলতে লাগলেন। বাস চলছে না, তবু মানুষ গুঁতিয়ে গুঁতিয়ে উঠছে। আজ না চলুক কাল তো চলবে। আমি দাঁড়িয়েছিলুম, দুমড়ে মুচড়ে গুঁতোতে গুঁতোতে নেমে পড়লুম। তিন চার জনের পা মাড়ালুম, একজনের মাথার চাঁদোয়ায় কনুই ঠুকে দিলুম।

    ব্যাপারটা এতই পারস্পরিক কেউ কিছু বলল না। গিভ অ্যান্ড টেক। মানুষ এত বেড়ে গেছে মারামারি হবেই। আজ আমি মারব, কাল তুমি মারবে। হাঁটতে লাগলুম। হাঁটছি তো হাঁটছিই। কিছুই মনে হচ্ছে না, কোনও ক্ষোভ, কোনও ক্রোধ নেই। মাথা যেন মাটির ঢেলা। কোনও ব্যাপারই খোপড়িতে ঢোকে না। বলা আছে শিয়ালদা, চলেছি শিয়ালদা। কী আছে চারপাশে, কী হচ্ছে চারপাশে কিছুই দেখছি না। স্পিলবার্গের রোবটের মতো হাঁটছি।

    গলদঘর্ম হয়ে শিয়ালদায়। আড়াই হাজার লোক বাইরে থমকে দাঁড়িয়ে আছে। ভেতরে দরজা বন্ধ করে মোকাবিলা হচ্ছে। গুলি, ইট একসঙ্গে চলছে। সৃষ্টির আজ শেষ দিন। আধখানা নামিয়ে দিয়েছে। বনগাঁ লোক্যাল বনে চলে গেছে। স্বাভাবিক অবস্থা আজ হোক কাল হোক ফিরবে।

    আচ্ছা হাবড়া থাক, বরানগর যাওয়ার চেষ্টা করি। মামার বাড়ি। অনেকদিন আদর খাওয়া হয়নি। বাস চলেছে ছ্যাকরা গাড়ির মতো। টালায় এসে স্ট্যান্ড স্টিল। নেমে যেতে পারেন। এবেলা এই পর্যন্ত। সেদিন পাড়ার এক গৃহবধূকে বিবস্ত্র করে ক্লাবের ছেলেরা প্রতিবাদ করেছিল। সেই প্রতিবাদে চিঁড়িয়ার মোড়ে পথসভা হচ্ছে। এদিকে ওদিকে বাড়ির পেছনে গাড়ি। তিনটে অ্যাম্বুলেনসে তিনটে এমারজেন্সি, একটা হার্ট, একটা ডেলিভারি, একটা আন্ত্রিক। সাদা অ্যামবাসাডারে লাল আলো গুলগুল করে ঘুরছে। পেছনের আসনে ভারী চেহারার মন্ত্রী মন দিয়ে লেখাপড়া করছেন। লাল মারুতির পেছনের সিটে গাবলু মার্কা বাচ্চা ললিপপ চুষছে। সাদা কন্টেসায় ‘টাইম ইজ মানি’-ব্যবসায়ী সাফারি পরে ক্যালকুলেটারে কুট কুট করে অঙ্ক কষছেন, কোলের ওপর ডায়েরি।

    বরানগরে মামার বাড়ি। চিলি চিকেন, ফ্রায়েড রাইস। প্রচুর খিদে, তাহলে হাঁটি। রাস্তার দু পাশে রাস্তার কাঁচা মাল, ঢিপি, গুটলে, তরল পদার্থ। মাঝখানে এক জায়গায় রাস্তার পেট ফেটে গেছে। পলতার জল গলগল।

    নির্বিকার। কিছুই মনে হচ্ছে না। কী হওয়া উচিত ছিল, কী হয়েছে। কেন হয়নি, কেন হবে না। যান্ত্রিক মানুষ। দুটো ঠ্যাং। কোমরের দু’পাশে দুটো কবজা, হিঞ্জ। বুকে একটা টুলুপাম্প। তিন বালতি রক্ত, একতলা থেকে তিনতলায় তুলছে। প্লাম্বার পাইপলাইন করে রেখেছে। ইঞ্জিন চলছে। সেই জোরে দুটো ঠ্যাং ডিভাইডারের মতো রাস্তা ডিভাইড করছে। কান শুনছে, কথা নয়, তালগোল পাকানো শব্দ। চোখ দেখছে ‘আউট অফ ফোকাস’ দৃশ্য।

    সিঁথির মোড়ের সায়েবি দোকানে একটা ফ্যালফ্যালে আইসক্রিম খেয়ে ফেলেছি, ভ্যালভ্যালে চোখে। সেই সময়টায় মনে হচ্ছিল ‘নটি বয়’। এ দেশে দুর্গাপুজো হয়। সামনের মাঠে সার্কাসও হয়। অটো আর রিকশায় জট পাকিয়ে আছে। নিঃশঙ্ক মানুষ মোড়ের মাথায় রাস্তাজুড়ে পেঙ্গুইন পাখি। খুব ভ্যাঁক ভ্যাঁক করলে একটু হেলতে পারে।

    ১৯৪৭ সাল, ভারত স্বাধীন হল। স্বাধীন দেশের স্বাধীন মানুষ। হ্যাঁচড়াতে পারে, ছ্যাঁচড়াতে পারে, মারতে পারে, মরতে পারে, পোড়াতে পারে, পুড়তে পারে জয় হিন্দ।

    মামার বাড়ির সামনে এক ছটাক জমি আছে। দরজায় একটা কলিংবেল আছে। টেপা মাত্রই হিন্দি গান। দরজা খুলল না। আবার টিপলুম। অন্য একটা গান। এইবার অসীম বিরক্তি ভরা মুখ নিয়ে একজন মহিলা দরজা খুললেন। মাস তিনেক আগে যখন একবার এসেছিলুম, তখন একে দেখিনি। মনে হয় নতুন কাজে লেগেছে। বয়েস বেশি নয়। খ্যানখেনে গলায় বলল, ‘এখন বাড়িতে কেউ নেই।’

    আমি একটু রসিকতা করার জন্য বললুম, ‘কেউ নেই বলাটা উচিত হল না, দিনকাল খারাপ। রিভলভার নিয়ে ঠেলে ঢুকে পড়লে একা সামলাতে পারবে? কাঁচা কাজ করলে।’

    ‘একবার ঢোকার চেষ্টা করে দেখো না। কালো মতো এত বড় একটা কুকুর আছে। ডাঁটা চিবিয়ে নেবে।’

    ‘আরে আমি তোমার বাবুর ভাগনে। আমাকে তুমি দেখোনি তাই।’

    ‘সে তুমি ভাগনেই হও আর ভাসুর পো-ই হও। ওদের অবত্তমানে বাড়িতে ঢোকার উপায় নাই। আমার ওপর যেমন হুকুম, আমি তার কী করব!’

    ‘আমাকে কি তোমার বদলোক মনে হচ্ছে!’

    পাল্টা প্রশ্ন, ‘আমাকে কি তোমার বদ মেয়েমানুষ মনে হচ্ছে!’

    ‘না, একেবারেই না।’

    ‘এরা আগেই আমার নাম থানায় লিখিয়ে রেখেছে। একটা ছবি তুলিয়ে রেখেছে। কুকুর দিয়ে শুঁকিয়েছে। পেটের জন্য মানুষের কী হেনস্থা। আমাদের লাইনে চোর ডাকাত ঢুকে পড়েছে। তোমাদের লাইনেও। কী করা যাবে! এই যে তুমি বলছ ভাগনে, আমি বিশ্বাস করছি না। তোমার চোখের চাউনি ভাল নয়।’

    ‘সে তো তোমার চোখের চাউনিও ভাল নয়!’

    ‘সে তো তোমাকে দেখে আমাকে এইভাবেই চাইতে হচ্ছে। তা না হলে আমার আসল দিষ্টি হেমা মালিনীর মতো।’

    ‘বেশ হয়েছে এখন অতিথিকে এক গেলাস জল খাওয়াও।’

    ‘অয়। ওইটি হবে না বাপু। বাবু আমাকে শিকিয়ে দিয়েছে, ওরা জল খাওয়ার বায়না করে ঢুকে ঘোল খাইয়ে দিয়ে চলে যায়। তেমন ভাল তেষ্টা পেয়ে থাকলে দোকানে গিয়ে বোতলের জল খেয়ে নাও।’

    ‘বাবুরা গেছে কোথায়?’

    ‘জানলেও বলব না।’

    নাকের ওপর দ্রাম করে দরজা বন্ধ হয়ে গেল। চিলি চিকেন, চাওমিন, সব ভেতরে। সেই অ্যালসেসিয়ানটার বিখ্যাত হুঙ্কার। মামা পার্টির লোক। আর কিছুক্ষণ ধানায় পানায় করলেই জনা কুড়ি এসে, বাবুকে বানিয়ে দেবে।

    গঙ্গা পেরলেই বেলুড়। বেলুড় ঘাট থেকে স্টেশন কমসে কম তিন মাইল। মারো পয়দাল। এতক্ষণে অবরোধ খুলে গেছে। একালের ম্যালেরিয়াও এক দাগে সারে। পাঁচ মিনিটের লেকচারে রেলের কনস্টিপেশান কেটে যাবে। বর্ধমান যদি যায় তো যেতেই হবে। দিদির ছোট ননদের মেয়ের অন্নপ্রাশন। পয়সা আছে, খাওয়াবে ভাল।

    স্টেশনে এসে জানা গেল, মেন নয়, কর্ড দিয়ে থেকে থেকে ট্রেন যাচ্ছে। তা যাক, গেলেই হল। আজকাল তো বাইপাসের যুগ। অল্প কোস্তাকুস্তির পর ট্রেনে জায়গা পেলুম। ফিটফাট বাবুরা সব বসে আছেন। মনে হয় ম্যারেজ পার্টি। একজনের হাতে আড়বাঁশির মতো কি একটা রয়েছে। বিয়ে বাড়ি তো, গান বাজনা হবে।

    ট্রেন চলছে, বেশ ভালই যাচ্ছে। হঠাৎ সেই বাবুরা সবাই একসঙ্গে উঠে দাঁড়াল। একজন একটা ব্রিফকেস খুলে শক্ত শক্ত গোটাকতক কী জিনিস, এর ওর হাতে ধরিয়ে দিল। আর একজন একটা বড় মাপের ব্যাগ খুলে, মুখটা ফাঁক করে খালি আসনের ওপর রাখল। সবই খুব নিখুঁতভাবে হচ্ছে। তবে কী হচ্ছে, বুঝতে পারছি না।

    সবচেয়ে লম্বা ছেলেটি মিষ্টি গলায় বলল, ‘বন্ধুগণ, এইবার আমাদের কলেকশন হবে। যার যা মালকড়ি আছে, যাকে বলে যথাসর্বস্ব, সব এই ব্যাগে ফেলুন। জোলাপ খেলে যেমন খোলসা হয়, ঠিক সেইভাবে খোলসা হয়ে যান, নয় তো আমাদের ভুস দিতে হবে। ভদ্রলোকের ছেলে আপনারা, সেটা কী ভাল দেখাবে।’

    যার হাতে বাঁশি ছিল, সে বাঁশি বাজাচ্ছে, আর একজন খঞ্জনি, তারস্বরে নাম সঙ্কীর্তন, প্রেম তা নিতাই বলে, হরে কৃষ্ণ হরে রাম, গৌর হরি হরি বোল।

    আমি হঠাৎ বলে ফেলেছি, ‘রিভলভার।’

    থুঁথনিতে আঙুল রেখে দলের একজন বলল, ‘এ শালা কোরা মাল!’

    সঙ্গে সঙ্গে নেতা তাকে এক ধমক মেরে বলল, ‘কাস্টমারের সঙ্গে ভদ্রভাবে কথা বল। আপনার কাছে যা আছে সব ওই ব্যাগে অঞ্জলি দিন। দুনিয়ায় কর্মফল ছাড়া নিজের বলে কিছুই নেই বাবা। হাতঘড়িটা দেখ তো! সত্তর টাকার কোয়ার্জ হলে ছেড়ে দে।’

    সহকারী দেখে বলল, ‘এক নম্বর মাল।’

    ‘খুলে নে। জামাটা দেখ, বেশ চেকনাই দিচ্ছে।’

    দেখেশুনে সহকারী বলল, ‘এইটটি টোয়েন্টি। কালারের ভেতরটা দেখে মনে হচ্ছে, মাল আজই চড়িয়েছে।’

    ‘খুলে নে, খুলে নে, মোহমুক্ত কর। প্যান্টটাও নতুন। নামিয়ে দে।’

    ‘প্রভু, গেঞ্জিটাও সরেস। মেকারি মাল।’

    উতরে নে।’

    করুণ গলায় আবেদন জানালুম, ‘প্রভু, আমি যে নেমন্তন্ন বাড়ি যাচ্ছি। সব খুলে নিলে যাই কী করে। টাকাপয়সা যা ছিল সবই তো দিয়েছি। প্রেজেন্টেশানের আংটিটাও দিয়ে দিয়েছি।’

    ‘কথা বাড়িও না খোকা, তা হলে বার্থডে স্যুটটাও খুলে নেব।’

    নেতা বলল, ‘আমরা আমাদের কাস্টমারদের ফ্রি কৌপীনও সাপ্লাই করি। তলাটা কী একেবারে উদোম, কথা বলছে, আর রিভলভারটাকে মাঝে মাঝে ডিগবাজি খাওয়াচ্ছে। চোখ বুজিয়ে ট্রাউজারটা খুলে ফেললুম।’

    চেলা সেটাকে পাট করতে করতে বলল, ‘এই তো তলায় একটা চিরকুট তো রয়েছে। গলায় আবার ওটা কী ঝুলছে!’

    নেতা বলল, ‘ওল্ড স্টকের মাল। ওকে বলে পইতে। কদাচিৎ ব্রাহ্মণদের গলায় দোল খায়। থেকে থেকে ধোপার বাড়ি চলে যায়। পইতে যখন রয়েছে ঘুনসিতে, সোনার মাদুলি থাকতে পারে। চেক কর।’

    চোখ বুজিয়ে বুজিয়েই বললুম, ‘বিশ্বাস করুন। আমার ঘুনসিই নেই তো কবজ, মাদুলি।’

    নেতা বলল, ছেড়ে দে। প্যানপ্যানানি শুনলে মাথা গরম হয়ে যায়।’

    কম্পার্টমেন্টের ওপাশে ফটাস করে একটা শব্দ হল। চমকে চোখ মেলতেই, নেতা বলল, ও কিছু নয়, ধানায়পানায় করছিল, রিভলভারের কুঁদো দিয়ে মাথাটাকে ওপেন করে দেওয়া হল।’

    চেলা বলল, ‘প্রভু! এ মালের সব খালাশ করে নিয়েছি। চশমাটা কী করব। ফ্রেমটা দামি।’

    ‘দামি তো, খুলে নে। জিজ্ঞেস করছিস কেন?’

    আমি হাত জোড় করে বললুম, ‘ভাই, চশমাটা নিলে একেবারে অন্ধ হয়ে যাব।’

    চেলা এক চিলতে উপদেশ ঝেড়ে দিল, ‘যে দেশে এত বেকার, সে দেশে সোনার চশমা পরে রেলা মারা কেন চাঁদু! নাও কাঁচ দুটো খুলে দিচ্ছি, লোহার ফ্রেমে ফিট করে নিও।’

    ‘আপনি খুলতে পারবেন না, ভেঙে ফেলবেন।’

    ‘ক্যা বলেছে। আমাদের টিমে টেকনোলজির অভাব নেই। ট্রেনের পাখা থেকে, মানুষের দাঁত সব আমরা খুলতে পারি। মেটাল ডিটেক্টার দিয়ে দাঁতে মেটাল ফিল করা আছে কি না দেখে, সাঁড়াশি দিয়ে উপড়ে আনি। তুলো ফ্রি।’

    নেতা বলল, ‘হারি আপ।’

    চেলা বলল, ‘শরীরে একটা চিরকুট ছাড়া আর কিছু নেই। বেশ ভ্যালুয়েবল মাল মাইরি। কলা গাছের মতো। থোড় খাও, মোচা খাও, কলা খাও। শরীরে ফালতু মাল একটাও ছিল না।’

    নেতা বলল, ‘তোর তো শুধু উচুর দিকে নজর, তাই দেখতে পেলি না। পায়ের দিকে তাকা, বিনীত হ! পায়ে যে পাঁচশো টাকা পড়ে আছে রে! কী জুতো পরে আছে দেখেছিস।’

    ব্যাগ ভরে উপচে পড়ছে। আমাকে আর একবার সার্টিফিকেট দিল, ‘সলিড মাল, তু চিজ বড়ি হ্যায় মস্ত মস্ত।’ নেতা বলল, ‘আপনারা সকলে সুখে থাকুন।’

    চেন টেনে ফাঁকা মাঠে নেমে গেল। এতক্ষণ কারও মুখে কোনও কথা ছিল না। নেমে যেতেই আমার পাশের ভদ্রলোক চিৎকার করে উঠলেন, ‘আপনাদের মশাই রেজিস্ট করা উচিত ছিল।’ ওপাশ থেকে একজন বললেন, ‘ওদের মশাই লাইসেন্স আছে, বখেরা ফিফটি ফিফটি।’

    পাশের ভদ্রলোক ক্ষিপ্ত হয়ে বললেন, ‘ওরা জানে না আমি কে! পি ডবলু ডি-র অফিসার।’

    ওপাশ থেকে জবাব এল, তাহলে ওদের সঙ্গেই নেমে গেলেন না কেন! একই গোত্রের তো।’

    ‘হোয়াট ডু ইউ মিন।’

    ‘পশ্চিমবাংলার রাস্তাঘাট! ওয়ার্ড ব্যাঙ্কের টাকা যাচ্ছে কোথায়!’

    ‘আমি পি ভি নরসিমা রাওকে লিখব।’

    ‘হাইকোর্ট থেকে সুপ্রিম কোর্টে যায়। আপনি সুপ্রিম থেকে হাই। পি ডবলু ডি!’

    ভদ্রলোক চাপা গলায় বললেন, ‘ফালতু, সব কাওয়ার্ডের দল, সিন কমপুপ।’

    স্টেশনের নাম কামারকুণ্ডু। বিরাট একটা দল সেখানে জটলা করছে। হাফ প্যান্ট, স্যান্ডো গেঞ্জি, কোমরে তোয়ালে, অথবা গামছা। কাঁধে বাঁক। ট্রেন থেকে আরও একদল নেমে এল ওই ইউনিফর্মেই। দলে বেশ কিছু কমবয়সী মেয়েও আছে। সবাই মিলে জিগির দিল, ‘জয়বাবা তারকনাথ। ভোলে বাবা—পার করেগা।

    এই গ্রুপটায় আমি বেশ ফিট করে গেলুম।

    একজন বলল, ‘দাদা, সব খুলে ফেলেছেন। এই না হলে ভক্ত! আমরা পারিনি দাদা। হাফ প্যান্ট, হাফ ভক্ত।’

    চোখে চশমা নেই। সব ঝাপসা দেখছি। দোনো আঁখিমেই ফোর পয়েন্ট ফাইভ মাইনাস।

    চোখের ডাক্তারের কায়দায় দু হাতের বৃদ্ধাঙ্গুষ্ঠ ও তর্জনী দিয়ে ফ্রেম ছাড়া লেনস দুটো চোখের সামনে ধরে পরিবেশটাকে পরিষ্কার দেখার চেষ্টা করলুম। অগণিত, উদ্বেলিত, উত্তেজিত শিবভক্তের দল তার মাঝে আমি এক তিন পোয়া বা বারো আনা ভক্ত। এক সের, এক টাকা ভক্ত হতে পারিনি, কারণ এক ছটাক জাঙ্গিয়াটা এখনও নিম্নাঙ্গে সেঁটে আছে। এই প্রথম উপলব্ধি করলুম, অঙ্গে কিছু না থাকার গৌরব। সাহস করে সব খুলতে পারেন বলেই, সুন্দরীরা বিশ্বসুন্দরী।

    চোখের সামনে লেনস ধরে সেই হাফ ভক্তকে ধর্মগুরুর মতো বিভোরভাবে বললুম, ‘ভাই বাবার কৃপায় তিন ছটাক হতে পেরেছি। এক ছটাক ভোগ এখনও লেগে আছে। বলো, বলো, ভোলেবাবা পার করে গা, ভোল বোম্, তারক বোম্। দুটোই ফাটে, বম বম্ব।’

    সেই দলে মিশে নাচতে নাচতে শ্রাবণের ভক্ত স্রোতে সোজা তারকেশ্বরের দিকে এগোচ্ছি। সঙ্গে সঙ্গীত:

    একটুখানি আছে বাকি

    এই একটু গেলে আরও বাঁচি,

    টুইঙ্কল টুইঙ্কল লিটল স্টার

    হাউ আই ওয়ান্ডার

    হোয়াট ইউ আর

    ভোল বোম্ তারক বোম্

    নাচে ভোলা ববম বোম্।।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপরমপদকমলে – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    Next Article একা – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    গুহা – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    হর-পার্বতী সংবাদ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    সাজাহানের জতুগৃহ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    শ্রীকৃষ্ণের শেষ কটা দিন – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    মনুষ্যক্লেশ নিবারণী সমিতি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    মধুর এক প্রেমকাহিনি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }