Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    শ্বেতপাথরের টেবিল – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প279 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    জুতো

    জুতোটা কিনতে অনেক কসরত করতে হল। জুতো কেনা আর চুল কাটা প্রায় একই ব্যাপার। অনেক পাঁয়তারা কষে তবেই চুল কাটা যায়, তবেই জুতো কেনা যায়। প্রথমত পুরনো জুতোর একটা আলাদা সোহাগ আছে, পুরনো স্ত্রীর মতোই। সেই সোহাগ ছেড়ে নতুন জুতোয় সহজে পা গলাতে ইচ্ছে করে না; টাকাটা অনেকদিন ধরেই পকেটে ঘুরছিল। রোজই ঘুরে ঘুরে বাড়ি ফিরে আসছিল। আর প্রতিদিনই সেই টাকা থেকে একটা দুটো খরচ হয়ে যাচ্ছিল। শেষে প্রায় মরিয়া হয়ে এক সন্ধ্যায় জুতোজোড়া কিনেই ফেললুম। শো-উইন্ডোর কাচে নাক ঠেকিয়ে প্রথম সব রকমের জুতো যতটা সম্ভব সময় নিয়ে পরিদর্শন করে ফেললুম। উইন্ডোর কাচটা এমন পরিষ্কার যে কাচ আছে কি নেই বুঝতে না পেরে মাথাটা কাছে আনতে গিয়ে নাকটা ধাঁই করে কাচে ঠুকে গেল। চোখ দিয়ে একটু জলও বেরুল। আশেপাশে লোক ছিল, পাছে তাঁরা ভাবেন—লোকটা গেঁয়ো ভূত, তাই নাকটা কাচেই ঠেকিয়ে রাখলাম—যেন কাচে নাক ঠেকিয়ে জুতো দেখাই আমার অনেক দিনের অভ্যাস। জুতোর পাশে যে সব টিকিট খাড়া করে রাখা ছিল তাতে দামের বহর দেখে এক কাপ চা খেতে ইচ্ছে করল। কাচ থেকে নাকটা তুলে জোরে জোরে নিশ্বাস নিলুম। পাশ দিয়ে একজন সুন্দর চেহারার মহিলা যাচ্ছিলেন। মহিলাদের দেখলেই আমার কী রকম আপনার লোক বলে মনে হয়। ভাবলাম মহিলাকে থামিয়ে জিজ্ঞেস করি—এত দাম দিয়ে আমার একজোড়া জুতো কেনা উচিত হবে কি না? আসলে আমি তখন আমার এই কেনার ব্যাপারে একটা জোরালো নৈতিক সমর্থন খুঁজছিলাম। ভদ্রমহিলাকে পায়ের জুতোটা দেখিয়ে বললুম—এই অবস্থা! উপরের সাজটাই আছে তলাটা নেই বললেই চলে। পায়ের তলাটাই জুতোর তলার কাজ করে। মসৃণ পিচের রাস্তায় নো-ট্রাবল, কেবল খোয়া-ওঠা রাস্তায়, পিচ-গলা রাস্তায় কিংবা বর্ষার রাস্তায় বড় কষ্ট দেয়। এখন বলুন—আমার এই সঙ্কটজনক অবস্থায় একটা জুতো কেনা উচিত নয় কী? ভাবতে ভাবতেই ভদ্রমহিলা অনেক দূরে চলে গেলেন। মহিলাদের সামান্য একটু উসকানিতে কী না করা যায়। লেডি ম্যাকবেথের কথায় এত বড় একটা হত্যাকাণ্ড ঘটে গেল, যার ধাক্‌কায় আজও পর্যন্ত কলেজে কলেজে ছেলেদের প্রাণ যায়। সামান্য এক জোড়া জুতো কেনা তো কিছুই নয়। ভদ্রমহিলার শরীরের শেষ দৃশ্যমান অংশটুকু চোখের বাইরে চলে যাবার পর আবিষ্কার করলুম—সাহসের অভাব ঘটেছে! চাঙ্গা হবার জন্য কাছাকাছি একটা দোকানে গিয়ে এক কাপ চা নিয়ে বসলুম। সত্যি, চায়ের কী গুণ! চা খেতে খেতেই মনের কোণে একটা মরিয়া ভাব চিনচিন করে উঠল। যা থাকে বরাতে, জুতো আজ আমি কিনবই।

    সকলেরই পায়ের একটা সোজা মাপ থাকে। আমার সবই উলটো। পাঁচ-নম্বর পায়ে ঢোকে না, আবার ছ নম্বর হপ্‌ হপ্‌ করে খুলে যায়। দোকানের বিক্রেতা এক নজরে আমার পা-টা দেখে নিয়েই বললেন—পাঁচই আপনার সাইজ। কথাটা বলেই এক টিপ নস্যি নিয়ে একটা অ্যালুমিনিয়ামের মই বেয়ে টঙে উঠে গেলেন। সেখানে পর পর জুতোর বাক্স ডাঁই করা। এক সার বাক্সের উপর দিয়ে হাতের একটা আঙুল সড়াক করে উপর থেকে নীচে নামিয়ে এনে একটা বাক্স অদ্ভুত কায়দায় টেনে বের করে নেমে এলেন।

    ভদ্রলোকের মইয়ের উপর ওঠা আর নামাটা যেমন গ্রেসফুল, তেমনি জুতোর বাক্সটাকে খুলে জুতো দুটোকে তলায় তলায় ঠাস্ ঠাস্ করে ঠুকে আলতোভাবে হাতের উপর ডিগবাজি খাইয়ে হাঁটু গেড়ে বসার ভঙ্গিটিও চমৎকার। শুধু এইটুকু খেলা দেখাবার জন্যই আমি কিছু টাকা দিতে প্রস্তুত ছিলাম। ভদ্রলোক আমার ডান পাটাকে জুতো পরাবার বাক্সের উপর টেনে নিয়ে, জুতোটা আঙুলের উপর লাগালেন। আমার নিজের চেষ্টায় পা ঢুকল না। ভদ্রলোক একটু ধমক দিলেন—দুর মশাই, ঘোড়া দেখলে দেখি খোঁড়া হন। আয়েস করে পা ঢোকালে ঢোকে? একটু উঠে ঢোকাবার চেষ্টা করতে হয়। ভদ্রলোকের প্রেরণায় উৎসাহিত হয়ে উঠে একটু বেশি চাপ দিতেই, জুতোর গোড়ালিটা একটু দোমড়াল মাত্র, আমার অবাধ্য পা কিন্তু সেই জুতো আর জুতোর মধ্যেকার শূন্যতার মাঝখানে বিদ্রোহীর মতো রয়ে গেল। পাছে গোড়ালি মচকে জুতো ড্যামেজ হয়ে যায় সেই ভয়ে ভদ্রলোক হাঁ হাঁ করে উঠলেন—আহা, করেন কী, করেন কী! সব কিছুই সইয়ে সইয়ে ঢাকাতে হয়। ভদ্রলোক তাড়াতাড়ি উঠে গিয়ে জুতো পরাবার জিভ কোথা থেকে জোগাড় করে নিয়ে এলেন। জিভটাকে পায়ের ফাঁকে ঢুকিয়ে ভীষণ একটা কাণ্ড করলেন। পায়ে সুড়সুড়ি লাগছিল বলে আমি মাঝে মাঝে কুঁচকে যাচ্ছিলাম। তাতে ভদ্রলোক বিরক্ত হচ্ছিলেন—মেয়েছেলেকেও হার মানালেন। অবশেষে দুজনের প্রাণপণ চেষ্টায় পা ঢুকল।

    —নিন, এবার হেঁটে দেখুন—

    দোকানের ঢালাও দড়ির পাপোশে ল্যাংচাতে ল্যাংচাতে দু-কদম হেঁটে ফিরে এলুম নিজের আসনে, যেখান থেকে স্টার্ট করেছিলুম সেইখানেই। খাটো একটা জুতো পরাবার একদিকে উঁচু একদিকে গড়ানে টুলের উপর বসে হাসি-হাসি মুখে ভদ্রলোক আমাকে বিজয়ীর সম্মানে রিসিভ করলেন—

    —কী! বলেছিলুম কি না! পাঁচই আপনার সাইজ?

    —কিন্তু ভীষণ যে লাগছে! মরে যাবার মতো লাগছে।

    —সব মনের ভুল মশাই। ও-রকম মনে হয়। বাঙালি তো মরেই আছে, তাহলে লাগে কী করে?

    আমি ভয়ে ভয়ে বললাম—আমি বোধহয় বেঁচে আছি তাই এত লাগছে। পায়ে পক্ষাঘাত না হলে এ জুতো পায়ে রাখে কার বাপের সাধ্যি! এ জুতো পা থেকে খুলবে তো না, কেটে বের করতে হবে!

    ভদ্রলোক আমার ভয় দেখে হাঁ হয়ে গেলেন। শেষে পকেট থেকে নস্যি বের করে এক টিপ নিয়ে আমায় বললেন—নেবেন?

    —নস্যি আমি নিই না।

    —একেবারে এলেবেলে আপনি। শুনুন, প্রথম প্রথম সব নতুন জিনিসই একটু লাগে, পরে ঠিক হয়ে যায়। জুতো কী মশাই গোলাপের পাপড়ি, না ঘাসে ঢাকা জমি, না পারসি কার্পেট! গরুর চামড়ায় পেরেক সেঁটে পাদুকা হয়। আপনার মতো আউপাতালে লোকের তুলোর বা পশমের জুতো পরা উচিত।

    আমি ভদ্রলোককে একটু শান্ত করে বলি—আহা, রাগছেন কেন? সবই জানি, কিন্তু জুতোটা তো সাইজ মতো হওয়া চাই?

    —সাইজ? ভদ্রলোক যেন তেলেবেগুনে জ্বলে উঠলেন। —বেসাইজের লোক আপনি সাইজ খুঁজছেন। কটা লোকের পায়ে মশাই জুতো ফিট করে! জুতোতেই পা ফিট করাতে হয়। ২৪ বছর ধরে জুতো বেচছি—আমাকে ফিটিং শেখাবেন না। আমার কাছে শুনে রাখুন, পরে কাজে লাগবে—জুতোতে পা ফিট করাতে হয়, চশমায় চোখ, স্ত্রীতে স্বামী।

    কথা বলতে বলতেই জুতো প্যাক হয়ে গেল। জুতোটাকে অদ্ভুত কায়দায় যে-ভদ্রলোক বিল করছিলেন, তাঁর দিকে ছুঁড়ে দিয়ে বললেন—বিল করুন!

    আমার খুঁতখুঁতুনি তখনও গেল না—জুতোটা ঠিক ফিট করল না, ঠিক ফিট করল না।

    ভদ্রলোক এবার বেশ রেগেই বললেন—আবার সেই ফিট্‌ ফিট্‌ করছেন? শুনলেন কী? জুতো কারুর ফিট করে না। জীবনে খুঁতখুঁতে স্বভাবের লোকেরা কখনও সুখী হয় না। যা পাবেন তাই পরবেন, যা পাবেন তাই খাবেন।

    জুতোর বাক্স বগলদাবা করে বেরিয়ে এলুম। বাপ্‌স, কী পাল্লায় পড়েছিলুম। নতুন জুতো পরেই তো আর রাস্তায় বেরুনো যায় না। জুতো পায়ে ব্রেক করতে হয়। রাতে খাওয়া-দাওয়ার পর জুতো জোড়া বের করে পায়ে ঢোকাতে গিয়েই হিমসিম! জুতো-পরার চামচ ছিল না। হঠাৎ মনে পড়ল শীতকালে ঠোঁটে লাগাবার জন্য একটিন পেট্রোলিয়াম জেলি ছিল তাকে তোলা। খানিকটা জেলি গোড়ালিতে লাগিয়ে একটু চাপ দিতেই পা ঢুকে গেল। পাঞ্জায় আর আঙুলে ভীষণ চাপ লাগল। পায়ের পাঁচটা আঙুল একটা আর একটার ঘাড়ে উঠে, এক সঙ্গে জড়াজড়ি করে জুতোর সামনের দিকটায় একটা অসুবিধের সৃষ্টি করল। কিন্তু জুতোটা যে বেশ ছোটখাটো মাপসই সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। প্রথমে দাঁড়াতে একটু অসুবিধে হল। পায়ের প্রধান শিরার ওপর চাপ পড়ে পা টনটন করছিল। শুনেছি ব্যথা বেদনার উপলব্ধি সবই হল মনের ব্যাপার। কত লোক তো অবলীলাক্রমে কাচের উপর, আগুনের উপর দিয়ে হেঁটে যায়, চড়কগাছ চেপে পিছনে লোহার হুক গেঁথে বন্‌ বন্‌ করে ঘোরে। মহামতি ভীষ্ম তো শরশয্যায় শুয়ে শুয়ে জীবনটা কাটিয়ে গেলেন। যিশুখ্রিস্ট ক্রুশে পেরেক বেঁধা হয়ে কেবল হাসি-হাসি মুখে কয়েকদিন কাটিয়ে দিলেন, আর আমি এই সামান্য যন্ত্রণা সহ্য করতে পারব না…।

    স্বামীজি বলেছিলেন, ব্যথার জায়গা থেকে মনটাকে তুলে নেবার কৌশলটা আয়ত্ত করতে পারলে দৈহিক যন্ত্রণার কোনও উপলদ্ধিই থাকবে না। শোবার ঘরের মেজেতে এক-পা হাঁটি আর সেই কৌশলটা আয়ত্ত করার চেষ্টা করি। কতক্ষণ পায়চারি করেছিলুম মনে নেই, হঠাৎ দেখি নীচের ফ্ল্যাটের ছেলেটি উপরে উঠে এসেছে—বাবা বলে পাঠালেন রাত প্রায় সাড়ে বারোটা হল, আমরা নীচে কেউ চোখ বুজতে পারছি না, আপনি তো আগে কখনও এমনভাবে ঘণ্টার ঘর ঘণ্টা জুতো পায়ে ঘরময় দুরমুশ করে বেড়াতেন না।

    —তাই নাকি? তবে জেনে রাখো, যতক্ষণ না এক মাইল হাঁটা শেষ হচ্ছে, ততক্ষণ আমাকে হাঁটতেই হবে। তুমি জানো না—আফ্‌টার সাপার ওয়াক এ মাইল।

    ছেলেটিকে বিদেয় করে—ওয়াক এ মাইলের মহড়া চলল। না দেখলেও অনুমানে বুঝলাম আমার ঘরের নীচে একটি পরিবার কেমন আতঙ্কে কড়িকাঠের দিকে তাকিয়ে আছে। একটা বাজল ঢং করে, পাপপাশের উপর জুতো জোড়া খুলে রেখে, বিছানায় পা তুলে বসলাম। হাতে বার্নলের টিউব। ক্ষতবিক্ষত পায়ের চিকিৎসায় মিনিট পনেরো কাটল।

    আমার খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলাটা, অফিসের প্রথমেই যাঁর নজরে পড়ল, তিনি হলেন বড়বাবু। বড়বাবু ইদানীং আমার ব্যক্তিগত ব্যাপারেও একটু মাথা ঘামাচ্ছেন। দুর্জনে বলে— বড়বাবুর নাকি একটি বিবাহযোগ্য মেয়ে আছে। লম্বা চওড়া। দৈর্ঘ্যে প্রস্থে সমান। ডাকসাইটে মেয়ে। বড়বাবু বললেন—নতুন জুতো পরলে প্রথম প্রথম একটু একটু ফোসকাটোসকা হবেই বাবা। এ কী সাহেববাড়ির জুতো! আমাদের যৌবনকালে সব পরতুম। পায়ে জুতো আছে কি নেই বোঝাই যেত না। হাঁটলে একটা মোলায়েম মুচমুচ আওয়াজ হত। সেই শব্দটার অনুসরণ করে মাইলের পর মাইল হাঁটা যেত। জুতোটা কি তোমার একটু টাইট হয়েছে?

    —একটু বোধহয় হয়েছে। আমার পায়ে জুতো ঠিক লাগে না। সাইজের গোলমাল আছে। পাঁচ আর ছয়ের মাঝখানে—

    —ওই তো মুশকিল বাবা। সেই মধ্যবিত্তের সমস্যা। মাঝামাঝি থাকার বিপদ।

    বড়বাবু একটা তৃপ্তির হাসি হাসলেন। পায়ের মাপ আর জুতোর মাপের গোলমালের ঝাঁকে মধ্যবিত্তের উপমা ঢুকিয়ে বেশ একটা ইন্টেলেক্‌চুয়েল ঘুষি হাঁকিয়েছেন ভেবে কেমন একটা গদগদ ভাব মুখের চেহারায় ফুটিয়ে তুলল।

    বড়বাবুর পাশে বসেন টাইপিস্ট কালীবাবু। একমাথা পাকা চুল। ঠোঁটের উপর ঝ্যাঁটা গোঁফ। চিবিয়ে চিবিয়ে কথা বলেন। মেয়েদের দিকে মিটিমিটি চান। কিছু টাইপ করতে দিলে মহা বিরক্তি। গল্প করতে পারলে মহা খুশি। কালীবাবু বললেন—জুতো সব সময় বড় কিনবে। বড় জুতো ছোট করা যায় সুকতলা-মুকতলা দিয়ে। কিন্তু ছোট জুতোকে বড় করা, বুঝলে কি না, ভেরি ডিফিকাল্ট।

    বড়বাবু বললেন—জুতো বড়ও ভাল না, ছোটও ভাল না। ঠিক ঠিক মাপের হতে হবে। তুমি জুতোর কী বোঝ কালী। সারা জীবন তো টায়ারের চটি পায়ে দিয়েই কাটালে।

    —টায়ারের চটি পায়ে দেয়া শুরু করেছি, মেয়ের বিয়ের পর, তার আগে আপনি আমার পায়ে গ্রিসিয়ান দেখেননি?

    —তুমি জুতোর কথা আমাকে বলতে এসো না। এখনও রবিবার আমার বাড়িতে গেলে দেখবে, দুপুরবেলা ঘুমটুম ছেড়ে আমি বসে আছি, চারদিকে ছড়ানো কমসে কম পনেরো জোড়া জুতো। এক-একটার এক-একরকম ধাত।

    —জুতো আপনিও আমাকে দেখাবেন না। আবার বাবা ছিলেন জি পি ও-র বড়বাবু। কমসে কম ষাট জোড়া জুতো ছিল বাড়িতে। বাবার তো কথায় কথায় জুতো—এক-একটার এক-এক রকম স্বাদ।

    বড়বাবু ফাইলের মধ্যে থেকে ঠাসা দু’পাতার একটা ড্রাফ্‌ট বের করে কালীবাবুকে ধরিয়ে দিলেন। দুটোর মধ্যে চাই। বড়বাবুর সঙ্গে তর্ক করার শাস্তি। কালীবাবু বেজার মুখে বাক্স পেটাতে বসলেন।

    —তুমি এক কাজ করে অরিন্দম। বড়বাবু একটা রাস্তা বাতলালেন—পোয়াটাক টকদই কিনে জুতোটাকে খাওয়াও।

    আমি বোকার মতো প্রশ্ন করলুম—কীভাবে, ঘোল করে?

    —আরে না না। একটা ন্যাকড়া দিয়ে থ্যাপ থ্যাপ করে জুতো দুটোর আষ্টেপৃষ্টে মাখিয়ে ফেলে রাখবে একদিন, দেখবে নরম তুলতুলে হয়ে গেছে।

    —আরে না না, দই মাখিয়ে কী হবে? কালীবাবু টাইপ করতে করতেই বললেন। বড়বাবু একবার কটমট করে তাকালেন। কোনও কাজ হল না। কালীবাবু তখন মরিয়া। টাইপের হাত থেকে যখন নিষ্কৃতি পেলেন না, তখন বড়বাবুকে খাতির করার কী মানে। কালীবাবু বললেন—দইটা ঘোল করে খেও। জুতোটাকে জলে ভিজিয়ে লাশে চাপিয়ে রাখো একদিন। দেখবে ঠিক হয়ে গেছে।

    —লাশে মানে? বেশ অবাক হলাম। লাশ মানে তো মৃতদেহ। শেষে কী জুতোর জন্য শব সাধনা করতে হবে?

    আরে দূর। বড়বাবু ঠোঁট উল্টে কালীবাবুকে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করলেন। কিচ্ছু জানে না। লাশ নয়, লাশ নয়। আসল শব্দটা হল লাস্ট—শু লাস্ট। জুতোর দোকানে দেখোনি, সারি সারি ঝোলে—কাঠের তৈরি পায়ের পাতার মতো দেখতে। আচ্ছা তোমার অত হাঙ্গামার দরকার কী? তুমি জুতো জোড়া আমার বাড়িতে পৌঁছে দিও। মালু এইসব ব্যাপারে এক্সপার্ট।

    মালু হল বড়বাবুর সেই ম্যাগনাম মেয়ে, ভাল নাম মলিনা। রাতে বাড়ি ফিরতেই, নীচের ফ্ল্যাটের প্রতাপবাবু সিঁড়ির মুখে হাত জোড় করে বললেন—আমার স্ত্রী বড় অসুস্থ। আজ আর দয়া করে ওয়াক-এ-মাইল করবেন না। এই নিন আমি একটা হজমের জন্য এনজাইম কিনে এনেছি। একটা ক্যাপসুলেই একশো মাইল হাঁটার এফেক্ট পাবেন।

    ওষুধের ফাইলটা হাতে নিয়ে উপরে উঠে এলুম। পায়ের যা অবস্থা, জুতো আর পায়ে উঠবে না। পাপোশের উপর জুতো দুপাটি নির্বোধের মতো বসে আছে। চক্‌চকে শরীরে মিহি ধুলো জমেছে। একটা ব্রাশ দিয়ে ধুলো ঝেড়ে জুতো যেখানে ছিল সেখানেই রেখে দিলুম।

    তিন চার দিন পরে পাটা একটু সুস্থ হতেই, আহাম্মকের মতো একটা ঝুঁকি নিয়ে ফেললুম। সকালে চানটান করে খাওয়া-দাওয়ার পর, কী খেয়াল হল, নতুন জুতোয় একবার পা গলাবার ইচ্ছে হল। জুতো দুপাটি সহজেই পায়ে উঠে এল। আশ্চর্য। এ কী—তাহলে সকালের জুতো? বিকেলে পা গলাতে ফাটাফাটি, সকালে সো ইজি। পুজোর মুখ। হাওয়ায় শীতের কামড় লেগেছে। নতুন জুতো পায়েই সাহস করে অফিসে চলে এলুম। সাহস করে রাস্তায় পরে না বেরুলে আর কবে বেরুব। পয়সা খরচ করে কেনা, পরার জন্যই তো। অত পয়সা নেই যে কথায় কথায় জুতো কিনব।

    বাড়ি থেকে বাসস্ট্যান্ড অবধি রিকশায় আসি। সেখান থেকে বাস। অফিস পাড়ায় বাস থেকে নেমে খানিকটা হাঁটতে হয়। বাসে ওঠার সময় এক ভদ্রলোক জুতোটা মাড়িয়ে দিলেন। বিশ্রী একটা দাগ হয়ে গেল। ভদ্রলোক এর চেয়ে যদি আমার মুখে এক ঘা জুতো লাগাতেন, কিছু বলার ছিল না। বসে বসে, পকেট থেকে রুমাল বের করে মুখ মুছলাম। ঘনঘন মুখ মুছছি। মুছতে মুছতে এক ফাঁকে নিচু হয়ে ঝট করে জুতোর ডগাটাও মুছে নিলুম। এমন কায়দায় মুছলুম, আশেপাশে কেউ বুঝতেই পারল না। মুখ মোছা আর জুতো মোছা এমন কায়দায় মিলিয়ে দিলুম, ধরার উপায় নেই। বাস থেকে নেমে অফিস, পৌনে এক মাইলের মতো দূরত্ব। প্রথমে একটু কষ্ট লাগছিল। মনের জোরে সে কষ্ট কাটিয়ে উঠলুম।

    লিফ্‌ট থেকে নেমে অফিসের করিডরে যখন হাঁটছি, জুতো থেকে মৃদু মুচমুচ আওয়াজ উঠছে, আর সে কী অসাধারণ জুতোর জেল্লা। অফিসের চেয়ারে বসে যখন কাজ করি, জুতো খুলেই রাখি, পাটা বেশ ঠাণ্ডা থাকে। পায়ের তলার পাদানির উপর পা দুটোকে টান করে পাশাপাশি ফেলে রাখি। চারটে সাড়ে-চারটে নাগাদ মহা বিপদে পড়লুম। জুতোর মধ্যে কিছুতেই আর পা ঢুকতে চায় না। বড়বাবুর ঘন ঘন তলব, অথচ কিছুতেই পায়ে ঢোকাতে পারি না। শেষে খালি পায়েই দৌড়ে গেলুম। ছাপ্পান্ন ইঞ্চি ধুতির কোঁচা লুটোচ্ছে, গায়ে আদ্দির পাঞ্জাবি, এদিকে শুধু পা।

    —এ কী ব্যাপার, অশোচ নাকি? না রাগ করে জুতো পরাই ছেড়ে দিলে। বড়বাবুর যত প্রশ্ন সব এক সঙ্গেই খালি করে দিলেন।

    —আজ্ঞে না, ওসব কিছু না। সেই নতুন জুতো। সকালে বেশ সহজেই পায়ে ঢুকে গেল। কাজ করার সময় একটু খুলে বসেছিলুম। এখন শেষ বেলায় কিছুতেই আর পায়ে ঢুকছে না।

    —এই দেখো, তোমার শরীর বাবা একটু রসস্থ হয়েছে। একাদশী, অমাবস্যা, পূর্ণিমা করো?

    —তার মানে?

    —উপোসটুপোস করো?

    —আজ্ঞে না।

    —হুঁ, এবার থেকে করতে হবে। দুবেলা রুটি খাবে, চিনি খাওয়া কমাও, নুন খাওয়াও কম করো।

    —আজ্ঞে, তাহলে বলছেন জুতোয় সহজেই পা ঢুকবে।

    —হ্যাঁ গো, তোমার পা ফুলেছে। যা বললুম, তা করলে এক মাসের মধ্যে তোমার পা ফোলা কমে যাবে। পা দুটো দেখবে কেমন আমসত্ত্বর মতো পাতলা হয়ে গেছে।

    —কিন্তু এখন কী হবে? জুতো হাতে বাড়ি যেতে হবে!

    —তা কেন? তুমি এক কাজ করো। বড়কর্তা টুরে গেছেন, তুমি ওই ঘরে চলে যাও। ঘরে একটা ডেক চেয়ার আছে, সেইটায় শুয়ে পড়ে পা দুটো উঁচু করে জানালার উপর তুলে দাও। ঘণ্টাখানেক ওইভাবে থাকলে পা চুপসে যাবে।

    বড়কর্তার কামরা গঙ্গার দিকে। ডেক চেয়ারটা একটা পার্টিশানের আড়ালে গঙ্গামুখো ঘোরানো। বড়কর্তা প্রকৃতি-প্রেমিক। কাজের ফাঁকে মাঝে মাঝে মুখে পাইপ দিয়ে এই চেয়ারে গা এলিয়ে দিয়ে গঙ্গা, জাহাজ, উন্মুক্ত আকাশ ইত্যাদি দেখে থাকেন।

    পা দুটো উঁচু করে জানালার উপর তুলে দিয়ে আরাম করে আরাম-কেদারায় বসলুম। সূর্য তখন অস্ত যেতে বসেছে। আকাশে তখন শুকনো চাষের ক্ষেতের মতো কোদালে মেঘ জমেছে। সূর্যের আলো পড়ে সোনার মতো দেখাচ্ছে। ফুরফুরে হাওয়া আসছে। এত ভাল লাগছে। মনে হল একটা কবিতা লিখে ফেলি—মালু, তুমি আমার গোল আলু, সব সময় তুমি যেন আলুথালু। কবিতা বেশিদূর এগোলো না, এর পর কী যে হল বলতে পারব না। ঘুমিয়ে পড়েছিলাম। আমার সেই সর্বনেশে ঘুম। যে ঘুমের জন্য মাসের মধ্যে অন্তত দশদিন আমি বাড়ির স্টপেজে, কী অফিসের স্টপেজে নামতে পারি না। টার্মিনাসে বাস লেগে যায়, আমি তখন হাঁ করে ঘাড় কাত করে ঘুমোই। যে ঘুমের জন্য আমি যশিডি স্টেশনে নামতে গিয়ে পাটনা চলে গিয়েছিলুম, আবার পাটনা থেকে ফিরতি পথে ঘুমোতে ঘুমোতে হাওড়া চলে এসেছিলুম। দুবারই ঘুমের চোটে যশিডি নামা হয়নি। যে ঘুমের জন্য ইদানীং বাসে বা ট্রামে বসার জায়গা পেলেও বসি না। ঘর অন্ধকার। যে আকাশে রোদ ঝলমল করছিল সে আকাশে ঝকঝক করছে এক ঝাঁক তারা। সর্বনাশ! রাত প্রায় সাড়ে আটটা। ঘরের দরজা টেনে দেখি, বাইরে থেকে বন্ধ। কেয়ারটেকারের লোক এসে কখন চাবি দিয়ে গেছে। পার্টিশানের পেছনে ছিলুম, দেখেওনি হয়তো। এখন উপায়। ডাকলেও সাড়া পাব না। এই সব আকাশছোঁয়া বাড়ির কে কোন তলায় আছে কে জানে? কেয়ারটেকার আছেন তেরো তলায়। দরওয়ানরা আছে পাশের একটা ছোট ব্লকে। বহু দূরে ফাঁকা রাস্তার উপর দিয়ে দুএকজন পিঁপড়ের মতো খুদে লোক চলেছে।

    ভীষণ রাগ হল নিজের উপর। সারা রাত থাক পড়ে এই ঘরে। তারপর চুরির দায়ে ধরা পড়। অনেক ভেবে ঠিক করলুম ডিরেক্ট লাইন থেকে কেয়ারটেকারকে ফোন করব। ভয় হল। যদি জিজ্ঞেস করেন, কী করতে ঢুকেছিলেন ওই ঘরে? তারপর একলা না এসে যদি পুলিশ নিয়ে আসেন। তার চেয়ে বড়বাবুকে ফোন করি। করে বলি, একটু কেয়ারটেকারকে বলে দিন, কী অবস্থার মধ্যে ঘরে আটকা পড়েছি।

    অনেকক্ষণ ধরে ফোন বেজে গেল, তারপর নারীকণ্ঠে হ্যালো। কে হতে পারে? বড়বাবুর স্ত্রী অথবা মালু।

    কাকে চাই? বড়বাবুকে দিন না। কে আপনি? অরিন্দম। নামটা শুনেই ভদ্রমহিলা চিৎকার দিলেন—ও মা। বুঝলুম—মালু। বড়বাবুর গলা পাওয়া গেল।

    —সে কী হে। তুমি এখন অফিসে? আটকা পড়েছ। মাই গড। পায়ের খবর কী? জুতো ঢুকেছে?

    জুতোর কথা বলতে খেয়াল হল। আশ্চর্য! জুতো কখন কীভাবে পায়ে চলে এসেছে খেয়াল করিনি। ভয় এমন জিনিস। ভয়ে শুনেছি অনেক কিছু ছোট হয়ে যায়। হাত-পাও যে ছোট হয়ে আসে এই প্রথম দেখলাম।

    —আজ্ঞে হ্যাঁ, জুতো পায়ে ঢুকেছে।

    —দেখেছ কেমন দাওয়াই দিয়েছি। আমার মেয়ে ফোন ধরেছিল। তোমার গলা চেনে না; কিন্তু তোমার নাম অন্তত হাজার বার শুনেছে আমার মুখে। একদিন এসো না। সকাল থেকে থাকবে, খাবে, হইহই করবে, বেড়াবে, মালু ভীষণ বেড়াতে ভালবাসে অথচ সঙ্গী পায় না।

    মহা জ্বালায় পড়া গেল তো। একটু রেগেমেগেই বলতে হল—এখানে তো সারারাত থাকা যায় না। আপনি কেয়ারটেকারকে একবার ফোন করে বলুন—কেন, কীভাবে আটকে গেছি, তা না হলে সন্দেহ করে পুলিসের হাতেই দিয়ে দেবে। একটু তাড়াতাড়ি করুন, রাত প্রায় নটা বাজল।

    —আরে সে তুমি ভেবো না। কেয়ারটেকার আমার দেশের লোক। আরে তুমি তো এক কাণ্ড করেছ হে, এই দেখো মালু শুনে হাসছে, বলছে ঘুম বটে। শুনতে পাচ্ছ না ওর হাসি।

    ওঃ কী যন্ত্রণা। আমি একবার হ্যা হ্যা করে হেসে বললুম—শুনেছি, শুনেছি; আমি ছাড়ছি কেয়ারটেকারকে বলুন।

    ফোন ছেড়ে, বড় কতার ঘূর্ণায়মান চেয়ারে বসে, পোঁ পোঁ করে দুবার ঘুরে নিলুম। সেই নির্জন অফিস ঘরে আমি একা। চারিদিক অন্ধকার। এই বড় বাড়ি থেকে অনেকেই লাফিয়ে পড়ে আত্মহত্যা করেছে। হঠাৎ ঘরের বাইরে করিডরে একটা খসখস আওয়াজ শুনে গায়ে কাঁটা দিয়ে উঠল। সেই সব অশরীরী আত্মাদের কেউ নয়তো। গঙ্গার দিক থেকে একটা হাওয়া এল। টেবিলের উপর একটা ফাইল খড়খড় করে উঠল।

    সাড়ে নটা নাগাদ ঘর থেকে মুক্তি পেলুম। কেয়ারটেকার ভদ্রলোক মুচকি হেসে বললেন—এই সেই জুতো। আর কয়েক ঘণ্টার জন্য বাড়ি যাবেন, না এখানেই শোবার ব্যবস্থা করে দেব! বুঝলাম রসিকতা করছেন। একটা মাত্র লিফ্‌ট চলছিল, একজন মাত্র যাত্রী। নীচে নেমে গেলাম। রাতের অফিস পাড়া। রাস্তায় একটাও লোক নেই। বিশাল বিশাল বাড়ির আনাচে কানাচে অন্ধকার লেপটে আছে। খালি একটা ট্রাম পেয়ে গেলুম। একেবারে ড্রাইভারের পেছনে একটা সিটে জানালার ধারে আরাম করে বসলুম, ভয়ানক ধকল গেছে। কী যাচ্ছেতাই ব্যাপার। দরওয়ান, লিফটম্যান এমনভাবে দেখছিল—যেন আমি একটা চিড়িয়াখানার জীব।

    ট্রামটা বেশ জোরেই চলছিল। ফুর ফুর করে ঠাণ্ডা হাওয়া দিচ্ছে। জুতো দুপাটি খুলে রেখে, পা দুটোকে একটু উঁচু করে সামনে ঠেসিয়ে দয়ের মতো করে বসেছিলুম। ভয়, আবার না ঘুমিয়ে পড়ি। মাঝে মাঝে চোখ বুজে আসছিল। আবার জোর করে চোখ খুলে রাখার চেষ্টা করছিলুম। ঘুম আর জাগরণের মাঝামাঝি একটা জায়গায় নিজেকে রেখে, পথটুকু পার করে দিলুম। ট্রাম প্রায় গন্তব্যস্থলে এসে গেছে। পা নামাতে গিয়ে একটু শঙ্কিত হলুম। এতক্ষণ পা দুটো সিটের মাঝখানে শূন্যে ঝুলছিল, হয়তো রসস্থ হয়ে ফুলে উঠেছে, এখন যদি পা না ঢোকে। ভয়ে ভয়ে পা নামালুম। না কোনও অসুবিধেই হল না। জুতো দুটি পরম করুণাময় ঈশ্বরের কৃপায় একজোড়া খড়মে পরিণত হয়েছে। খুবই সাত্ত্বিক জিনিস। খড়ম পায়েই উঠে দাঁড়ালুম। ট্রামে আর দ্বিতীয় ব্যক্তি নেই। দূরে এক কোণে কনডাক্টর হিসেব মেলাচ্ছে। ব্রহ্মদৈত্যের মতো খড়ম পায়ে খটাস খটাস করতে করতে শেষ ট্রাম থেকে নেমে এলুম। কানে এল কনডাক্টরের মন্তব্য—আজব কলকাতা। কত রকমের ফ্যাশান যে উঠবে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপরমপদকমলে – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    Next Article একা – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    গুহা – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    হর-পার্বতী সংবাদ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    সাজাহানের জতুগৃহ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    শ্রীকৃষ্ণের শেষ কটা দিন – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    মনুষ্যক্লেশ নিবারণী সমিতি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    মধুর এক প্রেমকাহিনি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }